Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - roman

Pages: [1] 2 3 ... 39
1
Uganda President YOWERI MUSEVENI warns against people misbehaving during this COVID-19 period, "God has a lot of work, He has the whole world to look after. He cannot just be here in Uganda looking after idiots...". Below is his reported statement.

"In a war situation, nobody asks anyone to stay indoors. You stay indoors by choice. In fact, if you have a basement, you hide there for as long as hostilities persist. During a war, you don't insist on your freedom. You willingly give it up in exchange for survival. During a war, you don't complain of hunger. You bear hunger and pray that you live to eat again

During a war, you don't argue about opening your business. You close your shop (if you have the time), and run for your life. You pray to outlive the war so that you can return to your business (that's if it has not been looted or destroyed by mortar fire).

During a war, you are thankful to God for seeing another day in the land of the living. During a war, you don't worry about your children not going to school. You pray that the government does not forcefully enlist them as soldiers to be trained in the school premises now turned military depot.

The world is currently in a state of war. A war without guns and bullets. A war without human soldiers. A war without borders. A war without cease-fire agreements. A war without a war room. A war without sacred zones.

The army in this war is without mercy. It is without any milk of human kindness. It is indiscriminate - it has no respect for children, women, or places of worship. This army is not interested in spoils of war. It has no intention of regime change. It is not concerned about the rich mineral resources underneath the earth. It is not even interested in religious, ethnic or ideological hegemony. Its ambition has nothing to do with racial superiority. It is an invisible, fleetfooted, and ruthlessly effective army.

Its only agenda is a harvest of death. It is only satiated after turning the world into one big death field. Its capacity to achieve its aim is not in doubt. Without ground, amphibious and aeriel machines, it has bases in almost every country of the world. Its movement is not governed by any war convention or protocol. In short, it is a law unto itself. It is Coronavirus. Also known as COVID-19 (because it announced its destructive presence and intention in the year of our Lord 2019)

Thankfully, this army has a weakness and it can be defeated. It only requires our collective action, discipline and forbearance. COVID-19 cannot survive social and physical distancing. It only thrives when you confront it. It loves to be confronted. It capitulates in the face of collective social and physical distancing. It bows before good personal hygiene. It is helpless when you take your destiny in your own hands by keeping them sanitized as often as possible.

This is not a time to cry about bread and butter like spoilt children. After all, the Holy book tells us that man shall not live by bread alone. Let's obey and follow the instructions of the authorities. Let's flatten the COVID-19 curve. Let's exercise patience. Let's be our brothers' keeper. In no time, we shall regain our freedom, enterprise and socializing."

In the midst of EMERGENCY, we practice urgency of service and the urgency of love for others✨
God bless us all

The best and most intelligent public speech ever made during Covid-19.

 Hats off to him. SALUTE a great leader.

(collected)

2
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নিরলসভাবে ধানের ওপর গবেষণা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে ব্রি ১০৫টি (৯৭টি ইনব্রিড ও ৮টি হাইব্রিড) ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। উদ্ভাবিত জাতগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই উচ্চফলনশীল। এছাড়া রয়েছে সুস্বাদু, সুগন্ধিযুক্ত, রফতানিযোগ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ ইত্যাদি বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ধান। বর্তমানে ব্রি উৎপাদনের পাশাপাশি গুরুত্ব দিচ্ছে পুষ্টিসমৃদ্ধ ও রফতানিযোগ্য ধানের জাত উদ্ভাবনের দিকে। বেশকিছু পুষ্টিসমৃদ্ধ ও রফতানিযোগ্য ধানের জাত এরই মধ্যে উদ্ভাবিত হয়েছে। যেমন জিংকসমৃদ্ধ, লৌহসমৃদ্ধ, লো জিআইসম্পন্ন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ, গাবা ইত্যাদি ধান।

জিংক মানবদেহের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান, যা দেহের বৃদ্ধি, গঠন ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। দেহের শর্করা ও চর্বির বিপাক ক্রিয়ায় জিংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত পরিমাণে জিংক গ্রহণ না করলে শিশুদের খর্বাকৃতি ও দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া হলে মারাত্মক আকার ধারণ করে, অনেক সময় মৃত্যুও হতে পারে। বড়দের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের ধরন-২ অথবা হার্টের সমস্যা হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, স্বল্পমাত্রার দীর্ঘ সময় ধরে জিংক গ্রহণ অধিক হারে স্বল্প সময়ে জিংক গ্রহণের চেয়ে বেশি কার্যকরী। ফলে জিংকসমৃদ্ধ চালের ভাত খাওয়ার উপকারিতা বেশি পাওয়া যাবে। ব্রি উদ্ভাবিত ব্রি-ধান ৬২, ব্রি-ধান ৬৪, ব্রি-ধান ৭২, ব্রি-ধান ৭৪ ও ব্রি-ধান ৮৪ জিংকসমৃদ্ধ। এসব জিংকসমৃদ্ধ ধান গ্রহণে খাদ্যনিরাপত্তা তথা পুষ্টিনিরাপত্তা অনেকটাই নিশ্চিত হবে। আরেকটি খাদ্য উপাদান হলো লৌহ, যা মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয়। ব্রি-ধান ৮৪ জিংক ও লৌহসমৃদ্ধ। বিটা-ক্যারোটিনসমৃদ্ধ ধান হিসেবে গোল্ডেন ধানের গবেষণা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। বহুমূত্র রোগী বা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য লো জি আইসম্পন্ন ধান হলো ব্রি-ধান ১৬, ব্রি-ধান ৪৬ ও ব্রি-ধান ৬৯। এছাড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ধান বি-আর ৫, গাবা ও ব্রি-ধান ৩১ আলঝেইমার রোগীদের জন্য উপযোগী। 

বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন এসব ধানের জাত সম্পর্কে কৃষকদের ধারণা দেয়া এবং ধানের বীজ সহজলভ্য করা সময়ের দাবি। মাঠ প্রদর্শনীর মাধ্যমে এর চাষ পদ্ধতি ও উৎপাদন কলাকৌশল শিক্ষা দিলে কৃষকরা উপকৃত হবেন। মাঠ প্রদর্শনীর জন্য প্রান্তিক চাষীদের নিয়োজিত করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। কারণ তারা অন্যত্র কাজ করার চেয়ে নিজ জমিতে কাজ করতে বেশি আগ্রহী। সরকারিভাবে বিভিন্ন সময়ে সার, বীজ, সেচ ইত্যাদির জন্য প্রণোদনা দেয়া হয়। পাশাপাশি পুষ্টিসমৃদ্ধ ধানের বীজেরও প্রণোদনা দিলে কৃষকরা অধিক উপকৃত হবেন আশা রাখি।   

পুষ্টিসমৃদ্ধ ধান চাষ করে যেমন কৃষকরা নিজেরা উপকৃত হতে পারেন, তেমনি অর্থনৈতিকভাবেও লাভবান হতে পারেন। এজন্য প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য এসব ধানের বাজারজাত প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে এবং বিজ্ঞানসম্মতভাবে করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, চীন দেশে ধানের ব্র্যান্ডিং কৌশল অনুসরণ করে চীনা চালকে উচ্চমূল্যের পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই উচ্চমূল্যের চাল মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত উভয় শ্রেণীর লোকদের আকৃষ্ট করে।

সচরাচর ব্যবহূত চালের পরিবর্তে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল গ্রহণে উৎসাহিত করা এবং এ চালের খাদ্যগুণ, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো উদ্যোক্তা কৌশলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এই চাল দিয়ে কী কী ধরনের খাবার প্রস্তুত করা যেতে পারে, এটি সম্পর্কে ভোক্তাদের সচেতন করাটাও জরুরি। রেডিও, টিভিতে অনুষ্ঠানমালা, আকর্ষণীয় গান, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি তৈরির মাধ্যমে ভোক্তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করা যেতে পারে। খাদ্য সরবরাহকারী স্কুলগুলোয় প্রচলিত রন্ধনশিল্পীর সঙ্গে শেফের রান্নার প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পুরস্কার হিসেবে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল সুন্দর প্যাকেটে, ব্র্যান্ডের মাধ্যমে দেয়া যেতে পারে। ছাপানো টি শার্ট, ক্যাপ, কলম ও সিডি (যেখানে পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের রেসিপি ও সুবিধাগুলো সংরক্ষিত থাকবে) সরবরাহ করা যেতে পারে।

তার পরেও কিছু কৌশল অবলম্বন করা কঠিন হয়ে পড়ে। যেমন দেশজুড়ে চাল উৎপাদনকারীর সঙ্গে বাজারের সম্পর্ক গড়ে তোলা, স্থানীয়ভাবে চাল সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করা, খাদ্য প্রদর্শনের জন্য উপযুক্ত পরিবার বাছাই করা, স্কুল, হাসপাতাল, জেলখানা ইত্যাদি জায়গায় খাবারের মেনুতে পছন্দের চাল সরবরাহ নিশ্চিত করা, প্রয়োজন অনুযায়ী চাল সারা বছর সরবরাহ নিশ্চিত করা ইত্যাদি। পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের বাজার এবং প্রমোশনাল প্ল্যান তৈরি করতে বাজার এবং ভোক্তাবিষয়ক জ্ঞান মূল উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের বাজার এবং প্রমোশনাল প্ল্যান তৈরির উদ্দেশ্য হলো পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল উৎপাদন বাড়ানো, মার্কেটে সহজলভ্যতা বাড়ানো, দেশের সব অঞ্চলে চাহিদা বাড়ানো, ক্যাটারিং এবং পাবলিক ইনস্টিটিউশন যেমন স্কুল, হাসপাতাল, জেলখানা প্রভৃতি জায়গার মেনুতে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল রাখা ইত্যাদি। লুকানো ক্ষুধা অর্থাৎ অপুষ্টি থেকে জনগণকে রক্ষা করার জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের বাজার তৈরি করতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ ঘানায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অর্গানিক ধানের পরিমাণ অপ্রতুল ছিল। ফলে সরকারিভাবে প্রচুর চাল আমদানি করতে হতো। উৎপাদনের মাত্র ২০ শতাংশ চাল শহর এলাকার লোকজন খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করত। কারণ শহর এলাকার লোকজনের আমদানীকৃত চালের প্রতি আকর্ষণ ছিল। ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অর্গানিক ধানের কৃষকরা চাল বিক্রি করতে সমস্যায় পড়তেন। এ সমস্যা দূরীকরণের জন্য সরকার একটি আপস্কেলিং প্রোগ্রাম হাতে নেয়, যার উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অর্গানিক ধানের উৎপাদন এবং ভক্ষণ বাড়ানো। ফলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা। এজন্য তারা চাল বাণিজ্যের মূল চাবিকাঠি এবং ভোক্তার পছন্দের বিষয়টি বিশদভাবে বিশ্লেষণ করেছে, যাতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অর্গানিক ধানের চাল বাণিজ্যকে জোরপূর্বক নির্দেশনা দিতে পারে এবং পাশাপাশি এ চালের উৎপাদন, ব্যবহার ও গ্রহণকে নিশ্চিত করতে পারে। ফলে কৃষকদের আয় বাড়ানো এবং খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের বাজার তৈরি করতে আমরা এ ধরনের কার্যক্রম হাতে নিতে পারি।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অন্যান্য পণ্যের ন্যায় চালের ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর খুব একটা গবেষণা হয়নি। বেশির ভাগ গবেষণা হয়েছে ভোক্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার ওপর। অতীত গবেষণা থেকে দেখা যায়, ভোক্তার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, ভোক্তারা পণ্য ক্রয়ের ব্যাপারে বিবেচনা করে প্রথমত কতটা নিরাপদ, স্বাদ কী রকম, চালের আকৃতি কেমন, ধানের আকার কী রকম, দাম কত এবং কী ব্র্যান্ডের। চাহিদা অনুযায়ী গুণগত মানসম্পন্ন হলে উচ্চমূল্য দিতে তারা কার্পণ্য করে না।

