Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sarowar.ph

Pages: 1 2 [3] 4 5
31
ডেঙ্গু জ্বর একটি ভাইরাসজনিত রোগ এবং অন্যান্য ভাইরাস জ্বরের মতো এই জ্বরও কিছু উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সেরে যায়। তবে অনেক সময় তীব্র সংক্রমণের কারণে হাজারে পাঁচজনের মতো রোগীর কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হতে পারে। এর ফলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়তে পারে। ডেঙ্গুজনিত অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর একটি অন্যতম কারণ হলো এনকেফালোপ্যাথি।

এনকেফালোপ্যাথি কেন হয়


• মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ

• মস্তিষ্কের রক্তনালিতে প্রতিবন্ধকতা

• রক্তে সোডিয়াম লবণ শূন্যতা

• যকৃৎ অকার্যকর হয়ে পড়া

লক্ষণ

ডেঙ্গুর অন্যান্য সাধারণ লক্ষণগুলোর সঙ্গে তীব্র মাথাব্যথা, স্থান-কাল-পাত্র চিনতে না পারা, অসংলগ্ন আচরণ, খিঁচুনি অথবা অচেতন হয়ে পড়লে ডেঙ্গু এনকেফালোপ্যাথি হয়েছে বলে ধারণা করতে হবে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা

ডেঙ্গুর অন্যান্য সাধারণ পরীক্ষার পাশাপাশি এনকেফালোপ্যাথি সন্দেহ করলে নিম্নোক্ত পরীক্ষাগুলো দ্রুত করতে হবে

• রক্তের সোডিয়াম দেখার জন্য সিরাম ইলেকট্রোলাইট

• যকৃতের কার্যকারিতা দেখার জন্য লিভার এনজাইম পরীক্ষা

• মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ অথবা প্রতিবন্ধকতা দেখতে মাথার সিটি স্ক্যান বা এমআরআই

চিকিৎসা

• শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক রাখা। প্রয়োজনে আইসিইউতে নিয়ে যন্ত্রের সাহায্যে অক্সিজেন দেওয়া

• মস্তিষ্কের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে

• সঠিক মাত্রায় শিরাপথে স্যালাইন দেওয়া

• শরীরের সঙ্গে মাথা ৩০ ডিগ্রি অবস্থানে রাখা

• শরীরে অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড যাতে জমতে না পারে, সে ব্যবস্থা করা। প্রয়োজনে ভেন্টিলেটরের মাধ্যমে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করা

• কিছু ক্ষেত্রে শিরাপথে স্টেরয়েড দেওয়ার দরকার হতে পারে

• শরীরে অতিরিক্ত পানি জমা হলে বের করার ব্যবস্থা করা

• রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখা

• রক্তে লবণ ও অ্যাসিড-ক্ষারের মাত্রা ঠিক রাখা

• খিঁচুনি হলে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া

• সুপারইমপোজড বা ডেঙ্গুর ওপর আবার ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে উপযুক্ত ও সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার

• নিয়মিত কোষ্ঠ পরিষ্কারের জন্য ল্যাকটুলোজ দিতে হবে

ডেঙ্গু এনকেফালোপ্যাথির চিকিৎসা সঠিক সময়ে শুরু করতে না পারলে জীবন সংশয় হতে পারে। তবে এ সময় অন্যান্য নানা কারণে মস্তিষ্ক ও কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হতে পারে। কাজেই সেসব কারণও মাথায় রেখে চিকিৎসা দিতে হবে।


(রাশেদুল হাসান, সহকারী অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ)

32
Allied Health Science / ভেষজ পানির গুণাগুণ
« on: September 15, 2019, 09:06:38 AM »
প্রতিদিন আমাদের অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত। কিন্তু এই পানির সঙ্গে কিছু উপাদান মেশালে তা হয়ে ওঠে পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক। তখন একে বলে ডিটক্স ওয়াটার বা ডিটক্স পানি। তাজা ফল, সবজি ও ভেষজ উপাদান টুকরো করে কেটে স্বাভাবিক তাপমাত্রায়, হালকা গরম বা শীতল পানিতে নির্দিষ্ট সময় ভিজিয়ে রেখে এই মিশ্রণ তৈরি করা হয়।

•  ডিটক্স পানি সারা দিন শরীরকে সতেজ ও শীতল রাখতে সাহায্য করে।


•  শরীর থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সহায়ক।

•  শরীরের মেদ কোষগুলোর নিষ্কাশনে সাহায্য করে এটি। খাবার হজমে সাহায্য করে ও বিপাক বাড়ায়।

•  যকৃৎ ও ত্বকের জন্য ডিটক্স পানি উপকারী। প্রদাহ কমাতেও এটি সহায়ক।

•  এই পানিতে যে ফল মেশানো হয়, তা মিষ্টি বা চিনির প্রতি আগ্রহ কমায়, রুচি বাড়ায়।

•  ফল ও সবজির ভিটামিন, খনিজ ও অন্যান্য গুণ থাকলেও এতে ক্যালরি বেশি থাকে না।

•  উদ্বেগ ও বিষণ্নতা কমাতেও উপকারে আসে ডিটক্স পানি।

উপকারী ও জনপ্রিয় কিছু ডিটক্স পানি

•  আদা ও লেবু: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক ইঞ্চি পরিমাণ আদাকুচি ও আধখানা লেবুর রস মিশিয়ে খালি পেটে পান করুন।

•  লেবু ও পুদিনা পাতা: ১৫ থেকে ২০টি পুদিনা পাতা, পাতলা করে কাটা লেবুর ৫ বা ৬টি টুকরো বা আধখানা লেবুর রস ৫০০ মিলিলিটার পানিতে ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে খালি পেটে বা দিনে দুই থেকে তিনবার পান করতে হবে।

