Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sadiur Rahman

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 13
31
আমাদের দেশে কিডনি রোগী দিন দিন বেড়েই চলছে। এর কারন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেসার সহ অনেক কারনে। এই রোগের চিকিৎসার জন্য অনেক খরচ হয়ে যায় রোগীদের। চিকিৎসার পাশাপাশি খাবারের অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। মাংশ, ডাল এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ফল খেতে বারন করে থাকেন। এদের মধ্যে কামরাঙা অন্যতম। এদেশে টক জাতীয় কিছু ফলের মধ্যে কামরাঙা অন্যতম। এই ফলে আছে পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, সুগার, সোডিয়াম, এসিড ইত্যাদি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Carambola. এই ফলটি বিশেষ করে ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা অঞ্চলের একধরণের স্থানীয় প্রজাতির উদ্ভিদের ফল ও এই ফল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ-প্রশান্ত এবং পূর্ব-এশিয়া অংশে খুব জনপ্রিয়।


কিন্তু জানেন কি সকলের জন্য এই ফল খাওয়া সুবিধাজনক নয়। যাদের যদি কিডনির সমস্যা থাকে তাদেরএই ফল খাওয়া ঠিক হবে না। শুধু কিডনির সমস্যায় ভোগা রোগীরাই নয়, কিডনিকে সার্বিক ভাল রাখতেও এই ফলকে ‘নিষিদ্ধ’ বলে জানালেন ব্রাজিলের সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। তবে সাও পাওলো একা নয়, এর আগে চিন ও মার্কিন অনেক গবেষকও এই একই কথা বলেছেন।

বাংলাদেশের চিকিৎসকরাও এর জন্য প্রচারনা করেছেন। আপনি BIRDEM হাসপাতালে গেলে দেখবেন একটা পোস্টার, যাতে কিডনি সমস্যা আছে এমন রোগীদেরকে কামরাঙা খেতে বারন করা হয়েছে।


কামরাঙায় থাকা নানা উপাদানের মধ্যে এন্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন সি, সাইট্রিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম ইত্যাদি উপকারী উপাদান থাকে। কিন্তু রয়েছে ‘ক্যারামবক্সিন’ নামের এক টক্সিনের উপস্থিতিও। মূলত, এই কারণেই কামরাঙাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে চিকিৎসকদের ধারনা।

কিডনির রোগে মুলত কিডনির কার্য্যক্ষমতা নষ্ট হ্যে যায়। ফলে শরীরের বর্জ পদার্থ বেড়ে যেতে থাকে। Serum Creatinine বাড়তে থাকে। রক্তের Electrolyte এ সমস্যা দেকগা দেয়, Pottasium বেড়ে যেতে থাকে যা অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ।

কামরাঙা কীভাবে ক্ষতি করে? ক্যারামবক্সিন মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। কামরাঙা খাওয়ার ফলে তা শরীরে প্রবেশ করে। কিডনির শরীরের বর্জ্যের সঙ্গে এই টক্সিনকে বার করে দেয়। কিন্তু কিডনি দুর্বল হলে সেই কাজ সে ঠিক মতো করতে পারে না। ফলে রক্তের মাধ্যমে ওই টক্সিন মস্তিষ্কে প্রবেশ করে। যাদের আগে থেকেই কিডনির সমস্যা রয়েছে, তারা যদি অল্প পরিমাণ কামরাঙ্গার রস বা কয়েক টুকরা কামরাঙ্গা খান তাহলে কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে। মাথা যন্ত্রণা থেকে শুরু করে খিঁচুনি, মস্তিষ্ককোষের ক্ষতি হয়ে কোমায় পর্যন্ত চলে যেতে পারেন। ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। রক্তের Pottasium বেড়ে যেতে পারে, এক্ষেত্রে অনেকেরই Dialysis এর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।যাদের ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বা ক্রনিক কিডনি ফেইলিউর রয়েছে, কামরাঙ্গা খেলে অজ্ঞান পর্যন্ত হয়ে যেতে পারেন। এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। আমাদের অনেকের অল্প অল্প কিডনির সমস্যা থাকে যা আমাদের অজ্ঞতার কারনে অনেক সময় তা জানিনা। তখন এই অল্প সমস্যাটা এই ফল খাবার কারনে কিডনির সমস্যা অনেক বেশি বেড়ে যায়। তাই যাদের কিডনির সমস্যা আছে তারা সচেতন হোন। অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি এড়িয়ে চলুন। (তথ্যসূত্র ইন্টারনেট)

ডাঃ মুহাম্মাদ আবিদুর রহমান ভূঞা,
লিভার বিশেষজ্ঞ, আর পি মেডিসিন,
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,
কিশোরগঞ্জে।

Source : http://drabedurzimi.com/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%a8/?fbclid=IwAR0L3zPBkLILf1NUu6n-pkj4bpXlYUZ2efUecl389FVXQLhzEicQoMkBH60

32

হৃদরোগে’র ঝুঁকি ৫০ শতাংশ কমাবে’ন যেভা’বে
[/b]
বর্তমানে এটা কোনো গোপন বিষয় নয় যে, নিয়মিত শরীরচর্চাতে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো থাকে অথবা হৃদ’রোগের ঝুঁকি হ্রাস ‘পায়। কিন্তু শরীরচর্চার পাশাপাশি মান’সিক প্রশান্তির জন্য কিছু করলে হৃদরোগের ঝুঁকি আরো ‘বে’শি কমে যায়। ‘মনকে শান্ত রাখা ও শরীরকে শিথিল ক’রার অন্যতম উপায় হচ্ছে যোগব্যায়াম

যোগব্যা’য়ামে শ্বাসক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ ধ্যা’ন ও কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গভঙ্গি অন্তর্ভুক্ত র”য়েছে। যোগব্যায়াম হচ্ছে শারীরিক’, মানসিক ও আধ্যাত্মিক চর্চা যা শরীর’কে শিথিল করার পাশাপাশি মনের ও”’পর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা ‘করে।’

গবেষকরা’ বল’ছেন যে, যোগব্যায়াম ও অ্যারোবিক এক্সারসাইজের সমন্বয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি অর্ধেক কমে যেতে পারে। যেস’ব কা’র্যক্রমে শ্বাসক্রিয়া ও হার্ট রেট বৃদ্ধি পায় সেগুলোকে অ্যারোবিক অ্যাক্টিভিটি বলে।অ্যারোবিক এক্সারসাইজে’ হার্ট’, ফুসফুস ও সংবহনতন্ত্র সুস্থ থাকে। এ এক্সারসাইজটি কার্ডিও নামেও পরিচিত।

কিছু অ্যারোবি’ক এ”ক্সারসাইজের উদাহরণ হচ্ছে দ্রুত হাঁটা, সাঁতার কাটা, দৌঁড়ানো বা জগিং, সাইকেল চালানো, দড়ি লাফ ও এ’লিপ্টি’ক্যাল মেশিনে দৌড়ানো। ভারী কিছু উত্তোলন অথবা অল্প সময়ে প্রচুর শক্তি খরচ হয় এমন শরীরচর্চা অ্যারো’বিক’ এক্সারসাইজের অন্তর্গত নয়। অ্যারোবিক এক্সারসাইজে অক্সিজেনই হচ্ছে মূল শক্তি, অন্যদিকে অ্যানা’রোবি’ক এক্সারসাইজে তাৎক্ষণিক শক্তি লাগে। অ্যানারোবিক এক্সারসাইজে শরীর জ্বালানির জন্য অক্সিজেনের পরি’বর্তে ‘সঞ্চিত শক্তি উৎসের ওপর নির্ভর করে, যেমন- গ্লুকোজের ভাঙ্গন।

