Scientists at Scripps Research Institute discover how 2 proteins help keep cells

Author Topic: Scientists at Scripps Research Institute discover how 2 proteins help keep cells  (Read 4059 times)

Offline tamim_saif

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 357
  • Test
    • View Profile
New study shows how climate change could affect entire forest ecosystems
« Reply #15 on: November 29, 2012, 12:29:23 PM »
Published: November 2012 - in Earth & Climate

Droplets caused by fog collect on the needles of this Bishop pine tree on Santa Cruz Island.
Fog rolls in through a valley on Santa Cruz Island, reaching a forest of Bishop pine trees.
Mariah Carbone works on equipment used in the study of the microclimate where a Bishop pine forest is located on Santa Cruz Island. The large containers are automated soil respiration chambers, and the four small white pipes are soil carbon dioxide sensors. They allow the researchers to determine how much carbon dioxide is being produced in the soil -- by plants and microbes -- and put into the atmosphere.
The fog comes in, and a drop of water forms on a pine needle, rolls down the needle, and falls to the forest floor. The process is repeated over and over, on each pine needle of every tree in a forest of Bishop pines on Santa Cruz Island, off the coast of Santa Barbara. That fog drip helps the entire forest ecosystem stay alive. Thousands of years ago, in cooler and wetter times, Bishop pine trees are thought to have proliferated along the West Coast of the U.S. and Mexico. Now, stratus clouds -- the low-altitude clouds known locally as "June gloom" -- help keep the trees growing on Santa Cruz Island, Santa Rosa Island, and on one island off Baja California. Other than these locations, Bishop pine trees grow only farther north in California where it is cooler and wetter.

Offline tamim_saif

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 357
  • Test
    • View Profile
Scientists Design a Revolutionary Data Storage Device
« Reply #16 on: November 29, 2012, 12:53:48 PM »
The University of Granada researchers Noel Rodriguez (left) and Francisco Gamiz (right), with a CEA-LETI-based memory composed of A2RAM memory cells. (Credit: Image courtesy of University of Granada)



ScienceDaily (Nov. 2012) — University of Granada researchers have developed a revolutionary data storage device in collaboration with the CEA-LETI lab at Grenoble (France), an institution of the Campus of International Excellence CEI BioTic.

The researchers at the University of Granada Nanoelectronics Lab Noel Rodríguez and Francisco Gámiz have designed an Advanced Random Access Memory (A-RAM). The researchers developed the theoretical model of this new technology in 2009.

The results of experimental validation have been published in the journal IEEE Electron Device Letters and were recently presented in the International Silicon on Insulator Technology Conference in San Francisco, USA.

In the wake of the new devices and microprocessors developed by Intel (Ivy Bridge), UGR scientists are investigating alternative 3D A2RAM-based memories such as FinFET-ARAM and Trigate-ARAM patented in France and presented in the International Memory Workshop in May 2012 in Milan, Italy.




mahbub-web

  • Guest
How to build facebook like on your page
« Reply #17 on: November 29, 2012, 05:59:01 PM »
ফেসবুক ফেন পেজের লাইক বাড়িয়ে নিন তাও আবার ফ্রি !!


