Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - nafees_research

Pages: 1 ... 14 15 [16] 17 18 ... 21
226
টিফিন বক্স ছাড়াই কারখানায় আসেন তাঁরা

দুপুরে রান্না হয়েছে ৭ হাজার ৫০০টি ডিম, ১ হাজার ৫২৫ কেজি চালের ভাত, ১৫০ কেজি ডাল। ডিম, সবজি ও ডালসহ রান্নায় তেল লেগেছে ১০৪ কেজি। গত ২৬ এপ্রিল রান্নায় এক বেলায় খরচ হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৭৭ টাকা। ঢাকার ধামরাইতে স্নোটেক্স আউটার ওয়্যার লিমিটেডের স্টাফ এবং শ্রমিকদের জন্য এই রান্না হয়। রান্না করা এই খাবার তাঁরা খান বিনা মূল্যে। স্টাফ ছাড়া কারখানাটিতে শুধু পোশাকশ্রমিকের সংখ্যা ৭ হাজার ৩০০।

২০১৫ সাল থেকে কারখানাটি খোলা থাকলে প্রতিদিনই দুপুরের চিত্র এটি। প্রথমে শুধু ডাল, ভাত এবং সবজি দেওয়া হতো। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির কথা চিন্তা করে সম্প্রতি তাতে ডিম ও মুরগি যোগ হয়েছে। রান্নার জন্য নিয়োজিত জনবলের বেতন, সিলিন্ডার গ্যাসের খরচসহ কারখানামালিকের মাসে খরচ হয় প্রায় ৬০ লাখ টাকা। শ্রম আইনে শুধু দুপুরের খাবার বিরতি এক ঘণ্টা হবে বলে উল্লেখ থাকলেও বিনা মূল্যে খাবার দেওয়ার কথা বলা হয়নি।

ধামরাইয়ের ধুলিভিটায় অবস্থিত আটতলা ভবনের অষ্টম তলায় কারখানার যে ডাইনিং তাতে একসঙ্গে ১ হাজার ৪০০ শ্রমিক বসে খেতে পারেন। কারখানা ভবনের একটু দূরেই রয়েছে স্টোর ও বিশাল রান্নাঘর। বিশেষ লিফটে করে খাবার পৌঁছে যায় এই তলায়। আট হাজার মানুষের জন্য রয়েছে আলাদা প্লেট।

কারখানার শ্রমিকেরা জানালেন, অন্য কারখানার মতো এই কারখানায় তাঁদের টিফিন ক্যারিয়ার বহন করতে হয় না। দুপুরে রান্নার জন্য নারী শ্রমিকদের বাড়তি সময় ব্যয় করতে হয় না। বাসা থেকে আনা খাবার নষ্ট হয়ে গেল কি না, তা-ও চিন্তা করতে হয় না। দুপুরে হেঁটে বাসায় গিয়ে খাবার খাওয়া বা বাড়তি দাম দিয়ে দোকান থেকে খাবার কিনে খেতে হয় না। এক বেলা খাবারের টাকাটা সাশ্রয় হচ্ছে। গরম খাবার খাচ্ছেন বলে শ্রমিকেরা অসুস্থও হন কম।

ইউনাইটেড স্টেট গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল এবং অ্যাকর্ডের সনদপ্রাপ্ত কারখানাটির মালিক এস এম খালেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘খুব কমসংখ্যক কারখানা শ্রমিকদের দুপুরের খাবার দিচ্ছে। তবে অনেকেই বেতনের টাকা থেকে টাকা কেটে নিচ্ছে বা প্যাকেট খাবার দিচ্ছে। আমার কারখানায় শ্রমিকদের গরম খাবার দেওয়া হচ্ছে, রান্নার দায়িত্ব কোনো ঠিকাদারকে দেওয়া হয়নি। রান্নার মান ঠিক আছে কি না, তা জানতে এবং বুঝতে কারখানায় গেলে আমি নিজেও শ্রমিকদের জন্য রান্না করা খাবার খাই। খাবারের পেছনে আমার ভালোই খরচ হচ্ছে। তবে এতে শ্রমিকদের অন্য কারখানায় চলে যাওয়ার হার কমানো গেছে। আমার উৎপাদন খরচও কমে গেছে।’

কারখানাটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে ২০১৪ সালে। সবুজ কারখানা হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লিড গোল্ড স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কারখানাটি চলতি বছরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ‘পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি উত্তম চর্চা পুরস্কার’ পেয়েছে। গত বছর বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানায় উত্তম চর্চার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও যে পাঁচটি কারখানাকে স্বীকৃতি দেয় তাতেও কারখানার নাম আছে। চলতি বছরে পোশাক কারখানার খবর পরিবেশনকারী আরএমজি টাইমসের ‘আরএমজি টাইমস বেস্ট প্র্যাকটিস অ্যাওয়ার্ড’ও পেয়েছে কারখানাটি।

কারখানাটিতে শ্রমিকদের খাবার দেওয়ার জন্য সিভিল সার্জনের কাছ থেকে সনদ নেওয়া হয়েছে। এখানে রান্নাঘরের স্টোরের দায়িত্বে থাকা সাইদুল ইসলাম ২৬ এপ্রিলের বাজারের ফর্দ উল্লেখ করে জানালেন, ওই দিন সবজির জন্য পেঁপে ছিল ১৮৭ কেজি, চালকুমড়া ৫৮৫ কেজি, কাঁচা কলা ৬০ কেজি, চিচিঙ্গা ১০৬ কেজি এবং আলু লেগেছে ৩০০ কেজি। শুধু পেঁয়াজই লেগেছে ৮০ কেজি। কারখানায় উপস্থিতির ভিত্তিতে কেজির পরিমাণে কিছুটা হেরফের হয়। এ রান্নার দায়িত্বে আছেন ৬ জন মূল বাবুর্চিসহ মোট ১৮ জন বাবুর্চি। আর বাবুর্চিসহ রান্নার কাজে সহায়তা করা মোট জনবলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ জন।

কারখানাটির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এ এইচ এম কামরুজ্জামান চৌধুরী (কমপ্লায়েন্স) বলেন, এ কারখানার নীতি হচ্ছে ‘সুখী হই সুখী করি’। শ্রমিক ও কর্মীদের পেছনে দুপুরের খাবার দিতে কারখানার যে খরচ হচ্ছে, তাকে বিনিয়োগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

২৬ এপ্রিল সকালের দিকে কারখানায় পৌঁছে দেখা যায়, শ্রমিকেরা আপনমনে কাজ করছেন আর শ্রমিকদের বিনোদনের জন্য প্রতি ফ্লোরে গান বাজানো হচ্ছে। দুপুরের খাবারের সময় দেখা গেল, শ্রমিকদের কেউ মাঠে বসে চুল আঁচড়াচ্ছেন, কেউ ফোনে দরকারি কথা সেরে নিচ্ছেন। অনেকে নিজেদের মধ্যে গল্পে মেতেছেন। আর ডাইনিং রুমে একসঙ্গে খেতে বসেছেন ১ হাজার ৪০০ শ্রমিক। কোনো হুড়োহুড়ি নেই। লম্বা বেসিনে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও হাত ধোয়ার পানির ব্যবস্থা আছে। লাইন করে সবজি এবং ডিমের তরকারি নিয়ে কয়েকজন কর্মী দাঁড়ানো। শ্রমিক প্লেট নিয়ে প্রথমে সবজি নিচ্ছেন পরে ডিমের ঝোল বা মুরগি থাকলে তা নিয়ে যেখানে খালি জায়গা পাচ্ছেন সেখানেই বসে যাচ্ছেন। টেবিলে গরম ধোঁয়া ওঠা ভাত ও ডাল। যাঁর যতটুকু লাগছে নিজেরাই নিয়ে খাচ্ছেন। খাওয়া শেষে প্লেট ধোয়ার জন্যও আছে নির্দিষ্ট জনবল।

কারখানার অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও এই একই ভাত ও ডাল খাচ্ছেন, তবে এর পাশাপাশি নিজেরা মাসিক ৭০০ টাকা করে জমা দিচ্ছেন। কারখানা কর্তৃপক্ষের ডিম বা মুরগির জন্য দেওয়া বরাদ্দের সঙ্গে কিছু টাকা যোগ করে নিজেদের মতো করে একেক দিন একেক মেন্যু খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে খাবারের মান ঠিক আছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য সপ্তাহে এক দিন শ্রমিকদের জন্য যে খাবার, তা খেতে হয় স্টাফদের।

কারখানাটি শ্রমিকদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য আইনের বাইরে নানান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শ্রমিকেরা মজুরি পাচ্ছে ওই মাসের শেষ কর্মদিবসে। নতুনদের কাজে সহায়তার জন্য শ্রমিকদের মধ্য থেকেই ‘সাহায্যকারী বন্ধু’, শ্রমিকদের প্রতিভা বিকাশে স্নোটেক্স বার্তা প্রকাশ, কর্মীরা কেমন আছেন, তার জন্য ‘সুখ’ জরিপ করছে। অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের বিশেষ সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁদের হাতে লাগানো হয় বিশেষ রঙের কাপড়, দেওয়া হয় হালকা কাজ। নারী শ্রমিকদের কম মূল্যে প্রতি মাসে দেওয়া হচ্ছে স্যানিটারি ন্যাপকিন।

‘টাইগার’ নিয়ে লড়াই

কারখানার প্রতি ফ্লোরে একটি করে কাপড়ের তৈরি ‘টাইগার’ বা বাঘ বসে আছে। যে লাইন বা যে ফ্লোর সবচেয়ে ভালো কাজ করে, ‘টাইগার’ চলে যায় তাদের দখলে। এর জন্য লাইন বা ফ্লোর পাচ্ছে ৭০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে নানান অঙ্কের টাকা। এ টাকা সবার মধ্যে ভাগাভাগি হচ্ছে। কর্মীদের বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচানোর জন্য রেইনকোট এবং ইউনিফরম দেওয়া হচ্ছে বিনা মূল্যে। হাজিরা বোনাস, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কাজের সুবিধা, প্রভিডেন্ট তহবিলসহ মোট ২২ ধরনের প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিকেরা শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, বাজারমূল্য থেকে কম মূল্যে পণ্য কেনার জন্য ক্যানটিন-ব্যবস্থা এবং ক্লিনিকে গিয়ে সেবা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

