Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Bilkis Khanam

Pages: 1 [2]
16
Psychological Support / Trichotillomania (hair-pulling disorder)
« on: March 05, 2019, 01:12:41 PM »
Trichotillomania is also known as the hair-pulling disorder, it's a kind of mental disorder that involves recurrent, irresistible urges to pull out hair from your scalp, eyebrows or other areas of your body, despite trying to stop.

Hair pulling from the scalp causes significant distress in one's life and can interfere with social or work functioning. For some people, trichotillomania may be mild and generally manageable. For others, the compulsive urge to pull hair is overwhelming. Some treatment options have helped many people reduce their hair pulling or stop completely.

Symptoms of trichotillomania often include:

1. Repeatedly pulling your hair out, typically from your scalp, eyebrows or eyelashes, but sometimes from other body areas, and sites may vary over time
2. An increasing sense of tension before pulling, or when you try to resist pulling
3. A sense of pleasure or relief after the hair is pulled
4. Noticeable hair loss, such as shortened hair or thinned or bald areas on the scalp or other areas of your body, including sparse or missing eyelashes or eyebrows
5. Preference for specific types of hair, rituals that accompany hair pulling or patterns of hair pulling
Biting, chewing or eating pulled-out hair
6. Playing with pulled-out hair or rubbing it across your lips or face
7. Repeatedly trying to stop pulling out your hair or trying to do it less often without success
8. Significant distress or problems at work, school or in social situations related to pulling out your hair

Trichotillomania is a long-term (chronic) disorder. Without treatment, symptoms can vary in severity over time. For example, the hormonal changes of menstruation can worsen symptoms in women. For some people, if not treated, symptoms can come and go for weeks, months or years at a time. Rarely, hair pulling ends within a few years of starting.

When to consult a mental health therapist:

If you can't stop pulling out your hair or you feel embarrassed or ashamed by your appearance as a result of your hair pulling, consult to your mental health therapist. Trichotillomania is not just a bad habit, it's a mental health disorder, and it's unlikely to get better without proper treatment.

17
Deep breathing is one of the best ways to reduce stress in the body. This is because when you breathe deeply, it sends a message to your brain to calm down and relax. The brain then sends this message to your body. Those things that happen when you are stressed, such as increased heart rate, fast breathing, and high blood pressure, all decrease as you breathe deeply to relax.

The process of Deep Breathing Exercise:

•Sit comfortably and place one hand on your abdomen.

•Breathe in through your nose, deeply enough that the hand on your abdomen rises.

•Hold the air in your lungs, and then exhale slowly through your mouth, with your lips puckered as if you are blowing through a straw.

•The secret is to go slow: Time the inhalation (4 second), pause (4 second), and exhalation (6 second).

•Practice for 3 to 5 minutes.

18
Psychological Support / Progressive muscle relaxation (PMR)
« on: March 05, 2019, 11:23:28 AM »
Progressive muscle relaxation (PMR) is a deep relaxation technique that has been effectively used to control stress and anxiety, relieve insomnia, and reduce symptoms of certain types of chronic pain. Here is the process of doing PMR.

19
Psychological Support / পরীক্ষা ভীতি
« on: February 26, 2019, 12:04:50 PM »
আজ থেকে অবন্তীর সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। গত দুইদিন ধরে সে সারাক্ষন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত ছিল। গতকাল রাত ২টা পর্যন্ত পড়াশোনা করে ঘুমিয়েছিল অবন্তী। ভোর ৫ টায় তার ঘুম ভেঙ্গে যায় দুঃস্বপ্ন দেখে। স্বপ্নে দেখে, সে পরীক্ষার হলে বসে কিছুই লিখতে পারছে না, এইদিকে সময়ও চলে যাচ্ছে। কি ভয়ংকর! ঘুম থেকে উঠে অবন্তী আবার পড়তে বসলো। তার মনে হচ্ছে সবকিছুই পড়া হয়েছে কিন্তু সে সব ভুলে যাচ্ছে। পরীক্ষার হলে গিয়ে কিছুই লিখতে পারবে না। এইসব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ অবন্তীর কেমন বমি বমি লাগছে, পেটেও মোচড় দিচ্ছে, শরীর ঘামাচ্ছে। মনে হচ্ছে, আজ বুঝি তার সব শেষ হয়ে গেল!