•  লেবু, শসা ও পুদিনা পাতা: ৮ কাপ পানিতে একটি আধখানা লেবুর রস ও ওই পরিমাণ লেবু কুচি করে কেটে মিশিয়ে দিতে হবে। তারপর আধখানা শসা কুচি করে ৭টি পুদিনা পাতাসহ ওই পানিতে দিয়ে ২–৩ ঘণ্টা রেখে পান করুন।

•  আপেল, দারুচিনি: ১ লিটার পানিতে একটি আপেল স্লাইস করে কেটে এক টেবিল চামচ দারুচিনি দিয়ে কয়েক ঘণ্টা রেখে ঘুমানোর আগে পান করলে শরীরের চর্বি কমে ও বিপাকক্রিয়া ভালো হয়।

•  চিয়া সিড ও লেবু: আধ চা–চামচা চিয়া সিড এক কাপ পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে যে জেল তৈরি হবে, তাতে এক চা–চামচ লেবুর রস ও আরও পানি মিশিয়ে নেড়ে পান করুন। এতে তন্তু বা আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

এ ছাড়া ডিটক্স পানি তৈরিতে স্ট্রবেরি, কমলা, সাইট্রাস ফলের খোসা, জাম্বুরা, বিট ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।

(জেনিফার বিনতে হক, পুষ্টিবিশেষজ্ঞ)

33
ডেঙ্গু হলেই যে মানুষ মারা যাবে, তা কিন্তু নয়। আমরা ডেঙ্গুতে আতঙ্কগ্রস্ত হলেও এ সম্পর্কে বিস্তর জানলে আমাদের আতঙ্ক কিছুটা হলেও কমবে। তবে সতর্ক থাকার কোনো বিকল্প নেই।

ডেঙ্গুর ভাইরাসবাহী মশা কামড়ানোর ২ থেকে ৭ দিন পর এসব উপসর্গ স্পষ্টভাবে লক্ষণীয় হয়। এ রোগের কিছু সাধারণ উপসর্গ হলো জ্বরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ বেড়ে যায়। জ্বর ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে। বিরামহীন মাথাব্যথা, হাড়, হাড়ের জোড় ও পেশিতে তীব্র ব্যথা, বমি ভাব বা বমি হওয়া, গ্রন্থি ফুলে যাওয়া, সারা শরীরের ফুসকুড়ি দেখা দেওয়া, চোখের পেছনে ব্যথা হওয়া ইত্যাদি। ডেঙ্গু যদি প্রথমবার আক্রান্ত করে এবং এটি যদি তরুণ ও শিশুদের হয়, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনো উপসর্গ থাকে না। জ্বরও থাকে না, এ রকমও হতে পারে। টিপিক্যাল ডেঙ্গু বা ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গুতে জ্বরের সঙ্গে সর্দি-কাশি থাকতে পারে। সংক্রমণের কোর্স তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত: প্রাথমিক, প্রবল এবং আরোগ্য।


প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে বেশি জ্বর, ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি, সঙ্গে থাকে সাধারণ ব্যথা ও মাথাব্যথা; এটি সাধারণত দুই থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়। এই পর্যায়ে ৫০-৮০ শতাংশ উপসর্গে র​্যাশ বেরোয়। এটা উপসর্গের প্রথম বা দ্বিতীয় দিনে লাল ফুসকুড়ি হিসেবে দেখা দেয়। অথবা চার থেকে সাত দিনের মধ্যে হামের মতো র​্যাশ দেখা দেয়। কারও কারও মুখ ও নাকের মিউকাস মেমব্রেন থেকে অল্প রক্তপাতও হতে পারে।

কিছু লোকের ক্ষেত্রে অসুখটি চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যার কারণে প্রবল জ্বর হয় এবং সাধারণত এক থেকে দুই দিন স্থায়ী হয়। দেহে তরলের পরিমাণ কমে যায় এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্ত সরবরাহ হ্রাস পায়। এই পর্যায়ে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিকলতা এবং প্রবল রক্তপাত হয়, সাধারণত গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনাল ট্র্যাক্ট হতে পারে। ডেঙ্গুর সব ঘটনার ৫ শতাংশের কম ক্ষেত্রে শক (ডেঙ্গু শক সিনড্রোম) এবং হেমারেজ (ডেঙ্গু হেমারেজিক ফিভার) ঘটে, তবে যাদের আগেই ডেঙ্গু ভাইরাসের অন্যান্য স্টিরিওটাইপের সংক্রমণ ঘটেছে (সেকেন্ডারি ইনফেকশন), তারা বর্ধিত বিপদের মধ্যে রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে, যেমন ফুসফুস ও পর্দার মধ্যে (প্লুরাল ইফিউশন) কিংবা পেটে সামান্য পরিমাণ পানি জমতে পারে। কিন্তু বেশি প্লাজমা লিকেজ হলে রক্তচাপ কমে যায় ও রোগী শকে চলে যায়। বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ কমে যেতে পারে ও মাল্টি অর্গান ফেইলিউর হতে পারে। ফুসফুস, কিডনি, হার্ট ইত্যাদি এর ব্যতিক্রম নয়। হার্ট ফেইলিউর বা কিডনি ফেইলিউর হলে বুকে পানি জমা, শ্বাসকষ্ট, অক্সিজেন সরবরাহ কমে যাওয়া ইত্যাদি জটিলতায় পড়তে পারে রোগী। ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে তাই শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা, শ্বাসের গতি বেড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়। ফুসফুসের অভ্যন্তরে বায়ুকুঠুরির মধ্যের পর্দা ছিঁড়ে গিয়ে রক্তক্ষরণ হয়, ফলে তীব্র শ্বাসকষ্ট হয় এবং কাশির সঙ্গে রক্ত এসে একই সঙ্গে দুই ফুসফুসের পর্দায় পানি আসার কারণে শ্বাসকষ্ট হয়।

