Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: 1 ... 45 46 [47] 48 49 ... 52
691
In our real life control is much more interesting than I could picture it in this writing of mine.

692
Textile Engineering / Re: My memories of Dhaka in a brief.
« on: April 01, 2017, 09:02:40 AM »
Many thanks to you for your comments.

693
Textile Engineering / Re: Balance in our life.
« on: April 01, 2017, 09:02:03 AM »
In our real life balance is more interesting than in this writing.

694
Textile Engineering / Re: Balance in our life.
« on: April 01, 2017, 09:00:31 AM »
Thank you for your complements.

695
Thank you for your comments.

696
Thank you for your compliments and comments.

697
Self satisfaction is also a relative matter. Sometimes a criminal can be self satisfied. If a person with conscience is self satisfied then it is ok.   

698
Textile Engineering / My memories of Dhaka in a brief.
« on: March 30, 2017, 11:23:09 PM »
ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় থাকি। সূক্ষ ভাবে বলতে গেলে আমার জ্ঞান হয়েছে ঢাকায়। এখন পর্যন্ত ঢাকাতেই আছি। মাঝখানে ৬ বছর কেটেছে পাবনা ক্যাডেট কলেজে। স্মৃতির পাতা ঘাঁটলে এখনো চোখে ভাসে কি অনিন্দ সুন্দর ছিল এই ঢাকা শহর। পেপারের পাতায় আসতো - ঢাকা হল তিলোত্তমা নগরী।
ছোটবেলায় এই ঢাকাতে তিন তলার বেশী উচু বাড়ি ছিলোনা বলতে গেলে। কেননা তখন প্রায় সব বাসাই ছিলো ব্রিক ফাউন্ডেশনের। ব্রিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিন তলার বেশী উচু বিল্ডিং করা যায় না। বড়জোড় চারতলা করা যেত। তাই চারিদিকে তাকালে দেখা যেত বিশাল আকাশ।
তখন কোন বাসাতেই এ সি ছিলো না। আরো সঠিক ভাবে বলতে গেলে তখন এ সি র প্রয়োজন ও পড়তো না। কেননা তখন আবাসিক এলাকাতে বাতাস আটকানোর মত উচু বিল্ডিং ছিলো না। ভাবতেই আশ্চর্য লাগে যে তখন অনেকের কাছেই সামান্য সিলিং ফ্যানও ছিলো বিলাস সামগ্রী তুল্য। টিভি বা ফ্রিজ সব বাসায়  থাকতো না। যে বাসায় টিভি থাকতো সে বাসার জানালায় অনেক দিনই সন্ধ্যায় মানুষের ভীর হত এই টিভি দেখার জন্য। অবশ্য সব বাসাতেই রেডিও ছিলো। যা এখন আমাদের সমাজ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।   
কিছু উচু বিল্ডিং ছিলো কমার্শিয়াল এরিয়া গুলোতে। যেমন মতিঝিলে বা দিল্কুশায়। কেবল মাত্র ওই এলাকার কিছু উচু বিল্ডিং এ লিফট ছিলো।
এইবার আসি রেস্টুরেন্টের প্রসঙ্গে। তখন রেস্টুরেন্টে মানুষ প্রতি নিয়ত যেত না। বার্থ ডে পালন তখনো মহামারি আকারে দেখা দেয় নাই। তবে কিছু চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ছিলো। হঠাত হয়ত কোন উপলক্ষে মধ্য বিত্তদের সেখানে যাওয়া হত। আমরাও স্টুডেন্ট লাইফে কখনো দল বেধে খেতে গিয়েছি বলে মনে পড়ে না। আর এখন ফুচকা খেতেও প্রতিদিন যত মানুষ বের হয় আগে পুরো ঢাকাতেও অত মানুষ বাইরে খেতে যেত না। 
