Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Nahian Fyrose Fahim

Pages: 1 ... 19 20 [21]
301
ছোট্ট শিশুটি পৃথিবীর আলো দেখে পরিবারের সবার আশীর্বাদ পুষ্ট হয়ে। বাবা মায়ের নয়নের মনি হৈ – হুল্লোড় করতে করতে ধীরে ধীরে বড় হয় । পিতা মাতার অক্লান্ত পরিশ্রমের বিনিময়ে স্বপ্ন সাজায় নিজের ভবিষ্যতের এবং জয়-পরাজয়ের মধ্য দিয়ে উপনীত হয় জীবন সায়াহ্নে । এটা ই আমাদের সমাজ সংসার এর চলমান ধারা ।বার্ধক্য জীবনের শেষ পর্যায়ের স্বাভাবিক পালাবদল।আমাদের দেশে প্রবীণদের বয়সসীমা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। তবে ৬০ বা তার ঊর্ধ্ব বয়সী ব্যক্তিকে সাধারণত প্রবীণ হিসেবে গণ্য করা হয়।জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে সপ্তম এবং দারিদ্রতা ও দূর্নীতি জর্জরিত বাংলাদেশের ১৫ কোটি মানুষের ১০ভাগই প্রবীণ নারী-পুরুষ। বয়স বারার সাথে সাথে কিছু রোগ দেখা দেয় যেমন যা হয়ত মৃত্যুর আগে পর্যন্ত পিছু ছাড়ে না ।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ

•   হাঁপানি
•   ডায়াবেটিস
•   উচ্চ রক্তচাপ
•   অস্টিওআর্থ্রাইটিস
•   শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে যাওয়া
•   প্রস্রাবের সমস্যা
•   পাইলস বা হিমোরয়েড
•   ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালান্স
•   চোখের অসুখ
•   শ্বাসকষ্ট
•   আলঝেইমার
•   ডিমেনসিয়া
•   বাত
•   মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা

একটু ভাবুনতো নিয়ম মেনে ঔষধ সেবন ই কি এসব রোগ থেকে প্রতিকারের একমাত্র উপায় ?   প্রচলিত আছে -পথ্য নয়  সেবায় ই নিরাময় । ছোটো বেলায়  অসুস্থ হলে  ঔষধ এর পাশাপাশি বাবা মায়ের  সেবা যত্নে ই দ্রুত আমাদের  সেরে উঠা । যে পিতা মাতা আমাকে আপনাকে ছোট্ট শিশু থেকে বড় করে আনন্দময় ভবিষ্যতের জন্য ক্ষয় করেন নিজের জীবন।  তদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব বা কর্তব্য কতখানি হয়া উচিত ? আধুনিক সমাজের কতজন শিক্ষিত মানুষ সত্যিকারে বৃদ্ধ মা-বাবার কথা ভাবেন?সভ্য সমাজের গতিময়তা ধরে রাখতে এই মানুষ গুলকে আমরা  জঞ্জাল মনে করে হিসাবের বাইরে ফেলে দেই । বয়সের ভারে ন্যুজ্ব পিতামাতা সংসারে হয়ে পড়েন অপাংক্তেয়।

বাবা মায়ের তথাকথিত ভালর কথা চিন্তা করে , নিজেদের দায় মুক্তির জন্য আমাদের সমাজে প্রবীণ দের আশার বানী শোনাচ্ছে “বৃদ্ধাশ্রম” ।আমি “বৃদ্ধাশ্রম” এর বিরুদ্ধে বলছি না। একজন অশহায় সন্তানহীন , সমাজ সংসারে একা পিতা –মাতা ই কেবল স্ব ইচ্ছায়  বৃদ্ধাশ্রম কে আশীর্বাদ হিসাবে মেনে নিতে পারেন। কিন্তু একটু ঘুরে আসুন আমাদের দেশের বৃদ্ধাশ্রম , দেখবেন সেখান কার  চিত্র যেন বড়ই বিচিত্র । বৃদ্ধা অশ্রমের গন্ডিতে ধুকে ধুকে সময় পার করে এই সব অবহেলিত অগ্রজরা ।আমার কানে বাজছে হিরন বানু , করিমন , আতাউর রহমান এর করুন আরতনাদ,আর ছলছল চোখের চাহনি, যারা বার্ধক্য জনিত রোগের সাথে লড়াই করে যাচ্ছেন আর শত কষ্ট  দেওয়ার পর ও প্রানপ্রিও সন্তান এর অপেক্ষা করছেন।