ভারতের এইচজি ‘এসএ’মএস হসপিটালের একটি নতুন গবেষণা বলছে, হৃদরোগ দূরে রাখার একটি কার্যকর উপায় হচ্ছে নিয়মি’ত যো’গব্যায়াম ও অ্যারোবিক এক্সারসাইজ করা। এ গবেষণার গবেষক দল ৭৫০ জন হৃদরোগীকে তিনটি’ ভিন্ন এক্সারসাইজ করতে বলেন: শুধু অ্যারোবিক এক্সারসাইজ, শুধু যোগব্যায়াম এবং অ্যারোবিক এক্সারসা’ইজ ‘ও যোগব্যায়াম উভয়টাই। এ তিনটি গ্রুপের রোগীরা ৬ মাস পর্যন্ত এসব এক্সারসাইজ করেন। ট্রায়াল পিরিয়’ড শে’ষে দেখা গেল যে, অ্যারোবিক এক্সারসাইজার ও যোগব্যায়াম চর্চাকারী উভয় গ্রুপের লোকদের রক্তচাপ, বি’এমআ’ই ও কোলেস্টেরল প্রায় একই মাত্রায় হ্রাস পেয়েছিল। কিন্তু যে গ্রুপের রোগীরা উভয় এক্সারসাইজে জ’ড়িত ছি’লেন তাদের মধ্যে দ্বিগুণ উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে।

যোগব্যায়ামের উপকারি’তা কে’বলমাত্র হার্টের সঙ্গেই সম্পর্কযুক্ত নয়, কিছু গবেষণা সংকেত দিচ্ছে যে এ আধ্যাত্মিক ব্যায়াম ব্রেইন’পাওয়া’র বাড়াতে পারে, পিঠ ব্যথা প্রতিরোধ করতে পারে ও বৈকালিক জড়তা কাটাতে পারে। কিন্তু এর পাশাপা’শি অ্যা”রোবিক এক্সারসাইজ করলে আরো বেশি উপকারিতা পেতে পারেন। প্রিভেন্টেটিভ কার্ডিওলজির’ স্কলার’ সোনাল তানোয়ার ও কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্ট নরেশ সেন এইচজি এসএমএস হসপিটালের গ’বেষণাপ’ত্রে লিখেন, ‘ভারতীয় যোগব্যায়াম ও অ্যারোবিক এক্সারসাইজের সমন্বয় মানসিক, শারীরিক ও সংব’হনতান্ত্রি’ক চাপ কমাতে পারে- এর ফলে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় ও হৃদরোগের ঝুঁকি অর্ধেকে নেমে আসে বা ৫০’ শতাংশ’ কমে যায়। হৃদরোগে আক্রান্ত লোকেরা ভারতীয় যোগব্যায়াম শিখে নিয়মিত চর্চা করলে হার্টের আরো ক্ষ’তি এড়া’নো যেতে পারে। সেইসঙ্গে অ্যারোবিক এক্সারসাইজে যুক্ত থেকে এ উপকারিতাকে দ্বিগুণ করতে পারেন’।’

Source : https://www.banglamagazines.com/10757/%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0/

33
দশ বছর বয়সী রাইয়ান মাঠের এক কোনে বসে আছে। তার সমবয়সী বাচ্চারা মাঠে খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকলেও খেলায় কোন মন নেই তার। এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সামনের দিকে। কী যেন দেখছে। এরমধ্যে তার কয়েকজন বন্ধু তাকে খেলার জন্য ডাকতে আসলেও যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেল রাইয়ানের বাবা আর মায়ের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়া হয় তাদের মধ্যে। এমনকি মাঝে মাঝে মারধরও চলে। সবই হয় রাইয়ানের সামনে। এসব দেখে সে অনেকটা ভীত হয়ে পড়েছে। সে এখন কারো সাথে কথা বলতে ভয় পায়। আর তাই এই অল্প বয়সেই এত উদাসীন থাকে রাইয়ান।


মাইশার বর্তমান অবস্থা ঠিক রাইয়ানের মত। পনের বছর বয়সী মাইশা এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে। কিন্তু কোনভাবেই সে পড়ায় মন বসাতে পারছে না। স্কুলের মডেল টেস্ট’র রেজাল্টও খুব ভালো করেনি। কিন্তু ক্লাস নাইন পর্যন্ত তার রোল নাম্বার এক থেকে তিনের মধ্যে ছিল সব সময়। সবার কাছেই খুব আদরের ছিল মাইশা। টেষ্টের রেজাল্টের পর স্কুলের ক্লাস টিচার তাকে একলা ডেকে নিয়ে তার কাছ থেকে জানতে চান- কেন এমন হচ্ছে? অনেকক্ষণ তার সাথে কথা বলার পর ক্লাস শিক্ষক জানতে পারেন, মাইশার বাবা-মায়ের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না গত কয়েক মাস ধরে। বাসায় প্রতিনিয়তই ঝগড়া লেগে থাকে। তাই সে মনযোগ দিতে পারছে না পড়াশোনায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা অত্যন্ত জরুরী। শিশুর বিকাশ নিয়ে অধিকাংশ বাবা-মা’ই এখন বেশ সচেতন। তাদের সার্বক্ষনিক চেষ্টা থাকে তাদের বাচ্চাদের সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাবা-মাদের নিজেদের মধ্যকার সমস্যা এত বেড়ে যায় যে, তারা আর বাচ্চাদের দিকে মনোযোগ দিতে পারেন না। আর এই অমনোযোগীতার কারনেই অনেক বাচ্চা অবসাদে ভোগে, খারাপ পথে চলে যায়।

তাদের মতে বাচ্চাদের সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম এবং ধৈর্য্য। বাচ্চাদের বুঝাতে হবে যে, তারাই বাবা-মায়ের অমূল্য সম্পদ। অত্যন্ত যত্ন দিয়ে তাদের বড় করে তুলতে হবে। জীবনের প্রতিটি নিয়ম-কানুন তাদের শেখাতে হবে।

শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মুরাদ হোসেন মোল্লা বলেন, প্রায় সব বাচ্চাই দুষ্টুমি করে। কিন্তু অতিরিক্ত দুষ্টুমির জন্য বাচ্চাদের ভয় দেখালে বা তাদের মারধর করলে সমস্যার সমাধান হয় না। বরং এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। শিশুরা সব সময় একটা আতঙ্কের মধ্যে থাকে। এবং এসব শিশুদের অত্মবিশ্বাষ কমে যায়। তাদেরকে বারবার করে বুঝাতে হবে-কোনটা ভালো আর কোনটা খারাপ। শিশুর কথাও খুব মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে।

তিনি বলেন, শিশুদের মধ্যে আত্মসম্মানবোধ বাড়িয়ে তুলতে হবে। তাদের সাথে সব সময় আলোচনা করতে হবে। তার চাহিদার কথা, তার ইচ্ছার কথা শুনতে হবে। পাশাপাশি শিশুর ভালো কাজের প্রশংসাও করতে হবে। তাদের পছন্দের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে।

ডা. মুরাদ বলেন, অনেক বাবা-মা’ই সন্তানদের বাইরে খেলাধুলা করতে দিতে চান না। এটা সন্তানের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত বড় বাধা। শিশুরা খেলাধুলা করলে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে। অন্য বাচ্চাদের সাথে বন্ধুত্ব তৈরী হয়। এতে তার যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ে। শিশু মানসিকভাবেও সুস্থ থাকে।