ফেসবুকে ঢুকলেই শুধু পেজের বিজ্ঞাপন আর বিজ্ঞাপন ! বিজ্ঞাপন দেখতে দেখতে মাথা গরম হয়ে যাবার দশা তাই বসে পরলাম এতো বিজ্ঞাপন না দিয়ে কিভাবে আপনি আপনার পেজের মেম্বার বা লাইক বারাবেন সে সম্পর্কে লিখতে । ফেসবুকে আপনার পেজের মেম্বার যত বেশি, আপনি প্রতিদিন ততো বেশী লাইক পেতে থাকবেন । অর্থাৎ সকলের আকর্শন হল বড় বড় পেজ গুলোর প্রতি । সবাই ই কোন পেজে জয়েন করার আগে দেখে নেয় পেজের মেম্বার কত ? যদি বেশী না হয় তাহলে ওই পেজে কেও লাইক করতে আগ্রহী নয় । কারন যত মেম্বার বেশী ততো ফান ততো এক্টিভ পেজ ।
তাই পেজের মেম্বার বা লাইক এর পরিমান বারাতে হলে আপনাকে অন্তত ১,০০০ এর কোঠা ছারাতে হবে । ১,০০০ মেম্বার হয়ে গেলে দেখবেন অন্যান্য পেজের এডমিন রাও আপনার সাথে প্রমোট এক্সচেঞ্জ করতে আগ্রহী হচ্ছে । এবং মেম্বার রাও নির্দিধায় লাইক দিচ্ছে আপনার পেজে। তাই আপনার ছোট বা বড় পেজটিতে প্রতিদিন ২০-১০০ টি বা এর ও বেশী লাইক পেতে সাহায্য করবে "ফেনস্লেভ" নামক একটি সাইট। এরা আপনার পেজের বিজ্ঞাপন দিবে এবং আপনাকে কিছু পেজ লাইক করতে বলবে । আপনি ওদের পেজ গুলো লাইক করলেই পয়েন্ট পাবেন এবং ক্রেডিটও পাবেন । ওই পয়েন্ট বা ক্রেডিট গুলোর বিনিময়ে সকলে আপনার পেজ লাইক করবে । অর্থাৎ গিভ এন্ড টেক বা এক্সচেঞ্জ । আপনি কিছুখন পর পর ওদের পেজ লাইক করে পয়েন্ট বারাবেন আবার ওই পয়েন্টের বিনিময়েন অন্যরা আপনার পেজে লাইক দিতে থাকবে ।
আর হা আপনি ইচ্ছা করলে আপনার এই ক্রেডিট পেজের লাইক এর বিনিময়ে খরচ না করে পে-পাল বা মানি বুকারস এর মাদ্ধমে কেশ আওট করতে পারবেন । যাই হোক এখন কাজের কথায় আসি, চলুন শুরু করা যাক । প্রথমে এখানে ক্লিক করে প্রবেশ করুন। তারপর নিচের ছবিটির মতো "Join Now!" ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করুন ।


রেজিস্ট্রেশন করা হলে আপনার ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন । লগিন করার পর নিচের ছবিটির মতো Connect ক্লিক করুন ।
তাহলে এটি আপনার ফেসবুক একাওন্টের সাথে যুক্ত হবে ।
 

কানেক্ট ক্লিক করার পর যদি আপনার ফেসবুক একাউন্টে সিকিউর ব্রাউজ়িং চালু থাকে তাহলে সিকিউর ব্রাউজিং বন্ধ করার কথা জিজ্ঞেস করবে ওটাতে Continue ক্লিক করে প্রবেশ করুন । তারপর ওদের এপ্লিকেশনটি এলাউ করুন । তারপর কানেক্ট হয়ে গেলে উইন্ডো ক্লোজ করতে বলবে তখন ক্লোজ ক্লিক করে ক্লোজ করে দিবেন ।
এখন হল আসল কাজ । নিচের ছবিটি দেখুন এখানে যেভাবে ১,২,৩ ক্রমানুসারে দেখানো হয়েছে ওইভাবেই আপনি কাজ করুন । আর Add New Fanpage এর উপরে এডিট অপশন পাবেন ওখান থেকে আপনি আপনার পেজের মেম্বার কোন দেশের হতে হবে, সর্বনিম্ন কতজন ফ্রেন্ড সম্বলিত প্রফাইল হতে হবে, বয়স, বা প্রতিদিন কতজন মেম্বের জয়েন করতে পারবে ইত্যাদি এডিট করতে পার


আশা করি আপনারা উপক্রিত হবেন । আপনাদের সামান্য পরিমান উপকারে আসলেই টিউন টি করা সার্থক হবে । কেও যদি না বুঝে থাকেন তাহলে কমেন্টে জানাবেন । আর টিউনে কোথাও কোন ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকলে ক্ষমার চোখে দেখবেন । ধন্যবাদ সবাইকে ।
« Last Edit: December 22, 2012, 10:30:40 AM by mahbub-web »

Offline TOFAZZAL

  • Newbie
  • *
  • Posts: 34
  • Still i am running
    • View Profile
    • http://tofazzal25.blogspot.com
Application form for the Digital World 2012
« Reply #18 on: November 29, 2012, 07:16:45 PM »
বর্তমানে দেশে মুক্তপেশাজীবীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত। oDesk, Freelancer.com, Elance ইত্যাদি মার্কেট প্লেসে বাংলাদেশের রেজিস্ট্রার্ড ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। এদের সম্পর্ক নানান বিষয় নিয়ে একটি অনলাইন জরিপের উদ্যোগ নিয়েছে
Digital World ২০১২। 

আপনি যদি ফ্রীল্যান্সার হয়ে থাকেন তবে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে এই জরিপে অংশগ্রহন করতে পারেন।

Conference Application form :http://www.digitalworld.org.bd/application-for-digital-entrepreneur-conference/
« Last Edit: December 02, 2012, 12:47:52 PM by Badshah Mamun »