চালের ব্র্যান্ডিং একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ভোক্তারা বাজারে প্রচলিত পণ্যগুলোর সঙ্গে তুলনা করে। ফলে তারা পণ্যগুলোর মধ্যে পার্থক্য স্বীকৃত ও নির্দিষ্ট করে। বর্তমানে চাল উৎপাদনকারী ও ভোক্তা উভয়ের জন্যই চালের ব্র্যান্ডিং করাটা অতিজরুরি। চাল উৎপাদনকারীর ক্ষেত্রে চালের উদার নীতি ও এর বণ্টন চালের মূল্য কমিয়ে দেয়। পক্ষান্তরে চালের ব্র্যান্ডিংয়ের মূল্য বাড়িয়ে দেয়। যাহোক, ভোক্তার জন্যও চালের ব্র্যান্ডিংয়ের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। প্রথমত, ক্ষুধা নিবারণের জন্য ভোক্তার চালের প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে ভোক্তার আরো কিছু প্রয়োজন, যেমন চালের কার্যকারিতা, নিরাপত্তা, গুণাগুণের ভিন্নতা ইত্যাদি। একদিকে চাল উৎপাদনকারী ও অন্যদিকে ভোক্তা উভয়ের জন্য চালের গুণাগুণ বিশ্লেষণের জন্য ব্র্যান্ডিংয়ের প্রয়োজন। কৃষকের আয় এবং খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের নীতিমালা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও ভোক্তার পছন্দের বিষয় তথা চাল উৎপাদন, ব্যবহার ও গ্রহণ ইত্যাদি বিশদভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। ব্র্যান্ডিং করে কৃষকদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত একইভাবে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে ধানকে রফতানিযোগ্য পণ্যে পরিণত করেছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ২০১৯-২০ অর্থবছরে চাল উৎপাদন প্রায় ৩৮ দশমিক ৭০ মিলিয়ন টন। এর মধ্যে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল কতটুকু, তা নির্ধারণ করতে হবে। ব্রি পুষ্টিসমৃদ্ধ ধান উৎপাদন করে কিন্তু পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল উৎপাদনের জন্য ব্র্যান্ডিং প্রয়োজন। পুষ্টিসমৃদ্ধ ধান থেকে পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের রূপান্তর প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট করতে হবে। মিলিংয়ের মাধ্যমে চালের পুষ্টিগুণ সর্বোচ্চ সংরক্ষণের জন্য কোন প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে তা স্থির করতে হবে। রান্নার রেসিপি নির্দিষ্ট করতে হবে। সব তথ্য দৃষ্টিনন্দন প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে ব্র্যান্ডিং প্রক্রিয়ায় জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হলে একদিকে ভোক্তার অধিকার সংরক্ষিত হবে, অন্যদিকে কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত মূল্যের বিনিময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। 

বাংলাদেশে এখনো ব্রি উদ্ভাবিত পুষ্টিসমৃদ্ধ কোনো ধান তথা চালের ব্র্যান্ডিং হয়নি। এক্ষেত্রে আমরা প্রটোটাইপ ব্র্যান্ডিং উন্নয়নের ওপর গবেষণালব্ধ ফলাফল লক্ষ করতে পারি। থাইল্যান্ডে প্রান্তিক চাষীদের উৎপাদিত চালের টেকসইকরণের জন্য প্রটোটাইপ ব্র্যান্ডিং উন্নয়নের ওপর গবেষণা কাজ হয়েছে। গবেষণা থেকে কিছু নির্দেশনা চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথমত, স্ব-উৎপাদিত পণ্যের গুণাগুণ বিশ্লেষণ করতে হবে, মার্কেটের অন্যান্য পণ্য থেকে নিজ পণ্যের কোন গুণটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ, তা চিহ্নিত করতে হবে, ভোক্তার চাহিদা—হোক সেটা কার্যকরী অথবা আবেগীয়—বুঝতে হবে, সরকারি কোনো স্লোগান, ধারণা অথবা পলিসির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা, তা খতিয়ে দেখা যেতে পারে ইত্যাদি। দ্বিতীয়ত, পণ্যের গুণাগুণের সঙ্গে ভোক্তার আবেগীয় চাহিদার সমন্বয় করে ব্র্যান্ডের উপাদান সৃষ্টি করতে হবে, যাতে ভোক্তার মাঝে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়। ব্র্যান্ডের উপাদানের ভিত্তিতে স্লোগান, লোগো ইত্যাদি ঠিক করতে হবে। বাজার পরিকল্পনা অনুসারে কার্যকলাপ শুরু করতে হবে এবং বাজারের প্রতিক্রিয়া কী হয় তা দেখতে হবে। ব্র্যান্ডের গুণাগুণ একই মানের রাখতে হবে। প্রান্তিক চাষীদের জন্য সফল চালের ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রে স্মার্ট কৃষক একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। বিজ্ঞানসম্মতভাবে উল্লিখিত ধারণাগুলোর সমন্বয় করে একটি সফল চালের ব্র্যান্ডিং করা যেতে পারে। সফলতার সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে একটি ব্যবসা টিকে থাকার জন্য ব্র্যান্ডিং অন্য অনেক মাধ্যমের মধ্যে অন্যতম। গবেষকরা মনে করেন, কৃষকদের যদি শক্তিশালী ও সমাজবান্ধব চালের ব্র্যান্ড থাকে, তবে অবশ্যই তা বাজারে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে পারবে।

