Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Sharminte

Pages: 1 2 3 [4]
46
Inspiration / our father and the spirit
« on: July 25, 2018, 12:42:41 PM »
I never told my children what my job was. I never wanted them to feel ashamed because of me. When my youngest daughter asked me what I did, I used to tell her hesitantly that I was a labourer. Before I went back home every day, I used to take a bath in the public toilets so they did not get any hint of the work I was doing. I wanted to send my daughters to school, to educate them. I wanted them to stand in front of people with dignity. I never wanted anyone to look down upon them like the way everyone did to me. People always humiliated me. I invested every penny of my earnings for my daughters’ education. I never bought a new shirt, instead I used the money for buying books for them. Respect is all I wanted them to earn for me. I was a cleaner. The day before the last date of my daughter’s college admission, I could not manage to get her admission fees. I could not work that day. I was sitting beside the rubbish, trying hard to hide my tears. All my co-workers were looking at me but no one came to speak to me. I had failed and felt heartbroken. I had no idea how to face my daughter who would ask me about the admission fees once I got back home. I was born poor. I believed nothing good can happen to a poor person. After work all the cleaners came to me, sat beside me and asked if I considered them as brothers. Before I could answer, they each handed me their one day's income. When I tried to refuse everyone; they confronted me by saying, ‘We will starve today if needed, but our daughter has to go to college.’ I couldn't reply to them. That day I did not take a shower; I went back to my house like a cleaner. My oldest daughter is going to finish her University very soon. Three of them do not let me go to work anymore. My oldest girl has a part time job and the other three of them do tuition. Oftentimes, my oldest daughter takes me to my working place. She feeds all my co-workers along with me. They laugh and ask her why she feeds them so often. My daughter told them, ‘All of you starved for me that day so I can become what I am today, pray for me that I can feed you all, every day.' Nowadays I don't feel like I am a poor man. Whoever has such children, how can he be poor? – Idris"

47
Inspiration / self motivation
« on: September 13, 2017, 03:52:02 PM »
You said you want to be great….
But your actions don’t say great.
Your actions say mediocre,
Your actions are second rate.

So you really want to know what it takes?
What it takes to be great…

It takes COURAGE
.
COURAGE to stand tall and fight for your dreams.
The COURAGE to say YES!
 When everyone says NO.
 YES to your dream. YES to the late nights.
 YES to the early mornings. YES to the challenge.
 YES to the FIGHT!

I’ve got the courage
I’ve got the HEART
ANYTHING GETS IN THE WAY OF MY GOAL:
I WILL TEAR IT APART!

IT TAKES WORK!
HARD WORK!
REAL. HARD. WORK!

I AM READY TO GRIND
I AM READY TO WORK
WORK HARDER THAN THE REST. 
READY TO BECOME THE BEST!

It takes FOCUS.
To lock in on your dream…
When no one else follows theirs.
To focus on the end result. 
That one big target you have. Clear focus.
To know exactly what you want in life,
 and never waiver from that wanting, 

No setbacks, obstacles, NOTHING will break your focus.

I AM FOCUSED ON MY GOAL
I HAVE MY TARGET
THE PAST IS GONE
READY FOR THE FUTURE
GOT MY BLINKERS ON

It takes CONSISTENCY.
Because you’ll never be GREAT if you only work when you feel like it!
If you only give 100% when you feel 100%…
You will NEVER reach your potential.
YOU MUST GIVE YOUR ALL, EVERY.SINGLE.TIME! 
DAY IN, DAY OUT!
 100%
 ALL YOU GOT!

IT TAKES HIGHER STANDARDS.
Because you will never be GREAT if you are OK with AVERAGE.
 You must demand more from your life than ANYONE AROUND you would even consider.
HIGHER WORK ETHIC!
 HIGHER STANDARDS!
 MORE SELF EDUCATION! 
MORE TRAINING!

Everything it takes to be great, you gotta live that.

