• Welcome to Daffodil International University.
 

News:

Daffodil International University Forum contains information about Open Text material, which is only intended for the significant learning purposes of the university students, faculty, other members, and the knowledge seekers of the entire world and is hoped that the offerings will aide in the distribution of reliable information and data relating to the many areas of knowledge.

Main Menu

ফাস্টফুডের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণের আহ্বান

Started by mamun.113, September 29, 2014, 03:43:24 PM

Previous topic - Next topic

mamun.113

হৃদযন্ত্রের অনুকূল পরিবেশ গড়তে টিভি ও রেডিওতে ফাস্টফুডের বিজ্ঞাপন প্রচারে নিয়ন্ত্রণ ও অস্বাস্থ্যকর খাবারে উচ্চহারে কর আরোপের আহ্বান জানিয়েছে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন রিসার্চ ইনস্টিটিউট।
আজ সোমবার বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে হার্ট ফাউন্ডেশনে আয়োজিত সেমিনারে এই আহ্বান জানানো হয়।
এ বছর বিশ্ব হার্ট দিবসের মূল প্রতিপাদ্য 'হার্টবান্ধব পরিবেশ গড়ুন, সুস্থভাবে বাঁচুন'।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় অধ্যাপক ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল মালিক। আলোচকেরা বলেন, হৃদযন্ত্রের অনুকূল পরিবেশ গড়ার কাজ পরিবার থেকে শুরু করতে হবে।
জাতীয় অধ্যাপক আব্দুল মালিক জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সরকারিভাবে দিবসটি পালনের পরামর্শ দেন।
মূল প্রবন্ধে ফাউন্ডেশনের শিক্ষক সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৫২ শতাংশেরও বেশি ঘটছে অসংক্রামক ব্যাধি থেকে। অসংক্রামক ব্যাধিগুলোর মধ্যে আবার শীর্ষে রয়েছে হৃদরোগ। হৃদরোগকে খাদ্যবাহিত রোগ বলা হয়। টিভি ও রেডিতে ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের বিজ্ঞাপন প্রচার নিয়ন্ত্রণ করা, স্বাস্থ্যকর খাবারে উচ্চহারে কর আরোপ এবং স্থানীয়ভাবে ফলমূল ও শাকসবজি উৎপাদনে সহযোগিতা করায় নীতিনির্ধারকদের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ ছাড়া তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন ও হৃদরোগের চিকিৎসা সহজলভ্য ও সুলভ করার আহ্বান জানান তিনি।
সেমিনারে প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ব্যস্ততার কারণে স্বাস্থ্যকর নয় জেনেও অনেক অভিভাবককেই ফাস্টফুড বা তেল-চর্বিযুক্ত খাবার টিফিন হিসেবে দিতে হচ্ছে। স্কুল থেকে স্বাস্থ্যসম্মত টিফিন দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, দুশ্চিন্তা ও অত্যধিক মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই পরিবার ও সমাজে সবার সঙ্গে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের মহাসচিব খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী বলেন, ঢাকার বেশির ভাগ মানুষ হয় রেলের বস্তিতে থাকছেন, নয়তো দালানকোঠার বস্তিতে। এর মধ্যেই ভালো থাকার চেষ্টা করতে হবে। ছাদে বাগান করা যেতে পারে, বার্গারের বদলে ভেজিটেবল রোল খাওয়া যেতে পারে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম স্থূলতা এড়াতে নিয়মিত হাঁটার পরামর্শ দেন। মনে রাখার জন্য সব পুরুষকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরোক্ষ ধূমপানে গর্ভস্থ শিশুর মারাত্মক ক্ষতি হয়। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জানান আরেক সহসভাপতি আর কে খন্দকার।
বিশ্বে প্রতিবছর এক কোটি ৭৩ লাখ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ২০৩০ সাল নাগাদ এই সংখ্যা দুই কোটি ৩০ লাখে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ধারণা করছে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের ৮০ ভাগই হবেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ।