Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Faruq Hushain

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6
61
১। নেইলপলিশ এর মুখ অনেক সময় আটকে যায়। নেইলপলিশ এর মুখে ভেসলিন লাগিয়ে নিলে মুখ আর আটকে যাবেনা।
২।সামান্য ভেসলিন আপনার হাতের কব্জিতে,পালস পয়েন্টে,কানের পেছনে লাগিয়ে তারপর আপনার প্রিয় স্প্রে ব্যবহার করুন। ভেসলিন স্প্রে এর গন্ধকে শোষণ করে রাখে যা অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়।

৩।আঙ্গুলে আংটি আটকে গেলে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান, আংটি বের করা সহজ হবে।

৪।আপনার চামড়ার জুতা পরিষ্কার করে ভেসলিন লাগালে জুতাটি নতুনের মত চকচক করবে।

৫।ঘরের অথবা আলমারির দরজার চিঁ চিঁ শব্দ বন্ধ করার জন্য ভেসলিন লাগান,দেখবেন শব্দ বন্ধ হয়ে যাবে।

৬।চুলে রঙ করার সময় যাতে ত্বকে রঙ না লাগে সেজন্য চুলের নিচে ত্বকের খোলা অংশে ভেসলিন লাগান।

৭।নখে নেইলপলিশ দেবার সময় নখের চারপাশে ভেসলিন লাগিয়ে নিন,রঙ ছরাবেনা।

৮।চোখের আলগা পাপড়ি খোলার জন্য কটন বাডে ভেসেলিন লাগিয়ে আইল্যাশের উপরে লাগান। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। সহজেই আলগা পাপড়ি খুলে আসবে।

৯।মাশকারা ছাড়া চোখের পাপড়ি ঘন ও উজ্জ্বল করতে পারে ভেসেলিন।

১০।ঠোট, হাত ও পায়ের ফাটা রোধ করার জন্য নিয়মিত ভেসেলিন লাগান।

১১।কানের দুল পরতে সমস্যা হলে কানের লতিতে কিছুক্ষণ ভেসেলিন লাগিয়ে রাখুন। তারপর দুল পরুন, ব্যাথা পাবেন না।

62
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে বহনকারী ক্যাডিলাক ওয়ান ব্র্যান্ডের গাড়িটির নাম ‘বিস্ট’। আসুন জেনে নেই কি প্রযুক্তি আছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী গাড়িটিতে।

বুট:
গাড়ির এই অংশ অক্সিজেন ট্যাঙ্ক ধারণ করছে। এছাড়া এখানে আছে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা।

ফুয়েল ট্যাঙ্ক:
জ্বালানির উৎস এই ট্যাঙ্কটিতে রয়েছে বিশেষ ধরণের একটি ফোম, যা যেকোনো বিস্ফোরণকে প্রতিহত করবে।

পেছনের আসন:
রাষ্ট্রপতির বসার এই সিটে রয়েছে একটি স্যাটেলাইট টেলিফোন। এছাড়া মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং পেন্টাগনের সাথে সরাসরি যুক্ত একটি ফোন লাইন আছে। এই সিটে চারজন বসতে পারেন। আর জানালার গ্লাস এমনভাবে খুলবে, যাতে প্রেসেডেন্ট বাইরের সব দেখতে পাবেন কিন্তু তিনি থাকবেন আড়ালে। গাড়ির প্রতিটা জানালাই ৫ ইঞি পুরু।

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা:
এই গাড়িতে নাইটভিশন ক্যামেরা বসানো আছে। এছাড়া আছে পাম্প অ্যাকশন শটগান এবং টিয়ারগ্যাস ক্যানন। এছাড়া এই গাড়িটি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা, এখানে অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং প্রেসিডেন্ট ওবামার স্ত্রী ও সন্তান ছাড়া আর কেউ খুলতে পারবে না।

টায়ার:
গাড়িটির টায়ার এমনভাবে প্রস্তুত, যা দ্রুত সামনে বাড়তে সহায়ক। এছাড়া এই টায়ার পাংচার হওয়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। এছাড়া হঠাৎ কোথাও ছিড়ে গেলে নিজে থেকেই ক্ষয়পূরণের ক্ষমতাসম্পন্ন এগুলো।

দরজা:
অস্ত্রে সজ্জিত এবং কয়েক ইঞ্চি পুরু গাড়িটির দরজাগুলো। দরজাগুলোর বোয়িং-৭৫৭ এর দরজার মতো ভারি।

চালকের কক্ষ:
গাড়ির একটি অত্যাধুনিক স্টিয়ারিং রয়েছে। এবং চালকের কক্ষে যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম সবসময় চালু থাকে। চালকের দরজাও অস্ত্রসজ্জিত এবং জানালা বুলেটপ্রুফ। জানালাটি সর্বোচ্চ ৩ ইঞ্চি নিচে নামানো সম্ভব। ড্রাইভারকে শত্রু মোকাবেলায় সিক্রেট সার্ভিসের পক্ষ থেকে যথাযথ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়ে থাকে।

গতি:
গাড়িটি ঘন্টায় ৯৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে এবং সর্বোচ্চ এই গতি গাড়ি চলতে শুরু করার ১৫ সেকেন্ডে মাঝেই তোলা সম্ভব। এটি ৮ হাজার সিসির গাড়ি। প্রতি লিটারে এটি ৩ দশমিক ৩৮ কিলোমিটার যেতে পারে।

শারীরিক কার্যক্রম এবং চেসিস:
গাড়ির নীচে স্টিলের পুরু পাত আছে বোমা বা গ্রেনেড জাতীয় বিস্ফোরক থেকে রক্ষার্থে। আর গাড়িটির দেহে অন্তত ৫ ইঞ্চি পুরু বর্ম লাগানো আছে। গাড়িটির দৈর্ঘ ১৮ ফুট এবং উচ্চতা ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি ।

63
১৬ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন ভারতীয় অভিনেতা শাহরুখ খান। সেখানেই শিক্ষার্থীদের সামনে বক্তব্য রেখেছেন তিনি ...

     ডক্টরেট ডিগ্রি আমার জন্য নিশ্চয়ই একটা সম্মানজনক ব্যাপার। আমি যে পেশায় আছি, সেখানে ‘সবিনয়ে’ শব্দটা প্রায়ই ব্যবহার হয়। এ ধরনের ‘কপট তোয়াজ’ আমার ঠিক পছন্দ না, তাই এই শব্দটা আমি ব্যবহার করছি না। তবে এটুকু বলতে পারি, এ রকম অনুষ্ঠানগুলোই আমাকে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সাহায্য করে। এই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রের সঙ্গে আমি কিছু নির্দেশনাও পেয়েছি। আমাকে বলা হয়েছে ‘সাফল্য’ সম্পর্কে ‘পরামর্শ’ দিতে!

জীবন সম্পর্কে আমি যা কিছু শিখেছি, তার বেশির ভাগই চলচ্চিত্র থেকে পাওয়া।
আমার ক্যারিয়ারের প্রথম দিককার একটি চলচ্চিত্রের নাম দিওয়ানা (হিন্দিতে দিওয়ানা শব্দটা প্রেম-সংক্রান্ত কিংবা ভালো কিছুর নেশায় ‘পাগলামি’ অর্থে ব্যবহার করা হয়।) এই চলচ্চিত্র থেকে আমি যা শিখেছি, জীবনে সুখী ও সফল হওয়ার পূর্বশর্ত হলো ‘পাগল’ হওয়া। ভেব না জীবনের ছোট ছোট খ্যাপাটে ভাবনাগুলো তোমার জন্য এতটাই ক্ষতিকর যে সারা জীবন এসব চিন্তাকে চেপে রাখতে হবে। পাগলামিগুলোকে স্বীকার করে নাও, আর সেটাকেই নিজের জীবন গড়তে কাজে লাগাও। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে প্রতিভাবান মানুষ, যাঁরা বিপ্লব করেছেন, যাঁরা উদ্ভাবন করেছেন, আবিষ্কার করেছেন, তাঁরা পেরেছেন কারণ তাঁরা নিজের মানসিক গঠনকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। ‘স্বাভাবিক’ বলে কিছু নেই। এটা কেবল ‘প্রাণহীন’ এর প্রতিশব্দ!
দিওয়ানার পরপরই আমি চমৎকার নামে একটা ছবিতে অভিনয় করেছি, যেখানে আমার চরিত্রটা একজন দুর্ভাগা নায়কের। হিন্দিতে ‘চমৎকার’ শব্দের অর্থ সহজ কথায় ‘মিরাকল’ বা কোনো অলৌকিক ঘটনা। এই ছবি থেকে আমার শিক্ষা অনেকটা এমন: ধোঁকায় পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে হঠাৎ একদিন যদি আবিষ্কার কর, তুমি একটা গর্তের ভেতর ঘুমিয়ে আছ, ভয় পেয়ো না। নিশ্চয়ই অদূরেই কোনো ‘মিরাকল’ অপেক্ষা করছে। সেই ‘মিরাকল’ কোনো ভূতও হতে পারে! তোমার কাজ হলো চুপচাপ শুয়ে থাকা। একটু অন্যভাবে বললে, ‘বেঁচে থাকা’ই হলো সেই অলৌকিক ঘটনা যার জন্য তুমি অপেক্ষা করছ। তোমার যা কিছু আছে, সব কাজে লাগাও। মনের জোর, আশপাশের মানুষকে ভালোবাসার ক্ষমতা, সুস্বাস্থ্য, সৌভাগ্য...যত উপহার জীবন তোমাকে দিয়েছে তার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার কর। জীবনকে শ্রদ্ধা কর। জীবনের প্রতিটা উপহার, প্রতিটা মুহূর্তকে নষ্ট হতে না দিয়ে কাজে লাগাও। সাফল্যের কোনো মাপকাঠি নেই কিন্তু জীবন তোমাকে যা কিছু দিয়েছে তার পুরোটা কাজে লাগানোর সুযোগ তোমার আছে।

তুমি জানো না, ভবিষ্যতে তোমার জন্য কী অপেক্ষা করছে। জানো না ‘আগামীকাল’ বলে কিছু আছে না নেই। কাল হো না হো নামের একটা ছবিতে আমি একেবারে তরুণ বয়সে মারা যাই। এই ছবির মূল কথাও সেটাই। আমি কখনোই আমার দুই বড় সন্তানকে এই ছবিটা শেষ পর্যন্ত দেখতে দিইনি। এমনকি আমরা ছবির অন্য রকম একটা সমাপ্তি তৈরি করেছিলাম শুধু ওদের জন্য। কিন্তু এখন ওরা তোমাদের মতো বড় হয়েছে। শিগগিরই নিজের জীবনে নিজের মতো করে একটা চমৎকার যাত্রা শুরু করবে। আমি ওদের এই রোমাঞ্চ থেকে আগলে রাখতে চাই না। বরং আমার অভিজ্ঞতা আর জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে যতটা সম্ভব ওদের বলতে চাই, এই সময়টাতেই যা পার করে নাও।

মুহূর্তে বাঁচ। আজকে বাঁচ। চঞ্চল চোখে তুমি হয়তো দেখতে পাচ্ছ না। কিন্তু এটাই কাজে লাগানোর শ্রেষ্ঠ সময়। আমি তোমাদের সবাইকে শুধু এটুকুই বোঝাতে চাই, এই সময়টা তোমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। পড়ালেখা কর। কষ্ট কর। নিয়ম দিয়ে নিজেকে বেঁধে রেখ না। কখনো কাউকে দুঃখ দিয়ো না...আর কখনোই অন্যের স্বপ্নে বেঁচ না। যতবারই ভুল কর না কেন, হেরে যাও না কেন, যতই মনে হোক না কেন সারা দুনিয়া তোমার বিপক্ষে, একটা কথা মনে রেখ—বব মার্লের ভাষায় যদি বলি, ‘...অ্যাট দ্য অ্যান্ড এভরিথিংস গনা বি অলরাইট’ (দিন শেষে সব ঠিক হয়ে যাবে)। আর আমার ভাষায় যদি বলি, জীবনটা হিন্দি সিনেমার মতো। শেষে গিয়ে সব ঠিক হয়ে যায়। আর যদি ঠিক না-ও হয়, তাহলে বুঝতে হবে ‘শেষ’ এখনো আসেনি। কারণ ‘পিকচার আভি বাকি হ্যায় মেরি দোস্ত!’ (কাহিনি এখনো শেষ হয়ে যায়নি বন্ধু) এটাকেই জীবনের একমাত্র সত্যি হিসেবে মেনে নাও।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

64
বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠির প্রায় এক-দশমাংশ এই বাদামটি ব্যবহার করেন। এর কার্যক্ষমতা প্রায় ছয় কাপ কফির সমান এবং কোথাও কোথাও এটিকে দেখা হয় ভালোবাসার প্রতীক এবং বদহজম ও বন্ধাত্যের মতো সমস্যার প্রতিকার হিসেবে।তবে এই বাদামটি প্রতিবছর হাজার-হাজার মানুষের মৃত্যুরও কারণ। যে বাদামটির কথা বলা হচ্ছে সেটি বাংলাদেশে পরিচিত সুপারি নামে। পুরো এশিয়াজুড়েই এই সুপারি পাওয়া যায়। আরেকা পাম নামক গাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয় এবং এর উদ্দীপক উপাদানের কারণে অনেকেই নিয়মিত এটি চর্বণ করেন। এটির কার্যক্ষমতা এতটাই বেশি যে নিকোটিন, অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইনের পাশাপাশি সুপারিকেও বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মানসিক বিভ্রমকারী মাদক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যদিও নারী এবং শিশুসহ অনেকেই এটি ব্যবহার করেন, তবে কর্মক্ষম পুরুষদের মাঝেই সুপারির ব্যবহার বেশি। গাড়ি চালানো, মাছ ধরা কিংবা নির্মাণকাজের মতো কর্মকাণ্ডে দীর্ঘসময় জেগে থাকার জন্য এটি তারা সুপারি চিবান। তবে স্বল্প সময়ের এই সুবিধাটি আসে চড়া মূল্যের বিনিময়ে। সুপারি ব্যবহারকারীদের মধ্যে উচ্চমাত্রায় মুখের ক্যান্সারের কারণে অনেকের জীবন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এমনকি প্রথমবার সুপারি ব্যবহার করার কয়েক দশক পরেও মানুষজন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। এশিয়ার যে কয়টি এলাকায় সুপারি খুব বেশি জনপ্রিয় তার একটি তাইওয়ান। সেখানে সুপারিকে বলা হয় তাইওয়ানের চুইং গাম। তাইওয়ানের সরকার এখন কয়েক শতকের পুরনো এই অভ্যাসটি কমিয়ে আনা এবং প্রতিবছর হাজার-হাজার জীবন ঝরে পড়া থেকে রক্ষার জন্য জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। তাইওয়ানে এভাবেই বিক্রি হয় সুপারি এশিয়ার অনেক অঞ্চলে সুপারি স্থানীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটিকে তাজা, শুকিয়ে কিংবা পানপাতা দিয়ে মুড়িয়ে খিলি বানিয়ে ব্যবহার করা হয়। যদিও পানের খিলি বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে বানানো হয়, তবে সাধারণত: চুন, পানপাতা, এলাচি বা দারচিনির মতো মশলা এবং তামাকের সাথে মিশিয়ে এই খিলি তৈরি করা হয়। আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা এসব উপাদানের মধ্যে এলাচি এবং দারচিনি ছাড়া বাকি সকল উপাদানকে কার্সিনোজেন বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। চুনকে বিশেষ একটি সমস্যা হিসেবে দেখা হয়, কারণ এটি ব্যবহারের ফলে মুখের ভেতর ছোট-ছোট অনেক ক্ষত তৈরি হতে পারে। ক্যান্সার সৃষ্টিকারী অনেক উপাদান এসব ক্ষতের মাধ্যমে চামড়ার ভেতরে প্রবেশ করতে পারে। প্রায় অর্ধেক মানুষ এখনো জানেই না যে সুপারি মুখের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। বলেন তাইওয়ানের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ হান লিয়াং-জুন। উচ্চমাত্রায় সুপারি ব্যবহারের কারণে মুখের ক্যান্সারে মৃত্যুহারের মধ্যে প্রথম তিনটি অবস্থানের মধ্যে রয়েছে তাইওয়ান। তবে সরকারী উদ্যোগের কারণে তাইওয়ানে সুপারি ব্যবহারের সংখ্যা এখন বেশ খানিকটা কমে এসেছে। ভারত এবং থাইল্যান্ডও সম্প্রতি সুপারির ব্যবহার কমানোর জন্য প্রচারণা শুরু করেছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা

