Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sadiur Rahman

Pages: 1 ... 11 12 [13]
181
এখন আমরা প্রায় সকলেই জানি নকল বা কৃত্রিম ডিমের কথা। অনেকেই বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেও এখন আর সেটা গুজবের পর্যায়ে নেই। কেননা খোদ বাংলাদেশেই নকল ডিম কেনার ও খাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের হয়েছে। এবং আক্ষরিক অর্থেই চিন থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ডিম ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশে-ভারত-মায়ানমার সহ আশেপাশের অনেক দেশেই।

মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্নিং নিউজ এজেন্সি-সহ বেশ কয়েকটি বিদেশি সম্প্রতি জানিয়েছে যে, মায়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনসহ ওই দেশের বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চিন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হচ্ছে। চোরাপথে সেই ডিম ভারত-সহ আশপাশের অন্যান্য দেশেও সয়লাব হয়েছে নকল ডিমে। যা দেখতে একদম হাঁস-মুরগির মতো।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে। তাতে অবশ্য একথাও বলা আছে যে, কৃত্রিম ডিমে কোনও খাদ্যগুন নেই। নেই কোনও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। চীনে তৈরি হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এই ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।

কীভাবে চিনবেন নকল ডিম?
১. কৃত্রিম ডিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। এর খোসা অল্প চাপেই ভেঙে যায়।
২. এই ডিম সিদ্ধ করলে কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়।
৩. ভাঙার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে খানিকটা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় পুরো কুসুমটাই নষ্ট ডিমের মত ছড়ানো থাকে।
৪. কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড়
৫. এর খোলস খুব মসৃণ হয়। খোসায় প্রায়ই বিন্দু বিন্দু ফুটকি দাগ দেখা যায়।
৬. রান্না করার পর এই ডিমে অনেক সম্যেই বাজে গন্ধ হয়। কিংবা গন্ধ ছাড়া থাকে। আসল কুসুমের গন্ধ পাওয়া যায় না।
৭. নকল ডিমকে যদি আপনি সাবান বা অন্য কোন তীব্র গন্ধ যুক্ত বস্তুর সাথে রাখেন, ডিমের মাঝে সেই গন্ধ ঢুকে যায়। রান্নার পরেও ডিম থেকে সাবানের গন্ধই পেতে থাকবেন।
৮. নকল ডিমের আরেকটি উল্লেখ্যযোগ্য লক্ষণ হলো ডিম দিয়ে তৈরি খাবারে এটা ডিমের কাজ করে না। যেমন পুডিং বা কাবাবে ডিম দিলেন বাইনডার হিসাবে। কিন্তু রান্নার পর দেখবেন কাবাব ফেটে যাবে, পুডিং জমবে না।
৯. নকল ডিমের আকৃতি অন্য ডিমের তুলনায় তুলনামূলক লম্বাটে ধরণের হয়ে থাকে।
১০. নকল ডিমের কুসুমের চারপাশে রাসায়নিকের পর্দা থাকে বিধায় অক্ষত কুসুম পাওয়া গেলে সেই কুসুম কাঁচা কিংবা রান্না অবস্থাতে সহজে ভাঙতে চায় না।

Source : http://www.bd24live.com/bangla/article/35546/index.html#sthash.rFVoYc13.dpuf

