News:

Daffodil International University Forum contains information about Open Text material, which is only intended for the significant learning purposes of the university students, faculty, other members, and the knowledge seekers of the entire world and is hoped that the offerings will aide in the distribution of reliable information and data relating to the many areas of knowledge.

Main Menu

ইসলামী রীতি অনুযায়ী ঘরে প্রবেশের আদব

Started by shilpi1, June 08, 2013, 12:46:53 PM

Previous topic - Next topic

shilpi1

 ইসলাম যেমন চিরন্তন ধর্ম তেমনি সার্বজনীন ও পুর্ণাঙ্গ। মানবজীবনের প্রতি মুহূর্তের জন্য তার ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষা রয়েছে। আমরা সমাজবদ্ধ জীব। সামাজিক নিয়মে আমরা নির্দিষ্ট ঠিকানায় বসবাস করি। প্রতিদিন প্রয়োজনের তাগিদে নিজ ঠিকানা থেকে বেরিয়ে গেলেও দিনশেষে আবার ফিরে আসি আপন নীড়ে।


আমাদের এই দৈনন্দিন কাজটিকেও ইসলামী শিক্ষা মেনে সাজিয়ে তোলা যায়। নিচে ঘরে প্রবেশ করার কয়েকটি আদব তুলে ধরছি।


১। যখন ঘরে প্রবেশ করেন বা ঘর থেকে বের হন তখন দরজায় সজোরে ধাক্কা দেয়া থেকে বিরত থাকুন। জোরে ধাক্কা দিলেন আর দরজা আপনা আপনি (হয়তো সশব্দে) লেগে গেল এমন যেন না হয়। এটা ভদ্রতা নয়। ভদ্রতা হল নিজ হাতে কোমলভাবে দরজা মিলিয়ে দিন। মুসলিম শরীফের হাদীসে আছে, কোমলতা যে কোনো কাজকে সুসজ্জিত করে আর কোমলতাহীন যে কোনো কাজ হয় অসুন্দর।২। ঘরে প্রবেশ করে ইসলামী সম্ভাষণ জানান। বলুন, আসসালামু আলাইকুম (তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)। এই পবিত্র ইসলামী সম্ভাষণ বাদ দিয়ে 'গুড মর্নিং' বা 'সুপ্রভাত' ইত্যাদি বলবেন না। কারণ, সালাম ইসলাম ও মুসলমানদের একটি প্রতীক। স্বয়ং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই প্রতীক চয়ন করেছেন।


৩। ঘরে প্রবেশের আগেই ভেতরে যারা আছে তাদেরকে জানান; যেন হঠাত্ আপনাকে দেখে তারা ঘাবড়ে না যায়। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহ.) যখন মসজিদ থেকে ফিরতেন তখন দরজার বাইরে সজোরে পা ফেলতেন যাতে আওয়াজ শুনে তাঁর আগমন টের পাওয়া যায়।


৪। ঘরে যদি আপনার বাবা, মা বা ছেলে মেয়ে কারো পৃথক রুম থাকে তাহলে তাতে প্রবেশ করার আগেও অনুমতি নিন। সে হয়তো এমন পরিস্থিতিতে আছে যে অবস্থায় আপনি তাকে দেখতে চান না বা সে চায় না আপনি তাকে সেভাবে দেখেন।


৫। আপনার পরিচিত কারো বাসায় গেলেন; দরজায় কোমলভাবে শুধু এতটুকু আওয়াজ দিন যাতে বোঝা যায়, দরজায় কেউ এসেছে। অহেতুক তীব্র আওয়াজ করে অভদ্রতার পরিচয় দেবেন না। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহ.) এর কাছে একবার এক মহিলা এসে কিছুটা প্রবলভাবে কড়া নাড়ল। তিনি বলতে বলতে বেরুলেন, এ তো পুলিশের আওয়াজ। সাহাবায়ে কেরাম নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরজায় আওয়াজ দিতেন শুধু আঙ্গুলের মাথা সপর্শ করে।


৬। দরজায় আওয়াজ দিয়ে এতটুকু বিরতি দিন যাতে ঘরের মালিক কোনো কাজে ব্যস্ত থাকলে তা থেকে অবসর হতে পারে। অনেকে বলেছেন, দ্বিতীয়বার আওয়াজ দেয়ার আগে এতটুকু অপেক্ষা করবে যতটুকু সময়ে চার রাকায়াত নামাজ পড়া যায়। কারণ, হতে পারে সে চার রাকাতের নিয়ত করে মাত্র নামাজ শুরু করেছে।

R B Habib

দরজায় আওয়াজ দিয়ে এতটুকু বিরতি দিন যাতে ঘরের মালিক কোনো কাজে ব্যস্ত থাকলে তা থেকে অবসর হতে পারে। অনেকে বলেছেন, দ্বিতীয়বার আওয়াজ দেয়ার আগে এতটুকু অপেক্ষা করবে যতটুকু সময়ে চার রাকায়াত নামাজ পড়া যায়। কারণ, হতে পারে সে চার রাকাতের নিয়ত করে মাত্র নামাজ শুরু করেছে।

Learned. Thanks for sharing
Rabeya Binte Habib
Senior Lecturer,
Department of English
Faculty of Humanities and Social Sciences
Daffodil Int. University