Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sadiur Rahman

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 13
61
হাত-মুখ ধুতে গিয়ে অসাবধানতাবশত আপনার মোবাইলটি বালতির পানিতে বা কখনো বেসিনে পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। আবার বৃষ্টিতে কিংবা অন্য কোনভাবে মোবাইলটা একেবারে ভিজে যেতে পারে। এক্ষেত্রে যা করতে হবে আর যে কাজ অবশ্যই করবেন না তা জেনে নিন-

যা করবেন না
* কোনো সুইচ চাপবেন না। এতে করে পানি আরো বেশি পরিমাণে ঢুকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে শর্টসার্কিট হবে। হয়তো বেঁচে যেতো মোবাইলটা। কিন্তু স্রেফ একটা সুইট চাপার কারণে নষ্ট হয়ে যাবে। তাই কোনো সুইচ বা পোর্টে খোঁচাখুঁচি করবেন না কোনভাবেই।

* পানিতে পড়া মোবাইল নিয়ে নির্মাতার ওয়ারেন্টির সুবিধার অপেক্ষায় থাকবেন না। কারণ, পানিতে পড়ার ওয়ারেন্ট ওরা দেবে না। নির্মাতারা কেবল নির্মাণত্রুটি পেলেই সেবা দেবে। আর যদি সেখানে নিয়েই যান, তবে ঘটনা লুকানোর চেষ্টা করবেন না। এতে করে আপনি উপকার পেলেও পেতে পারেন।

* হেয়ারড্রায়ার দিয়ে ফোন শুকাবেন না। এতে করে স্পর্শকাতর ইলেকট্রনিক অংশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর ভুল করে পানি শুকানোর জন্যে গরম কোনো যন্ত্রের মধ্যেও রাখবেন না। ওভেন বা রেডিয়েটরে তো রাখবেন না।


যা করবেন
* ফোনে পানি ঢুকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এর ব্যাটারি সংযোগ বন্ধ করতে হবে। প্রথমে চেষ্টা করুণ ফোনটি সুইচড অফ করতে। না হলে সরাসরি ব্যাটারি খুলে ফেলুন। অহেতুক অন্যান্য বাটন চেপে কোন কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে যাবেন না। কারণ পানিতে পড়লেও ফোন বন্ধ হয় না। ফলে ভিতরে শর্ট সার্কিট হয়ে যায়। যাবতীয় ডেটা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সার্কিট জ্বলে যেতে পারে। তাই প্রথম কাজই এটার ব্যাটারি সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া।

* বন্ধ করার পর একটি শুকনো কাপড়ে মোবাইলটি ভালোমতো মুছে ফেলুন। এবার একটি টিস্যু বা পেপার তোয়ালেতে মুড়ে রেখে দিন। এতে বাড়তি পানি শুষে নেবে ওগুলো। কোনো অ্যাক্সেসরিজ লাগানো থাকলে তা খুলে ফেলুন। সিমকার্ড বের করে নিন। মেমোরি কার্ডও বের করে নিন। এবার বিভিন্ন কোণ থেকে মোবাইলটা ঝাঁকাতে থাকুন। এতে করে ভেতরে কোনো পানি থাকলে বের হয়ে আসবে।

* এবার আসল কাজ। বাড়িতে যেখানে চাল রেখেছেন সেখানে মোবাইলটি রেখে দিন। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো এয়ারটাইট বাক্সে চাল নিয়ে তারমধ্যে মোবাইলটি রাখতে পারলে। চালের ভেতরে স্মার্টফোনটি ডুবিয়ে দিন। চাল কিন্তু আর্দ্রতা দারুণভাবে শুষে নিতে পারে। এতে অবশ্য চালের গুঁড়া লেগে যাবে। কিন্তু মোবাইল বাঁচবে। এভাবে ২৪-৪৮ ঘণ্টা মোবাইলটি রেখে দিতে হবে।

*  কড়া সূর্যালোকেও মোবাইলটি রেখে দিতে পারে। এতে করে পানি শুকিয়ে যাবে। তবে এটা করতে গেলে মোবাইলে ব্যাক কাভার এবং ব্যাটারি সব খুলে নেবে। রোদ্রে মোবাইলটাকে যতটা খোলামেলা রাখা যায় সেভাবেই রাখবেন।  আশা করা যায়, মোবাইলটা ভালো হয়ে যাবে। খুব বড় দুর্ঘটনা না ঘটে গেলে অন্তত মোবাইলটা আবারো চালু হবে।

Source : http://www.bd-pratidin.com/tech-world/2018/03/01/310641

63
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে মানুষের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ছে
২০৫০ সালের মধ্যে কেড়ে নেবে কোটি প্রাণ :বিশেষজ্ঞদের অভিমত
Details /Source :
http://www.ittefaq.com.bd/life-style/2017/11/13/135661.html

64
Present yourself / Interview Skills
« on: November 14, 2017, 04:56:31 PM »

65
Public Health / শরীর ব্যথা !!
« on: August 01, 2017, 11:11:27 AM »
শরীর ব্যথা হচ্ছে বিভিন্ন রোগের একটি সাধারণ উপসর্গ। বেশ পরিচিত রোগ ফ্লু শরীরে ব্যথার উদ্রেক করতে পারে। প্রতিদিনকার কার্যপ্রণালীর কারনেও শরীর ব্যথা হতে পারে, বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে হাঁটলে, দাঁড়ালে বা অনুশীলন করলে।

