Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - effatara

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 9
46
Medical Ultrasound / Re: BIRDEM
« on: March 25, 2019, 05:17:05 AM »
thanks for the information.

48
শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা— সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ডিমের নানা পদের উপর ভরসা রাখেন বেশির ভাগ মানুষ। ডিম প্রায় প্রতিদিনই সব বাড়িতে কম-বেশি আনাও হয়। আট থেকে আশি— ডিম প্রায় সকলেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে। ডিমের স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে জানেন কি ত্বক ও চুলের যথাযথ যত্ন নিতেও ডিম অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান! এ বার ত্বক ও চুলের যত্নে ডিমের চমকপ্রদ ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক…

চুলের যত্নে ডিমের ব্যবহার:

১) আপনার চুল কি অতিরিক্ত রুক্ষ? তাহলে ২টো ডিম ভাল করে ফেটিয়ে তার সঙ্গে ২ চামচ মেয়োনিজ মিশিয়ে সমস্ত চুলে মাখিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে অন্তত মিনিট কুড়ি ঢেকে রাখুন। এর পর শ্যাম্পু করে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার এই পদ্ধতিতে যত্ন নিতে পারলে চুলের রুক্ষ ভাব অনেকটাই কেটে যাবে।

২) শীত কালে মাথার ত্বক (স্ক্যাল্প) শুষ্ক হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে ২টো ডিম ফেটিয়ে তার সঙ্গে ২ চামচ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান। অন্তত ৩০ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ২ বার এই পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারলে এই সমস্যা দ্রুত কমে যাবে।

৩) আপনার চুল কি অতিরিক্ত তৈলাক্ত আর ভারি? দ্রুত চুল আঁঠালো, চটচটে হয়ে যায়? এই ধরনের সমস্যায় ২টো ডিম ফাটিয়ে তার কুসুম বাদ দিয়ে শুধু সাদা অংশ ভাল করে ফেটিয়ে তার সঙ্গে ১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এ বার এই মিশ্রণ সমস্ত চুলে মাখিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে অন্তত মিনিট কুড়ি ঢেকে রাখুন। তার পর ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব কেটে গিয়ে চুল হয়ে উঠবে উজ্জ্বল, ফুরফুরে।

৪) ডিম আর মধুর মিশ্রণ চুলকে ময়শ্চারাইজ করে। ২টো ডিম, ১ চামচ দুধ আর ১ চামচ মধু মিশিয়ে সমস্ত চুলে মাখিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে অন্তত মিনিট কুড়ি ঢেকে রাখুন। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুল হয়ে উঠবে উজ্জ্বল, ফুরফুরে।

ত্বকের যত্নে ডিমের ব্যবহার:

১) শীত কালে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যায়। এই সমস্যা দূর করতে ১টা ডিমের সঙ্গে আধা চামচ মধু মিশিয়ে এই মিশ্রণ মুখ ও গলায় লাগিয়ে রাখুন (হাত বা পায়েও মাখতে হলে অন্তত ৪-৫টা ডিম আর ৩ চামচ মধু লাগবে)। এর পর হালকা গরম জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের শুষ্ক ভাব কমে যাবে।
২) আপনার ত্বক কি নির্জীব হয়ে পড়ছে? নির্জীব, রুক্ষ ত্বককে উজ্জ্বল করতে ২টো ডিম ফেটিয়ে তার সঙ্গে ১ চামচ দই মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। এর পর অন্তত ২০-২৫ মিনিট রেখে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। ফল পাবেন হাতেনাতে।

জুমবাংলানিউজ/ জিএলজি

49
১. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে খেজুর খাওয়ার পাশাপাশি যদি নিয়মিত এই ফলটির পাতা খাওয়া যায়, তাহলে শরীরের অন্দরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে চোকে পড়ার মতো! সেই সঙ্গে নাইট ব্লাইন্ডনেসসহ অন্যান্য চোখের রোগের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না।
২. অ্যানার্জির ঘাটতি দূর করে

এই ফলটির অন্দরে থাকা প্রাকৃতিক সুগার রক্তে মেশার পর এমন মাত্রায় খেল দেখাতে শুরু করে যে শরীর একেবারে চনমনে হয়ে ওঠে, সেই সঙ্গে মানসিক ক্লান্তি দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এবার থেকে যখনই ক্লান্ত লাগবে এক-দুটো খেজুর খেয়ে নেবেন, তাহলেই দেখবেন কেল্লাফতে!
৩. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে

ডায়াটারি ফাইবারে সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরে “এল ডি এল” বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত পটাশিয়াম আরো সব হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমায়।
৪. পেটের রোগের প্রকোপ কমায়

প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকার কারণে নিয়মিত এই ফলটি খেলে বাওয়েল মুভমেন্টে মারাত্মক উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনও ধরনের পেটের রোগই আর মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ৩টি করে খেজুর খেলে শরীরে অন্দরে উপকারী ব্যাকটেরিয়ায় মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে বদ-হজম, কোলাইটিস এবং হেমোরয়েডের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৫. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ

খেজুরে প্রচুর মাত্রায় প্রাকৃতির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা একাধিক রোগকে দূরে রাখার পাশাপাশি শরীরের গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, এই ফলটিতে বেশ কিছু অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজও রযেছে, ফলে নিয়মিত খেজুর খেলে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও অনেকাংশে হ্রাস পায়।
৬. হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে

খেজুরে উপস্থিত খনিজ এবং ভিটামিন হাড়কে এতটাই শক্তপোক্ত করে দেয় যে বয়স্কালে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, এই ফলটিতে উপস্থিত সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৭. ওজন বৃ্দ্ধি পায়

নানা কারণে যাদের ওজন মাত্রাতিরিক্ত হারে কমে যেতে শুরু করেছে, তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ এই ফলটিতে উপস্থিত ক্যালরি শরীরে ভাঙন রোধ করে ওজন বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৮. নার্ভাস সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বাড়ায়

খেজুরে উপস্থিত নানাবিধ ভিটামিন এবং খনিজ, বিশেষত পটাশিয়াম নার্ভের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ব্রেন পাওয়ার বাড়াতেও এই ফলটি দারুনভাবে সাহায্য করে। এবার নিশ্চয় বুঝেছেন বাচ্চাদের প্রতিদিন কেন খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
৯. অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখে

শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলেই মূলত এই ধরনের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো শরীরে যাতে এই খনিজটির ঘাটতি কোনো সময় দেখা না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে খেজুর দারুনভাবে সাহায্য করতে পারে। কীভাবে? এই ছোট্ট ফলটি আয়রণ সমৃদ্ধি। তাই তো অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।
১০. অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়

২০০২ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে দাবি করা হয়েছিল খেজুরে উপস্থিত সালফার কম্পাউন্ড অ্যালার্জির মতো রোগ থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো যারা সারা বছরই এই রোগে ভুগে থাকেন, তাদের রোজের ডায়েটে এই ফলটির অন্তর্ভুক্তি মাস্ট!

http://bijoy24.com/

50
Allied Health Science / পাট পাতার চা
« on: March 10, 2019, 05:27:10 PM »
বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের তৈরি পাট পাতার এ চা এখন রফতানি হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রচলিত চায়ের বিকল্প হিসেবে পাট পাতার চায়ের চাহিদা এখন বাড়তে শুরু করেছে।

যেভাবে তৈরি করবেন : দুইভাবে পাট পাতার চা তৈরি করা যায়। কেটলি বা পাতিলে পানি গরম করে তার মধ্যে পাটের চা পাতা ঢেলে দিতে হবে। প্রতি এক কাপ চায়ের জন্য চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ পাতা লাগবে। ফুটন্ত পানি পাতা ঢেলে ২ থেকে ৩ মিনিট ফোটালেই তা চা হিসেবে পান করা যাবে।

এছাড়া পানি ফুটিয়ে কাপে ঢেলে এর মধ্যে চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ পাতা ভিজিয়ে রাখতে হবে ৪ থেকে ৫ মিনিট। এর পর চা হিসেবে পান করতে হবে। ডায়বেটিস না থাকলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করা বেশি স্বাস্থ্যকর।