65
প্রায় ৮০০০ বছর আগে পৃথিবীতে তামাকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। আর ৬০০০ বছর আগে থেকে মধ্য আমেরিকায় তামাকের চাষ শুরু হয়।

তামাক প্রথমদিকে মূলত ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হতো। খ্রীষ্টপূর্ব ১০০০ শতাব্দীর দিকে মায়ান সভ্যতার মানুষেরা ধূমপান এবং তামাক পাতা চিবানো শুরু করে। মায়ানরা তামাক পাতার সাথে বিভিন্ন ভেষজ এবং গাছগাছড়া যোগ করে অসুস্থ্য এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করতো। প্রাচীন গুহাচিত্র থেকে জানা যায় মায়ান পুরোহিতরা ধূমপান করতো এবং এটা তাদের কাছে বিশেষ অর্থ বহন করতো। তাদের বিশ্বাস ছিলো ধূমপানের মাধ্যমে আত্মাদের সাথে যোগাযোগ করা যায়। পরবর্তীতে মায়ানরা পুরা আমেরিকায় ছড়িয়ে যায় এবং সেই সাথে তামাক গাছকেও ছড়িয়ে দেয় আমেরিকা জুড়ে।

ইউরোপিয়ানদের মধ্যে বিখ্যাত নাবিক এবং আবিষ্কারক ক্রিস্টোফার কলম্বাসই প্রথম তামাক গাছ দেখেন। ১৪৪২ সালে কলম্বাস যখন সান সালভাদরে গিয়ে পৌঁছান তখন সেখানকার আদিবাসীরা মনে করেছিলো কলম্বাস ঈশ্বর প্রেরিত স্বর্গীয় জীব! তারা কলম্বাসকে উপহার স্বরূপ কাঠের তৈরি যুদ্ধাস্ত্র, বন্য ফলমূল এবং শুকনো তামাক পাতা দিয়েছিলো। অন্যান্য উপহার গুলো নিলেও কলম্বাস ধূমপান না করে তামাক পাতা গুলো ফেলে দিয়েছিলো।

ঠিক ঐ বছরই আরেকজন ইউরোপিয়ান রডরিগো ডি যেরেয (Rodrigo de Jerez) কিউবায় গিয়ে পৌঁছান এবং ইউরোপিয়ান হিসাবে তিনিই প্রথম ধূমপান করেছিলেন। রডরিগো ডি যেরেয ছিলেন স্পেনের নাগরিক। পরবর্তীতে স্পেনে ফিরে গিয়ে তিনি জনসম্মুখে ধূমপান করে মানুষজনকে চমকে দিতেন। এক জন মানুষের নাক এবং মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে এটা দেখে সাধারন মানুষ ভড়কে যেত। একটা সময় অনেকেই ভাবতে শুরু করে যে রডরিগো ডি যেরেযের উপর শয়তান ভর করেছে। তাই রডরিগোকে ৭ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়! কারাগারে রডরিগোর সাথে থেকে অনেকেই ধূমপান শুরু করেন।

১৫৩০: এই সময়ে ইউরোপিয়ানরা ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে বৃহৎ আকারে তামাক চাষ শুরু করে। উৎপাদিত তামাক আবার ইউরোপে নিয়ে যাওয়া হতো।
১৫৭১: মোনার্দেস নামের একজন স্প্যানিশ ডাক্তার বিশ্বাস করতেন যে ধূমপান ৩৬ ধরনের অসুখ নিরাময় করে। যেমন: দাঁতের ব্যাথা, নখের প্রদাহ, সর্দি জ্বর এমনকি ক্যান্সার! তবে এটা শুধুই ছিলো তার একান্ত বিশ্বাস।
১৬০০: স্যার ওয়াল্টার রিলি ইংল্যান্ডের রানী প্রথম এলিজাবেথকে ধূমপান করার একটা পাইপ উপহার স্বরুপ দেন। ধূমপান করার পর রানী অসুস্থ্য হয়ে গিয়েছিলো এবং মনে করেছিলো তাকে বিষ দেওয়া হয়েছে! স্যার রিলি আমেরিকায় ভার্জিনিয়ার গভর্নর রালফ লেনের মাধ্যমে পাইপের সাথে পরিচিত হন। ব্রিটিশ কলোনী ভার্জিনিয়া পুরা ইংল্যান্ডের জন্য তামাকের একটা উৎকৃষ্ট উৎস ছিলো।
১৬০৪: ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমস সর্ব প্রথম তামাকের উপর উচ্চহারে ট্যাক্স আরোপ করেন। ধীরে ধীরে ইংল্যান্ডের লোকজন ধূমপানে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে এবং ইংল্যান্ডে ব্যাপক আকারে তামাক আমদানী শুরু হয়। সেই সময় মানুষ ভাবতো ধূমপান স্বাস্থ্যের উন্নতি করে!
১৬৬৫: ইটন পাবলিক স্কুলে প্লেগ আক্রান্ত ছেলেদেরকে শক্তি বৃদ্ধির জন্য ধূমপান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো! এক ছাত্র ধূমপান করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলো, যার ফলস্বরুপ তাকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিলো!

তামাক এবং পাইপের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকে। একসময় জন্ম হয় সিগারেটের। সিগারেট আস্তে আস্তে সবার কাছে গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠে।
১৮১৫: সিগারেট ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়। এমনকি দি হাউস অফ পার্লামেন্টেও সিগারেট খাওয়ার জন্য আলাদ রুম করা হয়।
১৮২৮: নিকোটিনের পিওর ফর্ম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানীরা। কিছুদিনের মধ্যেই সবাই বুঝতে পারে এটা মারাত্মক বিষ!
১৮৫২: এই সময় থেকেই ধূমপান করার সুবিধার্থে ম্যাচ বা দিয়াশলাই এর প্রচলন হয়।
১৮৫৬: ক্রিমিয়ান যুদ্ধ ফেরত সৈন্যরা তুর্কি থেকে সিগারেট নিয়ে আসে। সৈনিকদের মাঝে সিগারেট অনে জনপ্রিয় হয়ে পড়ে। অলসতা এবং বিষাদ দূর করার জন্য তখন সৈন্যদেরকে নিয়মিত সিগারেট সরবরাহ করা হতো।
১৮৬৫: আমেরিকার নর্থ ক্যারোলিনার ওয়াশিংটন ডিউক নামের এক ব্যাক্তি প্রথম সিগারেট রোল করে বিক্রি করা শুরু করে।
১৮৮৩: জেমস বনস্যাক প্রথম সিগারেট রোল করার মেশিন আবিষ্কার করেন। এই মেশিন দিয়ে দিনে ১০০০ সিগারেট তৈরী করা যেত। বনস্যাক একটা সিগারেট কোম্পানী শুরু করেন যার নাম ছিলো আমেরিকান টোবাকো কোম্পানী। বনস্যাকের মেশিন সিগারেট শিল্পে বিপ্লবের সূচনা করে। তামাক চাষ এবং সিগারেট প্রস্তুত প্রক্রিয়ার উন্নতির সাথে সাথে সিগারেট ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
১৯০৮: শিশু আইনের কারনে ১৬ বছরের নিচে যাদের বয়স তাদের কাছে সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়।
১৯১৬: প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় আর্মিদের রেশনের সাথে সিগারেটও যুক্ত করা হয়।