পরিশেষে, ব্রি উদ্ভাবিত পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের ব্র্যান্ডিং করা এখন সময়ের দাবি। প্রান্তিক চাষীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা, তাদের পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তথা বাংলাদেশের জনগণের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে একটি বিজ্ঞানসম্মত যুগোপযোগী চালের ব্র্যান্ডিং করাটা জরুরি। সর্বোপরি ভিশন ২০২১, এসডিজি ২০৩০, ভিশন ২০৪১, আমার গ্রাম আমার শহর স্লোগান ইত্যাদির সমন্বিত প্রয়াসই পারবে একটি সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।



ড. শাহানা পারভীন: সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট

Source- Bonikbarta https://bonikbarta.net/home/news_description/248169/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%82:-%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%A4%E0%A6%BE-?fbclid=IwAR37aOZU4n9c3ocqa_53jNsOFPlRUhK2SDliC-Rt6TAEhFqC9uKCcboYX_8

3
The small and medium enterprises (SMEs) should be considered as the driver of the economy like Germany has done as they add 22 per cent to the country's gross domestic product, a study suggests. More than 98 per cent of the enterprises are SMEs in Bangladesh. Over 84 per cent of rural non-farm employments were generated through cottage and micro enterprises, according to the study titled "Development of SMEs in Bangladesh: lessons from German experiences".

The SME Foundation and the Embassy of Germany conducted the study and released its findings through a virtual programme yesterday.

MA Baqui Khalily, a professor of the business administration department of the University of Asia Pacific and the team leader of the study, made a presentation on the study. The contribution of various categories of SMEs together is between 80 and 85 per cent of industrial employment and around 25 per cent of total employment, according to the study.

In Bangladesh, small enterprises contribute only a little over 3 per cent and SMEs together around 22 per cent to GDP, Khalily said.
In Bangladesh, manufacturing enterprises with employees between 16 and 30 are termed as micro while the ones with employees between 31 and 120 are classified as small enterprises. The medium enterprises constitute employees between 121 and 300 under the new National Industrial Policy 2016.

Despite the policy changes, development and growth of SMEs in Bangladesh is subject to some serious constraints.
He said limited or inadequate access to finance is still the number one constraint. "It is largely due to terms and conditions of loan contracts." It is followed by the second most important problem of the dearth of skilled workers, he said. Apprenticeship is not largely practised because of the perceived cost associated with high mobility of these skilled workers.

They also suffer from asymmetric information on markets and products because of the lack of effective social networking.
He said the development of SMEs in Germany is globally ranked second in terms of contribution to employment and value addition.
Most of the enterprises in Germany are SMEs. It is driven more by micro-enterprises that contribute to around 82 per cent of all employees and around 17 per cent to value addition. Micro and small enterprises together contribute to 96.5 per cent of all enterprise employees and around 35 per cent in value addition, the study said. SMEs are the main source of employment, accounting for about 70 per cent of all employment and are major contributors (50-60 per cent) to value addition.

In Germany, 99.4 per cent of the enterprises are micro, small and medium enterprises. It accounts for 63 per cent of all employment and contributes to over 54 per cent to value addition.

In emerging economies, SMEs contribute up to 45 per cent of total employment and 33 per cent of GDP.
According to the study, the development of SMEs in Germany has been guided by a set of principles -- think small first, take entrepreneurship as an attractive career choice, give a second chance to honest and bankrupt enterprises.
The principles also include establishing responsive administration to quickly respond to the needs of SMEs, give access to finance with different venture capital funds for young technical firms, young innovative enterprises, and growth firms and go for skills development, efficiency and innovation.

According to the study, micro and SME sector in Bangladesh needs to be nourished through different policy supports and action plan.
It recommended SMEs should not be left alone without being properly developed, and they should be classified not only by employment size but also by growth potential with different technology. Different policies should be taken for the development of different types of SMEs, it said. Different venture capital fund should be introduced for young firms like high tech firms, innovative firms and growth firms, it also suggests.

The study also stressed the need for the presence of supportive financial institutions for financing different types of SMEs and making an investment in research and development for technological development, innovation and efficiency. Strong technical education and apprenticeship system should also be there, according to the study.

The SME sector is promoting the development of Bangladesh and creating employment opportunities, Gowher Rizvi, international relation affairs adviser to the prime minister, said while addressing the launch of the report. Bangladesh needs to learn about how Germany became successful and worked to ensure economic development through SMEs, he noted. However, he said SMEs get the opportunity to supply raw materials to large industries.

