Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Azizul Hakim

Pages: 1 [2] 3 4
16
 :)

17
Faculty Forum / Re: Survey: Singapore has the world's fastest 4G internet
« on: February 19, 2020, 05:12:43 PM »
 :)

18
বর্তমানে ম্যালেরিয়া রোগ শনাক্তে রক্তের প্রয়োজন হয়। অনেকেই ইনজেকশনে রক্ত দিতে ভয় পায়। আর তা সময়সাপেক্ষ। তবে মার্কিন গবেষকরা স্মার্টফোনের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ শনাক্তের নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন। পাশাপাশি হার্টের সমস্যাও নির্ণয় করা যাবে স্মার্টফোনের সাহায্যে।

গত জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সিনসিনাটি বিশ^বিদ্যালয়ের গবেষক স্থিতধী ঘোষ ও তার সহযোগীদের একটি গবেষণাপত্র ‘নেচার’ গ্রুপের আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান জার্নাল ‘মাইক্রোসিস্টেমস অ্যান্ড ন্যানোইঞ্জিনিয়ারিং’ এ প্রকাশিত হয়েছে।

বিভিন্ন রোগের ইঙ্গিত মিলবে কীভাবে?

রক্ত বা নানা ধরনের দেহরস (‘বডি ফ্লুইড’) অথবা থুতুতে (‘স্যালাইভা’) নানা ধরনের হরমোন ও প্রোটিন থাকে। বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাদের বলা হয়, ‘বায়ো-মার্কার্স’। তাদের মধ্যে অন্যতম- ‘কর্টিসল’, ‘আলফা অ্যামাইলেজ’ ও ‘প্যারা-থাইরয়েড হরমোন (পিটিএইচ)। যেগুলি নানা ধরনের সংক্রমণের সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে রক্ত, নানা ধরনের দেহরস ও থুতুতে এদের পরিমাণের তারতম্য ঘটে।

যদি পরীক্ষায় তারতম্য ঘটে তা স্মার্টফোন থেকেই জানা যাবে। এ পরীক্ষা স্মার্টফোনের সঙ্গে জোড়া খুব পাতলা আর ছোট্ট একটি চিপে থু থু ফেলেই শনাক্ত করা যাবে।

চালু পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা

এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন দেশে ডায়াবেটিস ও মাতৃত্বের প্রাথমিক পরীক্ষা চালু হয়েছে বেশ কিছু দিন। কিন্তু ম্যালেরিয়া বা মানসিক অবসাদের মাত্রা বোঝার ক্ষেত্রে এটা এখনও চালু হয়নি।

এখনকার পদ্ধতির আরও একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। শুধুই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলা যায়। বলা যায়, কেউ মা হতে চলেছেন কি না অথবা কারও ডায়াবেটিস হয়েছে কি হয় নি। তার বেশি নিখুঁত ভাবে কিছু বলা সম্ভব হয় না।

কিন্তু ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ বুঝতে হলে তার মাত্রাটা বোঝা জরুরি। জানা দরকার, রক্তে ম্যালেরিয়ার বাহক পরজীবী ‘প্লাসমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম’ কী পরিমাণে ঢুকেছে?

প্রকল্পের সাথে জড়িত গবেষক স্থিতধীর বলেন,‘‘এই পরজীবী ঢুকলেই রক্তে এক ধরনের প্রোটিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের ৩/৪ গুণ হয়ে যায়। প্রোটিনটির নাম- ‘হিস্টাডাইন রিচ প্রোটিন (এইচআরপি-২)’। তখন প্রতি মিলি লিটার রক্তে এইচআরপি-২ থাকে অন্তত ৮ ন্যানোগ্রাম করে।’’

কিন্তু স্মার্টফোনে রক্ত পরীক্ষার চালু পদ্ধতিতে নিখুঁত ভাবে সেই পরিমাণটা মাপা অসম্ভব। ফলে রক্তপরীক্ষা করানোর জন্য ডাক্তারের শরণাপন্ন হতেই হবে। অর্থাৎ শুধু ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছি কি না জানতে, বুঝতেই চিকিৎসক লাগছে, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরিতে প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োগ করতে হচ্ছে।

স্থিতধীর পদ্ধতির অভিনবত্ব কোথায়?

স্থিতধীর উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে সে সবের প্রয়োজনই হবে না। কেন? গবেষকরা তার জন্য একটি চিপ বানিয়েছেন। লম্বা ও চওড়ায় যা ৩ সেন্টিমিটার করে। মাত্র ১ মিলিমিটার পুরু। সেই চিপেই থাকবে প্লাস্টিকের একটি কুয়ো বা গর্ত। যা ভরা থাকবে বিশেষ একটি অ্যান্টিবডিতে। রক্ত বা থুতু চিপে ফেললে তাতে মিশে থাকা প্রোটিন বা হরমোনকে (অ্যান্টিজেন) গায়ে সাঁটিয়ে নিতে বা বেঁধে ফেলতে পারবে সেই অ্যান্টিবডি। তাই এই অ্যান্টিবডিগুলিকে বলা হয়, ‘ক্যাপচার অ্যান্টিবডি’। চিপে আরও এক ধরনের অ্যান্টিবডি রেখেছেন স্থিতধীরা। তার নাম- ‘ডিটেকশন অ্যান্টিবডি’। রক্ত বা থুতু থেকে আসা হরমোন বা প্রোটিনের একটা দিক ক্যাপচার অ্যান্টিবডি ধরে থাকে, অন্য দিকটি ধরা থাকে ‘ডিটেকশন অ্যান্টিবডি’-র সঙ্গে। ডিটেকশন অ্যান্টিবডিগুলির সঙ্গে থাকে উৎসেচকও।

