Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sarowar.ph

Pages: 1 [2] 3 4 5
17
Pharmacology / PCR - Polymerase Chain Reaction Simplified
« on: February 15, 2020, 09:20:33 AM »

18
Pharmacology / Agonist and Antagonists
« on: February 15, 2020, 09:18:19 AM »

20
Research Ideas / Re: Inviting Research Ideas from Faculty Members
« on: February 15, 2020, 09:05:28 AM »
We also have taken this type of initiative in our department.

21
Great message. We should follow it.

22
লার্জি মানুষের এক অসহনীয় ব্যাধি। এতে হাঁচি থেকে শুরু করে খাদ্যে ও ওষুধের মারাত্মক প্রতিক্রিয়া এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি সামান্য অসুবিধা আবার কারও ক্ষেত্রে এটি দুর্বিষহ হয়ে উঠতে পারে। ঘরের ধুলাবালু পরিষ্কার করছেন এমন সময় হঠাৎ হাঁচি শুরু হলো, তারপর শ্বাসকষ্ট শুরু হলো; অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন কিংবা আপনার প্রিয় গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ, গরুর দুধ, বেগুন খেলেই শুরু হলো গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে উঠল। এগুলো হলে ধরে নিতে হবে আপনার অ্যালার্জি আছে। বিভিন্ন কারণে শীতকালে এর প্রকোপ বাড়ে বেশি।

অ্যালার্জি কী ও কেন হয়
প্রত্যেক মানুষের শরীরে একটি প্রতিরোধব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম থাকে। কোনো কারণে এই ইমিউন সিস্টেমে গোলযোগ দেখা দিলে তখন অ্যালার্জির বহিঃপ্রকাশ ঘটে। আমাদের শরীর সব সময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এই প্রচেষ্টাই রোগ প্রতিরোধ প্রক্রিয়া বা ইমিউন। কখনো কখনো সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াই অ্যালার্জি।

অ্যালার্জিজনিত সর্দি বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
অ্যালার্জিজনিত সর্দি বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, কখনো কখনো চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং চোখ লাল হয়ে যায়। অ্যালার্জিক রাইনাইটিস আবার দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এবং অন্যটি পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে যে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হয়, সেটিই সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। আর সারা বছর ধরে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে সেটি পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস।


লক্ষণ ও উপসর্গ
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের ক্ষেত্রে ঘন ঘন হাঁচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ দিয়ে পানি পড়ে। আর পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের ক্ষেত্রে উপসর্গগুলো সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের মতো। তবে এ ক্ষেত্রে উপসর্গগুলোর তীব্রতা কম হয় এবং স্থায়িত্ব বেশি হয়।

অ্যাজমা বা হাঁপানি
এর উপসর্গ হচ্ছে কাশি, বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই আওয়াজ হওয়া, শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া, ঘন ঘন কাশি, বুকে দম বন্ধ ভাব, রাতে ঘুম থেকে উঠে বসে থাকা। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে ঠান্ডা লাগা।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা
রোগীর ফুসফুসের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা করার জন্য স্পাইরোমেট্রি বা ফুসফুসের ক্ষমতা দেখা এই রোগের প্রধান পরীক্ষা।

সমন্বিতভাবে অ্যালার্জির চিকিৎসা

অ্যালার্জেন পরিহার ও ওষুধ প্রয়োগ
যখন অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তা পরিহার করে চললেই সহজ উপায়ে অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। অ্যালার্জি–ভেদে ওষুধ প্রয়োগ করেও অ্যালাজির উপশম পাওয়া যায় অনেকটা।

অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি
অ্যালার্জি হতে পারে বা হয়, এমন দ্রব্যা এড়িয়ে চলা এবং ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিন দেওয়া অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা। আগে ধারণা ছিল অ্যালার্জি একবার হলে আর সারে না। বর্তমানে চিকিৎসাব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। প্রথম দিকে ধরা পড়লে অ্যালার্জিজনিত রোগ একেবারে সারিয়ে তোলা সম্ভব। অবহেলা করলে এবং রোগ অনেক দিন ধরে চলতে থাকলে নিরাময় করা কঠিন হয়ে পড়ে। বর্তমানে অ্যালার্জিজনিত রোগের ভ্যাকসিনসহ উন্নত আধুনিক চিকিৎসা আমাদের দেশেই হচ্ছে।

(অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস, অ্যালার্জি ও অ্যাজমা রোগ বিশেষজ্ঞ, দ্য অ্যালার্জি অ্যান্ড অ্যাজমা সেন্টার।)

23
২০১৯-এনসিওভি ভাইরাস, যার আরেক নাম করোনাভাইরাস। এটি মূলত শ্বাসনালির ভাইরাস। ভাইরাসটির অনেক প্রজাতি আছে, এর মধ্যে কয়েকটি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। ভাইরাস সাধারণত সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত ও পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারে। ছড়িয়ে পড়ার সুবিধার জন্য ভাইরাসগুলো প্রয়োজনমতো পরিবর্তিত হয়। একজন মানুষের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে ছড়াতে পারে। তবে অতি আতঙ্কিত না হয়ে প্রতিরোধের নিয়মকানুন মেনে চললে এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেকে বাঁচানো সম্ভব।

কীভাবে ছড়ায়?


ঠিক কীভাবে এর সংক্রমণ শুরু হয়েছিল, তা এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেননি বিশেষজ্ঞরা। প্রাণী থেকেই প্রথমে ভাইরাসটি কোনো মানুষের দেহে ঢুকেছে এবং তারপর মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়েছে। এ ভাইরাস ছড়ায় হাঁচি-কাশির মাধ্যমে অন্য সাধারণ ফ্লু বা ঠান্ডা লাগার মতো করেই। এই ভাইরাস মানুষের ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়। এর আগে মহামারি ‘সার্স’ ভাইরাসের পরিবার থেকেই এসেছে এই নতুন ধরনের করোনাভাইরাস।



করোনাভাইরাসের লক্ষণ কী

করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রধান লক্ষণ হলো শ্বাসকষ্ট, জ্বর এবং কাশি। ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে ৫-৭ দিন সময় লাগে। প্রথমে জ্বর। তারপর শুকনো কাশি। এক সপ্তাহের মধ্যে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। খুব দ্রুত রোগী খারাপ হতে থাকে এবং রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।

চিকিৎসা

এই ভাইরাসের টিকা বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। সাধারণত লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হয়। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। ফুসফুসে সংক্রমণ হলে তা অন্যান্য অঙ্গকে দ্রুত নিষ্ক্রিয় করে দেয়। তবু সময়মতো সঠিক ও নিবিড় চিকিৎসা মৃত্যুহার কমাতে পারে। এমন লক্ষণ দেখলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।



কীভাবে প্রতিরোধ

হাঁচি বা কাশির পরে হাত ধুয়ে নিতে হবে।
কাশি বা হাঁচির আগে মুখ ঢেকে নিতে হবে।
হাত দিয়ে বারবার নাক-মুখ স্পর্শ না করা ও ঘরের বাইরে গেলে মুখোশ বা মাস্ক পরতে পারেন।
সংক্রমিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলতে হবে।
রান্না না করা গোশত ও ডিম খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।
লক্ষণগুলো দেখা দেওয়া মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।
ঠান্ডা ও ফ্লু–আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা করে চিকিৎসা দিতে হবে।
ধূমপান এড়িয়ে চলতে হবে।

(ডা. মো. শরিফুল ইসলাম)

24
চীন থেকে অনেক দেশ ও অঞ্চলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এরপর পথেঘাটে, অফিসে অনেকেই মাস্ক পরছেন। আবার মাস্ক ব্যবহারের পক্ষে-বিপক্ষে মতও দিচ্ছেন অনেকে। ঘুরেফিরে উঠে আসছে একটি প্রশ্নই, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কতটা প্রতিরোধ করবে ফেস মাস্ক?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফেস মাস্ক পরলেই নিজেকে নিরাপদ ভাবার সুযোগ নেই। পাতলা সার্জিক্যাল মাস্ক সাধারণ দূষণ, ধুলাবালু আটকাতে বেশি ব্যবহৃত হলেও তা পুরোপুরি নিরাপত্তা দেয় না। তবে ফ্লু আক্রান্ত ব্যক্তির মাস্ক পরা জরুরি। এর বাইরে মাস্কের দুটো উপকার আছে: মাস্ক পরা থাকলে নাকেমুখে হাতের স্পর্শ পড়ে কম, আর একেবারে মুখের সামনে কেউ হাঁচি-কাশি দিলে তার থেকে মাস্ক কিছুটা নিরাপত্তা দেয়। তবে সাধারণ মাস্কের ফাঁকফোকর গলে ভাইরাস বা বাতাসবাহিত ড্রপলেট সহজেই প্রবেশ করতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাস্ক মুখে ঠিকমতো ফিটও হয় না।

