• Welcome to Daffodil International University.
 

News:

Daffodil International University Forum contains information about Open Text material, which is only intended for the significant learning purposes of the university students, faculty, other members, and the knowledge seekers of the entire world and is hoped that the offerings will aide in the distribution of reliable information and data relating to the many areas of knowledge.

Main Menu

পবিত্র জমজম কূপের পানি পান করবেন যেভাবে

Started by Md. Alamgir Hossan, July 25, 2017, 12:36:27 PM

Previous topic - Next topic

Md. Alamgir Hossan

জম জম কুপের পানি আল্লাহর রহমতস্বরুপ। শিশু হজরত ইসমাইল (আঃ) ও তাঁর মা'কে যখন আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আঃ ) নির্জন মরুভুমিতে পরিত্যাগ করেন। তখন তার পায়ের আঘাতে জমজম কুপের উৎপত্তি হয়।মা হাজেরা কুপের চারপাশে চারটি পাথর দিয়ে সিমানা দিয়ে দেন তা না হলে সারা পৃথিবীতে জমজম কুপ ছড়িয়ে পড়ত।

জমজম মুসলমানদের জন্য খোদার পক্ষ হতে বিশেষ নেয়ামত। পৃথিবীর আশ্চর্য জিনিসের অন্যতম। জমজম কুপের পানি চৌদ্দশত বছর ধরে প্রবাহমান। বিশ্বের এমন কোন কুপ নেই যেটা ধারাবাহিকভাবে বহু শতাব্দি ধরে পানি সরবরাহ করছে। জমজম কূপের উৎস কী তা আজোও কেউ আবিষ্কার করতে পারেনি। হয়তোবা জান্নাতের কোন উৎস থেকে হবে। কোরআন হাদীসে জমজমের উৎস সর্ম্পকে কোন বর্ণনা নেই।

তবে জমজমের পানি সুপেয়। জমজমের পানি পান করার পূর্বে দোয়া করলে সে দোআ কবুল হওয়ার কথা সহীহ হাদীসে বর্ণিত আছে। জমজমের পানি বরকতময় পানি। বিজ্ঞ ব্যক্তিদের অভিমত হল এ পানির গুনাগুণ নষ্ট হয় না দীর্ঘদিন পর্যন্ত। ধর্র্মপ্রাণ মুসলমানগন হজ্জ্বের সময় সৌদি থেকে নিজেদের সাথে এ বরকতময় পানি সঙ্গে নিয়ে আসেন। পৃথীবিতে এর চেয়ে পবিত্র এবং বিশুদ্ধ পানি আর হতে পারে না। এজন্য হাজী সাহেবানগন হজ্জের সময়গুলোতে জমজমের পানি পান করেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'জমজমের পানি যে যেই নিয়তে পান করবে, তার সেই নিয়ত পূরণ হবে। যদি তুমি এই পানি রোগমুক্তির জন্য পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমাকে আরোগ্য দান করবেন। যদি তুমি পিপাসা মেটানোর জন্য পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমার পিপাসা দূর করবেন। যদি তুমি ক্ষুধা দূর করার উদ্দেশ্যে তা পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমার ক্ষুধা দূর করে তৃপ্তি দান করবেন। এটি জিবরাইল (আ.)-এর পায়ের গোড়ালির আঘাতে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর পানীয় হিসেবে সৃষ্টি হয়েছে।' (ইবনে মাজাহ ও আল-আজরাকি)

জমজমের পানি পান করার পদ্ধতি: ফুক্বাহায়ে কিরাম জমজমের পানি কিবলা দিকে ফিরে দাঁড়িয়ে পান করা মুস্তাহাব বলেছেন। তবে একদল ফুক্বাহায়ে কিরাম দাঁড়িয়ে পান করাকে মুস্তাহাব বলেন না, বরং জায়েজ বলে থাকেন। {ফাতওয়ায়ে শামী-১/২৫৪-২৫৫)


ফাইল ছবি
হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি জমজমের পানি পান করার সময় নিম্নোক্ত দুআটি পড়তেন- اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا

وَاسِعًاوَشِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاء

অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি উপকারী ইলম, আর প্রশস্ত রিজিক এবং সর্ব প্রকার রোগ থেকে মুক্তি। {দুরারুল হুক্কাম ফি শরহী গুরারিল আহকাম-১/২৩২}

দুআটির বাংলা উচ্চারণ-আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা ইলমান নাফিআ, ওয়া রিজকান ওয়াসিআ, ওয়া শিফাআন মিন কুল্লি দা'ইন।

বিজ্ঞান প্রমান করে যে,জমজম কুপের পানি সর্ব উত্তম পানি:
(একজন ইঞ্জিনীয়ারের তথ্য থেকে- মাশারো ইমোটো)

এটাকে স্ফটিকায়ন করতে পারি নি, এমনকি পর্যন্ত পানিটি ১০০০ ভাগ পাতলা করার পরেও।
" অন্য কথায় তিনি ১ ঘন সেন্টিমিটিারকে ১ লিটারে রূপান্তর করেন। তিনি বলেন যে তিনি যখন পানিটি ১০০০ ভাগ পাতলা করেন এবং জমাটবদ্ধ করেন তিনি তখন একটি অনবদ্য আকারের স্ফটিক লাভ করেন। দুইটি স্ফটিক গঠিক হয় একটি অপরটির উপরে, কিন্তু এগুলি একটি অনন্য আকার গ্রহন করে। যখন তিনি তার মুসলিম সহকর্মীকে জিজ্ঞাসা করেন কেন দুটো স্ফটিক হলো তিনি তাকে বলেন যে যেহেতু জমজম দুইটি শব্দ দ্বারা গঠিত, "জম এবং জম"।