ডিটেকশন অ্যান্টিবডিগুলিই বলে দিতে পারে, সংক্রমণ বা কোনও রোগের ফলে রক্তে ঠিক কতটা বেড়েছে কোনও বিশেষ হরমোন বা প্রোটিনের পরিমাণ। যার থেকে হিসাব কষে বলে দেওয়া যায়, ম্যালেরিয়ার পরজীবীরা কী পরিমাণে রক্তে ঢুকে ও ছড়িয়ে পড়েছে।

দেহে হরমোন-প্রোটিনের কম-বেশি কীভাবে বোঝা যাবে?

গবেষক স্থিতধী জানিয়েছেন, চিপে একটি কেমোলুমিনোসেন্ট পাউডার রাখা আছে। দু’ধরনের অ্যান্টিবডির সঙ্গে রক্ত বা থুতু থেকে এসে মিশছে যে হরমোন বা প্রোটিন, তাদের বিক্রিয়ায় ওই পাউডারের জন্যই আলো বেরিয়ে আসবে। সেই আলো দেখেই বোঝা যাবে সংক্রমণ হয়েছে কি না। এই আলোটা পাওয়ার জন্য বাইরে থেকে আলো ফেলতে হচ্ছে না। আলোর জন্ম হচ্ছে বিক্রিয়াজাত শক্তি থেকেই। সেই আলোর উজ্জ্বলতার বাড়া-কমা মেপে আমার, আপনার স্মার্টফোনে ডাউনলোড করা একটি অ্যাপ জানিয়ে দেবে, সংক্রমণের মাত্রা কতটা? আর সেটা করা সম্ভব হবে খুব সামান্য বিদ্যুৎশক্তিতেই।

এই পদ্ধতির সুবিধা কী কী?

ডায়াবেটিস, মাতৃত্বের পরীক্ষার জন্য চালু পদ্ধতিতে যেখানে প্রয়োজন অন্তত ১৫০ মাইক্রো-লিটার রক্ত, সেখানে এই পদ্ধতিতে রক্ত লাগবে মাত্র ২০ মাইক্রো-লিটার। আর মাত্র ৩০ মাইক্রো-লিটার থুতু চিপে ফেলতে পারলেই তাতে মিশে থাকা কর্টিসল হরমোনের পরিমাণ বেড়েছে কি না বা কতটা বেড়েছে, তা জেনে নেওয়া সম্ভব হবে আমাদের। অবসাদ (ডিপ্রেশন), চাপ (স্ট্রেস) ও উদ্বেগে (অ্যাংজাইটি)-র মতো মানসিক রোগে আমরা ভুগছি কি না, তা জানার জন্য স্মার্টফোনে হেল্থ-অ্যাপ চালু হয়েছে কিছু দিন ধরে। কিন্তু কতটা অবসাদ বা মানসিক চাপে অথবা উদ্বেগে ভুগছি আমরা, তার সঠিক পরিমাপ করা এখনও সম্ভব নয় এই অ্যাপগুলির মাধ্যমে।

স্থিতধীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, এ বার যাতে সেই সমস্যারও সুরাহা হয়।

19
Faculty Sections / Re: The coffee industry and blockchain
« on: February 18, 2020, 03:45:14 PM »
 :)

20
সিম ছাড়া স্মার্টফোন যেন অকার্যকর! সিম যুক্ত করলেই কেবল ফোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে। প্রথাগত এ পদ্ধতি থেকে বের হতে চাচ্ছে কয়েকটি স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। সেই ভাবনা থেকে এবার নতুন স্মার্টফোনে যুক্ত হচ্ছে ই-সিম।
ই-সিম মূলত ‘এমবেডেড সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি মডিউল’। এটি ছোট একটি ইলেকট্রনিক চিপ, যার সাহায্যে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা নতুন কোনো সিম ছাড়াই প্রাথমিক নেটওয়ার্ক খুঁজে পাওয়াসহ বেশকিছু কাজ করতে পারবেন। এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি স্মার্টফোন ই-সিমের আওতায় আসছে। খবর সিনেট।
গুগল পিক্সেল ২, ৩, ৩এ, ৪ মডেলেও যুক্ত করা হয়েছে ই-সিম। আইফোন এক্সএস, এক্সএস ম্যাক্স, এক্সআর, ১১, ১১ প্রো এবং ১১ প্রো ম্যাক্স-এ শিগগিরই যুক্ত করা হবে। এছাড়া স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড মডেল, মটোরোলা রেজর, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২০, ‍এস২০ প্লাস মডেলে থাকছে ই-সিম।

