Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sarowar.ph

Pages: 1 ... 3 4 [5]
61
ভিটামিন ডি শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ডি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, প্রদাহ কমায়, কোষের বৃদ্ধি বাড়ায় এবং নিউরোমাসকুলার কার্যক্রম ভালো রাখে।

ভিটামিন ডি-এর ঘাটতির কিছু লক্ষণ জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়

ভিটামিন ডি-এর ঘাটতির অন্যতম একটি লক্ষণ হলো, দুর্বলতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া। দেহে ভিটামিন ডি কমে গেলে রোগ খুব সহজেই বাসা বাঁধে।

২. হাড়ে ব্যথা

হাড় কার্যক্রম ও পেশির কার্যক্রম ভালো রাখার জন্য ভিটামিন ডি জরুরি। এ ভিটামিনের ঘাটতি হলে পেশি ব্যথা, পেশি ক্র্যাম্প ও দীর্ঘমেয়াদে জয়েন্ট পেইনের ঘটনা ঘটে।

৩. অবসন্ন ভাব

অবসন্ন ভাব হওয়াও কিন্তু ভিটামিন ডি-এর ঘাটতির একটি লক্ষণ। কোনো কারণ ছাড়া নিয়মিত অবসন্ন ভাব হলে ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি রয়েছে কি না পরীক্ষা করুন।

৪. মেজাজ ওঠা-নামা

ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হলে মেজাজ ওঠা-নামার ঘটনা ঘটে। এ ভিটামিন মস্তিষ্কের সেরোটোনিন হরমোন উৎপাদনে সাহায্য করে। এ হরমোন মেজাজ ওঠা-নামা ও সুখী হওয়ার সঙ্গে জড়িত।

৫. অতিরিক্ত ঘাম

ভিটামিন ডি কমে গেলে অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা হয়, বিশেষ করে কপালের দিকে। ভিটামিন ডি শরীরের মিনারেল ও তরলের ভারসাম্যকে নিয়ন্ত্রণ করে। এতে দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণ হয়।

62
দেহ, মনের প্রশান্তির জন্য যোগব্যায়াম অতুলনীয়। যোগব্যায়াম করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে আনা যায়। আসলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাবার যেমন উপকারী, তেমনি উপকারী যোগব্যায়ামও।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দুটি যোগব্যায়ামের কথা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

ভুজঙ্গাসন

যোগব্যায়ামের এই আসনটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। এটি পিঠের নমনীয়তা ও রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এ ছাড়া এটি মানসিক চাপ ও অবসন্নতা কমাতেও উপকারী।



যেভাবে করবেন

১. পেটে চাপ দিয়ে মেঝেতে শোন। পায়ের আঙুলকে মেঝেতে সমান করে রাখুন।

২. এবার মেঝেতে হাতে তালু সমানভাবে রাখুন।

৩. গভীরভাবে শ্বাস নিন। ধীরে ধীরে মাথা, বুক ও কোমর উঁচু করুন।

৪. এবার শ্বাস ছাড়ুন এবং ধীরে ধীরে মাথা, বুক ও পেট মেঝেতে নিয়ে আসুন।

বি: দ্র: কারপাল টানেল সিনড্রম থাকলে এই আসনটি এড়িয়ে যান।

হলাসন

এ আসনটি শ্বেত রক্ত কণিকার নিঃসরণ বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি থাইরয়েড গ্রন্থিকে উদ্দীপ্ত করে। এটি পিঠের পেশি, ঘাড় ও কাঁধের জন্য উপকারী।



যেভাবে করবেন

১. মেঝেতে সোজা হয়ে শোন। শ্বাস নিন। ধীরে ধীরে পা ও কোমরকে উঁচু করুন, ৯০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে।

২. এবার ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল করুন। চেষ্টা করুন, আপনার পায়ের আঙুলকে মেঝেতে স্পর্শ করাতে।

