Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Akter Hossain

Pages: 1 [2] 3 4 ... 6
16
১. আপনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেন এমন তিনটি বিষয় প্রতিদিন ডায়েরিতে লিখে রাখুন। সম্প্রতি ইউসি ডেভিসের মনোবিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গেছে, এতে তৃপ্তি মেলে।

২. এমন এক রাতে বাইরে বেরিয়ে পড়ুন যখন পরিষ্কার ঝকঝকে আকাশে তারাগুলো স্পষ্ট দেখা যায়। ওই আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলে মনের সব জড়তা নিমেষে দূর হয়ে যায় বলে প্রমাণ মিলেছে গবেষণায়।

৩. সুন্দর কোনো স্থানে বেড়াতে চলে যান। ২০১৫ সালের ‘ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট’-এ বলা হয়, সুইজারল্যান্ডে চলে যান। মনটা শান্তিতে ভরে উঠবে।

৪. এক কাপ ধোঁয়া ওঠা কফি পান করুন। এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে। ক্যাফেইন কেবল সতেজ করে তা-ই নয়, এটি মনমেজাজ ভালো কর দেয়।

৫. অসংখ্য গবেষণায় এ তথ্য আজ প্রমাণিত সত্য যে মেডিটেশনে শান্তি মেলে। কাজেই এর চর্চা শুরু করে দিন।

৬. রোমাঞ্চকর উপন্যাস পড়ুন। ২০১২ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, রোমাঞ্চ উপন্যাস মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগায়। সুখী করে তোলে পাঠককে।

৭. বাইরে ঘুরতে যাওয়ার মজাই আলদা। বিশেষ করে বন্ধু বা পরিবারকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে চলে যান। জীবনের সব ভালো না লাগা গায়েব হয়ে যাবে। এক গবেষণায় বলা হয়, বনে গেলে মানসিক চাপ দূর হয়ে যায়।

৮. প্রকৃতির মাঝে হেঁটে আসুন। গাছপালাপূর্ণ পরিবেশ বা যেকোনো পার্কে সামান্য সময় হাঁটলেই সুখী মন নিয়ে ঘরে ফিরবেন আপনি।

৯. মনটা ভালো থাকা অবস্থায় যা করতে ভালো লাগে, তাই করুন যখন মনটা খারাপ থাকে। অসুখী মন নিয়ে ইতিবাচক কাজ করলে সুখ ভর করতে থাকে।

১০. যেকোনো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিন। আপনি পছন্দ করেন বা না-ই করেন, সুখ আসবে মনে। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব কাজে যোগ দিলে দুশ্চিন্তা ও বিষণ্নতা দূর হয়ে সুখ আসে।

১১. দুঃখের গান শুনলে মনটা অনেক উদার হয়ে ওঠে, ভালো লাগা কাজ করে বলে গবেষণায় বলা হয়েছে। কাজেই কষ্টের কোনো গান শুনতে পারেন।

১২. বাস্তবমুখী লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। এ কাজটি যখন কল্পনাবিবর্জিত হয়, তখন মনে সুখ লাগে।

১৩. মনের অনুভূতিগুলো লিখে ফেলুন। গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা নিয়মিত ডায়েরি লেখেন, তাঁরা এ কাজের পর সুখী হয়ে ওঠেন।

১৪. অন্যের জন্য অর্থ ব্যয়ে কিছু সুখ মেলে। নিজের জন্য তো মেলেই। কাউকে উপহার কিনে দেওয়া বা অর্থ সহায়তা দিলে সুখের সন্ধান পাবেন।

১৫. বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান। যা-ই করুন না কেন, মন ভালো হবে।

১৬. মন খারাপ অবস্থায়ও যদি হাসতে পারেন, তাহলে চট করে মন ভালো হয়ে যাবে। কোনো কারণ ছাড়াই হেসে দেখুন, ফল মিলবে।

১৭. ক্ষমাশীল হোন। কেউ মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে তা পুষে রাখবেন না। এতে সুখ নষ্ট হবে। কিন্তু ক্ষমা করে দিলে ভারমুক্ত হবেন।

১৮. সঙ্গী-সঙ্গিনীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ হয়ে উঠুন। এ বছর প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়, অন্তরঙ্গ জুটিরা সুখের সময় কাটান।

১৯. শরীরচর্চা করুন। ব্যায়ামে দেহ-মন সুস্থতা পায়। মন ভালো থাকে। সুখ বোধ করবেন অনায়াসে।

17
❑ সূক্ষ্মকোণ (Acute angle) : এক সমকোণ (90) অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।
 
❑ সমকোণ (Right angle) : একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। এক সমকোণ=90
 
❑ স্থূলকোণ (Obtuse angle) : এক সমকোণ অপেক্ষা বড় বিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে সথূলকোণ বলে।
 
❑ প্রবৃদ্ধকোণ (Reflex angle) : দুই সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ
অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবদ্ধ কোণ বলে। অর্থাৎ 360 > x 180 হলে x একটি প্রবৃদ্ধ
কোণ।
 
❑ সরলকোণ (Straight angle) : দু’টি সরল রেখাপরস্পর সম্পর্ণ বিপরীত দিকে গমন করলে রেখাটির দু’পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে সরলকোণ বলে। সরলকোণ
দুই সমকোণের সমান বা 180
 