সাধারণ চারকোনা সার্জিক্যাল মাস্ক পরে কিছু বৃহদাকার ড্রপলেট সংক্রমণ যেমন ফ্লু, হুপিং কফ, মেনিনজাইটিস অনেকাংশে প্রতিরোধ করা যায়। আক্রান্ত রোগী ও তার পরিচর্যাকারী, চিকিৎসক, নার্স, ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের এটা পরা উচিত। তবে প্রতিবার রোগীর পরিচর্যার পর ডিসপোজিবল এই মাস্ক ফেলে দিতে হবে। আধঘণ্টা পরপর পরিবর্তন করলে ভালো। মাস্কের নীল অংশটা পানিপ্রতিরোধী। আর ভেতরের (সাদা) অংশ নাক থেকে বের হওয়া পদার্থ শুষে নেয়। কেউ কাশি দিলে ভেতরের অংশটা সেটা শুষে নেয়। মাস্ক সঠিকভাবে পরা, আলাদা ঘরে বা কোণে গিয়ে খোলার পর সঠিক জায়গায় ফেলা ও ফেলার পর হাত পরিষ্কার করা উচিত।


করোনা, সার্স, যক্ষ্মা, হাম, চিকেন পক্স ইত্যাদি ভাইরাসের ক্ষুদ্র ড্রপলেট বাতাসে ভেসে বেড়ায়। একে প্রতিরোধ করার জন্য সম্ভব হলে গোলাকার এন-৯৫ রেসপিরেটর মাস্ক পরা উচিত। আক্রান্ত রোগী এ ক্ষেত্রে পেস মাস্ক পরবেন, কিন্তু পরিচর্যাকারী এন-৯৫ রেসপিরেটর পরবেন।

শুধু মাস্ক পরলেই হবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বারবার হাত ধোয়া, নাকমুখে হাতের স্পর্শ না লাগানো আর যেকোনো ফ্লু আক্রান্ত রোগী থেকে অন্তত ৬ ফুট দূরে অবস্থান করা—এই তিনটি নিয়ম পালন করা জরুরি।

(ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, লালবাগ, ঢাকা।)

25
বিশ্বব্যাপী ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ২০১৮ সালে পৃথিবীতে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ৯৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে বছরে এক কোটি ৩০ লাখ মানুষ মারা যাবে।

মানব দেহে ক্যান্সার নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। তবে ক্যান্সার হলে আর বাঁচা সম্ভব নয়- এ ধারণাও সঠিক নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের দাবি, মারণব্যাধি এ ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে এর থেকে রক্ষা পাওয়া অনেকটাই সম্ভব। যার অর্থ হলো আগে থেকেই সাবধান হওয়া।

ক্যান্সারের বিভিন্ন লক্ষণ রয়েছে। যেগুলো প্রথম পর্যায়ে দেখা দিলেই সাবধান হওয়া দরকার এবং ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। চলুন জেনে নেয়া যাক ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো-


 

Loading..


Copy video url
Play / Pause
Mute / Unmute
Report a problem
Language
Mox Player
দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি
আপনি যদি দীর্ঘ সময় ধরে ক্লান্তিবোধ করেন বা অবসাদে ভোগেন, তবে সেটা অনেক রোগের কারণই হতে পারে এবং ক্যান্সারের কারণেও হতে পারে। মলাশয়ের ক্যান্সার (colon cancer) বা রক্তে ক্যান্সার (blood cancer) হলে সাধারণত এমন উপসর্গ দেখা যায়।

দ্রুত ওজন কমে যাওয়া
কোনো কারণ ছাড়া হঠাৎ করেই দ্রুতগতিতে যদি ওজন কমতে থাকে তবে তা চিন্তার বিষয়। কারণ, এটি ক্যান্সারের অন্যতম উপসর্গ।

দীর্ঘদিনের ব্যথা
কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে শরীরের কোনো অংশে যদি ব্যথা হয় আর তাতে ওষুধেও যদি কাজ না করে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে ভাবনার যথেষ্ট কারণ আছে। তবে শরীরের কোনো জায়গায় ব্যথা হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করছে রোগীর ব্রেইন টিউমার বা মলাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি রয়েছে কি-না।

অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ড
শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক কোনো মাংসপিণ্ডের উপস্থিতি দেখা দিলে বা মাংস জমাট হলে কিংবা এ ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্যণীয় হলে ক্যান্সারের উপসর্গ হতে পারে। এসব বিষয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


ঘন ঘন জ্বর
জ্বর যেকোনো রোগের উপসর্গ। শরীরে ক্যান্সার জেঁকে বসলে স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। এতে ঘন ঘন জ্বর হতে পারি। ব্ল্যাড ক্যান্সারেে ঘন ঘন জ্বর হয়।


 
ত্বকে পরিবর্তন
ত্বকে অস্বাভাবিক পরিবর্তনই ক্যান্সার শনাক্ত করার সহজ উপায়। ত্বকে অতিরিক্ত তিল বা ফ্রিকেল অথবা আঁচিলের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। যদি আঁচিলের রঙ, আকারে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

দীর্ঘস্থায়ী কাশি
ওষুধ খাবার পরও কাশি না ভালো হলে বা কাশির কারণে বুক, পিঠ বা কাঁধে ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সামান্য কাশি ভেবে একেবারেই ফেলে রাখা ঠিক নয়।

মল-মূত্র ত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন
যদি ঘন ঘন মল-মূত্রের বেগ অনুভব হয় তাহলে ক্যান্সার নিয়ে ভাবনার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। ঘন ঘন ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যও মলাশয়ের ক্যান্সারের লক্ষণ। মূত্রত্যাগের সময় অন্ত্রে ব্যথা বা রক্তক্ষরণ মূত্রথলির ক্যান্সারের উপসর্গ।

অকারণে রক্তক্ষরণ
কাশির সময় যদি রক্তক্ষরণ হয় তাহলে এটি ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারি। এছাড়া জনিপথ বা মলদ্বার থেকে রক্তক্ষরণসহ এ ধরনের অন্যান্য অস্বাভাবিকতাও ক্যান্সারের উপসর্গ।

খাবারে অনিচ্ছা
নিয়মিত বদহজম পেট, কণ্ঠনালী বা গলার ক্যান্সার নিয়ে চিন্তার কারণ রয়েছে। সাধারণত এসব উপসর্গকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না। তবে এড়িয়ে যেতে নেই।

অন্যান্য উপসর্গ
এগুলো ছাড়াও ক্যান্সারের আরও বিভিন্ন লক্ষ্য দেখা দিতে পারে। তার মধ্যে রয়েছে- পা ফুলে যাওয়া, শরীরের আকারে অস্বাভাবিক পরিবর্তন হওয়া ইত্যাদি।


 
তবে প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার শনাক্ত করতে পারলে বেশিরভাগ ক্যান্সারেরই চিকিৎসা ও নিরাময় সম্ভব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ক্যান্সারে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব। যে বিষয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি রয়েছে, যেমন- সিগারেট, অ্যালকোহল, অতিরিক্ত ওজন এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিতে হবে।

এছাড়া স্বাস্থ্যকর একটি জীবনযাপন প্রক্রিয়া বেছে নিতে হবে, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি এড়ানো ক্ষেত্রে ভালো পথ। কারণ, গবেষকেরা বলছেন, পৃথিবীতে অন্তত ২০০ ধরনের ক্যান্সার রয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলোই রয়েছে যেগুলো আক্রান্ত হওয়ার পর মানুষের সুস্থ হওয়ার হার অনেক বেশি, যেমন- স্তন ক্যান্সার ও প্রোস্টেট ক্যান্সার। ফলে অবহেলা না ভয় না পেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।

(আরএস/পিআর)

26
করোনাভাইরাস নিয়ে তোলপাড় পুরো বিশ্ব। শুরুটা চীনে হলেও করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে ভারত, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, নেপাল, মালয়েশিয়াতেও। সংক্রমণ ছড়িয়েছে ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকাতেও। কিন্তু করোনাভাইরাসে যে আক্রান্ত আপনি, তা বুঝবেন কী করে। প্রাথমিকভাবে করোনাভাইরাসের প্রায় সব লক্ষণই সাধারণ সর্দি-কাশি ও জ্বরের মতো।

করোনাভাইরাসে সাধারণ লক্ষণ
১. জ্বর
২. শুকনো কাশি
৩. নিশ্বাস নিতে কষ্ট
৪. পেশিতে যন্ত্রণা
৫. ক্লান্তি


 
কম সাধারণ করোনাভাইরাস লক্ষণ
১. বুকে কফ জমে যাওয়া
২. মাথা ব্যথা
৩. হেমোটাইসিস
৪. ডায়রিয়া