বি: দ্র: তবে উচ্চ রক্তচাপ ও ঘাড়ে আঘাতের সমস্যা থাকলে আসনটি এড়িয়ে যান।

63
কিডনি বিকলের সমস্যা সাধারণত দুই ধরনের। একিউট বা হঠাৎ কিডনি বিকল এবং ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদে কিডনি বিকল। সাধারণত শিশুদের কিডনি রোগের সমস্যা হলে জ্বর, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হয়।

শিশুদের কিডনি রোগের লক্ষণের বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩৪৬৯তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. গোলাম মাঈন উদ্দিন। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু কিডনি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : শিশুদের কিডনি সমস্যা হলে কোনটির ক্ষেত্রে কী ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

উত্তর : বেশি হলো, বাচ্চাদের প্রস্রাবে ইনফেকশন। ঘন ঘন বাচ্চারা প্রস্রাব করবে। প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হবে। এটি দুই ধরনের আছে। একটি হলো, নিচের দিকে ইনফেকশন। আরেকটি হলো, উপরের দিকে ইনফেকশন। উপরের দিকে ইনফেকশন হলে কিডনির সঙ্গে জড়িত। এতে বমি হবে, পেটে ব্যথা হবে, জ্বর হবে। তবে যেহেতু সে শিশু, তাই বলতে পারে না। তাই রোগ নির্ণয় দেরি হয়। অ্যাপেনডিসাইটিস বা অন্যান্য রোগের সঙ্গে তুলনা করে রোগ নির্ণয় করতে দেরি হয়ে যায়।

তাই কোনো খারাপ রোগী, যদি জ্বর, পেটে ব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া, এ ধরনের লক্ষণ নিয়ে আসে আমরা কিডনির রোগ হয়েছে কি না দেখব। আর কনজেনিটাল অ্যানোমেলি যেটি, সেটি জন্মের আগে নির্ণয় করা প্রয়োজন।

64
বড়দের মতো শিশুদেরও পিঠে ব্যথা হয়। সাধারণত মাংসপেশির টান, ভারসাম্যহীনতা, পিঠ বেঁকে যাওয়া, মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়া, কশেরুকা সরে যাওয়া, সংক্রমণ ইত্যাদি কারণে পিঠে ব্যথা হয়।

জ্বর হওয়া কিংবা ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা কিংবা অসাড় অনুভূতি, হাঁটতে সমস্যা, ব্যথা একপর্যায়ে বা দুপায়ে ছড়িয়ে পড়া, পায়খানা বা প্রস্রাব করতে সমস্যা হওয়া ইত্যাদি শিশুদের পিঠে ব্যথার কিছু উপসর্গ।

শিশুদের পিঠে ব্যথার কারণ নির্ণয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা কী?

পরীক্ষা-নিরীক্ষা

শিশুর পিঠব্যথার কারণ খুঁজে বের করতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অর্থোপেডিক ডাক্তার আপনার শিশুর সর্বিক স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন করতে পারেন, সেগুলোর সঠিক উত্তর দিতে হবে। চিকিৎসক আপনার শিশুর পিঠ পরীক্ষা করে দেখবেন। তাঁকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে।

ল্যাবরেটরি পরীক্ষা

ইনফেকশন রয়েছে কি না, তা দেখার জন্য রক্তের পরীক্ষা (সিবিসি), ইএসআরসি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন (সিআরপি)।
অনেক সমস্যায় রিউমাটয়েড স্কিন পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয়।
রেডিওলজি পরীক্ষা

প্লেইন এক্স-রে মেরুদণ্ডের হাড় সরে গেছে কি না, হাড় ভেঙেছে কি না, ক্ষয় হয়েছে কি না ইত্যাদি দেখার জন্য এবং মেরুদণ্ডের সার্বিক আকৃতি বোঝার জন্য পিঠের এক্স-রে করতে হবে।
এমআরআই স্ক্যান-ডিসাইটিস, ডিস্কের ক্ষয়, ডিস্কের প্রোলাপস ও স্পাইনাল কর্ডে কোনো সমস্যা রয়েছে কি না তা দেখার জন্য এমআরআই পরীক্ষা করতে হবে।
চিকিৎসা