শরীর ব্যথায় গুরুতর অবস্থা এড়াতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে যেন ভুল না হয়। শরীর ব্যথার বিভিন্ন কারণ বা রোগ সম্পর্কে জ্ঞান আপনার স্বাস্থ্য সচেতনতার পরিচয় বহন করে। আজ শরীর ব্যথার ১২টি রোগ সম্পর্কে আলোকপাত করা হল।

১. উদ্বেগ

উদ্বেগে থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ে। এর ফলে শরীর সংক্রমণ বা ব্যাধির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে না। উদ্বেগের কারণে শরীরে প্রদাহ ও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। ফলে শরীরে ব্যথা অনুভূত হয়। যদি মনে করেন উদ্বেগের কারণে আপনার শরীর ব্যথা করছে, তাহলে জীবনযাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন আনুন। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন-

* প্রতিদিন কিছুক্ষণের জন্য মেডিটেশন করুন। শ্বাসক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দিন এবং উদ্বেগ সৃষ্টিকারী ব্যক্তি বা ঘটনাসমূহ মন থেকে তাড়িয়ে দিন।

* হাঁটুন কিংবা উদ্বেগপূর্ণ পরিবেশ ত্যাগ করুন।

* উদ্বেগের কথা বিশ্বস্ত কাউকে বলুন যাতে উদ্বেগের কারণ স্পষ্ট হয়।

* উদ্বেগের কারণে ঘুম ব্যাহত হলে ঘুমানোর আগে উদ্বেগ শিথিলকরণ পদ্ধতি মেনে চলুন।

২. ডিহাইড্রেশন

শরীরকে স্বাভাবিক ও সুস্থ রাখতে পানি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি ছাড়া শরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া (যেমন- শ্বাসক্রিয়া, পরিপাকক্রিয়া ইত্যাদি) সম্পন্ন করতে পারে না। ঠান্ডা কিংবা গরমে যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান না করলে ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাবেন। প্রতিদিন ৮ আউন্স গ্লাস পানি পান করা উচিত। এর চেয়েও বেশি পান করুন যদি আপনি শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকেন ও ঘামেন।

ডায়রিয়ার কারণে ডিহাইড্রেটেড হয়ে থাকলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। অতিরিক্ত ইলেক্ট্রোলাইটযুক্ত পানি বা তরল পান আপনাকে হাইড্রেটেড রাখবে ও ইলেক্ট্রোলাইট ডায়রিয়াকে দূর করবে। শরীর পানি ধরে রাখতে না পারলে বা অতিমাত্রায় ডিহাইড্রেটেড এড়াতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

৩. ঘুমের অভাব

পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে আপনার সার্বিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়বে। র‍্যাপিড আই মুভমেন্টসহ প্রতিরাতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। শরীরের টিস্যু ও কোষের যথাযথ ঘুম দরকার যাতে তারা সুস্থ থাকে। ব্রেইনকে সতেজ ও সতর্ক রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই। ঘুম ছাড়া শরীর বিশ্রাম নিতে পারে না এবং প্রয়োজনীয় শক্তি ও প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন হতে পারে না। এ কারণে শরীরে ব্যথা হয়।

প্রতিরাতে পর্যাপ্ত ঘুমের সূচি অনুসরণ করার চেষ্টা করুন। শরীরের ছন্দ বা তাল বজায় রাখতে কিংবা ২৪ ঘণ্টার প্রাকৃতিক চক্র (সার্কাডিয়ান রিদম) ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে।

রিল্যাক্স হতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলতে পারেন-

* গরম চা কিংবা অন্যান্য গরম তরল পান করুন।

* মেডিটেশন করুন।

* গান শুনুন।

* রুমের হোয়াইট নয়েজ (যেমন- ফ্যানের শব্দ) শুনুন।

৪. ঠান্ডা বা ফ্লু

ঠান্ডা ও ফ্লু উভয়েই ভাইরাল বা ভাইরাসঘটিত ইনফেকশন যা প্রদাহ সৃষ্টি করে। এসব ইনফেকশন শরীরকে আক্রমণ করে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এদেরকে হটানোর চেষ্টা করে। প্রদাহ, বিশেষ করে গলা, বুক ও ফুসফুসের প্রদাহ বেদনাদায়ক হতে পারে। শরীরের অন্যান্য অংশেও ব্যথা হতে পারে, কারণ শরীর ইনফেকশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।

আরাম পেতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। গলা ব্যথা কমাতে উষ্ণ লবণ পানি দিয়ে কুলকুচা করুন। এতে ঠান্ডাজনিত রোগ বা ফ্লু দ্রুত সেরে যাবে। ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ (যা কিনতে প্রেসক্রিপশন লাগে না) সিউডোফেড্রাইন ও ইবুপ্রোফেন উপসর্গ ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে যদি ঠান্ডা বা ফ্লু থাকে কিংবা খেতে না পারলে, পান করতে না পারলে বা শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা হলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের কাছে যান।