পরীক্ষার পুর্বে অবন্তীর মত এধরনের অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়ে থাকেন অনেক শিক্ষার্থী। আমরা প্রত্যেকেই পরীক্ষার পূর্বে কিছুটা মানসিক চাপ অনুভব করে থাকি। কিছুটা মানসিক চাপ অনুভব আমাদের জন্য ইতিবাচক ভুমিকা পালন করে। কারন, আমরা যদি ন্যূনতম মানসিক চাপ অনুভব না করি তাহলে আমরা পরীক্ষার প্রস্তুতির তাগিদ অনুভব করব না ফলশ্রুতিতে আমাদের পরীক্ষার ফলাফল ভাল হবে না। সুতরাং কিছুটা পরিমানে মানসিক চাপ যা আমাদের কার্যক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে তা আমাদের জন্য ভাল। কিন্তু যখন এই মানসিক চাপ অতিরিক্ত পর্যায়ে পৌছে যায় এবং আমাদের কর্মক্ষমতা হ্রাস করে তখন তা আমাদের উপর নেতিবাচক ভূমিকা রাখে। এই অতিরিক্ত নেতিবাচক মানসিক চাপ এর কারনে মূলত পরীক্ষা ভীতি তৈরী হয়। পরীক্ষা ভীতি হল পরীক্ষা নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা এবং নিজেকে মূল্যায়নের ভয়।

বিভিন্ন কারনে একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে এই ভীতি দেখা দেয়। যেমনঃ পরিবারের মানুষের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষা, অন্য শিক্ষার্থীদের সাথে নিজেকে অতিরিক্ত তুলনা করা, সময়মত পড়া সম্পন্ন না করা কিংবা পড়া ফেলে রাখা, পড়া বুঝতে না পারা, নিজের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারনা (যেমনঃ আমি কিছু পারিনা, আমাকে দিয়ে হবে না),নিম্ন আত্ন-বিশ্বাস, নিজের প্রতি উচ্চাশা।

পরীক্ষা ভীতির উপসর্গ গুলো হলঃ মাথাব্যাথা, বমিবমি ভাব, ডায়রিয়া, গলা শুকিয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, শ্বাসকষ্ট, দ্রুত হ্রদস্পন্দন, মূর্ছা যাওয়া, রাগ, ভয়, অসহায়ত্ব, খিটমিটে মেজাজ, মনোযোগের অভাব ইত্যাদি।

পরীক্ষা ভীতি থেকে মুক্তি পাবার উপায়ঃ

বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে এই পরীক্ষা ভীতি কাটিয়ে উঠা সম্ভব।
• প্রথমেই পড়াশোনার অভ্যাসে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। নিয়মিত লেখাপড়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। পড়া ফেলে রাখা, পরে পড়বো এই ধরনের মানসিকতা থেকে নিজেকে বেড়িয়ে আসতে নিজেকে সাহায্য করতে হবে। এইজন্যে প্রতিদিন ক্লাসে যা পড়ানো হচ্ছে বাসায় এসে তা একবার হলেও পড়তে হবে। একসাথে অনেকক্ষণ ধরে পড়তে সমস্যা হলে কিছু সময় পর পর বিরতি দিয়ে আবার পড়তে বসতে হবে।
• প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করা এবং ঘুমের সময় মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে ঘুমাতে যাওয়া যে “আমি এখন ঘুমাব”, এই সময় মোবাইল ফোন বা অন্যান্য যন্ত্র যা ঘুমকে প্রভাবিত করে তা দূরে রাখা।
• যখন পড়তে বসবো তখন মনোযোগ সম্পূর্ন পড়ার প্রতি রাখতে চেষ্টা করা, অন্য বিষয়ের চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা।
• মেডিটেশন ও রিলেক্সেশন চর্চা করা। পরীক্ষা ভীতি যেহেতু উদ্বেগের কারনে হয়ে থাকে তাই নিয়মিত মেডিটেশন চর্চা এই ভীতি হ্রাসে গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করে।
• যদি আপনার উদ্বেগের হার আপনার নিজের নিয়ন্ত্রনের বাইরে থাকে তবে এক্ষেত্রে একজন প্রফেশনাল সাইকোলজিস্টের সহযোগীতা নেয়া ।

Bilkis Khanam
Psychologist
Daffodil International University.

20
সন্তানের পরিপূর্ণ শারীরিক আর মনোসামাজিক বিকাশে বাবা-মায়ের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কেউ কেউ বলে থাকেন ‘বাবা-মায়ের আবার ধরন কী’, ‘বাবা-মা মানেই বাবা-মা’। কথাটি বিজ্ঞানসম্মত নয়। সন্তানের প্রতি আচরণ আর দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভিত্তি করে বাবা-মায়ের ধরনকে অনেক ভাগে ভাগ করা যায়।