Peter Fahrenholtz, ambassador of Germany to Bangladesh, said the SME sector contributes around 60 per cent to the German economy and overall 40 per cent of the annual turnover of the industrial sector comes from SMEs. He said 86 per cent of SMEs are vocational-based and they manufacture the world's best quality products. The entrepreneurs will be benefited if a collaborative effort can be taken to make the most use of Germany's know-how on SMEs, the ambassador believes.

Bangladesh should upgrade its business environment and conditions for investment to attract German entrepreneurs, he said.
The SME sector has been contributing to the positive growth of the economy, and they even helped the economy to recover after the Covid-19 outbreak, said Md Moshsaraf Hossain Bhuiyan, ambassador of Bangladesh to Germany.

In Bangladesh, there is no defaulter in the SME sector while the opposite scene is seen in case of big industrialists, he said.
"For employment and development of the country, this sector is very important," he said. He suggested providing them with technical training. Professor Masudur Rahman, chairman of SME Foundation, said they are facilitating technology adaptation through providing technical support and skills training to the SME sector.

He believes German experience will help in the development of micro and small enterprises in Bangladesh. Khondaker Golam Moazzem, research director of the Centre for Policy Dialogue, alleged that the policymaker and even the government do not think that the SMEs are the growth engine of the economy, which is the major barrier to develop the SME sector in Bangladesh. He also said most of the market is captured by the large-scale manufacturers in Bangladesh and they supply all products. He stressed the need for a strategy to change the SME sector in terms of value chain perspective.

There is a scope to introduce the experience of German SMEs in Bangladesh, he said.  Among others, Md Shafiqul Islam, managing director of SME Foundation, also spoke at the event.

Source- Daily Star
https://www.thedailystar.net/business/news/learn-germany-focus-smes-economic-growth-2000029

4
Economy / Article-Bangladesh’s LDC Graduation
« on: November 23, 2020, 04:04:38 PM »
Writer-Dr Debapriya Bhattacharya

The most quoted line of modern English: "To be, or not to be, that is the question . . .", as is known, is the opening stroke of a soliloquy from William Shakespeare's celebrated drama The Tragedy of Hamlet, Prince of Denmark. Here the Danish Prince is tormented by the contemplation of death—lamenting the agony and injustice of life, but acknowledging that the alternative might be worse. One wonders whether such a "Hamlet's moment of truth" has arrived for Bangladesh in the context of exiting from the group of least developed countries (LDCs). 

As may be recalled, in 2018 Bangladesh met all three eligibility criteria for leaving the LDC category in the next six years. This is of course subject to two satisfactory reviews by the United Nation's Committee for Development Policy (CDP). The second of these two triennial reviews is to take place in end February 2021. Things were going pretty well for the country till the Covid-19 intervened as a spoiler in the first quarter of the year. Currently, the vexing question fretting the concerned stakeholders (internal as well as external) is: are the Covid-19 induced damages substantive enough to derail Bangladesh from its scheduled path of leaving the LDC group?
Latest available data suggest that two eligibility criteria, i.e. Gross National Income (GNI) per capita and Human Assets Index (HAI) have significantly increased in Bangladesh since the last triennial review (2018). In spite of marginal deterioration, the third criteria, namely Economic and Environmental Vulnerability Index (EVI) also remains quite positive for the country.

Notwithstanding the immediate and visible adverse impacts of the contagion, all the three core criteria of Bangladesh will most probably be above (or below) the required thresholds. This projection is guided by the fact that the pre-pandemic scores had been high enough to withstand certain level of erosion. Moreover, even if the country does not fulfil one of the criteria, it will still be eligible for graduation based on the two other criterions.

Signals from official quarters suggest that the government of Bangladesh remains committed to the current path of exiting from the LDC group. It would be only politically opportune for the country if the triennial review in 2021 provides the final go, coinciding with the 50th anniversary of the country's independence.

Incidentally, none of the fellow LDCs slated for transition in the coming years are yet to indicate that they are looking for a deferment because of Covid-19. For instance, Vanuatu will be going out of the list next month (December 2020), while Bhutan in 2023 and Laos and Myanmar in 2024. And the same may be said about Nepal and Timor-Leste. However, a final decision on all these candidate countries will be informed by an ongoing United Nations Economic and Social Council (UN ECOSOC) mandated study by CDP as well as recommendations by the respective country Rapporteurs, a newly instituted procedure.

Thus, it seems we are going to witness what the celebrated dramatist Bertolt Brecht would have called epic theatre (as against classic theatre). Epic theatre is not characterised by a tidy plot and story, but leaves issues unresolved—often confronting the audience with uncomfortable questions. Brecht believed classical approaches to theatre were escapist and he was more interested in facts and reality. For example, we need to consider a discernible opinion in the country which propagates that Bangladesh, in view of the evolving pandemic situation, should defer its exit from LDC group. Such postponement will allow Bangladesh to enjoy all the LDC-specific international support measures (ISM)—particularly duty-free and quota-free market access of the country's exports—for an extra three-year period.

There are of course instances when a candidate LDC has asked for more lead period given special circumstances affecting their development prospect. Maldives did that after the tsunami in 2008 and Nepal after the earthquake in 2015. Sometimes, such delaying efforts are not successful as was in the case of Sao Tome and Principe.
A three-pronged approach

It may be recalled that Hamlet's tragedy was of a man failing to deal with his critical circumstances. In contrast, recall Brutus in Shakespeare's Julius Caesar. Hamlet and Brutus were both good men, wanted to do the right thing but contemplated too deeply with the tasks in hand. But Brutus was able to act immediately, while Hamlet was not. The lesson? Bangladesh needs to take an evidence-based political decision soonest regarding LDC graduation, keeping the Covid-19 in perspective. Accordingly, the country will be well advised to pursue expeditiously a three-pronged approach to prepare for a smooth and sustainable graduation from the LDC group.