কারখানাটির মালিক এস এম খালেদের মতে, এ সুবিধাগুলো হচ্ছে শ্রমিকদের জন্য ‘একটু বাড়তি’ দেওয়া। এই বাড়তি দেওয়ার কারণেই কারখানার আয়তন ১০ বিঘা থেকে ৩০ বিঘা করা সম্ভব হয়েছে। দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন কারখানার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকা সম্ভব হচ্ছে। তিনি জানালেন, কারখানায় আধুনিক রান্নাঘর তৈরির প্রস্তুতি চলছে। চলতি বছর থেকে কারখানার যে লাভ, তার ৫ শতাংশের অংশীদার হবে শ্রমিকেরা। যাতে শ্রমিকেরা নিজেকে কারখানার একজন বলে মনে করতে পারেন।

Source: http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1486791/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE

227

টিফিন বক্স ছাড়াই কারখানায় আসেন তাঁরা

দুপুরে রান্না হয়েছে ৭ হাজার ৫০০টি ডিম, ১ হাজার ৫২৫ কেজি চালের ভাত, ১৫০ কেজি ডাল। ডিম, সবজি ও ডালসহ রান্নায় তেল লেগেছে ১০৪ কেজি। গত ২৬ এপ্রিল রান্নায় এক বেলায় খরচ হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৭৭ টাকা। ঢাকার ধামরাইতে স্নোটেক্স আউটার ওয়্যার লিমিটেডের স্টাফ এবং শ্রমিকদের জন্য এই রান্না হয়। রান্না করা এই খাবার তাঁরা খান বিনা মূল্যে। স্টাফ ছাড়া কারখানাটিতে শুধু পোশাকশ্রমিকের সংখ্যা ৭ হাজার ৩০০।

২০১৫ সাল থেকে কারখানাটি খোলা থাকলে প্রতিদিনই দুপুরের চিত্র এটি। প্রথমে শুধু ডাল, ভাত এবং সবজি দেওয়া হতো। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির কথা চিন্তা করে সম্প্রতি তাতে ডিম ও মুরগি যোগ হয়েছে। রান্নার জন্য নিয়োজিত জনবলের বেতন, সিলিন্ডার গ্যাসের খরচসহ কারখানামালিকের মাসে খরচ হয় প্রায় ৬০ লাখ টাকা। শ্রম আইনে শুধু দুপুরের খাবার বিরতি এক ঘণ্টা হবে বলে উল্লেখ থাকলেও বিনা মূল্যে খাবার দেওয়ার কথা বলা হয়নি।

ধামরাইয়ের ধুলিভিটায় অবস্থিত আটতলা ভবনের অষ্টম তলায় কারখানার যে ডাইনিং তাতে একসঙ্গে ১ হাজার ৪০০ শ্রমিক বসে খেতে পারেন। কারখানা ভবনের একটু দূরেই রয়েছে স্টোর ও বিশাল রান্নাঘর। বিশেষ লিফটে করে খাবার পৌঁছে যায় এই তলায়। আট হাজার মানুষের জন্য রয়েছে আলাদা প্লেট।

কারখানার শ্রমিকেরা জানালেন, অন্য কারখানার মতো এই কারখানায় তাঁদের টিফিন ক্যারিয়ার বহন করতে হয় না। দুপুরে রান্নার জন্য নারী শ্রমিকদের বাড়তি সময় ব্যয় করতে হয় না। বাসা থেকে আনা খাবার নষ্ট হয়ে গেল কি না, তা-ও চিন্তা করতে হয় না। দুপুরে হেঁটে বাসায় গিয়ে খাবার খাওয়া বা বাড়তি দাম দিয়ে দোকান থেকে খাবার কিনে খেতে হয় না। এক বেলা খাবারের টাকাটা সাশ্রয় হচ্ছে। গরম খাবার খাচ্ছেন বলে শ্রমিকেরা অসুস্থও হন কম।

ইউনাইটেড স্টেট গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল এবং অ্যাকর্ডের সনদপ্রাপ্ত কারখানাটির মালিক এস এম খালেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘খুব কমসংখ্যক কারখানা শ্রমিকদের দুপুরের খাবার দিচ্ছে। তবে অনেকেই বেতনের টাকা থেকে টাকা কেটে নিচ্ছে বা প্যাকেট খাবার দিচ্ছে। আমার কারখানায় শ্রমিকদের গরম খাবার দেওয়া হচ্ছে, রান্নার দায়িত্ব কোনো ঠিকাদারকে দেওয়া হয়নি। রান্নার মান ঠিক আছে কি না, তা জানতে এবং বুঝতে কারখানায় গেলে আমি নিজেও শ্রমিকদের জন্য রান্না করা খাবার খাই। খাবারের পেছনে আমার ভালোই খরচ হচ্ছে। তবে এতে শ্রমিকদের অন্য কারখানায় চলে যাওয়ার হার কমানো গেছে। আমার উৎপাদন খরচও কমে গেছে।’

কারখানাটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে ২০১৪ সালে। সবুজ কারখানা হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লিড গোল্ড স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কারখানাটি চলতি বছরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ‘পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি উত্তম চর্চা পুরস্কার’ পেয়েছে। গত বছর বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানায় উত্তম চর্চার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও যে পাঁচটি কারখানাকে স্বীকৃতি দেয় তাতেও কারখানার নাম আছে। চলতি বছরে পোশাক কারখানার খবর পরিবেশনকারী আরএমজি টাইমসের ‘আরএমজি টাইমস বেস্ট প্র্যাকটিস অ্যাওয়ার্ড’ও পেয়েছে কারখানাটি।

কারখানাটিতে শ্রমিকদের খাবার দেওয়ার জন্য সিভিল সার্জনের কাছ থেকে সনদ নেওয়া হয়েছে। এখানে রান্নাঘরের স্টোরের দায়িত্বে থাকা সাইদুল ইসলাম ২৬ এপ্রিলের বাজারের ফর্দ উল্লেখ করে জানালেন, ওই দিন সবজির জন্য পেঁপে ছিল ১৮৭ কেজি, চালকুমড়া ৫৮৫ কেজি, কাঁচা কলা ৬০ কেজি, চিচিঙ্গা ১০৬ কেজি এবং আলু লেগেছে ৩০০ কেজি। শুধু পেঁয়াজই লেগেছে ৮০ কেজি। কারখানায় উপস্থিতির ভিত্তিতে কেজির পরিমাণে কিছুটা হেরফের হয়। এ রান্নার দায়িত্বে আছেন ৬ জন মূল বাবুর্চিসহ মোট ১৮ জন বাবুর্চি। আর বাবুর্চিসহ রান্নার কাজে সহায়তা করা মোট জনবলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ জন।

কারখানাটির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এ এইচ এম কামরুজ্জামান চৌধুরী (কমপ্লায়েন্স) বলেন, এ কারখানার নীতি হচ্ছে ‘সুখী হই সুখী করি’। শ্রমিক ও কর্মীদের পেছনে দুপুরের খাবার দিতে কারখানার যে খরচ হচ্ছে, তাকে বিনিয়োগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

২৬ এপ্রিল সকালের দিকে কারখানায় পৌঁছে দেখা যায়, শ্রমিকেরা আপনমনে কাজ করছেন আর শ্রমিকদের বিনোদনের জন্য প্রতি ফ্লোরে গান বাজানো হচ্ছে। দুপুরের খাবারের সময় দেখা গেল, শ্রমিকদের কেউ মাঠে বসে চুল আঁচড়াচ্ছেন, কেউ ফোনে দরকারি কথা সেরে নিচ্ছেন। অনেকে নিজেদের মধ্যে গল্পে মেতেছেন। আর ডাইনিং রুমে একসঙ্গে খেতে বসেছেন ১ হাজার ৪০০ শ্রমিক। কোনো হুড়োহুড়ি নেই। লম্বা বেসিনে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও হাত ধোয়ার পানির ব্যবস্থা আছে। লাইন করে সবজি এবং ডিমের তরকারি নিয়ে কয়েকজন কর্মী দাঁড়ানো। শ্রমিক প্লেট নিয়ে প্রথমে সবজি নিচ্ছেন পরে ডিমের ঝোল বা মুরগি থাকলে তা নিয়ে যেখানে খালি জায়গা পাচ্ছেন সেখানেই বসে যাচ্ছেন। টেবিলে গরম ধোঁয়া ওঠা ভাত ও ডাল। যাঁর যতটুকু লাগছে নিজেরাই নিয়ে খাচ্ছেন। খাওয়া শেষে প্লেট ধোয়ার জন্যও আছে নির্দিষ্ট জনবল।

কারখানার অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও এই একই ভাত ও ডাল খাচ্ছেন, তবে এর পাশাপাশি নিজেরা মাসিক ৭০০ টাকা করে জমা দিচ্ছেন। কারখানা কর্তৃপক্ষের ডিম বা মুরগির জন্য দেওয়া বরাদ্দের সঙ্গে কিছু টাকা যোগ করে নিজেদের মতো করে একেক দিন একেক মেন্যু খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে খাবারের মান ঠিক আছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য সপ্তাহে এক দিন শ্রমিকদের জন্য যে খাবার, তা খেতে হয় স্টাফদের।

কারখানাটি শ্রমিকদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য আইনের বাইরে নানান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শ্রমিকেরা মজুরি পাচ্ছে ওই মাসের শেষ কর্মদিবসে। নতুনদের কাজে সহায়তার জন্য শ্রমিকদের মধ্য থেকেই ‘সাহায্যকারী বন্ধু’, শ্রমিকদের প্রতিভা বিকাশে স্নোটেক্স বার্তা প্রকাশ, কর্মীরা কেমন আছেন, তার জন্য ‘সুখ’ জরিপ করছে। অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের বিশেষ সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁদের হাতে লাগানো হয় বিশেষ রঙের কাপড়, দেওয়া হয় হালকা কাজ। নারী শ্রমিকদের কম মূল্যে প্রতি মাসে দেওয়া হচ্ছে স্যানিটারি ন্যাপকিন।

‘টাইগার’ নিয়ে লড়াই

কারখানার প্রতি ফ্লোরে একটি করে কাপড়ের তৈরি ‘টাইগার’ বা বাঘ বসে আছে। যে লাইন বা যে ফ্লোর সবচেয়ে ভালো কাজ করে, ‘টাইগার’ চলে যায় তাদের দখলে। এর জন্য লাইন বা ফ্লোর পাচ্ছে ৭০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে নানান অঙ্কের টাকা। এ টাকা সবার মধ্যে ভাগাভাগি হচ্ছে। কর্মীদের বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচানোর জন্য রেইনকোট এবং ইউনিফরম দেওয়া হচ্ছে বিনা মূল্যে। হাজিরা বোনাস, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কাজের সুবিধা, প্রভিডেন্ট তহবিলসহ মোট ২২ ধরনের প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিকেরা শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, বাজারমূল্য থেকে কম মূল্যে পণ্য কেনার জন্য ক্যানটিন-ব্যবস্থা এবং ক্লিনিকে গিয়ে সেবা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

কারখানাটির মালিক এস এম খালেদের মতে, এ সুবিধাগুলো হচ্ছে শ্রমিকদের জন্য ‘একটু বাড়তি’ দেওয়া। এই বাড়তি দেওয়ার কারণেই কারখানার আয়তন ১০ বিঘা থেকে ৩০ বিঘা করা সম্ভব হয়েছে। দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন কারখানার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকা সম্ভব হচ্ছে। তিনি জানালেন, কারখানায় আধুনিক রান্নাঘর তৈরির প্রস্তুতি চলছে। চলতি বছর থেকে কারখানার যে লাভ, তার ৫ শতাংশের অংশীদার হবে শ্রমিকেরা। যাতে শ্রমিকেরা নিজেকে কারখানার একজন বলে মনে করতে পারেন।

Source: http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1486791/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE

228
Mobile Apps / 15 BEST MOBILE APPS FOR ENTREPRENEURS
« on: May 11, 2018, 04:23:30 PM »
15 BEST MOBILE APPS FOR ENTREPRENEURS

List of mobile apps every entrepreneur should use.