এরপর আরোগ্য পর্যায়ে বেরিয়ে যাওয়া তরল রক্তপ্রবাহে ফেরত আসে। এটি সাধারণত দুই থেকে তিন দিন স্থায়ী হয়। এই উন্নতি হয় চমকে দেওয়ার মতো, কিন্তু এতে প্রচণ্ড চুলকানি এবং হৃৎস্পন্দনের গতি ধীর হতে পারে। আরেক রকম র​্যাশও বেরোতে পারে ম্যাকুলোপাপুলার বা ভাস্কুলাইটিক রূপে, যার ফলে ত্বকে গুটি বেরোয়। এই পর্যায়ে তরলের অতিপ্রবাহ অবস্থা ঘটতে পারে। যদি এতে মস্তিষ্ক আক্রান্ত হয়, তাহলে সচেতনতার মাত্রা হ্রাস হতে অথবা মূর্ছা যেতে পারে। এরপর এক ধরনের ক্লান্তির অনুভূতি অনেক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।

(ডা. মো. আজিজুর রহমান)
লেখক: বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

34
শিশু, বয়স্ক—সবারই হচ্ছে ডেঙ্গু জ্বর। ডেঙ্গু হলে খাবার-দাবার ও পুষ্টির দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। বিশেষ করে শিশুদের জ্বর হলে তারা খাওয়া একেবারেই ছেড়ে দেয়। এ থেকে হতে পারে পানিশূন্যতাসহ নানা জটিলতা। বাড়িতে কারও ডেঙ্গু জ্বর হলে তাই নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন।

■ সাধারণত ডেঙ্গু জ্বর হলে চিকিৎসকেরা সারা দিনে অন্তত আড়াই লিটার থেকে তিন লিটার পানি পান করার পরামর্শ দেন। জ্বর হলে পানি পান করতে অনেকেরই ইচ্ছে হয় না। তাই পানির চাহিদা পূরণ করতে পানির সঙ্গে ফলের রস (কেনা জুস নয়, বাড়িতে করা রস), ডাবের পানি যোগ করুন। ফলের রসে ভিটামিন সি আছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মাল্টা, কমলা, লেবু, পেয়ারা, কিউই, স্ট্রবেরি, পেঁপে, আনার বা ডালিম ইত্যাদি খেতে হবে। এসব ফলে জলীয় অংশ অনেক। তা ছাড়া রুচি বাড়াতেও সাহায্য করবে। ডাবের পানিতে খনিজ বা ইলেট্রোলাইটস আছে, যা ডেঙ্গু জ্বরে খুবই দরকারি।

■ বিভিন্ন ধরনের সবজি থেঁতো করে জুস করে খেলে খুবই উপকার হবে। গাজর, টমেটো, শসা ইত্যাদি সবজি বেশি করে খেতে দিন। কেননা এতে জলীয় অংশ বেশি। ব্রকোলি ভিটামিন কে এর উৎস, যা ডেঙ্গুতে রক্তপাতের ঝুঁকি কমায়। খেতে হবে নানা ধরনের শাকও।

■ ডেঙ্গু রোগীকে প্রতিদিন নানা ধরনের স্যুপ, যেমন সবজির স্যুপ, টমেটোর স্যুপ, চিকেন স্যুপ বা কর্ন স্যুপ দিন। এতে পানির চাহিদা পূরণ হবে, পাশাপাশি পুষ্টিও নিশ্চিত হবে। এ ছাড়া নরম সেদ্ধ করা খাবার, জাউ, পরিজ ইত্যাদি খেতে পারেন।

■ ইদানীং ডেঙ্গুতে অনেকেরই পেটে হজমের সমস্যা, বমি, পেট ব্যথা হচ্ছে। যকৃতেও অস্বাভাবিকতা হয় ডেঙ্গুতে, এসজিপিটি বেড়ে যায়। তাই অতিরিক্ত মসলা ও চর্বি তেলযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো। তবে খাদ্যতালিকায় আমিষ থাকতে হবে যথেষ্ট। দুধ, ডিম ও এগুলোর তৈরি নানা খাবার, মাছ ও মুরগি খেতে হবে।

■ নানা ধরনের ভেষজ খাবারের উপকারিতা আছে। যেমন পেঁপে পাতা অণুচক্রিকা বাড়াতে সাহায্য করে বলে ডেঙ্গুতে উপকারী। দুটি তাজা পেঁপে পাতা চূর্ণ করে বেটে রস করে এক চামচ করে দুবেলা পান করতে পারেন।

35
এ বছর বাংলাদেশে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বেশি হচ্ছে। চোখ, নাক ও ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণ, বমি, পেটব্যথা, খাদ্যনালি, মূত্রনালিসহ বিভিন্ন জায়গায় রক্তক্ষরণের উপসর্গ নিয়েই ডেঙ্গুতে আক্রান্তরা হাসপাতালে বেশি আসছে। জ্বর, মাথাব্যথার উপসর্গ অপেক্ষাকৃত কমই পাওয়া যাচ্ছে। বেশির ভাগ রোগীরই রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা ২০ হাজারের কম পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণেই এবারের ডেঙ্গু অন্যবারের চেয়ে আলাদা বলে মনে হচ্ছে।