Offline nature

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 912
  • I love my University
    • View Profile
Re: Some highest International Bridge............
« Reply #19 on: November 29, 2012, 10:18:42 PM »
7.Balinghe River Bridge. Guanling, Guizhou, China.
Description: 1,214 feet high / 370 meters high
3,570 foot span / 1,088 meter span.2009



With a height of 1,214 feet (370 mtrs) from deck to water, the Balinghe River bridge is the second highest bridge in China and the 3rd highest road bridge in the world. Located near the town of Guanling about a third of the way along the 300 mile (483 km) Guiyang to Kunming Highway in China’s mountainous Guizhou Province, Balinghe is one of two super high suspension bridges along the 4-lane route.

Of the world’s 300 or so highest bridges, Balinghe is unique for having the 2nd longest span length with a distance between towers of 3,570 feet (1088 mtrs) - nearly as long as the Golden Gate bridge! The gap is so great the bridge appears to be floating among the clouds as it connects two mountain ranges. Balinghe is one of 4 high Chinese suspension bridges with extremely long spans. The other three being the Siduhe, Aizhai and Beipanjiang 2009 highway bridges. Prior to these spans, the longest bridge of any notable height was the New River Gorge bridge in West Virginia with an arch span of 1,700 feet (518 mtrs). In 2012 the world's longest span high level bridge record will go to China's Aizhai Bridge with a span of 3,858 feet (1,176 mtrs).

8.Millau Viaduct, Millau, Midi-Pyrénées, France
Description: 909 feet high / 277 meters high
1,122 foot span / 342 meter span,2004



No other high bridge in history caught the eye of the media more than the opening of the Millau Viaduct in 2004. Comprised of 8 consecutive cable stayed spans totaling 8,100 feet (2460 mtrs), the viaduct is the tallest bridge structure in the world with a pier and mast rising a lofty 1,100 feet (335 mtrs) above the ground. With a roadway 909 feet (277 mtrs) above the Tarn River, it is also the highest cable stayed bridge in the world, a record it will retain until 2012 when Mexico’s Baluarte bridge opens. Despite being the highest bridge in Europe, the massive structure ranks only 13th among all high bridges of the world. The bridge has rightfully been described as beautiful, breathtaking, spectacular and awe-inspiring.

Located near the southern end of France, the bridge was the last major connection on the A75 motorway, a 4-lane highway that has been under construction in one form or another since 1975. Several routes were proposed that would have put the Tarn River crossing either east or west of the small town of Millau.
Name: Md. Faruque Hossain
ID: 142-14-1436
Department of MBA
Daffodil International  University
Email:faruque_1362@diu.edu.bd

Offline Md. Khairul Bashar

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 203
  • Test
    • View Profile
পৃথিবীর মানচিত্রে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে স্যান্ডি নামের ছোট্ট একটি দ্বীপ আছে। গুগল আর্থ বা গুগল মানচিত্রেও দ্বীপটির উপস্থিতি পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে ওই দ্বীপটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার একদল বিজ্ঞানী।

অস্ট্রেলিয়ার হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভিস বলেছে, কিছু কিছু বৈজ্ঞানিক মানচিত্রে ও গুগল আর্থে ভুল করে দ্বীপটিকে দেখানো হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে এই ভুলের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এই রকম কোনো দ্বীপ নেই।

তবে গুগলের এক মুখপাত্র বলেছেন, পৃথিবীর উপরিভাগ প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। এর ফলেই হয়তো দ্বীপটি অদৃশ্য হয়ে গেছে।গুগল মানচিত্রে দেখা যায়, স্যান্ডি দ্বীপটির অবস্থান অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সশাসিত নিউ কেলেদোনিয়ার মাঝামাঝি।স্যান্ডি দ্বীপের খোঁজে সম্প্রতি সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা অভিযান চালায়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা ওই এলাকায় গিয়ে দেখতে পান প্রবাল সাগরের নীল জলরাশি। সেখানে দ্বীপের টিকিটিও নেই। বিজ্ঞানী মারিয়া সেতন বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ২৫ দিন ধরে দ্বীপটির তালাশ করি। ভেবেছিলাম মাটির দেখা পাব। কিন্তু সেখানে পাওয়া গেল চার হাজার ৬২০ ফুট গভীর সাগর।’