প্রথম দিকে শুধু পুরুষরাই ধূমপান করলেও ধীরে ধীরে সিগারেটের প্রতি নারীরাও আকৃষ্ট পড়ে।

১৯২৫: এই সময়ের দিকেই সিগারেট প্রস্তুতকারকরা ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য নতুন ভোক্তা খুঁজতে শুরু করে। বিজ্ঞাপন এবং হলিউডের সিনেমার মাধ্যমে তারা নারীদেরকে সিগারেটের প্রতি আকৃষ্ট করে। জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে একটা প্রজন্ম সিগারেটে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে এবং তখন সিগারেটের ক্ষতিকারক দিক গুলো সম্পর্কে কোন সাবধান বাণীও প্রচার করা হতো না।
১৯৩৯-১৯৪৫: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট তামাককে সংরক্ষিত শস্য হিসাবে ঘোষণা করেন। কারন তখন সৈন্যরা এত বেশী ধূমপন করতো যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনে তামাক সংকট দেখা দিয়েছিলো!
১৯৪৭: সিগারেটের ট্যাক্স ৪৩% বৃদ্ধি করা হয়। মূল্য বৃদ্ধির ফলে ১৪% ব্রিটিশ নাগরিক ধূমপান ছেড়ে দেন।

সিগারেটের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছিলো। তাই এর ক্ষতিকারক দিক গুলো সম্পর্কে সচেতনতা তৈরীর জন্য প্রচারনা শুরু হয়।

১৯৫০: সিগারেটের ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কে প্রথম প্রচারনা শুরু হয়। এই সময়ই ধূমপান এবং ফুসফুসের ক্যান্সারে মধ্যে সম্পর্ক আবিষ্কার করা হয়। ড. ওয়াইন্ডার এবং ড. গ্রাহাম একটি গবেষনায় দেখান যে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ৯৫% মানুষই ২৫ বছর বা তার বেশী সময় ধরে ধূমপানে আসক্ত।
১৯৫৮: স্যালফোর্ড নামের এক ব্যাক্তি প্রথম ধূমপান আসক্তি দূর করার জন্য ক্লিনিক খোলেন।
১৯৬৪: আমেরিকান ডাক্তাররা অভিযোগ করেন ধূমপান ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্য দায়ী। এর ফলে টিভি এবং রেডিওতে সিগারেটের প্রচারনা নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়াও সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা মূলক কথা লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়।
১৯৬৮: লেটুসপাতা দিয়ে তৈরী এক প্রকার সিগারেট আবিষ্কার করা হয়। যেটা সম্পূর্ণভাবে নিকোটিনমুক্ত ছিলো। কিন্তু জনপ্রিয়তা লাভে ব্যার্থ হয়।
১৯৬৯: দি রেডিও টাইমস সিগারেটের বিজ্ঞাপন প্রচারনা বন্ধ করে দেয়।
১৯৭১: ইউরোপ-আমেরিকায় পাবলিক পরিবহন এবং সিনেমা হলে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়।

এভাবেই ধীরে ধীরে সিগারেটের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ শুরু হয়। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়তে থাকে।
১৯৮০: স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক প্রচারনা ধূমপান সম্পর্কে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে শুরু করে। এছাড়াও ট্যাক্স বৃদ্ধির কারনে সিগারেটের দামও বেড়ে যায় যা সিগারেটের অগ্রগামীতা কিছুটা হলেও রোধ করে।
১৯৮২: ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েসন সরকারকে সিগারেটের সকল প্রকার বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করার জন্য বলে।
১৯৮৪: ইংল্যান্ডে জাতীয়ভাবে মার্চে নো স্মোকিং দিবস পালন শুরু হয়।
১৯৮৮: আমেরিকান আদালত এক সিগারেট কোম্পানীকে রোজ সিপোলন নামক এক ব্যাক্তির পরিবারকে ক্ষতিপূরন দেওয়ার নির্দেশ দেয়। রোজ সিপোলন ঐ কোম্পানীর সিগারেট খেয়ে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলো।
১৯৯২: এই বছর ধূমপানকে মৃত্যুর কারন হিসাবে ডেথ সার্টিফিকেটে লেখার অনুমোদন দেওয়া হয়।
১৯৯৬: ব্রিটিশ উপদ্বীপ গুলোর মধ্যে গার্নসের রাজ্যে প্রথম সিগারেটের সকল প্রকার বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হয়।
১৯৯৯: ব্রিটিশ সরকার গার্নসেকে অনুসরন করে সিগারেটের সকল প্রকার প্রচারনা নিষিদ্ধ করে।
২০০৩: সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে বড় বড় করে ওয়ার্নিং লেখা শুরু হয়। যেমন: Smoking is highly addictive, don’t start!
২০০৪: আয়ারল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে জনসম্মুখে এবং কর্মক্ষেত্রে ধূমপান নিষিদ্ধ ঘোষনা করে।
এভাবেই ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যান্য দেশও ধূমপান রোধ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করে। আমাদের দেশেও প্রকাশ্য স্থানে ধূমপান না করার জন্য আইন আছে। কিন্তু সেই আইন এখন পযন্ত কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ!

66
স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার।  প্রধানত ব্লাড গ্রুপ কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হল ABO system (A, B, AB & O), আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}. অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে। তাহলে ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve.

জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেওয়া হয় তাহলে কী হবে?
 যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবার সাধারনত কিছু হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরী হবে যার ফলে যদি কখনো রোগী আবার পজেটিভ ব্লাড নেয় তাহলে তার ব্লাড cell গুলো ভেঙ্গে যাবে, এর কারনে অনেক সমস্যা হবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO incompatibility.

স্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার?

স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ ও পজেটিভ হতে হবে। আর যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যে কোনো একটি হলেই হবে। তবে স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। এক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে তার স্বামীর ব্লাডগ্রুপ ও নেগেটিভ হতে হবে।

যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় আর স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে কী সমস্যা হবে?

রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোন সমস্যা হয় না। তবে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয় তাহলে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়।  যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারনত বাচ্চার ব্লাডগ্রুপ ও পজেটিভ হবে। যখন কোনো নেগেটিভ ব্লাডগ্রুপের মা ধারন করবে পজেটিভ Fetus(ভ্রুন) তখন সাধারনত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভ Fetus এর ব্লাড, placental barrier ভেধ করে এবং placental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে। মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে Rh এন্টিবডি তৈরী করবে। যখন মা দ্বিতীয় সন্তান বহন করবে, তখন যদি তার fetus এর ব্লাডগ্রুপ পুনরায় পজেটিভ হয়। তাহলে মায়ের শরীরে আগে যেই Rh এন্টিবডি তৈরী হয়েছিলো সেটা placental barrier ভেধ করে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করবে। আর যখন fetus এর শরীরে Rh antibody ঢুকবে তখন fetal এর RBC এর সাথে agglutination হবে, যার ফলে RBC ভেঙ্গে যাবে। একে মেডিকেল টার্ম এ “Rh incompatibility” বলে।

67
দূরপাল্লার যাত্রায় কখনো বমি বমি ভাব হয়না এমন মানুষ কমই আছেন। এই উটকো ঝামেলাটার জন্য আনন্দের ভ্রমণটা পুরোই মাটি হয়ে যায়। শুধু ভ্রমণের সময়েই নয়, যে কোনো অসুস্থতায় এমনকি গর্ভাবস্থার বমি-বমি ভাব এড়াতে অসাধারণ কাজ করে এই ওরাল স্প্রে। সবচাইতে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই স্প্রে আপনি তৈরি করে ফেলতে পারবেন নিজেই!

