Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sadiur Rahman

Pages: 1 [2] 3 4 ... 13
16
কাট, কপি এবং পেস্টের প্রবর্তক কম্পিউটার বিজ্ঞানী ল্যারি টেসলার মারা গেছেন।
দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ৭৪ বছর বয়সে গত সোমবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এদিকে টেসলারের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল জেরোক্স।

১৯৬০ সালে যখন কম্পিউটারের প্রচলন খুব একটা হয়নি তখনই প্রযুক্তি উপত্যকা খ্যাত সিলিকন ভ্যালিতে কর্মজীবন শুরু করেন ল্যারি টেসলার। স্টিব জবস বা বিল গেটসের মতো খ্যাতিলাভ করতে না পারলেও ল্যারি জনবান্ধব কম্পিউটার সিস্টেম প্রচলনের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে স্বীকৃত তার পরিচিতমহলে।

টেসলারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জেরোক্সের পক্ষ থেকে বলা হয়, ধন্যবাদ তার বৈপ্লবিক চিন্তাকে যেটা আপনার কাজকে আরো সহজ করেছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজ করার সময় তিনি সবসময় ব্যবহারকারীর জন্য সহজ পদ্ধতি উদ্ভাবনের চেষ্টা করেছেন। তেমনই উদ্ভাবন ‘কাট’, ‘কপি’, পেস্ট’ কমান্ড। এ তিন কমান্ডের সুবাদে কম্পিউটারে একটি কাজ একবারেই করে বারবার ব্যবহার করা যায়।

১৯৪৫ সালে নিউইয়র্কে জন্ম নেয়া ল্যারির গ্রাজুয়েশন ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে। এরপর কম্পিউটার সিস্টেমকে জনবান্ধব করার বিষয়ে দক্ষতা অর্জনে তিনি ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনিংয়ে পাঠ নেন

source : https://www.daily-bangladesh.com/164472

17
কিছু কথা আছে যা কর্মক্ষেত্রে আপনি কখনোই বলতে চান না। আপনি জানেন কথাগুলো সত্য কিন্তু এগুলোর এমনই প্রভাব যে উচ্চারণমাত্রই তা উল্টো আপনার জন্য দুঃসময় বয়ে আনতে শুরু করে। আর এগুলোর এমনই বৈশিষ্ট্য যে একবার বলেছেন তো শেষ… আর ফিরিয়ে নেওয়ার উপায় থাকবে না। ওই যেমন… ছুঁড়ে দেওয়া তীর… আর বলে ফেলা কথা আর ফিরিয়ে আনা যায় না।


বরং কথাগুলো আপনার অপারগতা… কিংবা আস্থাহীনতারই প্রকাশ। যা আপনারই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

আপনি যত মেধাবী…কর্মঠ আর আত্মনিবেদিত হোন না কেনো… কিছু কথা আছে যা বলা থেকে আপনাকে বিরত থাকতেই হবে। কারণ এই কথাগুলো ছোট ছোট… আপাতদৃষ্টিতে নির্দোষ মনে হলেও এগুলোর ভেতরের ক্ষমতা এত বেশি ওজনদার যে তা আপনার ক্যারিয়ারেই ধস নামিয়ে ছাড়ে।

তাহলে আসা যাক কথাগুলো কি, সে প্রসঙ্গে-

এক. “এভাবেই বরাবর হয়ে আসছে।” কথাটি বলা মানেই বিপদ। প্রযুক্তি-নির্ভর সময়ে সবকিছু এত দ্রুত বদলে যাচ্ছে যে ছয় মাস আগেও যা যেমন ছিলো এখন তা তেমন নেই। আর এমনই একটি সময়ে আপনি যদি বলেন, ‘এভাবেই হয়ে আসছে’ মানে হচ্ছে আপনি হয় অলস… নয়তো পরিবর্তনের সাথে চলতে ব্যর্থ। আর আপনার বস নিঃসন্দেহে ভেবে বসবেন, আপনি নিজের উন্নয়নে আগ্রহী নন। মনে রাখবেন, যে উপায়ে এতদিন হয়ে আসছে… তার চেয়েও ভিন্ন কোনও এবং আরও উন্নত কোনও পথ রয়েছে কাজটি সুসম্পন্ন করার জন্য।

দুই. “এটি আমার ভুল নয়।” দায়িত্ব এড়ানোর এই কথাটি কখনোই ভালো কিছু নয়। জবাবদিহিতার আওতায় থাকুন। ভুলটি যখন হয়েই যায় তখন তাতে যদি আপনার কোনও ভূমিকা থাকে, হোক তা অতি সামান্যেরও কম, তাও সেটুকুর দায়িত্ব নিন। আর যদি আপনার কোনও ভুলই না থাকে, কি ঘটেছে তার একটি নিরপেক্ষ, নিরাবেগ ব্যাখ্যা তুলে ধরুন। সত্যের প্রতি কঠোর অবস্থানে থাকুন, আর আপনার বস কিংবা সহকর্মীদেরই একটি উপসংহারে পৌঁছুতে দিন। আপনি যখনই অন্যের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ শুরু করবেন, তখন থেকেই অন্যরা আপনার জবাবদিহিতার অভাবকে নির্দেশ করতে থাকবেন। এতে একপর্যায়ে আপনি নিজেই নার্ভাস হয়ে পড়বেন। কেউ কেউতো আপনার এই গা বাঁচানো আচরণের কারণে আপনার সঙ্গ ত্যাগও করে ফেলতে পারে। আর ভবিষ্যতে কি হবে কোনও ভুল হলে তারা আপনাকেই প্রথম দোষারোপ করতে চাইবে।

তিন. “আমি পারি না।” ‘আমি পারি না আর ‘এটা আমার ভুল নয়’ কথাদুটো মাসতুতো ভাইয়ের মতো। মানুষ ‘পারি না’ কথাটি শুনতে চায় না। আর শুনলেই ধরে নেয়, প্রাকারন্তরে এর মানে হচ্ছে- ‘আমি কাজটি করবো না’। আপনি যদি সত্যিই না পারেন, আপনার যদি দক্ষতা নাই থাকে, তখন আপনি কাজটি করার জন্য বিকল্প কোনও প্রক্রিয়ার কথা বলতে পারেন। তবুও ‘পারি না’ কথাটি মুখ দিয়ে উচ্চারণ করবেন না। বরং বলবেন, আপনি কিভাবে পারবেন। ‘কেউ সহযোগিতা করলে নিশ্চয়ই পারবো’… এমনটা বলে কাজের দায়িত্বটি নিয়ে নেওয়াই শ্রেয়।