Being an entrepreneur is a rewarding experience. You have hundreds of tasks on your to-do list and have to solve problems every single day. You need to do extensive research, gather and manage your resources, maintain a communication level, build your brand presence, reach new clients, keep a track of all the accounts, and much more. With so much on your plate, is 24 hours a day enough? If not, then take a look at the following list of mobile apps that can help you manage your time and boost productivity.

Pocket
Suppose you found an inspirational story of an entrepreneur on your LinkedIn feed, but can’t read it at the moment. What will you do? Bookmark it and make it fall into the list of hundreds of bookmarked pages, right? The better alternative that technology provides is Pocket app.

The Pocket mobile app is the best ‘Save it for Later’ app for startup founders wishing to keep all their useful articles, images, videos, and other content saved at a single place for future use. The app allows you to save anything from nearly 1500 mobile apps and even from web browsers when a plug-in is added. The best part is that you can access the content from any device and even without Internet access.

Wunderlist
From details related to your current project to your upcoming vacation plan, Wunderlist lets you make a list of all the things. This virtual to-do list management mobile application is accessible from the phone, computer or any other device which means you can view your list of tasks from anywhere and anytime. You can also set reminders corresponding to all the tasks’ deadline and add images (or other media content) to your list.

The overwhelming feature of this productivity app for entrepreneurs is that they can easily share their lists with others and strike a conversation without switching to some messaging platform.

Wave
If managing invoices is on the top of your list of hectic tasks, make it interesting with Wave app. This cloud software and app help business leaders to create and send customized invoices, record the income and expenses, send friendly reminders to others, scan receipts, get a notification on payment, and so on. You can even accept card payment with this application.

Mint
Many startups face downtime and fail due to the money factor. But don’t worry! You can easily manage your budget and make a better financial decision with the Mint app. Designed by the mobile app developers of TurboTax, Mint is the free money manager and financial tracker app from the makers of that does it all. The app brings together your bank accounts, credit cards, bills and investments so you know where you stand. See what you’re spending, where you can save money, and stay on top of bill pay in Mint like never before. You can even keep track of your credit score to help you be smart about it, no credit card required.

Evernote
Suppose you’re attending a party or watching a movie when suddenly an innovative idea hits your mind. What will you do? How will you write it down? Keeping a notebook is undoubtedly the most common habit of every entrepreneur. However, there come some situations like the above-mentioned when the individual has no personal diary with him. In such scenario, Evernote can be your best companion.

The mobile app helps to manage your life with its plethora of features like collecting ideas in different formats, attaching images and docs, scan and comment on materials like business cards and sketches, and share your brainstorming creative ideas with others.

Trello
Trello is another great mobile app for aspiring entrepreneurs if they wish to manage their team and tasks on a single platform. This mobile app allows you to categorize your task as per the priority, activities and timeline. You can assign tasks to your team members individually and set a deadline, which implies managing everything easily will be so easy from now.

LinkedIn
Building and nurturing relationships can be everyone’s cup of tea with the help of the LinkedIn app. The app lets you search people based on their qualification, job, industry, location and much more. You can connect and stay in touch with them for cracking better business deals and craft a brighter future.

Besides, the application is also the right platform to share your ideas, showcase your work and build a personal brand along with staying updated with important news related to your market.

Skype
Messaging and calling are the easiest ways to connect with your clients, investors, team, and friends. But, what if everyone is at different corners of the world or you want to connect them all at the same time? Not only will the charges will be high, but you will find it uneasy to handle the conversations. Right?

Well, this problem can be easily catered with the help of Skype mobile app. The professional networking app allows you to connect multiple people, share pictures and videos, and even add spice to your conversation with emoticons. All the chat remain stored which means you need not take notes of the key points of the conversation. Besides, you can have audio calls, video calls and group calls so that everyone remains on the same page while working on a project. And the best part is that you can access all these lucrative features using an unlimited data plan or WiFi connection.

DropBox
Having access to files everywhere you go is much easier with Dropbox. This mobile application lets you create, view, edit, and send different types of documents anytime, anywhere. The most interesting features of this app are doc scanner, comment on files, offline access, and share files even with those who do not have a Dropbox account.

Google Analytics
How do you measure your business/project success? How do you determine if investing in mobile app development and other marketing practices have added any value to your business or not? You might be ready with numerous answers to these questions, but the best solution recommended by the top business owners is Google Analytics app.

Google Analytics is a popular productivity app for entrepreneurs to monitor data in real-time, evaluate key performance metrics, compare data ranges and execute segments, build reports, and much more.

1Password
Is your personal diary filled with credentials? Is your desk occupied by sticky notes with passwords scribed on them? Do you find it hard to recall a password when you need it? If so, then say goodbye to these activities and download 1Password app. This is one of the best apps for aspiring entrepreneurs to keep all their passwords and sensitive information secured behind a single master password. By adding the app’s browser plug-in, you can save account details, credit card details, license information, and even the entries you made on a webpage form.

Uber
It’s frustrating to wait outside the airport at 3:30 A.M. for a taxi or drive late night after a deep-dive meeting. So why not just order an Uber? It’s one of the best apps for aspiring entrepreneurs because it allows them to a request a ride and pay via different means in multiple cities worldwide.

Buffer
Maintaining your online reputation is necessary. But, have you ever felt that sharing your views on different social networking sites is taking the bigger share of your time? If so, then Buffer is here for your rescue. This social media management mobile application enables startup founders to schedule their social media post according to the time when your target audience will be highly active.

Flipboard
How many times do you sit back holding a newspaper and scanning all the important news related to your market? The competition is so stiff these days that you can’t afford missing important news or time and efforts required for it. So, what shall be the solution? One word answer to this dilemma is Flipboard. This app curates all the latest and greatest stories related to your market to keep you informed and spend your time productively.

Headspace
Regardless if you’re a startup founder or business leader with an established business empire, stress and restless can occupy your mind anytime. In such scenarios, the best medium to control your mind is to turn towards the Headspace app.

Ranking among the top health and fitness apps, the Headspace mobile application provides meditation and mindfulness solutions to calm your mind and put your full potential into action.

Source: https://thebossmagazine.com/15-best-mobile-apps-entrepreneurs/

229
Company Profile / Jack Ma’s Alibaba buys online retailer Daraz
« on: May 10, 2018, 01:19:39 AM »
Jack Ma’s Alibaba buys online retailer Daraz

Daraz Group, an e-commerce company in South Asia, has been acquired by Alibaba Ecosystem, the leading e-commerce platform in China.
Launched in 2012, Daraz is South Asia's online shopping and selling platform—present in Bangladesh, Pakistan, Sri Lanka, Myanmar and Nepal that has 30,000 sellers and 500 brands and serving five million consumers.

With the acquisition, Daraz will be able to leverage Alibaba’s leadership and experience in technology, online commerce, mobile payment and logistics to drive further growth in the five South Asian markets that have a combined population of over 460 million, 60 percent of which are under the age of 35.

“It will continue to operate under the same brand following the transaction,” Daraz said in a statement on Tuesday.   

"We are excited for Daraz to become a part of the Alibaba ecosystem. Together with Daraz, we can now empower entrepreneurs to better serve consumers in the region through our technology and expertise,” said Daniel Zhang, CEO of Alibaba Group.

Financial details were not disclosed on the deal, which will see Jack Ma’s Alibaba take control of the online retailer.

Source: https://bdnews24.com/business/2018/05/08/jack-mas-alibaba-buys-online-retailer-daraz

230
আমাজন ইকো: অ্যালেক্সা নিয়ন্ত্রিত স্মার্ট স্পিকারটির আদ্যোপান্ত

আমাজনের স্মার্ট স্পিকার ‘আমাজন ইকো’ প্রথম বাজারে আসে ২০১৪ সালের নভেম্বরে। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই অ্যালেক্সা নিয়ন্ত্রিত ডিভাইসটি পুরো পৃথিবীব্যাপী আকর্ষণের বস্তুতে পরিণত হয়। ২০১৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ডিজিটাল হোম অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে জায়গা করে নেয় প্রায় বিশ মিলিয়ন বাড়িতে। নির্দিষ্ট কোনো গান বাজানোর জন্য নির্দেশ করা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানা, কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা এবং সংবাদ পড়ে শোনানো সহ নানা কাজে দক্ষ এই ডিভাইসটি যেন সায়েন্স ফিকশন সিনেমাগুলোতে দেখানো পুরোপুরি কণ্ঠনিয়ন্ত্রিত কম্পিউটারের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছে।

ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত স্মার্ট স্পিকারটি সবসময় ব্যবহারকারীর নির্দেশের অপেক্ষায় জেগে থাকে। একে কাজে লাগানোর জন্য ব্যবহারকারীকে শুধু ‘অ্যালেক্সা’ নামে ডেকে প্রয়োজনের কথাটি জানাতে হয়। ডিভাইসটি তার চারপাশে ব্যবহৃত শক্তিশালী মাইক্রোফোনের সাহায্যে ব্যবহারকারীর নির্দেশ শোনে এবং আমাজনের ক্লাউড ভিত্তিক ন্যাচারাল ভয়েস রিকগনিশন সার্ভিস ‘অ্যালেক্সা ভয়েস সার্ভিস’ এ পাঠিয়ে দেয়। সেখানে পুরো নির্দেশটি বিশ্লেষণাত্মক প্রক্রিয়াজাত হয়ে ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত ফলাফল পরিবেশন করে।