উপকারিতা : গবেষকরা দেখেছেন পাট পাতার পানীয় ডায়বেটিক, ক্যান্সার, পেটের বিভিন্ন পীড়া, আলসার, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ, লিভার সুস্থ রাখতে এবং কিডনির ক্ষয় রোধে কাজ করে। এছাড়া অন্যান্য রোগ প্রতিরোধেও পাট পাতার কোমল পানীয় ভূমিকা রাখে। এছাড়া পাট পাতার পানীয়র মধ্যে নানা ধরনের ভিটামিন রয়েছে। যেগুলো শরীরের বিভিন্ন উপকারে লাগে।

https://news.zoombangla.com/

51
দুধ
পুষ্টিকর দুধ দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী৷ কারণ এতে থাকা ক্যালসিয়াম দাঁতকে শক্তিশালী করে৷ এনামেলে শক্তি বৃদ্ধি করে দাঁতকে সাদা ও উজ্জ্বল করে৷
স্ট্রবেরি
মনে হতে পারে লাল রঙের ফলটি কি করে দাঁত সাদা করতে পারে! পারে, কারণ স্ট্রবেরির মধ্যে আছে ম্যালিক অ্যাসিড৷ এই অ্যাসিড আপনার দাঁতকে সাদা করে বলে জানিয়েছেন দন্ত চিকিৎসকরা৷
পেঁয়াজ
অনেকেই জানেন না পেঁয়াজ দাঁতের জন্য ভীষণ উপকারী৷ এর মধ্যে আছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক৷ আর একটি বিষয় হলো পেঁয়াজ স্বচ্ছ৷ তাই এটি খেলে দাঁতে কোন দাগ হয় না৷ চিকিৎসকরা ঠাট্টা করে বলে থাকেন কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার পর মুখের গন্ধ দূর করতে বেশিরভাগ মানুষ দাঁত মাজেন৷ ফলে দাঁত ঝকঝকে না হয়ে পারে না৷
গাজর
আপেলের মতই কাঁচা গাজর দাঁতের জন্য ভীষণ উপকারী৷ গাজর খেলে দাঁতের ফাঁকে ঢুকে থাকা খাদ্যকণা বেরিয়ে আসে৷ এছাড়া তা দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যের জন্য ভালো৷
বাদাম
শক্ত খাবার চিবিয়ে খেলে আপনার দাঁতের ক্ষয় পূরণ হয় এবং দাঁতকে শক্ত করে৷ বিকেলের নাস্তায় আপনি যদি কয়েকটি বাদাম খান, তবে তা আপনার দাঁতকে ঝকঝকে করতে সাহায্য করে৷
আপেল
আপেলে কামড় দেয়ার সাথে সাথে একটা বড় ধরনের আওয়াজ হয়৷ এটা কারো জন্য বিরক্তির কারণ হলেও দাঁতের জন্য কিন্তু দারুণ উপকারী৷ এভাবে কামড়ে যেসব খাবার খাওয়া যায় তা মাড়ির জন্য ভীষণ উপকারী৷ এছাড়া আপেল খাওয়ার সময় যে পরিমাণ লালা নিঃসরণ হয় তাতে মুখের মধ্যকার অনেক ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস হয়৷
ব্রকোলি
কেউ যদি দিনের বেলা ব্রকোলি খায় তাহলে তা দাঁতের গায়ে লেগে থাকে৷ ফলে ব্রাশ করলে খুব ভালোভাবে দাঁত পরিষ্কার হয়৷
পনির
শক্ত পনিরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে৷ এটি দাঁত ও মাড়িকে শক্তিশালী করে৷ তবে সাদা পনির খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা৷ ফলে দাঁতে কোন দাগ হবে না৷
পানি
বেশি পরিমাণ পানি পান করলে আপনার মুখ পরিষ্কার থাকবে৷ তবে রেড ওয়াইন বা ব্ল্যাক কফি কিন্তু আপনার দাঁতে দাগ তৈরি করবে৷ তাই এগুলো খাবার পর প্রতিবার একবার পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা৷ আর সোডা মেশানো পানি খুব বেশি না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, কারণ এতে এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷

52
Allied Health Science / Re: আম পাতার এত গুণ!
« on: March 10, 2019, 05:13:15 PM »
good to know...

57
অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে রক্তনালী ব্লক হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। এবং শুধুমাত্র এই কারণে হৃদপিণ্ডের নানা সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হন অনেক রোগীই।