First, Bangladesh has to articulate and campaign for a comprehensive agenda of transitional ISMs for the graduating LDCs. Admittedly, the country cannot expect to exit the LDC group and continue to enjoy all the current preferences for a protracted period. Thus, it is necessary to have a cleverly conceived and carefully crafted design including enabling ISMs ranging from trade measures to access to concessional finance to intellectual property right to availability of Covid-19 vaccines. Indeed, Bangladesh is well poised to lead this initiative globally on behalf of the graduating LDCs.

Second, the country has to develop and implement an "augmented LDC graduation strategy" in line with the concept of "build back better" from the pandemic impact. Such a strategy has to be coherent with the Sustainable Development Goals (SDGs) of 2030 Agenda and embedded in the upcoming Eight Five Year Plan (2021-25) and the Perspective Plan (2021-41). This will bind together the three projected development milestones of the country, i.e. 2024/25, 2030 and 2041.

Third, delivery of such a heavy-duty strategic design would demand enhanced efficiency and effectiveness of the current institutional arrangement of the Bangladesh government dealing with the LDC graduation. There is a National Task Force (NTF), created in January 2018 under the Prime Minister's Office (PMO), with the SDG Coordinator as the Convenor. Curiously, all the 10 members of the entity are government officials and thus devoid of representation from private sector or knowledge community. Reportedly, last month (October 2020), the NTF met for the first time after one year. However, a well-conceived and comprehensive strategic document is yet to come by from this entity. 

Concurrently, under the External Relations Division of the Ministry of Finance, there is the "Support to Sustainable Graduation Project (2018-2024)"—costing more than USD 16 million of which two-third is coming from Japanese Debt Relief Grant Assistance-Counterpart Fund (DRGA-CF). It transpires from the website of the project that its activities are limited to awareness raising endeavours.

As Bangladesh enters the last lap of its race to the LDC finishing line, it is critical to have: (i) a strengthened work programme of the NTF; (ii) improved inter-ministerial coordination (at least among ERD, Ministry of Foreign Affairs, and Ministry of Commerce); (iii) expanded participation of stakeholders (by inclusion of private sector and knowledge community) in the official process; and (iv) superior internal and external communications (particularly with the international development partners).

If the Danish Prince would have been around today, he would have possibly called upon Bangladesh not to"suffer the slings and arrows of outrageous fortune", but to "take arms against a sea of troubles and by opposing end them". What would that mean in our current parlance? Bangladesh is destined to confront the pitfalls of LDC transition competently and make the best of the potential opportunities to secure a "graduation with a momentum" as planned.
 
Dr Debapriya Bhattacharya is a member of the United Nation's Committee for Development Policy (CDP) and a Distinguished Fellow at the Centre for Policy Dialogue (CPD).

   

Source- The Daily Star
https://www.thedailystar.net/opinion/news/bangladeshs-ldc-graduation-1994929

5
Article-

Social Entrepreneurship Education as an Innovation Hub for Building an Entrepreneurial Ecosystem:
The Case of the KAIST Social Entrepreneurship MBA Program (pls see the attachment)

Collected.......

7
Online Education / 3500 + Free Online course
« on: August 25, 2020, 03:12:49 PM »
Dear learners/knowledge seeker,

We can find 3500+ free online course through the following link--
 https://edukite.org/courses/ (collected)

pls go through the link and explore yourself

thanks

8
The days are gone when you have to only rely on your school & colleges for education because now the internet has got your back.

You can find many best websites offering free online courses to people who want to learn a new skill.

Whether you are a kid, teen, or adult, Massive Open Online Courses have a lot to offer and best of all, most of them are free to access.

You don’t have to pay any money and all you need is an internet connection, laptop/smartphone, and your valuable time.

So, if you are looking to develop a new skill or want to take subject-based courses, then explore the list of 10 websites where you can enroll for free online courses.

1. Coursera
2. Udemy
3. edX
4. Alison
5. Open Culture Online Courses
6. Khan Academy
7. Stanford Online
8. Codecademy
9. iTunes U Free Courses
10. Memrise

Pls click on the link for details---- https://coursenlearning.com/websites-free-online-courses/

(collected)

9
উদ্যোক্তা হল আজ বিশেষ করে যুবকদের মধ্যে একটি ব্যাপক গুঞ্জনীয় শব্দ ! যদিও Start-up উদ্যোক্তাদের লক্ষ লক্ষ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সংবাদ কভারেজ অত্যান্ত গ্ল্যামারাস এবং আকর্ষণীয় দেখায়। কিন্তু বেশিরভাগ লোকেরাই বুঝতেই ব্যর্থ হন যে কয়েক মিলিয়ন ডলার, ম্যাগাজিন বা সংবাদপত্রের জন্য ফটোশুট সংগ্রহ এবং গল্ফ খেলতে পারার বাইরেও উদ্যোক্তা বিষয়টি অনেক বেশি অর্থবহ। উদ্যোক্তা হচ্ছে একটি ঝুঁকিপূর্ণ খেলা এবং এ ক্ষেত্রে আপনার সফল হওয়ার চেয়ে এতে ব্যর্থ হবার সম্ভাবনাই বেশি। তবে, এর অর্থ এই নয় যে আপনার একেবারেই চেষ্টা করা উচিত নয়। আপনি কিছু করতে পারেন কিনা তা জানার সর্বোত্তম উপায়টিই হচ্ছে এটি। নীচে কয়েকটি পয়েন্ট রয়েছে যা আপনাকে উদ্যোক্তা হবার পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি বিবেচনা করতে সাহায্য করবে। আপনি যদি কীভাবে নিজেকে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রস্তুত করতে হয় তা জানতে আগ্রহী হন, তবে পড়া চালিয়ে যান !
 