It takes an OBSESSION!
Obsessed with reaching your GOAL
.
Obsessed with self education. Self Growth.
 Obsessed with improving every single day.
 Obsessed with becoming the greatest version of yourself.

 It’s a heathy obsession.
 One that pushes you out of your comfort zone, pushes you beyond what others thought was possible for your life.

It takes the ability to ignore opinions.
 Everyone has an opinion. And it’s always those who lack skill that seem to have a louder one than those with talent.

 The only voice you need to listen to is your own!
 YOUR INTUITION.

It takes a FIGHTING SPIRIT
. To fight like a warrior. When your down,
when no-one thinks you can. THAT’S WHEN YOU MUST!
 SHOW YOUR HEART!
SHOW YOUR COURAGE!
 SHOW YOUR FIGHTING SPIRIT!

It takes DEDICATION!
The dedication to work on your dream, even when things aren’t going your way.
Dedication to take responsibility and work on your weaknesses.
 TO MAKE THEM YOUR STRENGTH!
The dedication to put all the insignificant things in your life to the background while you work tirelessly on your one big goal, your one big dream.!

So that’s all…
That’s all it takes to be great. 
No big deal.
Just a million things. 
Just a lifetime commitment…

Have you got what it takes?

(collected)

48
Departments / বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোম
« on: September 13, 2017, 03:25:18 PM »
বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোম একটা জনপ্রিয় মেটাফোর। একটা ব্যাঙ কে যদি আপনি একটি পানি ভর্তি পাত্রে রাখেন এবং পাত্রটিকে উত্তপ্ত করতে থাকেন তবে ব্যাঙটি পানির তাপমাত্রার সাথে সাথে নিজের শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্যে রাখতে থাকে। সে পানির উত্তাপ সহ্য করতে থাকে, লাফ দিয়ে বেরোনোর পরিবর্তে।
কিন্তু একসময় পানির প্রচন্ড তাপমাত্রা ব্যাঙের শরীর আর মানিয়ে নিতে পারে না। যখন সে আর পানির প্রচন্ড তাপমাত্রা তার শরীরের তাপমাত্রার সমতায় আসতে পারে না, তখন ব্যাঙটি ফুটন্ত পানির পাত্র থেকে লাফ দেয়ার স্বীদ্ধান্ত নেয়।
কিন্তু হায়! সে লাফ দিতে পারে না তখন, কারন সে তার সমস্ত শক্তি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে ব্যায় করে ফেলেছে। অত:পর সে পানিতে সেদ্ধ হতে থাকে।
তার মৃত্যুর কারনটা আসলে গরম পানি না, বিপদজনক পরিস্থিতির শুরুতে সেই পরিস্থিতি অস্বীকার করে লাফ না দেয়াটা তার মৃত্যুর কারন। সব কিছু সহ্য করে নেবার মত বড় ভুল তার মৃত্যুর কারন। মানিয়ে নেবার, পাত্রের পানি গরম কেন তার প্রতিবাদ না করে বরং তার সাথে সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয়াই তার জীবন্ত সেদ্ধ হবার কারন। সঠিক স্বীদ্ধান্ত সঠিক সময়ে না নেয়াই তার মৃত্যুর কারন।
হটাৎ করে সেই সেদ্ধ হওয়া ব্যাঙের কথা মনে পড়লো। খুব সম্ভবত আমরাও ঐ ব্যাঙের মত মানিয়ে নিচ্ছি আমাদের চারপাশের সাথে। সহ্য করছি সব, আর ভাবছি টিকে আছি, টিকে থাকবো। আসলে আমরা সেই বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোমে আক্রান্ত। যখন বুঝবো, তখন ডিসিশান মেকিং এর কোন শক্তিই আর শরীরে অবশিষ্ট থাকবে না।

(সংগৃহীত)