কথা হয় একজন বৃদ্ধাশ্রম পরিচালক এর সাথে , দুখের সাথে তিনি বলেন আমি ও চাই না জীবনের শেষ দিনগুলো এই লোক গুলো খাঁচার পাখি হয়ে বিদায় নিক , তার ভাষায় ঃ‘‘দায়িত্ববান সন্তানের কাছে পরিবারের অন্যতম সদস্য হয়ে বেঁচে থাকুন পিতা-মাতা, দাদা-দাদী। বুক উঁচু করে বেঁচে থাকুক সেই সব সন্তান, যারা তাদের পিতা-মাতাকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এতো টুকুও সম্মানহানী না করে, কষ্ট না দিয়ে তাদের আগলে রাখে’’।

পিতা-মাতাকে দূরে ঠেলে দিয়ে লোভী দৃষ্টি সুদৃঢ়ভাবে তৈরি করতে চায় আপন সংসার , যার কেন্দ্রবিন্দু কিনা তার সন্তান।  সন্তানের নিশ্চিত ভবিষ্যৎ তৈরী করতে  বিলিয়ে দিচ্ছে নিজেকে,কিন্তু সময় বড় নিষ্ঠুর! কে জানে  তার পিতামাতার মত সেও হয়ত অগ্রসর  হচ্ছে সর্পিল দিনের কালো অধ্যায়ে। তার আদরের সন্তানেরা বড় হয়ে যে তার মতই নিষ্ঠুর ব্যবহার কবে না সে নিশ্চয়তা কে দেবে? আসুন  সচেতন হই , বৃদ্ধ বাবা মায়ের  বার্ধক্য কে আনন্দে পরিনত করি । নিজের সুস্থ ,স্বাভাবিক ,আনন্দময় ভবিষ্যৎ গড়ি।

302
Thank you sir ...

303
Pharmacy / তুলসীর যত গুণ !!
« on: August 24, 2015, 05:00:40 PM »
তুলসী গাছ আমাদের আশেপাশেই থাকে অনেক সময় । কিন্তু, আমরা তার সদ্ব্যবহার করতে পারি না। শুধু পুজো-অর্চনাতেই তুলসী পাতার প্রয়োজন পড়েনা ৷ আয়ুর্বেদে তুলসীকে ভেষজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে ৷
নাম:
বাংলা : তুলসী
অন্যান্য ভাষায় : Holy basil, Tulsi
বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum sanctum
গোত্র: Lamiaceae

নানা রোগে এ গাছের রসের ব্যবহার সেই প্রাচীনকাল থেকে। গাছটি কৃমিনাশক, বায়ুনাশক, হজমকারক ও রুচিবর্ধক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত।
১. চর্মরোগে তুলসী পাতা দূর্বাঘাসের ডগার সংগে বেটে মাখলে ভালো হয়ে যায়।
২. জ্বর হলে পানির মধ্যে তুলসী পাতা, গোল মরিচ এবং মিশ্রী মিশিয়ে ভাল করে সেদ্ধ করে নিন ৷ অথবা উপরিউক্ত তিনটে দ্রব্য মিশিয়ে বড়ি তৈরি করুন ৷ দিনের মধ্যে তিন-চার বার ঐ বড়িটা পানি দিয়ে সেবন করুণ । জ্বর খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে।
৩. কাশি হলে তুলসী পাতা এবং আদা একসাথে পিষে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খান ৷ এতে উপকার পাবেন ৷
৪. ডাইরিয়া হলে ১০ থেকে বারোটি পাতা পিষে রস খেয়ে ফেলুন।
৫. মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা চেবান ।
৬. আপনার শরীরে যদি কোনরকম ঘা যদি থাকে তাহলে তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান।
৭. শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালাপোড়া কমে যাবে। পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে এবং পোড়া দাগ ওঠে যাবে।
৮. ত্বকের রোশনি বাড়ানোর জন্য, ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান।
৯. যদি কখনও বমি কিংবা মাথা ঘোরা শুরু করে, তাহলে তুলসী রসের মধ্যে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।
১০. সকালবেলা খালি পেটে তুলসী পাতা চিবিয়ে রস পান করলে খাবার রুচী বাড়ে।
১১. নিয়মিত তুলসীর রস পানে হৃদরোগেও উপকার পাওয়া যায়।   