উপরের বর্ণনায় মনে হতে পারে তখন ঢাকায় জীবন যাপন করা কত নিরামিষ টাইপের ছিলো। কিন্তু যখন মনে পড়ে যে তখন ৪০ - ৫০ মিনিটে অর্ধেক ঢাকা ঘুড়ে আসা যেত। বা খোলা মাঠের অভাব ছিলো না। কিংবা মহাখালি পর্যন্ত ঢাকা ছিলো। বনানী পার হলেই হাই ওয়ে শুরু হত। কল্যাণপুরে মিরপুর রোডের ব্রিজের নিচে দিয়ে বয়ে যেত ছোট নদী। যেটাতে অনেকেই নৌকায় করে ঘুরতেন। এছাড়াও গাবতলি পার হলে ডানদিকে শালবন দেখা যেত যেখানে পিকনিক করা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার ছিলো ঢাকা বাসির জন্য। ভাবতেও ঢাকার বর্তমানের বাসিন্দাদের আফসোস হবে এটা নিশ্চিত।
আরেকটি হল এই ঢাকাতেই আগে গরুর গাড়ি চলতে দেখেছি। অনেক সময়ই নির্মাণ সামগ্রী গরুর গাড়িতে পরিবহণ করা হত। রিক্সায় করে ফার্ম গেট এমনকি ক্যান্টনমেন্ট সহ যে কোন জায়গায় চলে যাওয়া যেত। রাতে রাস্তায় ইলেকট্রিক পিলারের উপরে বাল্বের হলুদ আলো টিমটিম করে জ্বলত।
দুপুরে বাসায় বসে মনে হত কি নির্জনতা চারিদিকে। রাস্তায় লোকজন নাই। নীরব নিস্তব্ধতা থাকতো চারিদিক ঘিরে। স্কুলের একেবারে প্রথম দিন থেকেই আমরা একা একাই স্কুলে যেতাম ও আসতাম। সবাই তাই করত। বেশ কিছু দূরে বাসা হলেই হয়ত বড় কেউ স্কুলে দিতে আসতো। তাও প্রতিদিন নয়।
আমরাই মনে হয় লাস্ট জেনারেশন যারা ঢাকার বাসার গাছের আম জাম কাঠাল ও অন্যান্য গ্রীষ্মকালীন ফল গাছ থেকে পেড়ে খেয়েছি।
ধান্মন্ডি সহ বিভিন্ন এলাকাতে এখনো কিছু বাড়ি দেখা যায় সেই সময়কার। যে গুলো এতো বিশাল যে সেগুলো আবাসিক বাসা হিসেবে এখন আনফিট। সব গুলোই এখন অফিস বা স্কুল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। বাড়ি গুলোর চারিপাশের খোলা জায়গা দেখলে সেই সময়কার মানুষের দৈনন্দিন জীবন যাপন কেমন ছিল তা অনুমান করা যায়। এখন যেমন আমরা পাশের ফ্ল্যাটের মানুষদেরও চিনি না। কিন্তু তখন পুরো এলাকার মানুষদের সাথে কম বেশী চেনা পরিচয় ছিলো। ঢাকায় চলাচল করতে ভয়ের কিছু ছিল বলে মনে পড়ে না। ভয়ের যা ছিলো তা হল কেবল মাত্র রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুর গুলো। এখন তো সুস্থ মানুষও এখানে চলাচল করতে চিন্তায় পড়ে যায়। শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচলের জন্য অনেক আগেই ঢাকা অনুপযুক্ত হয়ে গেছে।
এই গুলো যে ঢাকার অনেক আগের চিত্র তা নয়। ঢাকা হঠাত করেই অনেক বদলে গেছে। আগে যা অনেক ধীরে ধীরে পরিবর্তন হত - তা এখন অতি দ্রুত হচ্ছে। এক মাস পরে গেলেই অনেক জায়গা আর চেনা যায় না।
একটি শহরের মৃত্যু হয় যখন তার বাসিন্দারা এক জন অন্য জনের সুবিধা বা অসুবিধা নিয়ে ভাবে না। একটি শহরের মৃত্যু হয় যখন তার প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যায়। যেখানে মানুষ ছাড়া অন্য কোন পশু পাখি থাকে না। মানুষ খুজে সেই শহর থেকে পালাবার উপায়। কংক্রিটের জঙ্গলে যখন নীরব আর্তনাদ অনুরনিত হয়। 
তাও প্রিয় এই ঢাকা। ভালোবাসি এই ঢাকাকে।