রক্তে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার স্বাভাবিক মাত্রা দেড় লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ। ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কমা স্বাভাবিক। প্রায় ৯০ শতাংশ রোগীর প্লাটিলেট কমে। তবে তা এক লাখের নিচে নামে না। এ ছাড়া নানা ধরনের ভাইরাস জ্বরেও প্লাটিলেট কমতে পারে। তবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ১০ থেকে ২০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করে। ৫ শতাংশ ডেঙ্গু রোগীর মারাত্মক রক্তক্ষরণ হয়। এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, প্লাটিলেট ২০ হাজারের নিচে নামলেই কেবল রক্তক্ষরণের ভয় থাকে। আর তা যদি ৫ হাজারের কম হয়, তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি, হৃদ্‌যন্ত্রে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি থাকে। রক্তক্ষরণের কারণে যদি রক্তচাপ কমে যায়, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়, হিমোগ্লোবিন ১০–এর কম হয়, তবেই রক্ত দেওয়ার প্রশ্ন আসে। তবে রক্ত দিলে প্রতি ইউনিটে রোগীর প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়ে মাত্র ২০ হাজার। কাজেই এতে খুব একটা যে লাভ হয়, তা–ও নয়। হিসাবমতে, ডেঙ্গুর চিকিৎসায় প্লাটিলেটের দরকারই পড়ে না। রোগীর রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা ডেঙ্গুর তীব্রতার মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে।

এবারের ডেঙ্গু আলাদা কেন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারে রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা এক লাখের নিচে নেমে যায় বা হেমাটোক্রিট (রক্তের মোট পরিমাণের সঙ্গে লোহিত কণিকার মোট পরিমাণের অনুপাত) ২০ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়। এর সঙ্গে রক্তনালিতে রক্তপাতের কারণে প্রোটিন কমে যাওয়া, বুকে-পেটে পানি জমাসহ অন্যান্য জটিলতাও দেখা দেয়। সাধারণত দ্বিতীয় বা তৃতীয়বার আক্রান্ত হলে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার হয়। বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে ২০০০ সাল থেকে। কাজেই এবার অনেকেই দ্বিতীয় বা তৃতীয়বার আক্রান্ত হচ্ছেন।

ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার আবার দুই ধরনের। হেমোরেজিক ফিভার গ্রেড-১ সাধারণ ডেঙ্গু জ্বরের মতোই। রক্তক্ষরণ হয় না, কেবল টোরনিকেট পরীক্ষায় ত্বকের নিচে রক্তবিন্দু দেখা যায়। গ্রেড-২ হলে চোখ, নাক, ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণ হয়। সতর্কসংকেত হলো বমি, পেট ব্যথা, খাদ্যনালি, মূত্রনালি, মেয়েদের যোনিপথে রক্তক্ষরণ এবং এগুলো ক্রমশ বাড়তে থাকা। এমনটা হলে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

ডেঙ্গু কখন মারাত্মক

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডেঙ্গুকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে। সে অনুযায়ী ডেঙ্গু তিন প্রকার। ১. সতর্কসংকেতহীন ডেঙ্গু ২. সতর্কসংকেতসহ ডেঙ্গু এবং ৩. মারাত্মক বা সিভিয়ার ডেঙ্গু

জ্বর কমে যাওয়ার পর অর্থাৎ রোগের ষষ্ঠ, সপ্তম বা অষ্টম দিনে সিভিয়ার ডেঙ্গু দেখা দেয়। এ সময় রক্তচাপ কমে যায়, রক্তবমি হয়, কালো মল, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যেতে পারে, ত্বকের নিচে রক্ত জমে, প্রস্রাব কমে যায়, যকৃৎ বড় হয়ে যায়। এ ছাড়া বুকে–পেটে পানি জমে, ফুসফুসে পানি জমে শ্বাসকষ্ট হয়। রক্তচাপ অনেক কমে যাওয়ায় অস্থিরতা, অসংলগ্ন কথাবার্তা, একাধিক অঙ্গ অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে।

প্রথম থেকে ঠিকমতো চিকিৎসা করালে এবং সঠিক পরিমাপে তরল পদার্থ দিতে পারলে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করে না। রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিতে পারলে ডেঙ্গু সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।

36
এখন ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বেশি হচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীরই রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু জ্বর হলে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। রক্তে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার স্বাভাবিক মাত্রা দেড় লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ। প্রায় ৯০ শতাংশ রোগীর প্লাটিলেট কমে যায়।

এ ছাড়া নানা ধরনের ভাইরাস জ্বরেও প্লাটিলেট কমতে পারে। প্রথম থেকে ঠিকমতো চিকিৎসা করালে এবং সঠিক পরিমাপে তরল পদার্থ দিতে পারলে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করে না। প্লাটিলেট বাড়াতে পারে—এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:

 

এখন ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বেশি হচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীরই রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু জ্বর হলে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। রক্তে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার স্বাভাবিক মাত্রা দেড় লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ। প্রায় ৯০ শতাংশ রোগীর প্লাটিলেট কমে যায়।

এ ছাড়া নানা ধরনের ভাইরাস জ্বরেও প্লাটিলেট কমতে পারে। প্রথম থেকে ঠিকমতো চিকিৎসা করালে এবং সঠিক পরিমাপে তরল পদার্থ দিতে পারলে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করে না। প্লাটিলেট বাড়াতে পারে—এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:


পেঁপে: প্লাটিলেট বাড়াতে পেঁপের জুস খেতে পারেন। পেঁপেপাতা অণুচক্রিকা বাড়াতে সাহায্য করে বলে ডেঙ্গুতে উপকারী। পেঁপেপাতা বেটে রস করে পান করতে পারেন। বে ছাড়া পাতা সেদ্ধ করেও খাওয়া যায়।