❑ বিপ্রতীপকোণ (Vertically Opposite angle ) : দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের যেকোণ একটিকেতার বিপরীত কোণের
বিপ্রতীপ কোণ বলে।
 
❑ সম্পূরককোণ(Supplementary angle ) : দু’টি কোণের সমষ্টি 180 বা দুইসমকোণ হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
 
❑ পূরককোণ (Complementary angle) : দু’টি কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90 হলেএকটিকেঅপরটির পূরক কোণ বলে।
 
❑ একান্তরকোণ: দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে একান্তর কোণ বলে। একান্তর কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।
 
❑ অনুরূপকোণ: দু’টি সমান্তরাল সরল রেখাকে অপর একটি সরল রেখা ছেদ করলে ছেদকের একই পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তকে অনুরূপ কোণ বলে। অনুরূপ কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।
 
❑ সন্নিহিতকোণ: যদি দু’টি কোণের একটি সাধারণ বাহু থাকে তবে একটি কোণের অপর কোণের সন্নিহিত কোণ বলে।

❑ ত্রিভূজ (Triangle): তিনটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে ত্রিভূজ বলে।
 
❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Acute angle triangle ) : যে ত্রিভূজের তিনটি কোণই এক সমকোণ(90 0 ) এর ছোট তাকে সূক্ষ্মকোণী ত্রিভূজ বলে।
 
❑ সথূলকোণী ত্রিভূজ (Obtuse angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সথূলকোণ বা এক সমকোণ অপেক্ষা বড় তাকে সথূলকোণী ত্রিভূজ বলে। কোণ ত্রিভূজের একের অধিক সথূলকোণ থাকতে পারে না।
 
❑ সমকোণী ত্রিভূজ (Right angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সমকোণ
তাকে সমকোণী ত্রিভূজ বলে। কোন ত্রিভূজে একটির অধিক সমকোণ থাকতে পারে না। সমকোণী ত্রিভূজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভূজ এবং সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের একটিকে ভূমি এবং অপরটিকে লম্ব বলা হয়।

❑ লম্বকেন্দ্র
ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুগুলির উপর তিনটি লম্ব সমবিন্দুগামী, এবং বিন্দুটির নাম লম্বকেন্দ্র(orthocenter)

❑ পরিবৃত্ত: তিনটি শীর্ষবিন্দু যোগ করে যেমন একটিমাত্র ত্রিভুজ হয় তেমনি তিনটি বিন্দু (শীর্ষ)গামী বৃত্তও একটিই, এর নাম পরিবৃত্ত।

❑ পরিকেন্দ্র: পরিবৃত্তের কেন্দ্র (যে বিন্দু ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় থেকে সমদূরত্বে স্থিত)।

❑ চতুর্ভুজ: চারটি রেখাংশ দিয়ে সীমাবদ্ধ সরলরৈখিক ক্ষেত্রের সীমারেখাকে চতুর্ভুজ বলে।
বিকল্প সংজ্ঞা: চারটি রেখাংশ দিয়ে আবদ্ধ চিত্রকে চতুর্ভুজ বলে।চিত্রে কখগঘ একটি চতুর্ভুজ।

❑ কর্ণঃ চতুর্ভুজের বিপরীত শীর্ষ বিন্দুগুলোর দিয়ে তৈরি রেখাংশকে কর্ণ বলে। চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি তার পরিসীমার চেয়ে কম।

❑  চতুর্ভুজের বৈশিষ্ট্যঃ চারটি বাহু, চারটি কোন, অন্তর্বর্তী চারটি কোনের সমষ্টি ৩৬০°।

❑ সামান্তরিক: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণগুলো সমান (কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়) , তাকে সামান্তরিক বলে।

❑ আয়ত: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়ত বলে।

❑ বর্গক্ষেত্র: বর্গক্ষেত্র বলতে ৪টি সমান বাহু বা ভূজ বিশিষ্ট বহুভূজ, তথা চতুর্ভূজকে বোঝায়, যার প্রত্যেকটি অন্তঃস্থ কোণ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রীর সমান।

❑ রম্বসঃ রম্বস এক ধরনের সামান্তরিক যার সবগুলি বাহু সমান কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়।

❑ ট্রাপিজিয়ামঃ যে চতুর্ভুজ এর দুইটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান।

❑ বহুভুজ
(কারনঃ সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ বক্র রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ সীমাবদ্ধ নয়)
যদি বহুভুজের সবগুলি বাহু ও কোণ সমান হয়, তবে সেটিকে সুষম বহুভুজ বলে।

বিপ্রতীপ কোণঃ কোন কোণের বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মি যে কোণ তৈরি করে, তা ঐ কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে ।

❑ গোলকঃ দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি তাদের সাধারণ প্রান্ত বিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে সরল কোণ বলে ।

❑ প্রবৃদ্ধকোণঃ দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে ।

❑ সমান্তরাল রেখাঃ একই সমতলে অবস্থিত দুটি সরল রেখা একে অপরকে ছেদ না করলে, তাদেরকে সমান্তরাল সরল রেখা বলে ।

❑ ছেদকঃ যে সরলরেখা দুই বা ততোধিক সরলরেখাকে ছেদ করে, তাকে ছেদক বলে ।

❑ অন্তঃকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখন্ডকগুলো সমবিন্দু ।ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের অন্তঃকেন্দ্র।