যে লক্ষণগুলি থাকলে বুঝবেন সাধারণ সর্দি-কাশি
১. সর্দি
২. গলায় ব্যথা

যেহেতু করোনাভাইরাস লোয়ার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্টে আক্রমণ করে তাই এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শুকনো কাশি, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট, নিউমোনিয়া দেখা দিতে পারে। কিন্তু কোনোভাবেই গলায় ব্যথা থাকবে না।

ফ্লু এবং ঠান্ডা লাগার মধ্যে পার্থক্য


সাধারণ ঠান্ডা লাগে, গলা খুসখুসে পাশাপাশি নাক দিয়ে পানি পড়া এবং কাশির মতো লক্ষণ দেখা দেবে। সঙ্গে হতে পারে মাথা ব্যথা ও সামান্য জ্বর। বেশ কয়েকদিন ভোগায় রোগীদের।

অন্যদিকে ফ্লু হলে মাথা ও গা-হাত-পায়ে ব্যাথা, শুকনো কাশি, গলা ব্যথা ও প্রচণ্ড জ্বর। জ্বর কখনও কখনও ১০৫ ডিগ্রি ফ্যারেনহাইটও ছাড়াতে পারে। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।

সাধারণ ঠান্ডা লেগে জ্বর হলে দু-তিন দিনের মধ্যেই তা কমে যায়। এক সপ্তাহের মধ্যে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান। অন্যদিকে ফ্লু হলে জ্বর কমতেই অন্তত এক সপ্তাহ সময় লেগে যায়। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে অনেক সময় লাগে।

(জেএইচ/পিআর)

27
Allied Health Science / জন্ডিস হলে কী খাবেন
« on: December 23, 2019, 09:51:08 AM »
জন্ডিস হলে কী খাবেন?

জন্ডিস মানে যকৃতের প্রদাহ বা হেপাটাইটিস। এটি আসলে কোনো রোগ নয়, রোগের লক্ষণ। জন্ডিস হলে রোগীর পথ্য কী হবে, তা নিয়ে অনেকের ভেতর অনেক ভ্রান্তি রয়েছে, যার কোনো ভিত্তি নেই। জন্ডিস হলে এমন খাবার খাওয়া উচিত, যাতে যকৃৎ কিংবা পিত্তথলির ওপর কোনো চাপ না পড়ে। অল্প করে একটু পরপর সঠিক খাবার খেলে এবং পূর্ণ বিশ্রামে থাকলে এমনিতেই জন্ডিস সেরে যায়।

জন্ডিস হলে যা খাবেন


গোটা শস্য: কার্বোহাইড্রেটের চাহিদা পূরণে বাদামি চাল, রুটি, ওট্স খেতে পারেন। গোটা শস্যে প্রচুর আঁশ, ভিটামিন থাকে, যা ক্ষতিকর টক্সিন বের
করে দেয়।

প্রোটিন: খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন মাছ, মুরগির মাংস, ডাল পরিমাণমতো থাকতে হবে। না হলে রোগী দুর্বল হয়ে পড়বে। অনেকে মনে করেন, জন্ডিসে আক্রান্ত রোগী মাছ-মাংসজাতীয় খাবার খেতে পারবেন না। এটা আসলে ভুল ধারণা।

সবজি: মিষ্টিকুমড়া, মিষ্টি আলু, মুলা, বিট, গাজর, টমেটো, ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও পালংশাক জন্ডিস রোগীর জন্য খুব ভালো।

ফল: বেরিস, পেঁপে, তরমুজ, আনারস, পাকা আম, কলা, কমলা, জলপাই, অ্যাভোকাডো, আঙুরের মতো সহজপাচ্য ফল প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে।

দুগ্ধজাতীয় খাবার: জন্ডিস হলে ফুল ক্রিম দুধ বা দই, পনির খাওয়া ঠিক নয়। এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে, যা যকৃতের জন্য ক্ষতিকর।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার: লেবু, বাতাবি লেবুর শরবত জন্ডিস রোগীর জন্য খুবই ভালো। এগুলো শরীরে পানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া প্রতিদিন বাদামও পরিমাণমতো খেতে পারেন। সামান্য আদা কুচি বা রসুন কুচি, আদার রস বা আদা-চা খাওয়া যেতে পারে দিনে দু-একবার। এগুলো যকৃতের জন্য ভালো।