182
Internet / 40 years of MICROSOFT
« on: April 05, 2015, 09:41:04 AM »

184
Internet / Neck & Shoulder Pain ?
« on: April 05, 2015, 09:24:17 AM »

185
MCT / থ্রিডি প্রিন্টার
« on: April 02, 2015, 10:48:37 AM »
থ্রিডি প্রিন্টিং (ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ) বা যুত উৎপাদন এমন একটি প্রক্রিয়া যাতে ডিজিটাল মডেল থেকে কার্যত যে কোন আকৃতির ত্রিমাত্রিক কঠিন বস্তু তৈরী করা যায়। যুত প্রক্রিয়ায় থ্রিডি প্রিন্টিং করা হয় যাতে ধাতু বা অন্যবস্তুর স্তর ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন আকৃতিতে একটি ওপর আরেকটি যুক্ত হতে থাকে। প্রথাগত যান্ত্রিক উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে থ্রিডি প্রিন্টিং স্বতন্ত্র হিসেবে বিবেচিত হয়, কেননা প্রথাগত পদ্ধতিতে কোন কিছু তৈরি করতে হলে একটি ধাতু বা বস্তুকে কেটে অথবা ছিদ্র করে কাংখিত আকার দেয়া হয়।

এই প্রিন্টার সাধারণত ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ত্রিমাত্রিক মুদ্রণের কাজ করে। একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে এই মেশিনের বিক্রি ব্যাপকভাবে বেড়েছে, এবং এগুলোর দামও বেশ অনেকটা কমেছে।

প্রটোটাইপিং এবং ডিস্ট্রিবিউটেড ম্যানুফ্যাকচারিং - দুই ধরণের উৎপাদনেই এই প্রযুক্তি সক্ষম। গয়না প্রস্তুত, পাদুকা শিল্প, ইন্ডস্ট্রিয়াল ডিজাইন, স্থাপত্য, প্রকৌশল ও নির্মাণ, অটোমোটিভ, মহাকাশ, দন্ত এবং চিকিৎসা শিল্প, শিক্ষা, ভৌগলিক তথ্য ব্যবস্থা, পুরকৌশল, এবং অনেক অন্যান্য ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

3D Systems Corp এর চাক হাল ১৯৮৪ সালে প্রথম কর্মউপযোগী থ্রিডি প্রিন্টার তৈরি করেছিলেন।

চার্লস ডব্লিউ. হাল আধুনিক থ্রিডি প্রিন্টারের আবিষ্কারক এবং এর কার্যক্ষম প্রমিত প্রযুক্তির উদ্ভাবক। প্রথম কোন প্রকাশিত তথ্যসূত্র অনুযায়ী, একটি কঠিন আকৃতি মুদ্রণের প্রথম কাজটি করা হয়েছিল ১৯৮১ সালে এবং এটি করেছিলেন নাগোয়া মিউনিসিপাল ইন্ডস্ট্রিয়াল রিসার্চ ইন্সটিটিউট এর হিদেও কোদামা। তারপর থেকে এই প্রযুক্তি বেশ উন্নতি লাভ করেছে।

Source: http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%82

191
Internet / History of Mouse & Uses
« on: March 19, 2015, 12:00:38 PM »
মাউস কম্পিউটার পরিচালনায় ব্যবহৃত একটি হার্ডওয়্যার। ১৯৬০ এর দশকের শেষ ভাগে স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ডুগ এঙ্গেলবার্ট সর্বপ্রথম মাউস আবিষ্কার করেন। কিন্তু সত্তরের দশকে এটি কেবল জেরক্সের কম্পিউটার ছাড়া অন্যত্র জনপ্রিয়তা পায় নাই। ১৯৮০ এর দশকে আ্যাপল কম্পিউটার তাদের ম্যাকিন্টশ সিরিজে প্রথম এটি উপস্থাপন করে, এর আকৃতি ইঁদুরের মত তাই এর নাম mouse দেয়া হয়েছিল। এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, এর মাধ্যমে মনিটরের বা প্রোগ্রামের যে কোন স্থানে নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা সম্ভব। এর কল্যানে গ্রাফিক্স ইউজার ইন্টারফেস বা GUI সম্বলিত আপারেটিং সিস্টেম দ্রুত প্রসার পায়।