উপকরণ:

- সমপরিমাণ গোলাপ জল ও পানির মিশ্রণ
- গ্লিসারিন
- এসেনশিয়াল অয়েল (পিপারমিন্ট, জিঞ্জার, ক্লোভ)
- ছোট মেজারিং কাপ ও চামচ
- মেশানোর জন্য কাঠের চামচ বা চপস্টিক (ধাতব চামচ ব্যবহার করবেন না)
- স্প্রে বোতল
- ফানেল
প্রণালী:

১) মেজারিং কাপে ঢালুন আধা টেবিল চামচ গ্লিসারিন।
২) এর মাঝে দিন এক টেবিল চামচ গোলাপ জল ও পানির মিশ্রণ।
৩) ১০ ফোঁটা জিঞ্জার এসেনশিয়াল অয়েল, ৫ ফোঁটা পিপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল এবং ২ ফোঁটা ক্লোভ এসেনশিয়াল অয়েল যোগ করুন এই কাপে।
৪) একসাথে মিশিয়ে নিন কাঠের চামচ অথবা চপস্টিক ব্যবহার করে। এরপর ফানেল ব্যবহার করে স্প্রে বোতলে ভরে নিন।

তৈরি হয়ে গেলো আপনার স্প্রে। কীভাবে ব্যবহার করতে হবে? এটাকে ব্যাগে রেখে দিন। যখনই মনে হবে আপনার বমি আসছে, তখনই মুখ খুলে গালের ভেতরের দিকে স্প্রে করে নিন। এরপর গভীরভাবে শ্বাস নিন। খুবই দ্রুত চলে যাবে আপনার বমি ভাব। মাইগ্রেইন অথবা পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে বমি ভাব ও মাথা ধরা দূর করতেও এই স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।
-www.bdallnews24.com.

68
সাধারণ একটি পরিবার থেকে উঠে এসে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান গুগল এর প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুন্দর পিচাই। এখন গণমাধ্যমসহ টেক দুনিয়ার সবচেয়ে আলোচিত মানুষ তিনি।

আত্মোন্নয়নের গল্প তার চেয়ে ভালো আর কে শোনাবে? রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে একটি সাধারণ ঘটনায়ও সুন্দর পিচাই খুঁজে পেলেন আত্মোন্নয়নের এক অসাধারণ তত্ত্ব। বিষয়টি আবার তেলাপোকা কেন্দ্রীক, শুনুন তার মুখেই।

একটা রেস্টুরেন্টে কোথা থেকে যেনো হুট করে একটা তেলাপোকা উড়ে এলো। এসে বসলো এক মেয়ের শরীরে। মেয়েটি চিৎকার করে উঠলেন ভয়ে। ভয়ার্ত চেহারা এবং কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে চিৎকার করে তিনি লাফাতে শুরু করলেন, আর দুটি হাত দিয়ে চেষ্টা করছিলেন তেলাপোকা থেকে রেহাই পেতে। তার অভিব্যক্তিই এমন ছিলো যে তার সঙ্গে থাকা সবাই একত্রে প্যানিক হয়ে পড়লো।শেষ পর্যন্ত তেলাপোকাটি শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলতে সক্ষম হলেন তিনি, কিন্তু মেয়েটির সঙ্গে থাকা অন্য এক মেয়ের গায়েই আবার আশ্রয় নিলো সেটি।

এবার দ্বিতীয় মেয়ের পালা, সেও যথারীতি নাটক শুরু করলো। অবশেষে ওয়েটার এলো তাদের উদ্ধারকর্তা হিসেবে।
ছুঁড়ে দেওয়ার কারণে এবার তেলাপোকাটি ওয়েটারের শরীরে গিয়ে বসলো। ওয়েটার চুপচাপ কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকলো, তেলাপোকাটিকে দেখলো, তারপর সেটাকে হাত দিয়ে ধরে রেস্টুরেন্টের বাইরে ফেলে দিয়ে আসলো। কাহিনী শেষ।

আমি কফির মগে চুমুক দিচ্ছিলাম আর তাদের কাণ্ডকারখানা দেখছিলাম। আমার মনের অ্যান্টেনাতে একটা প্রশ্ন খেলে গেলো, তাদের এই হিস্টিরিয়া রোগীর মতো আচরণের জন্য কি তেলাপোকা দায়ী? যদি তাই হয়, তাহলে ওয়েটারটি বিরক্ত হলো না কেন? সে কিভাবে কোনো বিশৃঙ্খলা ছাড়াই কাজটা ঠিকঠাক করে ফেললো।

বুঝলাম, তেলাপোকাটি নয়, মেয়েদুটিকে বিরক্ত করা তেলাপোকাকে নিয়ন্ত্রণে মেয়ে দুটির অক্ষমতাই ছিলো এর কারণ।

আরও বুঝলাম, বাবা, বস বা আমার স্ত্রীর চিৎকার আমাকে বিরক্ত করে না, বরং তাদের প্রতি বিরক্ত হওয়াকে আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনা বলেই বিরক্ত হই। একইভাবে বিরক্ত হই রাস্তায় থাকা লম্বা ট্র্যাফিক জ্যামের উপরও। কারণ বিরক্ত হওয়াকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।

সমস্যাটির চেয়ে সমস্যার প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিই আমাদের আরো বিরক্ত করে তুলে।

ঘটনাটি থেকে আমি শিক্ষা নিয়েছিলাম, আমাকে জীবনে কখনো প্রতিক্রিয়া করতে হবে না, বরং সাড়া দিতে হবে। মেয়ে দুটি প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছিলো আর ওয়েটারটি সাড়া দিয়েছিলো।

প্রতিক্রিয়া মানুষের স্বভাবজাত কিন্তু সাড়া দেওয়ার প্রবণতা আসে ভালো চিন্তাভাবনা থেকে। জীবনকে বোঝার একটি অসাধারণ পথ এটা।

যে মানুষটা তার জীবন নিয়ে খুশি, এমন নয় যে তার জীবনের সব কিছুই ঠিকঠাক চলছে। সে খুশি কারণ তার দৃষ্টিভঙ্গি। সে ভাবে তার জীবনের সবকিছুই ঠিকঠাক চলছে। এজন্যই সে খুশি।

69
বিডিলাইভ ডেস্ক: হীরা যেমনি দূর্লভ তেমনি দামী। এনিয়ে মানুষের মাঝে কৌতূহলেরও অন্ত নেই। পৃথিবীর সবচেয়ে দামী দশটি হীরা এখন শোভা পাচ্ছে বিশ্বের বিখ্যাত সব জাদুঘর এমনকি রাজা রাণীদের মুকুটেও।

কোহিনূর
পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত এবং অমূল্য এই হীরাটির নাম হয়তো আপনারা সবাই জানেন। কোহিনূর নামের ১০৫ ক্যারটের এই হীরাটি আমাদের উপমহাদেশের গর্ব। যদিও এখন এটি বৃটেনের রাণী এলিজাবেথ এর মুকুটে শোভা পাচ্ছে। এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে বিশুদ্ধ হীরা।

দযা স্যানকি ডায়মন্ড
হালকা হলুদাভ বর্ণের ৫৫.২৩ ক্যারটের এই হীরাটি অমূল্য। এটি ভারতের মুঘলদের প্রিয় একটি হীরা ছিল।

দ্যা কিউলিনান
দামের দিক থেকে বিশ্বে তৃতীয় হীরা এটি যার মূল্য প্রায় ৪০০ কোটি ডলার। ৩১০৬.৭৫ ক্যারটের এই হীরাটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ।

দ্যা হোপ ডায়মন্ড
এই হীরাটির মূল্য ৩৫০ কোটি ডলার এবং ৪৫.৫২ ক্যারট ওজন। নীলাভ বেগুনী বর্ণের এই হীরাটি অভিশপ্ত বলে বিখ্যাত।

ডে বিয়ারস সেন্টেনারি ডায়মন্ড
শত কোটি ডলার মূল্যের ২৭৩.৮৫ ক্যারটের এই হীরাটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম এবং সর্ববৃহৎ বর্ণহীন হীরা।

