Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: 1 ... 21 22 [23] 24 25 26
331
Textile Engineering / Appropriate food habits can heal our ailments.
« on: April 09, 2017, 12:29:15 AM »
আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন স্বাভাবিক না হলে আমাদের বিভিন্ন রোগ ব্যাধি হয়। অবশ্য বয়সের কিছু ব্যাপারও থাকে। খুব কম চিকিৎসককেই দেখেছি আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন অভ্যাস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে ও এই ব্যাপারে পরামর্শ দিতে। তবে জীবনে অনেক চিকিৎসক পেয়েছি যারা দৈনন্দিন অভ্যাস বিশেষত খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করেই অবস্থার অনেক উন্নতি ঘটিয়েছেন।
এছাড়া আমাদের পাঠ্যসূচীতেও আলাদা ভাবে প্রতিটা অর্গান সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীও খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন প্রনালী অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

(আমার বাম পায়ের পাতার তলায় ব্যথা হত। অনেক দিন থেকেই। তাই প্রায়ই খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটতে হত। বিশেষত অনেকক্ষন বসে থাকার পর হাটতে হলে। ডাক্তার দেখিয়েছিলাম ২ - ৩ বার। তাদের ফাইন্ড আউট ছিলো এটা হল প্লান্টারস ফাঁসিতিস। সমাধান হল নরম জুতা ও স্যান্ডেল পরা (ডক্টর সু) ও ব্যথা হলে পেইন কিলার খাওয়া। এছাড়াও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটও প্রেসক্রিপশনে দেওয়া ছিলো।
আমাদের বংশে কিডনির জটিলতার ইতিহাস আছে। তাই পেইন কিলার খাওয়ার কথা চিন্তাও করতাম না। আর ক্যালসিয়াম খেলে আমার কিছু অসুবিধা হয় - এইটা আমার বেশ অনেক দিনের পর্যবেক্ষণ।
তাই কোন ওষুধই খেতাম না। ডক্টর সু পড়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে হেটেই দিন পার করতেছিলাম।
অবস্থার উন্নতি ঘটাতে ভাবলাম যেহেতু ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে তাই দুধ খেয়ে দেখি। দুধ আমি পছন্দ করতাম না। এছাড়াও বিড়ালের কথা ভেবে মাংসের হাড়ও চিবাতাম না।
দুই সপ্তাহ ধরে রাতে এক মগ দুধ খেয়ে কিছুদিন পরে দেখলাম ব্যথা চলে গেছে। এছাড়াও মাংসের হাড়ও চিবাচ্ছি নিয়মিত।)

332
Textile Engineering / Every father is a superman to his child.
« on: April 08, 2017, 10:09:43 PM »
আমার ছেলে ক্লাস টু তে পড়ে। ইতিমধ্যেই স্কুলে তাদের সেকশন গল্পের জন্য বিখ্যাত হয়ে গেছে। তারা নাকি এক জন আরেকজন বন্ধুর সাথে এতো গল্প করে যে ক্লাস টিচার এখন অতিষ্ঠ। এমনকি তাদের স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল স্যার ও অনেক বকাবকি করেছেন। কিন্তু কিছুদিন পরে আবারো তারা তাদের গল্পের পুরানো মুডে ফিরে গেছে।
যাই হোক বাসায় জানতে পারলাম অতি সম্প্রতি আমার ছেলে তার বন্ধুদের কাছে গল্প করেছে যে " আমার বাবা টিচার তো - সে সব জানে।" শুনে কি এক স্নিগ্ধ অনুভুতি হল - তার বাবার প্রতি এতো দৃঢ় আস্থা তা জেনে।
আমারো মনে পড়লো আমার এই একি রকম বয়সের একটি স্মৃতি। আমার বাবার অফিসের গাড়ির বডির সামনে একটি ইংরেজি ডি অক্ষর লেখা ছিল। আমিও আমার ইংরেজি বর্ণমালার শিশু জ্ঞানে পরিচয় অনুযায়ী আমার ব্যাখ্যা বের করেছিলাম। প্রেসিডেন্ট হল এ। তার পরে আর দুই জন আছে যারা বি ও সি। এর পরেই আমার বাবা। আমার বন্ধুদের মাঝেও এই ডি অক্ষর নিয়ে কৌতুহল ছিলো। আমিও তাদেরকে আমার ব্যাখ্যা বেশ গর্বের সাথে জানিয়েছিলাম।
কিন্তু এখন আমি জানি যে গাড়িটা ছিল ডাটসান ব্রান্ডের। তাই গাড়ির সামনে ব্রান্ড নাম ডাটসানের প্রথম অক্ষর ডি অক্ষর লাগানো ছিলো।

শিশুর কাছে বাবা মানেই অগাধ আস্থা। কালে কালে শিশুরা তাদের মনে নিজের বাবা সম্পর্কে সুপারম্যান টাইপের চরিত্র একে রেখেছে।
কিন্তু একমাত্র তার বাবাই জানে ভোর সকালে ঘুম থেকে জেগে অফিসে কেন দৌড়ায় যায় সে। বা অনেক দিনই কেন রাত জেগে কাজ করে।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৬)