699
Permanent Campus of DIU / My memories of Dhaka in a brief.
« on: March 30, 2017, 11:09:41 PM »
ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় থাকি। সূক্ষ ভাবে বলতে গেলে আমার জ্ঞান হয়েছে ঢাকায়। এখন পর্যন্ত ঢাকাতেই আছি। মাঝখানে ৬ বছর কেটেছে পাবনা ক্যাডেট কলেজে। স্মৃতির পাতা ঘাঁটলে এখনো চোখে ভাসে কি অনিন্দ সুন্দর ছিল এই ঢাকা শহর। পেপারের পাতায় আসতো - ঢাকা হল তিলোত্তমা নগরী।
ছোটবেলায় এই ঢাকাতে তিন তলার বেশী উচু বাড়ি ছিলোনা বলতে গেলে। কেননা তখন প্রায় সব বাসাই ছিলো ব্রিক ফাউন্ডেশনের। ব্রিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিন তলার বেশী উচু বিল্ডিং করা যায় না। বড়জোড় চারতলা করা যেত। তাই চারিদিকে তাকালে দেখা যেত বিশাল আকাশ।
তখন কোন বাসাতেই এ সি ছিলো না। আরো সঠিক ভাবে বলতে গেলে তখন এ সি র প্রয়োজন ও পড়তো না। কেননা তখন আবাসিক এলাকাতে বাতাস আটকানোর মত উচু বিল্ডিং ছিলো না। ভাবতেই আশ্চর্য লাগে যে তখন অনেকের কাছেই সামান্য সিলিং ফ্যানও ছিলো বিলাস সামগ্রী তুল্য। টিভি বা ফ্রিজ সব বাসায়  থাকতো না। যে বাসায় টিভি থাকতো সে বাসার জানালায় অনেক দিনই সন্ধ্যায় মানুষের ভীর হত এই টিভি দেখার জন্য। অবশ্য সব বাসাতেই রেডিও ছিলো। যা এখন আমাদের সমাজ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।   
কিছু উচু বিল্ডিং ছিলো কমার্শিয়াল এরিয়া গুলোতে। যেমন মতিঝিলে বা দিল্কুশায়। কেবল মাত্র ওই এলাকার কিছু উচু বিল্ডিং এ লিফট ছিলো।
এইবার আসি রেস্টুরেন্টের প্রসঙ্গে। তখন রেস্টুরেন্টে মানুষ প্রতি নিয়ত যেত না। বার্থ ডে পালন তখনো মহামারি আকারে দেখা দেয় নাই। তবে কিছু চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ছিলো। হঠাত হয়ত কোন উপলক্ষে মধ্য বিত্তদের সেখানে যাওয়া হত। আমরাও স্টুডেন্ট লাইফে কখনো দল বেধে খেতে গিয়েছি বলে মনে পড়ে না। আর এখন ফুচকা খেতেও প্রতিদিন যত মানুষ বের হয় আগে পুরো ঢাকাতেও অত মানুষ বাইরে খেতে যেত না। 
উপরের বর্ণনায় মনে হতে পারে তখন ঢাকায় জীবন যাপন করা কত নিরামিষ টাইপের ছিলো। কিন্তু যখন মনে পড়ে যে তখন ৪০ - ৫০ মিনিটে অর্ধেক ঢাকা ঘুড়ে আসা যেত। বা খোলা মাঠের অভাব ছিলো না। কিংবা মহাখালি পর্যন্ত ঢাকা ছিলো। বনানী পার হলেই হাই ওয়ে শুরু হত। কল্যাণপুরে মিরপুর রোডের ব্রিজের নিচে দিয়ে বয়ে যেত ছোট নদী। যেটাতে অনেকেই নৌকায় করে ঘুরতেন। এছাড়াও গাবতলি পার হলে ডানদিকে শালবন দেখা যেত যেখানে পিকনিক করা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার ছিলো ঢাকা বাসির জন্য। ভাবতেও ঢাকার বর্তমানের বাসিন্দাদের আফসোস হবে এটা নিশ্চিত।