নতুন ই-সিম যুক্ত হওয়ার ফলে গ্রাহক যখন নতুন স্মার্টফোন চালু করবেন তখনই তিনি কোনো নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করবেন তা জানতে চাওয়া হয়। তখন ব্যবহারকারী যদি কোনো সিম নিশ্চিত না করেন সেক্ষেত্রে ই-সিম নির্বাচন করেই স্মার্টফোনটি সক্রিয় করা যাবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে

21
দেশের সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব সেবা ওয়ান স্টপ সার্ভিসে আনছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে আবেদনকারীরা আবেদনের স্ট্যাটাস জানতে পারবেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে মাউশি।

মাউশি সূত্র জানায়, অ্যাপের মাধ্যমে সার্ভিস সুবিধা প্রদান, শিক্ষা তথ্য ব্যবস্থানা পদ্ধতিতে (ইএমআইএস) শিক্ষকদের সব তথ্য সংরক্ষণ সফটওয়্যার আপডেটকরণ, শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও সেলফ মূল্যায়ন, শিক্ষক মূল্যায়ন এবং বিশেষ দিবসে বঙ্গবন্ধুর অবদানগুলো নিয়ে রচিত বুকলেট বিতরণসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বেশ কিছু কার্যক্রম। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন সেবা প্রত্যাশীদের হয়রানি কমবে, অন্যদিকে মাউশিতে ঘুষ, অনিয়ম ও ভোগান্তি লাঘব হবে বলে মনে করছেন দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাউশির পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, সরকারের এটুআই প্রকল্পের আওতায় মাউশির অধীন সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এমপিওভুক্তি কার্যক্রম, পে-স্কেল-টাইম স্কেল, নিয়োগ-বদলি, পদোন্নতি, তথ্য সংশোধন, অবসর সুবিধাসহ ১৬০ ধরনের সেবা নিতে আসেন। এখন থেকে এগুলোকে চিহ্নিত করে একটি অ্যাপের মাধ্যমে এসব সেবা দেয়া হবে। কষ্ট করে মাউশিতে না এসে দেশের যেকোনো স্থান থেকে আবেদন করা যাবে।