333
কর্পোরেট কালচার নিয়ে কিছুদিন ভাবতেছিলাম। আমাদের আগের জেনারেশন অর্থাৎ আমাদের বাবা চাচারা যে চাকুরী দিয়ে জীবন শুরু করতেন - সেই চাকুরীতেই অবসর নিতেন। আমাদের সময় সম্ভবতঃ সরকারী চাকুরীজীবী ছাড়া অন্য কোথাও এইটা ভাবেন না। অবশ্য এখন কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারী চাকুরীজীবীদেরও এর ব্যতিক্রম করতে দেখা যায়।
একটা বইয়ে জাপানীদের চাকুরী বিষয়ক কিছু তথ্য পড়েছিলাম। সম্প্রতি ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে আরো কিছু লেখা পেলাম। অনেক লেখাতেই জাপানী ও আমেরিকান অফিস কালচার নিয়ে তুলোনা করা হয়েছে।
বেশিরভাগ লেখায় উল্লেখ করা ছিলো জাপানে একজনকে চাকুরীতে বহাল করা হয় অনেক সময় নিয়ে - তাকে অনেক যাচাই বাছাই করে। তারাও সেই কোম্পানী বা অফিসে তাদের জীবন কাটিয়ে দেন। এমনকি অবসর নেওয়ার পরেও তারা অনেক সময়ই বিনা পারিশ্রমিকে তাদের অফিসে কাজ করে দিয়ে যান। তাদের ব্যাপারে বলা হয় যে They live to work. অর্থাৎ তারা বেঁচে থাকে কাজ করার জন্য। কাজই হল তাদের বেঁচে থাকার প্রেরণা। এদের কাছে নিজের স্বার্থের থেকে অফিস বা কোম্পানীর স্বার্থই বড়। মৌলিক ভাবে এরা অন্যের সম্পত্তি অনেক যত্ন ও শ্রদ্ধার সাথে দেখে। এরা অনেক দীর্ঘকালীন সময়ের জন্য প্ল্যান প্রোগ্রাম করে। শুধু বেশী বিক্রয় মুল্যের খোজ করে না। এরা বায়ার এবং সাপ্লাইয়ারের সাথে অনেক দীর্ঘকালীন সম্পর্ক গঠন করে। তারাই সিক্স সিগ্মা কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট, লিন ম্যানুফ্যাকচারিং, জাস্ট ইন টাইম এর উদ্ভাবক। পৃথিবীর সব প্রথম শ্রেণীর কোম্পানীগুলো এই সব মূলনীতিতে পরিচালিত হচ্ছে।
অপরপক্ষে আমেরিকান কালচার হল হায়ার এন্ড ফায়ার। তারা যত তাড়াতাড়ি একজনকে চাকুরীতে বহাল করে তার থেকে তাড়াতাড়ি তাকে ছাটাইও করে। অফিসে এতো রদবদল হয় যে এর সাথে রিভল্ভিং ডোর এর তুলনা দেওয়া হয়। যে দরজা দিয়ে আসা যাওয়া লেগেই থাকে। এদের ব্যাপারে বলা হয় যে They work to live. এরা দলবদ্ধ ভাবে চিন্তা না করে ব্যক্তি গত লাভ লোকসানকেই বড় ভাবে। তাদের কাজ করার উদ্দেশ্যই হল এক অফিসে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে আরো ভালো চাকুরী নিয়ে অন্য কোম্পানিতে বহাল হওয়া। এরা নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থই সব থেকে আগে হিসেব করে। অফিস বা কোম্পানীর স্বার্থ এদের কাছে দ্বিতীয় প্রায়োরিটি। অন্যের সম্পত্তির প্রতি এদের যত্ন ও শ্রদ্ধা কম দেখা যায়। এরা শুধু বেশী মুনাফার খোজ করে। যার কাছে হিসেবে অধিক মূল্য পায় তার সাথেই বায়ার বা সাপ্লাইয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে।

আমি ভাবি আমাদের কথা। আমাদের মনে অনেক উচ্চ মানের চিন্তা ও চেতনা থাকে সব সময়। কিন্তু কিভাবে যেন আমাদের দেশের কালচারে কিছু সহজ জিনিস ঢুকে গেছে। আমাদের দেশের অফিস কালচারেও বিশেষতঃ ফ্যাক্টরি গুলোতে এই হায়ার এন্ড ফায়ার এখন অনেক কঠিন একটি বাস্তবতা। কিন্তু এর ফল যে উন্নত কিছু এনে দেয় না - তার চাক্ষুষ প্রমান আমাদের সামনে আছে। সহজ জিনিস কখনো ভালো পরিণাম বয়ে আনে না।

334
Textile Engineering / A comparative picture of corporate culture.
« on: April 03, 2017, 10:02:20 PM »
কর্পোরেট কালচার নিয়ে কিছুদিন ভাবতেছিলাম। আমাদের আগের জেনারেশন অর্থাৎ আমাদের বাবা চাচারা যে চাকুরী দিয়ে জীবন শুরু করতেন - সেই চাকুরীতেই অবসর নিতেন। আমাদের সময় সম্ভবতঃ সরকারী চাকুরীজীবী ছাড়া অন্য কোথাও এইটা ভাবেন না। অবশ্য এখন কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারী চাকুরীজীবীদেরও এর ব্যতিক্রম করতে দেখা যায়।
একটা বইয়ে জাপানীদের চাকুরী বিষয়ক কিছু তথ্য পড়েছিলাম। সম্প্রতি ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে আরো কিছু লেখা পেলাম। অনেক লেখাতেই জাপানী ও আমেরিকান অফিস কালচার নিয়ে তুলোনা করা হয়েছে।
বেশিরভাগ লেখায় উল্লেখ করা ছিলো জাপানে একজনকে চাকুরীতে বহাল করা হয় অনেক সময় নিয়ে - তাকে অনেক যাচাই বাছাই করে। তারাও সেই কোম্পানী বা অফিসে তাদের জীবন কাটিয়ে দেন। এমনকি অবসর নেওয়ার পরেও তারা অনেক সময়ই বিনা পারিশ্রমিকে তাদের অফিসে কাজ করে দিয়ে যান। তাদের ব্যাপারে বলা হয় যে They live to work. অর্থাৎ তারা বেঁচে থাকে কাজ করার জন্য। কাজই হল তাদের বেঁচে থাকার প্রেরণা। এদের কাছে নিজের স্বার্থের থেকে অফিস বা কোম্পানীর স্বার্থই বড়। মৌলিক ভাবে এরা অন্যের সম্পত্তি অনেক যত্ন ও শ্রদ্ধার সাথে দেখে। এরা অনেক দীর্ঘকালীন সময়ের জন্য প্ল্যান প্রোগ্রাম করে। শুধু বেশী বিক্রয় মুল্যের খোজ করে না। এরা বায়ার এবং সাপ্লাইয়ারের সাথে অনেক দীর্ঘকালীন সম্পর্ক গঠন করে। তারাই সিক্স সিগ্মা কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট, লিন ম্যানুফ্যাকচারিং, জাস্ট ইন টাইম এর উদ্ভাবক। পৃথিবীর সব প্রথম শ্রেণীর কোম্পানীগুলো এই সব মূলনীতিতে পরিচালিত হচ্ছে।
অপরপক্ষে আমেরিকান কালচার হল হায়ার এন্ড ফায়ার। তারা যত তাড়াতাড়ি একজনকে চাকুরীতে বহাল করে তার থেকে তাড়াতাড়ি তাকে ছাটাইও করে। অফিসে এতো রদবদল হয় যে এর সাথে রিভল্ভিং ডোর এর তুলনা দেওয়া হয়। যে দরজা দিয়ে আসা যাওয়া লেগেই থাকে। এদের ব্যাপারে বলা হয় যে They work to live. এরা দলবদ্ধ ভাবে চিন্তা না করে ব্যক্তি গত লাভ লোকসানকেই বড় ভাবে। তাদের কাজ করার উদ্দেশ্যই হল এক অফিসে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে আরো ভালো চাকুরী নিয়ে অন্য কোম্পানিতে বহাল হওয়া। এরা নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থই সব থেকে আগে হিসেব করে। অফিস বা কোম্পানীর স্বার্থ এদের কাছে দ্বিতীয় প্রায়োরিটি। অন্যের সম্পত্তির প্রতি এদের যত্ন ও শ্রদ্ধা কম দেখা যায়। এরা শুধু বেশী মুনাফার খোজ করে। যার কাছে হিসেবে অধিক মূল্য পায় তার সাথেই বায়ার বা সাপ্লাইয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে।