এছাড়াও সন্তানদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও মনোযোগী হতে হবে। তাদেরকে এ বিষয়ে জ্ঞান দিতে হবে। নিজের বিছানা সব সময় পরিষ্কার রাখার শিক্ষা, বইপত্র গুছিয়ে রাখার শিক্ষা তাকে ছোটকাল থেকে দিতে হবে। এছাড়াও বাচ্চাদের সামনে বড়দের কথা বলার সময় অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। সব ধরনের আলোচনা শিশুদের সামনে না করাই ভালো। কারণ এতে করে বাচ্চাদের মধ্যে এক ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে শিশুদের সামনে বড়দের ঝগড়া-বিবাদ করা যাবে না। বিশেষ করে বাবা-মা’র মধ্যকার ঝগড়া বাচ্চাদের মনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরী করে। অনেক সময় বাচ্চারা অবসাদে ভুগতে থাকে।
Source : https://www.ittefaq.com.bd/lifestyle/109675/

34
বিসিএস পরীক্ষা
বিসিএস (ক্যাডার) পদে নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি


বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর নিম্নোক্ত ২৭টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।

 বিসিএস-এর ২৭টি ক্যাডারের নাম (ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে)

১.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)  সাধারণ ক্যাডার

২.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি) কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

বাংলাদেশ গেজেটে ১৩ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত এস.আর.ও. নম্বর-৩৩৫-আইন/২০১৮ অনুযায়ী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকোনমিক) ক্যাডারকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের সাথে একীভূত করা হয়েছে।

৩.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার) সাধারণ ক্যাডার

৪.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (নিরীক্ষা ও হিসাব) সাধারণ ক্যাডার

৫.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সমবায়) সাধারণ ক্যাডার

৬.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারি) সাধারণ ক্যাডার

৭.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকনমিক) সাধারণ ক্যাডার

৮.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিবার পরিকল্পনা) সাধারণ ক্যাডার

৯.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (মৎস্য) কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

১০.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (খাদ্য) সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

১১.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র) সাধারণ ক্যাডার

১২.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বন) কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

১৩.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

১৪.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য) কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

১৫.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য) সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

১৬.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পশু সম্পদ) সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

১৭.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পুলিশ)   সাধারণ ক্যাডার

১৮.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ডাক)  সাধারণ ক্যাডার

১৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল) vকারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

২০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (গণপূর্ত) কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

২১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে প্রকৌশল)  কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

২২.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস  (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক)  সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

২৩.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সড়ক ও জনপথ)  কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

২৪.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিসংখ্যান)  কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

২৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর)  সাধারণ ক্যাডার

২৬.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কারিগরি শিক্ষা)  কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

২৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বাণিজ্য)  সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

#For more details #  http://www.bpsc.gov.bd/site/page/4bc95017-18d6-412b-8c4f-76d3e1599d8e/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE

35
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেসবুক অন্যতম। আর ফেসবুকে বিনিময় করা নিজেদের ছবি বা ভিডিওগুলো চাইলে গুগল ফটোজেও পাঠানো যাবে। এ জন্য ‘ডাটা পোর্টেবিলিটি প্রকল্প’-এর আওতায় নতুন টুলও উন্মুক্ত করেছে ফেসবুক।

প্রাথমিকভাবে এ সুযোগ পাবেন আয়ারল্যান্ডে বসবাসকারী ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। সব কিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই সব ব্যবহারকারীর জন্য ফিচারটি উন্মুক্ত করা হতে পারে।

এ ব্যাপারে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সেবার সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের সুযোগ দিতেই এ উদ্যোগ। ভবিষ্যতে অন্যান্য প্লাটফর্মেও এই টুল ব্যবহারের সুযোগ মিলবে।
জানা গেছে, টুলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে বিনিময় করা ছবি বা ভিডিওগুলো জমা রাখবে গুগল ফটোজে। ফলে আলাদা করে গুগলের ছবি বিনিময় ও অনলাইন স্টোরেজ সেবাটিতে প্রবেশ করতে হবে না।

সূত্র : https://www.bd-pratidin.com/tech-world/2019/12/04/480541

36
মস্তিষ্কের সাথে কম্পিউটার যুক্ত করবে ইলন মাস্কের নিউরালিংক কিংবা স্পেসএক্স এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আপনি হয়ত ইলন মাস্ককে চিনে থাকবেন। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট (১) উৎক্ষেপণে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটের কারণে হলেও ইলন মাস্ককে আপনার চেনার কথা। তার আরো বেশ কিছু প্রযুক্তি কোম্পানি আছে। এদের কোনটা মাটি খুঁড়ে সুড়ঙ্গ তৈরী করে, আবার কোনটা মানুষের মস্তিষ্কের ভিতরে কি হচ্ছে তা জানার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ইলন মাস্কের তেমনই এক কোম্পানি হলো নিউরালিঙ্ক। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানিটি এতদিন খুব একটা পরিচিত ছিল না। তবে সম্প্রতি নিউরালিংক তাদের একটি যন্ত্রের ঘোষণার পর থেকে প্রযুক্তি বিশ্ব একটু নেড়েচেড়ে বসেছে।

নিউরালিংক একটি ব্রেইন-মেশিন ইন্টারফেস তৈরী করেছে। সহজ কথায় তারা তাদের আবিষ্কৃত সূতার ন্যায় কিছু কানেক্টর/থ্রেড (সহজ কথা ‘তার’) মানুষের ব্রেইনে ঢুকাবে। অতঃপর সেই তারগুলো (থ্রেড) মাথার খুলির উপর থাকা একটি ছোট্ট চিপের সাথে যুক্ত হবে।

সেই চিপটি কানের সাথে যুক্ত একটি যন্ত্রের মাধ্যমে ব্রেইন থেকে বিভিন্ন নির্দেশ সিগন্যাল হিসেবে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের পাঠাবে। আর এই সিগন্যাল ব্যবহার করে পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগীরা হাত পা না নাড়িয়ে, এমনকি কোন শব্দ না করেই শুধু চিন্তা করার মাধ্যমে কোন যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এটা যদি মানুষের ক্ষেত্রে সত্যিই করা সম্ভব হয় তাহলে তা যে পৃথিবীকে বদলে দেবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। আর এই কারণেই এলন মাস্ক আর নিউরালিঙ্ক নিয়ে এত আলোচনা।

বর্তমানে যে এরকম ব্রেইন মেশিন ইন্টারফেস নেই কিংবা অন্য কোম্পানি এটা নিয়ে গবেষণা করেনি এমনটিও কিন্তু নয়। তবে তাদের এই গবেষণার সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হচ্ছে তারা ব্রেইনের ভিতরে ঢুকানোর জন্য যে সূতার ন্যায় বস্তু তৈরী করেছে যা এতই সূক্ষ্ম যে তা মানুষের ব্রেইনের কোন ক্ষতি করবে না। তাই অন্যান্য ব্রেইন মেশিন ইন্টারফেসের চেয়ে এদিক থেকে নিউরালিঙ্ক এগিয়ে আছে।

তাদের একটি গবেষণাপত্র অনুযায়ী এরকম ৯৬ টি তন্তুর এক একটি অ্যারেতে সব মিলিয়ে ৩০৭২টি ইলেক্ট্রোড আছে। এগুলো একসাথে অনেক বেশি ডেটা পরিবহন করতে পারবে। সূতাগুলো মাত্র ৪ থেকে ৬ মাইক্রোমিটার ব্যাসের। তার মানে এগুলো মানুষের চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম।