সেতন আরও বলেন, ‘গুগল আর্থ ও অন্যান্য মানচিত্রে দ্বীপটির অস্তিত্ব আছে। আমরা সরেজমিনে দ্বীপটি দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাশ হই। তবে আমরা হাল ছেড়ে দিইনি। দ্বীপটির খোঁজে আমরা আরও অনুসন্ধান চালাব। মানচিত্রে দ্বীপটির অস্তিত্ব থাকার রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা অব্যাহত রাখা হবে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে গুগলের একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘আমরা মানচিত্র তৈরির সময় সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি।’
ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, পৃথিবীর উপরিভাগ প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। এর ফলেই হয়তো দ্বীপটি অদৃশ্য হয়ে গেছে।’


সূত্রঃ বিবিসি

Offline Md. Khairul Bashar

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 203
  • Test
    • View Profile
Jam causes Autism
« Reply #21 on: December 02, 2012, 12:41:28 PM »
যানজটের সঙ্গে অটিজমের সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনা খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গর্ভাবস্থা থেকে শিশুর এক বছর বয়স পর্যন্ত সময়ে বাস, ট্রাকের ধোঁয়ার দূষণ থেকে অটিজমের ঝুঁকি বাড়ায়।অটিজমের সঙ্গে দূষণের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণাটি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একদল গবেষক। এ-সংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধটি গত সোমবার প্রকাশিত হয়েছে আর্কাইভস অব জেনারেল সাইকিয়েট্রি জার্নালে।

পাঁচ শতাধিক শিশুর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকেরা বলছেন, উচ্চ দূষণের এলাকায় বাড়ন্ত শিশুদের অটিজমের ঝুঁকি দূষণমুক্ত এলাকার চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষাবিষয়ক সংস্থা ইউএস এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সির তথ্য ব্যবহার করে গবেষণাটি করা হয়। অটিজমের ঝুঁকি পরিমাপের জন্য গবেষকেরা শিশুদের দুটি দলে ভাগ করেন। এতে দেখা গেছে, অতিরিক্ত দূষণের কারণে অটিজমের হার প্রায় তিন গুণ বেশি। এই দূষণের কারণে স্নায়ুর ওপর ক্ষতিকর প্রভাবের ফলেই এমনটি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অটিজমের এই বাড়তি ঝুঁকির কারণ হিসেবে বাস ও ট্রাকের ইঞ্জিন-নির্গত ক্ষতিকর ধোঁয়াকে দায়ী করা হয়েছে। কিন্তু আক্রান্ত শিশুদের বসতবাড়িতে দূষণের বিষয়ে গবেষণা চালানো হয়নি। এমনকি পরোক্ষ ধূমপানের প্রভাবকেও বিবেচনা করেননি গবেষকেরা। ২০০৬ সালের তুলনায় ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অটিজমের হার বেড়েছে প্রায় ২৩%। তবে অনেক গবেষকই এই গবেষণা ফলাফলের সঙ্গে একমত হতে নারাজ বিবিসি, ব্লুমবার্গ।


সূত্রঃ http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-11-28/news/308908
« Last Edit: December 31, 2012, 08:37:20 PM by Badshah Mamun »

Offline arefin

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1173
  • Associate Professor, Dept. of ETE, FE
    • View Profile
Telitalk receiever number is 660 cror in world
« Reply #22 on: December 02, 2012, 07:37:05 PM »


বিশ্বপ্রযুক্তির চেহারা যেমন দ্রুতই পরিবর্তন হচ্ছে। ঠিক এর বিপরীতে বাড়ছে বাণিজ্যিক অস্থিরতা। এতে ২০১২ সালের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৌঁছবে ৬৬০ কোটিতে। তাই টেলিকম শিল্পের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার শিল্পে সুস্থ মানোন্নয়নের ধারা অব্যাহত না থাকলে এ শিল্প ক্রমেই ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাবে। টেলিকম বিশেষজ্ঞেরা এমনই ধারণা দিয়েছেন।

এ ধারায় স্যামসাং আবারও নতুন করে পেটেন্ট মামলায় অভিযুক্ত হয়েছে। দাবি তুলেছে আরেক খ্যাতনামা সুইডিশ মোবাইল ফোন নির্মাতা এরিকসন। সংবাদমাধ্যম সূত্র এ দিয়েছে।

গত দুবছর ধরে চলে আসা বিতর্কের নিস্পতিত্ত না হওয়ায় অবশেষে এরিকসন মামলায় স্যামসাংকে অভিযুক্ত করেছে। এ নিয়ে স্যামসাং আবারও পেটেন্ট ঝামেলায় জরিয়ে পড়ল।