আমি ভাবি আমাদের কথা। আমাদের মনে অনেক উচ্চ মানের চিন্তা ও চেতনা থাকে সব সময়। কিন্তু কিভাবে যেন আমাদের দেশের কালচারে কিছু সহজ জিনিস ঢুকে গেছে। আমাদের দেশের অফিস কালচারেও বিশেষতঃ ফ্যাক্টরি গুলোতে এই হায়ার এন্ড ফায়ার এখন অনেক কঠিন একটি বাস্তবতা। কিন্তু এর ফল যে উন্নত কিছু এনে দেয় না - তার চাক্ষুষ প্রমান আমাদের সামনে আছে। সহজ জিনিস কখনো ভালো পরিণাম বয়ে আনে না।

335
কর্পোরেট কালচার নিয়ে কিছুদিন ভাবতেছিলাম। আমাদের আগের জেনারেশন অর্থাৎ আমাদের বাবা চাচারা যে চাকুরী দিয়ে জীবন শুরু করতেন - সেই চাকুরীতেই অবসর নিতেন। আমাদের সময় সম্ভবতঃ সরকারী চাকুরীজীবী ছাড়া অন্য কোথাও এইটা ভাবেন না। অবশ্য এখন কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারী চাকুরীজীবীদেরও এর ব্যতিক্রম করতে দেখা যায়।
একটা বইয়ে জাপানীদের চাকুরী বিষয়ক কিছু তথ্য পড়েছিলাম। সম্প্রতি ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে আরো কিছু লেখা পেলাম। অনেক লেখাতেই জাপানী ও আমেরিকান অফিস কালচার নিয়ে তুলোনা করা হয়েছে।
বেশিরভাগ লেখায় উল্লেখ করা ছিলো জাপানে একজনকে চাকুরীতে বহাল করা হয় অনেক সময় নিয়ে - তাকে অনেক যাচাই বাছাই করে। তারাও সেই কোম্পানী বা অফিসে তাদের জীবন কাটিয়ে দেন। এমনকি অবসর নেওয়ার পরেও তারা অনেক সময়ই বিনা পারিশ্রমিকে তাদের অফিসে কাজ করে দিয়ে যান। তাদের ব্যাপারে বলা হয় যে They live to work. অর্থাৎ তারা বেঁচে থাকে কাজ করার জন্য। কাজই হল তাদের বেঁচে থাকার প্রেরণা। এদের কাছে নিজের স্বার্থের থেকে অফিস বা কোম্পানীর স্বার্থই বড়। মৌলিক ভাবে এরা অন্যের সম্পত্তি অনেক যত্ন ও শ্রদ্ধার সাথে দেখে। এরা অনেক দীর্ঘকালীন সময়ের জন্য প্ল্যান প্রোগ্রাম করে। শুধু বেশী বিক্রয় মুল্যের খোজ করে না। এরা বায়ার এবং সাপ্লাইয়ারের সাথে অনেক দীর্ঘকালীন সম্পর্ক গঠন করে। তারাই সিক্স সিগ্মা কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট, লিন ম্যানুফ্যাকচারিং, জাস্ট ইন টাইম এর উদ্ভাবক। পৃথিবীর সব প্রথম শ্রেণীর কোম্পানীগুলো এই সব মূলনীতিতে পরিচালিত হচ্ছে।
অপরপক্ষে আমেরিকান কালচার হল হায়ার এন্ড ফায়ার। তারা যত তাড়াতাড়ি একজনকে চাকুরীতে বহাল করে তার থেকে তাড়াতাড়ি তাকে ছাটাইও করে। অফিসে এতো রদবদল হয় যে এর সাথে রিভল্ভিং ডোর এর তুলনা দেওয়া হয়। যে দরজা দিয়ে আসা যাওয়া লেগেই থাকে। এদের ব্যাপারে বলা হয় যে They work to live. এরা দলবদ্ধ ভাবে চিন্তা না করে ব্যক্তি গত লাভ লোকসানকেই বড় ভাবে। তাদের কাজ করার উদ্দেশ্যই হল এক অফিসে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে আরো ভালো চাকুরী নিয়ে অন্য কোম্পানিতে বহাল হওয়া। এরা নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থই সব থেকে আগে হিসেব করে। অফিস বা কোম্পানীর স্বার্থ এদের কাছে দ্বিতীয় প্রায়োরিটি। অন্যের সম্পত্তির প্রতি এদের যত্ন ও শ্রদ্ধা কম দেখা যায়। এরা শুধু বেশী মুনাফার খোজ করে। যার কাছে হিসেবে অধিক মূল্য পায় তার সাথেই বায়ার বা সাপ্লাইয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে।

আমি ভাবি আমাদের কথা। আমাদের মনে অনেক উচ্চ মানের চিন্তা ও চেতনা থাকে সব সময়। কিন্তু কিভাবে যেন আমাদের দেশের কালচারে কিছু সহজ জিনিস ঢুকে গেছে। আমাদের দেশের অফিস কালচারেও বিশেষতঃ ফ্যাক্টরি গুলোতে এই হায়ার এন্ড ফায়ার এখন অনেক কঠিন একটি বাস্তবতা। কিন্তু এর ফল যে উন্নত কিছু এনে দেয় না - তার চাক্ষুষ প্রমান আমাদের সামনে আছে। সহজ জিনিস কখনো ভালো পরিণাম বয়ে আনে না।