ব্রোকলি: ভিটামিন ‘কে’– এর দারুণ উৎস ব্রোকলি, যা রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে সাহায্য করে। যদি দ্রুত কমতে থাকে, তবে প্রতিদিনকার খাবারে অবশ্যই ব্রোকলি যুক্ত করবেন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও নানা উপকারী খনিজ রয়েছে।

বেদানা: বেদানায় দরকারি নানা পুষ্টি ও খনিজ উপাদান রয়েছে, যা শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাতে পারে। শরীরের ধকল কাটাতে বেদানা দারুণ উপকারী। এ ছাড়া এটি আয়রনের উৎস বলে রক্তের জন্য উপকারী। প্লাটিলেটের সংখ্যা স্বাভাবিক রাখতে এবং ডেঙ্গু সারাতে এটি উপকারী।

পালং: আয়রন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অন্যতম উৎস পালং। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া শরীরে প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে পারে।

ডাব: ডাবের পানিতে খনিজ বা ইলেট্রোলাইটস আছে, যা ডেঙ্গু জ্বরে খুবই দরকারি। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

37
Genetic & Biotechnology / Re: 7 Natural Depression Treatments
« on: July 12, 2019, 10:47:20 AM »
Great news

38
The human body is a complex mosaic made up of clusters of cells with different genomes — and many of these clusters bear mutations that could contribute to cancer, according to a sweeping survey of 29 different types of tissue.

It is the largest such study to date, and compiles data from thousands of samples collected from about 500 people. The results, published on 6 June in Science1, could help scientists to better understand how cancer starts, and how to detect it earlier.

“We now appreciate that we are mosaics’, and that a substantial number of cells in our body already carry cancer mutations,” says Iñigo Martincorena, a geneticist at the Wellcome Sanger Institute in Hinxton, UK. “These are the seeds of cancer.”

Tissue mosaics arise as cells accumulate mutations — from DNA errors that creep in during cell division, or because of exposure to environmental factors such as ultraviolet light or cigarette smoke. When a skin cell with a given mutation divides, it can create a patch of skin that is genetically different from its neighbours.

Previous studies have found high levels of mosaicism in the skin2, oesophagus3 and blood4. Those results were typically gleaned from sequencing specific genes in microscopic tissue samples.

Complex patterns
These studies caught the eye of Gad Getz, a computational biologist at Massachusetts General Hospital in Boston. Getz and his team decided to take a different tack: rather than sequencing DNA from minute samples, they would mine a database of RNA-sequence data from the Genotype-Tissue Expression (GTEx) project. Because the body uses DNA as a template for making RNA sequences, mutations in DNA are sometimes reflected in RNA.

The decision to study RNA gave Getz and his colleagues quick access to data from 6,700 samples taken from 29 tissues in about 500 people. But their approach has its drawbacks. Not all DNA codes for RNA, so not every DNA mutation will be evident in RNA sequences. And because the samples used for the GTEx project are relatively large, the DNA signature from small clusters of cells with unique genomes might be be drowned out by the far larger numbers of other cells.

Overall, the study found fewer examples of mosaicism in some types of tissue than would be expected on the basis of previous research. But the key, says Martincorena, is that the latest analysis demonstrated that mosaicism is present across a wide array of tissues.

Tissues with a high rate of cell division, such as those that make up the skin and oesophagus, tended to have more mosaicism than tissues with lower rates of cell division. Mosaicism also increased with age, and was particularly prevalent in the lungs and skin — tissues that are exposed to environmental factors that can damage DNA.

Subtle signals
A gene called TP53 — which helps to repair DNA damage and is known as the ‘guardian of the genome’ — was one of the most common mutation sites. Certain changes in TP53 are associated with cancer, but it might take additional mutations in other genes before cells give rise to tumours.

“What we’re seeing are some of the earliest precancerous changes that are then going to accumulate more mutations,” says Erin Pleasance, who studies cancer genomics at the British Columbia Cancer Agency in Vancouver, Canada. “Eventually a small proportion of these may become cancer.”

Researchers now need to find ways to sort out which of those cells will become tumours and which are ‘normal’, says Cristian Tomasetti, an applied mathematician at Johns Hopkins Medicine in Baltimore, Maryland. That could be crucial for improving efforts to detect cancers early.

Tomasetti has developed methods for detecting tumour DNA circulating in the blood, which researchers hope could one day be used to find early signs of cancer. But he says that his team was initially surprised to find that some of the mutations in their results — which are associated with cancer, and so could have indicated the presence of a tumour — were from a group of normal blood cells.

“This messy situation is the new normal,” Tomasetti says. “The challenge is now to figure out up to what point we call something normal.”

doi: 10.1038/d41586-019-01780-9


References

1.
Yizhak, K. et al. Science 364, eaaw0726 (2019).

(Survey finds that ‘normal’ human tissues are riddled with mutations.)

39
A Russian scientist says he is planning to produce gene-edited babies, an act that would make him only the second person known to have done this. It would also fly in the face of the scientific consensus that such experiments should be banned until an international ethical framework has agreed on the circumstances and safety measures that would justify them.

Molecular biologist Denis Rebrikov has told Nature he is considering implanting gene-edited embryos into women, possibly before the end of the year if he can get approval by then. Chinese scientist He Jiankui prompted an international outcry when he announced last November that he had made the world’s first gene-edited babies — twin girls.

The experiment will target the same gene, called CCR5, that He did, but Rebrikov claims his technique will offer greater benefits, pose fewer risks and be more ethically justifiable and acceptable to the public. Rebrikov plans to disable the gene, which encodes a protein that allows HIV to enter cells, in embryos that will be implanted into HIV-positive mothers, reducing the risk of them passing on the virus to the baby in utero. By contrast, He modified the gene in embryos created from fathers with HIV, which many geneticists said provided little clinical benefit because the risk of a father passing on HIV to his children is minimal.