মাশারো ইমোটো বলেন, "আমার মুসলিম সহকর্মী পানির উপর কোরআনের আয়াত পাঠ করার প্রস্তাব দেয়"।
সে একটি টেপ রেকর্ডার নিয়ে আসে এবং কতগুলি কোরআনের আয়াত বাজায় এবং আমরা সবচাইতে নিখুত আকৃতির স্ফটিক লাভ করি। তার
পরে সে আল্লাহ (সর্বশক্তিমান) এর ৯৯টি নাম বাজায়। প্রতিটি নাম একটি অনবদ্ধ আকারের স্ফটিক তৈরি করে।

যখন ডাক্তার ইমোটো এইসব পরীক্ষা সম্পন্ন করেন যা ১৫ বছর স্থায়ী হয়েছিল তিনি একটি ৫ খন্ডের বই নির্মান করেন যার নাম হচ্ছে "পানির থেকে বার্তা"।

তিনি লেখেন, "আমি প্রমান করেছি যে পানি, ঐ বিশেষ তরলটি চিন্তা করার, মাপার, বোধ করার, উত্তেজিত হওয়ার এবং নিজেকে প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখে"। ডাক্তার মাশারো ইমোটো নিম্নোক্তভাবে লিখেছেন, জমজম পানির গুণ/বিশুদ্ধতা এই পৃথিবীর অন্য কোথাও পানিতে এর যে গুণ আছে তা পাওয়া যাবে না।
তিনি নানো নামের প্রযুক্তি ব্যবহার করেন, এবং জমজম পানির উপর প্রচুর গবেষনা করেন এবং দেখতে পান যে যদি জমজম পানির ফোটা নিয়মিত পানির ১০০০ ফোটাতেও মিশ্রিত হয় তবুও নিয়মিত পানি জমজম পানির মত সমান গুণ লাভ করবে। তিনি আরো দেখতে পান যে জমজম পানির এক ফোটাতে একটি খনিজ পদার্থের এর নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে যা এই পৃথিবীর অন্যকোন পানিতে পাওয়া যাবে না। তিনি কিছু পরীক্ষাতে দেখতে পান যে জমজম পানির গুণ বা উপকরণ পরিবর্তন করা যায় না, কেন, বিজ্ঞান এর কারণ জানে না। তিনি এমনকি পর্যন্ত জমজম পানির পুন-প্রক্রিয়াজাত করেন, কিন্তু কোন পরিবর্তন হয় নি, এটা বিশুদ্ধ ছিল।

এই বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন যে মুসলমানেরা খাওয়া বা পান করার আগে বিসমিল্লাহ বলে। তিনি বলেন যে নিয়মিত পানিতে বিসমিল্লাহ বলা হলে এর ফলে নিয়মিত পানির গুণে কতগুলি অদ্ভুত পরিবর্তন ঘটে।
এর ফলে এটা সবোর্ত্তম পানি হয়।

তিনি আরো দেখতে পান যে যদি নিয়মিত পানির উপর কোরআন পাঠ করা হয় তা হলে এটা বিভিন্ন ব্যাধি চিকিৎসার জন্য ক্ষমতা লাভ করে। সুবহানাল্লাহ! নিশ্চয় আল্লাহর এটা একটি কুদরত। জমজম পানি পর্যায় ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ১০.৬ ফুট নিচে এটা আল্লাহর কুদরত যে জমজম ক্রমাগত প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার হারে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় ধরে পাম্প করা হয় তখন পানির পর্যায় ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৪৪ ফুট নিচে নেমে যায়, কিন্তু যখন পাম্প করা বন্ধ করা হয় তখন পর্যায় দ্রুত ১১ মিনিট পরে আবার ১৩ ফুট উচ্চতায় ফিরে আসে। প্রতি সেকেন্ড ৮০০০ লিটার অর্থ হল ৮০০০ x ৬০ = ৪,৮০,০০০ লিটার প্রতি মিনিটে, প্রতি মিনিটে ৪,৮০,০০০ লিটারের অর্থ হল ৪,৮০,০০০ x ৬০ = ২৮.৮ মিলিয়ন লিটার প্রতি ঘন্টায় এবং প্রতি ঘন্টায় ২৮.৮ মিলিয়ন লিটার মানে হচ্ছে ২৮৮০০০০০ x ২৪ = ৬৯১.২ মিলিয়ন লিটার প্রতি দিনে।

তাই তারা ২৪ ঘন্টায় ৬৯০ মিলিয়ন লিটার জমজম পানি পাম্প করে, কিন্তু এটা কেবলমাত্র ১১ মিনিটে আবার পূর্ণ হয়।
এখানে দুইটা কুদরত আছে:
★প্রথমটি হলো জমজম দ্রুত পুনর্ভর্তি হয় এবং
★দ্বিতীয় হলো আল্লাহ অসামান্য শক্তিশালী একুফার ধারণ করেন যা কুপের বাইরে কোন অতিরিক্ত জমজম পানি নিক্ষেপ করে না। অন্যথায় পৃথিবী ডুবে যেত।
আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন যে, "আমরা তাড়াতাড়ি তাদেরকে বিশ্ব ভ্রমান্ডে আমাদের চিহ্ন দেখাব এবং তাদের নিজস্ব আত্মায় আমাদের চিহ্ন দেখাব, যতক্ষণ না পর্যন্ত এটা তাদের কাছে পরিষ্কার হয় যে এটা হচ্ছে সত্য। এটাকি আপনার প্রভু সম্পর্কে যথেষ্ট না যে তিনি সকল জিনিসের উপরে একজন স্বাক্ষী?



Raisa

:)