আমাজন দিন দিন স্মার্ট স্পিকারটিতে নতুন নতুন সার্ভিস যুক্ত করছে। ভবিষ্যতের বিভিন্ন সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে থার্ড পার্টি ডেভেলপারদের সহযোগিতায় তৈরি করছে প্রয়োজনীয় সব ফিচার।  এই লেখায় আমাজন ইকো সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানানো হবে।

ব্যবহার
আমাজন ইকোর প্রধান কাজ শুধুমাত্র গান বাজানো না হলেও এটি ন্যায্য দামের ভালো সাউন্ড স্পিকার হিসেবে উপযুক্ত! আপনি যদি গান শুনতে ভালোবাসেন এবং পাশাপাশি মিউজিক প্লেয়ারটিকে কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে চান; ভলিউম বাড়ানো-কমানো, গান পরিবর্তন করা, কিংবা আপনার স্মার্টফোন বা আমাজন ইকোর সাথে সংযুক্ত অন্যান্য ডিভাইসের প্লে-লিস্টে না থাকা গানটিও বাজাতে চান, তাহলে আমাজন ইকো আপনার জন্যই।

এছাড়াও স্মার্ট-হোমে ব্যবহৃত থার্মোস্ট্যাট, সিকিউরিটি ক্যামেরা, গ্যারেজের দরজা, স্মার্ট প্লাগইন, স্মার্ট লক, বাতি, পাখা সহ বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসকে স্পিকারটির মাধ্যমে খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এজন্য কোনো স্মার্টফোন বা নির্ধারিত কোনো এপ্লিকেশনের সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। যদিও আমাজন ইকোর নির্দিষ্ট এপ্লিকেশন রয়েছে, কিন্তু এর ব্যবহার শুধুমাত্র ডিভাইসটিকে কনফিগার করা, নতুন সেটআপ দেওয়া, নতুন ফিচার যুক্ত করা, কর্মপরিকল্পনা এবং কেনাকাটার তালিকা দেখার কাজে ব্যবহার করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

এমনকি ব্যবহারকারী চাইলেই উবারের গাড়ি ডাকা, ডমিনো’স পিজ্জায় অর্ডার করা সহ সাধারণ কিছু ব্যাংকিং সার্ভিসও ব্যবহার করতে পারবে।

যেকোনো তথ্য এবং শব্দের অর্থ জানা, অনলাইন ভিত্তিক নিউজ শোনা, কোনো নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের রিমাইন্ডার দেওয়া, সময় জানা, কর্মপরিকল্পনা বা টু-ডু লিস্ট তৈরির জন্য আমাজন ইকোকে খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়। এমনকি আমাজন ইকোর দ্বিতীয় জেনারেশনের ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে আমাজনের বুক-স্টোর সার্ভিস কিন্ডেলের বই শুনতে পারবে। এছাড়াও ব্যবহারকারীরা নোটেশন, মেইল বটের মতো থার্ড পার্টি এপ্লিকেশনের মাধ্যমে ডিভাইসটিকে ই-মেইলের সাথে সংযুক্ত করে মেইলে আসা বার্তাগুলো শুনতে পারবে। অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনে স্মার্টফোনে করা অধিকাংশ কাজই আপনি আমাজন ইকোর মাধ্যমে করতে পারবেন শুধুমাত্র কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে নির্দেশ করে। এতে করে স্মার্টফোনের সর্বনিম্ন ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

দক্ষতা
আমাজন ইকোর দক্ষতা হচ্ছে নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত নির্দিষ্ট কিছু এপ্লিকেশন। ব্যবহারকারী চাইলেই নতুন কোনো দক্ষতা প্রদানের জন্য এ বছরের মার্চে প্রকাশ হওয়া ‘অ্যালেক্সা স্কিল কিট’ এর সাহায্যে খুব সহজেই সাধারণ প্রোগ্রামিং জ্ঞান ব্যবহার করে ইকো সিস্টেমের জন্য নতুন এপ্লিকেশন তৈরি করতে পারবে। এমনকি ব্যবহারকারী চাইলেই অ্যালেক্সা অ্যাপ-স্টোরে যুক্ত হওয়া প্রায় পনেরোশর বেশি অ্যাপ্লিকেশন বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবে। বর্তমানে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই অ্যালেক্সার নিজস্ব এবং থার্ড পার্টি ডেভলাপারদের সাহায্যে নতুন নতুন এপ্লিকেশন অ্যাপ স্টোরে যুক্ত হচ্ছে, যেগুলো দৈনন্দিন জীবনে আমাজন ইকোর সহজ ব্যবহার নিশ্চিত করছে।

সীমাবদ্ধতা
অ্যালেক্সা নানা কাজে কাজী হলেও, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কাজ করতে অক্ষম। যেহেতু আমাজন ইকো পুরোপুরি নির্ধারিত কিছু কমান্ডের উপর নির্ভর করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে ফলাফল পরিবেশন করে, সেহেতু কমান্ড-নীতি ভঙ্গ করে আপনি কোনো নির্দেশ করলে, অ্যালেক্সা থেকে যথাযথ সাহায্য পাবেন না। যেমন, প্রত্যেকটি নির্দেশ দেওয়ার পূর্বে, আপনাকে অবশ্যই ‘অ্যালেক্সা’, ‘ইকো’, ‘আমাজন’ এবং ‘কম্পিউটার’ এর মতো শব্দগুলো ব্যবহার করতে হবে। যদিও ‘অ্যালেক্সা’ শব্দটি পূর্বনির্ধারিত, অন্যান্যগুলো ব্যবহারের জন্য অবশ্যই আপনাকে নতুন করে সেটআপ দিতে হবে।

কর্মপরিকল্পনা এবং কেনাকাটার তালিকা তৈরির কাজে আমাজন ইকো বেশ প্রসিদ্ধ। কিন্তু কেনাকাটার তালিকায় একের অধিক আইটেম একসাথে যুক্ত করার জন্য একইসাথে একের অধিক নির্দেশ করতে হবে। যেমন, আপনি যদি তালিকায় ব্রেড এবং জেলি যুক্ত করতে চান, তাহলে “Alexa, add Bread and Jelly to my shopping list” এর বদলে বলতে হবে, “Alexa, add Bread to my shopping list. Alexa, add Jelly to my shopping list”, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিরক্তিকর।

তাছাড়া, আমাজন ইকোর প্রাথমিক ব্যবহার-পরিকল্পনা যদি হয় এলোমেলো প্রশ্ন করে উত্তর খোজা, তাহলেও আপনাকে অনেক ক্ষেত্রেই হতাশ হতে হবে। কেননা অ্যালেক্সা তার নিজস্ব সার্ভারের উপর নির্ভরশীল, অর্থাৎ এটি গুগলের সাথে সংযুক্ত না। এটি বেশ তথ্য-উপাত্ত সমৃদ্ধ হলেও, গুগলের মতো যেকোনো ধরনের অগুরুত্বপূর্ণ, স্বল্প গুরুত্বপূর্ণ, কিংবা ফাংশনাল প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম নয়। এক্ষেত্রে আপনি গুগলের ভয়েস-নিয়ন্ত্রিত স্মার্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘গুগল হোম’ ব্যবহার করতে পারেন।

এছাড়াও, আমাজন ইকো স্মার্টহোম অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে তেমন প্রখর বুদ্ধিসম্পন্ন না। বিশেষ করে, আপনার স্মার্টহোমের সিস্টেম যদি জটিল হয় এবং আপনি যদি শুধুমাত্র স্মার্টহোমের পুরো সিস্টেমটি নিয়ন্ত্রণের জন্য আমাজন ইকো ব্যবহারের পরিকল্পনা করে থাকেন, তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই আপনাকে হতাশ হতে হবে। কেননা, সবধরনের স্মার্ট ডিভাইস এবং জটিল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণের জন্য আমাজন ইকোকে ডিজাইন করা হয়নি। এক্ষেত্রে যথাযোগ্য হবে স্মার্টথিংস, উইংক কিংবা ইন্সটিওনের মতো স্মার্টহাবগুলো ব্যবহার করা।

হার্ডওয়ার এবং অন্যান্য
আমাজন ইকো প্রায় ২৩.৫ সেন্টিমিটার এবং ৩.২৭ সেন্টিমিটারের নলাকার ডিভাইস। উপরে অফ/অন সহ আরো একটি বাটন রয়েছে, যেটি মাইক্রোফোন নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহৃত হয়। ঠিক ওপরে ছোট একটি এলইডি লাইটও রয়েছে, যার মাধ্যমে ডিভাইসটি ওয়াইফাইয়ের সাথে সংযুক্ত নাকি বিচ্ছিন্ন তা জানা যায়। পুরো নিয়ন্ত্রণ বোর্ডটি একটি সচল চাকতি দ্বারা আবদ্ধ, যার সাহায্যে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই ডিভাইসটির ভলিউম বাড়াতে-কমাতে পারে এবং চাকতিটিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন লাইট ডিভাইসটির অবস্থা বর্ণনা করে।

এছাড়াও ডিভাইসটিতে নিম্নমুখী দুটি স্পিকার রয়েছে। একটি ৬.৪ সেন্টিমিটারের ‘ওফার’, যেটি লো-ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ সৃষ্টি করে এবং অপরটি ‘টুইটার’, এর কাজ হচ্ছে হাই-ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ সৃষ্টি করা। স্পিকারের উপরের এয়ার চেম্বারে একটি রিফ্লেক্স পোর্ট রয়েছে, যেটি প্রয়োজনে শব্দের বিকৃতি হ্রাস করে এবং ওফারের আওয়াজ বাড়ায়। ইকোর মূল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হচ্ছে সাতটি বিন্যাসে থাকা মাইক্রোফোন, যেগুলো বিমফর্মিং টেকনোলোজির অন্তর্ভুক্ত এবং আশেপাশের কোলাহল, অপ্রয়োজনীয় শব্দগুলোকে ছাপিয়ে স্পষ্টভাবে ব্যবহারকারীর নির্দেশ শুনতে সক্ষম।