উদ্যোক্তা ও নেতৃত্ব সম্পর্কে শিক্ষা অর্জন করুন
 
অন্যান্য উদ্যোক্তা এবং নেতাদের সম্পর্কে জেনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সাফল্য, তাদের ব্যর্থতা, তাদের ভুল, তাদের শক্তি, দুর্বলতা ইত্যাদি। এটি আপনার অনেক সময়, প্রচেষ্টা এবং সম্পদ সাশ্রয় করবে। আপনাকে তাদের জীবন থেকে শেখার এবং যেখানে যা প্রাসঙ্গিক তা বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে। নিজের দ্বারা করা সমস্ত ভুল বিচার এবং ত্রুটি থেকে শিখতে অনুপ্রাণিত করবে। আপনি অন্যান্য উদ্যোক্তা এবং নেতৃত্বের বই বা নিবন্ধগুলি পড়ার মাধ্যমে, পডকাস্টগুলি শুনে, তাদের সাক্ষাৎকার এবং বক্তৃতাগুলি পড়া বা দেখে ইত্যাদি বিষয়গুলো শিখতে পারেন।
 
অন্য উদ্যোক্তা বা অন্য কারও Start-up এর জন্য কাজ করুন
 
একটি ব্যবসা শুরু করার আগে একটি Start-up চালানোর বিষয়ে প্রথম হাতে খড়ি অভিজ্ঞতা পাওয়া ভাল। এটি আপনাকে জানতে সক্ষম করবে যে, আপনি একটি Start-up চালানোর পক্ষে উপযুক্ত কিনা। একজন উদ্যোক্তা কীভাবে কাজ করে, কিভাবে প্রচেষ্টা চালায়, তার জীবনযাত্রা কেমন, সে সঠিকভাবে কাজ করে কিনা এবং সে যে ভুলগুলি করে সেগুলি জানতে একটি Start-up প্রতিষ্ঠাতা বা কোনও উদ্যোক্তার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ব্যাপারে বিবেচনা করুন। একটি Start-up এর জন্য কাজ করা আপনাকে ব্যবসায়ের বিভিন্ন দিকের কার্যকারিতা শেখার ও সম্পদের ঘাটতি নিয়ে কাজ করার সুযোগ দেবে এবং ক্লায়েন্টদের সাথে সরাসরি কাজ করার, দল ও পণ্য / পরিষেবাদি তৈরির জন্য একটি Exposour সরবরাহ করবে।
 
অর্থ পরিচালনা এবং বাজেট সঠিকভাবে খরচ করতে শিখুন
 
একজন উদ্যোক্তা হতে গেলে প্রথমত কমপক্ষে প্রথম কয়েক বছরের জন্য মিতব্যয়ী হওয়া ও অর্থ সাশ্রয়ী করতে শিখুন। আপনার কাছে যে অর্থ আছে তা পরিচালনা করতে শেখা, সঠিকভাবে অর্থ বরাদ্দ করা, বাজেট করা এবং সেই বাজেটকে ঠিক মত খরচ করা সব কিছুই অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অভ্যাসটি আগে তৈরি করা থাকলে, উদ্যোক্তাদের যে কোন বিপদ বা অর্থনৈতিক টানাপোড়েন সময়ে তাদের মানসিক চাপ হ্রাস পাবে। অতঃপর তারা তাদের এই অভ্যাসকে কাজে লাগিয়ে সেই সময়টিকে মোকাবিলা করে সকল সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে।

সমস্যা সমাধান এবং গবেষণা দক্ষতা বিকাশ

আপনি যদি কোনও সমস্যার সমাধান করেন বা বাজারে উপলভ্য যে কোনও বিকল্পের তুলনায় আপনার পণ্যে আরও দক্ষ এবং ব্যয়-কার্যকর কোন মান সংযোজন করেন তবে আপনার Start-upটি ভাল করার সম্ভাবনা বেশি। অতএব, আপনি একজন উদ্যোক্তা হিসাবে ব্যবসা শুরু করার আগে প্রথমে আপনি যে সমস্যার সমাধান করতে চাইছেন বা আপনি যে মান তৈরি করতে চলেছেন তা বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে বিদ্যমান সমস্যাগুলি নিয়ে গবেষণা করুন। এ ক্ষেত্রে আপনার এ বিষয়ে মনোযোগের প্রয়োজন। বর্তমান সমস্যা সমাধান, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি জরিপ এবং গবেষণার মাধ্যমে আপনি নিজের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করতে পারেন। সমস্যা সমাধান এবং গবেষণার দক্ষতা যথাযথভাবে দৈনিক কার্যক্রম ও যে কোন পরিস্থিতিতে তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অত্যান্ত সহায়তা করে। সুতরাং, ব্যবসা শুরুর আগে থেকে এই দক্ষতাগুলি ভালভাবে বিকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ।
 