পানি: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি (দৈনিক অন্তত আট গ্লাস) পান করতে হবে। তবে অতিরিক্ত পানি পানের প্রয়োজন নেই। পানি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়। আখের রস, ডাবের পানিও শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করে। তবে রাস্তার পাশের আখের শরবত না পান করে ঘরে তৈরি শরবত খেতে হবে।

যা খাওয়া যাবে না

চিনি বা অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার, কাঁচা লবণ, অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার, রেড মিট (গরু, মহিষ, ছাগলের মাংস), অ্যালকোহল, ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়া যাবে না।

(লেখক: পুষ্টি বিশেষজ্ঞ মেডিনোভা মেডিকেল, মালিবাগ)

28
Allied Health Science / ঝরে যাক মেদ
« on: September 28, 2019, 12:27:31 PM »
বেশি খেলে পেটে মেদ বা চর্বি জমে। কিন্তু মেদ জমার ভয়ে কি আপনি কম খেয়ে থাকবেন? পছন্দের খাবার খাবেন আবার পেটে মেদও জমবে না—এ দুটি যদি একসঙ্গে সম্ভব হয়, তাহলে তো কথাই নেই। সেটাও সম্ভব কিছু নিয়ম মানলে।

নিজেকে ভালো রাখুন
নিজেকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পেটের মেদ কমাতেই হবে। এ জন্য সময় একটু বেশি লাগলেও সঠিক নিয়মে নিয়মিত ব্যায়াম করলে পেটের মেদ দূর করা সম্ভব। পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তনও আনতে হবে। খাবার খাওয়ার আধা ঘণ্টা পরে পানি পান করা শরীরের জন্য উপকারী। রাতের খাবার খেতে হবে ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে। এসবের পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করলে পেটের মেদ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ভোগ লাইফস্টাইল লাউঞ্জের প্রশিক্ষক এ সুফিয়ার জানান, পেটের মেদ কমাতে নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই। সকালে খালি পেটে ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা সময় ব্যায়ামের জন্য দিন। সকালে সম্ভব না হলে সন্ধ্যা বা রাতের দিকেও করতে পারেন। একই সঙ্গে সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। এখানে একটি জিনিস মনে রাখতে হবে, না খেয়ে থাকা মানে ডায়েট নয়। সম্ভব হলে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর খান। এটা ভালো। ব্যায়াম করার পাশাপাশি শর্করা, আমিষ, চর্বিজাতীয় খাবারও খেতে হবে। একই সঙ্গে ভিটামিনযুক্ত খাবার এবং পরিমাণমতো পানি পান করা উচিত।


মেদ কমানোর ব্যাপারে ভালো ফল পেতে দিনে দুই বেলা এ সুফিয়ারের দেওয়া ব্যায়ামগুলো করতে পারেন। নিয়মিত এ ব্যায়াম করলে তিন মাসের মধ্যে আপনার পেটের মেদ কমার সুফল পাবেন।

পেট ও পুরো শরীর
পেট তো বটেই, পাশাপাশি পুরো শরীরের মেদ কমানোর দিকে নজর দেওয়া উচিত। তাহলে পুরো শরীর সুন্দর কাঠামো পাবে। শরীরের প্রতিটি অঙ্গের জন্য যে ব্যায়ামটি করলে আপনি সবচেয়ে বেশি উপকার পান, তার ওপর জোর দেওয়া উচিত। যেমন আপনি সাঁতার কাটতে পারেন। আবার সাইক্লিং করতে পারেন। পুরো শরীরের মেদ কমানোর লক্ষ্য মাথায় রাখলে পেটের মেদও কমে আসবে। পেটের মেদ কমানোর জন্য ভারোত্তোলনও করতে পারেন। শরীরের মেদ কমার পাশাপাশি শক্তিশালী পেশি গঠিত হয়। এতে যেমন ডাম্বেল ব্যবহার করা হয়, তেমনি শরীরের ওজনটাকেও কাজে লাগানো হয়। পেশি শক্তিশালী করার কারণে ভবিষ্যতেও আপনার শরীর সহজেই মেদ ঝরাতে (ফ্যাট বার্ন) পারবে।