চার. “এটা ঠিক নয়।” সবাই জানি জীবনে অনেক কিছুই ঘটে যা যথার্থ নয়। কিন্তু আপনি যখন বলবেন, ‘এটা ঠিক নয়’ তার মানে হচ্ছে আপনি ভাবছেন, জীবনের গতি সব সময় ঠিক ঠিক চলতে হবে। এটা আপনার অপরিপক্কতারই প্রমাণ। যদি নিজেকেই খারাপ প্রমাণ করতে না চান তাহলে আপনাকে বাস্তবতায় মানিয়ে নিতে হবে, গঠণমূলক হতে হবে, আর আপনার মনের ব্যাখ্যাটি এর থেকে বাইরে বের করে দিতে হবে। তবে আপনি নিশ্চয়ই জানতে চাইতে পারেন, কেনো এমন একটি সিদ্ধান্ত হলো।

পাঁচ. “এটি আমার কর্মপরিধির মধ্যে পড়ে না।” ব্যস একবার বলেছেন তো মরেছেন। একথা বলা মানেই হচ্ছে যতটাকা মাইনে পান তার মধ্যে যা কিছু আছে কেবল তা করতেই আপনি আগ্রহী। কিন্তু চাকরিটা যদি বাঁচিয়ে রাখতে চান… এমন মনোভাব তার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদের কারণ। আপনার বস যদি আপনাকে কোনও কাজ করতে বলেন আর আপনি যদি ভাবেন এটি করা আপনার জন্য যথার্থ হবে না (নৈতিকভাবে অযথার্থ না হলে) সবচেয়ে ভালো হচ্ছে, আন্তরিকতার সাথে কাজটি শেষ করে ফেলা। এবং পরে, বসের সঙ্গে কথা বলার সময় চেয়ে নিয়ে আপনার মনোভাবটি জানানো। এতে দু’জনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী বোঝাপড়া তৈরি হবে। তখন উভয়ই বুঝতে পারবেন কোন কাজটি আপনার করা উচিত, কোনটি নয়।

ছয়. “হতে পারে এটা একটা ফালতু আইডিয়া…/আমি একটা বোকার মতো প্রশ্ন করতে চাই।” এ ধরনের ভাববাচ্যের কথাবার্তা আপনার গ্রহণযোগ্যতাকেই কমিয়ে দেয়। খুব ভালো একটি আইডিয়া আপনার মাথায়… আর তা শুরুই করলেন এমন একটা কথা বলে… তার মানেই হচ্ছে আপনি আস্থাহীনতায় ভুগছেন। নিজের সমালোচক নিজেই হবেন সেটা ঠিক আছে কিন্তু এই বাজে পন্থায় নয়। আপনি যা বলছেন তা নিয়ে যদি নিজে আস্থাশীল না থাকেন, অন্য কেউ আস্থা পাবেন না। কোনও বিষয় নিয়ে যদি আপনার পূর্ণ আস্থা না থাকে বলতে পারেন, ‘বিষয়টি আমার অল্প জানা, পুরোটা জেনে নিয়ে কথা বলবো।’

সাত. “আমি চেষ্টা করবো।” চিন্তা করছি, চেষ্টা করছি ধরনের কথাগুলো হচ্ছে সম্ভাব্য অর্থে। এর মানে হচ্ছে আপনি আস্থার অভাবে ভুগছেন, আর আপনার কোনও কাজ সুসম্পন্ন করার সক্ষমতা কম। নিজের যতটুকু যোগ্যতা তার পুরোটাতে নিজের আস্থা রাখুন। আপনাকে কিছু করতে বলা হলে তা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করুন, নয়তো ভিন্ন কোন পথে সেটা হতে পারে তা তুলে ধরুন। তবুও বলবেন না, চেষ্টা করবো। কারণ এ কথাটি বলার আরেক অর্থ হচ্ছে আপনি কাজটি করবেন না, চেষ্টাও করবেন না।

আট. “এক মিনিটের মধ্যে করে দিচ্ছি।” কথাচ্ছলে এমনটাই বলি আমরা। কিন্তু জানেনকি, এ কথাটি বলা মানে হচ্ছে আপনার কর্মদক্ষতাকেই ছোট করে দেখার সুযোগ তৈরি করা। আর এও ধারনা দেয় যে, আপনি তড়িঘড়ি করে কাজ করতে পছন্দ করেন। আর আপনি যদি সত্যিই নিশ্চিত হন, ৬০ সেকেন্ডের মধ্যেই কাজটি শেষ হয়ে যাবে… তাও বলুন, কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে না। আর কখনোই কোনও কাজ শেষ করতে যতটা সময় লাগবে তার চেয়ে কম সময়ের কথা বলবেন না… হোক সে কথাচ্ছলে কিংবা অন্যকিছু।

নয়. “কাজটিকে আমি ঘৃণা করি।” কর্মক্ষেত্রে এটাই বুঝি সবশেষ কথা যা কেউ শুনতে চাইবে। এমন একটি কথা আপনাকে স্রেফ নেতিবাচক মনমানসিকতার একজন বলেই চিহ্নিত করবে। আর পুরো কর্মিদলের মনোবলকে অবদমন করবে। আর একটি কথা মনে রাখবেন, আপনার এমন কথায় বসরা সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তখন তিনি বিকল্প খুঁজতে থাকেন। আর নিঃসন্দেহে কোনায় বসা অপর কর্মীটিই সেই বিকল্প।

দশ. “উনি অলস/অযোগ্য/অথর্ব।” সহকর্মীকে নিয়ে এমন মন্তব্য করা স্রেফ নোংরামি। আপনার মন্তব্যটি যদি সঠিক হয়ে থাকে, তাতো সকলেরই জানা থাকার কথা, সেটি বলার কিছু নেই। আর আপনার এই মন্তব্য যদি মিথ্যা বা ভুল হয়, তখন আপনাকেই অথর্ব বলে চিহ্নিত করা হবে। কাজের ক্ষেত্রে কিছু বাজে আচরণের, কিছু পিছিয়ে থাকা মানুষ থাকেই, আর ভালো দিকটি হচ্ছে কারা তারা… তা বোঝার কিংবা চিনে ফেলার সুযোগ থাকে। সবাই তাদের চিনে ফেলে। এ অবস্থায় আপনার যদি তাদের উন্নয়ন ঘটানোর কিংবা তাদের অপসারনের কোনওটির ক্ষমতাই না থাকে… তখন তাদের সে অযোগ্যতাকে ফলাও করে আপনার কোনই ফায়দা নেই। বরং এমন কিছু করলে তা প্রাকারান্তরে আপনার ওপরই কিছু ঝামেলা নিয়ে হাজির হবে। সহকর্মীরা আপনাকেই নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতে শুরু করবে।

