Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - nafees_research

Pages: 1 ... 17 18 [19] 20 21
271
নরওয়ের পাহাড়ের ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ বীজের গুদাম, বাংলাদেশে কিভাবে বীজ সংরক্ষণ করা হচ্ছে

সারা বিশ্বের মূল্যবান সব বীজ সংরক্ষণ করে রাখার জন্যে ১০ বছর আগে নরওয়েতে তৈরি করা হয়েছে গ্লোবাল সীড ভল্ট।

গত সপ্তাহে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৭০ হাজার শস্যবীজের একটি চালান পাঠানো হয় এই সংরক্ষণাগারে। ফলে এই ভল্টে বীজের সংখ্যা এখন ১০ লাখেরও বেশি।

এসব বীজ রাখা আছে আর্কটিক অঞ্চলের স্ভালবার্ডে একটি পাহাড়ের ভেতরে।

বিবিসির বিজ্ঞান বিষয়ক সংবাদদাতা ডেভিড সুকমান গিয়েছিলেন ওই ভল্টটি দেখতে। তিনি বলছেন, বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শস্যের বৈচিত্র্য ধরে রাখা খুবই জরুরী। খরা, বন্যা কিম্বা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্যশস্য যাতে কখনো হুমকির মুখে না পড়ে সেকারণেই এই উদ্যোগ।

বীজ জমা রাখার জন্যে বছরে প্রায় দু'বার খুলে দেওয়া হয় এই ভল্ট। গত সপ্তাহে যেসব বীজ রাখা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায় প্রোটিনের উৎস - ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি।

গ্লোবাল সীড ভল্টে আছে তিনটি চেম্বার। তার একটি ইতোমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ সব বীজের প্যাকেটে ভর্তি হয়ে গেছে।

পাহাড়ের ভেতরে তৈরি একটি সুড়ঙ্গের ভেতরে ঢুকেছেন ডেভিড সুকমান। ভল্টের প্রবেশ মুখ এটি। তিনি বলছেন, সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে এই এলাকা ১৩০ মিটার উপরে।

"জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মেরু অঞ্চলের সব বরফও যদি গলে যায়, তারপরেও এই সংরক্ষণাগারটি নিরাপদ থাকবে," বলেন তিনি।

যতোই ভেতরে যাওয়া হয় ততোই ঠাণ্ডা। এখানে গুদাম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগেই এটি অক্ষত থাকে।

"এই পরিবেশে বীজ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষিত থাকতে পারে। এটা নির্ভর করে কোন ধরনের শস্য তার উপর। কোনো কোনো বীজ চার হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে পারে," বলেন ভল্টের একজন কর্মকর্তা।

গুদামের ভেতরে ঢুকে দেখা গেলো সেখানে তাপমাত্রা মায়নাস আঠারো ডিগ্রি সেলসিয়াস। সারি সারি করে রাখা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগ্রহ করে আনা বীজ।

এসব বীজ আগে রাখা হতো কাঁচের টেস্টটিউবে আর এখন প্লাস্টিকের তৈরি ব্যাগে।

গত বছর খারাপ আবহাওয়ার কারণে ভল্টের প্রবেশ মুখ প্লাবিত হয়েছিলো তবে যেসব ফ্রোজেন চেম্বারে বীজ রাখা সেখানে পানি পৌঁছাতে পারেনি। এরপর তীব্র গরম ও ঠাণ্ডার হাত থেকে এটিকে রক্ষার জন্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, সারা বিশ্বের জিন ব্যাঙ্কে প্রায় ২২ লাখ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বীজ সংরক্ষিত আছে যা ধীরে ধীরে গ্লোবাল সীড ভল্টে নিয়ে আসা হবে।

Source: https://www.bbc.com/bengali/news-43294031?ocid=socialflow_facebook

272

তিনি দেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার

নিজের পরিচয় দেওয়ার সময় বলেন, প্রায় অবসরপ্রাপ্ত। ‘৪০ বছর তো করলাম, আর কত?’ তবে এখনো সফটওয়্যার তৈরির সঙ্গে যুক্ত আছেন তথ্যপ্রযুক্তিতে দেশের প্রথম নারী কর্মী শাহেদা মুস্তাফিজ। বর্তমানে সন্তানের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। ৭ মার্চ রাজধানীর বনানীতে তাঁর কার্যালয়ে গিয়ে কথা হয় এই চার দশকের কর্মজীবন নিয়ে।

তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের জন্য বর্তমান সময়টা চমৎকার। তবে চার দশক আগে কেমন ছিল? সে সময় হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। সেগুলো মূলত বিদেশে সফটওয়্যার রপ্তানি করত। কর্মীরা সব পুরুষ। সে সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়ানো হতো না। শাহেদা মুস্তাফিজ পড়াশোনা করেছেন অর্থনীতিতে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের এনসিআর করপোরেশনে সফটওয়্যার আর্কিটেকচার নিয়ে এক বছরের প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৭৬ সালে সে প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ শাখায় সিস্টেমস ম্যানেজার হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু। পরবর্তী সময় বাংলাদেশে এনসিআরের কার্যক্রম লিডস করপোরেশন কিনে নিলে লিডসে শুরু হয় তাঁর কাজ। দেশে ব্যাংকে অটোমেশন বা ব্যাংকিং সফটওয়্যার তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন শাহেদা।

প্রথমে এনসিআর ও পরে লিডসে ২২ বছর কাজ করে ১৯৯৮ সালে ইস্তফা দেন শাহেদা মুস্তাফিজ। এরপর কাজ শুরু করেন প্রবিতি সিস্টেমস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে। তাঁর এই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে সফটওয়্যার রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। এ ছাড়া তিনি কানাডার টোয়েন্টি-টোয়েন্টি টেকনোলজিস ইনকরপোরেটেডের বাংলাদেশ শাখায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ই-টেকলজিকস ইনকরপোরেটেডের বাংলাদেশ শাখায় নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। কাজের বাইরে তিনি শিশুদের জন্য এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করেছেন।

৪০ বছর আগের সঙ্গে তুলনা করলে বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য হারে না। শাহেদা মুস্তাফিজ মনে করেন, এর পেছনে একটা কারণ হলো নারীদের দুটো সমান্তরাল জীবন আছে, দুটোই গুরুত্বের সঙ্গে চালাতে হয়। তিনি বলেন, ‘৪০ বছর আগের সঙ্গে তুলনা করলে দেশ এখন অনেক এগিয়েছে। সব দিক দিয়েই এগিয়েছে। শুধু নারীদের কাজটা এখনো সেই আগের মতোই আছে। এখনো সন্তান-সংসারের পুরো দায়িত্ব নারীর একার। আমাদের কর্মজীবন আর পারিবারিক জীবনের মধ্যে ভারসাম্য করে চলতে হয়। আর কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের জন্য পুরোটা সময় এর ভেতরেই থাকতে হয়। আমাদের সমাজে এটা সব সময় সবার পক্ষে সম্ভব হয় না।’

প্রোগ্রামিংয়ে নারীরা কম আসে ঠিকই, তবে যারা আসে তারা কিন্তু আবার খুব ভালো কাজ করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জানান, ‘আমার দলে অনেক নারী কর্মী কাজ করেছেন। এই দলটা চমৎকার কাজ করত।’

আমাদের দেশে সেবা হিসেবে সফটওয়্যার শিল্পের যা কিছু বিকাশ হয়েছে, পণ্য হিসেবে তা হয়নি। অর্থাৎ কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার বা তথ্যপ্রযুক্তি সেবা দেওয়ার রীতি আছে। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যখন একটা সফটওয়্যার তৈরি করে বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করতে যায়, তা পারে না। শাহেদা মুস্তাফিজ বলেন, ‘আমাদের দেশে সফটওয়্যারের বাজার সেভাবে তৈরি হয়নি। সফটওয়্যারের যে আলাদা দাম থাকতে পারে, তা-ই অনেকে বুঝতে চান না। আবার অনেক ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে প্রচুর অর্থ খরচ করে সফটওয়্যার আমদানি ঠিকই করে, শুধু দেশি প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারের মূল্য পরিশোধ করতে প্রতিষ্ঠানগুলোর যত আপত্তি। কিন্তু বুঝতে হবে তো একটা সফটওয়্যার তৈরির পেছনে কত পরিশ্রম থাকে, কত সময় লাগে।’

খুব শিগগিরই পূর্ণ অবসরে যেতে চান শাহেদা মুস্তাফিজ। তবে তার আগে হাসপাতাল অটোমেশন সফটওয়্যারের কাজ শেষ করতে চান। তিনি বলেন, ‘আমার জীবনে তাহলে দুটো অর্জন থাকবে। একটা ব্যাংক অটোমেশন সফটওয়্যার, আর দ্বিতীয়টা হাসপাতালের জন্য।’

Source: http://www.prothomalo.com/technology/article/1447236/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0

273
Software Engineering / Alan Edelman to train Bangladeshi AI developers
« on: April 29, 2018, 05:25:27 PM »
Alan Edelman to train Bangladeshi AI developers

'Bangladeshi youths are very talented. They will show excellence if they are given proper mentorship and training program.'