আপনি যা করতে চান তার জন্য গভীর ইচ্ছা এবং উদ্দেশ্য খুঁজে বের করুন
 
যদি আপনার ব্যবসা শুরু করার একমাত্র অনুপ্রেরণা লক্ষ লক্ষ অর্থ উপার্জন হয় তবে এটি ভাল ভাবে কাজ করবে না। উদ্যোক্তা বিষয়টি খুব কঠিন ও শুরু করার সাথে সাথে এখানে আপনাকে ক্রমাগত প্রতিযোগীতার সম্মুক্ষীণ হতে হবে। আপনাকে আপনার পণ্যের উচ্চ মান ও পরিষেবা সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে, একটি উপযুক্ত দল তৈরি করতে হবে এবং নিজেকে উক্ত দলের পাশে থেকে দলকে সকল কঠিন সময়ে অনুপ্রাণিত করতে হবে। এই সব কিছুর জন্য প্রচুর পরিশ্রম, শক্তি দরকার এবং প্রতিবারই যখন কোনও বিঘ্ন ঘটবে তখন সেখান থেকে ফিরে আসতে নিজেকে উৎসাহিত করার ক্ষমতাও প্রয়োজন। এভাবেই আপনার লক্ষ্যগুলি পূরণ করা সম্ভব যদি কেবলমাত্র আপনি উৎসাহী হন এবং আপনার কাজ গুলো সম্পন্ন করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেন।
 
সময় ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষতা
 
আপনি যখন একটি Start-up চালাবেন, সময় আপনার কাছে দুর্লভ সম্পদগুলির মধ্যে একটি বলে গণ্য হবে। সুতরাং, প্রদত্ত সময়সীমায় সর্বোত্তম আউটপুট আনতে সময়কে সবচেয়ে দক্ষ পদ্ধতিতে ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে আপনাকে সর্বদা ঘড়ির বিরুদ্ধে চলমান থাকতে হবে।
 
সম্পদ, সম্পর্ক এবং দক্ষতা অর্জনের পদ্ধতি শিখুন
 
একজন উদ্যোক্তা হিসাবে, আপনি প্রায় প্রতিদিন নতুন চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন। এ বিষয়টি আরো জটিল হয়ে ওঠে যখন বড় বড় কর্পোরেশনগুলির মতো এই পরিস্থিতিগুলি মোকাবেলার জন্য আপনার কাছে পর্যাপ্ত সংস্থান থাকবে না। এই সময়ে, সর্বোত্তম উপায় হ'ল বাজারের সাথে আপনার সম্পর্কগুলি আরো উন্নত ও বৃদ্ধি করা। আপনি যে শিল্প এবং বাজারে উদ্যোক্তা হওয়ার পরিকল্পনা করছেন তার একটি ভাল নেটওয়ার্ক তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনাকে এই উচ্চ প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে ও তাদের দক্ষতা, সংস্থানসমূহ বা নেটওয়ার্কের সুযোগ দিতে সক্ষম করবে। সাধারণত ব্যবসায় বন্ধুবান্ধব থাকা ভাল।
 
খেলাধুলা, যোগব্যায়াম, শারীরিক অনুশীলন বা শখের জন্য এক ঘন্টা সময় থাকতে হবে
 
অবসর সময় কাটানো এবং শারীরিক অনুশীলন বা শখের জন্য কিছুটা সময় নেওয়া আপনার স্ট্রেসকে মুক্তি দেয় এবং আপনার মনকে নতুনভাবে জিনিসগুলিতে ফোকাস করার জন্য সতেজ করে তোলে। শারীরিক অনুশীলন, যোগব্যায়াম বা একটি শখের অভ্যাস হচ্ছে বৈজ্ঞানিকভাবে সুস্বাস্থ্য বজায় এবং চাপ, উপশম ও আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য পরিচিত একটি উপায়। এটি সামগ্রিক ইতিবাচক একটি মেজাজ তৈরীতে সহায়তা করে যা আপনার কাজের ক্ষেত্রেও ভাল ফলাফল বয়ে আনতে পারে

(collected)

12
Here are four ways in which you may get more visual content with your social networking strategy:

Decide What Types of Images Work Best
Every business can be expressed through images, you just have to do a little brainstorming to determine what will perform best. For some companies, it will likely be obvious, like a handcrafted jeweler make use of images of her pieces or perhaps a photographer examples of his work.

Other companies may have to get creative using the images they choose. As long as it provides a clear link with the kind of business you’ve, the picture will be helpful. If you are a dentist, you can use images of teeth- healthy and unhealthy- to offer a visual impact.

Build an Image Archive
It is a great idea to have a folder of images to make use of for your small business. If there isn’t one already, get a decent camera. Experiment somewhat with lighting to discover what works best and take more than one picture of the same item in order to select the top one.

Put all of your organization-related photos in to a computer file in order that they are easy to access when you need to upload these phones your social media marketing.

Integrate Images to Social Sites
You may use your images in your website, blog and social networking updates. Pictures add visual interest to anything. Using them on social media marketing will get a greater portion of your followers’ attention.

The images that creates a great deal of interest have a lot more attention, especially on sites like Pinterest. Try using close-ups of your products, include images of your staff and your small business’s physical location. Pick a great image to make use of in your Facebook cover photo so that you can stand out.

Encourage Customer Images
People wish to share today. Encourage your fans and customers to submit their images that show them making use of your product, or anything else that is related to your business. You can host a photograph contest and advertise it using your social support systems.

You may also ask your fans to “pin” a common products from you on their own Pinterest boards. Come up with a unique hash tag for your business and get followers to use it when posting images on Instagram.

Source- https://wealthgenideas.com/4-ways-using-visual-content-in-social-media-to-get-more-customers/

13
Thanks sir for sharing valuable words

15
Good practice/great initiative and actually this is how we will be able to build awareness of Entrepreneurship

Pages: [1] 2 3 ... 39