Recent Posts

Pages: [1] 2 3 ... 10
1
অস্ট্রেলিয়ায় ফেসবুক-গুগলের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের সুপারিশ

ক্তিগত গোপনীয়তা থেকে সংবাদ প্রচার সর্বত্রই টেক জায়ান্টদের আধিপত্য বাড়ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের লাগাম টেনে ধরতে সোচ্চার বিভিন্ন দেশের আইনপ্রণেতারা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার অস্ট্রেলিয়ার অনলাইন বিজ্ঞাপন ও সংবাদ বাজারে ফেসবুক ও গুগলের আধিপত্য নিয়ন্ত্রণে একটি নতুন নিয়ন্ত্রক সংস্থা স্থাপনের সুপারিশ এসেছে। গতকাল অস্ট্রেলিয়ান কম্পিটিশন অ্যান্ড কনজিউমার কমিশনের (এসিসিসি) প্রাথমিক প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করা হয়। খবর রয়টার্স।

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিযোগিতা-বিষয়ক ওয়াচডগটির এ প্রতিবেদন সবার কাছেই আগ্রহের বিষয়। মিডিয়া পুনর্গঠনের বৃহৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এক বছর আগে দেশটির সরকার এসিসিসিকে এ প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দেয়। ওই সময়ে জানানো হয়, ২০১৯ সালের জুনে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়া যেতে পারে।

প্রাইভেট ইউজারদের তথ্যে পুলিশকে প্রবেশাধিকার দিতে টেক কোম্পানিগুলোকে বাধ্য করার বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আইন পাসের কিছুদিন পরই এ সুপারিশের কথা জানা গেল। এ আইন প্রণয়নের আরেকটি কারণ হলো, টেক জায়ান্টদের ব্যবসায়িক আচরণ এবং তথাকথিত ফেক নিউজ নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ।

সিডনিতে এসিসিসি চেয়ারম্যান রড সিমস সাংবাদিকদের বলেন, আপনি যখন একটি নির্দিষ্ট ধাপে উঠে আসবেন এবং বাজারে আপনার প্রভাব থাকবে, যা গুগল ও ফেসবুক উভয়েরই আছে, তখন বিশেষ দায়িত্ব পালন ও অতিরিক্ত নজরদারির প্রয়োজন হয়।

তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার ওয়েব সার্চ বাজারে গুগলের অংশীদারিত্ব ৯৪ শতাংশ। বাজারে বিরাট অংশীদারিত্ব ও বিজ্ঞাপনের ক্রম নির্ধারণে অস্বচ্ছ পদ্ধতির সুবাদে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপনদাতাদের ওপর তাদের ব্যবসাকে অগ্রাধিকার দেয়ার সুযোগ ও ক্ষমতা লাভ করে।

তিনি আরো বলেন, সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রেও গুগল ও ফেসবুকের প্রভাব বিশাল। প্রস্তাবিত নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ হবে সবসময় নজর রাখা এবং সক্রিয়ভাবে কিছু স্বচ্ছতা আনা। এসিসিসি টেক কোম্পানিগুলো কীভাবে বিজ্ঞাপন ও সংবাদের ক্রম সাজায়, তার অনুসন্ধানের ক্ষমতা নতুন নিয়ন্ত্রকের কাছে হস্তান্তরেরও প্রস্তাব দিয়েছে।

সিমস জানান, এ রিপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে তারা অস্ট্রেলিয়ায় ভোক্তা বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের সম্ভাব্য পাঁচটি তদন্তের বিষয়ে আগ্রহী হয়েছেন। তবে তিনি এর সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচয় প্রকাশ করেননি।

এসিসিসির সুপারিশের বিষয়ে পৃথক বিবৃতিতে ফেসবুক ও গুগল জানায়, তারা এসিসিসির সঙ্গে কাজ করা অব্যাহত রাখবে। এরই মধ্যে তারা ফেক নিউজের বিস্তার ঠেকাতে আরো পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, বিজ্ঞাপনদাতাদের সস্তা পদ্ধতিতে বিরাট শ্রোতার কাছে পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি ইউজারদের বৈশ্বিক সংবাদ প্রবেশাধিকার দেয়া হচ্ছে।