খাদ্যাভ্যাস
পেটের মেদ কমাতে ভাজাপোড়া কম খাওয়া উচিত। চেষ্টা করুন কম তেলে রান্না করা বা সেদ্ধ করা খাবার খেতে। কোনোভাবেই ফাস্ট ফুড খাওয়া উচিত নয়। মেয়নেজ, পনির, সস, তেল, মাখন এসব আপনার পেটে চর্বি জমতে বড় ভূমিকা রাখে। দিনে তিন বেলা ভারী খাবার খাওয়ার চেয়ে পাঁচ বেলা খান পরিমাণে কম করে। একেবারে না খেয়ে থাকা ঠিক নয়। ভাত খাওয়ার চেয়ে ফল বা সবজি বেশি করে খান। পেট ভরবে কিন্তু ভুঁড়ি বাড়বে না। কোমল পানীয় কিছুক্ষণের জন্য প্রশান্তি দিতে পারে কিন্তু এটা পেটে চর্বি জমানোর পেছনে দায়ী। একইভাবে বাজারের ফ্রুট জুসে থাকা প্রচুর চিনি ও অন্যান্য উপাদান ভুঁড়ি বাড়াতে সহায়ক। তাই প্রচুর পানি, বাসায় বানানো ফলের রস, ফলের সালাদ হতে পারে খুব ভালো বিকল্প।

অভ্যাস বদলান
পেটের মেদ কমানোর জন্য নিয়মিত হাঁটুন। পেটে মেদ জমার অন্যতম কারণ খাবার ঠিকভাবে হজম না হওয়া। ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে কিছুক্ষণ হাঁটুন। এতে খাবার ভালোভাবে হজম হবে। পেটে মেদ জমবে না। অফিস বা বাসায় যতটা সম্ভব লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। এটা পেটের জমে থাকা চর্বি অপসারণের খুব ভালো উপায়। সিঁড়ি বাওয়ার ফলে পেটের ওপর চাপ পড়ে এবং ধীরে ধীরে চর্বি কমতে থাকে।

চেষ্টা করুন সব সময় সোজা হয়ে দাঁড়াতে, বসতে ও হাঁটতে। কুঁজো হয়ে হাঁটবেন না বা বসবেন না। দীর্ঘ সময় কুঁজো হয়ে এক স্থানে বসে থাকা, কম্পিউটারে কাজ করা, এসবের কারণে ভুঁড়ি বেড়ে যায়। প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর একবার উঠে দাঁড়ান ও সোজা হয়ে বসুন।

(Collected)

29
(Drug-resistant bacteria are gaining a stronghold in developing countries where meat production has soared.)

Farm animals in India and northeast China are becoming more resistant to common antimicrobial drugs — a worrying trend that is rising as meat production increases in the developing world, researchers report.

Hotspots of drug resistance are also emerging in Kenya, Uruguay and Brazil, according to a study1 of antimicrobial resistance in livestock across Asia, Africa and South America. Meat production has risen sharply in these regions since 2000, fuelled by more intensive farming practices, including the use of antibiotics in animals to promote growth and prevent infections. The study was published on 19 September in Science.

“For the first time, we have some evidence that antibiotic resistance [in farm animals] is rising, and is rising fast in low- and middle-income countries,” says Thomas Van Boeckel, an epidemiologist at the Swiss Federal Institute of Technology in Zurich who co-authored the analysis. He says that governments should take action against the growing threat and coordinate their efforts on a global scale.

To study how resistance has evolved over time, Van Boeckel and his colleagues analysed 901 epidemiological studies, conducted in developing nations, that focused on four common bacteria: Salmonella, Campylobacter, Staphylococcus and E. coli. The researchers used the information to map where multidrug resistance exists, and where it is starting to emerge.


Source: Ref. 1

Their results also indicate that the four types of antimicrobial drug most commonly used in farm animals to help them gain weight — tetracyclines, sulfonamides, quinolones and penicillins — are also the ones with highest resistance rates. Between 2000 and 2018, the proportion of drugs to which bacteria have become resistant almost tripled in chickens and pigs, and doubled in cattle.

The situation is serious because some of the countries where hotspots exist export thousands of tons of meat every year, says Carlos Amábile-Cuevas, a microbiologist at the Lusara Foundation in Mexico City, a research institute that focuses on antibiotic resistance. About one-fifth of chickens and pigs are raised in parts of the world where hotspots have been found.

Even if nations implement policies to control the use of antibiotics in animals, those efforts might be undermined if they import food that has not been produced using the same standards. “This problem doesn’t respect political borders,” Amábile-Cuevas says.