তথ্য সূত্র ঃ ন্যাচারাল মেডীক

304

১। গ্রীন টি শরীরের মেটাবোলিজম বাড়িয়ে ফ্যাট ও ওজন কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে, একটি হেলদি মেটাবোলিক রেট দিতেও এটি সহায়ক।
২। অনেকেই ডায়েট কোক কিংবা পানীয়কে গ্রীন টি’র বিকল্প ভাবতে পারেন এবং তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে এসব পানীয় মহিলাদের টাইপ-২ ডায়বেটিসের সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই ডায়েট প্ল্যান এ এসব পানীয় বাদ দিয়ে গ্রীন টি রাখাই শ্রেয়।
৩। গবেষণা অনুযায়ী প্রতিদিন এক কাপ গ্রীন টি স্ট্রোকের সম্ভাবনা তিনভাগের একভাগ কমিয়ে আনে।
৪। যারা বিশেষত কোমরের ফ্যাট কমাতে ইচ্ছুক তাঁদের জন্য গ্রীন টি বিশেষ উপকারী। এছাড়া এটি দ্রুত ওজন বৃদ্ধিও প্রতিরোধ করে।
৫। যারা ওজন কমাতে দৌড়াতে কিংবা হাঁটতে শুরু করেছেন তাঁদের জন্য ভালো খবর হলো গ্রীন টি প্রতিদিন বেশিক্ষণ ধরে দৌড়াতে কিংবা হাঁটতে ধৈর্য্যএবং শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
৬। গ্রীন টি শরীরের বিভিন্ন অংশকে ভেতর থেকে সতেজ করে তোলে এবং সেই সাথে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।
৭। রক্তচাপ এবং কোলেস্টোরেল কমাতে গ্রীন টি দারুণ ভূমিকা রাখে।

306
বাংলাদেশের প্রবীণ নাগরিক বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ‘ডিমেনশিয়া’ বা ‘মানসিক স্মৃতিভ্রম’ রোগে। দিন দিন রোগটি ছড়িয়ে পড়ছে। এতে আক্রান্তদের অস্বাভাবিক আচার-আচারণ, আবদার  কিংবা খিটখিটে  মেজাজের জন্য পরিবারের সদস্যের বিরক্তি হচ্ছে তাদের ওপর। আখ্যা পাচ্ছেন-‘পাগল’ হিসেবে।ফলে পরিবারে অবহেলার শিকার হচ্ছেন প্রবীণরা। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এ রোগ বা উপসর্গে আক্রান্ত হওয়ার প্রকৃত কোনো কারণ এখনো আবিস্কার করতে পারেননি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন,  এ রোগে আক্রান্তদের জন্য দরকার পরিবারের সব সদস্যের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা,সহমর্মিতা, সহানুভূতি ও সেবা।

ডিমেনশিয়া কতগুলো উপসর্গের সমষ্টি যেমন স্মৃতি শক্তি লোপ পাওয়া, বুদ্ধি, বিচার ক্ষমতা, পরিকল্পনা করা সংগঠন করা, ব্যক্তিত্ব, সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা, কোন কাজে মনোযোগের গভীরতা লোপ পেতে শুরু করে ও ব্যবহারগত পরিবর্তন হয়। সাধারণত মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোবের নিউরোনগুলো প্রথমে নষ্ট হয়। পরে ব্রেইনের অন্যান্য লোবের নিউরোন গুলোও নষ্ট হতে শুরু হয় এবং নতুন নতুন উপসর্গ সৃষ্টি হয়। যেহেতু এই রোগের অদ্যাবধি কোন নিরাময়কারী ঔষধ আবিস্কৃত হয়নি তাই রোগীর অবস্থা ক্রমান্বয়ে খারাপ হতে থাকে । এক সময় রোগী ব্যক্তিগত দৈনন্দিন কাজগুলো করতে পারে না এবং অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। যার ফলে পরিবারের সদস্যদের উপর বিভিন্ন ধরণের চাপ, চিন্তা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। যদিও সাধারণত ৬৫ বৎসর বয়সের উপর লোকদের এই রোগ হয়, কিন্তু কোন কোন ক্ষেত্রে ৪০/৫০ বৎসর বয়সেও ডিমেনশিয়া হতে পারে।


Refference: www.dementiabangladesh.org

Pages: 1 ... 19 20 [21]