❑ পরিকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের বাহুত্রয়ের লম্বদ্বিখন্ডকত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের পরিকেন্দ্র।

❑ ভরকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণ একটি শীর্ষবিন্দু এবং তার বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে মধ্যমা বলে। ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় সমবিন্দু । ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র।

❑ লম্ববিন্দুঃ ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় হতে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্বত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের লম্ববিন্দু।

❑ সর্বসমঃ দুইটি ক্ষেত্র সর্বসম হবে যদি একটি ক্ষেত্র অন্যটির সাথে সর্বতোভাবে মিলে যায় । সর্বসম বলতে আকার ও আকৃতি সমান বুঝায় ।

❑ বর্গঃ আয়তক্ষেত্রের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান হলে তাকে বর্গ বলে ।

❑ স্পর্শকঃ একটি বৃত্ত ও একটি সরলরেখার যদি একটি ও কেবল ছেদবিন্দু থাকে তবে রেখাটিকে বৃত্তটির একটি স্পর্শক বলা হয় ।

❑ সাধারণ স্পর্শকঃ একটি সরলরেখার যদি দুইটি বৃত্তের স্পর্শক হয়, তবে বৃত্ত দুইটির একটি সাধারণ স্পর্শক বলা হয় ।

❑ আয়তিক ঘনবস্তুঃ তিন জোড়া সমান্তরাল আয়তাকার সমতল বা পৃষ্ট দ্বারা আবদ্ধ ঘনবস্তুকে আয়তিক ঘনবস্তু বলে ।

❑ ঘনকঃ আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান হলে, তাকে ঘনক বলে ।

❑ কোণকঃ কোন সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণ সংলগ্ন যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে ত্রিভুজটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক কোণক বলে ।

❑ সিলিন্ডার বা বেলুনঃএকটি আয়তক্ষেত্রের যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে আয়তক্ষেত্রটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক বেলুন বলে ।

❑বাহু :
❑ ত্রিভুজের বাহু = ৩টি,
❑ চতুর্ভুজের বাহু = ৪টি
❑ বৃত্তের বাহু = নাই,
❑ ঘনকের বাহু = ৮টি
❑ ঘনবস্তুর বাহু = ১২টি
❑ কিছু প্রাসঙ্গিক ইংরেজী শব্দ
Geometry-জ্যামিতি,
Point-বিন্দু্,
Line-রেখা,
Solid-ঘনবস্ত
Angle-কোণ,
Adjacent angle-সন্নিহিত কোণ,
Vertically opposite angles-বিপ্রতীপকোন,
Straight angles-সরলরেখা,
Right angle-সমকোণ,
Acute angle সূক্ষকোণ,
Obtuse angle- স্থুলকোণ ,
Reflex angle –প্রবিদ্ধ কোন,
Complementary angle-পূরক কোণ,
Supplementary angle-সম্পুরক কোণ,
Parallel line-সমান্তরাল রেখা,
Transversal-ছেদক,
Alternate angle-একান্তর কোণ,
Corresponding angle-অনুরূপ কোণ,
In-center – অন্ত-কেন্দ্র,
Circumcenter – পরিকেন্দ্র,
Centroid –ভরকেন্দ্র,
Orthocenter- লম্ববিন্দু,
Equilateral triangle-সমবাহু ত্রিভুজ,
Isosceles angle-সমদিবাহু ত্রিভুজ,
Scalene angle –বিষমবাহু ত্রিভুজ,
Right angled triangle- সমকোণী ত্রিভুজ,
Acute angled triangle-সূক্ষকোণী ত্রিভুজ,
Obtuse angled triangle-স্থুলকোণী ত্রিভুজ,
Congruent – সর্বসম,
Equiangular triangles-সদৃশকোণী ত্রিভুজ,
Quadrilateral- চতুভুজ,
Diagonal-কর্ণ,
Parallelogram- সামন্তরিক,
Rectangle-আয়তক্ষেত্র ,
Square-বর্গ, Rhombus-রম্বস,
Mensuration -পরিমিতি

18
Thanks for Good news.................

19
১) ‘স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখো। স্বপ্ন
সেটা যেটা তোমায় ঘুমোতে দেয় না।’

২) ‘সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে
তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।’

৩) ‘যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর, দেখো
তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কিন্তু
তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান কর, অমর্যাদা
কর, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট
করতে হবে।’

৪) ‘যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের
অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে
তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।’

৫) ‘প্রতিদিন সকালে এই পাঁচটা লাইন বলো :
– আমি সেরা।
– আমি করতে পারি।
– সৃষ্টিকর্তা সব সময় আমার সঙ্গে আছে।
– আমি জয়ী।
– আজ দিনটা আমার। ’

৬) ‘ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও উদ্ভাবনের সাহস
থাকতে হবে, অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস
আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয়
করে সফল হতে হবে। এ সকল মহানগুণের দ্বারা
তরুণদের চালিত হতে হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই
আমার বার্তা।’

৭) ‘জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে
মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র
তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।’

৮) ‘আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। পুরো
মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুত্বসুলভ। যারা স্বপ্ন
দেখে এবং কাজ করে শুধুমাত্র তাদেরকেই শ্রেষ্ঠটা
দেওয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই বিশ্ব।’
৯) ‘উৎকর্ষতা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটি
কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।’