22
পার্বত্য এলাকা বলতে খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবন এলাকা কে বুঝানো হয়েছে। এসব এলাকায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইভেন দেশের বাইরে থেকেও প্রচুর পর্যটক যান! অনেকেই খোজ খবর করেন এইসব এলাকার হোটেল মোটেলে থাকা সম্পর্কে।
সেইজন্য এই ডক। ডকে পাবেন তিন পার্তব্য এলাকার 
বান্দরবানঃ
 ---------------------
হোটেল হিল ভিউ: শহরের কাছেই এ হোটেলের ভাড়া রুমপ্রতি ১০০০-৪০০০ টাকা। ফোন: ০৩৬১-৬৩০৪৫।
পর্যটন মোটেল: ভাড়া রুম প্রতি ৮৫০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে। ফোন: ০৩৬১-৬২৭৪১ এবং ০৩৬১-৬২৭৪২।
 হলি ডে ইন: ভাড়া রুম প্রতি ১৫০০-৩০০০ টাকা পর্যন্ত। ফোন: ০৩৬১-৬২৮৯৬
 ভেনাস রিসোর্ট: ফোন- ০৩৬১-৬৩৪০০, ০১৫৫২৮০৮০৬০।
 হোটেল প্লাজা: ফোন: ০৩৬১-৬৩২৫২।
 হিলসাইড রিসোর্ট: ভাড়া রুম প্রতি ১৫০০-৪০০০ টাকার মধ্যেই। ফোন: ০১৫৫৬৫৩৯০২২, ০১৭৩০০৪৫০৮৩।
 সাকুরা হিল রিসোর্ট: ভাড়া রুম প্রতি ১৫০০-৩০০০ টাকা পর্যন্ত।
 হোটেল ফোর স্টার: এটি বান্দরবান বাজারে অবস্থিত। রুম প্রতি ভাড়া ৩০০-১২০০ টাকা। ফোন:-০৩৬১-৬৩৫৬৬, ০১৮১৩২৭৮৭৩১,০১৫৫৩৪২১০৮৯।
হোটেল থ্রী স্টার : এটি বান্দরবান বাসস্ট্যান্ডের পাশে অবস্থিত। এটি ৮/১০  জন থাকার মতো ৪ বেডের এমন একটি ফ্ল্যাট। প্রতি নন এসি ফ্ল্যাট-২৫০০ টাকা,  এসি-৩০০০ টাকা। ফোন:- ০১৫৫৩৪২১০৮৯।
 Hotel hill Queen : 036163090
 Ranga Mati : Address: Fishery Ghat, Kathaltoli,, Rangamati 4500, Bangladesh
 Phone:+880 1553-409149
রাঙ্গামাটিঃ
 ---------------------
 (১) পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স
 ১২ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রতিটির ভাড়াঃ ১৮০০-২০০০ টাকা
 ৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৮০০-১০০০ টাকা
 ফোনঃ ০৩৫১-৬৩১২৬
 (২) হোটেল সুফিয়া
 ২৭ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রতিটির ভাড়াঃ ১০০০-১৫০০ টাকা।
 ৩৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৭০০-৮০০ টাকা
 যোগাযোগ ০৩৫১-৬২১৪৫, ৬১১৭৪, ০১৫৫৩৪০৯১৪৯
 (৩) হোটেল গ্রীন ক্যাসেল
 ৭ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রতিটির ভাড়াঃ ১২০০ হতে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত
 ১৬টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৭০০ হতে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত
 যোগাযোগঃ ০৩৫১-৭১২১৪, ৬১২০০, ০১৭২৬-৫১১৫৩২, ০১৮১৫-৪৫৯১৪৬
  এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হোটেল যেমন * হোটেল জজ *  হোটেল আল মোবা * হোটেল মাউন্টেন ভিউ * হোটেল ডিগনিটি * হোটেল সাফিয়া *  হোটেল ড্রিমল্যান্ড ইত্যাদি। এছাড়া কেউ ইচ্ছা করলে পেদা টিং টিং, টুকটুক  ইকো ভিলেজেও থাকতে পারেন।
খাগড়াছড়ি:
 ---------------------
  পর্যটন মোটেলঃ এটি শহরে ঢুকতেই চেঙ্গী নদী পার হলেই পরবে । মোটেলের সব  কক্ষই ২ বিছানার । ভাড়াঃ এসি ২১০০ টাকা, নন এসি ১৩০০ টাকা । মোটেলের  অভ্যন্তরে মাটিতে বাংলাদেশের মানচিত্র বানানো আছে । যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫ ।
  গিরি থেবার : এটি খাগড়াছড়ি শহরের কাছে খাগড়াছড়ি ক্যন্টনমেন্টের ভিতরে  অবস্থিত। এখানে সিভিল ব্যক্তিরাও থাকতে পারে। সব রুমই শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত।  যার মধ্যে ২ টি ভি আই পি রুম, প্রতিটির ভাড়া ৩০৫০ টাকা। ডাবল রুম ভাড়া  ২০৫০ টাকা। একটি সিংগেল রুম যার ভাড়া ১২০০ টাকা। যোগাযোগ : কর্পোরেল  রায়হান- ০১৮৫৯০২৫৬৯৪।
 হোটেল ইকো ছড়ি ইনঃ খাগড়াপুর ক্যান্টর্মেন্ট এর  পাশে পাহাড়ী পরিবেশে অবস্থিত । এটি রিসোর্ট টাইপের হোটেল । যোগাযোগঃ  ০৩৭১-৬২৬২৫ , ৩৭৪৩২২৫ ।
 হোটেল শৈল সুবর্নঃ ০৩৭১-৬১৪৩৬ , ০১১৯০৭৭৬৮১২ ।
 হোটেল জেরিনঃ ০৩৭১-৬১০৭১ ।
 হোটেল লবিয়তঃ ০৩৭১-৬১২২০ , ০১৫৫৬৫৭৫৭৪৬ , ০১১৯৯২৪৪৭৩০ ।
 হোটেল শিল্পীঃ ০৩৭১-৬১৭৯৫ ।

24
কিছুদিন আগে একটি পোস্ট এর মাধ্যমে গ্রুপের সদস্যদের কাছ থেকে মতামত চেয়েছিলাম এই বিষয়ে। সে সব মতামত গুছিয়ে একটা তালিকা তৈরী করলাম। নিজেরা যাচাই করে দেখতে পারি ঘুরতে গিয়ে আমরাও ক্ষতিকর কিছু করছি না তো?
(এছাড়াও নানা বিষয় রযে গেছে। এখানে মন্তব্যসমুহ থেকে পাওয়া বিষয়গুলোই শুধু গুছিয়ে দেয়া হয়েছে। আরো কিছু মাথায় আসলে কমেন্টে যোগ করে দিন।)
কখন কাউকে অসচেতন /খারাপ/ক্ষতিকর ট্রাভেলার বলা যায়? 
· কোথাও ঘুরতে যেয়ে যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা।
· পরিবেশ নোংরা করা ও পরিবেশ দূষন
· ঘুরতে গিয়ে বিস্কিট, চিপস এর প্যাকেট, পানির বোতল থ্যাদি ফেলে প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট করা।
· প্লাস্টিক রিসাইকেলে সচেতন না হওয়া।
· ভ্রমণ স্থানে ময়লা ফেলা, থুতু ফেলা।
· ভ্রমন স্থানের দেয়ালে বা প্রাকৃতিক নিদর্শনে লেখালেখি/আঁকি-বুকি করা।
· প্রকৃতির কাছে গিয়ে প্রকৃতির ক্ষতি করা।
· শব্দ দূষণ করা, প্রকৃতির নিরবতা ভাঙ্গা, প্রকৃতি বিরুদ্ধাচার করা।
· ঝর্ণা/ পাহাড়/ বন/ সৈকত/প্রাকৃতিক পরিবেশে ডিজে পার্টি করা বা জোরে শব্দ সৃস্টি করা।
· অতিরিক্ত হৈ-হুল্লোড় করা । এতে স্থানীয়দের সমস্যা হয়, পরিবেশের ক্ষতি হয়  এবং অন্য ট্রাভেলার রাও উপভোগ করতে পারেননা।
· দলবল সহ একটু  নির্জন জায়গা গুলতে ডিজে পার্টি বা হৈ হল্লা করা। পাবলিক প্লেসে সাতপাচ চিন্তা না করে বিড়ি সিগারেট খাওয়া।
· সংরক্ষিত এলাকার নিয়ম কানুন না মেনে ঘুরা।
 