দ্যা স্টেইনমেটজ পিংক
২ কোটি ৫০ লক্ষ ডলার সমমূল্যের এই হীরাটির ওজন ৫৯.৬০ ক্যারট। আকর্ষনীয়  গোলাপী বর্ণের হীরাটি ২৯ মে, ২০০৩ এ মোনাকোতে রাখা হয়।

হুইটেলব্যাচ ডায়মন্ড
৩৫.৫৬ ক্যারটের আকাশী বর্ণের এই হীরাটির মূল্য ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ডলার। এর বৈশিষ্ট হলো এতে রয়েছে ১৬টি ধার।

দ্যা হার্ট অব এটার্নিটি
হার্টের আকৃতির এই হীরাটির মূল্য ১ কোটি ৬০ লক্ষ ডলার এবং ৫.৫২৮ গ্রাম। খুবই দূর্লভ নীল বর্ণের এই হীরাটি পাওয়া গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিমিয়ার ডায়ামন্ড খনি থেকে।

দ্যা মোসাইফ রেড ডায়মন্ড
এই হীরাটির মূল্য ৭০ লক্ষ ডলার। এটি ১৩.৯ ক্যারটের এবং ২.৭৮ গ্রাম। এটি অন্যান্য বিখ্যাত হীরার চেয়ে আকারে ছোট হলেও লাল বর্ণের হীরকের মধ্যে সবচেয়ে বড়।

দ্যা আলনাট ডায়মন্ড
এই হীরাটির মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ ডলার। এটি ১০১.২৯ ক্যারটের, যা প্রায় ২০.২৫৮ গ্রাম। উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের এই হীরাটির নাম রাখা হয়েছে এর মালিক মেজর আলফ্রেড আর্নেস্ট আলনাট এর নামে, যিনি একজন যোদ্ধা এবং খেলোয়ার ছিলেন।

http://www.bdlive24.com

70
                প্রেসক্রিপশন বা চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্রে ব্যবহৃত ‘Rx’ চিহ্ন নিয়ে কয়েকটি মতবাদ প্রচলিত আছে। প্রথমত, Rx হল বৃহস্পতি গ্রহের Astrological সাইন আর বৃহস্পতি গ্রহের নাম ইংরেজিতে Jupiter যা কিনা রোমানদের মতে দেবতাদের রাজা। Rx লেখা হয় এই জন্য যে প্রেসক্রিপশনে লিখা পথ্যের উপর যেন রোমান দেবতা Jupiter শুভদৃষ্টি দেন এবং রোগী আরোগ্য লাভ করে।

এছাড়া, চিকিৎসা শাস্ত্রের অভিধান মতে, Rx একটি ল্যটিন শব্দ যা ‘recipe’ ও ‘to take’ এই দুটো মানে বোঝায়। মূলত এই RX প্রতীকটি এসেছে একটা ল্যাটিন শব্দ থেকে। শব্দটা হল Recipe, যার অর্থ হল ‘আপনি নিন’। প্রাচীন মিশরীয়দের মধ্যে ‘উটচাট’ বা ‘হোরাসের চোখ’ নামে এক ধরনের কবচের প্রচলন ছিল। হোরাস হচ্ছেন একজন স্বাস্থ্য দেবতা। ‘হোরাসের চোখ’ নামে যে কবচ প্রচলিত ছিল তা অনেক রোগ প্রতিরোধ করত। এই কবচের প্রাথমিক আকৃতি অনেকটা হেরাসের চোখের মত ছিল। তবে এটা নানান জিনিস দিয়ে তৈরি করা হত।

এভাবে এটি ব্যবহৃত হতে শুরু করে এবং কালক্রমে এটি ব্যবস্থাপত্রে চলে আসে। তবে অবশ্যই এটি ব্যবস্থাপত্রে আসার পেছনে দেবতার অনুগ্রহে রোগ নিরাময়ের একটা ব্যাপার থেকেই যায়। ভিন্ন মতানুসারে, Rx বলতে R = Refer to এবং X = Jesus Christ, অর্থাৎ Rx = Refer to Jesus Christ, মানে ‘যিশুর নামে পড়া শুরু করুন’। যেমন আমরা বলি ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বা ‘মহান আল্লাহর নামে পড়া শুরু করছি’, ঠিক সেরকম।

X শব্দের ব্যাখ্যা: X দ্বারা জেসাস ক্রাইস্ট বা যিশু খ্রিস্টকে বোঝানো হয়। যেমন Xmas দ্বারা বোঝানো হয় ক্রিসমাস। উল্লেখ্য, X দ্বারা গ্রিক অক্ষর “Chi”কে নির্দেশ করে, যা দ্বারা গ্রিক ভাষায় সংক্ষেপে ক্রাইস্ট বা যিশুকে বোঝানো হয়ে থাকে। কেউ কেউ বলে থাকেন, Rx মানে Report extended। আপনার শরীরের সমস্যা বা রোগ নির্ণয় করে ‘এক্সটেন্ডেড’ যে রিপোর্ট করা হয় যাতে পরবর্তী পদক্ষেপ বর্ণিত থাকে বিধায় এখানে Rx লেখা থাকে।

http://www.deshebideshe.com/news/details/54490

71
  মরুভূমির নাম শুনলেই সবার চোখে ভেসে ওঠে বালুময় এক প্রান্তরের কথা। এর বালুর পরতে পরতে লুকিয়ে আছে নিকষ অনেক রহস্য যার ভেদ করা যায়নি কখনোই। আসুন জেনে নিই এমন কিছু মরু রহস্যর কথা।

১. ফেয়ারি সার্কেল

নামিবিয়ার মরুভূমিতে খানিকটা হাঁটলেই কিছু জায়গা জুড়ে দেখা যায় গোল গোল চাকা। ২ থেকে ২০ মিটার অব্দি বাড়তে পারা এই গোলাকৃতির জিনিসগুলোর নাম দেয়া হয়েছে ফেয়ারি সার্কেল। কারণ এই সার্কেল বা চক্রের প্রান্তে এক ধরনের ঘাস জন্মাতে দেখা গেলেও এর মধ্যিখানে কোন ধরনের গাছ, ঘাস বা কোনকিছুই জন্মায় না। এমনকি অনেক যত্ন ও সার পাওয়ার পরেও না। বিজ্ঞানীদরা আজ অব্দি প্রাকৃতিক এই গোল চক্রগুলোর কোন রহস্য ভেদ করতে পারেননি। এদের বয়েস সর্বোচ্চ ৭৫ বছর হয়ে থাকে। ৭৫ বছর পর এমনিতেই অদৃশ্য হয়ে যায় গোলচক্রগুলো। তবে তার আগে কি করে এগুলোকে নেই করে দেওয়া যায় সেটা এখনো রহস্যই রয়ে গিয়েছে সবার কাছে।

২. অদ্ভূতুড়ে কবর

২০০৫ সালে তুতেনখামেনের সমাধিস্থলের পাশেই পাওয়া যায় আরেকটি সমাধিস্থল। সবাই অনেক আগ্রহ নিয়ে ভেতরে ঢোকে সেটার। কিন্তু কিছু কফিন ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি কবরটিতে। কোন মানুষের দেহও নয়। সব কফিনগুলো পাত্র, অলংকার সহ নানারকম জিনিসে ভর্তি থাকলেও একটার ভেতরে ছির আরেকটি কফিন। মনে করা হয় তখনকার কবর চোরদের থেকে বাঁচতে এই নকল কবর বানানো হয়েছিল। কিন্তু তাহলে সেগুলোতে কোন রাজকীয় সিল কেন ছিলনা? চোরদেরকে কি এতটাই বোকা ধরে নিয়েছিল তখনকার মানুষেরা? নাকি চোরদের জন্যে ছিলই না ওটা। অন্য কিছুর জন্যে বানানো হয়েছিল কবরটি? জানা যায়নি আজও। রহস্য রয়ে গেছে রহস্যই!