336
Textile Engineering / My memories of Dhaka in a brief.
« on: March 30, 2017, 11:23:09 PM »
ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় থাকি। সূক্ষ ভাবে বলতে গেলে আমার জ্ঞান হয়েছে ঢাকায়। এখন পর্যন্ত ঢাকাতেই আছি। মাঝখানে ৬ বছর কেটেছে পাবনা ক্যাডেট কলেজে। স্মৃতির পাতা ঘাঁটলে এখনো চোখে ভাসে কি অনিন্দ সুন্দর ছিল এই ঢাকা শহর। পেপারের পাতায় আসতো - ঢাকা হল তিলোত্তমা নগরী।
ছোটবেলায় এই ঢাকাতে তিন তলার বেশী উচু বাড়ি ছিলোনা বলতে গেলে। কেননা তখন প্রায় সব বাসাই ছিলো ব্রিক ফাউন্ডেশনের। ব্রিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিন তলার বেশী উচু বিল্ডিং করা যায় না। বড়জোড় চারতলা করা যেত। তাই চারিদিকে তাকালে দেখা যেত বিশাল আকাশ।
তখন কোন বাসাতেই এ সি ছিলো না। আরো সঠিক ভাবে বলতে গেলে তখন এ সি র প্রয়োজন ও পড়তো না। কেননা তখন আবাসিক এলাকাতে বাতাস আটকানোর মত উচু বিল্ডিং ছিলো না। ভাবতেই আশ্চর্য লাগে যে তখন অনেকের কাছেই সামান্য সিলিং ফ্যানও ছিলো বিলাস সামগ্রী তুল্য। টিভি বা ফ্রিজ সব বাসায়  থাকতো না। যে বাসায় টিভি থাকতো সে বাসার জানালায় অনেক দিনই সন্ধ্যায় মানুষের ভীর হত এই টিভি দেখার জন্য। অবশ্য সব বাসাতেই রেডিও ছিলো। যা এখন আমাদের সমাজ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।   
কিছু উচু বিল্ডিং ছিলো কমার্শিয়াল এরিয়া গুলোতে। যেমন মতিঝিলে বা দিল্কুশায়। কেবল মাত্র ওই এলাকার কিছু উচু বিল্ডিং এ লিফট ছিলো।
এইবার আসি রেস্টুরেন্টের প্রসঙ্গে। তখন রেস্টুরেন্টে মানুষ প্রতি নিয়ত যেত না। বার্থ ডে পালন তখনো মহামারি আকারে দেখা দেয় নাই। তবে কিছু চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ছিলো। হঠাত হয়ত কোন উপলক্ষে মধ্য বিত্তদের সেখানে যাওয়া হত। আমরাও স্টুডেন্ট লাইফে কখনো দল বেধে খেতে গিয়েছি বলে মনে পড়ে না। আর এখন ফুচকা খেতেও প্রতিদিন যত মানুষ বের হয় আগে পুরো ঢাকাতেও অত মানুষ বাইরে খেতে যেত না। 
উপরের বর্ণনায় মনে হতে পারে তখন ঢাকায় জীবন যাপন করা কত নিরামিষ টাইপের ছিলো। কিন্তু যখন মনে পড়ে যে তখন ৪০ - ৫০ মিনিটে অর্ধেক ঢাকা ঘুড়ে আসা যেত। বা খোলা মাঠের অভাব ছিলো না। কিংবা মহাখালি পর্যন্ত ঢাকা ছিলো। বনানী পার হলেই হাই ওয়ে শুরু হত। কল্যাণপুরে মিরপুর রোডের ব্রিজের নিচে দিয়ে বয়ে যেত ছোট নদী। যেটাতে অনেকেই নৌকায় করে ঘুরতেন। এছাড়াও গাবতলি পার হলে ডানদিকে শালবন দেখা যেত যেখানে পিকনিক করা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার ছিলো ঢাকা বাসির জন্য। ভাবতেও ঢাকার বর্তমানের বাসিন্দাদের আফসোস হবে এটা নিশ্চিত।
আরেকটি হল এই ঢাকাতেই আগে গরুর গাড়ি চলতে দেখেছি। অনেক সময়ই নির্মাণ সামগ্রী গরুর গাড়িতে পরিবহণ করা হত। রিক্সায় করে ফার্ম গেট এমনকি ক্যান্টনমেন্ট সহ যে কোন জায়গায় চলে যাওয়া যেত। রাতে রাস্তায় ইলেকট্রিক পিলারের উপরে বাল্বের হলুদ আলো টিমটিম করে জ্বলত।
দুপুরে বাসায় বসে মনে হত কি নির্জনতা চারিদিকে। রাস্তায় লোকজন নাই। নীরব নিস্তব্ধতা থাকতো চারিদিক ঘিরে। স্কুলের একেবারে প্রথম দিন থেকেই আমরা একা একাই স্কুলে যেতাম ও আসতাম। সবাই তাই করত। বেশ কিছু দূরে বাসা হলেই হয়ত বড় কেউ স্কুলে দিতে আসতো। তাও প্রতিদিন নয়।
আমরাই মনে হয় লাস্ট জেনারেশন যারা ঢাকার বাসার গাছের আম জাম কাঠাল ও অন্যান্য গ্রীষ্মকালীন ফল গাছ থেকে পেড়ে খেয়েছি।
ধান্মন্ডি সহ বিভিন্ন এলাকাতে এখনো কিছু বাড়ি দেখা যায় সেই সময়কার। যে গুলো এতো বিশাল যে সেগুলো আবাসিক বাসা হিসেবে এখন আনফিট। সব গুলোই এখন অফিস বা স্কুল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। বাড়ি গুলোর চারিপাশের খোলা জায়গা দেখলে সেই সময়কার মানুষের দৈনন্দিন জীবন যাপন কেমন ছিল তা অনুমান করা যায়। এখন যেমন আমরা পাশের ফ্ল্যাটের মানুষদেরও চিনি না। কিন্তু তখন পুরো এলাকার মানুষদের সাথে কম বেশী চেনা পরিচয় ছিলো। ঢাকায় চলাচল করতে ভয়ের কিছু ছিল বলে মনে পড়ে না। ভয়ের যা ছিলো তা হল কেবল মাত্র রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুর গুলো। এখন তো সুস্থ মানুষও এখানে চলাচল করতে চিন্তায় পড়ে যায়। শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচলের জন্য অনেক আগেই ঢাকা অনুপযুক্ত হয়ে গেছে।
এই গুলো যে ঢাকার অনেক আগের চিত্র তা নয়। ঢাকা হঠাত করেই অনেক বদলে গেছে। আগে যা অনেক ধীরে ধীরে পরিবর্তন হত - তা এখন অতি দ্রুত হচ্ছে। এক মাস পরে গেলেই অনেক জায়গা আর চেনা যায় না।
একটি শহরের মৃত্যু হয় যখন তার বাসিন্দারা এক জন অন্য জনের সুবিধা বা অসুবিধা নিয়ে ভাবে না। একটি শহরের মৃত্যু হয় যখন তার প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যায়। যেখানে মানুষ ছাড়া অন্য কোন পশু পাখি থাকে না। মানুষ খুজে সেই শহর থেকে পালাবার উপায়। কংক্রিটের জঙ্গলে যখন নীরব আর্তনাদ অনুরনিত হয়। 
তাও প্রিয় এই ঢাকা। ভালোবাসি এই ঢাকাকে।