Van Boeckel says that high-income countries, where antibiotics have been used since the 1950s, should subsidize safer farming practices in parts of the world where resistance is rising. “We are largely responsible for this global problem we’ve created,” he says. “If we want to help ourselves, we should help others.”

doi: 10.1038/d41586-019-02861-5

30
এ বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। তাদের অনেকেই ডেঙ্গুজনিত চোখের সমস্যায়ও ভুগছে। ডেঙ্গুতে নানা ধরনের চোখের জটিলতা দেখা দিতে পারে। কোনো কোনো জটিলতা দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। এমনকি দৃষ্টিশক্তি কমিয়েও দিতে পারে।

চোখের ভেতর রক্তক্ষরণ: ডেঙ্গু জ্বরের একটি জটিলতা হলো রক্তে অণুচক্রিকা বা প্লাটিলেট কমে দেহের নানা জায়গায় রক্তক্ষরণের মতো জটিলতা তৈরি হওয়া। চোখের ভেতরে বা পেছনে রেটিনায়ও এই রক্তক্ষরণ হতে পারে। ছোট, বড়, তীব্র, মৃদু—বিভিন্ন মাত্রায় রক্তক্ষরণ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি বোঝা যায় না। তবে চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা করে বিষয়টি নির্ণয় করতে পারেন। জ্বরের পাঁচ থেকে সাত দিনের মাথায় এটি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি।


ম্যাকুলোপ্যাথি: রেটিনার কেন্দ্রীয় এলাকা ম্যাকুলা নামে পরিচিত। এই এলাকা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। সঠিক কারণ জানা না গেলেও ধারণা করা হয়, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থায় জটিলতার কারণে ম্যাকুলোপ্যাথি বা ফোভিওলাইটিস বা চোখের পেছনে প্রদাহ হতে পারে। ফলে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যা নিজে নিজে সেরে যেতে পারে, আবার দীর্ঘমেয়াদিও হতে পারে।

চোখে ব্যথা, চোখ লাল: জ্বরের শুরুতে অন্য ভাইরাস জ্বরের মতো ডেঙ্গুতেও চোখের পেছনে ব্যথা, চোখে অস্বস্তি ও ব্যথা, আলোর দিকে তাকাতে অস্বস্তি, চোখ লাল ইত্যাদি হতে পারে। এতে ভয়ের কিছু নেই। দুই বা তিন দিনের মধ্যে নিজে নিজেই এটি সেরে যায়।

 

অন্যান্য জটিলতা: ডেঙ্গুর কারণে ইউভিআইটিস (চোখের একধরনের প্রদাহ), সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অকলুশন, প্যানফথালমাইটিস, স্নায়ুগত সমস্যা, সাব-হাইলয়েড হেমোরেজ ইত্যাদি জটিলতাও দেখা দিতে পারে।

কী করবেন?

■ জ্বরের প্রথম দিন থেকেই যে চোখে ব্যথা, লাল চোখ বা চোখে অস্বস্তি ও খচখচানি থাকে, তার জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। ব্যথার জন্য প্যারাসিটামলই যথেষ্ট। প্রচুর পানি পান করতে হবে। সাধারণত দুই-তিন দিনের মাথায় এই উপসর্গগুলো কমে যায়।

■ চার দিন পরও চোখের ব্যথা, ঝাপসা দেখা, অস্বস্তি ইত্যাদি রয়ে গেলে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

■ প্রত্যেক ডেঙ্গু রোগীর, বিশেষ করে যাদের প্লাটিলেট কমেছে, জ্বরের সাত দিনের মাথায় একবার চোখ পরীক্ষা করানো ভালো। কেননা, এ সময়ই ম্যাকুলোপ্যাথি, ফোভিওলাইটিস বা ইউভিআইটিস-জাতীয় প্রদাহ হয়ে থাকে। এ ছাড়া যেকোনো সময় দৃষ্টিশক্তি কমে এলে বা ঝাপসা দেখতে শুরু করলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

■ প্লাটিলেট বিপজ্জনক মাত্রায় কমে গেলে শরীরের অন্যান্য স্থানের মতো চোখেও রক্তক্ষরণ হতে পারে। তাই চোখ দেখাতেও ভুলবেন না।

■ ডেঙ্গুজনিত বেশির ভাগ চোখের সমস্যা স্বল্পমেয়াদি। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে, দৃষ্টিশক্তি বিনষ্টও হতে পারে। কাজেই চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শমতো চিকিৎসা নিতে হবে।

(ডা. মাফরুহা আফরিন, চক্ষু বিশেষজ্ঞ)

Pages: 1 [2] 3 4 5