পূর্বেই বলা হয়েছিল, আমাজন ইকো ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের সাহায্যে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর নির্দেশকে শক্তিশালী ক্লাউড ভিত্তিক সার্ভার অ্যালেক্সা ভয়েস সার্ভিসে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে নির্দেশটিকে নির্দিষ্ট একটি শ্রেণীতে ফেলে সঠিক ফলাফলের জন্য উপযোগী কোনো ওয়েব সার্ভারে পাঠানো হয় এবং সেখান থেকে যথার্থ প্রতিক্রিয়াটিকে আবার ব্যবহারকারীর কাছে আমাজন ইকোর স্পিকারের মাধ্যমে আসে।

ধরুন, আপনি কোনো একটি নির্দিষ্ট গানের নাম উল্লেখ করে সেটি বাজানোর জন্য ইকোকে নির্দেশ করলেন।  ডিভাইসটি নির্দেশটিকে অ্যালেক্সা ভয়েস সার্ভিসে পাঠিয়ে দিবে। সেখান থেকে নির্দেশটি আমাজন মিউজিকে পাঠানো হবে এবং নির্দিষ্ট গানটি সংগ্রহ করে পূর্বে উল্লেখিত প্রতিক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাবে। প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ এবং জটিল হলেও, স্বল্প সময়ের মধ্যে এটি সম্পাদন করার জন্য আমাজন ইকোকে বেশ ভালোভাবেই ডিজাইন করা হয়েছে।

নিরাপত্তা
ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত সবগুলো ডিভাইসই নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকে। বিশেষ করে, আমাজন ইকোর মতো ডিভাইসগুলোকে ব্যবহার করে গুপ্তচরবৃত্তি, তথ্য চুরি সহ নানা অনৈতিক কাজ করা সম্ভব।  প্রশ্ন এসেই যায়, আমাজন ইকো কতটুকু নিরাপদ?

ওয়েবসাইট এবং ব্রাউজারের মতো আমাজন ইকোর মাধ্যমে অ্যালেক্সাও ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করে রাখে। সে জানে আপনি কোন ধরনের গান শোনেন, আপনার কর্মপরিকল্পনা এবং কেনাকাটার তালিকায় কী রয়েছে, আপনি কোন ধরনের তথ্যের ব্যাপারে আগ্রহী, এমনকি আপনার স্মার্টহোমে কোন ডিভাইসটি রয়েছে। অর্থাৎ আপনি অ্যালেক্সাকে যা জানাবেন, এটি সে ব্যাপারেই ওয়াকিবহাল থাকবে। আর পুরো ব্যাপারটি ব্রাউজার এবং ওয়েবসাইটের কুকিস সংগ্রহের মতোই। সাধারণত ব্রাউজার এবং ওয়েবসাইটগুলো এসব তথ্যের সাহায্যে নিজস্ব কিছু পণ্য ব্যবহারকারীর কাছে সরাসরি মার্কেটিং করে থাকে। কিন্তু আমাজন ইকোকে এখন পর্যন্ত মার্কেটিংয়ের কাজে সরাসরি ব্যবহার করা হয়নি।

আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যালেক্সার মাধ্যমে উবার, ডমিনো’স পিজ্জার মতো কোম্পানিগুলোর সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে রাইড এবং পিজ্জা অর্ডার করা সম্ভব। লেনদেনের কাজে ক্যাপিটাল ওয়ানের মতো অনলাইন ব্যাংকিং সার্ভিসও এই স্মার্ট ডিভাইসটির সাথে সংযুক্ত। ক্যাপিটাল ওয়ানের মতে, আমাজন ইকোর মাধ্যমে তাদের লেনদেন পুরোপুরি নিরাপদ। প্রথমত, পুরো সিস্টেমটিতে ব্যবহারকারীর তথ্যগুলো এনক্রিপ্ট করা থাকে এবং দ্বিতীয়ত, অ্যালেক্সা স্টোরে একটি অফিশিয়াল এপ্লিকেশন আছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজেদের অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকাতে পাসকোড ব্যবহার করতে পারবে। এরপরেও, ক্লাউডের সাথে সংযুক্ত একটি ভয়েস-অ্যাসিস্ট্যান্টের সাথে নিজেদের ব্যাংকিং সার্ভিসের তথ্য আদান-প্রদানকে অধিকাংশ ব্যবহারকারী অনিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করে।

সরাসরি বলতে গেলে, আমাজন ইকো তার শক্তিশালী মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আপনাকে সবসময় শুনছে। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রত্যেকেই জানে, ‘অ্যালেক্সা’, ‘ইকো’, ‘আমাজন’ এবং ‘কম্পিউটার’ এর মতো যাদুকরী শব্দগুলো ব্যবহার করে ডিভাইসটিকে সচল করার পর ব্যবহারকারী যা বলবে তা-ই চলে যাবে আমাজনের ক্লাউডে। এরপর ঐ তথ্য হালনাগাদ করার সুযোগ নেই। ব্যবহারকারীরা চাইলেই ক্লাউডে যুক্ত হওয়া তথ্যগুলো মুছেও ফেলতে পারবে না। তাছাড়া ডিভাইসটির নির্মাণ প্রকৌশলী ছাড়া কেউ জানে না, কমান্ডের মাধ্যমে সচল করার পর দেওয়া ইনপুটগুলো ছাড়া ডিভাইসটি পরোক্ষভাবে অন্যান্য সময় আপনার আশেপাশের অবস্থা, তৈরি হওয়া সাউন্ড রেকর্ড করছে কিনা!

অন্যদিক, আমাজন মূলত একটি ই-কমার্স সার্ভিস। কোম্পানিটির কাজই হচ্ছে পণ্য বিক্রয় করা। সেক্ষেত্রে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন, গুগল, ফেসবুকের মতো এটিও ইনপুটে পাওয়া তথ্যগুলোকে ব্যবহার করে আপনার কাছে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে নির্দিষ্ট কোনো পণ্যের মার্কেটিং করবে।

সর্বোপরি, আপনার স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত অন্যান্য ডিভাইস, গুগল, সোশ্যাল মিডিয়ার মতো আমাজন ইকোও ব্যবহারকারীর সাথে প্রায় একই রকম ব্যবহার করে। প্রত্যেকটি আইপি এড্রেস ভিত্তিক ডিভাইসের মতো একে ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর উপর গুপ্তচরবৃত্তি করা, তথ্য চুরি করা সম্ভব। এখন ব্যবহারকারীর উপর নির্ভর করে, জীবনকে সহজ করে দেওয়া এই স্মার্ট সার্ভিসটি ব্যবহার করবে কিনা; এবং নিরাপত্তার ব্যাপারটিও ব্যবহারকারীকে নিশ্চিত করতে হবে।

Source: https://roar.media/bangla/main/tech/all-about-amazon-echo/


231
ন্যানো প্রযুক্তিতে আলোর ব্যবহার

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) প্রতি বছরের ১৬ মে কে আন্তর্জাতিক আলোক দিবস হিসেবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গত বছর। এর আগে ২০১৫ সালকে সারাবিশ্বে আন্তর্জাতিক আলো ও আলোক প্রযুক্তির বছর হিসেবে উদযাপন করা হয়। আন্তর্জাতিক আলোর বছরের যেসব অর্জন, সেসবের সূত্র ধরেই ইউনেস্কো এবছর থেকে ১৬ মে-কে আন্তর্জাতিক আলোক দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। দিবসটি উদযাপনের উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে, সমাজ-সংস্কৃতি-সভ্যতায়,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগতে, অর্থনীতিতে অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে পৃথিবী এবং মানবজাতির অগ্রযাত্রায় আলো এবং আলোক প্রযুক্তির যে বিশাল ভূমিকা রয়েছে, সেটাকে স্বীকৃতি দেয়া। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক আলোক দিবসের জাতীয় সমন্বয়কারী হিসেবে বর্তমানে এসপিএসবি দায়িত্ব পালন করছে।

আন্তর্জাতিক আলোক দিবস উদযাপনে এসপিএসবি এবছর বেশ কিছু আয়োজন করছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে আলো ও আলোক-প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে পাবলিক লেকচার আয়োজন।

১৯৬০ সালের ১৬ মে মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী, থিওডোর মাইম্যান ক্যালিফোর্নিয়ার হিউজ রিসার্চ ল্যাবরেটরিজে প্রথমবারের মতো সফলভাবে লেজার পরিচালনা করতে সক্ষম হন। ৬৯৪ ন্যানোমিটারের লাল এই লেজারটি ছিল আলোক-প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় একটি বড় উদ্ভাবন। লেজারের আবিষ্কার চিকিৎসাশাস্ত্র থেকে শুরু করে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সর্বক্ষেত্রে আলোর ব্যবহারকে ছড়িয়ে দেয়। বিজ্ঞানের উন্নয়নের সাথে সাথে আলোর নানাবিধ গুণকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানীরা করেছেন নতুন নতুন সব আবিষ্কার। মজার ব্যাপার হলো, আমাদের আশেপাশের পরিচিত জগতের বাইরেও, অতি ক্ষুদ্র যে ন্যানো জগত রয়েছে সেখানে কিন্তু আলোর চিরাচরিত বৈশিষ্ট্যগুলো একেবারেই ভিন্ন। বর্তমান ন্যানো প্রযুক্তির যুগে আলোর এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো সম্ভাবনার এক নতুন দুয়ার উন্মোচন করেছে। ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় কিংবা দক্ষ সৌর কোষ নির্মাণে আলোর সাথে ন্যানো প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে যুগান্তকারী সব সাফল্য অর্জন সম্ভব।

ন্যানো প্রযুক্তিতে আলোর নানামাত্রিক ব্যবহার নিয়ে আগামী ৯ মে এসপিএসবি একটি পাবলিক লেকচার আয়োজন করেছে। এতে আলোচক হিসেবে থাকছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষক ড. মাইনুল হোসেন। অনুষ্ঠানটি বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে।