337
Permanent Campus of DIU / My memories of Dhaka in a brief.
« on: March 30, 2017, 11:09:41 PM »
ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় থাকি। সূক্ষ ভাবে বলতে গেলে আমার জ্ঞান হয়েছে ঢাকায়। এখন পর্যন্ত ঢাকাতেই আছি। মাঝখানে ৬ বছর কেটেছে পাবনা ক্যাডেট কলেজে। স্মৃতির পাতা ঘাঁটলে এখনো চোখে ভাসে কি অনিন্দ সুন্দর ছিল এই ঢাকা শহর। পেপারের পাতায় আসতো - ঢাকা হল তিলোত্তমা নগরী।
ছোটবেলায় এই ঢাকাতে তিন তলার বেশী উচু বাড়ি ছিলোনা বলতে গেলে। কেননা তখন প্রায় সব বাসাই ছিলো ব্রিক ফাউন্ডেশনের। ব্রিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিন তলার বেশী উচু বিল্ডিং করা যায় না। বড়জোড় চারতলা করা যেত। তাই চারিদিকে তাকালে দেখা যেত বিশাল আকাশ।
তখন কোন বাসাতেই এ সি ছিলো না। আরো সঠিক ভাবে বলতে গেলে তখন এ সি র প্রয়োজন ও পড়তো না। কেননা তখন আবাসিক এলাকাতে বাতাস আটকানোর মত উচু বিল্ডিং ছিলো না। ভাবতেই আশ্চর্য লাগে যে তখন অনেকের কাছেই সামান্য সিলিং ফ্যানও ছিলো বিলাস সামগ্রী তুল্য। টিভি বা ফ্রিজ সব বাসায়  থাকতো না। যে বাসায় টিভি থাকতো সে বাসার জানালায় অনেক দিনই সন্ধ্যায় মানুষের ভীর হত এই টিভি দেখার জন্য। অবশ্য সব বাসাতেই রেডিও ছিলো। যা এখন আমাদের সমাজ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।   
কিছু উচু বিল্ডিং ছিলো কমার্শিয়াল এরিয়া গুলোতে। যেমন মতিঝিলে বা দিল্কুশায়। কেবল মাত্র ওই এলাকার কিছু উচু বিল্ডিং এ লিফট ছিলো।
এইবার আসি রেস্টুরেন্টের প্রসঙ্গে। তখন রেস্টুরেন্টে মানুষ প্রতি নিয়ত যেত না। বার্থ ডে পালন তখনো মহামারি আকারে দেখা দেয় নাই। তবে কিছু চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ছিলো। হঠাত হয়ত কোন উপলক্ষে মধ্য বিত্তদের সেখানে যাওয়া হত। আমরাও স্টুডেন্ট লাইফে কখনো দল বেধে খেতে গিয়েছি বলে মনে পড়ে না। আর এখন ফুচকা খেতেও প্রতিদিন যত মানুষ বের হয় আগে পুরো ঢাকাতেও অত মানুষ বাইরে খেতে যেত না। 
উপরের বর্ণনায় মনে হতে পারে তখন ঢাকায় জীবন যাপন করা কত নিরামিষ টাইপের ছিলো। কিন্তু যখন মনে পড়ে যে তখন ৪০ - ৫০ মিনিটে অর্ধেক ঢাকা ঘুড়ে আসা যেত। বা খোলা মাঠের অভাব ছিলো না। কিংবা মহাখালি পর্যন্ত ঢাকা ছিলো। বনানী পার হলেই হাই ওয়ে শুরু হত। কল্যাণপুরে মিরপুর রোডের ব্রিজের নিচে দিয়ে বয়ে যেত ছোট নদী। যেটাতে অনেকেই নৌকায় করে ঘুরতেন। এছাড়াও গাবতলি পার হলে ডানদিকে শালবন দেখা যেত যেখানে পিকনিক করা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার ছিলো ঢাকা বাসির জন্য। ভাবতেও ঢাকার বর্তমানের বাসিন্দাদের আফসোস হবে এটা নিশ্চিত।
আরেকটি হল এই ঢাকাতেই আগে গরুর গাড়ি চলতে দেখেছি। অনেক সময়ই নির্মাণ সামগ্রী গরুর গাড়িতে পরিবহণ করা হত। রিক্সায় করে ফার্ম গেট এমনকি ক্যান্টনমেন্ট সহ যে কোন জায়গায় চলে যাওয়া যেত। রাতে রাস্তায় ইলেকট্রিক পিলারের উপরে বাল্বের হলুদ আলো টিমটিম করে জ্বলত।
দুপুরে বাসায় বসে মনে হত কি নির্জনতা চারিদিকে। রাস্তায় লোকজন নাই। নীরব নিস্তব্ধতা থাকতো চারিদিক ঘিরে। স্কুলের একেবারে প্রথম দিন থেকেই আমরা একা একাই স্কুলে যেতাম ও আসতাম। সবাই তাই করত। বেশ কিছু দূরে বাসা হলেই হয়ত বড় কেউ স্কুলে দিতে আসতো। তাও প্রতিদিন নয়।
আমরাই মনে হয় লাস্ট জেনারেশন যারা ঢাকার বাসার গাছের আম জাম কাঠাল ও অন্যান্য গ্রীষ্মকালীন ফল গাছ থেকে পেড়ে খেয়েছি।
ধান্মন্ডি সহ বিভিন্ন এলাকাতে এখনো কিছু বাড়ি দেখা যায় সেই সময়কার। যে গুলো এতো বিশাল যে সেগুলো আবাসিক বাসা হিসেবে এখন আনফিট। সব গুলোই এখন অফিস বা স্কুল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। বাড়ি গুলোর চারিপাশের খোলা জায়গা দেখলে সেই সময়কার মানুষের দৈনন্দিন জীবন যাপন কেমন ছিল তা অনুমান করা যায়। এখন যেমন আমরা পাশের ফ্ল্যাটের মানুষদেরও চিনি না। কিন্তু তখন পুরো এলাকার মানুষদের সাথে কম বেশী চেনা পরিচয় ছিলো। ঢাকায় চলাচল করতে ভয়ের কিছু ছিল বলে মনে পড়ে না। ভয়ের যা ছিলো তা হল কেবল মাত্র রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুর গুলো। এখন তো সুস্থ মানুষও এখানে চলাচল করতে চিন্তায় পড়ে যায়। শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচলের জন্য অনেক আগেই ঢাকা অনুপযুক্ত হয়ে গেছে।
এই গুলো যে ঢাকার অনেক আগের চিত্র তা নয়। ঢাকা হঠাত করেই অনেক বদলে গেছে। আগে যা অনেক ধীরে ধীরে পরিবর্তন হত - তা এখন অতি দ্রুত হচ্ছে। এক মাস পরে গেলেই অনেক জায়গা আর চেনা যায় না।
একটি শহরের মৃত্যু হয় যখন তার বাসিন্দারা এক জন অন্য জনের সুবিধা বা অসুবিধা নিয়ে ভাবে না। একটি শহরের মৃত্যু হয় যখন তার প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যায়। যেখানে মানুষ ছাড়া অন্য কোন পশু পাখি থাকে না। মানুষ খুজে সেই শহর থেকে পালাবার উপায়। কংক্রিটের জঙ্গলে যখন নীরব আর্তনাদ অনুরনিত হয়। 
তাও প্রিয় এই ঢাকা। ভালোবাসি এই ঢাকাকে।