Machine learning expert Alan Stuart Edelman will mentor Bangladeshi young programmers to develop new technologies through Artificial Intelligence (AI).

Edelman, father of the programming language Julia, is a professor of Applied Mathematics at the Massachusetts Institute of Technology (MIT) in the US.

He made a keynote presentation at a session titled “AI and Machine Learning” at BASIS SoftExpo at Bangabandhu International Conference Centre in Dhaka, according to a press release issued Saturday.

Edelman said: “The dependency on Google is not good for the young developers. They should focus on developing service and products from own innovations. Julia will support the developers to implement their innovation in programming.”

He focused on comparative feature between Google’s Tensor Flow and Ju.

He said: “Bangladeshi youth are very talented. They will show excellence if they are given proper mentorship and training program. MIT and Julia Computing will support local organizations in this regard.”

Mustafa Jabbar, the posts, telecommunications and information technology minister, was the chief guest at the program, which was moderated by former BASIS president Habibullah N Karim.

University of Asia Pacific Vice-Chancellor Prof Jamilur Reza Chowdhury and Mascagni senior expert Prof Samdani spoke at the panel discussion while BASIS President Syed Almas Kabir made the welcome address.

Jabbar said Prof Edelman’s Dhaka trip was a milestone for Bangladesh’s technology sector. “Bangladesh experienced a tremendous growth in the ICT industry in participation of people from all walks of lives. Youths lead the innovations here. They have interest in new technologies like Machine Learning.”

Prof Jamilur said the machine learning was not a new concept in the world, but some initiatives on artificial intelligence had started in Bangladesh only recently.

“We should focus on developing programming language in Bangla to make machine learning easier,” he added.

Prof Samdani said machine learning was the frontier of future technologies.

BASIS President Kabir informed the session that BASIS had engaged Prof Eledman as an adviser for development of the technology sector in Bangladesh.

Besides, there were held 11 sessions including – Women in ICT, Problem Solution through IoT, Going to Collaboration on the third day of the exposition.

Source: https://www.dhakatribune.com/technology/2018/02/25/alan-edelman-train-bangladeshi-ai-developers/

274
৪০ বছরের নীচে ১০ তরুণ গবেষক: তালিকায় বাংলাদেশি গবেষক ড. এহসান হক

প্রখ্যাত বিজ্ঞান ভিত্তিক ম্যাগাজিন সায়েন্স নিউজের ৪০ বছরের নীচের সেরা ১০ তরুণ গবেষকের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাঙালি তরুণ এহসান হক। এর আগে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) জার্নাল টেকনোলজি রিভিউ ঘোষিত ৩৫ বছরের কম বয়সী সেরা ৩৫ জন উদ্ভাবকের সম্মাননায় ভূষিত হয়েছিলেন তিনি।‘টিআর ৩৫’ নামের সে তালিকায় স্থান পাওয়া এ তরুন সম্প্রতি চলতি বছরের জন্য মধ্য ক্যারিয়ারে থাকা ৪০ বছরের নীচে কাজ করা সফল ১০ তরুণ গবেষকের তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছেন। গত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছর তৃতীয়বারের মতো এ ধরনের তালিকা প্রকাশ করে ম্যাগাজিনটি। ‘এসএন ১০’ নামের এ তালিকায় মূলত সেই সব তরুণ গবেষকদের নাম যুক্ত করা হয়েছে, যারা ইতিমধ্যে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনে নিজেদের সফলতা দেখাতে পেরেছেন এবং ভবিষ্যৎতের দারুন সব গবেষণাভিত্তিক উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিতে পারেন। এ তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে যুক্ত ছিলেন নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের নির্বাচিত সদস্যরা।