কিন্তু রক্তনালী ব্লক হওয়ার এই সমস্যা থেকে খুবই সহজে মুক্ত থাকা যায় চিরকাল। আপনাকে এর জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হবে না একেবারেই। খুবই সহজলভ্য কয়েকটি খাবার আপনার রক্তনালীর সুস্থতা নিশ্চিত করবে।
আপেলঃ
আপেলে রয়েছে পেকটিন নামক কার্যকরী উপাদান যা দেহের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ও রক্তনালীতে প্লাক জমার প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র ১ টি আপেল রক্তনালীর শক্ত হওয়া এবং ব্লক হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

ব্রুকলিঃ
ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে যা দেহের ক্যালসিয়ামকে হাড়ের উন্নতিতে কাজে লাগায় এবং ক্যালসিয়ামকে রক্তনালী নষ্ট করার হাত থেকে রক্ষা করে থাকে। ব্রকলির ফাইবার উপাদান দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

দারুচিনিঃ
দারুচিনির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্ডিওভ্যস্কুলার সিস্টেমের সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে থাকে। এছাড়াও গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র ১ চামচ দারুচিনি গুঁড়ো দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্তনালীতে প্লাক জমে ব্লক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

তৈলাক্ত মাছঃ
তৈলাক্ত মাছ বিশেষ করে সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছের ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমিয়ে হৃদপিণ্ডকে চিরকাল সুস্থ ও নীরোগ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

তিসীবীজঃ
তিসীবীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড যা উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তনালীর প্রদাহকে দূর করতে সহায়তা করে এবং সেই সাথে রক্তনালীর সুস্থতা নিশ্চিত করে।

গ্রিন টিঃ
গ্রিন টি অর্থাৎ সবুজ চায়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যাচেটিন যা দেহে কোলেস্টেরল শোষণ কমায় এবং হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সহায়তা করে। প্রতিদিনের চা কফির পরিবর্তে গ্রিন টি পান করলে দেহের সুস্থতা নিশ্চিত হয়।

কমলার রসঃ
গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন ২ কাপ পরিমাণে শুধুমাত্র বিশুদ্ধ কমলার রস পান করলে রক্ত চাপ স্বাভাবিক থাকে। এবং কমলার রসের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালীর সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে ফলে রক্তনালী ড্যামেজ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।