338
Textile Engineering / A person who can control is a successful person.
« on: March 27, 2017, 10:16:00 PM »
আমাদের জীবনে কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ। আমাদের সারাজীবন কাটে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জিনিস কন্ট্রোল করতে শিখতে ও কন্ট্রোল করতে করতেই।
যাদের ওজন বেশী তারা ডায়েট কন্ট্রোল করে ওজন কমান বা নিয়ন্ত্রণ করেন। এছাড়াও রক্তচাপ কম বা বেশী যাদের তারা ওষুধ খেয়ে রক্তচাপ কন্ট্রোল করেন। যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের বাকী জীবন যায় ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে রাখতেই। যারা আচমকা রেগে যান বা বেশী রেগে যান তারা নিজেদের রাগকে কন্ট্রোল করতে চেষ্টা করেন। অনেকেই মেডিটেশন করেন এর জন্য।
আমরাও কখনো নিজেদের সন্তানদের কখনো বা নিজের আপনজনকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য চেষ্টা করি।
এইবার আসি যানবাহনের ক্ষেত্রে। চালকের আসনে যিনি বসে থাকেন পুরোটা সময় তিনি তার বাহনকে নিয়ন্ত্রন করে চলেন। এর সাথে অনেকের জীবনের নিরাপত্তা নির্ভর করে। এটা শিখতেও বেশ কিছু সময় ব্যয় করতে হয়। তিনি তার বাহন কন্ট্রোল করতে পারেন কিনা তার জন্যও পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স পেতে হয়। ট্রাফিক পুলিশের কাজ হল রাস্তার যানবাহনকে নিয়ন্ত্রন করা যেন কেউ কারো পথে বাঁধা না হয়ে দাড়ায়।
পরীক্ষার হলে ইনভিজিলেটরদের মুল কাজই হল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা। ফুটবল মাঠে রেফারী ও ক্রিকেটের মাঠের আম্পায়ারেরও একই কাজ বলা চলে।
কেমিক্যাল প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির উৎপাদনের মূল বিষয়ই হল পি এইচ, তাপমাত্রা ও সময়ের নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে কেমিক্যালের বিক্রিয়া ঘটানো। ভারী ধাতব শিল্পের কাজ হল বিভিন্ন মৌলের অনুপাত ঠিক রেখে নির্দিষ্ট তাপ ও চাপের নিয়ন্ত্রন করে উৎপাদন করা।
এ সির প্রধান কাজ হল রুমের তাপমাত্রা ও আদ্রতা নিয়ত্রন করা। ফ্রিজের কাজ হল কম তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করে খাদ্য সামগ্রীকে পচন থেকে বাচানো।
মনে হয় চারিদিকে সব কিছু অপেক্ষা করতেছে কারো জন্য যে তাদের নিয়ন্ত্রণ করবে। আর আমরা বসে আছি তার ঠিক মধ্যখানে। যে যত কন্ট্রোল করতে পারেন যেন সে তত সফল মানুষ।

339
আমাদের জীবনে কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ। আমাদের সারাজীবন কাটে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জিনিস কন্ট্রোল করতে শিখতে ও কন্ট্রোল করতে করতেই।
যাদের ওজন বেশী তারা ডায়েট কন্ট্রোল করে ওজন কমান বা নিয়ন্ত্রণ করেন। এছাড়াও রক্তচাপ কম বা বেশী যাদের তারা ওষুধ খেয়ে রক্তচাপ কন্ট্রোল করেন। যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের বাকী জীবন যায় ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে রাখতেই। যারা আচমকা রেগে যান বা বেশী রেগে যান তারা নিজেদের রাগকে কন্ট্রোল করতে চেষ্টা করেন। অনেকেই মেডিটেশন করেন এর জন্য।
আমরাও কখনো নিজেদের সন্তানদের কখনো বা নিজের আপনজনকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য চেষ্টা করি।
এইবার আসি যানবাহনের ক্ষেত্রে। চালকের আসনে যিনি বসে থাকেন পুরোটা সময় তিনি তার বাহনকে নিয়ন্ত্রন করে চলেন। এর সাথে অনেকের জীবনের নিরাপত্তা নির্ভর করে। এটা শিখতেও বেশ কিছু সময় ব্যয় করতে হয়। তিনি তার বাহন কন্ট্রোল করতে পারেন কিনা তার জন্যও পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স পেতে হয়। ট্রাফিক পুলিশের কাজ হল রাস্তার যানবাহনকে নিয়ন্ত্রন করা যেন কেউ কারো পথে বাঁধা না হয়ে দাড়ায়।
পরীক্ষার হলে ইনভিজিলেটরদের মুল কাজই হল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা। ফুটবল মাঠে রেফারী ও ক্রিকেটের মাঠের আম্পায়ারেরও একই কাজ বলা চলে।
কেমিক্যাল প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির উৎপাদনের মূল বিষয়ই হল পি এইচ, তাপমাত্রা ও সময়ের নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে কেমিক্যালের বিক্রিয়া ঘটানো। ভারী ধাতব শিল্পের কাজ হল বিভিন্ন মৌলের অনুপাত ঠিক রেখে নির্দিষ্ট তাপ ও চাপের নিয়ন্ত্রন করে উৎপাদন করা।
এ সির প্রধান কাজ হল রুমের তাপমাত্রা ও আদ্রতা নিয়ত্রন করা। ফ্রিজের কাজ হল কম তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করে খাদ্য সামগ্রীকে পচন থেকে বাচানো।
মনে হয় চারিদিকে সব কিছু অপেক্ষা করতেছে কারো জন্য যে তাদের নিয়ন্ত্রণ করবে। আর আমরা বসে আছি তার ঠিক মধ্যখানে। যে যত কন্ট্রোল করতে পারেন যেন সে তত সফল মানুষ।