এহসান হকের ধারাবাহিক এমন সাফল্যের বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন,‘৪০ বছরের কম বয়সী তরুণ গবেষকদের মধ্যে এহসান হকের যুক্ত হওয়ার বিষয়টি বেশ উৎসাহজনক। তিনি এমন কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করছেন যা আসলে বেশ নতুন। বিশেষ করে মানুষের চেহারা দেখে তার মানসিক অবস্থা নির্ণয় করা, এমন একটা ব্যবস্থা তৈরি করা যা আমাদের মুদ্রা দোষ, আমতা আমতা করা বা বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ার বিষয়গুলোর সহজ সমাধান দেবে। এ পদ্ধতিগুলো নিজেকে তৈরির ক্ষেত্রে বেশ সহায়তা করবে। আমরা বিশ্বাস তিনি এ ধরনের গবেষনায় আরো দারুন কিছু করবেন।’

নিজের সাম্প্রতিক কাজ সম্পর্কে এহসান হক জানান, অনেকেই কথা বলার সময় বা আলাপ করার সময় প্রচুর কথা বলতে থাকেন এবং ক্ষেত্রবিশেষে কাউকে বলার সুযোগও কম দেন! কম্পিউটার কি এ অবস্থাকে সহায়তা করতে পারে? এমন চিন্তা থেকে আমরা কোলাবোরেশন কোচ (কোকো) নামের একটি ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছি যা স্বয়ংক্রিয় ভাবে একসাথে কথা বলা ব্যক্তিদের জানিয়ে দেবে কে কার কথায় বেশি বাধা দিচ্ছে বা কে বেশি কথা বলে অন্যকে বলার কম সুযোগ দিচ্ছেন। এটা মূলত কথা বলার ক্ষেত্রে সকলকে সমান সুযোগ দেওয়ার জন্য একটি ব্যবস্থা।

ক্যান্সার রোগীদের ক্যামোথেরাপির আরেকটি বিষয় নিয়েও কাজ করছেন উল্লেখ করে এহসান হক জানান, ক্যান্সার রোগী যারা লাস্ট স্টেজ বা চিকিৎসার শেষ পর্যায়ে থাকেন তারা চান শেষ সময়টা যতটা সম্ভব পরিবারের সাথে কাটাতে। কিন্তু সে সময়ে বেশির ভাগ সময় কাটাতে হয় হাসপাতালে বা ক্যামোথেরাপি দেয়ার কাজে। ২০০৮ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মা হারানো এহসান বিষয়টি নিয়ে ভেবেছেন এবং নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে যৌথভাবে কাজ করছেন কিভাবে এ পদ্ধতিটি পরিবর্তন করা যায়। খুব শিগগিরই পুরো বিষয়টি অ্যাফেক্টিভ কম্পিউটিং অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্ট ইন্টারঅ্যাকশন (এসিআইআই) নামের আন্তর্জাতিক ফোরামে প্রকাশ করা হবে।

গত বছর এমআইটির ‘টিআর ৩৫’ প্রকাশিত তালিকার যুক্ত হওয়া এহসান হক অনেকদিন ধরেই কাজ করছেন মানুষের কথা ও শারীরিক ভাষার গাণিতিক মডেল বের করে সেটাকে কাজে লাগানোর বিষয় নিয়ে।এর মাধ্যমে তৈরি যন্ত্রটি অটিজম বা ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্তদের আলাপচারিতায়, চাকরিপ্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতিতে, এমনকি বিতার্কিকদের তাঁদের বক্তৃতার ভুলগুলো সংশোধন করতে সহায়তা করবে। এরই মধ্যে বানানো হয়েছে একটি বিশেষ চশমা, যা বক্তৃতা দেওয়ার সময় বক্তাকে আরও সাবলীল হতে সাহায্য করে।

মূলত কাজটি হচ্ছে মাই অটোমেটেড কনভার্সেশন কোচ (মাক) এবং লাইভ ইন্টারঅ্যাকটিভ সোশ্যাল স্কিলস অ্যাসিসটেন্ট (লিসা) প্রোগ্রাম নিয়ে। এ দুটি প্রোগ্রাম  তাৎক্ষণিকভাবে বলে দিতে পারে একজন মানুষ কথার মধ্যে কতবার আমতা আমতা করেছেন বা কথা বলার ক্ষেত্রে আটকে গেছেন। এছাড়াও যন্ত্রটি বলতে পারবে কথা বলার সময় তার শারীরিক অঙ্গভঙ্গি স্বাভাবিক ছিল কিনা বা তার শব্দ প্রক্ষেপণ কী যথাযথ ছিল কিনা? এমআইটি মিডিয়া ল্যাবে কাজ করার সময় এহসান প্রথমে বানান মাক, যা এমআইটির শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারে দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। পরে সেটিকে বিকশিত করে ভিন্নভাবে সক্ষম কিংবা অটিস্টিক ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য তৈরি করেছেন লিসা।