ব্যথা অনেক সময় বিশ্রাম নিলে চলে যায়। যদি ব্যথা না যায়, তাহলে ব্যথানাশক ওষুধ প্যারাসিটামল বা আইব্রুফেন দেওয়া যেতে পারে। কখনো কখনো ফিজিক্যাল থেরাপির প্রয়োজন হয়।
ক্ষেত্রবিশেষে অপারেশনের প্রয়োজন হয়।

65
সারা দিন ঝিমুনি, অবসন্নভাব, কাজে অনিহা ইত্যাদি ক্লান্ত থাকার লক্ষণ। পুষ্টির ঘাটতি, ব্যায়াম না করা, পানিশূন্যতা ইত্যাদি এ সমস্যার কিছু কারণ। ক্লান্ত লাগার পাঁচ কারণ ও এর সমাধান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমিডি।

১. ব্যায়াম না করা

নিয়মিত ব্যায়াম না করা ক্লান্ত লাগার একটি অন্যতম কারণ। তবে ২০০৮ সালে সাইকোথেরাপি ও সাইকোমেটিকসে প্রকাশিত 

একটি গবেষণায় বলা হয়, অন্তত ৬৫ ভাগ ক্লান্তি দূর করতে কাজ করে ব্যায়াম। তাই ক্লান্তি দূর করতে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ থেকে ছয় দিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন।

২. পানিশূন্যতা

পানিশূন্যতা ক্লান্তি ও অবসন্নভাব বাড়ায়। সামান্য পরিমাণ পানিস্বল্পতা হলেও শরীরে ক্লান্তিভাব হয়। তাই ক্লান্তিভাব কমাতে দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। পাশাপাশি খেতে পারেন ফলের রস, ডাবের পানি ইত্যাদি।

৩. ঘুমের সমস্যা

ঘুমের গুণগত মান খারাপ হলে ক্লান্তিভাব হয়। এমনকি ঘুম একটু কম হলেও এটি মেজাজ ও স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ২০০৫ সালের একটি গবেষণায় বলা হয়, ঘুমের অসুবিধা হলে মেজাজ ওঠা-নামা করে। এটি যোগাযোগ কার্যক্রমকে ব্যহত করে।

৪. স্থূলতা

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও কায়িক পরিশ্রম না করে সারাক্ষণ শুয়ে-বসে থাকা ক্লান্তি ও অবসন্নভাব তৈরির জন্য দায়ী। এমনকি স্থূলতার কারণে স্লিপ অ্যাপনিয়া, ঘুমের সমস্যা হয়। তাই ক্লান্তিভাব কাটাতে ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন।

৫. পুষ্টির ঘাটতি

শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হলেও কিন্তু ক্লান্তিভাব হয়। আপনি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে না চললে পুষ্টির ঘাটতি হবে। ক্লান্তিভাব কমাতে খাদ্যতালিকায় আয়রন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১২ ও ম্যাগনেসিয়াম রাখুন।

তবে শরীরের অনেক জটিল সমস্যাতেও কিন্তু ক্লান্তিভাব হয়। তাই উপরের পরামর্শগুলো পালন করার পরও ক্লান্তিভাব নিয়মিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

66
একটি ইঁদুর এক চাষীর ঘরে গর্ত করে লুকিয়ে থাকতো। একদিন ইঁদুরটি দেখলো চাষী আর তার স্ত্রী থলে থেকে কিছু একটা জিনিস বের করছেন। ইঁদুর ভাবলো থলের ভিতর নিশ্চয়ই কোনো খাবার আছে, তাই সে গুটি গুটি পায়ে এগোলো। এগিয়ে দেখলো সেটা খাওয়ার কিছু নয়, সেটা ছিল একটা ইঁদুর ধরার ফাঁদ।
   