আয়োজনটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

Source: https://www.facebook.com/events/223616378411955/

232
ন্যানো প্রযুক্তিতে আলোর ব্যবহার

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) প্রতি বছরের ১৬ মে কে আন্তর্জাতিক আলোক দিবস হিসেবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গত বছর। এর আগে ২০১৫ সালকে সারাবিশ্বে আন্তর্জাতিক আলো ও আলোক প্রযুক্তির বছর হিসেবে উদযাপন করা হয়। আন্তর্জাতিক আলোর বছরের যেসব অর্জন, সেসবের সূত্র ধরেই ইউনেস্কো এবছর থেকে ১৬ মে-কে আন্তর্জাতিক আলোক দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। দিবসটি উদযাপনের উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে, সমাজ-সংস্কৃতি-সভ্যতায়,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগতে, অর্থনীতিতে অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে পৃথিবী এবং মানবজাতির অগ্রযাত্রায় আলো এবং আলোক প্রযুক্তির যে বিশাল ভূমিকা রয়েছে, সেটাকে স্বীকৃতি দেয়া। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক আলোক দিবসের জাতীয় সমন্বয়কারী হিসেবে বর্তমানে এসপিএসবি দায়িত্ব পালন করছে।

আন্তর্জাতিক আলোক দিবস উদযাপনে এসপিএসবি এবছর বেশ কিছু আয়োজন করছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে আলো ও আলোক-প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে পাবলিক লেকচার আয়োজন।

১৯৬০ সালের ১৬ মে মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী, থিওডোর মাইম্যান ক্যালিফোর্নিয়ার হিউজ রিসার্চ ল্যাবরেটরিজে প্রথমবারের মতো সফলভাবে লেজার পরিচালনা করতে সক্ষম হন। ৬৯৪ ন্যানোমিটারের লাল এই লেজারটি ছিল আলোক-প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় একটি বড় উদ্ভাবন। লেজারের আবিষ্কার চিকিৎসাশাস্ত্র থেকে শুরু করে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সর্বক্ষেত্রে আলোর ব্যবহারকে ছড়িয়ে দেয়। বিজ্ঞানের উন্নয়নের সাথে সাথে আলোর নানাবিধ গুণকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানীরা করেছেন নতুন নতুন সব আবিষ্কার। মজার ব্যাপার হলো, আমাদের আশেপাশের পরিচিত জগতের বাইরেও, অতি ক্ষুদ্র যে ন্যানো জগত রয়েছে সেখানে কিন্তু আলোর চিরাচরিত বৈশিষ্ট্যগুলো একেবারেই ভিন্ন। বর্তমান ন্যানো প্রযুক্তির যুগে আলোর এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো সম্ভাবনার এক নতুন দুয়ার উন্মোচন করেছে। ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় কিংবা দক্ষ সৌর কোষ নির্মাণে আলোর সাথে ন্যানো প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে যুগান্তকারী সব সাফল্য অর্জন সম্ভব।

ন্যানো প্রযুক্তিতে আলোর নানামাত্রিক ব্যবহার নিয়ে আগামী ৯ মে এসপিএসবি একটি পাবলিক লেকচার আয়োজন করেছে। এতে আলোচক হিসেবে থাকছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষক ড. মাইনুল হোসেন। অনুষ্ঠানটি বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে।

আয়োজনটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

Source: https://www.facebook.com/events/223616378411955/

233
পৃথিবীব্যাপি ৫০ মিলিয়ন মানুষের জীবন রক্ষাকারী ঔষধ আবিষ্কার করেছিল এক বাংলাদেশী

বিগত ৩০ বছরে, সামান্য লবণ, চিনি/গুড় ও পরিষ্কার পানির মিশ্রণ পৃথিবীব্যাপি প্রায় ৫০ মিলিয়ন লোকের জীবন রক্ষা করেছে , স্পেশালি শিশুদের পানিশূন্যতার হাত থেকে । এ গল্প হয়ত আমাদের অনেকের জানা , কিন্তু এর পেছনের গল্প আমাদের এক বাংলাদেশি ডক্টরের , এটি হয়তো আমাদের অনেকেরই জানা নেই।

১৯৭১ সালে ভারতে যখন বাংলাদেশী শরণার্থী শিবিরে কলেরা ছড়িয়ে যায় তখন এটিকে প্রতিরোধ করার মত তখনো সেইরকম কোন ঔষধ আবিষ্কৃত হয় নি। তখন International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh (icddr,b) এর গবেষণায় স্যালাইনের প্রাথমিক ফর্মূলা আবিষ্কৃত হয়। যার অন্যতম নেতৃত্বে ছিলেন ড. রফিকুল ইসলাম ।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ব্র্যাকের সহায়তায় এই স্যালাইন বানানোর পদ্ধতি পুরো দেশ জুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয় । তৎকালীন তা “ঢাকা স্যালাইন” নামেও পরিচিত ছিল।
১৯৭৮ সালে ব্রিটিশ চিকিৎসাবিষয়ক পত্রিকা The Lancet ওরস্যালাইনকে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল ইনভেশন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৮০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই আবিষ্কারকে স্বীকৃতি দেয়।

বি:দ্র: বাংলাদেশের গণস্বাস্থ্য হাসপাতালই সর্বপ্রথম এই স্যালাইন বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাতকরণ শুরু করে।।

বাংলাদেশের এই কৃতি বিজ্ঞানী গত মার্চ মাসের ৫ তারিখ মারা যান। এই প্রজন্ম হয়তো কখনোই জানবে না এই দেশেও একজন বিজ্ঞানী ছিল যার আবিষ্কার এখনো বিশ্বে কোটি কোটি মানুষের জীবন রক্ষা করে চলেছে।।

Source: https://blog.robij.org/biography/inventor-of-orsalain/

234
Global Blockchain Adoption Still Low, Gartner Survey Finds

Adoption and interest in blockchain technology by global information company information officers is low, says Gartner in its 2018 CIO Survey, although executives from telecom, insurance and financial services have shown keenness in planning to adopt the decentralized technology.

Although financial services and insurance companies have been front-runners to blockchain activity across the world, Gartner said the transportation, government, and utilities sectors are now becoming more engaged due to the heavy focus on process efficiency, supply chain, and logistics problem-solving opportunities.

For most telecom companies, the interest in blockchain technology stems from the desire to “own the infrastructure wires” and to grasp the consumer payment opportunity it presents. This cements the widely held sentiment that interest in distributed ledger technology (DLT), the backbone of cryptocurrencies, is picking up across the world.

However, only one percent of CIOs surveyed by Gartner “indicated any kind of blockchain adoption within their organizations” while only about eight percent were in short-term planning or active experimentation with blockchain.

“It is critical to understand what blockchain is and what it is capable of today, compared to how it will transform companies, industries, and society tomorrow,” said David Furlonger, vice president and fellow at Gartner.

Despite the touted growth in global interest in DLT, Gartner further states that as much as 77 percent of the CIOs it surveyed had indicated that their organization had “no interest in the technology and/or no action planned to investigate or develop” it.

According to Furlonger, blockchain should be adopted and implemented carefully. Any rushed move to adopt and deploy the tech solution “could lead organizations to significant problems of failed innovation, wasted investment, rash decisions and even rejection” of the technology.

Only about 23 percent of the 263 global CIOs polled for the survey and whose organizations had already invested in blockchain initiatives viewed the technology as requiring new skills to implement than any technology area. Others said skills to deploy and manage this category of solutions “were the most difficult” to find while there is also a need to restructure the IT departments of companies to implement blockchain.

“The challenge for CIOs is not just finding and retaining qualified engineers, but finding enough to accommodate growth in resources as blockchain developments grow,” the report said.

“While many industries indicate an initial interest in blockchain initiatives, it remains to be seen whether they will accept decentralized, distributed, tokenized networks, or stall as they try to introduce blockchain into legacy value streams and systems,” concluded Furlonger.

Source: https://www.ccn.com/global-blockchain-adoption-still-low-gartner-survey-finds/

235
Global Blockchain Adoption Still Low, Gartner Survey Finds

Adoption and interest in blockchain technology by global information company information officers is low, says Gartner in its 2018 CIO Survey, although executives from telecom, insurance and financial services have shown keenness in planning to adopt the decentralized technology.

Although financial services and insurance companies have been front-runners to blockchain activity across the world, Gartner said the transportation, government, and utilities sectors are now becoming more engaged due to the heavy focus on process efficiency, supply chain, and logistics problem-solving opportunities.

For most telecom companies, the interest in blockchain technology stems from the desire to “own the infrastructure wires” and to grasp the consumer payment opportunity it presents. This cements the widely held sentiment that interest in distributed ledger technology (DLT), the backbone of cryptocurrencies, is picking up across the world.

However, only one percent of CIOs surveyed by Gartner “indicated any kind of blockchain adoption within their organizations” while only about eight percent were in short-term planning or active experimentation with blockchain.

“It is critical to understand what blockchain is and what it is capable of today, compared to how it will transform companies, industries, and society tomorrow,” said David Furlonger, vice president and fellow at Gartner.

Despite the touted growth in global interest in DLT, Gartner further states that as much as 77 percent of the CIOs it surveyed had indicated that their organization had “no interest in the technology and/or no action planned to investigate or develop” it.

According to Furlonger, blockchain should be adopted and implemented carefully. Any rushed move to adopt and deploy the tech solution “could lead organizations to significant problems of failed innovation, wasted investment, rash decisions and even rejection” of the technology.

Only about 23 percent of the 263 global CIOs polled for the survey and whose organizations had already invested in blockchain initiatives viewed the technology as requiring new skills to implement than any technology area. Others said skills to deploy and manage this category of solutions “were the most difficult” to find while there is also a need to restructure the IT departments of companies to implement blockchain.

“The challenge for CIOs is not just finding and retaining qualified engineers, but finding enough to accommodate growth in resources as blockchain developments grow,” the report said.

“While many industries indicate an initial interest in blockchain initiatives, it remains to be seen whether they will accept decentralized, distributed, tokenized networks, or stall as they try to introduce blockchain into legacy value streams and systems,” concluded Furlonger.

Source: https://www.ccn.com/global-blockchain-adoption-still-low-gartner-survey-finds/

236
Machines will never replace humans, Alibaba’s Jack Ma tells students
[/u]

Creativity will always give humans an edge over machines, Alibaba founder Jack Ma told students at Tel Aviv University in Israel.
Ma, 53, was in Israel to receive an honorary doctorate and explore business opportunities for Alibaba Group, one of the biggest corporations in the world. He received a honorary doctorate from Tel Aviv University on Thursday, and gave a speech to the students on the occasion.

Over the next 30 years, robots and computers will take over a lot of the jobs currently performed by humans, but that does not mean gloom and doom, the executive said.

“Don’t worry, machines can never win [against] human beings,” Ma told the students, adding that humans have hearts, while machines only have chips.

“Computers remember, they calculate faster, they never get upset, they always keep on doing things,” Ma said, but they can only do certain things better than humans.

“I think we should teach our kids how to be more innovative, how to be more creative, and how to be more constructive,” all the things machines can’t do, Ma said.