আরেকটি হল এই ঢাকাতেই আগে গরুর গাড়ি চলতে দেখেছি। অনেক সময়ই নির্মাণ সামগ্রী গরুর গাড়িতে পরিবহণ করা হত। রিক্সায় করে ফার্ম গেট এমনকি ক্যান্টনমেন্ট সহ যে কোন জায়গায় চলে যাওয়া যেত। রাতে রাস্তায় ইলেকট্রিক পিলারের উপরে বাল্বের হলুদ আলো টিমটিম করে জ্বলত।
দুপুরে বাসায় বসে মনে হত কি নির্জনতা চারিদিকে। রাস্তায় লোকজন নাই। নীরব নিস্তব্ধতা থাকতো চারিদিক ঘিরে। স্কুলের একেবারে প্রথম দিন থেকেই আমরা একা একাই স্কুলে যেতাম ও আসতাম। সবাই তাই করত। বেশ কিছু দূরে বাসা হলেই হয়ত বড় কেউ স্কুলে দিতে আসতো। তাও প্রতিদিন নয়।
আমরাই মনে হয় লাস্ট জেনারেশন যারা ঢাকার বাসার গাছের আম জাম কাঠাল ও অন্যান্য গ্রীষ্মকালীন ফল গাছ থেকে পেড়ে খেয়েছি।
ধান্মন্ডি সহ বিভিন্ন এলাকাতে এখনো কিছু বাড়ি দেখা যায় সেই সময়কার। যে গুলো এতো বিশাল যে সেগুলো আবাসিক বাসা হিসেবে এখন আনফিট। সব গুলোই এখন অফিস বা স্কুল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। বাড়ি গুলোর চারিপাশের খোলা জায়গা দেখলে সেই সময়কার মানুষের দৈনন্দিন জীবন যাপন কেমন ছিল তা অনুমান করা যায়। এখন যেমন আমরা পাশের ফ্ল্যাটের মানুষদেরও চিনি না। কিন্তু তখন পুরো এলাকার মানুষদের সাথে কম বেশী চেনা পরিচয় ছিলো। ঢাকায় চলাচল করতে ভয়ের কিছু ছিল বলে মনে পড়ে না। ভয়ের যা ছিলো তা হল কেবল মাত্র রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুর গুলো। এখন তো সুস্থ মানুষও এখানে চলাচল করতে চিন্তায় পড়ে যায়। শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচলের জন্য অনেক আগেই ঢাকা অনুপযুক্ত হয়ে গেছে।
এই গুলো যে ঢাকার অনেক আগের চিত্র তা নয়। ঢাকা হঠাত করেই অনেক বদলে গেছে। আগে যা অনেক ধীরে ধীরে পরিবর্তন হত - তা এখন অতি দ্রুত হচ্ছে। এক মাস পরে গেলেই অনেক জায়গা আর চেনা যায় না।
একটি শহরের মৃত্যু হয় যখন তার বাসিন্দারা এক জন অন্য জনের সুবিধা বা অসুবিধা নিয়ে ভাবে না। একটি শহরের মৃত্যু হয় যখন তার প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যায়। যেখানে মানুষ ছাড়া অন্য কোন পশু পাখি থাকে না। মানুষ খুজে সেই শহর থেকে পালাবার উপায়। কংক্রিটের জঙ্গলে যখন নীরব আর্তনাদ অনুরনিত হয়। 
তাও প্রিয় এই ঢাকা। ভালোবাসি এই ঢাকাকে।