৩. সিরিয়ার ধ্বংসাবশেষ

২০০৯ সালের কথা সেটা। রবার্ট ম্যাসন সিরিয়ায় মরুভূমিতে কাজ করছিলেন। হঠাৎ কিছু দালান কোঠার নজির আর নানারকম ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন তিনি। গিজার পিরামিডের বয়স ৪৫০০ বছর। আর এই ধ্বংসাবশেষের বয়েস হিসেব করা হয় ৬ থেকে ১০,০০০ বছর। সবচাইতে পুরোন শহর দামেস্কও এর কাছে নেহাত শিশু। বেশ কিছুদিন খোড়াখুড়ি চলে সেকানে। তবে আজ অব্দি জানা যায়নি মরুভূমির ভেতরে ওখানে কে এমন দালান-কোঠা বানিয়েছিল আর কেনইবা সেটা নষ্ট হয়ে গেল।

৪. আটাকামা নাইট্রেট

দক্ষিণ আমেরিকার মরুভূমি পৃথিবীর সবচাইতে শুষ্ক স্থান হিসেএ পরিচিত। যেখানে কেউ ছিল না এবং কেউ থাকেওনা। বলা হয় এ মিলিলিটার বৃষ্টি এখানে হলেও সেটা এর জন্যে অনেক। কিন্তু সাধারনত সেটাও হয়না। কিন্তু পানি ও সেই ব্যাকটেরিয়া যেটা দিয়ে নাইট্রেট তৈরি হয়- এগুলোর কোনরকম সাহায্য ছাড়াই এই মরুভূমির ভেতরে স্তুপ হয়েছে এবং হচ্ছে ৭০০ কি.মি লম্বা ও ২০ কি.মি চওড়া নাইট্রেট। আটাকামা মরুভূমি নামে পরিচিত এই মরুভূমির এই আটাকামা নাইট্রেটের জন্ম প্রশান্ত মহাসাগরের কোন এক স্থান থেকে মনে করা হলেও এই রহস্য এখনো ভেদ করা সম্ভব হয়নি।

 listverse.com

72
সব প্রতিষ্ঠানই কেবল লাভের জন্যে কাজ করে না। কিছু অলাভজনক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের কাজে সাধারণত সমস্যার সৃষ্টিশীল সমাধান প্রয়োজন হয়। তা ছাড়া মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান চালাতে ফান্ড গঠন করা হয়। এখানে জেনে নিন আমেরিকার এমনই ৮টি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের খবর।

১. পাঙ্ক-রক ফটোগ্রাফার মার্ক বিমার ২০০২ সালে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন যার নাম 'শার্টস ফর আ কিওর (এসএফএসি)'। মার্কের স্ত্রী স্তন ক্যান্সারে মারা যান। তার স্মৃতি ধরে রাখতে এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীদের চিকিৎসার খরচ বহন করে তারা।

২. 'দ্য গিভ ব্যাক ইয়োগা ফাউন্ডেশন' আমেরিকার জাতীয় পর্যায়ের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এটা বিভিন্ন স্থানে ইয়োগার প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি ইত্যাদির আয়োজন করে। মানুষের স্ট্রেস কমাতে এবং আত্মবিশ্বাসী করতে কাজ করে যাচ্ছে তারা।

৩. সংগ্রামরত শিক্ষার্থী এবং উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ায় 'কিভা'। বিশেষ করে দরিদ্র শিক্ষার্থী এবং উদ্যোক্তাদের স্বল্প পরিমাণ অর্থ বা পুঁজি অলাভজনকভাবে ঋণ দেয় তারা। শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ না এই ঋণ শোধ করতে সমর্থ হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত তাদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিষ্ঠানটি।

৪. ক্যারোলিনার 'ক্যারি ক্রিয়েটিভ সেন্টার'-এর কর্ম আদর্শের পেছনে পুরনো প্রবাদ কাজ করেছে, 'একের বোঝা অন্যের সম্পদ'। তারা 'পুনঃব্যবহারযোগ্য শিল্পচর্চা'র কথা বলে। তারা মানুষকে তাদের পরিত্যাক্ত জিনিসপত্র ওই প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দিতে বলে। এগুলোই তাদের শিল্পচর্চার উপকরণ হিসেবে কাজে দেবে।

৫. 'হেইফার ইন্টারন্যাশনাল' এমনই আরেকটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছ থেকে সামান্য দানের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রত্যেক মানুষের ক্ষুধা নিবারণের ব্যবস্থা করতে কাজ করছে তারা। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ছাগল, ভেড়া, মুরগি বা মৌমাছি ইত্যাদি পালনের জন্যে অর্থ দেয় তারা। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতেও তৎপর প্রতিষ্ঠানটি।

৬. টেক্সাসে ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত 'প্যাট্রিয়ট পস' এমনই এক সংস্থা। এরা শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষদের সহায়তায় প্রশিক্ষিত কুকুর সরবরাহ করে। এসব কুকুর প্রতিবন্ধীদের দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে সহায়তা করে।

৭. গুগলের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান 'নেস্ট'। সারা বিশ্বের নারীদের স্বনির্ভর করতে তৈজসপত্র শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করে তারা।

৮. 'লারনিং অ্যালাই' এমন এক প্রতিষ্ঠান যারা অন্ধ বা শিক্ষা গ্রহণে শারীরিকবাবে অক্ষম শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদানে সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করে। ১৯৪৮ এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তার অন্ধদের জন্যে অডিও বুক তৈরি করে চলেছে। পাশাপাশি কিন্ডারগার্টেন পদ্ধতিকে ১২তম গ্রেড পর্যন্ত গড়ে তুলতে অভিভাবক, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে চলেছে।

সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

73
বিশ্বের অন্যতম সার্চ ইঞ্জিন গুগল যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সবচেয়ে বড় ক্যাম্পাস তৈরি করতে যাচ্ছে ভারতের হায়দ্রাবাদে। দেশটির তেলেঙ্গনা রাজ্যের তথ্যমন্ত্রী কে টি রামা রাও এ কথা জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র সফররত রাও এক টুইটার বার্তায় বলেন, গুগল ও তেলেঙ্গনা রাজ্যের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ওই সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী কোম্পানিটি হায়দ্রাবাদে একটি ক্যাম্পাস নির্মাণ করবে। যা যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সবচেয়ে বড় ক্যাম্পাস হবে।
তিনি জানান, এশিয়ায় এটি হবে গুগলের প্রথম ক্যাম্পাস। যা তৈরি হবে ২০ হাজার বর্গ ফুট জায়গা নিয়ে। এর জন্য ব্যয় হবে এক হাজার কোটি রুপি। যা সম্পন্ন করতে ১৩ হাজার শ্রমিকের চার বছর সময় লাগবে।
রামা রাও আরও জানান, গুগলের রিয়েল এস্টেট ও ওয়ার্কপ্লেস বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেভিড র‌্যাডক্লিফ এবং তেলেঙ্গনা রাজ্যের তথ্য সচিব জয়েশ রঞ্জন ওই সমঝোতা স্মারকে সই করেন। যা অনুষ্ঠিত হয় ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেইন ভিউয়ে অবস্থিত গুগলের হেডকোয়ার্টারে। সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে।