Rebrikov heads a genome-editing laboratory at Russia’s largest fertility clinic, the Kulakov National Medical Research Center for Obstetrics, Gynecology and Perinatology in Moscow and is a researcher at the Pirogov Russian National Research Medical University, also in Moscow.

According to Rebrikov he already has an agreement with an HIV centre in the city to recruit women infected with HIV who want to take part in the experiment.

But scientists and bioethicists contacted by Nature are troubled by Rebrikov’s plans.

“The technology is not ready,” says Jennifer Doudna, a University of California Berkeley molecular biologist who pioneered the CRISPR-Cas9 genome-editing system that Rebrikov plans to use. “It is not surprising, but it is very disappointing and unsettling.”

Alta Charo, a researcher in bioethics and law at the University of Wisconsin-Madison says Rebrikov’s plans are not an ethical use of the technology. “It is irresponsible to proceed with this protocol at this time,” adds Charo, who sits on a World Health Organization committee that is formulating ethical governance policies for human genome editing.

Rules and regulations
Implanting gene-edited embryos is banned in many countries. Russia has a law that prohibits genetic engineering in most circumstances, but it is unclear whether or how the rules would be enforced in relation to gene editing in an embryo. And Russia’s regulations on assisted reproduction do not explicitly refer to gene editing, according to a 2017 analysis of such regulations in a range of countries. (The law in China is also ambiguous: in 2003, the health ministry banned genetically modifying human embryos for reproduction but the ban carried no penalties and He’s legal status was and still is not clear).

Rebrikov expects the health ministry to clarify the rules on the clinical use of gene-editing of embryos in the next nine months. Rebrikov says he feels a sense of urgency to help women with HIV, and is tempted to proceed with his experiments even before Russia hashes out regulations.

To reduce the chance he would be punished for the experiments, Rebrikov plans to first seek approval from three government agencies, including the health ministry. That could take anywhere from one month to two years, he says.

Konstantin Severinov, a molecular geneticist who recently helped the government design a funding programme for gene-editing research, says such approvals might be difficult. Russia’s powerful Orthodox church opposes gene editing, says Severinov, who splits his time between Rutgers University in Piscataway, New Jersey, and the Skolkovo Institute of Science and Technology near Moscow.

Before any scientist attempts to implant gene-edited embryos into women there needs to be a transparent, open debate about the scientific feasibility and ethical permissibility, says geneticist George Daley at Harvard Medical School in Boston, Massachusetts, who also heard about Rebrikov’s plans from Nature.

One reason that gene-edited embryos have created a huge global debate is that, if allowed to grow into babies, the edits can be passed on to future generations — a far-reaching intervention known as altering the germ line. Researchers agree that the technology might, one day, help to eliminate genetic diseases such as sickle-cell anaemia and cystic fibrosis, but much more testing is needed before it is used in the alteration of human beings.

In the wake of He’s announcement, many scientists renewed calls for an international moratorium on germline editing. Although that has yet to happen, the World Health Organization, the US National Academy of Sciences, the UK’s Royal Society and other prominent organizations have all discussed how to stop unethical and dangerous uses — often defined as ones that pose unnecessary or excessive risk — of genome editing in humans.

HIV-positive mothers
Although He was widely criticized for conducting his experiments using sperm from HIV-positive fathers, his argument was that he just wanted to protect people against ever getting the infection. But scientists and ethicists countered that there are other ways to decrease the risk of infection, such as contraceptives. There are also reasonable alternatives, such as drugs, for preventing maternal transmission of HIV, says Charo.

Rebrikov agrees, and so plans to implant embryos only into a subset of HIV-positive mothers who do not respond to standard anti-HIV drugs. Their risk of transmitting the infection to the child is higher. If editing successfully disables the CCR5 gene, that risk would be greatly reduced, Rebrikov says. “This is a clinical situation which calls for this type of therapy,” he says.

Most scientists say there is no justification for editing the CCR5 gene in embryos, even so, because the risks don’t outweigh the benefits. Even if the therapy goes as planned, and both copies of the CCR5 gene in cells are disabled, there is still a chance that such babies could become infected with HIV. The cell-surface protein encoded by CCR5 is thought to be the gateway for some 90% of HIV infections, but getting rid of it won’t affect other routes of HIV infection. There are still many unknowns about the safety of gene editing in embryos, says Gaetan Burgio at the Australian National University in Canberra. And what are the benefits of editing this gene, he asks. “I don’t see them.”

Hitting the target
There are also concerns about the safety of gene editing in embryos more generally. Rebrikov claims that his experiment — which, like He’s, will use the CRISPR-Cas9 genome-editing tool — will be safe.

One big concern with He’s experiment — and with gene-editing in embryos more generally — is that CRISPR-Cas9 can cause unintended ‘off-target’ mutations away from the target gene, and that these could be dangerous if they, for instance, switched off a tumour-suppressor gene. But Rebrikov says that he is developing a technique that can ensure that there are no ‘off-target’ mutations; he plans to post preliminary findings online within a month, possibly on bioRxiv or in a peer-reviewed journal.

Scientists contacted by Nature were sceptical that such assurances could be made about off-target mutations, or about another known challenge of using CRISPR-Cas 9 — so-called ‘on-target mutations’, in which the correct gene is edited, but not in the way intended.

Rebrikov writes, in a paper published last year in the Bulletin of the RSMU, of which he is the editor in chief, that his technique disables both copies of the CCR5 gene (by deleting a section of 32 bases) more than 50% of the time. He says publishing in this journal was not a conflict of interest because reviewers and editors are blinded to a paper’s authors.

But Doudna is sceptical of those results. “The data I have seen say it’s not that easy to control the way the DNA repair works.” Burgio, too, thinks that the edits probably led to other deletions or insertions that are difficult to detect, as is often the case with gene editing.