অনলাইন প্রতিযোগীদের চাপের মুখে থাকা নাইন এন্টারটেইনমেন্ট এবং নিউজ করপোরেশনের স্থানীয় শাখার মতো অস্ট্রেলিয়ার প্রথাগত মিডিয়া কোম্পানিগুলো পৃথক বিবৃতিতে এসিসিসির এ সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছে।

সিডনির মোনাশ ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মার্গারেট সিমন্স বলেন, এর মাধ্যমে টেক কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মধ্যে আনা যাবে।

Source: http://bonikbarta.net/bangla/news/2018-12-11/179767/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6/
2
Pharmacy / শীতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট
« Last post by farjana aovi on Yesterday at 11:18:45 AM »
শীত পড়তে শুরু করেছে। পরিবেশেও বেড়েছে ধুলাবালির পরিমাণ। এ সময় আবহাওয়াও শুষ্ক হয়ে পড়ে। সব মিলিয়ে শীতকালটা হাঁপানি রোগীদের জন্য বিপজ্জনক। এ সময় তাদের শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির টান প্রায়ই বেড়ে যেতে পারে। আকস্মিক হাঁপানি রোগীর শ্বাসকষ্ট অতিরিক্ত বেড়ে গেলে তাকে বলা হয় সিভিয়ার অ্যাকিউট অ্যাজমা। এ সময় অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হতে বাধ্য হয়। হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে প্রথমে কী করবেন?

প্রথমেই রোগীকে বিছানায় বা সোফায় সোজা করে বসিয়ে দিন। আশ্বস্ত করুন ও আতঙ্কিত হতে নিষেধ করুন।

হাঁপানি রোগীর বাড়িতে উপশমকারী সালবিউটামল বা সালবিউটামল-ইপরাট্রোপিয়ামযুক্ত ইনহেলার থাকে। স্পেসারের সাহায্যে ধীরে ধীরে পাঁচটি চাপ দিন। স্পেসার না থাকলে কাগজের ঠোঙার সাহায্য নিন।

স্পেসারের মধ্যে একবার ওষুধটি চাপ দিয়ে ফেলার পর তা থেকে পাঁচবার শ্বাস নিতে হবে। বড় বড় ও জোরে জোরে শ্বাস নিয়ে ওষুধটি বুকের ভেতর টেনে নিতে হবে, খেয়ে ফেললে চলবে না। বয়স্ক ও শিশুদের ভালো করে বুঝিয়ে বলে সাহায্য করুন।

কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে বলুন। তারপরও শ্বাসকষ্ট না কমলে আবার পাঁচটি চাপ নিন। এভাবে পাঁচবার নিতে পারেন। মানে মোট ২৫ চাপ।

কারও বাড়িতে বা নিকটে নেবুলাইজার যন্ত্র থাকলে ভালো। নরমাল স্যালাইনের সঙ্গে সালবিউটামল দ্রবণ মিলিয়ে কয়েক মিনিট নেবুলাইজার যন্ত্রের সাহায্যে শ্বাস নিন।
Source: Prothom Alo
3
আইটিইউর প্রতিবেদন : চলতি বছরেই বিশ্বের ৫১% মানুষ ইন্টারনেটের আওতায়
[/b][/size]

চলতি বছর শেষে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৫১ দশমিক ২ শতাংশ (৩৯০ কোটি মানুষ) ইন্টারনেট সেবার আওতায় আসবে। মোবাইল ইন্টারনেটের পরিসর বৃদ্ধি ও সাশ্রয়ী সেবার কারণে অনলাইন জনসংখ্যার এ অর্জন সম্ভব হতে যাচ্ছে। তবে বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সিংহভাগই হবে উন্নত দেশের নাগরিক। গত শুক্রবার জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে। খবর পিটিআই ও ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস।

আইটিইউর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৫ সালে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর ৫১ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবার আওতায় ছিল, যা চলতি বছর শেষে ৮০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছবে। অন্যদিকে ২০০৫ সালে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর ৭ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবার আওতায় ছিল, যা চলতি বছর শেষে ৪৫ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছবে।

স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের মতো ইন্টারনেট-সংশ্লিষ্ট মোবাইল ডিভাইসের কারণে অনলাইন জনসংখ্যা বাড়ছে দ্রুত। তবে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়লেও উন্নয়নশীল ও স্বল্প উন্নত দেশগুলোয় প্রত্যাশা অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়ছে না। এখনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বিবেচনায় উন্নত দেশগুলোর তুলনায় বহুলাংশে পিছিয়ে রয়েছে উন্নয়নশীল ও স্বল্প উন্নত দেশগুলো।

বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় ইন্টারনেট ব্যবহারে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলো। ২০০৫ সালে আফ্রিকা অঞ্চলের

মাত্র ২ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবার আওতায় ছিল, যা চলতি বছর শেষে ২৪ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছবে। আফ্রিকা অঞ্চলের দরিদ্র ও অত্যন্ত নাজুক দেশগুলোর নাগরিকরা ইন্টারনেট ব্যবহারে এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

আইটিইউর মহাসচিব হাউলিন ঝাউ বলেন, বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সেবা সহজলভ্য হয়েছে। এর সুবাদে চলতি বছরই বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি ইন্টারনেটের আওতায় আসতে যাচ্ছে, যা বৈশ্বিক ইনফরমেশন সোসাইটির জন্য দারুণ অর্জন।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী এখনো অনেক মানুষ ডিজিটাল অর্থনীতির সুফল থেকে বঞ্চিত রয়ে গেছে। বিশেষ করে আফ্রিকা অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবার বাইরে থাকা মানুষদের বড় একটি অংশ নারী। এছাড়া উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বল্প শিক্ষিত, দরিদ্র ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে এখনো ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ-সুবিধা পৌঁছায়নি।

২০২০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জনসংখ্যার ৬০ শতাংশকে অনলাইনের আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে জাতিসংঘ। এক্ষেত্রে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে এখনো অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে সংস্থাটি।

আইটিইউর তথ্যমতে, চলতি বছর শেষে বৈশ্বিক ফিক্সড-ব্রডব্যান্ড সংযোগ ১১০ কোটিতে পৌঁছবে। এছাড়া ফিক্সড-টেলিফোন সংযোগ ৯৪ কোটি ২০ লাখে পৌঁছবে। ২০০৭ সালে সক্রিয় মোবাইল-ব্রডব্যান্ড সাবস্ক্রিপশন পেনিট্রেশনের হার ছিল প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৪, যা চলতি বছর শেষে ৬৯ দশমিক ৩-এ পৌঁছবে। অন্যদিকে ২০০৭ সালে সক্রিয় মোবাইল-ব্রডব্যান্ড সাবস্ক্রিপশন ছিল ২৬ কোটি ৮০ লাখ, যা চলতি বছর ৫৩০ কোটিতে পৌঁছবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোয় চলতি বছর শেষে মোবাইল-ব্রডব্যান্ড পেনিট্রেশনের হার প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৬১তে পৌঁছবে।

আইটিইউর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশই মোবাইল সেলুলার নেটওয়ার্ক কাভারেজের মধ্যে বসবাস করছে। এছাড়া ৯০ শতাংশ মানুষ এখন থ্রিজি কিংবা তার চেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। চলতি বছর শেষে বিশ্বের ৬০ শতাংশ বাসাবাড়িতে ইন্টারনেটে প্রবেশের সুবিধা থাকবে। ২০০৫ সালে বিশ্বের মাত্র ২০ শতাংশ বাসাবাড়িতে ইন্টারনেটে প্রবেশের সুবিধা ছিল।

বলা হচ্ছে, মানুষ এখন অনলাইনে যায়, এটি বলা ঠিক হবে না। চলতি বছর অসংখ্য মানুষ অনলাইনে থেকেছেন। বরং তৃতীয় ও চতুর্থ প্রজন্মের দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক সেবা থ্রিজি ও ফোরজির সম্প্রসারণের কারণে বিশ্বব্যাপী বিপুলসংখ্যক মানুষ নতুন করে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়েছেন।

Source: http://bonikbarta.net/bangla/news/2018-12-10/179642/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%A8-:--%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%AB%E0%A7%A7--%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F/
5
Medical Laboratory Tech / Re: Dialysis
« Last post by Raisa on December 10, 2018, 01:31:26 PM »
 :)
9
Department of Entrepreneurship / Re: Innovators Under 35 2018
« Last post by Raisa on December 10, 2018, 01:13:30 PM »
 :) :)
Pages: [1] 2 3 ... 10