১০) ‘যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর
মনের মানুষের জাতি হতে হয়, তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে
বিশ্বাস করি এ ক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য
পার্থক্য এনে দিতে পারে। তারা হলেন বাবা, মা
এবং শিক্ষক।’

১১) ‘সমস্যাকে কখনো এড়িয়ে যেতে চাইবে না।
বরং সমস্যা এলে তার মুখোমুখি
দাঁড়াবে। মনে রাখবে, সমস্যাবিহীন সাফল্যে
কোনো আনন্দ নেই। সব সমস্যার সমাধান আছে।

১২) ‘জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়ের প্রতি আমি আলোকপাত
করি। সেগুলো হলো: জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ,
জ্ঞান আহরণ, অনেক বড় সমস্যায়
পড়লেও লক্ষ্য থেকে সরে না আসা এবং কোনো
কাজে সাফল্য ও ব্যর্থতা দুটোকেই নেতৃত্বগুণে
সামাল দিতে পারা।’

১৩) ‘এখন থেকে সবকিছুতে দেশের কথা মাথায়
রাখবে। কোনো স্বপ্ন দেখলে নিজের
সঙ্গে দেশকে নিয়েও দেখবে, কোনো চিন্তা করলে
দেশকে নিয়ে করবে আর কোনো কাজে মগ্ন হলে
দেশের জন্য করবে।’

১৪) ‘সমস্যাকে কখনো আমার ওপর চেপে বসতে দেব
না। যত কঠিন সময়ই আসুক না কেন, কখনোই হাল
ছেড়ে দেব না।’

১৫) ‘হতাশ না হয়ে নিজেকে স্বপ্নপূরণের কতটা
কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারছ, সেদিকে
নজর রাখবে। কখনোই সাহস হারাবে না। নিজের
একটি দিনও যাতে বৃথা মনে না হয়,
সে চেষ্টা করো।’
""""""""""""""""""""""""""""সংগ্রহে -কবিতা,,,,,,,,,,,,,

21
চাকরি ছেড়ে দেয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। একটা চাকরিতে ঢুকে আজীবন সেই চাকরি করে যাওয়া বর্তমানে খুবই বিরল। মানুষের জীবন বৈচিত্রে ভরা এবং প্রচুর সুযোগ অপেক্ষা করছে মানুষের জন্য। একটি চাকরিতে যোগদানের পর সেটি তার জন্য আদর্শ চাকরি মনে হলেও অনেক সময়ই তাকে সেটি ছেড়ে দেয়ার চিন্তা করতে হয়। এটি শুধুমাত্র টাকা বা অবস্থানের জন্যই নয়। দক্ষ কর্মী হওয়া সত্ত্বেও একজন মানুষ কেন তার পছন্দের চাকরি ছেড়ে দেয় তার কয়েকটি কারণ জেনে নিই চলুন। 

১। অসম্মানিত এবং তুচ্ছ বলে পরিগণিত হওয়া

যখন প্রতিষ্ঠানের কর্মীকে একটি সংখ্যা মনে করা হয় এবং তার সাথে অমানবিক আচরণ করা হয় তখনই তার এই কাজের প্রতি বিরক্তি চলে আসে। কখনো কখনো নিয়োগকর্তারা প্রতিষ্ঠানের লাভ ও উৎপাদন বৃদ্ধি নিয়েই শুধু চিন্তা করেন। একটি প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য এটি অবশ্যই প্রয়োজনীয় কিন্তু কর্মীদের সাথে দুর্ব্যবহার করলেও তা অর্জন করা অসম্ভব। কর্মীরা যেহেতু মানুষ তাই তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য মর্যাদা ও প্রেরণা দেয়া প্রয়োজন। এরকম করা সম্ভব হলেই কাজের মানের বৃদ্ধি হয় এবং বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ লাভবান হতে পারেন। 

২। দক্ষতা অর্জনের ব্যবস্থা না করা

সব মানুষই চায় তার ক্যারিয়ারের উন্নতি হোক। কর্মীরা চায় ট্রেনিং এর মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে। তারা যে প্রতিষ্ঠানের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে সেই প্রতিষ্ঠানটির এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে তাদেরও অগ্রগতি হোক এটাই তারা আসা করে। চাকরি ক্ষেত্রে অগ্রগতির সম্ভাবনা না থাকলে কর্মী সেই প্রতিষ্ঠানে থাকতে চায়না বরং আরও ভালো সুযোগের সম্ভাবনা আছে যেখানে সেখানে চলে যায়। আদর্শ ব্যবস্থাপকেরা প্রত্যেক কর্মীর বিশেষ গুণকে তুলে আনেন। এজন্য ইতিবাচক কৌশল গ্রহণে উদ্যোগী হন। যে বস বা প্রতিষ্ঠান এই উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হন তাদের প্রতি আগ্রহ হারান কর্মীরা।   

৩। অসমতা

বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয় যেখানে সেখানে কর্মীরা বেশিদিন থাকতে চান না। এমনকি বছর না ঘুরতেই তারা সেটি ছেড়ে চলে যান। সময় পরিবর্তিত হয়েছে। তাই কর্মক্ষেত্রে অসমতা থাকলে এখন কর্মীদের ধরে রাখাটা কঠিন। অপেক্ষাকৃত কম যোগ্য সহকর্মীর পদোন্নতিতে যোগ্য ব্যক্তি হতাশ হন এবং এই চাকরি ছেড়ে দেয়ার মনোভাব পোষণ করেন। 