এহসান হক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব রসেস্টার’র সহকারী অধ্যাপক। ঢাকা কলেজে পড়াশোনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি। পরবর্তীতে ইউনিভার্সিটি অব মেমফিস থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর এবং এমআইটি থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।

এমআইটি ল্যাবে ২০০৮ সাল থেকেই মানুষের মুখাবয়ব ও কন্ঠ বিশ্লেষণ বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এহসান হক। পরবর্তীতে ওয়াল্ট ডিজনির গবেষণাগারে এমন এক স্বয়ংক্রিয় রোবট নিয়ে কাজ করেন যা দেখতে, শুনতে ও নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে ২০১০ সালে আইবিএমের গবেষণাগারে বুদ্ধিমান বিজ্ঞাপন যন্ত্র তৈরি করেন যা পথে চলতে থাকা মানুষের গতিবিধি, বয়স, পরনের কাপড়ের রং ইত্যাদি বুঝে বিজ্ঞাপন করতে পারে!

Source: http://www.bigganprojukti.com/ehsanhoque/

275

১০০ বলের ক্রিকেট বাংলাদেশেই![/b]

তাঁদের হাত ধরে কত ইতিহাস রচিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে। বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন এক ইতিহাস রচনার দায়িত্বও নিলেন তাঁরা। সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে গত দুই বছর আয়োজন করা হচ্ছে ‘মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল’। এবারও কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দুই মাঠে আয়োজন করা হবে টুর্নামেন্টটি। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই টুর্নামেন্ট দিয়ে বাংলাদেশও ঢুকে পড়ছে ১০০ বলের ক্রিকেটের যুগে!

১৫টি স্বাভাবিক ওভার ও ১০ বলের ১৬ ওভারের নতুন এক ক্রিকেট চালু করতে চাইছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলশ ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ইংল্যান্ড যেটি ভাবছে, সেটিই দ্রুত বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটাররা। আজ ওয়ালটন-স্ক্যান সিমেন্ট মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভ্যালের প্লেয়ার্স ড্রাফটে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ, ‘এবার আমরা ১০০ বলের ম্যাচ খেলব। আশা করি, টুর্নামেন্টটা গত দুই বছরের মতো সফল হবে।’
কীভাবে হবে নতুন ধারার এই ক্রিকেট, সেটির একটা ধারণা দিলেন বাংলাদেশের আইসিসি ট্রফি জয়ী অধিনায়ক আকরাম খান, ‘এটা আমাদের কাছে নতুন একটা আইডিয়া। আমরা চেষ্টা করে দেখি, এটা কেমন। যদি মনে হয় এটা ভালো হচ্ছে, উত্তেজনা ছড়াচ্ছে, তাহলে ভবিষ্যতেও এটা হতে পারে। ১৫ ওভার স্বাভাবিক নিয়মেই হয়ে যাবে। শেষ ওভারের ১০ বল একজন বোলারই করবে।’

২ মে কক্সবাজারে শুরু ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টুর্নামেন্টে এবার অংশ নেবে পাঁচ দল। বেক্সিমকো ঢাকা মাস্টার্স, সিক্সার্স সিলেট মাস্টার্স, আম্বার চট্টগ্রাম মাস্টার্স, রাজশাহী মাস্টার্স ও খুলনা মাস্টার্সের হয়ে অংশ নেবেন সাবেক ক্রিকেটাররা। পাঁচ দলের সবাই একে অপরের বিপক্ষে খেলবে লিগ পর্বে। সেরা দুই দল উন্নিত হবে ফাইনালে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ৫ মে। আয়োজকেরা জানিয়েছে, ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেল আই।

Source: http://www.prothomalo.com/sports/article/1476291/%E0%A7%A7%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%87

276
Thanks for sharing at this platform.

277
A holistic initiative, indeed.

280
Ant Financial, operator of Alibaba-linked Alipay, will buy 20 percent of Bangladesh’s bKash

Selim RF Hussain, managing director and CEO of BRAC Bank, of which bKash is a subsidiary, told reporters about the development after the signing of a deal between Ant Financial and bKash at a Dhaka hotel on Thursday.

