• Welcome to Daffodil International University.
 

News:

Daffodil International University Forum contains information about Open Text material, which is only intended for the significant learning purposes of the university students, faculty, other members, and the knowledge seekers of the entire world and is hoped that the offerings will aide in the distribution of reliable information and data relating to the many areas of knowledge.

Main Menu

এক দশকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্র দ্বিগুণ

Started by maruppharm, November 18, 2013, 11:07:53 AM

Previous topic - Next topic

maruppharm

এক দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্র দ্বিগুণ হয়েছে। বর্তমানে সারা দেশে ৮০ লাখ ৭৫ হাজাার ৭০৪টি খানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে এসব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। ২০০৩ সালে এর সংখ্যা ছিল ৩৭ লাখ আট হাজার ১৪৪টি খানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।
অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩-এর প্রাথমিক ফলাফলে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই শুমারি পরিচালনা করেছে। উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৮৬, ২০০১ ও ২০০৩ সালে অর্থনৈতিক শুমারি হয়েছিল।
গতকাল রোববার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের প্রাথমিক ফলাফল বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আঞ্চলিক বৈষম্য এখনো বিদ্যমান। তবে আঞ্চলিক পর্যায়ে ব্যবসা ও শিল্পায়নে ভারসাম্যপূর্ণ অগ্রগতি হচ্ছে। দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চমাত্রার প্রবৃদ্ধি গ্রামীণ অর্থনীতিকে বিকশিত করেছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধিতে সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এ ছাড়া দেশের অর্থনীতি ক্রমশ প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে মত দেওয়া হয় এই শুমারিতে।
আগারগাঁওয়ের পরিসংখ্যান ভবনে অর্থনৈতিক শুমারির প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠান হয়। এতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, অন্য খাতগুলো এগিয়ে গেলেও তুলনামূলকভাবে শিল্পোৎপাদন খাত পিছিয়ে আছে। এই নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে।

প্রাথমিক ফলাফল
২০১৩ সালের অর্থনৈতিক শুমারিতে দেখা গেছে, এক দশকের ব্যবধানে অর্থনৈতিক ইউনিট বৃদ্ধির হার ১১৮ ভাগ।
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আঞ্চলিক বৈষম্যের চিত্র হিসেবে শুমারির ফলাফলে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ৩৭২টি খানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৭টি, রাজশাহীতে ১২ লাখ ১৭ হাজার ৬৩৩টি, রংপুরে ১০ লাখ ৮৮ হাজার ২৫৫টি, খুলনায় ১০ লাখ ৩৪ হাজার ৫৮১টি, বরিশালে তিন লাখ ৮৫ হাজার ২৩৩টি খানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। আর সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম তিন লাখ ৬৫ হাজার ৮৭৩টি খানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এ ছাড়া ব্যবসা ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ অগ্রগতি রয়েছে বলে শুমারির ফলাফলে বলা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ১৯৮৬ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বরাবরের মতো শীর্ষ স্থানে রয়েছে। তবে অন্য বিভাগগুলোয় অর্থনৈতিক ইউনিট বৃদ্ধির হার সমানুপাতিক হারে হয়েছে। বিগত তিন দশকে সব বিভাগেই প্রায় সমান ও ঊর্ধ্বগামী প্রবণতা বহাল রয়েছে।
প্রাথমিক ফলাফলে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে, প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের দিকে ধাবিত হচ্ছে। স্থায়ী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সময়ের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৮৬ সালে স্থায়ী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৯। আর ২০১৩ সালে এসে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ লাখ ৩৪ হাজার ৬১৬।
দেশে খানা বা পরিবারভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। ২০১৩ সালে খানাভিত্তিক অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ ৩৯ হাজার ৩৯৮টি। ২০০৩ সালে ছিল মাত্র তিন লাখ ৮১ হাজার ৫৫টি।
এ ছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে দরিদ্রপীড়িত রংপুর বিভাগে ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে। এ বিভাগে ১৯৮৬ সালে অর্থনৈতিক ইউনিট ছিল দুই লাখ আট হাজার ১৩৫টি, যা বেড়ে ২০১৩ সালে হয়েছে ১০ লাখ ৮৮ হাজার ২৫৫টি।

আলোচনা
অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির আয়তন বেড়েছে। অর্থনীতির অফুরন্ত সম্ভাবনার সঙ্গে বাস্তব অর্জনও অনেক। সেবা খাতে অনেক সম্প্রসারণ হয়েছে।
শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বলেন, 'আমরা এখন শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির দিকে ধাবিত হচ্ছি।'
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান বলেন, 'পরিসংখ্যান নিয়ে অনেক সময় আমরা ঝগড়া করি। কিন্তু আমাদের দেখা উচিত, পরিসংখ্যানের গতিধারা কেমন।'
পরিকল্পনামন্ত্রী এ কে খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান সৈয়দ আবদুস সামাদ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব নজিবুর রহমান, বিবিএস মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল ও প্রকল্প পরিচালক দিলদার হোসেন।
Md Al Faruk
Assistant Professor, Pharmacy