অধিকাংশ কম্পিউটার ব্যবহারকারীই কম্পিউটার মাউসের সম্পূর্ণ ব্যবহার না জানার ফলে এর থেকে পরিপূর্ন সুবিধা আদায় করতে পারেন না। মাউসের ব্যবহার যথাযথভাবে করতে পারলে যেমন আপনার বিভিন্ন কাজ সহজ হয়ে যাবে তেমনি আপনার কাজের গতিও বৃদ্ধি পাবে। নিচে কম্পিউটার ব্যবহার কারীদের মাউস ব্যাবহারের কিছু টিপস দেওয়া হলো-

shift বাটন ও মাউস ক্লিক: অধিকাংশ ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বা টেক্সট এডিটর এ (shift)শিফট কী ও মাউস ক্লিকের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বা আংশিক লেখা সিলেক্ট করা যায়। যেমন: লেখার সময় মাউসের কার্সরকে যে কোনো একটি প্যারাগ্রাফের শুরুতে রাখুন এরপর (shift) শিফট-কী চেপে ধরে উক্ত প্যারাটির শেষে ক্লিক করুন দেখবেন পুরো প্যারাটিই সিলেক্টেড হয়ে যাবে।
scroll wheel: বর্তমানে অধিকাংশ মাউসেই scroll wheel আছে। এর মাধ্যমে যে কোনো পেইজ এর ওপর নিচে যাওয়া যায়। কিন্তু তাছাড়াও আরও কিছু কাজে এই হুইলটি ব্যবহার করা যায়। এখানে তেমন কিছু ব্যবহার তুলে ধরা হলো:
a)মাউস হুইলটি শুধু একটি হুইলই নয় এটি একটি বাটন হিসেবেও কাজ করে। মাউস হুইলটিকে অনেকটা মাউসের তৃতীয় বাটন হিসেবে ব্যবহার করা যায়। মাউস হুইলের মাধ্যমে যে কোনো লিংকের ওপর ক্লিক করলে তা নতুন একটি ট্যাবে ওপেন হয়। আবার যে কোনো ট্যাবের ওপর মাউস হুইল দিয়ে ক্লিক করে ট্যাবটিকে বন্ধও করা যায়।

b)ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় শিফট কী চেপে ধরে নিচে বা ওপরে স্ক্রল করলে অতি তাড়াতাড়ি পেজটির ওপরে বা নিচে যাওয়া যায়।

c)Ctrl কী চেপে ধরে ওপরে বা নিচে স্ক্রল করে ওয়েবপেজ/ওয়ার্ড পেইজকে জুম করে দেখা যায় আবার ছোটও করা যায়।

মউসের রাইট ক্লিকের ব্যবহার: যে কোনো ফাইল বা সিলেক্ট করা টেক্স এর ওপর রাইট ক্লিক করে এর মাধ্যমে ফাইলটির প্রোপার্টিস দেখা, কপি, পেস্ট করা সহ আরও অনেক কিছু করা যায়। এছাড়াও কোনো ফাইল বা টেক্সট এর ওপর রাইট ক্লিক করে তা কোথাও ড্রাগ করে ছেড়ে দিলে ফাইলটিকে কপি/মুভ করার অপশন পাওয়া যাবে।

Ctrl কী ও মাউস ক্লিক: কন্ট্রোল কী চেপে ধরে বিভিন্ন ফাইলের ওপর ক্লিক করে ফাইলগুলোকে একসাথে সিলেক্ট করে নেওয়া যায়। ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় Ctrl চেপে ধরে যে কোনো লিংকের ওপর রাইট ক্লিক করলে লিংকটি নতুন একটি ট্যাবে ওপেন হবে।