৫. অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা

শরীরে লোহিত রক্তকণিকার অভাব হলে অ্যানিমিয়া বা রক্তাস্বল্পতা হয়। অ্যানিমিয়া হলে দেহের টিস্যু পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। অ্যানিমিয়ার কারণে শরীরের অনেক অঙ্গ বিবশ হয়ে যেতে পারে, কারণ সুস্থ থাকার জন্য বা ক্রিয়া সুসম্পন্ন হওয়ার জন্য যথেষ্ট অক্সিজেন তারা পায় না।

বিভিন্ন কারণে অ্যানিমিয়া হয়ে থাকে। পর্যাপ্ত লৌহ, ফোলেট বা ভিটামিন বি-১২ এর অভাবে অ্যানিমিয়া হয়। এসবের ঘাটতি পূরণে সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। সাপ্লিমেন্টে কাজ না হলে পরীক্ষা ও রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের দ্বারস্থ হোন।

৬. ভিটামিন ডি ঘাটতি

শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি হলে হাইপোক্যাসিমিয়া (রক্তে ক্যালসিয়ামের অভাব হওয়া) হয়ে থাকে। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ (যেমন- কিডনি, পেশি ইত্যাদি) যথাযথভাবে কাজ করার জন্য ক্যালসিয়ামের ওপর নির্ভর করে। হাড়ের সুস্থতার জন্যও ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন রয়েছে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর অভাবে ক্যালসিয়াম শোষিত হয় না যার ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ও হাড়ে ব্যথা হয়।

৭. মনোনিউক্লিওসিস

মনোনিউক্লিওসিস মনো নামে বেশ পরিচিত। মুখের লালার মাধ্যমে এটি ছড়ায়। তাই একে চুম্বন রোগও বলে। এটি একপ্রকার ইনফেকশন যা এপস্টেইন-বার নামক ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। এটি খুব ছোঁয়াচে। এর সবচেয়ে কমন উপসর্গ হচ্ছে শরীর ব্যথা।

৮. নিউমোনিয়া বা ফুসফুস প্রদাহ

নিউমোনিয়া বা ফুসফুস প্রদাহ হল ফুসফুসের ইনফেকশন। ফুসফুসে ইনফেকশন হলে পুরো শ্বসন প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নিউমোনিয়া হলে শ্বাসকষ্ট হয় এবং অতিরিক্ত ঘাম বের হয়। ভালোমত শ্বাস নিতে না পারলে লোহিত রক্তকণিকা ও টিস্যুকে সুস্থ রাখার জন্য শরীর যথেষ্ট অক্সিজেন পায় না। এ রোগ সারা শরীরে ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।

৯. ফাইব্রোমায়ালজিয়া

ফাইব্রোমায়ালজিয়া হলে পুরো শরীর বা শরীরের বিভিন্ন অংশ (যেমন- পেশি, হাড় ইত্যাদি) ক্লান্ত বা অবসাদগ্রস্ত, ব্যথাক্লিষ্ট ও সংবেদনশীল হতে পারে। এ রোগের কারণ এখনও অজ্ঞাত। তবে চাপপূর্ণ ঘটনা, যেমন- শারীরিক আঘাত বা অসুস্থতা, সার্জারি এবং ইনফেকশনের কারণে এটি হতে পারে।

১০. ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোম বা দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি

ক্রনিক ফ্যাটিক সিনড্রোম হলে আপনি ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে যাবেন। বিশ্রাম বা ঘুমের তারতম্যের ওপর এটি নির্ভর করে না। তাই বেশি বিশ্রাম বা ঘুমিয়েও ক্লান্তি ও দুর্বলতা দূর করা যায় না। এ রোগ শরীরকে অবসাদগ্রস্ত রাখে বলে পেশি ও জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে।

১১. আর্থ্রাইটিস বা সন্ধিপ্রদাহ


শরীরের জয়েন্ট বা সন্ধির প্রদাহকে আর্থ্রাইটিস বা সন্ধিপ্রদাহ বলে। এ রোগের ফলে জয়েন্টে ব্যথা হয় ও চলাচল সীমিত হয়ে যায়। নিম্নলিখিত কারণে এ রোগ হতে পারে-

* জয়েন্টের তরুণাস্থি বিকল হলে (অস্টিওআর্থ্রাইটিস)

* জয়েন্টে ইনফেকশন হলে

* অটোইমিউন অবস্থা যা জয়েন্টের আস্তরণকে ক্ষয় করে (রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস)।

১২. লুপাস

শরীরের নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্বারা শরীরের টিস্যু আক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াকে লুপাস বলে। এর ফলে দেহের যেকোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। এ রোগের একটি সাধারণ উপসর্গ হচ্ছে শরীর ব্যথা।

http://www.risingbd.com/prescription-news/234382

66
সামাজিক মাধ্যম তরুণদের মাঝে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিচ্ছে জানিয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে ডিচ দ্য লেবেল নামের একটি সংস্থা।