https://news.zoombangla.com/1fgjhk-yuytru-fgkgh14/

58


সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য চাই গতিশীল ও দক্ষ প্রশাসন। উন্নত প্রশিক্ষণ ছাড়া দক্ষ প্রশাসন অসম্ভব। জনপ্রশাসনে দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় সরকার চলতি বছর থেকে উচ্চতর শিক্ষায় ‘প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ’ চালু করেছেন, যা নিঃসন্দেহ প্রশংসার দাবিদার। প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপে মাস্টার্সের জন্য ৬০ লাখ ও পিএইচডির জন্য ২ কোটি টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ফেলোশিপ কাদের, কীভাবে ও কোথায় অধ্যয়নের জন্য দেওয়া হবে, সে বিষয় কিছু জিজ্ঞাসা থেকে যায়। কারণ জনগণের অর্থের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করা সরকারের দায়িত্ব। তা ছাড়া, বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা সরকারের অঙ্গীকার। কিন্তু, এ ফেলোশিপের পরতে পরতে রয়েছে বৈষম্য, অথচ বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।
চলুন, দেখা যাক বৈষম্য কোথায়? কাদের জন্য এই ফেলোশিপ? বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য ৭০ ভাগ, অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তার জন্য ২০ ভাগ ও সর্বসাধারণের জন্য ১০ ভাগ। ফেলোশিপ কেবল যদি প্রশাসনে গতিশীলতা আনার জন্য হয়, তবে অন্যদের ১০ ভাগ রহিত করা উচিত। ৭০ শতাংশ বিসিএস কর্মকর্তার বদলে ১০০ শতাংশ সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে মেধানুসারে বণ্টন করা হোক। যদি তা সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়, তবে কোটা বাতিল করা উচিত। কোনো বিশেষ শ্রেণির জন্য কোটা সৃষ্টি করা অনাবশ্যক। তা ছাড়া আমাদের সংবিধানে কেবল অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য কোটার কথা বলা হয়েছে। বিসিএস কর্মকর্তারা নিশ্চয় অনগ্রসর জনগোষ্ঠী নন। তা ছাড়া, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে বিভাজন জনপ্রশাসনে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
আবার বলা হয়েছে, পিএইচডির জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪৫ বছর। উন্নত দেশের ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতে ন্যূনতম সময় লাগে ৪-৫ বছর। পিএইচডি শেষ করতে বয়স হবে ৫০ বছর। সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়স ৫৭ বছর। মাত্র ৭ বছর সেবা নেওয়ার জন্য কারও পেছনে ২ কোটি টাকা ব্যয় অনেকাংশে অপচয়ের শামিল। উপরন্তু দেশে ফিরলে কেবল দুবছর চাকরি করার বাধ্যবাধকতা আছে। সে ক্ষেত্রে দুবছর সেবা পেতে ২ কোটি টাকা! তা ছাড়া, বিশ্বের বেশির ভাগ পিএইচডি স্কলারশিপের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারিত থাকে। অধিক বয়সে পিএইচডি করা দুরূহ ব্যাপার। তাই প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপে পিএইচডির বয়সসীমা ৩৫ বছর করাই যুক্তিযুক্ত।
মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের রক্তে ভেজা মাটি থেকে এ দেশে চারা গজায়। অথচ তাদের সন্তান-সন্ততিদের জন্য সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ কোটা যে বৈষম্যের দোহাই দিয়ে বাতিল করা হল, সে বৈষম্য চালু হল নতুন সংস্করণে। এবার কোটা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নয়, বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য। যারা বিসিএস কর্মকর্তা হওয়ার তরে মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা বাতিলের জন্য নিজেকে রাজাকার পরিচয় দিতে কুণ্ঠাবোধ করেনি, তাদের জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ’ নামে চালু করা হচ্ছে অভিজাত কোটা। তবে কি তারা এই কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করবেন? নাকি মনের আনন্দে এই কোটার সুফল ভোগ করবেন? নিশ্চয় তারা অবিবেচক হবেন না। যাই হোক, সে ফয়সালা তাদের ওপর।
সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় দুই হাজার সরকারি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে সে দেশের সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি একটি ভালো উদ্যোগ। প্রশাসনে গতিশীলতা আনতে কেবল ভারত নয়, বিশ্বের উন্নত দেশে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো উচিত। এখনো মাঝে মধ্যে পাঠানো হয়। অবাক করা বিষয় হল, এবার প্রশিক্ষণ নয়, সরকার উচ্চশিক্ষার্থে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ’ চালু করেছেন।
প্রশ্ন হল সরকারি কর্মকর্তাদের কি পিএইচডি করা খুবই দরকার? বিশ্বের কোন কোন দেশের সরকারি কর্মকর্তারা সরকারের খরচে পিএইচডি করেন? পিএইচডি একটি বিশেষায়িত ডিগ্রি। এটি যারা ভবিষ্যতে শিক্ষক ও গবেষক হতে চায়, তাদের জন্য প্রযোজ্য। অন্যরা করতে পারেন। কিন্তু আবশ্যক নয়। আমাদের জাতীয় শিক্ষা নীতি কি বলে? ‘চার বছরের স্নাতক সম্মানকে সমাপনী ডিগ্রি হিসাবে ও উচ্চশিক্ষায় শিক্ষকতা ও গবেষণা ব্যতীত সব কর্মক্ষেত্রে যোগদানের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা হিসাবে বিবেচনা করা হবে।’ তাহলে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ কি যথেষ্ট নয়? বিতর্কে না গিয়ে ধরে নিলাম, তাদের পিএইচডি ডিগ্রি দরকার ও তারা তা অর্জন করুক। এখনো অনেকে নিজ চেষ্টায় ও সরকারি উদ্যোগে তা করছে বটে।
একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। ধরুন, একজন রসায়নে মাস্টার্স করে বিসিএস দিয়ে প্রশাসনে চাকরি নিলেন। এবার তিনি সরকারি বৃত্তি নিয়ে হার্ভার্ড থেকে রসায়নে পিএইচডি করলেন। সিন্থেসিসের ওপর যথেষ্ট ভালো কাজ করে দেশে ফিরে গেলেন। বলুন, প্রশাসনের কোনো জায়গায় উনি সিন্থেসিস করবেন? ভবিষ্যতে বাংলাদেশে তিনি কি গবেষণা করবেন? তবে হ্যাঁ কিছু বিষয়, যেমন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, জনপ্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, ক্রিমিনোলজি (পুলিশদের জন্য), অর্থনীতি—এ ধরনের মুষ্টিমেয় দু-একটি বিষয়ে পিএইচডি করলে বাংলাদেশের প্রশাসন লাভবান হতে পারে। তাও অপরিহার্য নয়। যেকোনো বিষয়ে গণহারে এ বৃত্তি জনগণের করের টাকার অপচয় ছাড়া কিছু নয়।
বছরে কেবল যদি ১০ জনকে মাস্টার্স ও ১০ জনকে পিএইচডির জন্য নির্বাচন করা হয়, তাতে সরকারের খরচ হবে ২৬ কোটি টাকা। অথচ ২৬ কোটি টাকায় বাংলাদেশে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য একটা প্রতিষ্ঠান করা যাবে। এভাবে বৃত্তির নামে জনগণের ঘামের টাকা বিদেশে পাচারের কোনো মানে হয় না। বাংলাদেশের অনেক উচ্চশিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত যুবক যারা নিজে বৃত্তি জোগাড় করে বিদেশে পড়াশোনা করে দেশে ফিরতে চায়। সরকার একটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট করে বিষয়ভিত্তিক উচ্চশিক্ষিত, প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞদের নিয়োগ দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের পিএইচডি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন। নতুবা দেশের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাদার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারেন ও এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সক্ষমতা অর্জনে যে সব বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে সেসব বিষয়ে পিএইচডি ও মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু করে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ দিয়ে এসব প্রোগ্রামে ভর্তি করানো যেতে পারে। তাতে জনগণের করের টাকা জনগণের কাছে ফিরে যাবে। বাংলাদেশে উন্নত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। ‘প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ’ পাওয়া প্রশিক্ষণার্থীদের টাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন হবে, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চালু থাকবে।
প্রয়োজন হলে বিদেশ থেকে দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক ও শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে সরকার দক্ষ ও বিজ্ঞ সাবেক আমলাদের (ড. আকবর আলী খান, ড. সাদাত হোসেন, এ টি এম শামসুল হুদা, আলী ইমাম মজুমদার, ড. ফরাস উদ্দিন) প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে নিয়োগ দিতে পারে। আমাদের দেশের প্রশাসনের সমস্যা কোথায় তাঁদের চেয়ে ভালো কেউ বুঝবে না। তা না হলে আমাদের প্রশাসনের অবস্থা হবে মগবাজারের উড়াল সেতু অর্থাৎ ডানহাতি গাড়ি চালকের দেশে বাম হাতি গাড়ি চালকের সেতুর মতো।
বিচারকদের জন্য সরকার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট করেছে। বিসিএস কর্মকর্তাদের জন্য তেমন ইনস্টিটিউট করতে পারে অথবা সাভারে যে বিপিএটিসি আছে তাকে আধুনিকায়ন করে গবেষণার উপযুক্ত দেশের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করে সেখান থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপের টাকা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে খরচ করা হলে দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের কোনো অর্জন হবে না। আর যদি বিষয়টা এমন হয়, কেবল বিদেশে যাওয়াটাই উদ্দেশ্য, তাহলে যত বাধ্যবাধকতাই দেওয়া হোক, তাদের অনেকে দেশে ফিরবেন না। অনেকে সরকারি টাকা বিদেশে খরচ করে পরিবারকে বিদেশে অভিবাসী করবেন যাতে অবসরোত্তর সময়টা বিদেশে কাটাতে পারেন।
নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার সায়েন্স, বিবিএ, এমবিএ ও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য ভারতে পাড়ি দিত। এক দশকে বাংলাদেশ কোটি কোটি টাকা হারিয়েছে। কিন্তু এখন আর কেউ এসব বিষয় পড়ার জন্য ভারতে যায় না। কারণ আমাদের বেসরকারি বিশ্ববদ্যালয়গুলো এসব বিষয়ে ভালো শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। বস্তুত, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত ছিল যুগান্তকারী।
আমাদের প্রবাসীরা দিনরাত পরিশ্রম করে দেশে অর্থ পাঠায় আর সে অর্থ যদি সরকারি কর্মকর্তারা উচ্চশিক্ষার নামে বিদেশে খরচ করেন, তা হবে নিতান্তই দুঃখজনক। আশা করি সরকার আরেকটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে জনগণের অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করবেন।

https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1582500/

59
 Excellent information...

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 9