49
Inspiration / বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোমে
« on: September 13, 2017, 03:24:22 PM »
বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোম একটা জনপ্রিয় মেটাফোর। একটা ব্যাঙ কে যদি আপনি একটি পানি ভর্তি পাত্রে রাখেন এবং পাত্রটিকে উত্তপ্ত করতে থাকেন তবে ব্যাঙটি পানির তাপমাত্রার সাথে সাথে নিজের শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্যে রাখতে থাকে। সে পানির উত্তাপ সহ্য করতে থাকে, লাফ দিয়ে বেরোনোর পরিবর্তে।
কিন্তু একসময় পানির প্রচন্ড তাপমাত্রা ব্যাঙের শরীর আর মানিয়ে নিতে পারে না। যখন সে আর পানির প্রচন্ড তাপমাত্রা তার শরীরের তাপমাত্রার সমতায় আসতে পারে না, তখন ব্যাঙটি ফুটন্ত পানির পাত্র থেকে লাফ দেয়ার স্বীদ্ধান্ত নেয়।
কিন্তু হায়! সে লাফ দিতে পারে না তখন, কারন সে তার সমস্ত শক্তি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে ব্যায় করে ফেলেছে। অত:পর সে পানিতে সেদ্ধ হতে থাকে।
তার মৃত্যুর কারনটা আসলে গরম পানি না, বিপদজনক পরিস্থিতির শুরুতে সেই পরিস্থিতি অস্বীকার করে লাফ না দেয়াটা তার মৃত্যুর কারন। সব কিছু সহ্য করে নেবার মত বড় ভুল তার মৃত্যুর কারন। মানিয়ে নেবার, পাত্রের পানি গরম কেন তার প্রতিবাদ না করে বরং তার সাথে সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয়াই তার জীবন্ত সেদ্ধ হবার কারন। সঠিক স্বীদ্ধান্ত সঠিক সময়ে না নেয়াই তার মৃত্যুর কারন।
হটাৎ করে সেই সেদ্ধ হওয়া ব্যাঙের কথা মনে পড়লো। খুব সম্ভবত আমরাও ঐ ব্যাঙের মত মানিয়ে নিচ্ছি আমাদের চারপাশের সাথে। সহ্য করছি সব, আর ভাবছি টিকে আছি, টিকে থাকবো। আসলে আমরা সেই বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোমে আক্রান্ত। যখন বুঝবো, তখন ডিসিশান মেকিং এর কোন শক্তিই আর শরীরে অবশিষ্ট থাকবে না।

(সংগৃহীত)

50
Textile Engineering / বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোম
« on: September 13, 2017, 03:22:07 PM »
'বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোম একটা জনপ্রিয় মেটাফোর। একটা ব্যাঙ কে যদি আপনি একটি পানি ভর্তি পাত্রে রাখেন এবং পাত্রটিকে উত্তপ্ত করতে থাকেন তবে ব্যাঙটি পানির তাপমাত্রার সাথে সাথে নিজের শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্যে রাখতে থাকে। সে পানির উত্তাপ সহ্য করতে থাকে, লাফ দিয়ে বেরোনোর পরিবর্তে।
কিন্তু একসময় পানির প্রচন্ড তাপমাত্রা ব্যাঙের শরীর আর মানিয়ে নিতে পারে না। যখন সে আর পানির প্রচন্ড তাপমাত্রা তার শরীরের তাপমাত্রার সমতায় আসতে পারে না, তখন ব্যাঙটি ফুটন্ত পানির পাত্র থেকে লাফ দেয়ার স্বীদ্ধান্ত নেয়।
কিন্তু হায়! সে লাফ দিতে পারে না তখন, কারন সে তার সমস্ত শক্তি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে ব্যায় করে ফেলেছে। অত:পর সে পানিতে সেদ্ধ হতে থাকে।
তার মৃত্যুর কারনটা আসলে গরম পানি না, বিপদজনক পরিস্থিতির শুরুতে সেই পরিস্থিতি অস্বীকার করে লাফ না দেয়াটা তার মৃত্যুর কারন। সব কিছু সহ্য করে নেবার মত বড় ভুল তার মৃত্যুর কারন। মানিয়ে নেবার, পাত্রের পানি গরম কেন তার প্রতিবাদ না করে বরং তার সাথে সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয়াই তার জীবন্ত সেদ্ধ হবার কারন। সঠিক স্বীদ্ধান্ত সঠিক সময়ে না নেয়াই তার মৃত্যুর কারন।
হটাৎ করে সেই সেদ্ধ হওয়া ব্যাঙের কথা মনে পড়লো। খুব সম্ভবত আমরাও ঐ ব্যাঙের মত মানিয়ে নিচ্ছি আমাদের চারপাশের সাথে। সহ্য করছি সব, আর ভাবছি টিকে আছি, টিকে থাকবো। আসলে আমরা সেই বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোমে আক্রান্ত। যখন বুঝবো, তখন ডিসিশান মেকিং এর কোন শক্তিই আর শরীরে অবশিষ্ট থাকবে না।'