বুলিং বা আপত্তিকর মন্তব্য বিরোধী এই সংস্থাটি ১২ থেকে ২০ বছর বয়সী ১০ হাজার কিশোর-তরুণের মধ্যে এই গবেষণা চালায়।

গবেষণায় দেখা যায়, ৪০ শতাংশ তরুণ তাদের পোস্টে কাঙ্খিত লাইক না পেলে সেটাকে খুব নেতিবাচকভাবে নেয়। আরও আশঙ্কার বিষয় হলো, ৩৫ শতাংশ তরুণের আত্মবিশ্বাস নির্ভর করে তাদের ফলোয়ারের সংখ্যার ওপর।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, বুলিং বা নেতিবাচক-আপত্তিকর মন্তব্য করা মহামারী হয়ে দেখা দিয়েছে। ৭০ শতাংশ তরুণ স্বীকার করেছেন তারা অন্যের প্রতি আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। ১৭ শতাংশ তরুণ ফেসবুক-ইন্সটাগ্রামে আপত্তিকর মন্তব্যের শিকার হয়েছেন।

প্রায় ৫০ শতাংশ তরুণই নিজের জীবনের কোনো খারাপ দিক সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরে না। উল্টো নিজেদের একটি সুবিধাজনক পরাবাস্তব ও কাটছাট করা সাজানো চরিত্রকে উপস্থাপন করে।

ডিচ দ্য লেবেলের প্রধান নির্বাহী লিয়াম হেকেট বলেন,‘সামাজিক মাধ্যমে নিজের বানানো ব্যক্তিত্ব প্রকাশের একটি ধারা চলছে। এখানে ব্যক্তির বাস্তব ব্যক্তিত্ব অনেকটাই অনুপস্থিত।’
আপত্তিকর মন্তব্যের এই নব্যনেতিবাচক পরিস্থিতি সামলাতে কিশোরদের সচেতন করতে জোর দিয়েছেন ব্রিটেনের শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা অ্যান লংফিল্ড।

তার মতে এখনই স্কুল পর্যায়ে বাধ্যতামূলক ডিজিটাল সিটিজেনশিপ নামের বিশেষ কোর্স চালু করা উচিৎ।

http://www.channelionline.com/তরুণদের-উদ্বেগ-হতাশা-বৃদ/

67
Skin / এসি ব্যবহারে সতর্ক হউন
« on: July 22, 2017, 09:28:56 AM »

ঠিক ঠাক তো রুটিন মেনেই চলছেন। হঠাৎ খুব ক্লান্ত লাগছে? ত্বক শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে ? দিনের পর দিন এসিতে থাকার কারণে বেশ কিছু খারাপ প্রভাব পড়ছে শরীরে। আপনার অজান্তেই এই সব লক্ষণগুলোতে আক্রান্ত হতে পারে শরীরে।

কী ক্ষতি হচ্ছে?

এসি ঘরে স্বাভাবিকের তুলনায় আর্দ্রতা কম থাকার কারণে স্কিনের শুষ্কতার সমস্যা দেখা দেয়। যাদের হাঁপানির সম্ভাবনা রয়েছে, তাদের শ্বাসের সমস্যা হতে পারে। শরীর ক্লান্ত হয়ে পরে, ফলে ঘুম ঘুম ভাব অনুভব হয়।  প্রাকৃতিক তাপমাত্রার চেয়ে কম হয় এসি ঘরের তাপমাত্রা। এর জন্য এমন পরিবেশে মানব শরীরকে তার স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরে রাখার জন্য অধিক পরিশ্রম করতে হয়। ফলে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে শরীর। এসি ঘরে থাকা হলে ধমনী বা শিরা সংকুচিত হয়ে যায়। এর ফলে দেহে রক্ত সঞ্চালন প্রভাবিত হয়। এসি শুধু ত্বক নয়, চোখকেও শুষ্ক করে দেয়। এর ফলে চোখে চুলকানি, চোখ লাল হওয়া, চোখ থেকে পানি পড়া – প্রভৃতি রোগের সৃষ্টি হয়। দিনে অন্তত চার ঘণ্টা এসি ঘরে থাকা যাদের অভ্যাস, তাদের সাইনাসের সমস্যা দেখা দেয়।

এসি ঘরে থাকলে হাঁটু, কোমর, কনুই কিংবা ঘাড়ের কার্যকারিতাও প্রভাবিত হয়। সাধারণত শরীরের সমস্ত জয়েন্টে এসির হাওয়ার প্রভাবে যন্ত্রণা দেখা দেয়। যা পরবর্তীতে মানুষের কর্মক্ষমতা গ্রাস করে।

প্রতিকার

আপনার অফিসের এসিটা তো বন্ধ করে রাখতে পারবেন না , তাই চেষ্টা করবেন ঘরে যতটুকু থাকছেন এসি ব্যবহার না করতে। অনেকে এসি ব্যবহারটা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে। তাই একটু সচেতন হউন। আর শুধু গরম বেশি পরলেই এসি ব্যবহার করুন।

এসিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করার ফলে আপনার স্ক্রিন শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে একজন ডার্মাটলজিস্ট বলেন, এসিতে বসে যারা সারা দিন কাজ করে তারা অবশ্যই মুখ, হাত, পা, গলা, কনুইতে ময়শ্চারাইজার লোশন ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে এসির শুষ্ক ভাবটা কিছুটা দূর হবে।