এই তন্তুর পাশাপাশি তারা আরেকটি যন্ত্র তৈরী করেছে যেটি তন্তুগুলোকে অটোমেটিক ব্রেইনে ঢুকিয়ে দিতে পারে। তাদের এসব গবেষণা এতদিন গোপন থাকলেও ইলন মাস্ক গত সপ্তাহে এক প্রেজেন্টেশনে তাদের এসব অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। ইলন মাস্ক বলেন, নিউরালিংক এর এই ইভেন্টের উদ্দেশ্য কোনো আলোচনা সৃষ্টি করা নয়, বরং তাদের উদ্দেশ্য হলো নিউরালিঙ্কে মেধাবী কর্মীদের জয়েন করতে উৎসাহিত করা।
আপাতত ল্যাবে তারা বিভিন্ন প্রাণীর উপর গবেষণা চালাচ্ছেন। মাস্ক জানান যে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি বানর কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। ইঁদুরের ওপর গবেষণা তো চলছেই। নিউরালিংকের একটি আইফোন অ্যাপও আছে।

নিউরালিঙ্কের গবেষকদের আশা অদূর ভবিষ্যতে তারা ব্রেইনের ভিতরে লেজার বিমের মাধ্যমেই এই তন্তুগুলো যুক্ত করতে পারবেন যেখানে বর্তমানে একই কাজের জন্য ড্রিল মেশিন দিয়ে ছিদ্র করতে হচ্ছে। এমনকি মাস্ক এটাই জানান যে তারা আগামী বছরের শেষদিকে মানব মস্তিষ্কে এটি প্রবেশ করাতে সক্ষম হবেন। এজন্য একটি রোবট তৈরি করা হয়েছে যেটি এই সার্জারিগুলো করবে।



আগেই বলেছি এই ব্রেইন-মেশিন ইন্টারফেস কিন্তু নতুন নয়, যদিও নিউরালিঙ্কের কল্যাণেই ও ইলন মাস্কের জনপ্রিয়তার কারণে এটি এখন আবারও ভাইরাল হচ্ছে। ম্যাথ্যু ন্যাগল নামক স্পাইনাল কর্ড প্যারালাইজড এক রোগীকে প্রথমে ব্রেইন ইমপ্লান্ট করে এ প্রযুক্তিতে তার মনের সাহায্যে কম্পিউটার এর কার্সর নাড়াচাড়া করাতে সক্ষম হন বিজ্ঞানীরা। ২০০৬ সালে তিনি শুধু তার মনের মাধ্যমেই কম্পিউটারে পং গেম খেলতে সক্ষম হন। অবশ্য তখন বিজ্ঞানীরা এর জন্য যে প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিলেন সেটার নাম ছিল ব্রেইনগেট, যেটি যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে প্রথম ডেভেলপ করা হয়। অর্থাৎ, নিউরালিঙ্ক হুট করেই আসে নি, বরং এর পিছনে যুগ যুগের গবেষণা ও শিক্ষা কাজ করছে।

তবে হ্যাঁ, পুরাতন ব্রেইনগেট প্রযুক্তিতে মাত্র ১২৮ টি ইলেক্ট্রোড ব্যবহৃত হতো যাকে বলা হয় ইউটাহ অ্যারে। অপর দিকে নিউরালিংক ৩ হাজারের বেশি ইলেকট্রোড ব্যবহার করছে।



Source : https://banglatech24.com/0715351/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%95-%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95/

37
এ যুগে একজন আধুনিক মানুষ মানেই, ইনটারনেটে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রোফাইল আইডি বা পরিচয় রয়েছে।

ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, লিঙ্কডইন বা হোয়াটসঅ্যাপ যাই বলেন, এসব নেটওয়ার্কে আপনার আইডিটি যদি হাতছাড়া হয়ে যায় তাহলে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হয়। এমন ভুক্তভোগীদের নানা অভিযোগ প্রায়ই শুনতে হয় আমাদের।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি মাসে ২৩৭ কোটি ব্যবহারকারী একদিনের জন্য হলেও ফেসবুকে ঢুঁ মারেন। বাংলাদেশেও এ ব্যবহারকারীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। কীভাবে আপনার সামাজিক নেটওয়ার্কে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন, ঠিক কোন পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করলে আপনার আইডিটি হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা কমবে এ বিষয়ে আজকের প্রতিবেদন।

অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা জোরদার

সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্ট হ্যাক রোধ করতে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা জোরদার করার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রথমত সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করা। মোটামুটি বড় নম্বর, বর্ণ ও বিশেষ চিহ্ন মিলিয়ে পাসওয়ার্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ড একান্তই ব্যক্তিগত; সুতরাং এর গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। পরিবার, বন্ধু এবং কাছের কারও সঙ্গেই এটি শেয়ার করা যাবে না।

টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন

অনলাইনে বিভিন্ন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার জন্য দু’স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা বা টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করলেও ভালো সুফল পাওয়া যায়। এ ফিচার চালু থাকলে নতুন কোনো ডিভাইস থেকে লগ ইনের সময় পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি অ্যাকাউন্টে যুক্ত মোবাইল নম্বরে আসা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) প্রদান করতে হয়। অনলাইনের অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তায় এ পদ্ধতি বিশেষ সুরক্ষা দিতে পারে।

বন্ধু নির্বাচনে সতর্কতা

সামাজিক মাধ্যমে বন্ধু নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করা ভিশন জরুরি। কেননা কে কোন অপরাধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তা বোঝা যায় না। সুতরাং অপরিচিত কাউকে বন্ধু হিসেবে যোগ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এমনকি মিথ্যা পরিচয়ে আপনার বন্ধু হয়ে কোনো হ্যাকার ঢুকে আপনার টাইমলাইনে স্প্যাম ছড়াতে পারে, আপনাকে বিব্রতকর পোস্টে ট্যাগ করতে পারে বা হ্যাকিংয়ের মেসেজ পাঠাতে পারে।

সন্দেহজনক লিঙ্ক এড়িয়ে চলা

যদি ঘনিষ্ঠ কোনো বন্ধু বা ফেসবুক বন্ধুর কাছ থেকে কোনো ই-মেইল, মেসেঞ্জারে বার্তা বা পোস্ট পান, যা হয়তো তার স্বাভাবিক আচরণের সঙ্গে মেলে না, সবচেয়ে ভালো হবে সেটায় ক্লিক না করা বা সাড়া না দেয়া। যেমন কেউ হয়তো লিখতে পারে যে, সে কোথাও বেড়াতে গিয়ে বিপদে পড়েছে অথবা আপনার মেসেঞ্জারে এমন একটি লিঙ্ক পাঠিয়েছে, যার কোনো কারণ নেই। এ ক্ষেত্রে তাকে আলাদাভাবে অ্যাকাউন্টে নক করে বা বার্তা পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করতে পারেন। এ ধরনের সন্দেহজনক কিছু দেখলে রিপোর্ট করার পরামর্শ দিয়েছে ফেসবুক।

অতিরিক্ত পোস্ট বা তথ্য শেয়ার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে কোনো তথ্য বা পোস্ট আবেগি হয়ে শেয়ার করা যাবে না। আগে ভালোভাবে জেনে বুঝে তার পর শেয়ার করতে হবে। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার সময় বন্ধুকে ট্যাগ করা বা লোকেশন দেয়ার আগে কোনটি ব্যক্তিগত আর কোনটি সবার জন্য, তা ভালো ভাবে ভেবে নিতে হবে।

অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষ যাতে আপনার তথ্য ব্যবহার করে সুবিধা নিতে না পারে বা আপনার অবস্থানগত তথ্য জানাজানি হয়ে গেলে আপনাকে যেন কোনো ঝামেলায় না পড়তে হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত সংবেদনশীল ছবি কিংবা ভিডিও আপলোড না করা ভালো। এডাল্ট কোনো কনটেন্ট আপলোড, শেয়ার কিংবা ইনবক্সে প্রেরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

রিকভারি ই-মেইল

অ্যাকাউন্ট রিকভারি অপশনে মোবাইল নম্বরের পরিবর্তে ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করা উচিত। এতে কোনো কারণে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলেও মেইলে তার নোটিফিকেশন চলে আসবে এবং চাইলে দ্রুততম সময়ে তা ঠেকানোরও সুযোগ পাওয়া যাবে।

অনলাইনে হ্যাকিং কিংবা কোনো ধরনের বিপদের সম্মুখীন হলে জাতীয় ইমার্জেন্সি সেবা ‘৯৯৯’ কল করে সেবা গ্রহণ করা যাবে।

Source : https://www.jugantor.com/todays-paper/it-world/231755/%E0%A6%95%E0%A7%80%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A6-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%BF

38
'লোকাল অ্যালার্ট' নামে নতুন একটি হেল্প সার্ভিস চালু করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। এটি ব্যবহারকারীদের জীবন রক্ষাকারী তথ্য দেবে।

এই হেল্প সার্ভিসটি প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০০ শহরে চালু করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এক ব্লগ পোস্টের মাধ্যমে ফেসবুক জানিয়েছে, লোকাল অ্যালার্টের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পুলিশ বা ফায়ার ব্রিগেডে মেসেজ পাঠাতে পারবেন। সেটি ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে। এ ছাড়া এটি কোনো জনবহুল জায়গায় অস্ত্রধারীর হামলা, খারাপ আবহাওয়া বা নিখোঁজদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিতে সাহায্য করবে।

ফেসবুক আরও জানায়, বিপদগ্রস্ত বন্ধুদের অবস্থান জানাতে সেফটি চেক নামের একটি ফিচার অনেক আগে থেকেই রয়েছে ফেসবুকে। নতুন সার্ভিসটি আরও বেশি কার্যকর হবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন এই ফিচারটির কার্যকারিতা সম্পর্কে বেশ আশাবাদী মার্ক জাকারবার্গের প্রতিষ্ঠান।

Link: https://samakal.com/technology/article/19082324

39
সম্প্রতি বেশ কয়েকবার ব্যবহারকারীর তথ্য চুরির অভিযোগ উঠেছে সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকের বিরুদ্ধে। এ কারণ বিবেচনায় রেখে নতুন লুক নিয়ে আসছে ফেসবুক।

গত বুধবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, ফেসবুক প্রধান মার্ক জাকারবার্গ এই ডিজাইন সামনে এনেছেন। সেখানে কোম্পানির আইকনিক নীল রঙের বার বাদ গিয়েছে।

জানা যায়, নতুন ডিজাইন যোগ হয়েছে কোম্পানির ম্যাসেজিং অ্যাপেও। এছাড়াও নতুন ডিজাইন দেখা যাবে কোম্পানির অনলাইন মার্কেটপ্লেস, ভিডিও অন ডিমান্ড ওয়েবসাইটেও। সব ওয়েবসাইটেই এবার থেকে ছবিসহ স্টোরিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও চেনা মানুষের সঙ্গে কথা বলার জন্য আসছে একটি নতুন ফিচার। থাকছে সিক্রেট ক্র্যাশসহ ফেসবুক ডেটিং টুল।

জাকারবার্গ বলেন, পৃথিবী ক্রমশ বড় হওয়ার কারণে আমাদের আগের থেকে আরো কাছে আসার প্রবণতা জন্মাচ্ছে। এই কারণে ভবিষ্যতে ব্যক্তিগত জীবনে বেশিও গুরুত্ব দিচ্ছে ফেসবুক।

জাকারবার্গ আরো বলেন, প্রাইভেট ম্যাসেজ, ছোট সময় থাকা, স্টোরি আর ছোট গ্রুপ অনলাইন যোগাযোগে ভবিষ্যতে দিশা দেখাবে। ব্যক্তিগত চ্যাটে এনক্রিপশান যোগ করে সুরক্ষা করলে গ্রাহক ফেসবুক এ চ্যাট করতে আরো সুরক্ষিত বোধ করবেন।

শিগগিরই পিসি ও ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য জনতুন ম্যাসেঞ্জার অ্যাপ নিয়ে আসার পরিকম্পনা করেছে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিটি। গত বছর ডেভেলপার সম্মেলনে ঘোষণা করা একাধিক ফিচার সামনে আনতে দেরি করেছিল ফেসবুক। ডেভেলপার সম্মেলনের ঠিক পরে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা বিতর্কে এই প্রোডাক্টগুলি সামনে আনতে দেরি হয়েছে।

গত বছর মোট ৫৬ বিলিয়ান মার্কিন ডলার আয় করেছিল ফেসবুক। এর মধ্যে বেশিভাগ এসেছিল কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখানোর ব্যবসা থেকে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে নতুন কোনো গ্রাহক ফেসবুক ব্যবহার করছেন না। তাই কোম্পানির আয় বাড়াতে নতুন উপায় খুঁজতে হচ্ছে।

নতুন ফিচার ঘোষণা করায় কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীরা তুলনামূলক সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যদিও দিনের শেষে ফেসবুক স্টকের দাম কমেছে ০.৭ শতাংশ।

সত্রঃ https://publicvoice24.com/2019/05/04/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95/

40
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ভার্জিনিয়া টেক থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন একজন জাপানি নাগরিক, চাকরি করছেন একটা প্রাইভেট ফার্মের বড় পদে। তিনি প্রতিবছর রোজা রাখেন।

তিনি কেন রোজা রাখেন এ সর্ম্পকে এক সাক্ষাতকারে মুসলমানদের পবিত্র  রোজা সম্পর্কে এক বিস্ময়কর তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মুসলমানরা যাকে রোজা বলে, আমি তাকে বলি ‘অটোফেজি’। রোজার মাসে খাবার-দাবারের ঝামেলা, তাই এই মাসটা আমি অটোফেজি করি।

অটোফেজি কি তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, মুসলমানরা তাদের ধর্মের বিধান অনুযায়ী যে রোজা পালন করেন তার উপর গবেষণা করে জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি ২০১৬ সালে ‘অটোফেজি আবিষ্কার করে নোবেল জয় করেছেন!

অটোফেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে। বাংলায় এর অর্থ হচ্ছে আত্ম ভক্ষণ বা নিজেকে খেয়ে ফেলা।

উপবাসের সময় মানুষের শরীরের সক্রিয় কোষ গুলো চুপচাপ বসে না থেকে সারা বছরে তৈরি হওয়া ক্ষতিকারক আর নিষ্ক্রিয় কোষগুলোকে খেয়ে ফেলে শরীরকে নিরাপদ আর পরিষ্কার করে দেয়। এটাই ‘অটোফেজি।

‘অটোফেজি আবিষ্কারের পর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের বা ধর্ম মানে না অনেক স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ সারা বছরে বিভিন্ন সময়ে ‘অটোফেজি করে শরীরটাকে সুস্থ রাখে। অটোফেজি তে ক্যান্সারের কোষও মারা যায়!