৪। অতিরিক্ত কাজ করিয়ে নেয়া

আন্তরিক ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কর্মীরা নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। কিন্তু বস বা প্রতিষ্ঠান তাদের দিয়ে ক্রমাগত অতিরিক্ত খাটুনি খাটিয়ে নিলে বিষিয়ে উঠে কর্মীর মন। এতে তাদের উৎপাদনশীলতা ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং কর্মী এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিমুখ হয়ে উঠে।

৫। মূল্যায়ন না করা

সবাই প্রশংসা শুনতে ভালোবাসে। তাই কর্মীদের কাজের মানের উন্নতিতে তাদের যোগ্য প্রশংসা করা উচিৎ। যারা নিজের মেধা ও শ্রম দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাদের যথাযথ প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়া বস ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। আর তা না হলে সেরা কর্মীরা চলে যেতে বাধ্য হন।   

যারা কর্মক্ষেত্রে অসুখি থাকে তারা নৈরাশ্যবাদী ও রুঢ় আচরণ করে এবং কাজ এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন বাহানার কথা বলে। আস্তে আস্তে সে এই কাজ থেকে বাহির হয়ে যেতে চায়। কাজের পরিবেশ নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও উপভোগ্য হতে হবে। অভিজ্ঞ স্টাফ যখন প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যায় তখন তা প্রতিষ্ঠানেরই ক্ষতির কারণ হয়।

22
Thanks for shearing.....................
 

23
Thanks for sharing

24
কাপড়ের দাগ খুবই যন্ত্রণাদায়ক সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে পছন্দের কাপড়ে দাগ লাগলে খুবই বিরক্ত লাগে এবং মনও খারাপ হয়ে যায়। কারণ এমন অনেক দাগ রয়েছে যা সহজে তোলা যায় না। কিছু কিছু দাগ তো একেবারেই তোলা সম্ভব হয় না। কাপড়টিই বাতিল করে দিতে হয় অনেক সময়। দুশ্চিন্তা করবেন না। আজ থেকে আর কাপড় বাতিল করতে হবে না। এর চাইতে শিখে নিন কাপড় থেকে নানা ধরণের দাগ তোলার খুবই সহজ কার্যকরী কৌশলগুলো।

১) তেলের দাগ তোলার পদ্ধতি

কাপড়ে তেল পড়ার সাথে সাথে একটি টিস্যু পেপার চেপে ধরে কাপড় থেকে তেল শুষে নিন ভালো করে। এরপর কাপড়টি পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে এতে অল্প পানি ও ডিটারজেন্ট দিয়ে ডিটারজেন্টের পেস্ট তৈরি করে লাগিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট। এরপর গরম পানিতে ভালো করে কাপড় ধুয়ে নিন তেলের দাগ উঠে যাবে। এই পদ্ধতিতে গ্রিজের দাগও তুলে ফেলতে পারবেন সহজেই।

২) কালির দাগ তোলার পদ্ধতি

কাপড়ে কালির দাগ লেগে গেলে কর্ণফ্লাওয়ারের সাথে কিছুটা দুধ মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। এই পেস্ট দাগের উপরে লাগিয়ে কয়েকঘণ্টা রেখে শুকিয়ে যেতে দিন। তারপর একটি ব্রাশ দিয়ে আলতো করে ঘষে তুলে নিন। দাগ থাকবে না একেবারেই।

৩) চা, কফি, সফট ড্রিংকস ও জুস ধরণের জিনিসের দাগ তোলার পদ্ধতি

এই ধরণের দাগ খুবই জেদী হয়ে থাকে, সহজে উঠতে চায় না। এই ধরণের দাগ লাগলে কাপড়টি ১০ মিনিট পানিতে ভালো করে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর কাপড় ধোয়ার সাবান বা লিক্যুইড ডিটারজেন্ট বা ডিজারজেন্টের পেস্ট তৈরি করুন পানির সাহায্যে। এরপর এই পেস্টটি কাপড়ের দাগের উপর লাগিয়ে রাখুন। হালকা শুকিয়ে উঠলে কাপড়টি গরম পানিতে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দাগ উঠে যাবে।

৪) ঘামের দাগ তোলার পদ্ধতি

কাপড়ে ঘামের দাগ আরেকটি বিরক্তিকর যন্ত্রণার বিষয়। এই দাগ তুলতে ১/৪ মগ পানিতে ৪ টেবিল চামচ বেকিং সোডা দিয়ে মিশ্রন তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি কাপড়ের ঘামের দাগের অংশে ভালো করে লাগিয়ে নিন এবং একটি পুরোনো টুথব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন। ১ ঘণ্টা এভাবেই কাপড়টি রেখে মিশ্রণটি বসে যেতে দিন কাপড়ে। এরপর স্বাভাবিকভাবে কাপড় ধুয়ে ফেলুন। শুকিয়ে গেলে ঘামের দাগ দেখতে পাবেন না পছন্দের কাপড়ে।