সব বাবা-মা–ই চান সন্তানের মঙ্গল হোক। কিন্তু তাঁদের এই চাওয়া পূরণ করতে গিয়ে সব সময় যে তাঁরা ঠিক পথে চলেন তা নয়—নিজের মনের অজান্তেই, সন্তানের মঙ্গল হওয়ার বদলে অনেক সময় তার বিকাশে বিঘ্ন ঘটাতে পারে বাবা-মায়ের আচরণ। সন্তান যখন ছোট থাকে, তখন তার খাবার, ঘুম, জ্বর–সর্দি নিয়েই তাঁদের ভাবনা। কিন্তু সেই সন্তান যখন বড় হতে থাকে, তখন ভাবনাচিন্তার ডালপালা অনেকখানি বড় হয়ে যায়। সে স্কুলে কাদের সঙ্গে মিশছে? বন্ধুরা কেমন? সে আবার নেশার খপ্পরে পড়ছে কি না? বন্ধুদের সঙ্গে তাকে ঘুরতে যেতে দেওয়া ঠিক কি না—এমনি নানান জিজ্ঞাসা বাবা-মার মনে উঁকি দেয়।

সন্তানদের এই বড় হওয়ার সময়টা বেশ সতর্কতার সঙ্গে নাড়াচাড়া করতে হবে বাবা-মাকে। তবে এজন্য তাদের প্রস্তুতি নিতে হবে কিন্তু সন্তানের জন্মের পরপরই। যেটাকে বলা হয় ‘গুড প্যারেন্টিং’ বা সন্তান লালন–পালনের আদর্শ কৌশল। সত্যিকার অর্থে ভালো মা–বাবা হতে চাইলে কী করতে পারেন।

 ভালো বাবা-মা হতে চাইলে কী করবেন

* সন্তানের প্রতি আপনার ভালোবাসা প্রকাশ করুন। তাকে ভালোবাসছেন অথচ তা প্রকাশ করছেন না, এমনটা যেন না হয়।

* সন্তানের কথাগুলো যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। তাকে তাচ্ছিল্য করবেন না।

* ‘গুণগত সময়’ দিন। অর্থাৎ যতটুকু সময়ই তার সঙ্গে থাকছেন না কেন সে সময়টুকু শুধু তাকেই দিন।

* সফলতার পাশাপাশি জীবনে ব্যর্থতাকে মেনে নেওয়ার মতো করে তাকে তৈরি করুন। তার কোনো ব্যর্থতাকে সমালোচনা-বিদ্রূপ করবেন না। সন্তানের ছোটখাটো সাফল্যকেও উদ্‌যাপন করুন।

* তার সামনে কোনো অপরাধ করা বা অপরাধের পক্ষ নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। তাকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে হলে বাবা–মা নিজেরা মিথ্যা বলবেন না, আইন ও নিয়ম ভাঙবেন না (যেমন: রাস্তার উল্টো দিক দিয়ে গাড়িতে যাবেন না, লিফটের সামনে বা বেতন দেওয়ার লাইন ভেঙে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না)

* তার ওপর অযথা চাপ তৈরি করবেন না-‘তোমাকে এটা পারতেই হবে’, এ ধরনের লক্ষ্য নির্ধারণ তাকে দেবেন না।

* তাকে কোনো অবস্থাতেই মারবেন না, তীব্র কটাক্ষ করে বকবেন না, প্রয়োজনে বুঝিয়ে বলুন।

* অন্য কারও সঙ্গে সন্তানের তুলনা করবেন না, তাকে অহেতুক সন্দেহ করবেন না

* গোপন নজরদারি করবেন না, প্রয়োজনে তার সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন।

* তার ভালো কাজের প্রশংসা করুন, অপছন্দের কাজ করলে একটা পর্যায় পর্যন্ত সেটির প্রতি গুরুত্ব দেবেন না।

* সন্তানের সঙ্গে ক্যারম বা লুডুসহ বিভিন্ন খেলা খেলুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিবারের সবাই মিলে বেড়াতে যান। সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে সন্তানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন।

* সন্তানের মোবাইল ফোন বা ট্যাব ব্যবহার সীমিত করুন। প্রয়োজনে আপনি নিজেও মোবাইল ফোন বা ট্যাব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার কমিয়ে দিন।

* পরিবারে সবাই অন্তত একবেলা একসঙ্গে বসে খাদ্য গ্রহণ করুন। সন্তানকে নিজের হাতে খেতে উৎসাহিত করুন। সে কম খায় এই অজুহাতে তাকে মুখে তুলে খাইয়ে দেবেন না।

* সন্তানকে কখনোই একই আদেশ বা নির্দেশ বারবার দেবেন না।

* তার বন্ধুদের গুরুত্ব দিন। ভালো বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে উৎসাহিত করুন। তবে পরিষ্কার ধারণা রাখুন সে কাদের সঙ্গে কোথায় যাচ্ছে, কার বাসায় রাত কাটাচ্ছে।