অফিসে যেখানে বসে কাজ করবেন, অবশ্যই একটা পানির পট সাথে রাখুন। কারণ আপনার শরীরে  যে পানির ঘাটতি তৈরি হতে থাকে তা পূরণ করতে আপনি পানি রাখেন সাথে।

Source: http://www.channelionline.com/212993-2/ 

68
জীবনটা আর আগের অবস্থায় নেই। স্বাভাবিক গতিতে চললে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা, তাইতো গতি বেড়েছে অনেক। আর এই গতির সঙ্গে তাল মেলাতেই অনধিকার চর্চার মতো যোগ হয়েছে মানসিক চাপ, যার অন্য নাম স্ট্রেস। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্নায়ুর চাপ, অনিদ্রা, অবসাদ, রাগ—সবই মানসিক চাপের নানা রূপ। এই চাপই আমন্ত্রণ জানাচ্ছে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো কঠিন সব রোগকে। তাই আর অবহেলা নয়, বরং এটির মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। শারীরিক পরিশ্রম, কিছু ব্যায়াম করে এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

স্ট্রেস ভালো করার কোনো মডেল ওয়ার্ক আউট নেই। বরং কাজের ধরন, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, বয়স ইত্যাদির ওপর স্ট্রেস কমানোর ওয়ার্ক আউট বা ব্যায়াম নির্ভর করে। যেমন—যাঁরা সারা দিন কম্পিউটারে কাজ করেন তাঁদের জন্য স্ট্রেচিং, সাঁতার শক্তি বাড়ানোর জন্য ভালো কাজ দেয়। আবার শল্যচিকিৎসক, শিক্ষকদের জন্য ব্রিদিং, যোগাসনের স্ট্রেচ আর কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়ামে ভালো ফল মিলবে। গৃহবধূ, সাধারণ চাকরিজীবী, যাঁরা একঘেয়েমি থেকে অবসাদের শিকার, তাঁদের জন্য খোলা পরিবেশে কার্ডিওভাসকুলার ওয়ার্ক আউট উপযোগী। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বদ্ধ রুমে ব্যায়ামের চেয়ে প্রকৃতির মাঝে ব্যায়াম করলে মেজাজ ভালো থাকে। এ জন্য এসব ব্যায়ামের নাম দিয়েছেন তাঁরা গ্রিন এক্সারসাইজ। চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আরো কিছু ব্যায়াম সম্পর্কে জানানো হচ্ছে।

স্কিপিং :
এক জায়গায় দাঁড়িয়ে স্কিপিং বড্ড একঘেয়ে। বরং করতে করতে কখনো সামনে, কখনো পেছনে, কখনো ডানে বা বাঁয়ে যেতে থাকুন। আবার সোজা না লাফিয়ে ভিন্নভাবেও লাফানো যেতে পারে। লাফানোর মধ্যে নিজেই কিছু বৈচিত্র্য আনতে চেষ্টা করুন। এভাবে ৩০ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট করতে হবে। এক মিনিট বিশ্রাম করে আবার শুরু করুন। এভাবে পাঁচ থেকে ছয়বার করুন।

বক্স অ্যান্ড কিক :
এই অনুশীলনটি করতে এক জোড়া বক্সিং গ্লাভস হলে ভালো হয়। খালি হাতে হলেও কোনো সমস্যা নেই। তবে একজন সঙ্গী দরকার হবে। সঙ্গী দুই হাতের তালু খুলে দাঁড়িয়ে থাকবেন। এ সময় দুই হাতে আড়াআড়ি চারটি ঘুষি মারুন। ঘুষির পরপরই দুই পায়ে সঙ্গীর তালু লক্ষ্য করে একটি করে লাথি মারতে পারেন। এ সময় প্রতিপক্ষ হাত নিচে নামিয়ে রাখতে পারেন। এরপর সঙ্গী আপনাকে লক্ষ্য করে নকল ঘুষি ছুড়বেন, আপনি কতটা সজাগ সে পরীক্ষাটাও হয়ে যাবে। মাথা নিচু করে ঘুষি এড়াতে হবে। এভাবে অনুশীলন চালিয়ে যেতে হবে। এই অনুশীলন আপনাকে চাপমুক্ত রাখতে সহায়তা করবে। সঙ্গী না পেলে একাও অনুশীলন করা যাবে। তখন একা একা শূন্যে ঘুষি বা লাথি ছুড়ুন। 

Source: http://www.kalerkantho.com/online/prescription/2017/06/29/513536

69
নানা কারণে নিজের স্মার্টফোনটি কাছ ছাড়া করতে চান না কেউ-ই।   কিন্তু আপনার সেই সাধের স্মার্টফোনটি মস্তিষ্কের কতখানি ক্ষতি করতে পারে, তা জানেন কি? সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, দীর্ঘক্ষণ যদি স্মার্টফোন আপনার চোখের সামনে বা নাগালের মধ্যে থাকে, তাহলে আপনার মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে। কমে যেতে পারে মনো সংযোগ করার ক্ষমতা, এমনকি কর্মদক্ষতাও।