সংগৃহীত

51
জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে তৈরি পোশাক খাতের ওপর একাধিক বিশ্ব ফোরামে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশ। ফ্রাঙ্কফুর্টে এখন আন্তর্জাতিক অ্যাপারেল ফাউন্ডেশনের (আইএএফ) সম্মেলন চলছে। আগামী বছর ঢাকায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠানের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তা, বড় ব্র্যান্ড, গবেষকসহ সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত আইএএফ পোশাক খাতের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী প্রতিষ্ঠান ম্যাসি ফ্রাঙ্কফুর্টের ব্যবস্থাপনায় আইএএফ সম্মেলন ছাড়াও পোশাক খাতের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং ব্যয়সাশ্রয়ী উৎপাদন কৌশল নিয়ে টেক্স প্রসেস ও টেকটেক্সটিল নামে দুটি প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। - See more at: http://bangla.samakal.net/2017/05/11/291792#sthash.2iomUhcJ.dpuf

52
The latest edition of the Bangladesh Denim Expo is to be held from 17 to 18 May 2017 at International Convention City, Bashundhara, Dhaka.
Details in the link.
http://www.textiletoday.com.bd/6th-bangladesh-denim-expo-largest-denim-network-bangladesh-kicking-off/

53
তুমি কালবৈশাখী ঝড়ের মাঝে ঝড়ে পরা বৃষ্টি।
ভিজতে দাও কদাচিৎ।
আমি সেই কদাচিত ভেজার আনন্দে বিহ্বল হই।
গিট শুন্য সুতায় গাঁথি মালা।
যার ফলাফল দিন শেষে শুরুতেই রয়েযায়।
আসলে তুমি বৃষ্টি নও,ঝড়।
আচমকা বয়ে যেতে পছন্দ করো।
বৃষ্টির মতো মেঘ হয়ার সময়টুকুও দাওনা।
তুমি তছনছ করো সব আর-
আমিতা দখিনা হাওয়া ভেবে,
সেই শুরুতেই রয়ে যাই।
( প্রতিদিনি ঝড় হচ্ছে তাই শেয়ার দিলাম। লেখাটি জুন ২৬, ২০১৪ এর)

54
Textile Engineering / কাছের মানুষগুলো
« on: April 24, 2017, 11:21:53 AM »
"You are the average of the five people you spend the most time with."- Jim Rohn

এই কারণে ভালো বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিখ্যাত প্রযুক্তি কম্পানী, সিলিকন ভ্যালী ইত্যাদি জায়গায় বুদ্ধিমান, সৃজনশীল মানুষের আনাগোনা বেশি। একবার কোনো কারণে স্মার্ট, ট্যালেন্টেড মানুষের সমাগম শুরু হলে সেখানে তাদের কারণে আরো বেশি স্মার্ট এবং ট্যালেন্টেড মানুষের আসা শুরু হয়।  :)