* স্কুলগামী সন্তানের স্কুলের বই শিশুকেই পড়তে দিন। আপনি তার পড়ার বই মুখস্থ করবেন না। স্কুলের বই–ব্যাগ তাকেই সাজাতে দিন। স্কুল থেকে সে যেন নিজের পড়া নিজেই তুলে নিয়ে আসে। তার বই-ব্যাগ গোছানো থেকে বিরত থাকুন, স্কুলের পড়া আপনি সংগ্রহ করবেন না।

* সন্তানের সামনে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য বা তার শিক্ষকের সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন। বাবা-মা একে অপরকে ব্যঙ্গ–বিদ্রূপ বা নিন্দা করবেন না, তর্কে জড়াবেন না।

* বয়স অনুযায়ী তার শারীরিক পরিবর্তন আর নিরাপত্তা নিয়ে ধারণা দিন।

* সন্তানের আচরণে কোনো পরিবর্তন বা অস্বাভাবিকতা লক্ষ করলে মনোবিদ বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

আহমেদ হেলাল
সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

Source: https://www.prothomalo.com/life-style/article/1574770/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87

21
জমিলা বেগম (ছদ্মনাম) ও মোবারক সাহেব সপ্তাহ দুয়েক আগে এক দুর্ঘটনায় তাঁদের ২১ বছর বয়সী ছেলেকে হারিয়েছেন। এর পর থেকেই জমিলা বেগম কারও সঙ্গে কথা বলছেন না। একদম চুপ। রাতে ঘুমাচ্ছেন না। খুব সামান্যই খাচ্ছেন, তা–ও অনেক জোরাজুরির পর। পরিবারের সদস্য আর আত্মীয়স্বজন তাঁকে খুব আগলে আগলে রাখছেন, মৃত ছেলের ছবি আর ব্যবহার্য সামগ্রী সব লুকিয়ে ফেলছেন, পাছে সেগুলো দেখে জমিলা বেগম আরও কষ্ট পান। কিন্তু কিছুতেই তিনি স্বাভাবিক হচ্ছেন না। জমিলা বেগমের মতো অনেকেই প্রিয়জনের মৃত্যু বা বড় কোনো ক্ষতি বা দুর্ঘটনার পর তীব্র শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন। এটাই স্বাভাবিক। এই শোকবিহ্বল অবস্থায় আশপাশের পরিজন আর স্বজন সব সময়ই চান একজন মানুষ যেন তীব্র শোক কাটিয়ে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। এ জন্য তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু অনেক সময় সান্ত্বনা দেওয়ার প্রক্রিয়া আর পদ্ধতি সঠিক হয় না, ফলে শোকের তীব্রতা কমে না বরং বাড়তে থাকে এবং শোক দীর্ঘমেয়াদি হয়। তীব্র শোকগ্রস্ত অবস্থায় কেউ কেউ একেবারে নিস্তব্ধ হয়ে যান, কেউ অতিমাত্রায় ভেঙে পড়েন, কেউ অপ্রত্যাশিত আচরণ করতে থাকেন। কখনো সে বিশ্বাস করতে চায় না তার আপনজনের মৃত্যু হয়েছে। ভাবে ‘এটা হতে পারে না’, ‘এটি মিথ্যা!’ তীব্র শোকের একপর্যায়ে হতাশা থেকে নিজের ভেতরে একটা ‘সব হারানোর ক্ষোভ’ বা ‘রাগ’ তৈরি হয়। এই রাগ হতে পারে আশপাশের মানুষ আর ঘটনার ওপর আবার কখনো মৃত আপনজনের ওপরও! তীব্র শোক থেকে বিষণ্নতায় আক্রান্ত হতে পারেন কেউ কেউ। এ সময় ক্রমাগত কান্নাকাটি, খাদ্য গ্রহণে অনীহা, নিজের যত্ন না নেওয়া, ঘুমের সমস্যা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। একাকিত্বে ভুগতে থাকেন অনেকেই।

মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, যাকে কখনোই জয় করা যাবে না। কিন্তু মৃত্যুশোককে জয় করা যায়, এ জন্য পরিজন–বন্ধুদের সহায়তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। মৃত্যুর সংবাদ জানার পরপরই তীব্র শোকের শুরু। তখন থেকেই স্বজন–পরিজনদের দায়িত্ব হচ্ছে একজন শোকাতুর ব্যক্তিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা। এ জন্য প্রথমেই যা করতে হবে, তা হচ্ছে শোকগ্রস্ত ব্যক্তির প্রতি কোনো করুণা (সিমপ্যাথি) প্রদর্শন করা যাবে না। বরং তার প্রতি সমমর্মী (এমপ্যাথি) হতে হবে। তিনি যে কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তা যে পরিজনেরা বুঝতে পারছে, সেটি বোঝাতে হবে। মৃত ব্যক্তি আর তার মৃত্যুর বিষয়টি বেশ স্পষ্ট করে জানাতে হবে। কোনো ধোঁয়াশা বা লুকোচুরি করা চলবে না। এতে বিহ্বলতা আরও বাড়বে।