Ma, who had very little in the way of money or technology when he started Alibaba in 1999, said that, if he could become successful, there was hope for 80 percent or more of the world’s population.

“There are so many opportunities in this world, because there are so many complaints,” he said, and every one is a potential business opportunity.

Source: https://www.rt.com/news/425791-jack-ma-machines-humans/

237
The Fintech100 – Announcing the world’s leading fintech innovators for 2017

The Top 10 companies in the 2017 Fintech100

Ant Financial - China
ZhongAn - China
Qudian (Qufenqi) - China
Oscar - US
Avant - US
Lufax - China
Kreditech - Germany
Atom Bank - UK
JD Finance - China
Kabbage - US

Other key insights from the 2017 Fintech100 report

Aggregate capital raised remains significant -- The top 50 companies have raised US$4.8B in the last year alone and over US$27B in aggregate capital over their lifetimes. The `Emerging 50' have raised over US$600M in the last year and just over US$1B in total, since founding.

Major funding rounds dominate investment -- Twelve companies on the Fintech100 had raisings over US$100M, notably ZhongAn's US$1.5B raise in conjunction with its recent IPO on the Hong Kong Stock Exchange.

`Disruptors' continue to stand out -- Fintechs focused on disrupting technologies continue to dominate, accounting for 73 of the Fintech 100. These are companies that are radically changing their industry paradigm for all players.
Lending and payments lead -- The number of lending and payments related businesses continue to stand out in this year's Fintech 100, with 32 and 21 respectively.
Open banking around the world -- Open banking regulation in the UK, Europe, the US and Australia has been a major catalyst for innovation, with 15 companies working in the related areas included on the Fintech100.
How is the Fintech100 selected?
The Fintech100 were selected following extensive global research and analysis based on data relating to five factors. Two criteria are related to capital raising reflecting the emphasis that venture capitalist investors place on the ability of firms to innovate in order to generate a long term sustainable competitive advantage.

Total capital raised
Rate of capital raising
Geographic diversity
Sector diversity

X-factor: degree of product, service and business model innovation (a subjective measure that is applied only with respect to companies appearing on the 50 Emerging Stars list)

Source: https://home.kpmg.com/xx/en/home/media/press-releases/2017/11/the-fintech-100-announcing-the-worlds-leading-fintech-innovators-for-2017.html

Full report: https://s3-ap-southeast-2.amazonaws.com/h2vc/static/reports/innovators/2017/H2-Fintech-Innovators-2017.pdf

238
Fintech is giving small businesses access to finance

For swashbuckling entrepreneurs Beth Jones and Gareth Noble, financial technology has played a crucial role in their firm’s exponential growth. The co-founders of Pirate’s Grog Rum started their boutique spirits business less than four years ago and have already built revenue to £400,000.

Two loans from peer-to-peer lending site Funding Circle, for £5,000 and £30,000, were pivotal in supporting this expansion. Ms Jones says they had taken small loans from their high street bank before, but the bank caps the credit available to them, limiting their options.

“Plus there is much more paperwork and hassle, for example, needing face-to-face meetings at our branch an hour’s drive away,” she says. “Funding Circle was so much easier and gave us what we needed, all online. In fact, we arranged the latest loan while on holiday in India. It is a great relief to know it is there to ease cash flow when we need to restock at busy times.

“We have grown 100 per cent every year and are on track to make £800,000 next year. We couldn’t have done that without the loans. Traditional banks are archaic and need to speed up, otherwise newer banks will scoop up their customers.”

Financial technology (fintech) is helping small companies in many ways, from innovative accounting software to financial management, insurance and business valuation services.

A recent report by Business Insider Intelligence says financial services providers have underserved small businesses because they make less revenue than larger firms. But fintech providers are finding ways to serve even the smallest businesses profitably.

Susanne Chishti, chief executive of funding group Fintech Circle, says these new tools will help entrepreneurs spend much more time growing their businesses, rather than being bogged down with financial issues. With emerging technologies, such as big data, artificial intelligence and biometrics, the potential is almost limitless.

One of the most profound changes is in banking for small businesses, especially since the Competition Market Authority’s revolutionary open banking rules came into force in January. These aim to ensure that the UK’s nine biggest banks share their data more easily with other firms and that fintech startups therefore have fair access to customers.

Before open banking, if a new fintech firm wanted to work with a bank to develop solutions, they had several time-consuming and challenging hoops to jump through, such as gaining agreements from procurement teams. But with open banking, they can use interfaces known as APIs to do this much more simply and quickly. APIs can also enable them to build new applications on to existing products, thereby capitalising on existing customer bases.

Ms Chishti says this will shift control from big banks to fintechs and empower small-business customers. So will new fintechs hurt banks? There has been a perception that large banks would eventually suffer “death by a thousand cuts” as they were gradually replaced by numerous fintech apps, says Ms Chishti. But that has been superseded by increased co-operation between the two. Instead of crossing cutlasses, banks and fintechs will trade data for ideas and innovation with the aim of improving products for small businesses.

Fintech solutions, such as Funding Circle, are already having a big impact on financial inclusion by providing a small-business lending platform that bypasses traditional banks. Since setting up in 2010, it has lent £5 billion to businesses globally, creating 100,000 jobs directly and indirectly.

Independent research by Cebr economics consultancy found that 21 per cent of borrowers on this platform believed they could not have secured finance elsewhere. Funding Circle says many of these are profitable businesses, but “asset light”, and traditional banks only lend to companies with security.

James Meekings, UK managing director and co-founder of Funding Circle, says the platform was founded as a response to banks avoiding small-business lending after the financial crisis. “Ten years on, creditworthy businesses still struggle with this broken system, missing growth opportunities despite their importance to the UK economy,” he says.

“We created an infrastructure where any investor, big or small, can lend to small businesses. Today, our broad community of investors has helped 45,000 businesses across the UK, United States and Europe access the finance they need to grow.”

There are pitfalls and challenges with fintech. According to the World Bank Group, these include data privacy as customers increasingly share their data in return for personalised services, whether investors in peer-to-peer lending are fully aware of the risks, and whether fintechs have enough supervisory capacity to understand and monitor new applications.

Aaron Hughes, managing director of Equiniti Riskfactor, which offers tech-based risk management solutions to traditional banks, challenger banks and fintech startups, says: “Fintechs improve customer engagement. But they don’t necessarily have the skills, resources and process to make proper lending decisions.

“This can lead to disappointment because they cannot validate the loan, process delays or to poor loan decisions. Traditional banks have the skills and resources to support the approval process. But they lack the money to invest in technology as they are still rebuilding their balance sheets. So they will partner with fintechs.”

Simon Paris, deputy chief executive of Finastra, the world’s third-largest fintech firm, says that whatever the challenges, banks need to raise their game because as digital services grow, so will small-business expectations of fast, simple, tailored and joined-up services.

“For example, these customers won’t just apply for a loan, but will be guided seamlessly to other relevant services, such as business credit cards, liquidity solutions, commercial mortgages or even business opportunities,” he says.

The ability to leverage data could also mean swifter access to capital and greater insight into their finances, adds Mr Paris. And it will open access to financial management tools and apps, for example, which can support cash-flow management. This will provide much-needed transparency, helping them to make better business decisions and ultimately improve financial inclusion for small businesses.

Source: https://www.raconteur.net/finance/fintech-giving-small-businesses-access-finance

239
Cognitive scientists define critical period for learning language (MIT study)
A great deal of evidence suggests that it is more difficult to learn a new language as an adult than as a child, which has led scientists to propose that there is a “critical period” for language learning. However, the length of this period and its underlying causes remain unknown.

A new study performed at MIT suggests that children remain very skilled at learning the grammar of a new language much longer than expected — up to the age of 17 or 18. However, the study also found that it is nearly impossible for people to achieve proficiency similar to that of a native speaker unless they start learning a language by the age of 10.

“If you want to have native-like knowledge of English grammar you should start by about 10 years old. We don’t see very much difference between people who start at birth and people who start at 10, but we start seeing a decline after that,” says Joshua Hartshorne, an assistant professor of psychology at Boston College, who conducted this study as a postdoc at MIT.

People who start learning a language between 10 and 18 will still learn quickly, but since they have a shorter window before their learning ability declines, they do not achieve the proficiency of native speakers, the researchers found. The findings are based on an analysis of a grammar quiz taken by nearly 670,000 people, which is by far the largest dataset that anyone has assembled for a study of language-learning ability.

“It’s been very difficult until now to get all the data you would need to answer this question of how long the critical period lasts,” says Josh Tenenbaum, an MIT professor of brain and cognitive sciences and an author of the paper. “This is one of those rare opportunities in science where we could work on a question that is very old, that many smart people have thought about and written about, and take a new perspective and see something that maybe other people haven’t.”

Steven Pinker, a professor of psychology at Harvard University, is also an author of the paper, which appears in the journal Cognition on May 1.

Quick learners

While it’s typical for children to pick up languages more easily than adults — a phenomenon often seen in families that immigrate to a new country — this trend has been difficult to study in a laboratory setting. Researchers who brought adults and children into a lab, taught them some new elements of language, and then tested them, found that adults were actually better at learning under those conditions. Such studies likely do not accurately replicate the process of long-term learning, Hartshorne says.

“Whatever it is that results in what we see in day-to-day life with adults having difficulty in fully acquiring the language, it happens over a really long timescale,” he says.

Following people as they learn a language over many years is difficult and time-consuming, so the researchers came up with a different approach. They decided to take snapshots of hundreds of thousands of people who were in different stages of learning English. By measuring the grammatical ability of many people of different ages, who started learning English at different points in their life, they could get enough data to come to some meaningful conclusions.

Hartshorne’s original estimate was that they needed at least half a million participants — unprecedented for this type of study. Faced with the challenge of attracting so many test subjects, he set out to create a grammar quiz that would be entertaining enough to go viral.

With the help of some MIT undergraduates, Hartshorne scoured scientific papers on language learning to discover the grammatical rules most likely to trip up a non-native speaker. He wrote questions that would reveal these errors, such as determining whether a sentence such as “Yesterday John wanted to won the race” is grammatically correct.

To entice more people to take the test, he also included questions that were not necessary for measuring language learning, but were designed to reveal which dialect of English the test-taker speaks. For example, an English speaker from Canada might find the sentence “I’m done dinner” correct, while most others would not.

Within hours after being posted on Facebook, the 10-minute quiz “Which English?” had gone viral.