এক গবেষণায় স্মার্টফোনের তেমনই একটি ক্ষতিকর দিক সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, স্মার্টফোনের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় একজন মানুষ কত ভাল কাজ করতে পারেন, তা নিয়ে একটি সমীক্ষা করেন একদল বিজ্ঞানী। প্রায় ৮০০ জনকে কম্পিউটারের সামনে বসিয়ে একটি পরীক্ষা নেন তাঁরা। 

জরিপে কয়েকজন অংশগ্রহণকারীদের স্মার্টফোনটি ডেস্কের উপর, পকেটে কিংবা ব্যাগে রাখতে বলা হয়। আর বাকিদের স্মার্টফোনগুলি অন্য একটি ঘরে রাখা হয়। তাতে দেখা গেছে, যাঁদের স্মার্টফোনটি পাশের ঘরে ছিল, তাঁরাই কাজটি অনেক সুষ্ঠুভাবে করতে পেরেছেন। 

বিজ্ঞানীরা বলছেন, আপনি হয়তো সচেতনভাবে স্মার্টফোন নিয়ে ভাবছেন না। কিন্তু কোথাও না কোথাও মাথার মধ্যে সেই ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। ফলে অন্য কোনও কিছুতে মনসংযোগ করতে পারছেন না। আর এই চিন্তাই অজান্তে আপনার মস্তিষ্কের ক্ষতি করে দিচ্ছে। এটাকে বলা হয় ‘ব্রেন ড্রেন’। 

তাই স্মার্টফোনটি শুধু বন্ধ করে রাখলেই হবে না, সেটি আপনার চোখের বা হাতের নাগালের বাইরে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। 

তাঁরা বলছেন, ফোনে বারবার নোটিফিকেশন আসছে বলে মনসংযোগের অভাব হচ্ছে, এমনটা কিন্তু নয়। বরং স্মার্টফোনটি হাতের নাগালে থাকার কারণেই মস্তিষ্কের একটা অংশ ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না। তাই কাজটাও ঠিকমতো হচ্ছে না।

সূত্র ঃ http://www.kalerkantho.com/online/prescription/2017/06/26/512910

70
খবরের কাগজ, টেলিভিশনের পাশাপাশি প্রতিদিনের খবরাখবর সংগ্রহের নতুন মাধ্যম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো। এতে যখন-তখন বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বসে পাওয়া যাচ্ছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন খবর। তবে সমস্যাও আছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে ভুয়া খবর ও গুজব ছড়ানোর প্রবণতা। এতে বিভ্রান্ত হচ্ছেন পাঠক।

এই বিপত্তি কিছুটা হলেও কমিয়ে আনতে পদক্ষেপ নিয়েছে ফেসবুক। যোগাযোগের মাধ্যমটিতে ভুয়া খবর চেনার ১০ উপায় জানিয়েছে তারা। তারা ওই উপায়গুলো জানিয়ে দ্য টাইমস ও দ্য গার্ডিয়ানের মতো জনপ্রিয় খবরের কাগজগুলোতেও বিজ্ঞাপন দিয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি। 

ফেসবুকে ভুয়া খবর চেনার সেই ১০ উপায় কী? চলুন, দেখে নেওয়া যাক একনজরে।

১. খবর পড়ার আগে দেখে নিন শিরোনাম। কারণ, ভুয়া খবরের শিরোনামগুলো অনেক সময় সন্দেহের সৃষ্টি করে।

২. খবর পড়ার আগে দেখে নিতে হবে সেটির ওয়েবসাইট ঠিকানা। অপরিচিত বা সন্দেহজনক কোনো ঠিকানা দেখলে খবরটি ভুয়া হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।

৩. খবরটির সূত্র বা সোর্স যদি অপরিচিত হয় অথবা কোনো সূত্র না থাকে, তাহলে ওই খবরে বিশ্বাস না করাই ভালো।

৪. ভুল বানান ও খবরটি সম্পাদনার ধরন দেখে সহজেই চেনা যেতে পারে ভুয়া খবর।

৫. খবরে প্রকাশিত ছবিগুলো কতটুকু সংগতিপূর্ণ, তা বিবেচনায় আনতে হবে। কারণ, ভুয়া খবরে অনেক সময় অপ্রাসঙ্গিক ছবি দেওয়া হয়।

৬. খবরে বর্ণিত ঘটনাটি কখন ঘটেছে, সেটা জানা জরুরি। ভুয়া খবরের প্রয়োজন হয় না সঠিক স্থান-কাল।

৭. সঠিক প্রমাণ ছাড়া খবরের কোনো ভিত্তিই থাকে না। তাই পড়ার আগে দেখে নিন, সঠিক প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে কি না।

৮. কোনো খবর দেখে হুট করে বিশ্বাস করার দরকার নেই। দেখে নিন অন্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের সঙ্গে সেটির মিল আছে কি না।

৯. যে খবর পড়ছেন, সেটি কৌতুক নয় তো? বিশ্বাস করার আগে যাচাই করে নিন।

১০. প্রকাশিত খবরটি মজা করে করা হতে পারে। তাই ওই খবরগুলোকে মজা হিসেবেই নিতে হবে। বিশ্বাস করার দরকার নেই। 