Source : https://www.banglanews24.com/health/news/bd/555213.details

18
ইসলাম ধর্মমতে সব ধরনের ইবাদত-বন্দেগি কবুল হওয়ার জন্য রিজিক হালাল হওয়া জরুরি। হালাল রিজিকের প্রভাব শুধু নিজের দুনিয়া ও আখেরাতের সৌভাগ্যের জন্যই যে জরুরি তা নয়, নিজের সন্তানের ওপরও এর প্রভাব থাকে।


 
রুজি-রোজগারে খুব সামান্য, এমনকি বিন্দু পরিমাণ হারামের প্রভাব সন্তানের মাঝে প্রকাশ পায়। মানুষ হিসেবে আমরা ভুল-ক্রুটির ঊর্ধ্বে নই। ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, জেনে না জেনে আমাদের থেকে ভুল আচরণ প্রকাশ পেতেই পারে।

আমাদের জীবনে যদি এ জাতীয় ঘটনা ঘটে থাকে। অর্থাৎ আমরা যদি অন্যের কোনো কিছু ভোগ করে থাকি বিনা অনুমতিতে এবং এ জন্য পরে মালিকের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা না করি- তাহলে অবিলম্বে ক্ষমা বা তার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

যদি মালিক মারা গিয়ে থাকেন তাহলে তার সন্তানদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আর যদি তাদের কাউকেই পাওয়া সম্ভব না হয় তাহলে ওই পরিমাণ সম্পদ তাদের নামে সদকা দেয়া উচিত। সেই সঙ্গে তওবাও করতে হবে, ভবিষ্যতে এ কাজ আর না করার।

বস্তুত আল্লাহর প্রতি দৃঢ়-বিশ্বাস ও ভরসা করাই হচ্ছে খাঁটি মুমিনের বৈশিষ্ট্য। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে কারিমে বলা হয়েছে, ‘তোমরা মন-ভাঙ্গা হয়ো না, হীনবল হয়ো না, তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।’


 
আল্লাহতায়ালা সূরা ইবরাহিমে আরও বলেছেন, ‘যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করো, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।’

তাই সর্বাগ্রে আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। আমাদের প্রচেষ্টা যদি আন্তরিক হয়, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়- তাহলে আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা আমাদের সমস্ত বৈধ বাসনা পূরণ করবেন, আমাদের দোয়াসমূহ কবুল করবেন।

আল্লাহতায়ালা আমাদের সব সমস্যার সমাধান দিতে পারেন এই দৃঢ়-বিশ্বাস আমাদের রাখা উচিত। আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে পথ-নির্দেশনা কামনা করলে, আল্লাহ অবশ্যই তা কবুল করবেন।

আল্লাহর মর্জি হলে, যা ঘটা আপাতদৃষ্টিতে অসাধ্য বলে মনে হয় তাও সাধন সম্ভব। অনেক খোদাভীরু ব্যক্তির কথা জানা যায়, যারা ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বলে নদীর পানির ওপর দিয়ে এমনভাবে হেঁটে নদী পার হয়েছেন যেভাবে আমরা পার হই মাটির রাস্তা। আল্লাহর প্রিয়পাত্রদের জন্য এসব খুবই সাধারণ ঘটনা।

তার মানে এটা নয় যে, সবাইকে পানির ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে হবে। বিষয়টি শুধু শিক্ষা অর্জনের জন্য উল্লেখ করা হলো।

আমাদের সন্তানরা ভালো থাকুক, এটা সবারই কাম্য। কিন্তু তাদের ভালো রাখতে যেয়ে, শান্তি নিশ্চিত করতে তাদের মুখে হারাম খাবার, গায়ে হারাম পোষাক দেওয়া ঠিক হবে না। এটা তাদের ভবিষ্যতকে ধ্বংস করারই নামান্তর।

Source : http://www.bangladeshtimes.net/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%93/

19
অপরিচিত কারও পাঠানো কুইক রেসপন্স (কিউআর) কোড স্ক্যান না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে ডিভাইস থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ গায়েব করে দিতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।

ই–মেইল বা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার জন্য কিউআর কোড পাঠাতে পারে দুর্বৃত্তরা। সম্প্রতি ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।


ভারতীয় পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নবদ্বীপ সিং ভার্ক বলেন, স্মার্টফোন ও মোবাইল পেমেন্টের একাধিক মোডের ব্যবহার বেড়েছে। মোবাইল অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের সুবিধা নিতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা। তাদের জন্য সাইবার প্রতারণার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষকে অনলাইন পেমেন্টের প্রতিটি বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দিতে পারে। এতে সাইবার দুর্বৃত্তদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

এ ধরনের প্রতারণার ক্ষেত্রে দুর্বৃত্তরা অনলাইনে পণ্য বিক্রেতার ছদ্মবেশে কিউআর কোড পাঠায়। অনলাইনে অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে ওই কিউআর কোড স্ক্যান করা জরুরি বলে দাবি করে তারা। ওই কোড স্ক্যান করলেই অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ হাওয়া হয়ে যায়। তাই অপরিচিত কোনো উৎস থেকে পাওয়া ই–মেইল, হোয়াটসঅ্যাপ, টেক্সট বার্তা বা কিউআর কোড স্ক্যান করবেন না।

Source : https://www.prothomalo.com/technology/article/1639903/

20
ঋতু পরিবর্তনর সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরেও নানা পরিবর্তন ঘটে। নানা রোগে আক্রান্তও হতে হয় এই পরিবর্তনের ফলে। বিশেষ করে শীতে ঠাণ্ডা, কাশি লেগেই থাকে। সঙ্গে বাড়ে টনসিলের ইনফেকশনও।
যা খুবই যন্ত্রণাদায়ক। এটি ছোট-বড় উভয়েরই হয়ে থাকে। জানেন কি, এর উপশমে লেবু খুবই কার্যকরী। লেবু হচ্ছে প্রাকৃতিক এন্টিসেপ্টিক। ফলে নানান রোগ সারাতে লেবু জাদুর মতো কাজ করে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কোন পদ্ধতিতে লেবু খেলে তিন দিনেই টনসিলের ইনফেকশন সেরে যাবে- 