700
Thank you for your comments.

701
Textile Engineering / A person who can control is a successful person.
« on: March 27, 2017, 10:16:00 PM »
আমাদের জীবনে কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ। আমাদের সারাজীবন কাটে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জিনিস কন্ট্রোল করতে শিখতে ও কন্ট্রোল করতে করতেই।
যাদের ওজন বেশী তারা ডায়েট কন্ট্রোল করে ওজন কমান বা নিয়ন্ত্রণ করেন। এছাড়াও রক্তচাপ কম বা বেশী যাদের তারা ওষুধ খেয়ে রক্তচাপ কন্ট্রোল করেন। যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের বাকী জীবন যায় ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে রাখতেই। যারা আচমকা রেগে যান বা বেশী রেগে যান তারা নিজেদের রাগকে কন্ট্রোল করতে চেষ্টা করেন। অনেকেই মেডিটেশন করেন এর জন্য।
আমরাও কখনো নিজেদের সন্তানদের কখনো বা নিজের আপনজনকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য চেষ্টা করি।
এইবার আসি যানবাহনের ক্ষেত্রে। চালকের আসনে যিনি বসে থাকেন পুরোটা সময় তিনি তার বাহনকে নিয়ন্ত্রন করে চলেন। এর সাথে অনেকের জীবনের নিরাপত্তা নির্ভর করে। এটা শিখতেও বেশ কিছু সময় ব্যয় করতে হয়। তিনি তার বাহন কন্ট্রোল করতে পারেন কিনা তার জন্যও পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স পেতে হয়। ট্রাফিক পুলিশের কাজ হল রাস্তার যানবাহনকে নিয়ন্ত্রন করা যেন কেউ কারো পথে বাঁধা না হয়ে দাড়ায়।
পরীক্ষার হলে ইনভিজিলেটরদের মুল কাজই হল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা। ফুটবল মাঠে রেফারী ও ক্রিকেটের মাঠের আম্পায়ারেরও একই কাজ বলা চলে।
কেমিক্যাল প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির উৎপাদনের মূল বিষয়ই হল পি এইচ, তাপমাত্রা ও সময়ের নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে কেমিক্যালের বিক্রিয়া ঘটানো। ভারী ধাতব শিল্পের কাজ হল বিভিন্ন মৌলের অনুপাত ঠিক রেখে নির্দিষ্ট তাপ ও চাপের নিয়ন্ত্রন করে উৎপাদন করা।
এ সির প্রধান কাজ হল রুমের তাপমাত্রা ও আদ্রতা নিয়ত্রন করা। ফ্রিজের কাজ হল কম তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করে খাদ্য সামগ্রীকে পচন থেকে বাচানো।
মনে হয় চারিদিকে সব কিছু অপেক্ষা করতেছে কারো জন্য যে তাদের নিয়ন্ত্রণ করবে। আর আমরা বসে আছি তার ঠিক মধ্যখানে। যে যত কন্ট্রোল করতে পারেন যেন সে তত সফল মানুষ।