 শোক একটি স্বাভাবিক আবেগীয় প্রতিক্রিয়া, শোক প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে আর শোককে কাটিয়ে ওঠার জন্য সময় দিতে হবে। কারও শোকের প্রকাশকে কখনোই বাধাগ্রস্ত করা চলবে না তেমনি শোকের প্রতিক্রিয়া যাতে দীর্ঘ না হয় সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে। সাধারণত ৬-৮ সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুশোকের তীব্র আর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া কমে যায়—এর পর দুঃখ বোধ থাকতে পারে কিন্তু শোকের প্রতিক্রিয়া (গ্রিফ রিঅ্যাকশন) সাধারণত থাকে না। কখনোই এমন কোনো কথা বলা যাবে না যাতে তার শোক আরও বেড়ে যায়—যেমন ‘আপনার মতো মানুষ কেন এত ভেঙে পড়ছেন, শক্ত হোন’ বা ‘যা হয়েছে এটা নিয়ে ভেবে আর কী হবে’; বরং বলতে হবে ‘আপনার মনে এ সময় কষ্ট হওয়াই স্বাভাবিক, আমরাও খুব কষ্ট পাচ্ছি’ অথবা বলতে পারেন ‘যা হয়েছে এই ক্ষতি কখনোই পূরণ হওয়ার নয়’। অর্থাৎ যত দূর সম্ভব পোশাকি কথা বাদ দিয়ে বাস্তবসম্মত কথা বলতে হবে। তার শোকের প্রকাশকে সম্মান করতে হবে, এটিকে হালকা কথায় উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকের প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময় এমন কোনো ছবি দেবেন না বা এমন কোনো উক্তি করবেন না, যা স্বজনদের শোককে আরও বাড়িয়ে তোলে।

আপনার সঙ্গে যদি মৃতের স্বজনের সম্পর্ক খুবই দাপ্তরিক হয়, তবে তাকে একটি লিখিত শোকবার্তা পাঠাতে পারেন। শোকের সময় একজন মানুষ তার ব্যক্তিগত বা পেশাগত অনেক প্রয়োজন মেটাতে ব্যর্থ হন, তখন আশপাশের মানুষের উচিত সেই প্রয়োজনগুলো মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করা। যেমন কারও দাপ্তরিক ছুটি বা জরুরি নথির জন্য অফিসে যেতেই হবে বা একটি বড় পরীক্ষা আছে যা বাদ দেওয়া যাবে না, তখন তাকে সঙ্গ দিন বা তার বদলে কাজটি পরিজনেরা নিজেরাই করে ফেলুন। তাকে একলা রেখে যাবেন না, সব সময় কেউ না কেউ কাছে থাকবেন, একটা ভুল ধারণা আছে যে শোকের সময় শোকাতুর ব্যক্তিকে একা থাকতে দিতে হয়, মূলত শোকের সময় একসঙ্গে থাকলে শোক দ্রুত প্রশমিত হয়। অনেকে শোকগ্রস্ত অবস্থায় গোসল করেন না, ঠিকমতো খাদ্য গ্রহণ করেন না, ঘুমান না—তাদের নিজেদের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করাটাও স্বজনদের অন্যতম দায়িত্ব। আর একটি বিষয় পরিজনেরা প্রায়ই করে থাকেন যে মৃত ব্যক্তির ছবি লুকিয়ে ফেলেন, তার স্মৃতিগুলো সরিয়ে রাখেন, মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে শোকগ্রস্ত স্বজনের সামনে কথা বলেন না—এটি কিন্তু শোক কমানোর বদলে শোকের প্রতিক্রিয়াকে আরও দীর্ঘায়িত করে। এগুলো না করে মৃত ব্যক্তির জীবনের ভালো স্মৃতিগুলো বেশি বেশি আলোচনায় আনতে হবে, তার ছবি দেখতে হবে, স্মৃতিচারণা করতে হবে, স্মারকগুলো সামনে সাজিয়ে রাখতে হবে এবং নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী প্রার্থনা করতে পারেন। এতে করে মৃত্যুর বিষয়টি স্বাভাবিক হবে এবং শোক কমতে শুরু করবে। কারও মৃত্যুর পর তার শোকগ্রস্ত স্বজনদের কখনোই কোনো কিছুর জন্য দায়ী করে কথা বলা যাবে না—যেমন ‘যদি এটা না করতে তাহলে তিনি হয়তো আরও কিছুদিন বেঁচে থাকতেন’ বা ‘তিনি বেঁচে থাকতে তুমি তাকে অনেক কষ্ট দিয়েছ’ কিংবা ‘তার চিকিৎসায় আপনি অনেক অবহেলা করেছেন’ এ ধরনের দায় কোনো স্বজনের ওপরের চাপালে তার শোক অনেক বেড়ে যাবে। এর চেয়ে যে কথাগুলো বলা উচিত, তা হচ্ছে ‘তুমি ওনার জন্য যা করেছে, তা অকল্পনীয়’ বা ‘তার বেঁচে থাকাকে সুন্দর রাখার জন্য তোমার অবদান তার জীবনে সবচেয়ে বেশি ছিল’ ইত্যাদি প্রশংসামূলক বাক্য বলতে হবে। উপদেশ বা পরামর্শ কম দিন বরং একজন শোকগ্রস্ত ব্যক্তির কথা মন দিয়ে শুনুন—তার কথার উত্তর দিন। তাকে আবেগ প্রকাশের সুযোগ দিন তবে কখনোই কান্নাকাটি করার জন্য চাপাচাপি করবেন না। সম্পর্কে টানাপোড়েন থাকতেই পারে—মৃত্যুর পর সেই টানাপোড়েন নিয়ে আলাপ-বিলাপ না করে সম্পর্কের ইতিবাচক অংশগুলো নিয়ে বেশি বেশি কথা বলতে হবে।