প্রথমে একটি পাত্র নিন। এতে পরিমাণ মতো এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল, লেবুর রস ও মধু নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি হালকা আঁচে গরম করুন। গরম হলে মিশ্রণটি চুলা থেকে নামিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি ঠাণ্ডা করে নিন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে মিশ্রণটি একটি কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ করুন। এটি একটি প্রাকৃতিক সিরাপ। প্রতিদিন তিন বার এক টেবিল চামচ সিরাপ গরম পানিতে মিশিয়ে পান করুন। টনসিলের ইনফেকশন সারাতে এই সিরাপটি দারুণ কার্যকরী। দেখবেন এই সিরাপ পানে তিন দিনেই টনসিলের ইনফেকশন সেরে যাবে।

Source : https://www.daily-bangladesh.com/162604

21
Internet / গুগল ম্যাপে বড় পরিবর্তন
« on: February 08, 2020, 02:28:08 PM »
রাত পোহালেই ১৫ বছরে পা দেবে গুগল ম্যাপস। শনিবার থেকেই বদলে যাচ্ছে গুগল ম্যাপের আইকন ও ইউজার ইন্টারফেস। এছাড়া আরো বেশ কয়েকটি ফিচারেও পরিবর্তন আসছে।
গুগলের ম্যাপের আইকনে এখন থেকে পিনের ছবি দেখা যাবে। পরিবর্তন আসছে অ্যাপটির এক্সপ্লোর, কমিউট ও ফর ইউ ট্যাবগুলোতেও। নতুনভাবে যুক্ত হচ্ছে সেভড, কন্ট্রিবিউট ও আপডেটস নামের তিনটি অ্যাপ। সব মিলিয়ে ট্যাবের সংখ্যা পাঁচটিতে দাঁড়াবে।

শুধু পরিবর্তন নয়, নতুন সুবিধাও যোগ হচ্ছে গুগল ম্যাপে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- অ্যানিমেল গাইড। এআরভিত্তিক থ্রিডি ভিজ্যুয়াল ডিরেকশন ফিচারটিতে একটি কুকর পথ দেখানোতে সাহায্য করবে। গন্তব্য নির্দিষ্ট করে দিলে কুকুরটি ডানে বামে বা সোজা এগিয়ে পথ দেখিয়ে দেবে। এছাড়া পরিবহনে তাপমাত্রা জানাবে নতুন আরেকটি ফিচার।

গুগল ম্যাপস চালু হয়েছিলো ২০০৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। এরপর থেকেই বেশ দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে গুগলের এ সেবা। তবে অসংখ্য মানুষকে অসুবিধায়ও পড়তে হয়েছে গুগল অ্যাপের নির্দেশনা মেনে।


Source : https://www.daily-bangladesh.com/161778

22
বর্তমানে স্মার্টফোন ছাড়া একটি দিনও কল্পনা করা যায় না। প্রয়োজনেই এর ব্যবহার। কিন্তু অনেকে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করেন এর পেছনে। আর তাতেই ঘটতে পারে মারাত্মক বিপদ। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আপনার চোখ। চাপ পড়ে মানসিক অবস্থার উপরেও।

জেনে নিন স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকার কিছু উপায়-

ফোন থাকবে ‘গ্রেস্কেল’ মোডে: অ্যাপ স্টোরে খুব শীঘ্রই পাওয়া যাবে ‘গো গ্রে’ নামক একটি অ্যাপ। এই অ্যাপ সাহায্য করবে ফোনকে নির্ধারিত সময়ে গ্রেস্কেল মোডে রাখতে, যা ফোনের ব্রাইটনেস কম রাখবে। ফলে চোখের উপর চাপও কম পড়বে।


ডিলিট করুন বেশি ব্যবহৃত অ্যাপগুলো: মোবাইল অ্যাপগুলো বানানোই হয় যাতে আপনি আপনার অধিকাংশ সময় কাটান সাধের ফোনটির সঙ্গে। অ্যাপের পরিবর্তে ব্যবহার করুন ওয়েবসাইট। ফোন থেকে মুছে দিন সেইসব অ্যাপ যেগুলো বেশি ব্যবহার করে থাকেন।

অফ করে রাখুন পুশ নোটিফিকেশন: আপনার ফোনের ‘ডু নট ডিসটার্ব’ অপশনে গিয়ে সেটাকে অন করে দিন। এছাড়া আপনি যদি হন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী প্রথমে ফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে অ্যাপ ও নোটিফিকেশন বার খুলুন। রিসেন্টলি সেন্ট বলে একটি অপশন আসবে সেখান থেকে আপনার পচ্ছন্দসই অ্যাপটি বেছে তার সেটিং পরিবর্তন করুন। তাহলেই বারবার ফোন খুলে দেখার ঝক্কি কমে যাবে, রেহাই পাবে আপনার চোখও।


বদল করুন রাউটারের সেটিং: ফোনের অ্যাপের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন ইন্টারনেট সংযোগকে যা আপনাকে কিছুক্ষণের জন্য দূরে রাখবে আপনার ফোনের থেকে।

ব্যবহার করুন স্মার্ট ওয়াচ: ফোন আসার পর থেকেই সময় দেখার জন্য ঘড়ির বদলে মুঠো ফোনকেই বেছে নিয়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। ফোনের পরিবর্তে ব্যবহার করুন ‘স্মার্ট ওয়াচ’। স্মার্ট ওয়াচের স্ক্রিন ফোনের চাইতে বেশ ছোট তাই ভয়ের আশঙ্কাও নেই।

ব্যবহার করুন ইয়ার প্যাড: ফোনের থেকে নিজেকে দূরে রাখতে ব্লুটুথ হেডফোন বা ইয়ার প্যাডের ব্যবহার করুন।

Source : https://www.jagonews24.com/technology/news/555972

23

ন্যাচারাল জাস্টিস বা প্রকৃতির বিচারে আমি বিশ্বাস করি। কোনো অন্যায় প্রকৃতি সহ্য করে না। অন্যায় কাজ করলে প্রকৃতি তার বিচার করে। সেই বিচার দুনিয়াতেই হয়। পরজগতের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। নিজের উন্নতির জন্য ঈর্ষা করা যায়। কিন্তু হিংসা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়।

