• Welcome to Daffodil International University.
 

News:

Daffodil International University Forum contains information about Open Text material, which is only intended for the significant learning purposes of the university students, faculty, other members, and the knowledge seekers of the entire world and is hoped that the offerings will aide in the distribution of reliable information and data relating to the many areas of knowledge.

Main Menu

ভিনগ্রহের প্রাণী পৃথিবীতে!

Started by Alamgir240, September 25, 2013, 04:10:40 PM

Previous topic - Next topic

Alamgir240

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের কয়েকজন গবেষক দাবি করেছেন তাঁরা স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে বা পৃথিবীর ১৪ থেকে ১৭ মাইল উচ্চতার মধ্যে ভিনগ্রহের অণুজীবের (এলিয়েন) নমুনা সংগ্রহ করেছেন। বিজ্ঞানীরা ৩১ জুলাই এ দাবি করেছেন।

'কসমোলজি' সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধে যুক্তরাজ্যের এই গবেষকেরা দাবি করেছেন যে, তাঁদের পাঠানো বেলুন স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার থেকে 'ডায়াটম' নামের এক ধরনের ছত্রাকের নমুনা সংগ্রহ করেছে যা কেবল মাইক্রোস্কোপে দেখা যায়।

১৯ সেপ্টেম্বর পৃথিবী থেকে ১৭ মাইল উঁচুতে বড় আকারের জৈব কণার আবিষ্কারের গবেষণাপত্র লিখেছেন শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মিল্টন ওয়েনরাইট। তাঁর দাবি, পৃথিবী থেকে অনেক উঁচুতে ব্যাকটেরিয়ার মতো অণুজীব দেখা মিলতে পারে, যা ঝোড়ো মেঘের কারণে পৃথিবী থেকেও যেতে পারে। তবে বর্তমানে যে বড় আকারের জৈব উপাদানের খোঁজ পাওয়া গেছে তা কোনোভাবেই এতো উঁচুতে পৌঁছাতে পারার কথা নয়। তাঁরা বলেন, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাতের কারণেও অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে গত তিন বছরের মধ্যে বড় ধরনের অগ্ন্যুত্পাতের ঘটনাও ঘটেনি আর এ থেকে একটি সিদ্ধান্তে আসা যেতে পারে যে, মহাকাশে এ ধরনের অণুজীব তৈরি হওয়ার বিষয়টি অসম্ভব কিছু নয়।'

ওয়েনরাইট আরও দাবি করেছেন, মহাকাশ থেকেই পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভব ঘটেছে। 'ডায়াটম' নামের অণুজীবের যে নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে তা কোনো ধূমকেতু থেকে আসার সম্ভাবনা প্রবল।

কিন্তু প্রমাণ কই?

যুক্তরাজ্যের গবেষকেদের খোঁজ পাওয়া অণুজীবগবেষকেরা এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, কোনো বিস্ময়কর দাবি প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বিস্ময়কর প্রমাণও হাজির করার প্রয়োজন পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের সার্চ ফর এক্সট্রাটেরিস্ট্রিয়াল ইনটেলিজেন্স(এসইটিআই)-এর জ্যোতিবিদ সেথ সোস্টাক জানিয়েছেন, এ মহাবিশ্বের বিভিন্ন গ্রহে ধূমকেতুর মতো কোনো বস্তু থেকে জৈব কণিকা ছড়িয়ে পড়ছে এ ধারণাকে 'প্যানসপারমিয়া' বলে। ধারণাটি চমত্কার হলেও যুক্তরাজ্যের গবেষকেদের এ দাবির ক্ষেত্রে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ হাজির করতে হবে।

সেথ সোস্টাক স্পেস ডটকমকে আরও জানিয়েছেন, এর আগেও জ্যোতির্বিদদের অনেকেই মহাকাশে অণুজীব বা এলিয়েনের খোঁজ পাওয়ার দাবি করেছিলেন। অতীতের গবেষণার সঙ্গে নতুন দাবির মিল রয়েছে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের গবেষকেদের বেলুনের মাধ্যমে অণুজীবের সন্ধান পাওয়ার দাবিটির পক্ষেও যথেষ্ট প্রমাণ দেখাতে হবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষক ক্রিস ম্যাকেই জানিয়েছেন, 'যুক্তরাজ্যের গবেষকেদের দাবির সত্যতা থাকতে পারে। তবে, এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণের আবিষ্কারের শেষ সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে এ সংক্রান্ত বিস্ময়কর কিছু তথ্য-প্রমাণ দেখাতে হবে। সেই প্রমাণ হতে পারে অণুজীব তৈরির উপাদানের সঙ্গে পৃথিবীর প্রাণের উপাদানের মিল রয়েছে কিনা তা যাচাই করা।'

ওয়াশিংটন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডার্ক সুজ মেকাস জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের গবেষকেদের দাবি প্রতিষ্ঠিত করতে অবশ্যই অণুজীবের রাসায়নিক পরীক্ষা করতে হবে এবং পরীক্ষার ফল তাদের পক্ষে গেলেই ভিনগ্রহের প্রাণী খুঁজে পাওয়ার দাবি প্রতিষ্ঠিত হবে।

শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মিল্টন ওয়েনরাইট তাঁর আবিষ্কার নিয়ে এরমধ্যে নেমে পড়েছেন নানা বায়োলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষায়। পরীক্ষার ফল পেলেই একটি তথ্য হয়তো সবার জানা হয়ে যাবে যে, পৃথিবীতে এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণীদের রীতিমতো আসা-যাওয়ার চল রয়েছে; অথচ আমরা কেবল তাদের হন্যে হয়ে মহাকাশে খুঁজে বেড়িয়েছি এতদিন!

collected


nayeemfaruqui

Dr. A. Nayeem Faruqui
Assistant Professor, Department of Textile Engineering, DIU