Source: http://www.ntvbd.com/tech/129075

71
Hypertension / কীভাবে মনোযোগী হব?
« on: May 08, 2017, 04:54:08 PM »
গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের মনোযোগের দৈর্ঘ্য গড়ে ৮ সেকেন্ড। বেশির ভাগ মানুষ ৮ সেকেন্ড যেতে না যেতেই মনোযোগ হারিয়ে ফেলেন। আবার অনেকে দীর্ঘ সময় মনোযোগ ধরে রাখতেও জানেন। আপনি হয়তো পড়তে বসেছেন, জরুরি কোনো ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ তৈরি করছেন কিংবা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর ফাঁকে মনোযোগ ছুটে যাচ্ছে বারবার। কীভাবে মনোযোগী হবেন? এই ১০টি পরামর্শ আপনার কাজে আসতে পারে।

* কাজের ফাঁকে মিষ্টিজাতীয় কিছু কিংবা চা-কফি খেতে পারেন। গ্লুকোজ আর ক্যাফেইন, দুটোই মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।

* একটা নিরিবিলি জায়গা খুঁজে নিন। গাড়ির হর্নের শব্দ কিংবা শিশুর চিৎকার-চেঁচামেচি খুব দ্রুত মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়।

* মুঠোফোন, কম্পিউটার বা ইন্টারনেট যখন ব্যবহার করছেন না, তখন বন্ধ রাখুন।

* টেবিল গুছিয়ে রাখুন। অগোছালো টেবিল আপনার মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

* একসঙ্গে সব কাজ নিয়ে না বসে কাজগুলো ছোট ছোট ভাগে ভাগ করুন। কী কী কাজ করতে হবে, এর একটা তালিকা তৈরি করে নিন।

* একটানা কাজ না করে কাজের ফাঁকে বিরতি নিন। পরিমিত বিরতি আপনার সময় নষ্ট করবে না, বরং সময় বাঁচাবে।

* সময় ঠিক করে নিন। ‘আগামী আধা ঘণ্টার মধ্যে আমি অমুক কাজটা শেষ করব।’ এমন ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করুন।

* লক্ষ্য পূরণ হলে নিজেই নিজেকে পুরস্কার দিন। সেই পুরস্কার হতে পারে কিছুক্ষণের বিরতি, খাবার কিংবা অন্য কিছু।

* হেডফোন কানে থাকলে অনেকের মনোযোগ দিতে সুবিধা হয়। শব্দ কমিয়ে গানও শুনতে পারেন।

* যদি একা পড়ালেখা বা কাজে মন বসাতে না পারেন, একজন জুতসই সঙ্গী খুঁজে নিন। অনেক সময় দুজন মিলে কাজ করলে মনোযোগ দেওয়া সহজ হয়।

সুত্র ঃ http://www.prothom-alo.com/education/article/1171141

72
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। ঢাকায় এক কোটি ১৬ লাখ লোক সক্রিয়ভাবে ফেসবুক ব্যবহার করে, যা মোট ব্যবহারকারীর দশমিক ৯ শতাংশ।

বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, ফেসবুক ব্যবহারে প্রথম স্থান দখল করেছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। সক্রিয়ভাবে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ব্যাংককে দুই কোটি ৪০ লাখ। এটি মহানগর ক্যাটাগরিতে মোট ব্যবহারকারীর ১ দশমিক ৩ শতাংশ। এক কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারী নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটি।

‘ডিজিটাল ইন ২০১৭ গ্লোবাল ওভারভিউ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোশ্যাল মিডিয়া গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘উই আর সোশ্যাল’ ও ‘হুট সুইট’ এই জরিপ কাজ পরিচালনা করে।

বিশ্বের ২৩৯ দেশের ডিজিটাল পরিসংখ্যান ও প্রবণতার বিষয়ে জরিপ চালিয়ে প্রতিষ্ঠান দুটি এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

জরিপ অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার অবস্থান চতুর্থ, তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের অবস্থান পঞ্চম, মিসরের রাজধানী কায়রো ষষ্ঠ, ব্রাজিলের সাওপাওলো সপ্তম, ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি অষ্টম, পেরুর রাজধানী লিমা নবম ও ভিয়েতনামের হো চি মিন শহর দশম অবস্থানে রয়েছে।

দেশ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। এ দেশে সক্রিয় ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২১ কোটি ৪০ লাখ। দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত, তৃতীয় ব্রাজিল, চতুর্থ ইন্দোনেশিয়া, পঞ্চম মেক্সিকো, ষষ্ঠ ফিলিপাইন, সপ্তম তুরস্ক, অষ্টম থাইল্যান্ড, নবম ভিয়েতনাম ও দশম যুক্তরাজ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোবাইলে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার বিশ্বব্যাপী দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এই সংখ্যা ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে।

Source: http://www.ntvbd.com/tech/124315

73
ডিমেও এখন ভেজাল। প্লাস্টিকের ডিম তৈরি করে আসল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি করছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। প্লাস্টিকের ডিম বিক্রির ঘটনা নিয়ে পাশের দেশ ভারতের কলকাতা ও হুগলিতে চলছে শোরগোল।