ধরা যাক, নবীন ক্লাসের ফার্স্টবয়। রবি সেকেন্ড বয়। রবি নবীনকে ঈর্ষা করতেই পারে। বলতে পারে, ইস! আমি কেন ফার্স্ট বয় না? আমাকে ফার্স্ট হতেই হবে। তারপর সে যদি আরো বেশি লেখাপড়ায় মনোযোগী হয় সেটা তার জীবনের জন্য কাজে দেবে। এ ধরনের ঈর্ষা জীবন বদলে দিতে পারে। কিন্তু রবি যদি ভাবে নবীনকে এই স্কুল থেকে তাড়াতে হবে। তা না হলে আমি ফার্স্ট হতে পারব না।

এ কারণে রবি যদি হিংসাত্মক কাজ করে কিংবা নবীনের কোনো অনিষ্ট করে তাহলে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের অপরাধের বিষয়ে কেউ জানুক বা না জানুক প্রকৃতি তো জানবে! প্রকৃতি এর বিচার করবে। নবীনের অনিষ্ট করে রবি হয়তো ক্লাসে ফার্স্ট হতে পারে। তা কিন্তু বেশিদিন স্থায়ী হবে না। আর ফার্স্ট হলেও তার জীবনের জন্য ভালো কিছু হবে না।

ফার্স্ট পজিশনের জন্য চেষ্টা করতে হবে। মনে রাখতে হবে, ক্লাসে যে ফার্স্ট হয় সে বিশেষ কোনো মেধা নিয়ে জন্মায় না। তার প্রচেষ্টার গুণেই সে ফার্স্ট হয়। সে নিয়মিত ক্লাস করে। সে পড়ায় ফাঁকি দেয় না। সে নিয়মিত হোমওয়ার্ক করে। সে সময়ের কাজ সময়ে করে। এ কারণেই সে এগিয়ে যায়।

ছাত্রজীবন থেকেই যারা সততা, নিয়মানুবর্তিতার মধ্য দিয়ে নিজেদের তৈরি করে তারাই সারাজীবন শৃঙ্খলা মেনে চলে। তারা কখনো ব্যর্থ হয় না। জীবনে তারাই প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। আগেকার দিনে মুরুব্বিরা বলতেন, অন্যের জন্য যে কুয়া কাটে সেই কুয়াতে সে নিজেই পড়ে। এর অর্থ হচ্ছে, অন্যের অনিষ্ট করলে তা বুমেরাং হয়। যে কোনোভাবে নিজেকেই অনিষ্টের শিকার হতে হয়। মানুষ নিজেও জানে না, কোথা থেকে কি হয়ে যায়। এসবই হচ্ছে প্রকৃতির বিচার।

কর্মক্ষেত্রেও অনেকে আছেন, যারা অন্যের ক্ষতির চিন্তা করেন। অমুক তর তর করে ওপরে উঠে যাচ্ছে। ওকে টেনে-হিঁচড়ে নীচে নামাতে হবে। এ ধরনের চিন্তা করাও অপরাধ। প্রতিটি মানুষই তার কর্ম দিয়ে ওপরে ওঠার সিঁড়ি তৈরি করে। কাজ না করলে তার জন্য সিঁড়ি তৈরি হয় না। সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে সে ওপরে উঠবেই। তাকে কেউ চেষ্টা করলেও নীচে নামাতে পারবে না।

আমি অনেক কর্মপাগল মানুষকে দেখেছি, যারা নিজের কাজটাকে ইবাদতের মতো পবিত্র মনে করেন। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের কাজটা করেন। তারা কাজ ছাড়া কিছুই বোঝেন না। তারা কখনোই অন্যের ক্ষতির করার কথা ভাবেন না। বরং অন্যকে সম্ভব হলে সহায়তা করেন। তারা হয়তো নিজের কর্মস্থলে মূল্যায়ন পাননি। কিন্তু অচিরেই দেখা গেছে, অন্যত্র তারা কল্পনাতীত মূল্যায়ন পেয়েছেন। তারা হয়তো তা চিন্তাও করেননি।


Source : উদ্যোক্তার খোঁজে  (http://gg.gg/gimkt) [/size]

24
Character rigger. / How To Create Facial Animation in Maya part-1
« on: February 02, 2020, 03:13:16 PM »
How To Create Facial Animation in Maya part-1




25
উচ্চ রক্তচাপ ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের কোনো প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায় না। নীরবে উচ্চ রক্তচাপ শরীরের বিভিন্ন অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এ জন্যই উচ্চ রক্তচাপকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা যেতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত ও চিকিৎসাবিহীন উচ্চ রক্তচাপ থেকে মারাত্মক শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, শরীরে রক্তচাপ বাড়ার মূল কারণ অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। এ ছাড়া খাদ্যতালিকায় অবশ্যই পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। আধুনিক জীবনে কাজের চাপ, দুশ্চিন্তা, বিভিন্ন ব্যস্ততার জাঁতাকলে রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যেতেই পারে।

বর্তমানে বয়স ৩০ পেরোলেই ঝুঁকি বাড়ে উচ্চ রক্তচাপের। উচ্চ রক্তচাপে হার্টঅ্যাটাক-স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

কত থাকলে ভালো?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একজন সুস্থ ব্যক্তির রক্তচাপের স্বাভাবিক মাপ হিসেবে ১২০/৮০-কে নির্দিষ্ট করে। পরে জীবনযাপনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই অঙ্কই তারা বাড়িয়ে ১৩০ করে।

সম্প্রতি প্রকাশিত আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্দেশিকা অনুযায়ীও এই মাপকে ১৩০ ধরা হয়েছে।
তবে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৪০ পর্যন্ত চাপ উঠলেও শঙ্কার কারণ নেই। তার চেয়ে বেশি থাকলে তবেই তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলা যাবে।

কী করবেন?