702
আমাদের জীবনে কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ। আমাদের সারাজীবন কাটে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জিনিস কন্ট্রোল করতে শিখতে ও কন্ট্রোল করতে করতেই।
যাদের ওজন বেশী তারা ডায়েট কন্ট্রোল করে ওজন কমান বা নিয়ন্ত্রণ করেন। এছাড়াও রক্তচাপ কম বা বেশী যাদের তারা ওষুধ খেয়ে রক্তচাপ কন্ট্রোল করেন। যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের বাকী জীবন যায় ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে রাখতেই। যারা আচমকা রেগে যান বা বেশী রেগে যান তারা নিজেদের রাগকে কন্ট্রোল করতে চেষ্টা করেন। অনেকেই মেডিটেশন করেন এর জন্য।
আমরাও কখনো নিজেদের সন্তানদের কখনো বা নিজের আপনজনকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য চেষ্টা করি।
এইবার আসি যানবাহনের ক্ষেত্রে। চালকের আসনে যিনি বসে থাকেন পুরোটা সময় তিনি তার বাহনকে নিয়ন্ত্রন করে চলেন। এর সাথে অনেকের জীবনের নিরাপত্তা নির্ভর করে। এটা শিখতেও বেশ কিছু সময় ব্যয় করতে হয়। তিনি তার বাহন কন্ট্রোল করতে পারেন কিনা তার জন্যও পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স পেতে হয়। ট্রাফিক পুলিশের কাজ হল রাস্তার যানবাহনকে নিয়ন্ত্রন করা যেন কেউ কারো পথে বাঁধা না হয়ে দাড়ায়।
পরীক্ষার হলে ইনভিজিলেটরদের মুল কাজই হল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা। ফুটবল মাঠে রেফারী ও ক্রিকেটের মাঠের আম্পায়ারেরও একই কাজ বলা চলে।
কেমিক্যাল প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির উৎপাদনের মূল বিষয়ই হল পি এইচ, তাপমাত্রা ও সময়ের নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে কেমিক্যালের বিক্রিয়া ঘটানো। ভারী ধাতব শিল্পের কাজ হল বিভিন্ন মৌলের অনুপাত ঠিক রেখে নির্দিষ্ট তাপ ও চাপের নিয়ন্ত্রন করে উৎপাদন করা।
এ সির প্রধান কাজ হল রুমের তাপমাত্রা ও আদ্রতা নিয়ত্রন করা। ফ্রিজের কাজ হল কম তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করে খাদ্য সামগ্রীকে পচন থেকে বাচানো।
মনে হয় চারিদিকে সব কিছু অপেক্ষা করতেছে কারো জন্য যে তাদের নিয়ন্ত্রণ করবে। আর আমরা বসে আছি তার ঠিক মধ্যখানে। যে যত কন্ট্রোল করতে পারেন যেন সে তত সফল মানুষ।

703
Textile Engineering / Re: Balance in our life.
« on: March 27, 2017, 08:40:11 PM »
I try to write up my thoughts. Thank you for your comments.

704
Textile Engineering / Balance in our life.
« on: March 25, 2017, 04:42:18 PM »
ব্যালেন্স বা ভারসাম্য শব্দটি নিয়ে ভাবতেছিলাম।
শুধু যে জিমন্যাস্টিকসে বা ভারোত্তলনে আমাদের ভারসাম্য রক্ষা করতে হয় তা নয়। আমরা প্রতিনিয়ত ব্যালেন্স বা ভারসাম্য রক্ষা করে চলি। হাটার সময় বা সাইকেল চালানো এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরন। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বা ব্যালেন্স ছাড়া জীব বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হয়। ব্যাঙ পোকা খেয়ে পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে - এইরকম। একাউন্টিঙেও ডেবিট আর ক্রেডিটের ব্যালেন্স মিলানো ছাড়া গতি নাই। অংকে ডানপক্ষ ও বামপক্ষের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে হয়। কেমিস্ট্রিতে পরিশেষে বিক্রিয়ার ব্যালেন্স করতে হয়। ফিজিক্সে তাপ বা বিদ্যুৎ নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় এই ব্যালেন্স ঠিক রেখে।
এছাড়াও পারিবারিক বা সামাজিক জীবনেও বহু ভাবে ব্যালেন্স মেইন্টেন হয়। বাবা বকা দিলে মা আদর করে - এইরকম ব্যালেন্স। আবার ধনীরা গরীবদের দান করে সামাজিক ব্যালেন্স ঠিক থাকে। ব্যালেন্স ছাড়া যে কথা বলে - তার পরিণতি আমরা সবাই জানি।
কখনো আমাদের বিবেক কখনো আমাদের পরিবার অথবা কখনো আমাদের সমাজ আমাদের ব্যালেন্সে রাখে। অর্থাৎ কোন কিছুর কারনে বা প্রভাবে ব্যালেন্স ঠিক থাকে।
ভেবে দেখলাম সব থেকে বেশী ব্যালেন্সে রাখে আমাদের বিবেক। যার বিবেক নাই সে সব কিছুই করতে পারে।
অনেক সময় এক পক্ষ অন্যপক্ষকে ব্যালেন্সে রাখে। ব্যাঙ পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে। ব্যাঙ না থাকলে পোকার সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে যায়। যার ফলে পোকারা খাদ্যাভাবে মারা যায়। ব্যালেন্স হারালে আমরা মুখ থুবড়ে পড়ি। ফুটবল খেলায় কেবল এক দল থাকলে দর্শকেরা মাঠ ত্যাগ করে। প্লেনের ব্যালেন্স না থাকলে প্লেন ক্র্যাশ করে।