৫) চকলেটের দাগ তোলার পদ্ধতি

চকলেট কার না পছন্দ। কিন্তু চকলেটের দাগ কাপড়ে লাগা কারোরই পছন্দ নয়। অসাবধানতাবশত যদি দাগ লেগেই যায় তাহলে এই সমস্যা সমাধানে প্রথমেই যতোটা সম্ভব চকলেট দ্রুত তুলে ফেলার চেষ্টা করুন। এরপর ডিটারজেন্ট মেশানো গরম পানিতে কাপড়টি ভিজিয়ে রাখুন। যদি এরপরও বাদামী দাগ থেকে যায় কাপড়ে তাহলে পানিতে সামান্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার মিশিয়ে আরও খানিকক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। এরপর গরম পানি দিয়েই কাপড় ধুয়ে নিন।

৬) মেহেদীর দাগ তোলার পদ্ধতি

শখ করে মেহেদী লাগাতে গিয়ে কাপড়ে দাগ লেগে গেলে মন খারাপ করবেন না। পানি ও বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে দাগের উপরে দিন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। এতেও মেহেদীর দাগ অনেকটাই চলে যাবে।

৭) মেকআপের দাগ তোলার পদ্ধতি

নারীরা মেকআপ করে গিয়ে একটু আধটু দাগ কাপড়ে লাগিয়েই ফেলতে পারেন। মেকআপের দাগ যদি কাপড় থেকে তুলতে সামান্য পানিতে ডিটারজেন্ট মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে দাগের উপরে লাগিয়ে রাখুন। এরপর শুকিয়ে উঠলে আলতো করে ঘষে তুলে ফেলুন। দাগ থাকবে না।

25
শুধুমাত্র তারিখ জেনেই বলে দিতে পারবেন ঐদিন কী বার ছিল? অথবা আগামীতে ঐদিন কিবার হবে? খুব সহজ একটি পদ্ধতি জেনে নিন। আর বন্ধুদের চমকে দিন। বাজি ধরে বলুন এটা আপনি বলতে পারেন। ১০০% গারান্টি।.বাজিতে জিতবেনই! সাধারণত আমরা মাসের তারিখ মনে রাখতে পারলেও কোন্ তারিখ কিবার তা সহজে বলতে পারিনা। বিশেষ কারণ ছাড়া এটি বলে দেয়া অনেক কঠিন। কেউ জিজ্ঞেস করলে নিশ্চিত আপনাকে কম্পিউটারের সরণাপন্ন হতে হবে।
কিন্তু হাতের কাছে কম্পিউটার না থাকলে কি করবেন? কষ্ট করে তারিখ গুনে গুনে কতক্ষণে বের করবেন? খুব সহজ একটা নিয়ম জানা থাকলে আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বলে দিতে পারি যে কোন মাসের যে কোন নির্দিষ্ট তারিখ কি বার ছিল অথবা হবে।.নিম্নের পদ্ধতিটি অনুসরণ করে প্রাকটিস করতে থাকুন। খুব সহজ এবং সঠিক। 
এজন্য প্রথমে আমাদের বার মাসের.সংখ্যা মানগুলো মনে রাথতে হবে।
এবার প্রত্যেক মাসের তারিখের সাথে সে মাসের সংখ্যামান যোগ করে যোগ ফলকে ৭ দ্বারা ভাগ করলে যদি ভাগ শেষ ০ (শুন্য) হয় তাহলে সে.তারিখ হবে বৃহস্পতিবার। উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক →কেউ আপনাকে বলল জুলাই মাসের ১৪ তারিখ কী বার ছিল? তখন আপনি জুলাই মাসের সংখ্যামানের সাথে ১৪ যোগ করে অর্থ্যাৎ ৩+১৪= ১৭ এই ১৭ কে ৭ দ্বারা ভাগ করে ভাগশেষ যা হবে সেই ভাগশেষের মানই হবে উক্ত বার।
সুতরাং আমরা জানতে পারলাম, ভাগশেষ ৩ থাকলে হয় রবিবার। সুতরাং জুলাই মাসের ১৪ তারিখ হবে রবিবার।