১. বয়স ৩০ পেরোলেই নিয়ম করে রক্তচাপ মেপে চলুন। বাড়িতে এই যন্ত্রও কিনেও রাখতে পারেন।

২. ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান, লাগামছাড়া চা-কফি খাবেন না।

৩. মাসে এক আধবার ২-৩ টুকরো পাঁঠার মাংসে কোনো ক্ষতি নেই।

৪. বিরিয়ানির মাংস খেলে ক্ষতি নেই। তবে মাংসের ঝোল খাবেন না। মাংসের ঝোলে মাংসের ফ্যাট মিশে থাকে, আর আমরা মাংস কম খেয়ে ঝোলটুকুই বেশি খাই।

৫. সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খান। জোর দিন পটাশিয়ামসমৃদ্ধ ফলমূলের ওপর।

৬. ব্লাডপ্রেশার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের অন্য কোনো সমস্যা বাড়ছে কিনা সে দিতে খেয়াল রাখুন।

৭. লবণ কম খান। সোডিয়ামসমৃদ্ধ খাবারেও না খাওয়ার অভ্যাস করুন।

৮. ডায়েট থেকে ফ্যাটও একেবারে বাদ নয়। কারণ শর্করা ও প্রোটিনের পাশাপাশি ফ্যাটও দরকার শরীরে।



সুত্র ঃ https://www.jugantor.com/lifestyle/274089/

26
বিস্তারিত পুড়ুন এই লিঙ্ক এঃ

http://gg.gg/gg0bz

27
রাজধানীর আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রবাড়ী পাসপোর্ট অফিসে প্রথমে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ২০২০ সালের মধ্যেই সারাদেশে চালু হবে এই পাসপোর্ট সেবা। প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে।

নতুন প্রযুক্তির এই পাসপোর্ট কিভাবে পাওয়া যাবে?

ই-পাসপোর্টের আবেদন:

অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে নতুন পাসপোর্টের জন্য। সেক্ষেত্রে আগেই ব্যাংকের অনলাইন মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে ব্যাংক থেকে সরবরাহ করা রেফারেল নম্বর কোডটি ব্যবহার করতে হবে অনলাইন আবেদন ফরমে। আবার কেউ চাইলে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড দিয়েও পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন। প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে সাবমিট করার পর প্রিন্ট কপি নিতে হবে। সেই কপি স্ব-শরীরে গিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হবে। আবেদন ফরমে ছবি ও সত্যায়ন করা না লাগলেও পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে।

অনলাইনে পূরণ না করে PDF ফরম ডাউনলোড করে হাতেও পূরণ করা যাবে। ফরম পূরণের সময় ছবি সত্যায়ন করতে হবে না। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় ই-পাসপোর্টের জন্য ডেমোগ্রাফিক তথ্য, ১০ আঙুলের ছাপ, চোখের কর্নিয়ার ছবি ও ডিজিটাল সই সংগ্রহ করবে পাসপোর্ট অফিস। এসব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ডাটা সেন্টার ও ডিজ্যাস্টার রিকভারি সেন্টারের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পাসপোর্টের আবেদনকারীদের পাসপোর্ট দেওয়ার জন্য পার্সোনালাইজেশন সেন্টারে পাসপোর্ট প্রিন্টিংয়ের পর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও দূতাবাসগুলোয় পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে। সব তথ্য চিপে যুক্ত থাকবে। ইমিগ্রেশন পুলিশ বিশেষ যন্ত্রের সামনে পাসপোর্টের পাতাটি ধরতেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।

কত টাকা ও কত দিনে হাতে পাবো ই-পাসপোর্ট?

নিম্নোক্ত হারে পাসপোর্ট ফি প্রযোজ্য হবে (ভ্যাটসহ) :
৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৪০২৫/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ৬৩২৫/- টাকা
অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ৮৬২৫/- টাকা

১০ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৫,৭৫০/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ৮,০৫০/- টাকা
অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ১০,৩৫০/- টাকা

৫ বছর মেয়াদী ৬৪ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৬৩২৫/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ৮৬২৫/- টাকা
অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ১২০৭৫/- টাকা

১০ বছর মেয়াদী ৬৪ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৮,০৫০/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ১০,৩৫০/- টাকা
অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ১৩,৮০০/- টাকা

তবে পুরনো অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার ক্ষেত্রে অতি জরুরি পাসপোর্ট দু’দিনে, জরুরি পাসপোর্ট তিন দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট সাত দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য যে, ছবিতে বর্ণিত টাকার পরিমান ভ্যাট ছাড়া এবং উপরে বর্ণিত টাকার পরিমান ভ্যাটসহ।

Source : https://www.news24bd.tv/details/28409/%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F-

28
জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত সাতটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে 'সিনিয়র অফিসার' পদে সমন্বিতভাবে মোট ৭৭১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
Bangladesh Bank BB Job Circular 2020
Post Name :Senior Officer
Number of Post :771
News Link: https://erecruitment.bb.org.bd/career/jan202019_bscs_6.pdf

29
আজকাল অনেকেই ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন। লিভারে চর্বি জমে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। মুঠো ভরে ওষুধ খেয়ে এই সমস্যা দমিয়ে রাখেন সবাই।
তবে প্রাকৃতিকভাবেও যে লিভার পরিষ্কার করা সম্ভব তা অনেকেরই অজনা। এজন্য দরকার স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলা। আপনি জানেন কি? এই সমস্যার সমাধান রয়েছে তেঁতুলে।

যেকোনো ধরনের লিভারের সমস্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে তেঁতুল। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর সব পদার্থ বের করে দেয়। সেইসঙ্গে হজম প্রক্রিয়াও তরান্বিত করে। তেঁতুল লিভার সুরক্ষায় বেশ কার্যকর। এটি খারাপ কোলেস্টেরল ধ্বংস করে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।

লিভার সুস্থ রাখতে তেঁতুল যেভাবে ব্যবহার করবেন-

দুই মুঠো খোসা ছাড়ানো পাকা তেঁতুল নিন, সঙ্গে এক লিটার পানি ও মধু। একটি ব্লেন্ডারে তেঁতুল ও পানি মিশিয়ে ভালো করে ব্লেড করুন। এরপর মিশ্রণটি ছেঁকে নিন। সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয়টি সারাদিন সংরক্ষণ করতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এই পানীয়টি পান করতে হবে।

তেঁতুলের পানীয়
তেঁতুলের পানীয়

এবার জেনে নিন কেন আপনি এই তেঁতুল পানীয়টি প্রতিদিন পান করবেন?