আপনি নিজে আপনার শোকের সময় কীভাবে শোককে কাটিয়ে উঠেছিলেন সে গল্প করবেন না—প্রত্যেকের শোকের ধরন আলাদা, তাই একজনের উদাহরণ আরেকজনের জন্য প্রযোজ্য হবে না। মৃতের বাড়িতে তার ছবি দিয়ে একটি শোকবই রাখতে পারেন—মনে রাখবেন যে এই শোকবই কেবল বিখ্যাত বড় মানুষদের জন্যই নয়—একজন সাধারণ মানুষের জন্যও রাখা উচিত। শোক বইতে দুই লাইন লিখলে যিনি লিখছেন তার নিজের এবং মৃতের স্বজনদের শোককে প্রশমিত করতে সাহায্য করে। শোক কাটাতে ঘুমের ওষুধ বা কোনো ধরনের মাদকের আশ্রয় নেওয়াকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করতে হবে—মনে রাখতে হবে যে ‘মৃত্যুশোক’ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া—কোনো অসুস্থতা নয় কিন্তু শোকের প্রতিক্রিয়া দীর্ঘতর হওয়া একটি মানসিক সংকট, যাকে বলা হয় ‘অ্যাবনরমাল গ্রিফ রিঅ্যাকশন’ বা শোকের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। এই মানসিক সংকট হতে থাকলে প্রয়োজনে সাইকিয়াট্রিস্টের শরণাপন্ন হতে হবে।

লেখকঃ
আহমেদ হেলাল : সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

Source: https://www.prothomalo.com/life-style/article/1573828/%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%83%E0%A6%96-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81

22
Psychological Support / Symptoms of Stress
« on: January 08, 2019, 01:34:57 PM »
Stress is everywhere and affects all of us. Moderate level of stress is beneficial as it can help us to meet daily challenges and motivates us to reach our goal. By contrast, excessive stress can wear us down and make us sick both physically and psychologically.
The first step to control stress is to know the symptoms of stress. Here are some symptoms of stress we need to be aware of:

23
ঘড়ির কাটা টিক টিক করে ঘুরে চলেছে। রাত ২ টা বেজে ৫৬ মিনিট। রিন্তি (ছদ্দনাম) শুয়ে আছে তার প্রিয় বিছানাটিতে, কিন্তু তার চোখে ঘুম নেই। একটা সময় ছিল রিন্তি যখন কলেজে পড়ত প্রতিদিন তাকে মায়ের বকা শুনতে হত অতিরিক্ত ঘুমানোর জন্য। রাতে পড়তে বসলেই তার চোখে ভড় করত রাজ্যের ঘুম। এখন রিন্তি কলেজ পেড়িয়ে ভার্সিটিতে অষ্টম সেমিস্টারে পড়ছে। সকাল ৬ টা ৩০ মিনিটের প্রতিদিন এলার্মটাও আর দিতে হয় না। কারন তার অনেক আগেই তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। ক্লাসে গেলেও সে মনোযোগ দিতে পারে না। ক্লাসে তার সারাক্ষণ ঘুম ঘুম লাগে, মাথা ব্যাথা করে। ভার্সীটিতে দ্বিতীয় সেমিস্টারে পড়ার সময় থেকেই রিন্তি এই সমস্যাগূলো অনুভব করছে। অনেকভাবে ঘুমানোর চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছে। এখন রাত হলেই রিন্তির ভঁয় করে, ঘুম না হবার ভঁয়। তাহলে কি রিন্তি ইনসোমনিয়ায় ভুগছে?