· বড় বড় দলে কোনো প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘুরতে যাওয়া।
· মাত্রাতিরিক্ত সংখ্যার ট্রাভেলার হয়ে কোনো প্রাকৃতিক পরিবেশে যাওয়া এবং প্রাকৃতিক পরিবেশকে হাট-বাজার বানিয়ে ফেলা।
· প্লেজার রিক্রিয়েশনের বা হৈচৈ/ফুর্তী করার উদ্দেশ্যে কোনো প্রাকৃতিক পরিবেশে (যেখানে এসব এক্টিভিটির ইম্প্যাক্ট সাপোর্ট দেবার ব্যবস্থা নাই ) ঘুরেতে যাওয়া।
· শুধু ‘অমুক অমুক যায়গায় আমিও গিয়েছি’ এই কথাটা বলতে পারার জন্য ঘুরতে যাওয়া ।
· অন্যের ছবি /সেলফি দেখে নিজের ও একটা ছবি/সেলফি বা চেক ইন দেয়ার জন্য ঘুরতে যাওয়া।
· লোক-দেখানোর জন্য বা গল্প করে ভাব নেয়ার জন্য ঘুরতে যাওয়া ।
. তথাকথিত ‘বড়/সেলিব্রেটি ট্রাভেলার’ হিসাবে নাম কামানোর জন্য ঘুরতে যাওয়া।
· কোনো বিপন্ন প্রাকৃতিক যায়গা (যেখানে মানুষ গেলে তার বিপন্নতা আরো বাড়বে) তে ঘুরতে যাওয়া।
· বন্য প্রাণির জন্য সংরক্ষিত আবাসস্থলে ঘুরতে যাওয়া।
· কোনো বন্য প্রানী খাওয়া বা খাওয়ার লোভ করা।
· বন্য পশু পাখিদের শিকার করা বা আঘাত করা ।
· গাছ-পালা সহ কোনো প্রাকৃতিক উপাদানের ক্ষতিসাধন করা বা নষ্ট করা ।
· প্রাকৃতিক স্যুভেনির কালেক্ট করা...যেমন সেন্ট মার্টিন এ গিয়ে প্রবাল/ঝিনুক ইত্যাদি নিয়ে আসা।
· স্থানীয় সংস্কৃতি কে সম্মান না করা ।
· বিভিন্ন ধর্ম, সংস্কৃতি ও জীবনাচারের প্রতি অসন্মান প্রদর্শন।
· অনেকেই দর্শনীয় ধর্মীয় স্থানগুলোতে গিয়ে হৈচৈ করে, নিয়ম ভেঙ্গে জুতা পরে এখানে সেখানে উঠে যায়, ছবি তুলতে গিয়ে বাড়াবাড়ি করে যা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু।
· কোন জায়গায় গেলে সেই জায়গাটাকে যদি প্রপার সম্মান না দেখানো হয় তাহলেই তা ক্ষতিকর। সেটা স্মৃতিসৌধে গিয়ে কবরের ওপর বসে বাদাম খাওয়াই হোক অথবা তিনাপে গিয়ে ধ্যানমগ্ন ভান্তেকে বিরক্ত করাই হোক।
· কোথাও ঘুরতে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে বাজে আচরন, অশ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখা। হামবড়া ভাব নেয়া।
· দলীয় কিংবা ব্যক্তিগত প্রভাব দেখিয়ে অযাচিত সুযোগ সুবিধা ভোগ করা। অন্যের সমস্যা সৃস্টি করা।
· অসহিষ্ণু আচরন প্রদর্শন।
· ঘুরতে গিয়ে অতিরিক্ত ছবি/সেলফী তোলা।
· বেশী বেশী ছবি/সেলফী তুলতে গিয়ে অন্যকে বিরক্ত করা বা প্রকৃতি উপভোগ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা।
· ছবি/ সেলফি তোলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজকরা বা ঝুঁকিপূর্ণ যায়গায় দাঁড়ানো।     
· ঘুরতে গিয়ে অন্য মানুষ/কাপল/নারী দের উদ্দেশ্যে আজেবাজে মন্তব্য করা।
· ঘুরতে গিয়ে ঐ স্থানের/আবাসস্থল এর/হোটেল এর কোন কিছু চুরি করা।
· স্বেচ্ছায় কেউ সাহায্য করতে আসলে বা কারো সাহায্য নিলেই তাদের অবস্থান চিন্তা না করেই বকশিশ দেওয়ার কথা ভাবা।
· অযথা টাকার গরম দেখানো বা অযথা বাড়তি টাকা প্রদান।
· অতিরিক্ত কৃপণ আচরন করা ও বাজে ব্যবহার করা।