উইন্ডোজ এর Snap To সুবিধার ব্যবহার: উইন্ডোজের স্ন্যাপ টু ফিচারটির মাধ্যমে মাউস কার্সর অটোমেটিকভাবেই কোনো ডায়লগ বক্সের বাটনে চলে যায়। যেমন কোনো ফাইল ডিলিট করার সময় উইন্ডোজ আপনাকে সতর্কতামূলক বার্তা দেখানোর জন্য একটি ডায়লগ বক্স প্রদর্শন করবে। এক্ষেত্রে স্ন্যাপ টু সুবিধাটি চালু করা থাকলে মাউস কার্সরটি আপনা আপনি Ok বাটনে চলে যাবে ফলে আপনাকে শুধু ক্লিক করলেই হবে। এই সুবিধাটি চালু করতে কন্ট্রোল প্যানেল (control panel)এ অবস্থিত মাউস প্রোপার্টিস থেকে Snap To অপশনটি চালু করে দিন।
ওপেন করা উইন্ডো ম্যানেজ করা: যে কোনো ওপেন করা উইন্ডো এর টাইটেল বারে ডাবল ক্লিক করে উইন্ডোটিকে ম্যাক্সিমাইজ অথবা রিসাইজ করা যাবে।

Source: http://www.bd24live.com/bangla/article/31687/index.html

192
MCT / About 2D Animation
« on: March 19, 2015, 11:53:02 AM »
What Is 2D Animation?

2D animation creates movement in a two-dimensional artistic space. Work in the field of 2D animation requires both creativity and technological skills. Read on to learn about education and career information related to this artistic practice. Schools offering Animation degrees can also be found in these popular choices.

2D Animation Defined

2D animation focuses on creating characters, storyboards and backgrounds in two-dimensional environments. Often thought of as traditional animation, the figures can move up and down, left and right. They do not appear to move toward or away from the viewer, as they would in 3D animation. 2D animation uses bitmap and vector graphics to create and edit the animated images and is created using computers and software programs, such as Adobe Photoshop, Flash, After Effects and Encore. These animations may be used in advertisements, films, television shows, computer games or websites.

2D Animation Training

Students seeking to learn more about 2D animation could enroll in certificate, associate's or bachelor's programs related to animation. While some programs specifically in 2D animation do exist, classes can also be found in general animation, computer graphics or art programs. 2D animation programs often include both artistic and technical classes in topics such as:

1.Character design
2.Life drawing techniques
3.Digital animation
4.Digital video
5.Stop motion animation
6.Web animation

Additional courses may cover storyboards, acting and character development. Many programs also include a course where students can create a marketable portfolio.

Career Information:

After completing an animation training program, you may be able to seek a job as an animator. An animator's job is to study scripts and get into the character's frame of mind to design a believable character. More specifically, 2D animators can:

1.Develop storyboards
2.Design characters
3.Arrange characters and items in a scene
4.Use computers to create graphics, motion and animation
5.Edit animations based on feedback from a director or client

According to the U.S. Bureau of Labor Statistics (BLS), employment of all animators and multimedia artists (including those working in 2D animation) is expected to increase by six percent from 2012-2022, which is slower than the national average for all careers. Although there is expected to be an increase in demand for animations and visual effects for movies, mobile devices, video games and television, jobs are often outsourced overseas, which slows the growth potential. The BLS also reported that these workers earned an average salary of $72,400, as of May 2013.

Source: Internet (http://learn.org/articles/What_is_2D_Animation.html )

193
Public Health / Guillain-Barre syndrome Disease
« on: March 19, 2015, 10:13:00 AM »
Guillain-Barré syndrome occurs when the immune system attacks the peripheral nervous system, leading to weakness or tingling in the legs. Symptoms sometimes affect the arms and upper body. Severe cases of Guillain-Barré can lead to paralysis and are life-threatening.

http://epaper.prothom-alo.com/view/dhaka/2015-03-19/14

194


কম্পিউটার গ্রাফিক্সের সাথে ত্রিমাত্রিকতার একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কম্পিউটার গ্রাফিক্সে বা সিজি হল সেই ভিজ্যুয়াল আর্টস যা কম্পিউটারের মাধ্যমে বানানো হয়। যেহেতু ত্রিমাত্রিক বস্তুকে কম্পিউটারের মাধ্যমে বানানো হয় তাই থ্রিডি কম্পিউটার গ্রাফিক্সের অন্তর্ভুক্ত।