340
Textile Engineering / Balance in our life.
« on: March 25, 2017, 04:42:18 PM »
ব্যালেন্স বা ভারসাম্য শব্দটি নিয়ে ভাবতেছিলাম।
শুধু যে জিমন্যাস্টিকসে বা ভারোত্তলনে আমাদের ভারসাম্য রক্ষা করতে হয় তা নয়। আমরা প্রতিনিয়ত ব্যালেন্স বা ভারসাম্য রক্ষা করে চলি। হাটার সময় বা সাইকেল চালানো এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরন। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বা ব্যালেন্স ছাড়া জীব বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হয়। ব্যাঙ পোকা খেয়ে পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে - এইরকম। একাউন্টিঙেও ডেবিট আর ক্রেডিটের ব্যালেন্স মিলানো ছাড়া গতি নাই। অংকে ডানপক্ষ ও বামপক্ষের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে হয়। কেমিস্ট্রিতে পরিশেষে বিক্রিয়ার ব্যালেন্স করতে হয়। ফিজিক্সে তাপ বা বিদ্যুৎ নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় এই ব্যালেন্স ঠিক রেখে।
এছাড়াও পারিবারিক বা সামাজিক জীবনেও বহু ভাবে ব্যালেন্স মেইন্টেন হয়। বাবা বকা দিলে মা আদর করে - এইরকম ব্যালেন্স। আবার ধনীরা গরীবদের দান করে সামাজিক ব্যালেন্স ঠিক থাকে। ব্যালেন্স ছাড়া যে কথা বলে - তার পরিণতি আমরা সবাই জানি।
কখনো আমাদের বিবেক কখনো আমাদের পরিবার অথবা কখনো আমাদের সমাজ আমাদের ব্যালেন্সে রাখে। অর্থাৎ কোন কিছুর কারনে বা প্রভাবে ব্যালেন্স ঠিক থাকে।
ভেবে দেখলাম সব থেকে বেশী ব্যালেন্সে রাখে আমাদের বিবেক। যার বিবেক নাই সে সব কিছুই করতে পারে।
অনেক সময় এক পক্ষ অন্যপক্ষকে ব্যালেন্সে রাখে। ব্যাঙ পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে। ব্যাঙ না থাকলে পোকার সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে যায়। যার ফলে পোকারা খাদ্যাভাবে মারা যায়। ব্যালেন্স হারালে আমরা মুখ থুবড়ে পড়ি। ফুটবল খেলায় কেবল এক দল থাকলে দর্শকেরা মাঠ ত্যাগ করে। প্লেনের ব্যালেন্স না থাকলে প্লেন ক্র্যাশ করে।

341
Permanent Campus of DIU / Balance in our life.
« on: March 25, 2017, 04:40:18 PM »
ব্যালেন্স বা ভারসাম্য শব্দটি নিয়ে ভাবতেছিলাম।
শুধু যে জিমন্যাস্টিকসে বা ভারোত্তলনে আমাদের ভারসাম্য রক্ষা করতে হয় তা নয়। আমরা প্রতিনিয়ত ব্যালেন্স বা ভারসাম্য রক্ষা করে চলি। হাটার সময় বা সাইকেল চালানো এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরন। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বা ব্যালেন্স ছাড়া জীব বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হয়। ব্যাঙ পোকা খেয়ে পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে - এইরকম। একাউন্টিঙেও ডেবিট আর ক্রেডিটের ব্যালেন্স মিলানো ছাড়া গতি নাই। অংকে ডানপক্ষ ও বামপক্ষের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে হয়। কেমিস্ট্রিতে পরিশেষে বিক্রিয়ার ব্যালেন্স করতে হয়। ফিজিক্সে তাপ বা বিদ্যুৎ নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় এই ব্যালেন্স ঠিক রেখে।
এছাড়াও পারিবারিক বা সামাজিক জীবনেও বহু ভাবে ব্যালেন্স মেইন্টেন হয়। বাবা বকা দিলে মা আদর করে - এইরকম ব্যালেন্স। আবার ধনীরা গরীবদের দান করে সামাজিক ব্যালেন্স ঠিক থাকে। ব্যালেন্স ছাড়া যে কথা বলে - তার পরিণতি আমরা সবাই জানি।
কখনো আমাদের বিবেক কখনো আমাদের পরিবার অথবা কখনো আমাদের সমাজ আমাদের ব্যালেন্সে রাখে। অর্থাৎ কোন কিছুর কারনে বা প্রভাবে ব্যালেন্স ঠিক থাকে।
ভেবে দেখলাম সব থেকে বেশী ব্যালেন্সে রাখে আমাদের বিবেক। যার বিবেক নাই সে সব কিছুই করতে পারে।
অনেক সময় এক পক্ষ অন্যপক্ষকে ব্যালেন্সে রাখে। ব্যাঙ পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে। ব্যাঙ না থাকলে পোকার সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে যায়। যার ফলে পোকারা খাদ্যাভাবে মারা যায়। ব্যালেন্স হারালে আমরা মুখ থুবড়ে পড়ি। ফুটবল খেলায় কেবল এক দল থাকলে দর্শকেরা মাঠ ত্যাগ করে। প্লেনের ব্যালেন্স না থাকলে প্লেন ক্র্যাশ করে।

342
Textile Engineering / We are driven by our mysterious mind.
« on: March 25, 2017, 04:26:18 PM »
মানুষের মন কত অসাধারন। কেউ হয়ত বসে আছে একটি ঘুপচি ঘরে। কিন্তু তার চোখে থাকে কত অসাধারন স্বপ্ন। আমরা মনের চোখে দেখি - আগামীকাল আমরা কি করবো। রুমের কোথায় কোন ফার্নিচার রাখলে সুন্দর হবে - তাও আমরা দেখি এই মনের চোখে। মনে মনে ভাবি - এই শার্টের সাথে কোন টাই মানাতে পারে।
কখনো আমরা মনে মনে পরিমাপ করি। কখনো ভবিষ্যৎ দেখি। কখনো কখনো করি পরিকল্পনা। আমাদের মনের মাঝেই একাধারে বসবাস করে কখনো শিল্পী কখনো বিজ্ঞানী কখনো বা সাহসী যোদ্ধা। কখনো আমাদের মন ভরে উঠে হিংসায়। কখনো বা এই মনের কারনেই মানুষ প্রতারনা করে।
হিটলারের মন হয়ত আনন্দ পেত মানুষ হত্যা করে। আবার ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল যুদ্ধাহত মানুষের সেবা করে জীবন পার করেছেন। দুইজনের মনের কত আকাশ পাতাল পার্থক্য। সেই মানুষের মনই।
অনেক পরিশ্রমে আমাদের শরীর ক্লান্ত হয়। কিন্তু মন তখনও অক্লান্ত। আমরা ঘুমালেও আমাদের চোখে ভাসে নানা স্বপ্ন। কখনো মানুষ কঠিন হৃদয়ের - সেই মানুষই কখনো দয়ায় গলে পড়ে। সকাল আর বিকালে তার কত ভিন্ন রূপ।
আমাদের জীবনের একটা বড় অংশ যায় মনের সাথে যুদ্ধ করে। আমরা নিজেরাই জানিনা আমাদের মন কি চায়। কিন্তু এই মনের চাহিদা মেটাতেই আমরা আমাদের জীবন পার করি। কিন্তু তাকে আমরা নিজেরাই ভালো করে চিনিনা।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাসঃ জানুয়ারী ১৯, ২০১৬।)