55
Textile Engineering / জীবনবোধ
« on: April 24, 2017, 11:04:22 AM »
জীবনে একটা সময় আসে যখন তোমার সত্যিকারের একটা বোধ জন্ম নেয়, যখন তুমি জীবনকে সত্যিকারভাবে বুঝতে পারো। তীব্র হতাশা আর দুঃখের একটা পর্যায়ে একসময় তোমার ভেতরের “আমি” জেগে ওঠে এবং চিৎকার দিয়ে বলে – যথেষ্ট হয়েছে! নিজের সাথে নিজে যুদ্ধ করতে করতে একসময় তুমি শান্ত হয়ে আসো, তোমার কান্না থেমে যায়, তুমি আয়নায় তোমাকে দেখো, তুমি জানালা খুলে বাইরের আকাশটাকে দেখো। আর তখন আস্তে আস্তে তুমি জীবনকে আবিষ্কার করো একটু অন্যরকমভাবে, পৃথিবীটাকে দেখো একটু অন্য চোখে।

এটা হচ্ছে তোমার নতুন জীবন বোধঃ

তুমি বুঝতে পারো তোমার চারপাশের সবকিছু বদলে যেয়ে তোমার সব আশা আর স্বপ্নগুলি সত্যি করে দিবে এটা কখনোই হবার নয়। তুমি যে সুখ, শান্তি, আর নিরাপত্তা চাচ্ছো সেটা এমনি এমনি তোমার কাছে ছুটে আসবেনা। তুমি মেনে নিতে শেখো যে তুমি কোন রাজপুত্র কিংবা রাজকন্যা না এবং বাস্তব জীবনে “দি এন্ড” সবসময় সুখকর হয়না। “অতঃপর তাহারা সুখে শান্তিতে বাস করিতে লাগিলো” এই ব্যাপারটা শুরু করতে হবে তোমার নিজের কাজের মাধ্যমে এবং এটা মেনে নেওয়ার মাধ্যমেই শান্তি ও সুখ আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

তুমি আনুধাবন করতে পারো যে তুমি নিজে পারফেক্ট না এবং সবাই সবসময় তোমাকে পছন্দ নাও করতে পারে, তোমার সব কাজে খুশি নাও হতে পারে – এবং এতে দোষের কিছু নেই। সবার নিজস্ব দৃষ্টিকোন এবং মতামত থাকতে পারে। তখন তুমি নিজের অবস্থানকে শক্ত করার জন্য, নিজেকে আরো পরিপূর্ণ করার জন্য কাজ শুরু করো। এভাবে তোমার মধ্যে তৈরি হয় এক নতুন আত্মবিশ্বাস।

অন্যরা তোমার জন্য কী করলো কিংবা কী করে নাই সেটা নিয়ে তুমি অভিযোগ অনুযোগ করা বন্ধ করো। এবং তুমি বুঝতে পারো জীবনে অনিশ্চয়তার উপর ভর করেই তোমার এগিয়ে যেতে হবে। তুমি আবিষ্কার করো যে মানুষ সবসময় যা বুঝাতে চায় তা বলেনা এবং যা বলে তা বুঝাতে চায়না এবং তোমার প্রয়োজনের সময় সবাই তোমার পাশে নাও থাকতে পারে। সবার নিজের জীবনে ব্যস্ত থাকার অনেক জিনিস আছে, অতএব তোমাকে নিজের উপর নির্ভর করা শিখতে হবে। আর স্বনির্ভর হওয়ার মাধ্যমে তোমার নিজের জীবনে নিরাপত্তাবোধ আসবে।

তুমি মানুষের দিকে আঙ্গুল তাক করা বন্ধ করো এবং তাদের দুর্বলতা ও ভুলত্রুটি মেনে নিতে শেখো। আর এভাবে মানুষের ভুলত্রুটি ক্ষমা করার মাধ্যমে তোমার মনে একধরণের প্রশান্তি জন্ম নেয়।