Misplaced edits could mean that the gene isn’t properly disabled, and so the cell is still accessible to HIV, or that the mutated gene could function in a completely different and unpredictable way. “It can be a real mess,” says Burgio.

What’s more, the unmutated CCR5 has many functions that are not yet well understood, but which offer some benefits, say scientists critical of Rebrikov’s plans. For instance, it seems to offer some protection against major complications following infection by the West Nile virus or influenza. “We know a lot about its [CCR5’s] role in HIV entry [to cells], but we don't know much about its other effects,” says Burgio. A study published last week also suggested that people without a working copy of CCR5 might have a shortened lifespan.

Rebrikov understands that if he proceeds with his experiment before Russia’s updated regulations are in place, he might be considered a second He Jiankui. But he says he would only do so if he’s sure of the safety of the procedure. “I think I’m crazy enough to do it,” he says.

Nature 570, 145-146 (2019)

doi: 10.1038/d41586-019-01770-x

(The proposal follows a Chinese scientist who claimed to have created twins from edited embryos last year.)

40
Opioid addiction kills tens of thousands of people every year in the United States and the trend shows no signs of slowing. Now, public-health officials are worried about a surge in bacterial and viral infections linked to opioid misuse that threatens to compound the crisis.

This surge includes an unprecedented rise in bacterial infections — including those caused by Staphylococcus aureus, a bacterium that’s frequently resistant to antibiotics — and a spike in new cases of HIV and hepatitis associated with injecting opioids that risks undoing decades of progress in corralling these diseases.

Research groups around the country are working to understand, identify and treat these outbreaks. But the lack of solid data on the number of new cases, and where they’ll crop up next, as well as stigma associated with drug use that can prevent people with infections from seeking early treatment, is hindering efforts.

“This is like HIV all over again,” says Judith Feinberg, an infectious-disease physician at West Virginia University in Morgantown, comparing the current crisis to the HIV epidemic that dominated US public health efforts in the 1980-90s. “People are stigmatized; they don’t feel they deserve to live. They hear people say it’s a lifestyle choice.”

Over the past 20 years, the use of opioids, including prescription pain medications, heroin and synthetic drugs such as fentanyl, has skyrocketed in the United States. As of 2017, there were roughly 15 opioid-overdose-related deaths per 100,000 people in the country, compared with 3 per 100,000 in 1999, according to estimates from the US Centers for Disease Control and Prevention.

An affair of the heart
One type of opioid-related infection that researchers are grappling with involves diseased heart valves. Bacteria such as S. aureus can enter the bloodstream as a result of practices such as needle sharing or not cleaning the skin before injecting a drug. If the infection reaches the heart, it can damage the valves. Severe cases can require a heart transplant.

In an ongoing study, microbiologist Cecilia Thompson at the University of North Carolina in Chapel Hill is sequencing DNA from heart valves collected from people who have had surgery to replace diseased valves with artificial ones. Thompson found that valves taken from people who had injected drugs were more likely to be infected with S. aureus than were those of non-users.

Thompson presented her results at the American Society for Microbiology meeting in San Francisco, California, on 21 June. But these are just the latest observations of what seems to be a worrying trend. In a study published in January1, researchers found a 13-fold increase in heart infections among people who misuse drugs in North Carolina between 2007 and 2017. Until 2013, surgeons in the state used to perform fewer than 10 operations to treat drug-related heart infections, compared with more than 100 in 2017.

Opioids themselves — rather than the method used to inject them — could also be making people more susceptible to infection. Another study2, also published in January, looked at more than 25,000 people treated at veterans’ health facilities between 2000 and 2012. It found that people who took medium or high doses of prescribed opioids for pain management — especially people with HIV — were significantly more susceptible to pneumonia. It’s unclear why, but research in monkeys suggests that some prescription opioids, such as morphine, suppress the immune system3.

In response to these results, researchers are devising ways to improve the diagnosis and treatment of infections — whether they’re bacterial, viral or fungal — in opioid users. Identifying the pathogen that is causing an infection is crucial to treating it properly. Thompson says that her group plans to use next-generation sequencing techniques, which can test for a wider array of microbes in blood and tissue samples than current methods, to help them with their work.

Catching the culprit
Even when researchers know what’s causing an infection, the pattern of outbreaks associated with drug use may differ from that of non-drug-related ones. This makes it difficult to anticipate where infections will occur.

But a computer model developed by Georgiy Bobashev, a data scientist at RTI International, a non-profit research institute in Research Triangle Park, North Carolina, and his colleagues simulates drug users and their social networks to predict the location of opioid-related HIV outbreaks. The program considers factors including whom users know, the type of heroin available to them — which could affect the presence of pathogens — and their experience with the drug.

The social component to predicting these outbreak patterns is crucial, Bobashev says. People who used drugs during the height of the HIV epidemic in the 1990s learnt safe injection practices, he says, but newer users are more likely to use riskier methods, such as sharing needles. “They don’t have good practices and they don’t have good connections with people who have been injecting drugs for a long time,” Bobashev says.

In an unpublished analysis, his group’s model predicted that HIV outbreaks related to opioids would be concentrated within small geographic pockets, rather than spread over a wider area, as researchers would expect with non-drug-related outbreaks.

Data from real life bolster this result. Previous opioid-related HIV outbreaks, including one in 2014 in Scott County, Indiana, followed this pattern. And in March, the West Virginia health department announced an outbreak in Cabell County due to a spike in new cases of HIV acquired through drug use. Historically, sex was the primary mode of HIV transmission, according to the state’s health department.