343
Permanent Campus of DIU / Every father is a superman to his child.
« on: March 19, 2017, 08:08:28 PM »
আমার ছেলে ক্লাস টু তে পড়ে। ইতিমধ্যেই স্কুলে তাদের সেকশন গল্পের জন্য বিখ্যাত হয়ে গেছে। তারা নাকি এক জন আরেকজন বন্ধুর সাথে এতো গল্প করে যে ক্লাস টিচার এখন অতিষ্ঠ। এমনকি তাদের স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল স্যার ও অনেক বকাবকি করেছেন। কিন্তু কিছুদিন পরে আবারো তারা তাদের গল্পের পুরানো মুডে ফিরে গেছে।
যাই হোক বাসায় জানতে পারলাম অতি সম্প্রতি আমার ছেলে তার বন্ধুদের কাছে গল্প করেছে যে " আমার বাবা টিচার তো - সে সব জানে।" শুনে কি এক স্নিগ্ধ অনুভুতি হল - তার বাবার প্রতি এতো দৃঢ় আস্থা তা জেনে।
আমারো মনে পড়লো আমার এই একি রকম বয়সের একটি স্মৃতি। আমার বাবার অফিসের গাড়ির বডির সামনে একটি ইংরেজি ডি অক্ষর লেখা ছিল। আমিও আমার ইংরেজি বর্ণমালার শিশু জ্ঞানে পরিচয় অনুযায়ী আমার ব্যাখ্যা বের করেছিলাম। প্রেসিডেন্ট হল এ। তার পরে আর দুই জন আছে যারা বি ও সি। এর পরেই আমার বাবা। আমার বন্ধুদের মাঝেও এই ডি অক্ষর নিয়ে কৌতুহল ছিলো। আমিও তাদেরকে আমার ব্যাখ্যা বেশ গর্বের সাথে জানিয়েছিলাম।
কিন্তু এখন আমি জানি যে গাড়িটা ছিল ডাটসান ব্রান্ডের। তাই গাড়ির সামনে ব্রান্ড নাম ডাটসানের প্রথম অক্ষর ডি অক্ষর লাগানো ছিলো।

শিশুর কাছে বাবা মানেই অগাধ আস্থা। কালে কালে শিশুরা তাদের মনে নিজের বাবা সম্পর্কে সুপারম্যান টাইপের চরিত্র একে রেখেছে।
কিন্তু একমাত্র তার বাবাই জানে ভোর সকালে ঘুম থেকে জেগে অফিসে কেন দৌড়ায় যায় সে। বা অনেক দিনই কেন রাত জেগে কাজ করে।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৬)

344
Textile Engineering / Success of life from different perspectives.
« on: March 19, 2017, 07:50:21 PM »
১. বিশাল হাতির মত ম্যামথ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু মেরুদন্ডহীন তেলা পোকা হাজার হাজার বছর ধরে এই পৃথিবীতে টিকে আছে।
টিকে থাকাই যদি সার্থকতা হয় তাহলে বিশাল ম্যামথ অবশ্যই একটি পরাজিত কাহিনী। তাই অনেকের কাছেই ম্যামথ একটি পরাজিত কাহিনী।
তেলাপোকা তাদের কাছে সার্থকতার উদাহরন।

২. মাঝে মাঝেই ফার্মের মুরগির কনসেপ্ট আমাকে পীড়া দেয়। বেচারাদের কাজই হল মানুষের প্রোটিনের সংস্থান করা। কখনো মাংসের মাধ্যমে বা কখনো ডিমের মাধ্যমে। তাদের জীবন কাটে নিরাপদ খাঁচায় আর তাদের ডিম ফূটে ইনকিউবিটরে। নিজেদের বাচ্চাদের কোনদিন চিনতেও পারে না। লাইটের আলোয় তারা খেয়ে চলে সারাদিন। কৃত্রিম খাবার খেয়ে তারা বড় হয়। বন বাদাড় কি জিনিস - তা তাদের বোধগম্যের বাইরে। বিভিন্ন টিকার মাধ্যমে তারা নিরোগ থাকে।
একদিক চিন্তা করলে ফার্মের মুরগির জীবন সার্থক বলা যায় কেননা তারাই এখন মানুষের প্রোটিনের একটি বড় উৎস। কিন্তু তাদের জীবন যাপন প্রনালীটা কত অস্বাভাবিক।
আসলেই জীবনের সার্থকতা একেক জনের কাছে একেক রকম।

(আমার মতে ফলাফল যাই হোক - কে কেমন জীবন কাটিয়েছে - এটাই তার জীবনের সার্থকতার মাপকাঠি হওয়া উচিৎ।)

345
১. বিশাল হাতির মত ম্যামথ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু মেরুদন্ডহীন তেলা পোকা হাজার হাজার বছর ধরে এই পৃথিবীতে টিকে আছে।
টিকে থাকাই যদি সার্থকতা হয় তাহলে বিশাল ম্যামথ অবশ্যই একটি পরাজিত কাহিনী। তাই অনেকের কাছেই ম্যামথ একটি পরাজিত কাহিনী।
তেলাপোকা তাদের কাছে সার্থকতার উদাহরন।

২. মাঝে মাঝেই ফার্মের মুরগির কনসেপ্ট আমাকে পীড়া দেয়। বেচারাদের কাজই হল মানুষের প্রোটিনের সংস্থান করা। কখনো মাংসের মাধ্যমে বা কখনো ডিমের মাধ্যমে। তাদের জীবন কাটে নিরাপদ খাঁচায় আর তাদের ডিম ফূটে ইনকিউবিটরে। নিজেদের বাচ্চাদের কোনদিন চিনতেও পারে না। লাইটের আলোয় তারা খেয়ে চলে সারাদিন। কৃত্রিম খাবার খেয়ে তারা বড় হয়। বন বাদাড় কি জিনিস - তা তাদের বোধগম্যের বাইরে। বিভিন্ন টিকার মাধ্যমে তারা নিরোগ থাকে।
একদিক চিন্তা করলে ফার্মের মুরগির জীবন সার্থক বলা যায় কেননা তারাই এখন মানুষের প্রোটিনের একটি বড় উৎস। কিন্তু তাদের জীবন যাপন প্রনালীটা কত অস্বাভাবিক।
আসলেই জীবনের সার্থকতা একেক জনের কাছে একেক রকম।

(আমার মতে ফলাফল যাই হোক - কে কেমন জীবন কাটিয়েছে - এটাই তার জীবনের সার্থকতার মাপকাঠি হওয়া উচিৎ।)

Pages: 1 ... 21 22 [23] 24 25 26