74
বিশ্ব জগতে মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিন তার স্বীয় অস্তিত্বের প্রমাণ স্বরূপ অনেক নিদর্শন সৃষ্টি করেছেন। পৃথিবীতে প্রেরিত তার নবী ও রসূলদের দ্বারা তিনি এই নিদর্শন সমূহের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এই সকল অলৌকিক নিদর্শন ও বিস্ময়কর সৃষ্টিগুলো দ্বারা বিশ্বাসীরা আরও বেশী আস্তিক হয় এবং নাস্তিকেরা সুপথের সন্ধান লাভ করে। মহান স্রষ্টার এই সকল নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যমযম কুপ। যে কুপের পানি সৃষ্টি থেকে আজ পর্যন্ত এক মুহূর্তের জন্যেও নিঃশেষ হয় নি বা শুকিয়ে যায় নি।
যমযম কূপ বিশ্বের এক অনন্য নিদর্শন। সৌদি আরবের মক্কা কাবা শরীফ থেকে ২০ মিটার বা ৬৬ ফুট পশ্চিমে মসজিদুল হারামের ভিতরে এই কূপের অবস্থান। মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান। মুসলমানরা বিশ্বাস করেন, যমযম কূপের সুপেয় পানি মহান আল্লাহর দান। যেটির সূচনা হয়েছিল কয়েক হাজার বছর পূর্বে হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর সময়ে। হজ্জ্ব ও ওমরাহ পালনের সময় সহ বছরের বিভিন্ন সময়ে কোটি কোটি মুসলমান এই কূপটি দর্শনে আসে এবং ইহার পানি পান করে তৃপ্তি সহকারে। এখানে যারা আসে তারা কূপের পানি সংগ্রহ করে স্ব স্ব দেশে নিয়ে যায় এবং পরিবারবর্গদের মাঝে বণ্টন করে থাকে। বিশ্বের সকল পানি বসে পান করা সুন্নত তবে একমাত্র ব্যতিক্রম যমযমের পানি। কারণ, যমযমের পানি দাড়িয়ে পান করা সুন্নত।
যমযম (Zamzam) শব্দটি ঐতিহ্যগতভাবে শব্দ সমষ্টি Zomë Zomë  থেকে এসেছে। যার শাব্দিক অর্থ থামা। এই কূপের গা ঘেঁষে হযরত ইবরাহীম (আঃ) পুনরায় বায়তুল্লাহ নির্মাণ করেন। হিব্রু ভাষায় যাকে বলা হয় ব্যাথেল। বায়তুল্লাহ বা ব্যাথেল সর্বপ্রথম নির্মাণ করেন বিশ্বের প্রথম মানব হযরত আদম (আঃ)। এই গৃহের বর্তমান নাম ‘কাবা’। যেদিকে মুখ করে মুসলমানরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে।
যমযম কূপটি ৩০ মিটার বা ৯৮ ফুট গভীর, যার ব্যাস ৩ ফুট ৭ ইঞ্চি থেকে ৮ ফুট ৯ ইঞ্চি। প্রথম দিকে এই কূপ থেকে পানি তোলা হতো দড়ি বা বালতীর

সাহায্যে। বর্তমানে এই কূপের একটি নিজস্ব ঘর আছে সেখান থেকে বৈদ্যুতিক পাম্পের সাহায্যে কূপ থেকে পানি তুলে মসজিদ আল হারামের তাওয়াফ করার সমগ্র এলাকায় বিতরণ করা হয়। কূপের উপরের অর্ধেক উপত্যকার পলল বালুকাময়, সর্ব উপরের ১ মিটার কংক্রিটের এবং নিচের অংশ জমাট শিলা দ্বারা তৈরি। বিজ্ঞানীরা বলেন, এই কুপে পানি এসে থাকে ওয়াদি ইব্রাহিমে বৃষ্টিপাত শোষণের মাধ্যমে। তবে শুষ্ক মরু সৌদি আরবে এত পানি প্রকৃতই কিভাবে আসে সেটা আল্লাহর এক নিদর্শন। কারণ, সমগ্র আরব শুকিয়ে গেলেও যমযম কুপ সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত এক মুহূর্তের জন্যেও এর পানি নিঃশেষ হয় নি বা শুকিয়ে যায় নি। । সৌদি আরবের ভূতাত্ত্বিক জরিপ বোর্ডের যমযম কূপের উপর একটি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। তারা যমযম কূপে পানির স্তর, তাপমাত্রা এবং অন্যান্য উপাদান পরীক্ষা করে থাকে এবং নিয়মিত ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য পরিবেশন করে থাকে। যমযম কূপের তলে পানির স্তর ১০.৬ ফুট। একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার পানি পাম্প করে উঠিয়ে নিয়ে পানির স্তর ৪৩.৯ ফুট পূর্ণ করলেও পাম্প থামানোর ১১ মিনিটের মধ্যে এটি আবার তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়।

যমযম কূপের পানির কোনও রং বা গন্ধ নেই, তবে এর বিশেষ একটি স্বাদ রয়েছে। কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয় যমযম কূপের পানি পরীক্ষা করেছে এবং তারা এর পুষ্টি গুন ও উপাদান সমূহ নির্ণয় করেছে। যমযম পানির উপাদান সমূহ: সোডিয়াম-১৩৩ মিলি, ক্যালসিয়াম-৯৬ মিলি, ম্যাগনেসিয়াম-৩৮.৮৮ মিলি, পটাশিয়াম-৪৩.৩ মিলি, বিকারবোনেট-১৯৫.৪ মিলি, ক্লোরাইড-১৬৩.৩ মিলি, ফ্লোরাইড-০.৭২ মিলি, নাইট্রেট-১২৪.৮ মিলি, সালফেট-১২৪ মিলিগ্রাম প্রতি লিটারে।
২০১১ সালের মে মাসে বিবিসি লন্ডন এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যমযম পানিতে প্রচুর পরিমাণে আর্সেনিক রয়েছে। এই পানি খাওয়া মানুষের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘ দিন এই পানি কেউ পান করলে খুব দ্রুতই সে ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারে। কিন্তু ফ্রান্স ও সৌদি আরবের যৌথ পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র সূত্র মতে মানুষের শরীরের জন্য যে পরিমাণ আর্সেনিক ক্ষতিকর যমযমের পানিতে তার চেয়ে অনেক কম পরিমাণ আর্সেনিক রয়েছে। আর এই পরিমাণ আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য কোনও ক্ষতিকর নয়। তাই মানুষ এই পানি নিশ্চিন্তে পান করতে পারে।

যমযমের পানি বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কাছে একটি পবিত্র পানি। মুসলমানরা এই পানি ভক্তিভরে পান করে থাকে। রসূল মোহাম্মদ (সাঃ) নিজেও এই পানি পান করেছিলেন। সুতরাং একথা নিশ্চিন্তে বলা যায় যে, যমযমের পানি পান করা বরকতময়।সুত্র:অনলাইন

75
ইসপগুল বা ইসপগুলের ভূষি (Ispaghula husk) আমাদের দেশে কনস্টিপেশনের চিকিৎসায় একটি বহুল ব্যবহৃত পণ্য। অনেকেই আমরা রোজার সময় শরবতের সঙ্গেও এটি খাই। কিন্তু খুব কম লোকেই জানি এটি পাওয়া যায় কী থেকে? আসুন জানি সেই গাছের কথা যা থেকে আমরা পাই ইসপগুল।
ইসপগুল গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Plantago ovata । লম্বায় ১২ থেকে ১৮ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। বীজ বপনের ২ মাসের মধ্যে গাছে ফুল আসে ও ১১০ থেকে ১৩০ দিনের মধ্যে ফসল তোলার উপযোগী হয়।
ইসপগুল ভারত, পাকিস্তান, ইরান, অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলার দেশগুলিতে চাষ হয়।
এখন কথা হচ্ছে ইসপগুলের ভূষি তাহলে ধরে কোথায়? আসলে এর পরিপক্ক বীজের সবচেয়ে বাইরের ত্বক (এপিডার্মিস) ও এর সংলগ্ন নিচের স্তর দুটি একসঙ্গে আলাদা হয়ে আসে যা আমরা ইসপগুল হাস্ক বা ইসপগুলের ভূষি বলে থাকি। এর মূল উপাদান মিউসিলেজিনাস পলিস্যাকারাইড। এরা আমাদের অন্ত্র বা ইন্টেসটাইনে পানি শোষণ করে ফুলে যেয়ে পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এছাড়াও এটি ডায়াবেটিস, ডায়ারিয়া, কোলেস্টেরল কমাতে, হেমরয়েডস ও ওজন কমাতে ব্যবহৃত হয়।

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6