ইনসোমনিয়া কি?
ইনসোমনিয়া এমন এক ধরনের মানসিক অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তির মধ্যে তার ঘুমের পরিমাণ এবং গুনগত মান নিয়ে অসন্তুষ্টি দেখা দেয়। যেমনঃ সহজে ঘুম আসে না। সারারাত একটানা ঘুম হয় না অর্থাৎ বার বার ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং আবার সহজে ঘুম আসে না। ঘুম এলেও খুব তাড়াতাড়ি জেগে উঠা। ঘুমের এই ব্যাঘাতের কারনে ব্যাক্তির পারিবারিক, সামাজিক, আচরণগত, শিক্ষাগত এবং পেশাগত জীবনে তাৎপর্যপূর্ণভাবে কাজকর্মের ক্ষেত্রে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।ইনসোমনিয়াকে মানসিক রোগ হিসেবে চিহ্নিত তখনই করা হবে যখন উপরোক্ত উপসর্গগুলো কমপক্ষে সপ্তাহে তিনদিন টানা তিনমাস ধরে উপস্তিত থাকবে ।

যে কারনে ইনসোমনিয়া দেখা দেয়ঃ
ইনসোমনিয়া থেকে মুক্তি পেতে হলে আগে খুজে বের করতে হবে কি কারনে আপনি ইনসোমনিয়ায় ভুগছেন। নিজেকে কিছু প্রশ্ন করুনঃ

•আপনি কি কোন মানসিক চাপ এ ভুগছেন?
•আপনার কি বিষন্ন লাগে অথবা আপনার বর্তমান জীবন নিয়ে
কি আপনি নিরাশ?
•কোন উৎকন্ঠা বা দুশ্চিন্তায় ভুগছেন?
•সম্প্রতি কি কোন ধরনের মানসিক আঘাত পেয়েছেন?
•এমন কোন ধরনের ঔষধ গ্রহণ করছেন কিনা যা আপনার
ঘুমকে প্রভাবিত করতে পারে?
•কোন ধরনের শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন কিনা?
•আপনার শোবার ঘরের পরিবেশ শান্ত এবং আরামদায়ক কিনা?
•প্রতিদিন কি একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং একই সময়ে ঘুম
থেকে উঠার চেষ্টা করেন কিনা?
•অতিরিক্ত চা বা কফি গ্রহণের প্রবণতা আছে কিনা?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুজলে আপনি ঠিক কি কারনে ইনসোমনিয়াতে ভুগছেন তা নির্নয় করতে সক্ষম হবেন। কারন ইনসোমনিয়া মূলত নানা ধরনের মানসিক চাপ, অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস, জীবনযাপনের দৈনন্দিন রুটিনে বিশৃংখলা, মানসিক বা শারীরিক রোগে ভোগা, অতিরিক্ত ঔষধ গ্রহণ এবং ক্যাফেইন জাতীয় পণ্য অতিরিক্ত গ্রহণের কারনে হয়ে থাকে।

ইনসোমনিয়া থেকে মুক্তি পাবার উপায়ঃ
ইনসোমনিয়া যদি মানসিক কারনে হয়ে থাকে তবে অবশ্যই সাইক্রিয়াট্রিস্ট এবং সাইকোলজিস্ট এর সরাপন্ন হতে হবে। যথাযথ কাউন্সেলিং এবং সাইকোথেরাপির মাধ্যমে ইনসোমনিয়া থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব। এছাড়াও কিছু বিষয় মেনে চলা যেমনঃ ক্যাফেইন,অ্যালকোহল কম গ্রহণ করা, দিনের শেষে কিংবা সন্ধায় সম্পূর্ন এড়িয়ে চলা। যদি কোন ঔষধ গ্রহণ করে থাকেন তাহলে ডাক্তারের পরামর্শে গ্রহণ করা। ঘুমাতে যাবার সময়কে নির্দিষ্ট করা এবং প্রতিদিন এই একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া। নিয়মিত শরীরচর্চা করা। নিজের শোবার ঘরকে শান্ত, নিরিবিলি ও আরামদায়ক রাখা। যদি ঘুম না আসে তাহলে তা নিয়ে উদ্দ্বিগ্ন না হয়ে কোন একটা কাজ মনোযোগ দিয়ে করা এবং কিছুক্ষন পর আবার ঘুমাতে যাওয়া।

Bilkis Khanam
Psychologist
Daffodil International University.

24
1.   Myth: Psychological services is only for mentally ill and insane people
Fact: Challenges are a part of our life. Every mentally stable people may also struggle with various difficulties so they can seek a professionals help. It is believed that the ability to realize of seeking and accepting counseling help proved a standard level of intelligence.