According to him, bKash will retain 51 percent of its shares and Alibaba will get the stakes from the remaining 49 percent of Money in Motion LLC, International Finance Corporation, and Bill and Melinda Gates Foundation.

BRAC Bank said in a price sensitive information disclosure that its board of directors approved the share purchase proposal of bKash in a meeting on Thursday.

It said Alipay Singapore E-commerce Private Limited will purchase 20 percent of equity stake of bKash, including preference share. This 20 percent will be calculated based on post-dilution.

Alipay will purchase 10 percent of the bKash share from Money in Motion, IFC and Bill and Melinda Gates Foundation, BRAC Bank said.

The deal entitles Alipay to subscribe for a further 10 percent share of bKash.

BRAC Bank MD Hussain termed ‘milestone’ the investment by Alibaba in Bangladesh.

“They are a big company. We will get technical, mechanical and different other sorts of help from them.

“The most important thing is that Bangladesh has advanced in strategic investment. It’s a great recognition of our economic development and digitisation,” he added.

BRAC Bank Chief Financial Officer Abdul Kader Joaddar told reporters Bill and Melinda Gates Foundation owns preferential shares of bKash while Money in Motion’s stake in bKash is 36.5 percent and IFC’s 12.5 percent.
According to him, Money in Motion is transferring 5.9 percent to Alibaba and IFC 2 percent.

Joaddar also said the entire process would take 15 to 18 months to complete.

The deal signed on Thursday was on strategic partnership. It aims to promote financial inclusion for the unbanked and underbanked communities in Bangladesh, bKash said in a media release. 

bKash CEO Kamal Quadir and Douglas Feagin, Ant Financial Senior Vice President of Global Business, signed the deal.

“This investment opens many new opportunities for bKash and demonstrates the confidence a world-class player is placing in Bangladesh,” said Quadir.

He also said they wanted to bring to Bangladesh the achievements of China in financial inclusion in past 15 to 20 years.

Eric Jing, executive chairman and CEO of Ant Financial said, “As part of Ant Financial’s global strategy, we are keen to share our technology know-how with partners like bKash, who has successfully brought financial services to the largely unbanked population in Bangladesh.”

bKash, launched in 2011, operates with over 30 million registered accounts, according to the firm.

Source: https://bdnews24.com/business/2018/04/26/ant-financial-operator-of-alibaba-linked-alipay-will-buy-20-percent-of-bangladeshs-bkash

281
IT / TEDx - Kamal Quadir: Audacity to take Part
« on: April 26, 2018, 11:39:55 PM »
TEDx - Kamal Quadir: Audacity to take Part

About TEDx: In the spirit of ideas worth spreading, TEDx is a program of local, self-organized events that bring people together to share a TED-like experience. At a TEDx event, TEDTalks video and live speakers combine to spark deep discussion and connection in a small group. These local, self-organized events are branded TEDx, where x = independently organized TED event. The TED Conference provides general guidance for the TEDx program, but individual TEDx events are self-organized.* (*Subject to certain rules and regulations)

Kamal Quadir is the CEO of bKash. Kamal talks about how digital platforms are increasingly becoming available in poor countries at a reasonable cost, and so is the endless flow of innovative applications that are riding on those platforms.

TEDx video link:

282
World Intellectual Property Day – April 26, 2018

Powering change: Women in innovation and creativity
Every April 26, WIPO celebrate World Intellectual Property Day to learn about the role that intellectual property rights (patents, trademarks, industrial designs, copyright) play in encouraging innovation and creativity.

This year’s World Intellectual Property Day campaign celebrates the brilliance, ingenuity, curiosity and courage of the women who are driving change in our world and shaping our common future.

Source: http://www.wipo.int/ip-outreach/en/ipday/

283
We are happy to announce that DIU Reasearch Centre is going to publish on-line publication, naming, 'THE ENTREPRENEUR'. You will shortly, find the on-line link of the publication, which will focus various issues of entrepreneurial initiatives, activities, case study of successful entrepreneurs, constructive write-ups and entrepreneurial events & activities done by Daffodil Family. We have already finalized the contents of the very first issue of the publication which is in the publication section, now.