কম্পিউটার গ্রাফিক্স, যার মধ্যে রয়েছে মুভি, টেলিভিশন, বিজ্ঞাপন, ভিডিও গেমস প্রভৃতি। তাহলে কম্পিউটার গ্রাফিক্স যদি কোন সৌরজগত হয় তাহলে থ্রিডি হল সেই সৌরজত এর একটা বিশাল অংশ।

ত্রিমাত্রিক কম্পিউটার গ্রাফিক্স সম্পর্কে কিছু সাধারন তথ্যঃ

০১. থ্রিডি অবজেক্ট তিনটি অক্ষেই বিদ্যমান থাকে এটা সত্য, কিন্তু এটা বাস্তবে ধরা ছোয়ার বাইরে। যাকে বলা হয় “ভার্চুয়াল”। বাস্তবিক দুনিয়ার থ্রিডি অবজেক্ট ফিজিক্যালি বিদ্যমান থাকলেও, কম্পিউটার গ্রাফিক্সের থ্রিডি শুধুমাত্র গানিতিকভাবে বিদ্যমান থাকে।

০২.ত্রিমাত্রিক মডেলসঃ ডিজিটাল ভাবে দৃশ্যমান কোন বস্তুর অবয়ব কে থ্রিডি মডেল বলে। যদি থ্রিডি মডেলগুলোর র ডাটা দেখা হয় তাহলে দেখা যাবে এই থ্রিডি মডেলগূলো কতগুলো বিন্দুর সমন্বইয়ে গঠিত, যাদেরকে একবচনে “ভার্টেক্স” এবং বহুবচনে “ভার্টসিস” বলে। এরা কার্টেসিয় অক্ষে বিদ্যমান থাকে।

০৩. থ্রিডি মডেল তৈরি করার জটিল প্রসেসটি কম্পিউটারের স্পেশালাইজড সফটওয়্যার গানিতিকভাবে করে থাকে। কোন থ্রিডি সফটওয়্যার যেমন অটোডেস্ক মায়া বা থ্রিডি এস ম্যাক্স, তার গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) দিয়ে আর্টিস্টকে সর্বোচ্চ সুবিধাতে কাজ করতে দেয়।

195
ত্রিমাত্রিকতা বা 3D কি?

এর সংজ্ঞাটা বিশাল। তবে ছোট্ট করে বলতে গেলে, যে সকল বস্তু কার্তেসিয় ব্যবস্থায় তিনটি অক্ষেই বিদ্যমান থাকে (X, Y, Z) তাদেরকেই ত্রিমাত্রিক বলে। কি টেকনিকাল মনে হচ্ছে? আচ্ছা তাহলে সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছি।
আমরা সবাই হাই-স্কুল জ্যামিতি বইয়ে গ্রাফ একেছি। সেখানে দেখছি দুটি মোটা দাগ থাকে যাদের কে “অক্ষ” বা “Axis” বলে। যেটি আনুভুমিকভাবে থাকে তাকে এক্স অক্ষ বলে, আর যেটি লম্বভাবে থাকে তাকে ওয়াই অক্ষ বলে। এক্স এবং ওয়াই নিয়ে গঠিত হয় দিমাত্রিকতা। এর সাথে আরেকটি এক্সিস “জেড” দিলেই হয়ে যায় ত্রিমাত্রিকতা।


এক্স কে বলা হয় = লেংথ বা দৈর্ঘ
ওয়াই কে বলা হয় = ওয়াইডথ বা প্রস্থ আর
জেড কে বলা হয় = ডেপথ্‌ বা গভীরতা

তাই যারা এই তিনটি অক্ষ নিয়ে গঠিত তারাই হল থ্রিডি অবজেক্ট।



Pages: 1 ... 11 12 [13]