‘অটোফেজি আবিষ্কার হলো ২০১৬ তে, অন্য ধর্মাবলম্বীরা এখন ‘অটোফেজি করছে এর উপকারীতা জেনে। আর মুসলিমরা ‘অটোফেজি করে আসছে হাজার বছর ধরে কিছু না জেনে; শুধু বিশ্বাস করে ।

অনেক কিছুতেই হয়তো আপনি মানে খুঁজে পাননা কিন্তু এটাই সত্য যে ইসলামে অকল্যাণের কিছু নেই!

ওসুমি জাপানের ফুকুকায় জন্মগ্রহণ করেন। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৭ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ও ১৯৭৪ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটির রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল ফেলো ছিলেন।

১৯৭৭ সালে সহযোগী গবেষক হিসেবে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। ১৯৮৬ সালে প্রভাষক হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। ১৯৯৬ সালে ওকাজাকি সিটিতে অবস্থিত জাতীয় বেসিক বায়োলজি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরিত হন। সেখানে তিনি অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত হেয়ামার গ্র্যাজুয়েট এডভান্সড স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপকের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১৪ সালে অবসর নেয়ার পরও ইনোভেটিভ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও টোকিও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে অধ্যাপকের দায়িত্ব চালিয়ে যান।

সুত্র ঃ https://www.daily-bangladesh.com/%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%93-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F/103365

41
স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। কিন্তু সব সময় মানুষ সুস্থ থাকতে পারেন না। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আবহাওয়াতে নানা বয়সের মানুষের শরীরে রোগ আক্রমন করে। আর বিভিন্ন রোগের কবল থেকে রক্ষা পেতে ডাবের পানি খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে শুধু গরমকাল নয়, সারা বছর যদি নিয়ম করে ডাবের পানি খাওয়া যায়, তাহলে একাধিক রোগ শরীরের ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।
শুধু তাই নয়, ডাবের পানি উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, মেঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক নানাভাবে শরীরে গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এসব উপাদানই আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন পরে।

১. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে: ডাবের পানি উপস্থিত ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে থাকে। সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মেডিকেল জানার্লে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে পটাশিয়াম শরীরে লবনের ভারসাম্য ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেসারকে স্বাভাবিক রাখে। তাই যাদের পরিবারে এই মারণ রোগটির ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত ডাবের পানি খাওয়া উচিত। একই নিয়ম যদি রক্তচাপে ভোগা রোগীরাও মেনে চলেন, তাহলেও দারুণ উপকার মেলে।

২.ব্লাড সুগারকে বেঁধে রাখবে: ২০১২ সালে হওয়া জার্নাল ফুড অ্যান্ড ফাংশন স্টাডিসে দেখা গিয়েছিল ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

৩.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হবে: রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন এবং পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারি উপদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরের অন্দরের শক্তি এতটা বৃদ্ধি পায় যে জীবাণুরা কোনওভাবেই ক্ষতি করার সুযোগ পায় না। সেই সঙ্গে ডাবের পানিতে উপস্থিত অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল প্রপাটিজ নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪.শরীরে পানির ঘাটতি দূর হবে: ডাবের পানি শরীরের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র পানির ঘাটতি মিটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত ইলেকট্রোলাইট কম্পোজিশান ডায়ারিয়া, বমি এবং অতিরিক্ত ঘামের পর শরীরে ভিতরে খনিজের ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো গরমকালে ডাবকে রোজের সঙ্গী করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৫.ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে: ডাবের পানি হলো প্রকৃতিক টোনার, যা ত্বককে সংক্রমণ থেকে বাঁচানোর পাশাপাশি সার্বিকবাবে স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ব্রণর প্রকোপ কমাতেও এই প্রাকৃতিক উপাদানটি সাহায্য করে থাকে।

৬.ওজন কমবে: ডাবের পানি উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি এনজাইম হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজমের উন্নতিতেও সাহায্য করে থাকে। ফলে খাবার খাওয়া মাত্র তা এত ভালো ভাবে হজম হয়ে যায় যে শরীরের অন্দরে হজম না হওয়া খাবার মেদ হিসেবে জমার সুযোগই পায় না। ফলে ওজন কমতে শুরু করে। ডাবের পানি শরীরে লবনের মাত্রা ঠিক রাখে। ফলে ওয়াটার রিটেনশন বেড়ে গিয়ে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৭.হার্টের টনিক: শরীরে বাজে কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর পরিমাণ কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ডাবের পানির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, দেহে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমাতেও ডাবের পানি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে।

৮.মাথা যন্ত্রণা দূরে থাকবে: ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা যন্ত্রণা বা মাইগ্রেনর অ্যাটাক হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে দ্রুত এক গ্লাস ডাবের পানি খেয়ে নেবেন। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম, এই ধরনের শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৯.শরীরের বয়স কমবে: খাতায় কলমে বয়স বাড়লেও শরীরের বয়স কি ধরে রাখতে চান? তাহলে আজ থেকেই ডাবের পানি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। আসলে ডাবের পানি রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের উপর বয়সের ছাপ পরতে দেয় না। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।


১০.স্ট্রেস কমবে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ডাবের পানি উপস্থিত ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম শরীরের অন্দের প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন স্ট্রেস কমায়, তেমনি পেশীর সচলতা বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, ডাবের পানিতে থাকা ক্যালসিয়াম দাঁত এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১১.কিডনি ফাংশনের উন্নতি ঘটবে: প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ডাবের পানি কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত টক্সিন উপাদানদের ইউরিনের সঙ্গে বের করে দিয়ে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমায়

সুত্র ঃ https://www.daily-bangladesh.com/%E0%A7%A7%E0%A7%A7-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%93%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A7-%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF/104084?fbclid=IwAR2Br-Cx0yGt1FgODzvV0PAZ9yyQLr7B297gBeudajz8DcF16EB6ejBdwC0

42
ফেসবুক থেকে কোটি কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি হয়ে যায়। বছরখানেক আগে কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা স্ক্যান্ডেলের পর সামনে আসে বিষয়টি। তার পর এ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ফেসবুকে যে ব্যক্তিত্ব যাচাইয়ের লিঙ্কগুলি আসে, এবার সেগুলিকে তারা একেবারে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল। কারণ, এই ধরনেরই একটি অ্যাপ থেকে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

উল্লেখ্য, ওই অ্যাপগুলির যে লিঙ্ক দেওয়া হত, সেখানে ক্লিক করলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সমস্ত তথ্য চাওয়া হতো। না হলে ওই লিঙ্ক কাজ শুরু করত না। ফলে অনেকেই ব্যক্তিত্ব যাচাইয়ের নেশায় ওই অ্যাপে ফেসবুকে থাকা সমস্ত তথ্য দিয়ে দিতেন।

এভাবেই তথ্য চুরি হয়ে যেত। এর জন্য ফেসবুককেই দায়ী করেছেন অনেকে। তাদের বক্তব্য, ফেসবুক ওই সময় তথ্য চুরি আটকাতে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ওই তথ্যগুলি কোথায় ব্যবহার হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকলে আর সমস্যা হতো না।

যদিও বছরখানেক আগেই ফেসবুক জানায়, গ্রাহকদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী এক এক করে ফেসবুককে আরো সুরক্ষিত করা হচ্ছে।

Source : https://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2019/04/27/763220