· ঘুরতে গিয়ে স্বার্থপর মনোভাব দেখানো, অন্যদের সুবিধার জন্য কম্প্রোমাইজ না করা, সুযোগ সন্ধানী হওয়া।   
· ঘুরতে গিয়ে সবকিছুতে 'আমার বেশি ভালোটা লাগবে' আচরন, অন্যের ভালো চিন্তা না করা।
· দলে ঘুরতে গিয়ে দলের অন্যদের প্রতি অশ্রদ্ধাজনক আচরন করা,  অসহিষ্ণু আচরন প্রদর্শন করা।
· কথায় কথায় অভিযোগ করা । যেমন ঘুরতে গেলে শুধু অভিযোগ আর অভিযোগ।এইটা বেশি হইছে। ওই কটেজ ভাল ছিল না।এই বাসের সিট ভাল না।ওই লোকটা দাম বেশি নিছে।তরকারি টা ভাল ছিল কিন্তু ঝাল কম হইছে আরও অনেক কিছু।
· ঘুরতে গিয়ে অল্পতেই সবার সাথে তর্ক করা।
· ঘুরতে গিয়ে মাদক সেবন ও মাদক সেবন করে হৈ-হুল্লোড় করে অযাচিত পরিস্থিতি তোইরী করা।
· দলে ঘুরতে গিয়ে নিজের মন মর্জি মতো চলা, দল এর কার্যক্রমে যোগ না দেয়া, অন্যের কথা না ভেবে  হাজার টা দোষ ধরা।
· দলে ঘুরতে গিয়ে অন্যের ব্যাক্তিগত ব্যবহারের জিনিশ না বলে ব্যবহার করা। 

· যেখানে ভ্রমণে পরিকল্পনা দরকার, সেখানে ঠিক মতো পরিকল্পনা না ও সঠিক ভাবে তথ্য সংগ্রহ না করে ঘুরে যাওয়া।
· সঠিক শারিরিক, মানসিক ও তথ্যগত প্রস্তুতি না নিয়ে ঘুরতে যাওয়া।
· ঘুরতে গিয়ে পরিবেশ/পরিস্থিতি/ব্যাক্তি কে মানিয়ে নেয়ার ক্ষমতা/ইচ্ছা না রাখা।
· প্রতিকূল পরিবেশ/বিপদে অতিরিক্ত অস্থিরতা প্রদর্শন, অতিরিক্ত প্যানিক হয়ে অন্যদের ঝামেলায় ফেলা।
· নিজের শারিরিক/মানসিক অবস্থা না বুঝে, স্টামিনা লেভেল না চিন্তা করে ওভার কনফিডেন্স হয়ে বা হঠকারি সিধ্বান্ত নিয়ে ঝুঁকিপুর্ণ কোথাও ঘুরতে যাওয়া।
· ভ্রমণে উত্তেজনার বশে, না জেনে না শুনে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা না ভেবে অতিরিক্ত ঝুঁকি নেয়া বা দুঃসাহস দেখানো।
· ঘুরতে গিয়ে প্রতিকুল পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেয়ার মানসিকতা না রাখা ও মানিয়ে নেয়ার চেস্টা না করা।
· ঘুরতে গিয়ে ঝগড়া ঝাটি/মারামারি করা।