১. তেঁতুলে থাকা ল্যাক্সেটিভ উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর।

২. এই পানীয় শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের করতে সক্ষম। এজন্য লিভারে জমা ফ্যাট গলে যায়। এতে করে আপনার লিভারের বয়স ২০ বছরের মতোই তরুণ থাকবে।

৩. কোলন ক্যান্সারের সমস্যায় অনেকই ভুগে থাকেন। জানেন কি? তেঁতুলের এই পানীয় আপনার কোলনকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে।

৪. উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে তেঁতুলে। এটি আপনার ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবে।

৫. হৃদরোগের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করবে তেঁতুলের এই পানীয়। কারণ এতে থাকা উপকারী উপাদানসমূহ খারাপ কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে ধ্বংস করে।

Source : https://www.jagonews24.com/country/news/553741?fbclid=IwAR0lHqBIwupwhuyEVb7oJZOpEO19Tm1YPXFBxPNoK-q0SBpli3mw4-lP1Ko

30
আপওয়ার্ক হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অনলাইন ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস। শুরুতে এটি ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল যা পরে নাম পরিবর্তন করে অন্য একটি মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের সাথে একীভূত হয় আপওয়ার্ক নাম ধারণ করে। যারা অনলাইনে কাজ করেন তাদের অনেকেরই স্বপ্ন থাকে আপওয়ার্কে একটি একাউন্ট খুলে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার। আবার এমন কেউ কেউ আছেন যারা আপওয়ার্ককে খুব একটা পছন্দ করেন না।

বাস্তবতা হচ্ছে, আপনি পছন্দ করেন বা না করেন, আপওয়ার্ককে কেউই অস্বীকার করতে পারবেন না; কারণ এর ব্যাপ্তি ও প্রভাব অনেক বেশি। হয়ত আপনি যতটা চিন্তা করতে পারবেন তার থেকেও! বড় বড় কোম্পানি যেমন মাইক্রোসফট, অটোম্যাটিক, এরাও কোনো কোনো ক্ষেত্রে আপওয়ার্ক এর ক্লায়েন্ট।
একজন ফ্রিল্যান্সার এর কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল ক্লায়েন্ট খুঁজে বের করা। আপওয়ার্ক এর মত প্লাটফর্ম ক্লায়েন্ট এবং ফ্রিল্যান্সার উভয়ের জন্যই একে অপরকে খুঁজে পাওয়ার ব্যাপারটা সহজ করে দেয়। বাড়তি আয় হোক, কিংবা প্রধান জীবিকা- আপওয়ার্কে সব ধরনের ফ্রিল্যান্সারই রয়েছেন।

আপওয়ার্ক কী এবং কীভাবে কাজ করে?
আপওয়ার্ক কী এটা ইতোমধ্যেই বলে ফেলেছি। আপওয়ার্কে ফ্রিল্যান্সারগণ তাদের প্রোফাইলে নিজেদের কাজ, অভিজ্ঞতা এসব তুলে ধরেন। ক্লায়েন্টরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কাজের বিবরণ এবং এর জন্য তারা কত সম্মানী প্রদান করবেন তা উল্লেখ করে আপওয়ার্ক এ পোস্ট করেন। এরপর ফ্রিল্যান্সাররা কাজের তালিকা থেকে নিজেদের অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে কাজের জন্য প্রপোজাল পাঠান।

ক্লায়েন্টরা আগ্রহী ফ্রিল্যান্সারের তালিকা থেকে তাদের পছন্দের এক বা একাধিকজনকে নির্বাচন করে চুক্তিবদ্ধ হন। আবার ক্লায়েন্ট চাইলে কোনো ফ্রিল্যান্সার এর প্রোফাইল দেখে তাকে কাজের জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।
সহজ কথায়, আপওয়ার্ক এর কাজ হল ফ্রিল্যান্সার এবং ক্লায়েন্টের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা। পুরো প্রক্রিয়াটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপওয়ার্ক প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হয়।

ফ্রিল্যান্সারকে তাদের পারিশ্রমিক আপওয়ার্ক এর সাথে ভাগ করে নিতে হয়। কোনো নির্দিষ্ট বায়ার/ক্লায়েন্টের কাছ থেকে একজন ফ্রিল্যান্সারের প্রথম ৫০০ ডলার আয়ের ২০% অর্থ ফি হিসেবে কেটে নেয় আপওয়ার্ক। একই কন্ট্রাক্টে ৫০১ থেকে ১০ হাজার ডলার আয়ের মধ্যে ১০% যায় আপওয়ার্ক এর ভাগে। আর সেই কন্ট্রাক্টে ফ্রিল্যান্সারের আয়ের পরিমাণ ১০ হাজার ডলারের বেশি হলে তার থেকে ৫% পায় আপওয়ার্ক। অর্থাৎ, আয় যত বেশি হবে এবং যত বেশি দীর্ঘমেয়াদী ক্লায়েন্ট-ফ্রিল্যান্সার সম্পর্ক হবে, তত কম ফি চার্জ হবে ফ্রিল্যান্সারের একাউন্টে। এছাড়া, বায়ারের দিক থেকেও বিভিন্ন প্ল্যানে বিভিন্ন রকম ফি নেয় আপওয়ার্ক।

আপওয়ার্ক এ কাজের প্রকারভেদ
ফ্রিল্যান্সিং এর উপর ভিত্তি করে চালিত আপওয়ার্ক এ বিভিন্ন ধরনের কাজের দেখা মিলবে। মূলত শিল্প এবং দক্ষতাভিত্তিক কাজই এখানে গুরুত্ব পায়। আপওয়ার্ক এ যেসব কাজের দেখা মিলবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য মূল ক্যাটেগরিগুলো নিম্নরূপঃ

ফটোগ্রাফি এবং এডিটিং
ভিডিও প্রোডাকশন
ওয়েব ডিজাইন
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)
মার্কেটিং
সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট
গ্রাফিক ডিজাইন
প্রোগ্রামিং
সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট
লিটারেচার (লেখা ও এডিটিং)
কপিরাইটিং
এডভার্টাইজিং
টিচিং
অনুবাদ করা
কন্ঠ প্রদান (ভয়েস ওভার)
আর্ট ডিরেকশন
সাপোর্ট, ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট


আপওয়ার্ক ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ দুই মাধ্যমেই একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট ও জব অ্যাপ্লাই/মেসেজিং করা যায়। এছাড়াও তাদের পেমেন্ট সিস্টেম অনেকটাই নিরাপদ। আপওয়ার্কে ফিক্সড প্রাইস এবং ঘন্টা হিসেবে (আওয়ারলি) পারিশ্রমিকে কাজ পাওয়া যায়। এগুলো নিয়ে অন্য একটি পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করার আশা রাখছি।

আপওয়ার্ক আপনার আয়ের একটি ভালো অংক কেটে নিবে, কিন্তু এত বিশাল একটি ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ পাওয়াও সহজ ব্যপার নয়। আপওয়ার্ক আপনাকে ক্লায়েন্ট খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে তারা যে লভ্যাংশ গ্রহণ করছে, তা যদি আপনি মেনে নিতে পারেন তবে আপওয়ার্ক এর মাধ্যমে কাজ করা আপনার জন্য তেমন একটা অসুবিধার হবেনা।

আপওয়ার্ক এ কীভাবে একাউন্ট খুলতে হয়?