ফাঁদ দেখে ইঁদুর পিছোতে থাকলো। ইঁদুরটি বাড়ির পিছনের এক খোপে থাকা পায়রাকে গিয়ে বলল- জানো আজ বাড়ির মালিক একটা ইঁদুর ধরার ফাঁদ এনেছে। এটা শুনে পায়রা হাসতে থাকলো আর বলল- তাতে আমার কি? আমি কি ওই ফাঁদে পড়তে যাব না কি? নিরাশ হয়ে ইঁদুরটি মুরগীকে গিয়ে এই কথা বলল।
   
মুরগী ইঁদুরকে হেয় করে বলল- যা ভাই এটা আমার সমস্যা নয়। ইঁদুরটি হাঁপাতে হাঁপাতে মাঠে গিয়ে ছাগলকে শোনালো। ছাগল শুনে হেসে লুটোপুটি অার ঘাস খেতে থাকলো। সেই দিন রাত্রে একটি শব্দ হলো যাতে একটি বিষাক্ত সাপ আটকে গিয়েছিল।
অন্ধকারে চাষীর স্ত্রী সাপের লেজকে ইঁদুর ভেবে বের করলো, আর সাপটি তাকে কাঁমড়ে নিল। অবস্থা খারাপ দেখে চাষীটি ওঝাকে ডাকলো। ওঝা তাকে পায়রার জুস খাওয়ানোর পরামর্শ দিল। **পায়রাটি এখন হাঁড়িতে **। চাষীর স্ত্রীর এই সংবাদ শুনে তার বাড়িতে আত্মীয় সজ্জন এসে হাজির হল।
   
তাদের খাওয়ার বন্দোবস্তের জন্য **মুরগীকে যবাই হল। **মুরগীও এখন হাঁড়িতে। দুইদিন পর চাষীর স্ত্রী মারা গেল। আর তার দোয়া অনুষ্ঠানে **ছাগলটিকে যবাই হল। **ছাগলও হাঁড়িতে চলে গেল। ইঁদুর দুরে পালিয়ে গিয়েছিল বহুদূরে।

*** আবারও রাজধানীতে অগ্নিকাণ্ড। বনানীর বহুতল এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহত হয়েছেন সাতজন। হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে সবার মতো উদ্বিগ্ন পুরো বাংলাদেশ l

নিমতলী, রানা প্লাজা, চকবাজারের পর আরও একটা বড় দুর্ঘটনা বনানীর এফআর ভবনে। ভবনের নিচে জনতার ভিড়ে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট যেতে পারছে না ঠিক সময়ে। দূর থেকে পানি দিতে হয়েছে। একদিকে আগুনে গ্লাস ভেঙে পড়ছে। ভেতরের মানুষগুলো বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন। কেউ কেউ লাফ দেওয়ার চেষ্টা করছেন ৯-১০-১১ তলা থেকে। আর অন্যদিকে সবাই মোবাইল নিয়ে তৈরি। কে কার চেয়ে ভালো অ্যাঙ্গেলে ফুটেজ নিতে পারে, সেই প্রতিযোগিতা। যেখানে সবার পানি নিয়ে সাহায্য করার কথা, তারা সবাই দাঁড়িয়ে ভিডিও করছে। দায়িত্বটা কি শুধুই প্রশাসন বা দায়িত্বরত বাহিনীর? নাগরিক হিসেবে আমাদের মধ্য থেকে মানবতা কি হারিয়ে যাচ্ছে?

যদি কেউ আপনাকে তার সমস্যার কথা শোনায় আর আপনি ভাবেন যে এটাতো আমার সমস্যা নয়, তবে দাঁড়ান আর একবার ভালো করে চিন্তা করুন। আমরা সবাই বিপদে আছি। সমাজের একটা অংশ, একটি ধাপ-পর্যায়, একজন নাগরিক, যদি বিপদে থাকেন তবে পুরো দেশ বিপদে আছে। নিজের মধ্যে  সীমিত না থেকে সামাজিক হোন আর মানবধর্মের জন্য একত্রিত হোন।

 ♦ ♦ ♦ Collected ♦ ♦ ♦

Pages: 1 ... 3 4 [5]