25
হাতে একটা ছুটির দিন পেয়ে গেছেন? প্রাচীন জিনিসে খুব আগ্রহ? শহরের যন্ত্রনা থেকে মুক্তি চান???
ঘুরে আসুন বালিয়াটি আর পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি।
যাওয়ার পদ্ধতি একদম ই সোজা। দিনের প্রথম প্রহরে যাত্রা শুরু করাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। বালিয়াটি জমিদার বাড়ি রবিবার পূর্ন দিবস আর সোমবার অর্ধ দিবস আর অন্যান্য সরকারি ছুটি যেমন ঈদ, পূজো এসব সময় ও বন্ধ থাকে। যাই হোক। দিনের প্রথম প্রহরে সোজা চলে যাবেন গাবতলি। গাবতলি বিভিন্ন ভাবে যেতে পারেন। চাইলে সদরঘাট থেকে একটা নৌকা নিয়ে ও চলে আসতে পারেন। গাবতলি তে এসবি লিংক এর ডাইরেক্ট বাস পাওয়া যায়। ডাইরেক্ট মানে কিন্তু সিটিং সার্ভিস না। ডাইরেক্ট মানে ইনারা সোজা রাস্তায় বালিয়াটি বুঝিয়েছেন। ভয়ানক লোকাল জিনিস।
এই এসবি লিংক এ সোজা চলে যেতে পারেন সাটুরিয়া/বালিয়াটি। তবে আমার মতে বালিয়াটি যাওয়াটাই ভাল। বালিয়াটি যেতে খরচ পড়বে জনপ্রতি ৮০ টাকা। বালিয়াটি থেকে ৫ টাকা করে ভ্যানে যাওয়া যায়। অথবা রিক্সা ১০ টাকা। আর সাটুরিয়া থেকে রিক্সা বা ভ্যানে ১৫/২০ টাকা নেয়।
জমিদারবাড়ির আসেপাশে ছোটখাট খাওয়ার দোকান আছে ওখানে দুপরের লাঞ্চ করতে পারেন। তবে পাটুরিয়া জমিদারবাড়ি দেখতে গিয়ে ওখানে লাঞ্চ করলেই ভাল। ওদিকের দোকান গুলো এদিকের তুলনায় মোটামুটি খারাপ না।
জমিদারবাড়িতে ঢুকতে ২০ টাকা করে দিতে হয়।
প্রবেশের পর ই চারটি সারিবদ্ধ বিশাল প্রাসাদ দেখা যায়। এর মধ্যে একটি তে জাদুঘর। পিছনে বাড়িগূলোর অন্দরমহল এবং বিশাল দিঘী দেখে সত্যি ই মনে হবে আসা সার্থক।
জমিদার বাড়ি ভ্রমণ শেষ হলে চলে যেতে পারেন পাকুটিয়া। বাস এ অথবা সিএনজি তে যেতে পারেন। সি এন জি তে লোকাল ২০ করে নেয়।
পাকুটিয়া জমিদারবাড়ি তে কোন টিকেট লাগে না। ওখানের স্থাপনা শৈলী দেখে আপনি সত্যি ই আশ্চর্য হবেন।
এরপর ওখান থেকেই ডাইরেক্ট এসবি লিংক ৯০ করে ডাইরেক্ট ঢাকা পৌছে দেয়।
সময়: এটা নির্ভর জ্যামের উপর। প্রায় ৩ ঘন্টা লাগে আসতে।
সব শেষে একটা সুন্দর স্মৃতি আপনাকে আগামী ব্যাস্ততম দিন গুলোতে আলাদা একটা প্রশান্তি যোগাবে।

26
বৃষ্টির তুমুল শব্দ হচ্ছে কিন্তু আপনার গায়ে এক ফোঁটাও পড়ছে না, কারণ বৃষ্টি হচ্ছে নিচে আর আপনি আছেন মেঘের সাথে? চারিদিকে সবুজ আর উপরে আকাশ, পুরো ৩৬০ডিগ্রি দেখতে পাচ্ছেন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আর হাত বাড়ালেই পাচ্ছেন মেঘের স্পর্শ?
যদি এমনটাই হয় তাহলে আপনি জয় করেছেন ১০০১টি সিঁড়ি পেড়িয়ে ১১২৫ ফুট উপরের চন্দ্রনাথ পাহাড়। এডভেঞ্চার কাকে বলে তার প্রকারভেদসহ নির্ধিদায় আপনার প্রিয়জনকে চ্যালেঞ্জ দিতে পারেন আর উপভোগ করতে পারেন অমূল্য শান্তি।
পাহাড়ে উঠে আর নেমে ক্লান্ত? তাহলে চলে যেতে পারেন বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতে আর গা ভাসিয়ে দিন পানিতে। আর চাইলেই খেলে নিতে পারেন ফুটবল।
কিভাবে যাবেন?
- যে কোন জায়গা থেকে সীতাকুণ্ড রেলস্টেশন অথবা সীতাকুণ্ড বাসস্ট্যান্ড। আমরা ঢাকা থেকে রাত ১০ঃ৩০ টায় চট্টগ্রাম মেইলে  সকাল ৬ টায় সীতাকুণ্ড স্টেশনে পোঁছাই।
- স্টেশনে বা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২ মিনিট হেটে আসুন সীতাকুণ্ড বাজারে, সকালের নাস্তা সেড়ে চন্দ্রনাথ পাহাড় বলে ২০ টাকা সিএনজি করে চলে যান চন্দ্রনাথ পাহাড়ের ঠিক পাদদেশে।
- এর পর হাঁটার পথ, পায়ে হেঁটে উঠে পড়ুন পাহাড়ে। আমাদের ২.৩০ঘন্টা লেগেছে উঠতে। মাঝে পাবেন ঝর্না আর অনেকগুলো মন্দির।
- পাহাড়ে উঠে উপভোগ করুন পরিবেশ তারপর নেমে আসুন ঠিক যেখানে সিএনজি থেকে নেমেছিলেন। আমাদের নামতে ১.৫০ ঘন্টা লেগেছে।
- তারপর বার সিএনজি করে চলে আসুন সীতাকুণ্ড বাজারে ২০ টাকায়, দুপুরের খাবার খেয়ে বাঁশবাড়িয়ার উদ্দেশ্যে সেইফ লাইন বাস অথবা লেগুনা করে ২০ টাকায় আসুন বাঁশবাড়িয়া বাজারে। তারপর বাজার থেকে সিএনজি করে ২০ টাকায় চলে যান বাঁশবাড়িয়া ঘাটে।
- বিকালটা উপভোগ করে ঘাট থেকে বাঁশবাড়িয়া বাজার আসুন, পরে বাস বা লেগুনাতে ৩০ টাকা করে চলে যান চট্টগ্রামের অলংকার মোড়ে।
- অলংকার মোড় থেকে বাসে করে অথবা ১৫ টাকা করে লেগুনাতে স্টেশন থেকে ঢাকায় ব্যাক করতে পারেন।
যা যা নিতে ভুলবেন নাঃ
- পানি (মাস্ট) পাহাড়ে উঠার বা নামার সময় আপনার একমাত্র সঙ্গি পানি। যদি পারেন একদম বরফ ঠান্ডা পানি নিতে পারেন সীতাকুণ্ড বাজার থেকে।
- লেবু বা পেয়ারা ( আগে থেকে নিলে ভাল, তবে পাহাড়ে উঠার সময় মাঝে একটা দোকানে কিনতে পারবেন)। পাহাড়ে উঠতে বমি ভাব কাটাতে আর এনার্জি যোগাতে লেবু বা পেয়ারার বিকল্প নাই।
- বাঁশ (২০ টাকা করে পাবেন পাহাড়ের পাদদেশে) আপনার পাহাড়ে উঠার বা নামার অর্ধেক কাজ করে দিবে এই বাঁশ।
যদি পারেন একদম হাল্কা পাতলা কাপড় পরার ট্রাই করবেন আর ব্যাগ যত হাল্কা হবে ততই ভাল। চাইলে ব্যাগ পাহাড়ের নিচে দোকানে রেখে যেতে পারেন। দোকানদারেরা বিশ্বাসযোগ্য তবে বিনিময়ে কিছু টাকা দিতে হবে।