The key to preventing and stopping the rise in opioid-associated infections is to treat opioid use as a disease without stigmatizing people who misuse drugs, says Carlos Del Rio, a global-health researcher at Emory University in Atlanta, Georgia.

A working group at the US National Academy of Medicine, which Del Rio is leading, has started to develop a strategy for integrating care for infections and opioid use. “The opioid epidemic is going to be to [young medical students] what HIV was to me,” Del Rio says. “You’d better get used to it.”

Nature 571, 15-16 (2019)

doi: 10.1038/d41586-019-02019-3



(Researchers around the country are scrambling to understand these outbreaks, but lack solid data on case)


41
Many companies offering unproven stem-cell therapies in the United States do not employ clinicians with relevant medical training, an analysis has found.

Fewer than half of the 166 businesses analysed in the study employed physicians whose formal medical training covered the conditions the company claimed to treat, according to the paper, which was published on 25 June in JAMA1.

“This study highlights that patients need to be aware that many physicians who advertise stem-cell treatments are not only operating outside the bounds of scientific evidence, but outside their own professional qualifications,” says Douglas Sipp, a researcher at the RIKEN Center for Biosystems Dynamics Research in Kobe, Japan.

The only stem-cell-based products that are approved by the US Food and Drug Administration (FDA) as medical treatments are blood-forming cells used to treat certain blood and immune-system disorders. Stem cells taken from healthy bone marrow are also used in transplants to treat some cancers. Yet in the past decade or so, hundreds of clinics have sprung up in the country offering stem-cell treatments for a wide range of other conditions, including muscular dystrophy, Alzheimer’s disease and vision loss.

In the United States, stem cells can be extracted and reinjected into people without FDA approval as long as the cells have been only “minimally manipulated”. Companies have argued that their procedures therefore do not need approval — but many bioethicists disagree, claiming that many of the procedures they offer should be classified as drugs, biologics or medical devices, which the FDA must approve for use.

Background checks
The analysis looked at the websites of 166 companies that were advertising their services in January 2018 and that listed their clinical staff online.

Nine companies did not list any physicians. Five of these were staffed entirely by podiatrists; two by naturopaths, who use interventions such as homeopathy and acupuncture; and one by dentists.

Of the companies that employed doctors, just 81 listed physicians who had medical training that the researchers deemed was necessary to cover all of the conditions the firms’ clinics offered to treat (see ‘Stem-cell doctors’).


Source: Ref. 1

Businesses offering unproven stem-cell treatments for orthopaedic conditions — among the most common conditions for which such therapies are offered — were more likely to employ trained doctors: 77% listed one or more physicians with formal training in orthopaedics. But only 19% of practices offering to treat non-orthopaedic conditions employed physicians with relevant specialist training.

“Patients need to ensure they look at trusted sources of information and consider the backgrounds of physicians when considering medical care, including regenerative care,” says Zubin Master, a bioethicist at the Mayo Clinic in Rochester, Minnesota, who led the study. Master acknowledges that some of the physicians employed by the companies might have gained relevant further qualifications beyond their formal medical training.

doi: 10.1038/d41586-019-01999-6

42
Absolutely true.....

43
Allied Health Science / Anti-cancer drugs now made in Bangladesh
« on: July 03, 2019, 10:48:02 PM »
Beacon Pharmaceuticals Limited yesterday launched a few anti-cancer drugs, first of its kind in Bangladesh.
Beacon Managing Director Mohammad Ebadul Karim said, "Beacon Pharmaceuticals is the first to produce anti-cancer drugs in the country. The drugs with brand names Fluroxan, Gemoxen, Platixen and Xelpac are already available in the market. Docexan, Xurobin and Filgrast will be made available soon."
The manufacturers said the prices of the locally produced anti-cancer drugs would be 20 to 30 percent less than the imported ones.
Prices of the newly marketed products range from Tk 90 to Tk 12,000, they added.
"The Cisplatin drug which is imported from the Netherlands with the brand name Platocin costs Tk 800 while the same drug produced by Beacon with the brand name Platinex costs Tk 550 per vial," told Monjurul Alam, manager, international marketing of the company to The Daily Star.
One course Pacloitaxel imported from Pfizer Company of the US with the brand name Taxol costs Tk 39,000 while locally manufactured Xelpac costs only Tk 12,000, he said.
The manufacturers also claimed that there are many anti-cancer drugs available in the market and most of them are smuggled from India. Patients get each of the items at Tk 300 only.
Around 12 lakh people across the country are suffering from cancer currently and every year two lakh are newly diagnosed with the disease. The anti-cancer drugs manufactured by Beacon will play an important role in treating such a huge number of patients in the country, said health experts.
Prof Syed Modasser Ali, adviser to the prime minister, was present as chief guest of the programme held at a city hotel. Prof Pran Gopal Datta, vice chancellor of Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University, presided over the session.

45
Allied Health Science / Antibiotics leave mice vulnerable to the flu
« on: July 03, 2019, 10:35:49 PM »
In the new study, Wack and team used a group of mice with healthy gut bacteria at baseline. Over 4 weeks, they gave these mice a mix of antibiotics through their drinking water before infecting them with the flu virus. They also infected some mice that they had not treated with the antibiotic mix so that they could compare the outcomes.

The team noticed that approximately 80% of the untreated mice with healthy gut bacteria survived the infection with the flu virus. Yet, of the mice who had previously received the antibiotic mix, only one-third were able to survive the viral infection.

"Inappropriate use [of antibiotics] not only promotes antibiotic resistance and kills helpful gut bacteria, but may also leave us more vulnerable to viruses," says Wack.

"This could be relevant not only in humans but also livestock animals, as many farms around the world use antibiotics prophylactically. Further research in these environments is urgently needed to see whether this makes them more susceptible to viral infections," he argues.

Pages: 1 2 [3] 4 5