তুমি বুঝতে পারো যে তুমি নিজেকে এবং তোমার চারপাশের পৃথিবীকে যেভাবে মূল্যায়ন করো সেটা এসেছে তোমার মনের মধ্যে চারপাশ থেকে ঢুকানো অসংখ্য তথ্য ও তত্ত্বের মাধ্যমে। তুমি তখন তোমার মগজে ঢুকানো এইসব হাজার হাজার তথ্য ও তত্ত্বের যাচাই বাছাই করতে থাকো। তোমার নিজের সম্পর্কে মূল্যায়ন, তোমার কী পরা উচিৎ কী পরা উচিৎ না, তোমার কী ভালো লাগে কী ভালো লাগেনা, তোমার কী বিশ্বাস করা উচিৎ কী বিশ্বাস করা উচিৎ না, তুমি কোথায় থাকবা কোথায় থাকবানা, কী পেশা হবে তোমার, কাকে বিয়ে করবে, বাব-মা কিংবা সন্তানের সাথে তোমার সম্পর্ক কেমন হবে – এই সবকিছু নিয়ে তুমি নতুন করে ভাবতে বসো। তুমি তোমার চিন্তাভাবনার বদ্ধ পৃথিবীকে খুলে দাও এবং নতুন ধরণের, ভিন্ন ধরণের দৃষ্টিকোন এবং মতামতকে গুরুত্ম দিতে শেখো। তুমি জীবনের মানেকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করো।

জীবনে তোমার কী লাগবে এবং তুমি কী চাও এটা তুমি আরো ভালোভাবে বুঝতে পারো, এবং পুরনো, ভুল বিশ্বাস এবং তত্ত্ব থেকে তুমি বের হয়ে আসো। আর এভাবেই তুমি অন্যের মতামত ও কন্ঠ থেকে বের হয়ে এসে তোমার সত্যিকারের সত্ত্বার কথা শুনো।

তুমি শেখো যে দানের মধ্যে বড় প্রাপ্তি থাকে এবং সৃজনশীলতা এবং অন্যদের সাহায্য করা একটা চমৎকার মর্যাদাকর ব্যাপার।

তুমি শেখো যে সততা এবং সত্যবাদিতা পুরনো যুগের নীতিকথা নয় শুধু। জীবনের মূল ভিত্তি হতে হবে সততা এবং সত্যবাদিতা।

তুমি বুঝতে শেখো যে সবকিছু তোমাকে জানতে হবে এমন কোনো কথা নেই; পৃথিবীকে বাঁচানো তোমার একার দায়িত্ব নয়, এবং গাধা পিটিয়ে মানুষ করাও তোমার পক্ষে সম্ভব নয়। তুমি দোষ এবং দায়িত্ব এর মধ্যে পার্থক্য করতে শেখো, বিভিন্ন জিনিসের সীমারেখা টানতে শেখো, এবং অন্যকে প্রয়োজনে “না” বলতে শেখো।

এরপর তুমি ভালোবাসা সম্পর্কে জানতে পারো – রোমান্টিক ভালোবাসা এবং পারিবারিক ভালোবাসা। তুমি শেখো কতোটুকু ভালোবাসা উচিৎ, কতোটুকু স্যাক্রিফাইস করা উচিৎ, কখন স্যাক্রিফাইস বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ, কখন ভালোবাসাবাসি বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ।

তুমি সম্পর্ককে যেমন আছে তেমনই দেখতে শেখো, কল্পনায় তুমি কী চাও তেমনভাবে নয়। তুমি মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করা শেখো। তুমি শেখো যে মানুষ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়, তাদের ভালোবাসাও কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। তুমি তোমার মতো করে, শুধু মাত্র নিজেকে সুখী করার জন্যে নিজের মতো করে ভালোবাসা দাবী করতে পারোনা।