27
১০-১২ জনের গ্রুপে আসবেন সেক্ষেত্রে দুই সিএনজি, একটি নোহা অথবা লেগুনা নিয়ে যেতে পারবেন।
রিজার্ভ আপডাউন ভাড়া  সিএনজি ১০০০  নোহা ৩০০০ এবং লেগুনা ১৮০০ টাকা
সিএনজি আম্বরখানায়, লেগুনা বন্দর ওসমানী শিশু পার্কের সামনে এবং নোহা আলিয়া মাদ্রাসার সামনে পাবেন।
গাড়ি রিজার্ভের সময় হাদার পাড় কথাটা ভাল করে ড্রাইভার কে বললেন, হাদার পাড়েই যেন নিয়ে যায়।
গাড়ি যেখানে নামাবে আশেপাশের দোকানে এলাকার নাম দেখে নিন, ড্রাইভাররা আজকাল মিথ্যা বলে হাদার পাড়ের অনেক আগে নামিয়ে দেয়গাড়ি হাদারপারের কথা বলে নিছেন তাই কখনই অন্যকোন বাজারে ড্রাইভার নামাতে চাইলে নামবেন না।
হাদার পার যাওয়া যাবে না রাস্তা খুব ভাঙ্গা বললে বুঝে নিতে হবে সে যেখানে নামচ্ছে এই ঘাট থেকে কমিশন পায়।
হাদার পারে না যাবার জন্য অনেক বাহানা করবে তবুও থাকে যেতে বলবেন রাস্তা ভাঙ্গা হলে হেটে যাওয়া যাবে বলবেন। গাড়ি যাওয়ার মত যথেষ্ট ভালো রাস্তা হাদারপারের, নিশ্চিত থাকেন গাড়ি আটকে যাবে না।
পীরের বাজার ঘাটে নামা মানেই তিনগুন বেশি ভাড়ায় নৌকা নিতে হবে, গলাকাটা ভাড়া যথাক্রমে ১৫০০,১৮০০,২৫০০ যার কাছ থেকে যত নিতে পারে।
হাদারপার নেমে হেটে যাবেন আনফারের ভাঙ্গা।
গ্রুপের সবাইকে একটু দূরে রেখে নৌকা রিজার্ভ করতে যাবেন। মাঝিদের ভাড়া কত জিজ্ঞেস করবেন এবং ১৫০০ বা ১৮০০ টাকা চাইবে।
৫০০ টাকায় যাবেন কিনা বলে দিবেন কোন সংকোচ করবেন না এবং যেতে রাজি না হলে বলবেন আরো ১০০ দিব যাবেন, না গেলে আরো অনেক নৌকা আছে।
আনফারের ভাঙ্গায় এত নৌকা এখন যে পর্যটক দের নিয়ে কাড়াকাড়ি লেগে যায়, ৬০০ টাকায় কোন নৌকা না পাইলে ৭০০ টাকায় বাড়বেন এবং নৌকা পাবেন। হেটে হেটে এক নৌকা থেকে অন্য নৌকার দিকে যাবেন দামাদামি শুরু করবেন।
নৌকায় মাত্র ১৫-২০ মিনিট সময় লাগবে পৌছাইতে।

30
Very Informative post.  :D

Pages: 1 [2] 3 4