Regards,

Nafees

284
Bangladesh receives 1st delivery of imported LNG, supply expected mid-May

The maiden consignment of liquefied natural gas (LNG) reached Moheshkhali from Qatar to supply imported gas to the national network.

According to official sources, the very first consignment of LNG reached Chattogram through the Excelerate Energy’s floating storage and re-gasification unit (FSRU).

The FSRU, generally known as the LNG terminal which was set up on a floating vessel with storage and re-gasification facilities, will permanently station in Moheshkhali.

“The FSRU reached the country at 2pm today (Tuesday), one day ahead of its scheduled arrival,” said Mohammad Quamruzzaman, managing director of Rupantarita Prakritik Gas Company Limited (RPGCL).

RPGCL, a subsidiary of state-owned Petrobangla, has been responsible for the import of LNG and supply of the gas to the national network through a re-gasification process.

The import of LNG was initiated more than seven years ago. But with the arrival of a first consignment, the government has achieved success in its LNG import efforts to meet the gas shortage.

Quamruzzaman said now it will take three to four weeks to complete some technical work to commission the FSRU for supplying the imported gas to the national network.

“We hope, we will be able to commission the FSRU by mid May”, he said, adding the next consignment is expected in the middle of June on a separate LNG vessel.

The imported LNG will be re-gasified by private FSRUs.

So far the local Summit Group, and US-based Excelerate Energy, are allowed to set up two separate FSRUs near Moheshkhali to store the imported LNG and then supply it to the national grid following re-gasification.

“The FSRU, owned by US-based Excelerate Energy Bangladesh Ltd, carried 133,000 cubic meters (CM) of lean LNG to supply to consumers,” said the RPGCL chief.

Deliveries from Qatar are part of a sales and purchase agreement with RusGas for 2.5 million tons per year of LNG, priced at 12.5% of the three-month average of Brent, plus an additional $ 0.5 per unit (1 MMBTU).

On April 19 last week, Bangladesh’s cabinet committee approved a final sales and purchase agreement, or SPA, with Oman Trading International, or OTI, to import around 1 million ton per year of LNG for 10 years.

The country is also in negotiations with other suppliers and is planning to sign binding LNG SPAs for more than 3 million tons per year shortly.

The FSRU, which belongs to US-based Excelerate, has a capacity of 3.75 million ton of LNG, and will be moored at Moheshkhali Island, near the Chattogram port.

Bangladesh’s second LNG import terminal, a 3.75 million tons per year FSRU being developed by the local Summit Group, is expected to be commissioned in October.

The country is in negotiations with four other suppliers for long-term deals and is also eyeing short-term and spot purchases.

Many consumers and energy experts believe the imported LNG will push up gas prices at the consumer end as imports will drive up the overall cost of gas.

They said with the start of LNG imports, the country’s overall energy cost will go up, even double, diminishing business competitiveness, if there is no specific plan to utilize the imported gas for any specific sector.

Source: https://www.dhakatribune.com/bangladesh/power-energy/2018/04/24/bangladesh-receives-1st-delivery-imported-lng-supply-expected-mid-may/

285
Is plastic waste the next global environmental crisis?


To celebrate Earth Day we invited Frederic Gallo, lead author of a recent study published in Environmental Sciences Europe to talk about his research on one of the most pertinent environmental issues today: marine plastic pollution. Frederic discusses the disastrous consequences of microplastics on marine life, sets out measures to prevent these, and highlights the work his colleagues are performing around the world in the fight against plastic pollution.

Plastics are useful materials with many clear benefits coming from its lightness and from being chemically inert; they can be flexible or rigid; transparent, translucent or opaque, and can be manufactured in any form or shape. They are widely used in areas like food and beverage packaging and in all kinds of everyday products and appliances.

The production of plastics in industrial scale began in the 1950’s, and since then they are increasingly pervading our society: on average plastic consumption reaches 100 Kg per person per year in Western Europe and North America and 20 Kg in Asia, and these figures are expected to grow rapidly in populated developing countries in Asia or Africa, as urban population increases.

But it is precisely its success and increasing use that is making it a threat to the environment, and specifically the marine environment — the final destination every year of more than 8 million tonnes of mismanaged plastic waste around the globe.