প্রসঙ্গত, বাণিজ্যিক সুসম্পর্ক এবং ব্যবসা প্রসারে এ দু শীর্ষ নির্মাতা ২০০১ সালে পেটেন্ট নিয়ে সমঝোতা চুক্তি সই করে। এ চুক্তি ২০০৭ সাল পর্যন্ত টেকসই হয়। কিন্তু এরপরই ফ্রেন্ডস শর্তে পেটেন্ট মামলা নিয়ে দু প্রতিষ্ঠানের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়।   

এদিকে ফ্রান্ড (ফেয়ার, রিজনেবল অ্যান্ড নন-ডিসক্রিমিরটরি) শর্তের অধীনে শিল্প রক্ষার কোনো ধরনের বৈধ সমঝোতা না হওয়ার অবশেসে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সম্পর্কে ফাটল ধরে। এরই মধ্যে মামলা গড়িয়েছে আদালতে। বাণিজ্যিক সুসস্পর্ক এবং ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় এ দুটি প্রতিষ্ঠান যে সমঝোতা অব্যাহত রেখেছিল তা শেষ পর্যন্ত ভেস্তেই গেল।

স্যামসাংয়ের সঙ্গে পেটেন্ট মামলায় কোনো সমঝোতায় না পৌঁছতে পেরে আইনের দারস্থ হয় এরিকসন। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস জেলা আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।

অবয়ব এবং টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের কারিগরি মানোন্নয়নে আন্তঃচুক্তি থেকে এখন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে স্যামসাং আর এরিকসন। প্রসঙ্গত, এ মুহূর্তে অভিযোগকারী সুইডিশ নির্মাতা এরিকসনের ১০০টি বৈধ বাণিজ্যিক চুক্তির নিয়মে কাজ করছে। এ ছাড়াও আছে ৩০ হাজার পেটেন্টের মালিকানা।
« Last Edit: December 10, 2012, 02:28:40 PM by Badshah Mamun »
“Allahumma inni as'aluka 'Ilman naafi'an, wa rizqan tayyiban, wa 'amalan mutaqabbalan”

O Allah! I ask You for knowledge that is of benefit, a good provision and deeds that will be accepted. [Ibne Majah & Others]
.............................
Taslim Arefin
Assistant Professor
Dept. of ETE, FE
DIU

Offline fernaz

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 185
  • Test
    • View Profile
21 years of SMS Text message system
« Reply #23 on: December 03, 2012, 08:55:57 AM »

আজ ৩ ডিসেম্বর ২১ বছরে পা দিল সারা বিশ্বে দ্রুত বর্ধনশীল প্রযুক্তি শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস)। বিশ্ব জুড়েই চিঠি-পত্রের বিকল্প হিসেবে ব্যাপক কদর রয়েছে এসএমএস-এর। প্রথম জিএসএম প্রযুক্তির মোবাইল ফোন বিক্রির জন্য অনুমোদিত হয় ১৯৯২ সালের ৩ ডিসেম্বর। জিএসএম প্রযুক্তি তৈরির সময়ই এসএমএস-এর ধারণার উদ্ভব এবং টেলিফোন সিগনালের মধ্য দিয়ে বার্তা পাঠানোর জন্য প্রযুক্তিটি তৈরি হয়।
পিসি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, প্রতি বছর সারা পৃথিবীতে ৭ ট্রিলিয়ন টেক্স মেসেজ আদান-প্রদান করা হয়। তার মানে প্রতি সেকেন্ডে ২ লাখ এসএমএস আদান-প্রদান করছে সারা পৃথিবীর মানুষ।

এই মুহূর্তে বিশ্ব জুড়ে ৬ শত কোটি মানুষ সেল ফোন ব্যবহার করে এবং এর অধিকাংশই এসএমএস ব্যবহার করে।

এদিকে গার্ডিয়ান দাবি করেছে, প্রযুক্তির স্বর্গরাজ্য সিলিকন ভ্যালিতে এ পর্যন্ত যতো প্রযুক্তির উদ্ভব হয়েছে, এসএমএস-এর কাছে সেগুলো কিছুই না। তার চেয়ে মজার বিষয় হলো, এসএমএস-এর উদ্ভাবনও সিলিকন ভ্যালিতে নয়।

১৯৮২ সালে ইউরোপিয়ান টেলিফোনি কনফারেন্সে জিএসএম প্রযুক্তি চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ জন্য প্যারিসে কিছু ইঞ্জিনিয়ারকেও নিয়োগ দেয়া হয় সে সময়।