43
পেনড্রাইভ তো এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় ডিভাইসগুলোর মধ্যে অন্যতম। ডাটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য এবং সবচেয়ে হালকা মাধ্যম হলো পেনড্রাইভ। ব্যবহারকারী কী ধরনের কাজ করবে, তার ওপর ভিত্তি করে পেনড্রাইভের মেমরি সাইজ ঠিক করা উচিত। যদি আপনার কাজকর্ম অনেক বেশি ডাটা নিয়ে হয়ে থাকে, তবে আপনার জন্য বাজারে রয়েছে ৩২ থেকে ৫১২ গিগাবাইট পর্যন্ত পেনড্রাইভ। ডাটা ট্রান্সফার স্পিড একটি অন্যতম জরুরি বিষয়। বাজারে এখন সর্বত্র ইউএসবি ৩.০ জেনারেশনের পেনড্রাইভ পাওয়া যায়। যার দাম একটু বেশি এবং সর্বনিম্ন ৩০ মেগাবাইট থেকে সর্বোচ্চ ৪.৮ গিগাবাইট পার সেকেন্ড স্পিডে ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে। কিন্তু ইউএসবি ৩.০ জেনারেশন পেনড্রাইভ সমর্থন করে এমন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপগুলোতেই শুধু এটি ডাটা আদান-প্রদানে এমন স্পিড দেবে, অন্যথায় তা বাজারের সাধারণ অর্থাৎ ইউএসবি ২.০ সংস্করণের মতো কাজ করবে। কেনার আগে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে, ব্যবহারকারী যে অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে, সেই অপারেটিং সিস্টেমে ওই পেনড্রাইভের সংস্করণটি সমর্থন করবে কি না। সাধারণত সব পেনড্রাইভই উইন্ডোজ এক্সপি থেকে উইন্ডোজ ১০ সব উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সংস্করণগুলোতে সমর্থন করে। তবে আপনি যদি লিনাক্স কিংবা আইওএস ইউজার হন, সে ক্ষেত্রে আগে নিশ্চিত হয়ে তারপর কিনবেন। অনেকেই ব্র্যান্ডের পেনড্রাইভ খুঁজে থাকেন। বাজারে ট্র্যান্সসেন্ড, এ-ডাটা, অ্যাপাচার, এইচপি ব্র্যান্ডের পেনড্রাইভ সবচেয়ে বেশি চলছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে চায়নিজ ব্র্যান্ডের নিম্নমানের পেনড্রাইভগুলো ঠিকমতো ডাটা স্টোর করে রাখতে পারে না এবং ডাটা ট্রান্সফার হয় অনেক ধীরে ধীরে। এ ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি দেখে পছন্দের ব্র্যান্ডের মধ্যে বেছে নিতে পারেন আপনার পেনড্রাইভটি।

বাজারে সাধারণত ৮ গিগাবাইটের পেনড্রাইভ ৫০০-৬৫০ টাকার মধ্যে পাবেন। ১৬ গিগাবাইটের পেনড্রাইভের দাম পড়বে ১০০০-১২৫০ টাকার মধ্যে। যাঁরা একটু বেশি ডাটা ধারণে সক্ষম পেনড্রাইভ খুঁজছেন, তাঁরা ১৬০০-২০০০ টাকায় ৩২ গিগাবাইটের পেনড্রাইভ পেয়ে যাবেন। একটি বিষয় জেনে রাখতে হবে, যত দামি বা ভালো ব্র্যান্ডের পেনড্রাইভই হোক না কেন, নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত ব্যবহারের পর সব পেনড্রাইভেরই ডাটা ট্রান্সফার রেট ধীরগতির হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে ভালো স্পিড পেতে আরেকটি পেনড্রাইভ কিনে নেওয়াই উত্তম।

সুত্র ঃ http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2019/04/20/760762

44
সিনেমা বা টিভির স্ক্রিপট বা চিত্রনাট্য নিয়ে আলোচনা বা লেখার শখ আমাদের অনেকেরই আছে, অনেকেরই মাথায় হয়ত অনেক নিত্যনতুন আইডিয়া অথবা গল্পের ধারনা আসছে প্রতিনিয়ত কিন্তু কিভাবে সেই গল্পটিকে চিত্রনাট্যে রুপান্তর করতে হবে সেই সমন্ধে আমাদের ধারনা খুব একটা পরিষ্কার নয়। এসো দেখে নেওয়া যাক ১০টি ধাপে একটি পেশাগত চিত্রনাট্য লেখার কয়েকটি সহজ পদ্ধতিঃ

১। প্রথমে বুঝতে হবে চিত্রনাট্য ঠিক কাকে বলে? স্ক্রিপ্ট বা চিত্রনাট্য হল তোমার গল্পের এমন একটি আকার বা পরিকল্পনা যাতে তোমার গল্পের সম্পূর্ন বর্ননা থাকবে অর্থাৎ অডিও, ক্যামেরা, ডায়লগ এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সম্বন্ধে একটি সু-স্পষ্ট ধারনা থাকবে যাতে কিনা তুমি না থাকলেও তোমার লেখাটি দেখে কেউ তোমার কাজটি করতে পারবে যাতে তোমার ভিশন সম্বন্ধে সু-স্পষ্ট নির্দেশ থাকবে। তবে এটিও ঠিক কোন একটি সিনেমা বা ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য কারো একার লেখার ফসল নয়, এটি বহুবার পরিচালক ও প্রযোজকের দ্বারা পরিবর্তিত ও পুনলিখিত হয়।

২। নিজের পছন্দের সিনেমা আথবা ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য পড়ার অভ্যেস করতে হবে। সেটা অনলাইন থেকে নেওয়া হোক বা কোন বই থেকে পড়ে বুঝতে হবে কি করে একটি পেশাগত চিত্রনাট্য লেখা হয় এবং তার ফরম্যাটটি ঠিক কিরকম।

৩। নিজের আইডিয়া অথবা কনসেপ্ট সমন্ধে একটি পরিষ্কার ধারনা থাকতে হবে। মনেমনে তোমার আইডিয়ার একটি আউটলাইন তৈরী করে নিতে হবে অর্থাৎ তুমি কি লিখবে?, কিরকম চরিত্র সেখানে তুমি রাখবে?, প্রতিটা সম্পকের সমীকরন কিরকম হবে?, তোমার চরিত্র গুলি কিভাবে কথাবার্তা চালাবে? এবং কেন? তোমার এই গল্পের মাধ্যমে কি তুমি তোমার দর্শকে কি কোন মেসেজ দিতে চাইছ? চাইলে সেটি কি? দরকার হলে একটি নোট লিখে রাখা যেতে পারে।

৪। স্ক্রিপ্টের সম্ভাব্য দৈঘ্য মাথায় রেখে স্ক্রিপ্ট লিখতে বসতে হবে। সাধারনত একটি ২ ঘন্টার স্ক্রিপ্টের দৈঘ্য ১২০ পৃষ্ঠা হয়। আর যদি সেটি সেলটেক্স, ফাইনাল ড্রাফটের মত সফটওয়ারে লেখা হয় তবে সেক্ষেত্রে একটি পেজের দৈর্ঘ্য এক মিনিট হিসেবে ধরা হয়। তবে আরো একটি বিষয়ও মাথায় রাখা ভাল যে সাধারন ভাবে দুই থেকে আড়াই ঘন্টার চিত্রনাট্যই সবচেয়ে বেশি গ্রহন যোগ্য হয়। এর থেকে বেশী হলে সেটিকে চিত্রনাট্য হিসেবে না লিখে নভেল হিসেবে লেখাই ভাল।

