• Welcome to Daffodil International University.
 

News:

Daffodil International University Forum contains information about Open Text material, which is only intended for the significant learning purposes of the university students, faculty, other members, and the knowledge seekers of the entire world and is hoped that the offerings will aide in the distribution of reliable information and data relating to the many areas of knowledge.

Main Menu

হ্যাটট্রিক করেই গোলের নতুন রেকর্ড মেসির

Started by Shakil Ahmad, October 20, 2016, 05:37:02 PM

Previous topic - Next topic

Shakil Ahmad

চোট থেকে  ফিরলেন অাগের ম্যাচে। গত ম্যাচের পুরোটা খেলেনওনি। কিন্তু ৫৭ মিনিটে মাঠে নামার দুই মিনিটের মধ্যে গোল করেই লিওনেল মেসি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, মাঠের বাইরে বসে থাকলে কী হবে, মরচে ধরেনি একটুও। আর কাল তো চোট থেকে ফেরার পর প্রথম পুরো ম্যাচ খেলার রাতে মেসি ম্যানচেস্টার সিটিকে নিয়েই খেললেন। বার্সার ৪-০ গোলের জয়ে তিন গোল করে গড়লেন চ্যাম্পিয়নস লিগে গোলের নতুন রেকর্ড।
আগের ম্যাচে স্প্যানিশ লিগে ঘরের মাঠে সবচেয়ে বেশি গোল করার অনেক পুরোনো রেকর্ডটা ভেঙেছেন। কিন্তু এবারের রেকর্ডটি নিয়ে মেসি গর্ব করবেন আরও বেশি। ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়নস লিগে গোলের ফিফটি হয়ে গেল মেসির। ভেঙে দিলেন রাউলের করা ৪৯ গোলের রেকর্ড। চ্যাম্পিয়নস লিগে সাতটি হ্যাটট্রিকও হয়ে গেল মেসির। অন্য কোনো খেলোয়াড় বাদ দিন। তাঁর চেয়ে বেশি হ্যাটট্রিক আছে কেবল রিয়াল মাদ্রিদের (৯টি)।
ইংলিশ দলগুলোর বিপক্ষে গত ৩ ম্যাচে ৬ গোল। সব মিলিয়ে গোল করলেন ১৬টি। অথচ একসময় বলা হতো, ইংলিশ ক্লাব ফুটবলে এত সহজে গোল পেতেন না মেসি। সেখানকার রক্ষণ নাকি ভাঙতেই পারতেন না! কাল তো ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলেন। নাচিয়ে ছাড়লেন। শিশুতোষ ভুল করতে বাধ্য করালেন সিটি রক্ষণকে!
চ্যাম্পিয়নস লিগের একই মৌসুমে জোড়া হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়লেন ভিন্ন দুটি মৌসুমে। ২০১১-১২ মৌসুমেও দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। এক মৌসুমে তিন হ্যাটট্রিক করা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ডও এখন হুমকির মুখে।
অথচ এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছেন চোটের কারণে। দুই ম্যাচেই দুটি হ্যাটট্রিক মেসির! সেল্টিকের পর এবার ম্যান সিটির বিপক্ষেও। ১৭, ৬১ ও ৬৯ মিনিটে হ্যাটট্রিক করেন মেসি। প্রথম দুটি গোল ছিল অনেকটাই একক প্রচেষ্টায়। প্রথমটি অবশ্য একেবারেই সিটি রক্ষণের ভুলে। ব্রাভোকে বোকা বানিয়ে। আর দ্বিতীয়টি বক্সের সীমান্তে ঝড়ের বেগে ঢুকে নিখুঁত শটে।
মেসির হ্যাটট্রিক পূর্ণের পুরো কৃতিত্ব অবশ্য লুইস সুয়ারেজের। ভুল পাসে লুইস সুয়ারেজের কাছে চলে আসে বল। সুয়ারেজ গোলে শট নেওয়ার চেষ্টা করতে পারতেন। তাঁর মতো গোলশিকারিরা তা-ই করেন। সুয়ারেজ নিজেও। কিন্তু হ্যাটট্রিকের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা মেসিকে বলটি বানিয়ে দেন। ক্যারিয়ারের ৩৭তম হ্যাটট্রিক করতে ভুল করেননি মেসিও।
মেসির গোল হয়তো হয়ে যেতে পারত চারটি। তাঁকে বেপরোয়াভাবে রুখতে পেনাল্টি দিয়ে দিয়েছিল সিটি। কিন্তু সেটি নিজে না দিয়ে মেসি নিতে দিয়েছেন নেইমারকে। কিন্তু বার্সা যেন ঠিক করেছে পেনাল্টিতে গোল করব না! নেইমারও পেনাল্টিতে গোল করা ভুলতে বসেছেন। অবশ্য ৮৯ মিনিটে নিজের দুর্দান্ত এক গোলে নেইমার সেটি পুষিয়ে দিয়েছেন।