এর পাঁচ বছর পর ১৩টি ইউরোপীয় দেশ, মোবাইল ফোন যোগাযোগের জন্য জিএসএম প্রযুক্তিকে সাধারণ মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম হিসেবে চালু করতে এক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে।

প্রথম জিএসএম প্রযুক্তির নেটওয়ার্কে ফোন কলটি করেন ১৯৯১ সালে তৎকালীন ফিনিশ প্রধানমন্ত্রী। পরবর্তীতে প্রথম জিএসএম প্রযুক্তির মোবাইল ফোন বিক্রির জন্য অনুমোদিত হয় ১৯৯২ সালে।

ধীরে ধীরে এটি বিশ্বব্যাপী মোবাইল ফোন যোগাযোগের সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্ক হিসেবে গড়ে ওঠে। জিএসএম প্রযুক্তি তৈরির সময়ই এসএমএস-এর ধারণার উদ্ভব এবং টেলিফোন সিগনালের মধ্য দিয়ে বার্তা পাঠানোর জন্য প্রযুক্তিটি তৈরি হয়।
« Last Edit: December 10, 2012, 01:48:59 PM by Badshah Mamun »
Dr. Fernaz Narin Nur,
Assistant Professor,
Department of CSE.

Offline nmoon

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 234
  • Test
    • View Profile
Risk of Stroke
« Reply #24 on: December 03, 2012, 01:07:29 PM »
আগের তুলনায় কম বয়সীদের মধ্যে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার হার বাড়ছে বলে এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে।
« Last Edit: December 10, 2012, 05:15:26 PM by Badshah Mamun »

Offline Md. Khairul Bashar

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 203
  • Test
    • View Profile
অপব্যবহার রোধ করতে হবে
« Reply #25 on: December 03, 2012, 01:37:02 PM »
আইন-শৃংখলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার চাহিদা মেটাতে সরকারের নির্দেশে দেশের প্রায় সব টেলিফোন গ্রাহকের কথোপকথন, ভয়েস ও ডাটা রেকর্ড করা হচ্ছে। ৬টি মোবাইল অপারেটর, বিটিসিএল ও ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জগুলো বাধ্যতামূলকভাবে করে চলেছে এ কাজ। সরকারের প্রয়োজনে রেকর্ডকৃত ডকুমেন্ট থেকে সংশ্লিষ্টদের তথ্য প্রতিনিয়ত হচ্ছে যাচাই-বাছাই। আর এভাবেই সরকারবিরোধী কোন কর্মকান্ড, জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক পাচারকারী কিংবা চোরাকারবারিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষনে রাখা হচ্ছে। টেলিফোন অপারেটররা ছাড়াও সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরাও কিছু কিছু চিহ্নিত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর টেলিফোনে আড়িপাতছে। তবে টেলিফোনে আড়িপাতা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি পৃথক দফতর করা হলেও তা চালু হয়নি। ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) নামে নতুন এ সংস্থাটি গত সেপ্টেম্বর মাস থেকেই চালু হওয়ার কথা থাকলেও তা এখনও হয়নি।

টেলিফোনে আড়িপাতার বিষয়টি এমনকি উন্নত দেশগুলোতেও দেখা যায়। মূলত রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ও অপরাধ দমনে এটা করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও এ দুই লক্ষ্যে টেলিফোনে আড়িপাতা হয়ে থাকলে আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনের লক্ষ্যে পরিচালিত আড়িপাতার প্রক্রিয়াটি যদি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভঙ্গের কারন হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তা গনবিরোধী কার্যক্রম হিসেবেই চিহ্নিত হবে। কারন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা মানুষের মৌলিক অধিকার। সংবিধানেও এ অধিকার উল্লেখ আছে। আমাদের আশংকা, টেলিফোনে আড়িপাতার যথেচ্ছ ব্যবহার হতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে নাগরিকের অধিকার ক্ষুন্ন হবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও আইন-শৃংখলা রক্ষার্থে প্রনীত বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন আইন ২০০১-এ বলা হয়েছে, “ এই আইন বা অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যা কিছুই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা জনশৃংখলা রক্ষার্থে যে কোন টেলিযোগাযোগ সেবা ব্যবহারকারীর পাঠানো বার্তা ও কথোপকথন প্রতিহত, রেকর্ড ধারন বা তৎসম্পর্কিত তথ্যাদি সংরক্ষনের জন্য সরকার সময়ে সময়ে নির্ধারিত সময়ের জন্য গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা, তদন্তকারী সংস্থা বা আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনের কাজে নিয়োজিত সংস্থার কোন কর্মকর্তাকে ক্ষমতা দিতে পারবে এবং পরিচালনাকারী ওই নির্দেশ পালন করতে বাধ্য থাকবে”।