ইন্ডিয়া টুডের এক খবরে বলা হয়েছে, আসল ডিমের সঙ্গে প্লাস্টিক ডিমের পার্থক্য সহজে বোঝা যায় না। ওমলেট করতে গিয়ে পার্থক্যটা ধরতে পারেন এক ভুক্তভোগী। ডিম ফেটিয়ে কড়াইতে দেওয়ার পরই দেখেন শক্ত হয়ে গেছে। পোড়া প্লাস্টিকের গন্ধ বের হতে থাকে। ভালো করে দেখে বোঝেন, ডিমের খোলাটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পুরু।

জিনিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজারে নকল ডিমের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ভারতে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে। এ ধরনের ডিম খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে প্রচুর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।

প্লাস্টিকের ডিম।
প্লাস্টিকের ডিম।
প্লাস্টিকের ডিম চেনার উপায়
১. ডিম ভাঙার পর সাদা অংশ ও কুসুম এক হয়ে যায়।
২. সাধারণ ডিমের চেয়ে এই ডিম বেশি ঝকঝকে।
৩. এর খোলস বেশি শক্ত। খোলের ভেতর রাবারের মতো লাইন থাকে।
৪. ডিম ঝাঁকালে পানি গড়ানোর মতো শব্দ হয়।
৫. প্লাস্টিকের ডিমে কোনো গন্ধ থাকে না।
৬. আসল ডিম ভাঙলে মুড়মুড়ে শব্দ হয়। কিন্তু প্লাস্টিকের ডিমে তেমন শব্দ হয় না।
৭. আসল ডিম ভেঙে রেখে দিলে পিঁপড়া বা পোকামাকড় আসে। কিন্তু নকল ডিমে পোকামাকড় আসে না। জিনিউজ, ইন্ডিয়া টুডে, এনডিটিভি।

Source: http://www.prothom-alo.com/life-style/article/1130731

74
হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।

কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম।

তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম।

বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে।

১. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই।

৩. ফল ৪ থেকে ৫ সার্ভিং প্রতিদিন। টুকরো টুকরো করে কাটা আধা কাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধা কাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো।

৪. শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধা কাপ রান্না করা শাক।

৫. দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য।

৬. বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।

Source: http://advicebd.com/bn/health/8538/

75
শৌচালয় নয়, আপনার হাতের মোবাইলই সবচেয়ে বেশি নোংরা। সবচেয়ে বেশি ধরণের মারাত্মক ক্ষতিকর জীবাণু রোজ জমা হচ্ছে মোবাইল স্ক্রিনের ওপর। চেনা জীবাণু হলে ক্ষতি ছিল না, তবে সম্প্রতি পুণের একদল বিজ্ঞানী গবেষণায় পেয়েছেন তিন অচেনা জীবাণুর সন্ধান। যে জীবানুগুলি এতদিন উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। স্বাভাবিক ভাবে মানুষের শরীরে সেগুলি কিভাবে ক্ষতি করতে পারে, সেটিও পরিষ্কার নয় গবেষকদের কাছে। 
ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার মাইক্রোবায়োলজির গবেষক উইলিয়াম দেপাওলো একটি গবেষণা করেন মোবাইলের স্ক্রিনে জমে থাকা জীবাণু নিয়ে। নমুনা সংগ্রহ করে তিনি জানান, একটি শৌচালয়ের থেকেও নোংরা হয় মোবাইলেক স্ক্রিন। তার কারণ, শৌচালয়, বা বাড়ির অন্য ঘরের মত একটি নির্দিষ্ট জায়গা নয়, হাতে হাতে ট্রেন বাস, অফিস সর্বত্র ঘুরে বেড়ায় একটি ফোন। ফলে, একরকমের জীবাণু নয়, নানা রকমের জীবাণু জমা হয় ফোনের উপর। গড়ে একটি মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের ওপর ১২–১৫ রকমের জীবাণুর সন্ধান পাওয়া যায়। 
এই প্রাথমিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই পুণের বিজ্ঞানীরা নতুন গবেষণাটি করেছিলেন। সেখানে ২৭টি মোবাইল ফোনের নমুনা সংগ্রহ করে তাঁরা সন্ধান পেয়েছে প্রায় ৫১২ টি জীবাণুর। পাওয়া গেছে ২৭ টি আলাদা ছত্রাকও। এঁদের মধ্যেই তিনটি জীবাণু একেবারে নতুন ও অচেনা। মানুষ যখন কানে ফোন লাগিয়ে কথা বলে, তখন শরিরের ঘাম, লোম কূপের মধ্যে দিয়ে সেগুলি দেহে প্রবেশ করতে পারে। ঘটাতে পারে অঘটন। বিপদ থেকে মুক্তির জন্য তাই শৌচালয়ে ফোন না নিয়ে যাওয়া, বাইরে থেকে ঘরে ফিরে কোনও ক্লিনার দিয়ে হালকা করে ফোন পরিষ্কার করার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

Source : http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2017/03/05/471017

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 13