705
Permanent Campus of DIU / Balance in our life.
« on: March 25, 2017, 04:40:18 PM »
ব্যালেন্স বা ভারসাম্য শব্দটি নিয়ে ভাবতেছিলাম।
শুধু যে জিমন্যাস্টিকসে বা ভারোত্তলনে আমাদের ভারসাম্য রক্ষা করতে হয় তা নয়। আমরা প্রতিনিয়ত ব্যালেন্স বা ভারসাম্য রক্ষা করে চলি। হাটার সময় বা সাইকেল চালানো এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরন। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বা ব্যালেন্স ছাড়া জীব বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হয়। ব্যাঙ পোকা খেয়ে পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে - এইরকম। একাউন্টিঙেও ডেবিট আর ক্রেডিটের ব্যালেন্স মিলানো ছাড়া গতি নাই। অংকে ডানপক্ষ ও বামপক্ষের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে হয়। কেমিস্ট্রিতে পরিশেষে বিক্রিয়ার ব্যালেন্স করতে হয়। ফিজিক্সে তাপ বা বিদ্যুৎ নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় এই ব্যালেন্স ঠিক রেখে।
এছাড়াও পারিবারিক বা সামাজিক জীবনেও বহু ভাবে ব্যালেন্স মেইন্টেন হয়। বাবা বকা দিলে মা আদর করে - এইরকম ব্যালেন্স। আবার ধনীরা গরীবদের দান করে সামাজিক ব্যালেন্স ঠিক থাকে। ব্যালেন্স ছাড়া যে কথা বলে - তার পরিণতি আমরা সবাই জানি।
কখনো আমাদের বিবেক কখনো আমাদের পরিবার অথবা কখনো আমাদের সমাজ আমাদের ব্যালেন্সে রাখে। অর্থাৎ কোন কিছুর কারনে বা প্রভাবে ব্যালেন্স ঠিক থাকে।
ভেবে দেখলাম সব থেকে বেশী ব্যালেন্সে রাখে আমাদের বিবেক। যার বিবেক নাই সে সব কিছুই করতে পারে।
অনেক সময় এক পক্ষ অন্যপক্ষকে ব্যালেন্সে রাখে। ব্যাঙ পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে। ব্যাঙ না থাকলে পোকার সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে যায়। যার ফলে পোকারা খাদ্যাভাবে মারা যায়। ব্যালেন্স হারালে আমরা মুখ থুবড়ে পড়ি। ফুটবল খেলায় কেবল এক দল থাকলে দর্শকেরা মাঠ ত্যাগ করে। প্লেনের ব্যালেন্স না থাকলে প্লেন ক্র্যাশ করে।

Pages: 1 ... 45 46 [47] 48 49 ... 52