এ তো গেল টেলিকমিউনিকেশন আইন; অন্যদিকে জনগনের অধিকার সুরক্ষার জন্যও আইন রয়েছে। এই দুই আইন পরস্পর সাংঘর্ষিক যাতে হয়ে না ওঠে, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। উন্নত দেশে টেলিফোনে আড়িপাতা বিষয়ে নিয়ন্ত্রনমূলক কাঠামো রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিশেষ আদালতের অনুমতি ছাড়া আড়িপাতা সম্পূর্ন নিষিদ্ধ। বাংলাদেশে এ ধরনের নিয়ন্ত্রনমূলক কোন কাঠামো নেই। তাছাড়া টেলিকমিউনিকেশন আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী কারও টেলিফোনে আড়িপাতা হলে সরকার তথা স্‌বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে অনুমতি নিতে হবে। এ সংক্রান্ত অনুমতি কাকে, কি কারনে এবং কতক্ষনের জন্য আড়িপাতার আওতায় রাখা হবে তা উল্লেখ নেই। আমাদের বক্তব্য, টেলিকমিউনিকেশন আইন সংশোধনের মাধ্যমে তা এমন সুবিন্যস্তভাবে প্রনয়ন করতে হবে যাতে সাপও মরে আবার লাঠিও না ভাঙে।

টেলিফোনে আড়িপাতা কার্যক্রমকে সাধারন মানুষের অধিকার সংরক্ষন করে পরিচালনার জন্য এনটিএমসি নামের পৃথক সংস্থাটির সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলতে কেন এত দেরি হচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। বর্তমানে যেভাবে আড়িপাতা হচ্ছে, তা বিজ্ঞানভিত্তিক শৃংখলার সঙ্গে হচ্ছে না। উপযুক্ত অভিভাবকের অভাবে বর্তমান ধারার কার্যক্রমে সাধারন মানুষের প্রাইভেসি ক্ষুন্ন হওয়ার যথেষ্ট আশংকা রয়েছে। আমরা চাইব, এনটিএমসি অচিরেই আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম চালু করে টেলিফোনে আড়িপাতার বিষয়টি একটি সার্বিক শৃংখলার মধ্যে নিয়ে আসায় সচেষ্ট হবে।



সূত্রঃ http://www.jugantor.us/2012/12/03/news0303.htm

Offline Shamsuddin

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 177
  • Test
    • View Profile
Passive smoking
« Reply #26 on: December 03, 2012, 02:34:53 PM »
পরোক্ষ ধূমপান স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়






চীন, জুন ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- পরোক্ষ ধূপমানের শিকার হওয়ার মানুষদের হৃদরোগ ও ফুসফুস ক্যান্সারসহ স্ট্রোক ও এ্যাজমায় মৃত্যুঝুঁকি বেশি। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।

দুই দশক ধরে পর্যবেক্ষণ করে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছন একদল চীনা গবেষক।

এছাড়া, গবেষকরা আরো বেশ কয়েকটি গবেষণা পর্যালোচনা করে দেখেছেন, যারা ধূমপান করেন না, কিন্তু ধূমপায়ীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়তই


তামাকের ধোঁয়া আক্রান্ত হন তাদের হৃদরোগ ও নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তবে এক্ষেত্রে স্ট্রোক ও এ্যাজমার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত ‘চেস্ট’ নামক একটি মেডিক্যাল জার্নালে গবেষণা ফলাফলটি প্রকাশিত হয়েছে।

তবে ওই স্বাস্থ্য ঝুঁকির জন্য কেবল পরোক্ষ ধূমপানই দায়ী এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি গবেষকরা। তারা আরো কিছু মূল কারণকে দায়ী করেছেন; যেমন- ব্যক্তির বয়স, শিক্ষা, পেশা এবং রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ইত্যাদি।

১৭ বছর ধরে ৯১০ জনের ওপর গবেষণা চালিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

ইন্সস্টিটিউট অব গ্লোবাল টোবাকো কন্ট্রোলের পরিচালক জোয়ান্না কোহেন বলেছেন, “সবচেয়ে বেশি ধূমপান করে চীনারা। চীনের এ গবেষণাটি অন্যান্য দেশগুলোকেও ধূমপানবিরোধী শিক্ষা প্রচলন ও তামাক নিয়ন্ত্রণে সচেষ্ট করবে।”




Source: Internet
« Last Edit: December 10, 2012, 05:03:21 PM by Badshah Mamun »