26
ক্যারিয়ার কিংবা ব্যক্তিগত নানা জটিলতায় এখন জীবনযাপন আগের তুলনায় অনেক জটিল। আর এ জটিলতায় প্রতিদিনই আমরা ভুলে যাই নিজের সত্যিকার সত্ত্বাকে। কিন্তু নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক কিছু কথা প্রতিদিন স্মরণ করে নিলে জীবনযাপনে আসতে পারে ইতিবাচক পরিবর্তন। এ লেখায় দেওয়া হলো তেমন কয়েকটি কথা।
১. আমি দয়ালু হব
আপনার সব সময় যে সবার চেয়ে স্মার্ট হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। তার বদলে যখনই সম্ভব হবে দয়ালু হতে হবে। আপনি যখন অন্যদের প্রতি দয়ালু হয়ে উঠবেন তখন অন্যরাও আপনার প্রতি বহুগুণ দয়ালু হয়ে উঠবে।
২. কখনোই অতিরিক্ত ব্যস্ত হব না
সফল ব্যক্তিরা কখনোই অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকেন না। তারা সর্বদা নিজের কাজকে গুছিয়ে রাখেন এবং নিজের সহকর্মী, বন্ধু ও পরিবারকে যথাযথভাবে সময় দেন।
৩. যা বলতে চাই তা পরিষ্কার করে বলব
অনেকেই মনে যে কথা থাকে বাস্তবে তা প্রকাশ করেন না। এ কারণে বহু মানুষের সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগে সমস্যা হয় এবং সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয়। কিন্তু আমরা যদি যা বলতে চাই তা পরিষ্কার করে বলি তাহলে এ জটিলতা এড়ানো যায়।
৪. আমি অদম্য ও ধৈর্যশীল
সাফল্যের জন্য দীর্ঘদিন কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। এক্ষেত্রে ধৈর্য ধরে দীর্ঘদিন চেষ্টা করে যেতে হয়। এক্ষেত্রে দমে গেলে কখনোই সাফল্য পাওয়া যায় না।
৫. আমি সব সময় শিক্ষার্থী
জীবনের সব পর্যায়েই শিক্ষার গুরুত্ব রয়েছে। তাই আপনি যে পর্যায়েই থাকুন না কেন, সব সময় শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী থাকতে হবে।
৬. অন্যের ওপর খবরদারি করব না
আপনি যদি অন্যকে পরামর্শ দিতে গিয়ে বাড়াবাড়ি করে ফেলেন তাহলে সংযত হোন। আপনার বন্ধুত্বপূর্ণ পরামর্শ যদি খবরদারিতে পরিণত হয় তাহলে তা ত্যাগ করুন।
৭. অন্যের সমালোচনা করব না
সমালোচনা যদি প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে তাহলে ভিন্ন কথা। কিন্তু অপ্রয়োজনে সমালোচনা করলে তা অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করে।
৮. আমি ভুলকে সাদরে গ্রহণ করব
জীবনে চলার পথে ভুল হতেই পারে। কিন্তু এ ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে তারপর সামনে এগিয়ে যাওয়া জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
৯. যে প্রতিশ্রুতি রাখতে পারব না, তা করব না
প্রতিশ্রুতি দেওয়ার চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। আমরা অনেকেই এমন সব প্রতিশ্রুতি করি, যা পরবর্তীতে রক্ষা করতে পারি না। এ ধরনের প্রতিশ্রুতি অন্যের বিশ্বাস নষ্ট করে। তাই যে প্রতিশ্রুতি রাখতে পারব না তা কখনোই দেব না।
১০. আমার চরিত্রই আমাকে প্রকাশ করবে
প্রত্যেকেরই নিজের চরিত্র রক্ষা করা অত্যন্ত কঠিন। আপনি যদি নিজের চরিত্র ঠিক রাখেন তাহলে অন্যরাই আপনার গুণগান গাইবে এবং আপনার বিষয়ে তথ্য জানাবে। তাই চরিত্র ঠিক রাখার বিষয়টি প্রতিনিয়ত মনে রাখা উচিত।

27
Teaching & Research Forum / Re: Google Classroom
« on: May 24, 2016, 02:26:51 PM »
Nice post .............................thanks sir.

28
Stroke / Re: Chinese method to cure stroke
« on: May 24, 2016, 02:17:03 PM »
Nice post .........................

29
স্কলারশিপ অনেকের কাছেই সোনার হরিণ এর মত। যদিও কিছু ধাপ এবং প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র থাকলেই  স্কলারশিপ পাওয়া খুব একটা কঠিন নয়। তাই সবাই কে মন যোগ সহকারে পড়ার জন্য আহবান করছি।

Minimum Requirements to get scholarship
1. Master of Science with CGPA minimum 3.50 out 4.00 ( Sometimes 3.0 CGPA is acceptable)
2. Bachelor of Science in Agriculture/Fisheries/Veterinary/Food/Engineering/BBA/Arts with minimum CGPA 3.5 out of 4:00( Sometimes 3.0 CGPA is acceptable)
3. Published paper in peer reviewed journal with impact factor or without impact factor. Paper should be published from Honours or MS thesis.
4. IELTS score 6.50 (Individual band score not less than 6.00).
If you have above criteria, then you can apply for any kind of scholarship for MS/PhD study.
Following steps should be followed-
1. Select your preferred country for higher study.
2. Search google writing university of UK (For Example).
3. Click the website of respective university.12. Find interested faculty/department/subject.
4. Find personal profile/CV of professor/faculty member/ staff.
5. Check your interested research area/field from the profile/cv of professor/faculty member. Collect e-mail of Professor/faculty member/staff and
6. Write e-mail to them mentioning your introduction and interest. Please do not forget to send your CV with attached file.

স্কলারশিপ পেতে কিভাবে প্রফেসর কে লিখতে হবে:

এখন আলোচনা করব যে কিভাবে প্রফেসর কে ই-মেইল করতে হবে। এই ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খুব খেয়াল করতে হবে। তা না হলে প্রফেসর ই-মেইল এর উত্তর দিবে না। এরকম অনেকেই বলে থাকে যে , অনেক প্রফেসর কে লিখে কিন্তু প্রোফেসর উত্তর দেয় না। সেই জন্য , প্রথমে প্রফেসর এর বায়োডাটা ভাল করে দেখতে হবে বিশেষ করে তার গবেষণার বিষয় বস্তু। যদি দেখা যায় প্রফেসর Plant Disease নিয়ে কাজ করে, অথবা, Cold, salt, drought stress নিয়ে গবেষণা করে তাহলে প্রফেসর কে specific area উল্লেখ করে লিখতে হবে। এখন ই-মেইল এর ভাষা কেমন হবে? বা কি কি লিখতে হবে? সেই ক্ষেত্রে অনেকেই অনেক ভাবে প্রফেসর কে approach করার চেষ্টা করে থাকে। এখানে খুব সাধারন ভাষায় একটা উদাহরণ সরূপ দেওয়া হল।