Once the plastic waste —bags, bottles, packaging, etc. – enters into the sea, it undergoes decades of photodegradation and other weathering processes which ends up with its decomposition into microplastics, tiny fragments of few millimeters in size, and even nanoplastics, in the nanometer scale. These may be uptaken by marine biota, from zooplankton to baleen whales.

As in any new field of research, there are currently more questions than certitudes with regard to the consequences of marine plastic pollution. Microplastics, now clearly present as a widespread and complex feature of marine pollution, can carry substantial concentrations of a range of chemical additives like endocrine disruptor chemicals (EDCs) and also adsorbing and concentrating polluting substances in the water. They therefore contribute to the exposure of marine species to hazardous chemicals, with unforeseen consequences.

Knowing the consequences and finding the solutions
In a scenario of “business as usual”, it’s expected that in 2050 there will be more plastic than fish in the oceans. Our recent paper presents the consequences of the increasing presence of plastic waste in all the seas, focusing on the chemical pollution derived from common chemical additives in plastics with endocrine disruptor properties, which may affect marine biodiversity and theoretically even human health.

Solution to plastics in the oceans must include product and infrastructure design as well as consumer behavior. In our publication we propose measures like:

Encouraging plastic waste prevention and supporting development and implementation of safer or more benign alternatives to persistent plastics in the marine environment.
Promoting substitution and green chemistry to avoid harmful chemicals in plastics, especially Endocrine Disruptor Chemicals (EDCs).
Encouraging ecodesign for better packaging recyclability.
Encouraging plastic waste recycling when feasible.
Encouraging changes in consumption and littering behavior.
To assist developing countries, economies in transition and Small Island Developing States with efficient collection and environmentally sound management of plastic waste and plastic packaging, which they are unable to dispose of or recycle in an environmentally sound manner but continue to receive nonetheless, including through take-back or repatriation policies under extended producer responsibility (EPR) schemes.

Among the authors of the publication there are environmental chemists, marine scientists and environmentalists.

Dr. David Santillo, from the Greenpeace Science Lab in Exeter University (UK), who has recently conducted a study on microplastics in the Scottish Seas (photo)  affirms that “It is already clear that the presence of microplastics in seawater can have physiological and behavioral consequences for marine organisms”, and that “even in remote waters around the Hebrides on the NW coast of Scotland, microplastics have become an unwelcome part of the fabric of marine ecosystems, and this threat to marine life cannot be ignored and requires urgent investigation”.

Joao Sousa, biotechnology engineer working at the IUCN (International Union for the Conservancy of Nature) in Switzerland, has recently returned from an expedition to Sweden and Finland, where they collected ice-cores. The findings affirm that Artic Sea ice has been  shown to contain a concentration of microplastics which far exceeds the ones previously reported in highly contaminated oceanic waters, which are known as the plastic gyres.

The discovery presents a serious human health concern, as approximately 40% of the United States’ commercial fisheries (by weight) come from the Bering Sea and about 50% of the fish consumed in the European Union comes from the European Artic.

Professor Cristina Fossi, from the University of Siena (Italy), has studied the impacts of contaminants on Mediterranean marine organisms over a 20 year period and more recently, the Gulf of California.

In 2012 she published the first paper on the impact of microplastics in baleen whales, a species that can be hugely impacted by microplastics, because each time a whale opens its mouth, it filters 70,000 litters of water!

All these small pieces of plastics could be toxic for organisms, as the plastic itself is full of contaminants, particularly plastic additives, such as phthalates, biphenyl A, PBDEs.  When they are eaten by a fish and arrive in its stomach, the contaminants are released and produce toxic effects. They can impact on the endocrine system of the fish and on its sexual hormones.

Professor Fossi and colleagues are trying to identify the effects of contaminants transported by the microplastics throughout the whole food chain, using biomolecular techniques. For example: measuring the increase or decrease of the level of a protein or DNA damage, by using several techniques from PCR real time to WB and gene expression.

She is currently leading a European Union project, the Plastic Busters, in order to assess the amount, sources, pathways, distribution convergence areas and effects of marine litter on biota as well as mitigate and reduce the impact of marine litter in the Mediterranean Sea.

Source: http://blogs.biomedcentral.com/on-biology/2018/04/18/is-plastic-waste-the-next-global-environmental-crisis-earth-day/

Pages: 1 ... 17 18 [19] 20 21