Offline Muhammad Siddiqur Rahman

  • Administrator
  • Full Member
  • *****
  • Posts: 100
    • View Profile
    • Web Profile
OpenCart Tutorial
« Reply #27 on: December 03, 2012, 03:35:39 PM »
Muhammad Siddiqur Rahman
IT Officer
Daffodil International University
102/ 1 Shukrabad, Mirpur Road,Dhaka, Bangladesh
Mobile: +8801811458828, +8801833102811
http://www.siddiqur.com

Offline tamim_saif

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 357
  • Test
    • View Profile
Published: Sunday, December 2, 2012 - 19:01 in Biology & Nature

Scientists at The Scripps Research Institute (TSRI) have determined how two proteins help create organelles, or specialized subunits within a cell, that play a vital role in maintaining cell health. This discovery opens the door for research on substances that could interfere with the formation of these organelles and lead to new therapies for cancer. The study, published online ahead of print on December 2, 2012, by the journal Nature Structural & Molecular Biology, focuses on the structure and function of the two proteins, ATG12 and ATG5. These proteins need to bond correctly to form an organelle called the autophagosome, which acts like a trash bag that removes toxic materials and provides the cell with nutrition through recycling.

"Our study focuses on one of the big mysteries in our field," said Takanori Otomo, the TSRI scientist who led the effort. "These proteins are linked, but no one has explained why clearly. We're very excited to have determined the structure of these linked proteins so that the information is available to do the next level of research."

At the beginning of the study, Otomo and colleagues knew that many proteins work together to form autophagosomes as part of the process known as autophagy, which breaks down large proteins, invasive pathogens, cell waste, and toxic materials. As part of this process, one key protein, LC3, attaches to a lipid, or fat molecule, on the autophagosome membrane. Yet LC3 cannot attach to a lipid without the help of ATG12 and ATG5, and a cell will only form an autophagosome if the linkage, or conjugate, between these two molecules has been established.

Otomo and colleagues set out to determine the shape of the ATG12-ATG5 conjugate, and to find out why it was needed for LC3 lipidation.

Using a method called X-ray crystallography, the scientists were able to unveil the details of this conjugate. When ATG12 and ATG5 come together, they form a rigid architecture and create a surface area that is made up of evolutionarily conserved amino acids and facilitates LC3 lipidation. The researchers confirmed this finding by mutating those conserved amino acids , which prevented an autophagosome from forming.

Otomo and colleagues also identified a surface on the ATG12-ATG5 conjugate that binds to ATG3, another enzyme required to attach LC3 to the lipid.

With this new knowledge, the researchers hope to design molecules that inhibit autophagosome formation, a direction of research that has implications for cancer treatment. A drug that directly inhibits ATG3 binding, for example, could be used in coordination with current therapies to make cancer treatments more effective, preventing a cancer cell from recycling nutrients and prolonging its survival.

"Ultimately, we'd like to understand the molecular mechanisms of each step of autophagy," he said, "As we make progress toward this goal, we will have a better idea of how to manipulate the pathway for therapeutic purposes. This field is still young and there are a lot of unknowns. This work is just the beginning."

This research was supported by National Institutes of Health (NIH) grant GM092740 and by funds from Japan Science and Technology Agency through the Keio Kanrinmaru Project.

Source: The Scripps Research Institute

Offline shyful

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 219
    • View Profile
Re: অপব্যবহার রোধ করতে হবে
« Reply #29 on: December 03, 2012, 05:21:52 PM »
Dear, Md. Khairul Bashar

Thanks for the informative post.

You are right it’s clearly has a trends to violate 'Right to privacy' which is a constitutional mandated right for all  Bangladeshi  citizens,

and except certain exceptions our constitution safeguards  this right . But due to changing the ways , trends and techniques of

committing  crime especially like as giving treat, committing offence against state or arranging unlawful assembly or like to destroy

public or private properties(which recently has been doing by some political parties). The state has no way then to keep hearing voices

and identifying through checking call information. Most vibrant success we can identify through evaluating on the prevention mechanism

of JMB activities in Bangladesh. They (Law enforcing agencies) succeeded to show their abilities .In addition to that to trace illegal drug

dealing business and preventing cyber related offences, this one is necessary. At the same time if that provision has been using or

seems to be, using by them or the concerned for suppressing oppositions or interfering in un-expected privacy matters then that

should be prevented. That’s why the end will justify whether their interference in violating privacy is a justified one or not.


Thanks again
With best regards and Thanks in advance,

S.M.Saiful Haque