আপনি যদি আপওয়ার্ক এ কাজ করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে নিম্নোক্ত ভাবে সাইন আপ করবেন –

১. আপওয়ার্ক এর সাইন আপ পেজ এ প্রবেশ করুন।

২. আপনি চাইলে এই কাজে তাদের এন্ড্রয়েড এপ ও ব্যবহার করতে পারেন। তবে সাইন আপ কর‍তে গেলে আপনাকে পূর্বে উল্লেখিত পেজে রিডিরেক্ট করা হবে।

৩. প্রয়োজনীয় সব তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করুন।

৪. ইমেইল এবং ফোন নম্বর সঠিকভাবে ভেরিফাই করুন।

৫. সব তথ্য সঠিকভাবে লেখা হয়ে গেলে এবার সাবমিট বাটন চাপুন।

উল্লিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনি সফল ভাবে আপওয়ার্ক এর একজন মেম্বার হয়ে যাবেন। তবে একাউন্ট এপ্রুভ হওয়া পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।

সফলভাবে আপওয়ার্ক একাউন্ট তৈরী করার পর আপনি নিন্মোক্ত ব্যাপারগুলো অনুসরণ করতে পারেন। এতে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

এই লিংকে প্রবেশ করে আপনার আইডি ভেরিফাই করুন।
আপনার প্রোফাইলে পূর্বে করা কাজসমূহের অভিজ্ঞতা এবং বিবরণ উল্লেখ করুন।
ভিউ প্রোফাইল অপশনে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় সব তথ্য পূরণ করুন।
আপনার দক্ষতার উপর ভিত্তি করে আপনার প্রোফাইল ডিজাইন করুন।
আপওয়ার্ক এর ফ্রিল্যান্সার এডুকেশন সেন্টার এ ঘুরে আসতে পারেন।

আপওয়ার্ক মেম্বারশিপ এবং কানেক্টস

ক্লায়েন্টকে কাজের প্রোপোজাল পাঠাতে আপনার কানেক্টস এর প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ এখানে কানেক্টস অনেকটা টোকেন এর মত কাজ করে। প্রতিটা জবের জন্য বিড করতে ১ থেকে ৬ পর্যন্ত কানেক্টস এর প্রয়োজন পড়ে। তবে প্রজেক্ট বাতিল হলে আপনি আপনার কানেক্টস ফেরত পাবেন।

আপওয়ার্ক এ সাইন আপ করার পর আপনি কিছু কানেক্টস ফ্রি পাবেন। তবে সেগুলো কিছুদিনের মধ্যে ফুরিয়ে যাবে। আপনি যদি আপওয়ার্ক এর ফ্রি মেম্বারশিপ প্ল্যান ব্যবহার করে থাকেন, তবে প্রতিটি কানেক্ট এর জন্য আপনাকে ০.১৫ ডলার খরচ করতে হবে।

তবে যারা ১৪.৯৯ ডলারের বিনিময়ে মাসিক মেম্বারশিপ প্ল্যানে সাবস্ক্রাইব করবেন, তারা ৭০ কানেক্টস ফ্রি পাবেন। পাশাপাশি আরও কিছু বাড়তি সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এই প্ল্যানে। আপওয়ার্ক কানেক্টস সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের এই পোস্টটি পড়ুন।

আপওয়ার্ক এ কীভাবে কাজ পাবেন?

১. আপওয়ার্ক সাইটে বা অ্যাপে লগইন করে “ফাইন্ড ওয়ার্ক” ট্যাবে প্রবেশ করে ফিড থেকে আপনার পছন্দের কাজ খুঁজে নিন। এছাড়াও সার্চ করে কাজের কাজ খুঁজে নিতে পারেন।

২. পছন্দনীয় কাজ খুঁজে পেলে কাজের বিবরণ পড়ুন।

৩. “সেন্ড এ প্রপোজাল” বাটন এ ক্লিক করুন।

৪. এই সেকশনে আপনি নিজের পরিচয়, কাজের অভিজ্ঞতা এবং আশানুরূপ সম্মানী এসব বিষয় উল্লেখ করবেন।

৫. যদি ক্লায়েন্ট আপনার সাথে কাজ করতে আগ্রহী হন, তাহলে তিনি আপনার সাথে মেসেজে যোগাযোগ করবেন।

৬. দুই পক্ষের সম্মতি হলে কাজ নিয়ে চুক্তি হয়।

আপওয়ার্ক এ বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট নেয়ার অপশন রয়েছে। আরও জানতে আপওয়ার্ক এর পেমেন্ট সম্পর্কিত পেজটি ঘুরে আসতে পারেন।

পরামর্শ



1.একটি সুন্দর দেখতে প্রোফাইল পিকচার সেট করুন।
2.আপনার প্রোফাইল সকল তথ্য দিয়ে সম্পূর্ণভাবে পূরণ করুন।
3.প্রোপোজাল প্রেরণ বা জবের জন্য বিড করার সময় নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে সঠিকভাবে তুলে ধরুন।
4.আপওয়ার্ক এর লোকাল ইভেন্টগুলোতে অংশ নিন।
5.ক্লায়েন্ট এর মেসেজ এ যথাসময়ে সঠিকভাবে সাড়া দিন।
6.নিজের কাজের যথাযত মর্যাদা নিশ্চিত করুন। সচেতন থাকুন যাতে কেউ আপনাকে ঠকাতে না পারে।
7.সবসময় সততা অবলম্বন করুন।
8.নিজের দক্ষতা সম্পর্কে বাড়িয়ে বললে সেটা আপনার আপওয়ার্ক ক্যারিয়ারের জন্য ক্ষতিকর হবে।


একজন ব্যক্তির জন্য আপওয়ার্ক একটাই একাউন্ট ব্যবহারের অনুমতি দেয়। একাধিক একাউন্ট খুললে ব্যান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Source : https://banglatech24.com/1215863/how-to-start-online-earning-with-upwork/

Pages: 1 [2] 3 4 ... 13