৫। সাধারনত তিনটি অ্যাক্ট-এ একটি চিত্রনাট্য লেখা হয়। এই তিনটি অ্যাক্ট কে মূল চিত্রনাট্যের তিনটি খুটি হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি অ্যাক্ট প্রতিটির থেকে স্বতন্ত্র হয়। তিনটি অ্যাক্ট মিলিয়ে একটি চিত্রনাট্য সম্পূর্ন হয়।

অ্যাক্ট – ১

এখানে মূলত গল্পের মূল সেটআপ টি তৈরি করা হয়, মূল চরিত্র গুলির সাথে পরিচয় ঘটানো হয় পাঠকের। গল্পের প্রটাগনিষ্ট এর আবির্ভাব ও এখানেই হয় এবং তার উদ্দেশ্য ঠিক করা হয়। এর পর শুরু হয় অ্যাক্ট ২। অ্যাক্ট ১ সাধারন গল্পের ক্ষেত্রে ৩০ পৃষ্ঠা আর কমেডির ক্ষেত্রে ২৪ পৃষ্ঠার হয়।

অ্যাক্ট – ২

এটি গল্পের মূল অংশ এখানে প্রটাগনিষ্ট সমস্ত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে সমস্যার সমাধানের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে যাবে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার কাজের দ্বারা পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত রাখবে। এই অ্যাক্টটি ড্রামার ক্ষেত্রে সধারনত ৬০ পৃষ্টার এবং কমেডির ক্ষেত্রে ৪৮ পৃষ্টার হয়ে থাকে।

অ্যাক্ট – ৩

তৃতীয় অ্যাক্টে গল্প উপসঙ্ঘারের দিকে এগোয়। গল্পের টুইস্ট এই ভাগেই সাধারনত তৈরি হয়ে থাকে কারন গল্পের বিষয়-বস্তু দ্বিতীয় ভাগেই যথারীতি পরিষ্কার হয়ে গেছে। এই ভাগে গল্প দ্রুততার সঙ্গে এগোয় সমস্যার মূল সমাধানের দিকে। এটি সাধারন ড্রামার ক্ষেত্রে ৩০, এবং কমেডির ক্ষেত্রে ২৪ পৃষ্ঠার হয়।

৬। সিকোয়েন্স বা ক্রম সাজানো। এইটি মূল গল্পের অংশ হলেও গল্পের থেকে এটি পৃথক অর্থাৎ গল্পের বিষয় সম্বন্ধীয় নাও হতে পারে। অনেক সময় একটি সম্পূর্ন পৃথক বিষয় এবং পৃথক টেনশনের এটি জন্ম দিতে পারে। একটি আদর্শ সিকোয়েন্স সাধারনত ১০-১২ পৃষ্ঠার হয়ে থাকে।

৭। সিন লেখা। অনেকগুলি সিকুয়েন্স মিলে একটি সিন তৈরি হয়। সিন লোকেশনে শ্যুট করা হয়ে থাকে। এক এক-একটি সিন গল্পকে ধিরে ধিরে এগিয়ে নিয়ে যায়।

যদি কোন সিন শ্যুট করার অনুপযোগী বলে মনে করা হয় তবে সেটিকে স্ক্রীপ্ট থেকে বাদ দেওয়াই ভাল।

৮। ডায়লগ লেখা। একবার সিন এর ধারনা তৈরি করে নিলে তারপরে যেটি সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সেটি হল ডায়লগ। এটিই একটি চিত্রনাট্যের সবচেয়ে শক্ত কাজ। ডায়লগই প্রতিটি চরিত্রের চারিত্রিক বৈশিষ্ট গুলি ফুটিয়ে তোলে। এটি সবসময় বাস্তবধর্মী নাও হতে পারে কারন আমাদের বাস্তব কথপকথন গুলো খুবই সরল ও সাদামাটা গোছের হয়। তাই সিনেমাকে বাস্তবধর্মী করতে গেলে যে খুব সাদামাটা ডায়লগ চরিত্রের মুখে বসাতে হবে এমনটা ভাবার কোন কারন নেই।

ডায়লগ লেখা হয়ে গেলে একাই জোরে জোরে আওড়ানো যেতে পারে এতে বোঝা যাবে সময় বিশেষে চরিত্রের মুখে ডায়লগটি মানাচ্ছে কিনা, বা সব চরিত্রের ডায়লগ একই প্রকৃতির হচ্ছে কিনা।

৯। লেখার কাজটি শেষ হলে বন্ধু অথবা কলিগদের সাথে কাজটি নিয়ে আলোচনা করা। বিভিন্ন ধরনের মানুষের চিন্তা ভাবনা বিভিন্ন প্রকার হয়, তাই একই প্রকার চিন্তাধারার মানুষদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সেটি ভিন্নমত পোষণকারী ব্যাক্তিদের সাথে আলোচনা করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রশংসা ও কড়া থেকে কড়া সমালোচনা সমান ভাবে গ্রহন করতে হবে কারন এক্ষেত্রে কড়া থেকে কড়া সমালোচনা কাজটিকে আরো সমৃদ্ধ করবে তাই শুধুমাত্র মিথ্যা প্রশংসায় সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না।

১০। নিজের লেখা বা কাজটিকে যতবার সম্ভব রিভাইস করা। এই কাজটি একটু শক্ত কারন প্রথম প্রথম রিভাইস এর সময় নিজের খামতি গুলো বেশী বেশি করে ধরা পরবে। এবং প্রতিবারই কিছু না কিছু নতুন আইডিয়া মাথায় আসবে তাই যতটা সম্ভব কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূণ আইডিয়া গুলো রেখে বাকীগুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলাই ভাল।

কিছু এক্সট্রা টিপসঃ …………।
স্ক্রিপ্ট লেখার জণ্য সেলটেকস বা ফাইনাল ড্রাফটেরমত কিছু সফটওয়্যার ব্যাবহার করা যেতে পারে। কারন এগুলিতে স্ক্রিপ্টের সঠীক ফরম্যাট ফলো করা থাকে। আর তাছাড়া স্ক্রীপট হাতে ও লেখা যেতে পারে তবে সেক্ষেত্রে ফাইনাল কপি ওয়ার্ড-এ কুরিয়ার ফ্রন্টে, ফ্রন্ট ১২ য় টাইপ করে নিলে ভাল হয়।

সংগৃহীত (সুত্র)ঃ https://abcfindings.wordpress.com/2014/07/24/

45
২০০৯ সালের জুলাইয়ে বাজারে এসেছিল উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেম। উইন্ডোজের আপডেট ভার্সন আসার পরও এখনো অধিকাংশই উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করছেন।

সম্প্রতি মাইক্রোসফ্টের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, ২০২০ থেকে উইন্ডোজ ৭ -এর জন্য প্রয়োজনীয় সাপোর্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে। উইন্ডোজ ৭-এর গ্রাহকদের উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করার জন্য নোটিফিকেশনও পাঠানো হচ্ছে।

মাইক্রোসফ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২০-র ১৪ জানুয়ারি বন্ধ হয়ে যাবে উইন্ডোজ ৭। মার্চের ১৪ থেকে এই অপারেটিং সিস্টেমের সমস্ত আপডেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। তাই ২০২০-র মার্চের আগেই কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেম। ইতিমধ্যেই ৮০ কোটি গ্রাহক নিজেদের কম্পিউটারে উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করছেন। উইন্ডোজ ৭ উঠে গেলে উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা মাইক্রোসফ্ট কর্তৃপক্ষের।

Source:  http://www.bd-pratidin.com/tech-world/2019/03/27/411604

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 13