To: bmb@yahoo.com
Subject: Humble request for MS/PhD position in your lab

Dear Professo X
I’m serving as Lecturer in the Department of Biochemistry and Molecular Biology of Hajee Mohammad Danesh Science and Technology University, Dinajpur, Bangladesh . I have completed Bachelor of Science in Agriculture (Hons) in 2007 and Master of Science in Biochemistry in 2009 from Bangladesh Agricultural University, Bangladesh. After completing mygraduation, I have been appointed as a Lecturer in the Department of Biochemistry and Molecular Biology at Hajee Mohammad Danesh Science and Technology University , Bangladesh since 16 May, 2010 till to date. Now, I would like to do PhD under your supervision entitled “Molecular Mechanisms of Plant Disease Suppression by Plant Growth Promoting Mycorrhiza”. Could you please give me such type of opportunity to do PhD in your well-developed lab? If you have any space for MS/PhD, I would like to request you to provide me necessary information in this regard. I sent u my complete CV as attached file for your kind consideration.

I am sorry for any kind of inconvenience.

With best regards

Y
HSTU
Bangladesh

এই ভাবে প্রতিদিন অন্ততঃ ৫ জন প্রফেসর কে লিখতে হবে…… এর মধ্যে থেকে কিছু প্রফেসর উত্তর দিবে।

যদি প্রফেসর ই-মেইল এর উত্তর দেয় তাহলে কি করতে হবে সে বিষয় নিয়ে এখন বলব। অনেক প্রফেসর আছে উত্তর দিবে, কিন্তু বলবে যে তার ফান্ড নাই বা ল্যাব এ স্পেস নাই। সেই ক্ষেত্রে হতাশ হওয়া যাবে না। তবে, প্রফেসরকে খুব পোলাইটলি ধন্যবাদ দিয়ে উত্তর দিতে হবে। আবার কিছু প্রফেসর আছে, তারা পজিটিভলি উত্তর দিবে এবং বলবে যে এক টা রিসার্চ প্রপোজাল পাঠাতে। তখন এমন একটা রিসার্চ প্রপোজাল লিখতে হবে যেন, প্রফেসর এর রিসার্চ এর সাথে মিলে যায়। এই ক্ষেত্রে পরের ই-মেইল এ ফান্ডিং বা application process সম্পর্কে প্রফেসর হয়তো জানাবে। একটা জিনিস মনে রাখতে হবে যে, প্রফেসর যদি ম্যানেজ হয়, তাহলে ৫০% স্কলারশিপ পাওয়ার কাজ হয়ে গেল। তাই প্রফেসর যদি আপনার প্রতি আগ্রহ দেখায়, তাহলে পরের ই-মেইল গুলোতে আপনি সব কিছু জানতে পারবেন।

যাদের জিপিএ ৩.৫ এর কম, তাদেরকেও উক্ত নিয়ম গুলো ফলো করে কাজ করতে হবে। এই জন্য তাদের কে IELTS পেতে হবে ৬.৫ বা তার চাইতে বেশি। যারা শুধু মাত্র Honours করেই বিদেশে MS করতে চায়, তাদের জন্য Full Scholarship পাওয়া একটু কষ্টকর হবে। হয়তো ৫০% scholarship পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু সেই জন্য নিজের খরচে পড়তে হবে। এতে খুব কষ্টকরহবে। তাই, সবচেয়ে ভাল হয়, বাংলাদেশে মাস্টার্স করে, তারপর বিদেশে যাওয়া। কারন হল, scholarship পেতে হলে scientific paper/research paper/publication থাকতে হবে। যাহা মাস্টার্স এর থেসিস থেকে paper publish করা যাবে। কিন্তু যারা Undergraduate এ thesis/ project work করে, তারা সেখান থেকে paper publish করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্টুডেন্ট দের জন্য খুব সুবিধা। তারা honours করেই বিদেশে মাস্টার্স করতে পারে।

——————————————-
Md. Abu Sayed
B.Sc.Ag(Hons) and MS, BAU, Mymensingh
Visiting fellow, Nottingham University, UK
PhD fellow (Monbusho), Iwate University, Japan
&
Assistant Professor
Department of Biochemistry and Molecular Biology
HSTU, Dinajpur, Bangladesh
E-mail: sayed_bmb@yahoo.com

30
মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের পুনঃনিরীক্ষণের তারিখ আগামী ১২ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত রয়েছে। শুধুমাত্র টেলিটক মোবাইল থেকে আবেদন করে পুনঃনিরীক্ষণের ফল পাওয়া যাবে।

পুনঃনিরীক্ষণের জন্য RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। প্রতি বিষয় এবং প্রতিটি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা ফি কাটা হবে।

ফিরতি এসএমএসে আবেদন বাবদ কত টাকা কাটা হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর দেওয়া হবে। এরপর আবেদন করতে ইচ্ছুক হলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

যেসব বিষয়ে দুটি পত্র (যেমন- বাংলা, ইংরেজি) রয়েছে সেসব বিষয়ে একটি বিষয় কোডের বিপরীতে দুটি পত্রের জন্য আবেদন হিসেবে গণ্য হবে এবং ফি হিসাবে ২৫০ টাকা কাটা হবে।

একই এসএমএসের মাধ্যমে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে। সেক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে কমা (,) দিয়ে লিখতে হবে।

আবেদন গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট নম্বরে জানিয়ে দেবে।

Pages: 1 [2] 3 4 ... 6