2.   Myth: Who doesn’t know me, can’t help me
Fact: Being unknown to each other is the most prominent reason why counseling is successful. Because of a psychologist is not a part of your personal life, he/she is capable of being non-judgmental and can maintain confidentiality.

3.   Myth: Everyone will know why I’m taking psychological service
Fact: Protect clients’ confidentiality is one of the most prominent ethics in the counseling profession. So a psychologist is bound to maintain your privacy during counseling and after counseling.

4.   Myth: Pair counseling tries to make one person the villain
Fact: The purpose of the pair counseling is to facilitate relationship change. Rather than finding someone’s fault, pair counseling encourages both partners to make possible changes that improve their relationship.

5.   Myth: Seeking counseling is a sign of weakness:
Fact: It takes courage to share and re-experience own sensitive painful issues. Individual who seeks psychological help is taking a first step to resolve his/her difficulties and taking initiative to resolve own difficulties is a sign of courage.

6.   Myth: Counseling provides a quick solution for your problems
Fact: When it’s a matter of mental health, there is no quick solution. The core value of counseling is making positive change within ourselves and changing our thoughts, feeling, and emotion is not an easy task to do. It takes time patience, practice, and persistence.

7.   Myth: Change will happen quickly
Fact: Changes often take time and practice in order to occur. Although some people get relief and improved their mental health after a couple session but counseling will not provide a quick fix to your problems. Counseling can help you work toward meaningful life change over the long term.






25
Psychological Support / Services We Offer
« on: July 24, 2018, 12:31:17 PM »
Individual counseling:

Individual counseling is one to one counseling process of a client and a trained psychologist, where the client seeks help to achieve some goals in a safe caring and confidential environment. It is a process of self-exploration and helps to overcome personal challenges with the help of an expert professional. This process is quite popular as it provides the opportunity to talk openly about problems, express feelings without fear and being judged. It helps people explore themselves better and work with their personal issues which they may not be comfortable discussing in front of others.

Group counseling:

Group counseling is another effective process of counseling that helps people to increase personal growth. The group consists of 4 to 8 individuals facing similar concerns with a trained professional. Group provides a safe and supportive environment that helps group members to share their feeling and thought as they interact with others. Dealing with similar concerns makes a realization of an individual that I’m not the only one who is suffering, and getting feedback from other group members helps them to increase understanding of their issues.

Pair counseling:

We provide pair counseling to those who feel they need to improve their ongoing relationship. This process of counseling helps the partner to address the concern that may create conflict and difficulties in their romantic relationship. Pair counseling can also assist people with others relationships like roommates, academic patterns, colleagues and others.

Family Counseling:

Family plays an important supportive role in one’s life. We provide family counseling to those who are struggling with relationship problems within the family. We believe every family is a unique social system and it has its own pattern of interaction. Thus we help to improve the system of interactions among family members.

26
Psychological Support / Psychological services
« on: July 24, 2018, 12:26:45 PM »
We believe, human nature is inherently good and creative. Everyone has the capacity to move forward and overcome various challenges if they got a respectable and trustable environment. However, Life is not the bed of roses and the environment is not always favored us to grow effectively. In the long run of our life, we fall into various life challenges. Sometimes we can successfully overcome it by using our personal and social strength, but not always same. Sometimes we are not able to utilize our strength. At that point, we may get stuck becoming anxious, depressed, obsessed, violent. We may seek help from our family, friends and other known people. Sometimes they help us by listening and providing some suggestions. Those kind of suggestions may help us temporarily but cannot make a permanent change in ourselves. And we become dependent on that person emotionally. Sometimes they get judgmental and may not keep our confidential. At that stage, we need help from a professional mental health therapist. A professional mental health therapist will help us to reveal our own insight and understanding of our difficulties and make a positive change in a scientific way so that we will become a self-independent person, will make our own life choices with confidence and deal with different kinds of life challenges effectively.

We provide psychological counseling to all of our students, faculty members, and administrative employees.

Counseling can assist you in a wide range of personal issues, including but are not limited to:

Academic concerns (lack of concentration, exam phobia, underachievement in studies, procrastination and time management issues)
Addiction
Adjustment to change/ Life transition
Aggression and violence
Anger
Antisocial personality
Anxiety
Attachment issues
Depression
Drug and alcohol addiction
Family conflict
Forgiveness
Grief, loss, and bereavement
Guilt
Lack of social skill
Low self-esteem
Phobias
Physical and psychological abuse
Psychological disorder due to psychological disturbance
Relationship conflict
Relationship breakup
Stress
Suicidal ideation
Trauma
Whatever the case will be, our psychologist will listen to your concern very carefully and will assist you to develop strategies that help you deal with your life challenges.

Pages: 1 [2]