তুমি বুঝতে শেখো নির্জনতা মানেই একাকীত্বতা নয়। আয়নার দিকে তাকিয়ে তুমি অনুধাবন করো তুমি কখনোই তোমার মনমতো সুন্দর হতে পারবেনা; অতএব তুমি তোমার মাথার ভেতরে থাকা তোমার মডেল চেহারাটি সরিয়ে ফেলো।

তুমি তোমার শরীরের মূল্য বুঝতে শেখো। তুমি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে শুরু করো, ব্যায়াম করা শুরু করো। তুমি বুঝতে শেখো যে ক্লান্তি আমাদের প্রানশক্তি কমিয়ে দেয় এবং আমাদের মনে দূর্বলতা এবং ভয় ঢুকিয়ে দেয়। অতএব তুমি প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নেয়া শুরু করো। খাবার যেমন শরীরকে চালু রাখে, হাসি তেমনি আত্মাকে চালু রাখে। তাই তুমি আরো বেশি বেশি হাসো এবং খেলাধুলা করো।

তুমি বুঝো যে নিজেকে যতোটা যোগ্য মনে করো ঠিক ততোটাই তুমি পাও। জীবনে পরিশ্রম না করলে কিছু পাওয়া যায়না, অতএব তুমি চাওয়া এবং পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য বোঝ এবং চাওয়াগুলিকে পাওয়ার জন্যে সত্যিকারের পরিশ্রম করো। সফলতার জন্যে সঠিক লক্ষ্য ঠিক করে কাজ করে যেতে হয় এবং দরকার হলে অন্যের কাছে সাহায্য চাওয়া যায়।

তুমি জানতে পারো পৃথিবীতে যদি কিছুকে ভয় করতে হয় সেটা হবে ভয়কে। যে মুহুর্তে তুমি কোনো কিছুকে ভয় পাওয়া শুরু করবে সেই মুহুর্তে আসলে তুমি নিজের মতো করে বেঁচে থাকার সুযোগ হারাচ্ছো। তোমাকে ভাবতে হবে যে যাই ঘটুকনা কেনো তুমি এটা সামলে নিতে পারবে এবং তুমি যা সিদ্ধান্ত নিবে তোমার জীবনে তাই ঘটবে।

তুমি জীবনে যুদ্ধ করতে এবং জীবনটাকে দুশ্চিন্তা এবং ভয় এর মধ্য দিয়ে পার না করে দিতে শেখো। তুমি মেনে নিতে শেখো যে জীবন সবসময় ফেয়ার না এবং মাঝে মাঝেই সবচেয়ে ভালো মানুষগুলোকে অনেক দুঃখ কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এর জন্যে তুমি ভাবো না যে ঈশ্বর তোমাকে শাস্তি দিচ্ছে অথবা তিনি তোমার প্রার্থনা শুনছেন না। এই ঘটনাগুলো জীবনেরই অংশ।

তুমি এ জীবনের ছোটখাট সুখগুলোর জন্যে কৃতজ্ঞ হতে শেখো। তোমার জন্ম আফ্রিকার কোনো যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বা দুর্ভিক্ষপীড়িত দেশে হয়নি এটা ভেবে তুমি শান্তি পাও। ধীরে ধীরে তুমি নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ নেয়া শুরু করো। তুমি কান পেতে তোমার মনের কথা শুনো এবং মন যা চায় তাই পাবার জন্যে পরিশ্রম করতে শুরু করো। তুমি জানালা খুলে বুক ভরে শ্বাস নাও এবং মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলো। তুমি জীবনকে নতুন করে শুরু করার প্রস্তুতি নাও এবং সবসময় পজিটিভ চিন্তাভাবনা করার সিদ্ধান্ত নাও।
(সংগৃহীত)

Pages: 1 2 3 [4]