“The next few weeks were spent keeping the website running, because the amount of traffic we were getting was just overwhelming,” Hartshorne says. “That’s how I knew the experiment was sufficiently fun.”

A long critical period

After taking the quiz, users were asked to reveal their current age and the age at which they began learning English, as well as other information about their language background. The researchers ended up with complete data for 669,498 people, and once they had this huge amount of data, they had to figure out how to analyze it.

“We had to tease apart how many years has someone been studying this language, when they started speaking it, and what kind of exposure have they been getting: Were they learning in a class or were they immigrants to an English-speaking country?” Hartshorne says.

The researchers developed and tested a variety of computational models to see which was most consistent with their results, and found that the best explanation for their data is that grammar-learning ability remains strong until age 17 or 18, at which point it drops. The findings suggest that the critical period for learning language is much longer than cognitive scientists had previously thought.

“It was surprising to us,” Hartshorne says. “The debate had been over whether it declines from birth, starts declining at 5 years old, or starts declining starting at puberty.”

The authors note that adults are still good at learning foreign languages, but they will not be able to reach the level of a native speaker if they begin learning as a teenager or as an adult.

"Although it has long been observed that learning a second language is easier early in life, this study provides the most compelling evidence to date that there is a specific time in life after which the ability to learn the grammar of a new language declines," says Mahesh Srinivasan, an assistant professor of psychology at the University of California at Berkeley, who was not involved in the study. “This is a major step forward for the field. The study also opens surprising, new questions, because it suggests that the critical period closes much later than previously thought."

Still unknown is what causes the critical period to end around age 18. The researchers suggest that cultural factors may play a role, but there may also be changes in brain plasticity that occur around that age.

“It’s possible that there’s a biological change. It’s also possible that it’s something social or cultural,” Tenenbaum says. “There’s roughly a period of being a minor that goes up to about age 17 or 18 in many societies. After that, you leave your home, maybe you work full time, or you become a specialized university student. All of those might impact your learning rate for any language.”

Hartshorne now plans to run some related studies in his lab at Boston College, including one that will compare native and non-native speakers of Spanish. He also plans to study whether individual aspects of grammar have different critical periods, and whether other elements of language skill such as accent have a shorter critical period.

The researchers also hope that other scientists will make use of their data, which they have posted online, for additional studies.

“There are lots of other things going on in this data that somebody could analyze,” Hartshorne says. “We do want to draw other scientists’ attention to the fact that the data is out there and they can use it.”

The research was funded by the National Institutes of Health and MIT’s Center for Minds, Brains, and Machines.

Source: http://news.mit.edu/2018/cognitive-scientists-define-critical-period-learning-language-0501?utm_source=&utm_medium=&utm_campaign=

240
পাটের সুদিনে আরেক ধাপ অগ্রগতি

পাট নিয়ে গবেষণার দ্বার উন্মোচন হওয়ার পর কয়েক বছর ধরেই চলছিল নতুন জাত উদ্ভাবনের চেষ্টা। জেনম সিকোয়েন্সিংয়ের পাশাপাশি হাইব্রিডাইজেশন প্রক্রিয়ায় চলছিল এ প্রচেষ্টা। কয়েক বছরের এ চেষ্টার ফলও মিলেছে। লবণাক্ততাসহিষ্ণু পাটের চারটি নতুন জাত উদ্ভাবনে সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ পাট গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিজেআরআই)। এসব জাতের মাধ্যমে নতুন করে চাষের আওতায় আসবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় ১০ জেলার প্রায় ১০ লাখ হেক্টর লবণাক্ত জমি।

জমিতে সর্বোচ্চ ১৪ মাত্রার (ডিএস পার মিটার) লবণাক্ততা থাকলেও উদ্ভাবিত জাতগুলো আবাদ করা যাবে। ফলে ৩০ লাখ টনের মতো অতিরিক্ত পাট উৎপাদন করা যাবে দেশে। এসব জাতের বীজও কৃষক নিজেই উৎপাদন করতে পারবেন। সব দিক দিয়েই এ উদ্ভাবনকে দেশের পাট খাতের সুদিনে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন গবেষকরা।

এ উদ্ভাবনের সঙ্গে ছিলেন বিজেআরআইয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহমুদ আল হোসেন। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, এটি সর্বোচ্চ ১৪ মাত্রার লবণাক্ত জমিতেও  জাতটি হেক্টরপ্রতি তিন টনের বেশি ফলন দিয়েছে। পরবর্তীতে লবণাক্ততা বেড়ে গেলেও গবেষণার মাধ্যমে আরো লবণাক্ততাসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন সম্ভব হবে। জাতগুলো উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষক পর‌্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণ করতে পারলে আর্থিকভাবে তাদের লাভবান করার সুযোগ তৈরি হবে। দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, রফতানি বৃদ্ধিসহ সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে জাতগুলো।

মার্চ থেকে মে পর্যন্ত উচ্চমাত্রার লবণাক্ততার কারণে উপকূলীয় জেলাগুলোর ১১-১২ লাখ হেক্টর জমি পতিত থাকে। অন্য সময়ে কিছু শস্য আবাদ হলেও এ তিন মাস কোনো শস্য আবাদ হয় না। এ কারণে এ অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা যেমন কম, একইভাবে দরিদ্রতাও বেশি। এটি বিবেচনায় নিয়েই ছয় বছর ধরে উপকূলীয় ছয়টি জেলায় লবণাক্ততাসহিষ্ণু পাটের জাত নিয়ে গবেষণা করছে বিজেআরআই। গবেষণার অংশ হিসেবে পাটের যে নতুন চারটি জাত উদ্ভাবন সম্ভব হয়েছে, তা দিয়ে পতিত জমির প্রায় ৮৫ শতাংশ আবাদের আওতায় আনা যাবে।

পাটের বপন সময় এপ্রিল। এর দেড় মাস পরই এ অঞ্চলের জমিগুলোয় কিছুটা পানি চলে আসে। এতে লবণাক্ততার মাত্রাও কিছুটা কমে। এ দেড় মাস লবণাক্ততা মোকাবেলা করে টিকে থাকতে সক্ষম এমন জাত উদ্ভাবনের জন্য পিরোজপুরের নাজিরপুর, খুলনার দাকোপ, বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ, সাতক্ষীরা সদর, বরগুনার বেতাগী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গবেষণা পরিচালনা করা হয়। জমিতে লবণাক্ততার মাত্রাভেদে চারটি লাইন উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন গবেষকরা। লাইনগুলো হলো সি-১২২২১, সি-২৫৯৩, সি-১২০৩৩ ও সি-৩৪৭৩। এসব লাইন জাত হিসেবে জাতীয় বীজ বোর্ড চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে। বীজ বোর্ডের অনুমোদনের পর কৃষক পর‌্যায়ে আবাদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে জাতগুলো।

বিজেআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. মো. মনজুরুল আলম বলেন, উদ্ভাবিত জাতগুলো মধ্যম মানের লবণাক্ততাসহিষ্ণু হলেও পরবর্তীতে উচ্চলবণাক্ততাসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনে জোর দেয়া হবে। খরিপ-১ মৌসুমে দক্ষিণাঞ্চলকে সবুজে ভরে দিতে আমাদের উদ্ভাবিত জাতগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। গত তিন বছর জাতগুলো লবণাক্ত এলাকায় আবাদের মাধ্যমে আমরা তা প্রমাণও করতে পেরেছি। প্রক্রিয়াগুলো শেষ করে স্বল্প সময়ের মধ্যেই কৃষকের কাছে পাটের জাত দিতে সক্ষম হব।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন উদ্ভাবিত জাতের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলে পাট উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হলেও কিছু ঝুঁকি থাকছেই। এর মধ্যে অন্যতম বিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন। অতিরিক্ত উৎপাদিত পাট কোথায় কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সেটি নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি এ অঞ্চলে পাট উৎপাদন প্রক্রিয়ায়, বিশেষ করে বপনের সময় মাটি কিছুটা আর্দ্র থাকা প্রয়োজন। সেজন্য সেচের প্রয়োজন হতে পারে। তাছাড়া কৃষকদের কাছে বীজ পৌঁছতে না পারলে বাধাগ্রস্ত হতে পারে উৎপাদন। কারণ প্রতি বছর যে পাঁচ হাজার টনের মতো ভারতীয় পাটবীজ আমদানি হয়, তা মূলত স্বাভাবিক জমিতে চাষের জন্য। কিন্তু লবণাক্ততাসহিষ্ণু জাত আবাদ করতে হলে দেশেই কৃষক পর‌্যায়ে বীজ উৎপাদন করতে হবে।

বিজেআরআইয়ের সাবেক গবেষক এবং ঢাকা ও সিন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আহমেদ শামসুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, জাতগুলো নিয়ে মাঠপর‌্যায়ে ট্রায়াল অ্যান্ড এরোর ভিত্তিতে আরো কয়েক বছর গবেষণা চালিয়ে যেতে হবে। পরবর্তীতে লবণাক্ততা যদি বেড়ে যায়, তা মোকাবেলায় উচ্চঘাতসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের জন্যই এ গবেষণা চলমান রাখতে হবে। তাছাড়া কৃষক পর‌্যায়ে কীভাবে বীজ উৎপাদন করা সম্ভব, গবেষণা করতে হবে সেটি নিয়েও।

প্রচলিত জাতের চেয়ে লবণাক্ততাসহিষ্ণু এসব জাত ফলনও দেবে তুলনামূলক বেশি। স্বাভাবিক জমিতে দেশী জাতগুলো থেকে হেক্টরপ্রতি পাট পাওয়া যায় ১১ বেলের মতো। এর বিপরীতে লবণাক্ততাসহিষ্ণু নতুন জাতগুলো থেকে পাটের ফলন পাওয়া যাবে ১৩ বেল।

কয়েক বছর ধরেই পাট উৎপাদন ৮৫-৯০ লাখ বেলের মধ্যে আছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, ২০১৫-১৬ অর্থবছর দেশে পাটের উৎপাদন ছিল ৭৬ লাখ বেল। গত অর্থবছর তা ৮৩ লাখ বেলে উন্নীত হয়। অর্থবছরটিতে দেশে পাট আবাদ হয়েছিল ৭ লাখ ৩৮ হাজার হেক্টর জমিতে। চলতি অর্থবছর ১০ লাখ হেক্টর জমিতে ৮৯ লাখ বেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

Source: http://bonikbarta.net/bangla/news/2018-05-04/156592/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%85%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF/

Pages: 1 ... 14 15 [16] 17 18 ... 21