Cases pending for disposals in Bangladesh

Author Topic: Cases pending for disposals in Bangladesh  (Read 786 times)

Offline Farhana Helal Mehtab

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 248
  • Test
    • View Profile
Cases pending for disposals in Bangladesh
« on: June 17, 2013, 10:23:45 AM »
What is the solution of this cruel fact?!?!

2.4 million Cases are pending for disposals in Bangladesh, reported the Daily Prothom Alo in June 2013.

এক বছরে যুক্ত হয়েছে তিন লাখের বেশি মামলা
নিষ্পত্তির অপেক্ষায় সাড়ে ২৪ লাখ মামলা


দেশের আদালতগুলোতে চলতি বছরের শুরুতে (১ জানুয়ারি) বিচারাধীন মামলা ছিল ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬০টি। ২০১১ সালের শেষে সব আদালত মিলিয়ে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল ২১ লাখ ৩২ হাজার ৪৬টি মামলা। অর্থাৎ এক বছরে মামলা বেড়েছে তিন লাখেরও বেশি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ গত শনিবার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, দেশে বর্তমানে ২৪ লাখ ৫৫ হাজার মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। দীর্ঘসূত্রতার কারণে আদালতে মামলাজট তৈরি হয়। আদালতের বাইরে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) মাধ্যমে বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি হলে মামলাজট কমবে।
প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর এক অভিভাষণে বলেন, আদালতের পূর্ণাঙ্গ সময়টুকু বিচার ও শুনানির কাজে লাগালে শুধু মামলা নিষ্পত্তির হারই বৃদ্ধি পাবে না, মামলাজটও কমবে। এতে বিচারপ্রার্থী জনগণ দীর্ঘ হয়রানি থেকে মুক্তি পাবেন।
আইনজীবী এম জহির প্রথম আলোকে বলেন, মানুষ বাড়ছে, মানুষের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদও বাড়ছে। ফলে মামলার সংখ্যাও বাড়ছে। শুনানি করে রায় দিতে হয় এবং লিখতে হয়। রায় লিখতে সময় লাগে।
সুপ্রিম কোর্ট সূত্র জানায়, ২০১১ সালের শুরুতে দেশে বিচারাধীন মামলা ছিল ২০ লাখ ১০ হাজার ৩২৪। ওই বছর দায়ের ও পুনরুজ্জীবিত হয় ১০ লাখ ৮৩ হাজার ৮২৭ মামলা। নিষ্পত্তি হয় নয় লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৯ মামলা। বদলি হয় ১৩ হাজার ১১৬ মামলা।
মামলার সংখ্যা: সূত্রমতে, অধস্তন আদালতে বিচারকসহ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার পদের সংখ্যা এক হাজার ৭৬০। উচ্চ আদালতে রয়েছেন ৯৯ জন বিচারপতি। ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচারাধীন মামলার মধ্যে আপিল বিভাগে সাড়ে ১৫ হাজার, হাইকোর্টে দুই লাখ ৯৭ হাজার ৭৩১ এবং অধস্তন আদালতে ছিল ২১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮২টি।
সুপ্রিম কোর্টের ২০১১ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯ সালে আপিল বিভাগে বিচারপতি ছিলেন ১১ জন এবং বিচারাধীন মামলা ছিল পাঁচ হাজার ৬০টি। ওই বছর দায়ের হয় চার হাজার ৪০৩টি এবং নিষ্পত্তি হয় ছয় হাজার ৩৫ মামলা। ২০১০ সালে বিচারপতি ছিলেন আটজন, মামলা ছিল নয় হাজার ১৪১। ওই বছর দায়ের হয় পাঁচ হাজার ৪৬৪টি মামলা, নিষ্পত্তি হয় এক হাজার ৫৮৩টি। ২০১১ সালে বিচারপতি ছিলেন ১০ জন এবং মামলা ছিল ১২ হাজার ৪৪১টি। ওই বছর দায়ের হয় চার হাজার ৭৪৯ মামলা, নিষ্পত্তি হয় এক হাজার ৪৪৯টি। বর্তমানে আপিল বিভাগে বিচারপতি রয়েছেন নয়জন।
হাইকোর্ট বিভাগে ২০০৯ সালে বিচারপতি ছিলেন ৭৮ জন, বিচারাধীন মামলা ছিল তিন লাখ ২৫ হাজার ৫৭১টি। ওই বছর দায়ের হয় ৫৩ হাজার ১৫৫টি, নিষ্পত্তি হয় ২১ হাজার ৪৮৫টি। ২০১০ সালে বিচারপতি ছিলেন ৯৪ জন, মামলা ছিল তিন লাখ ১৩ হাজার ৭৩৫টি। দায়ের হয় ৫৭ হাজার ৪৭০টি, নিষ্পত্তি হয় ৬৯ হাজার ৩০৬ মামলা। ২০১১ সালে বিচারপতি ছিলেন ৯৮ জন, মামলা ছিল দুই লাখ ৭৯ হাজার ৪৩৬টি। ওই বছর দায়ের হয় ৪৫ হাজার ৮৪টি এবং নিষ্পত্তি হয় ৬৮ হাজার ৯১২টি। বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ৯০ জন।
যোগাযোগ করা হলে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার এ কে এম শামসুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মামলা নিষ্পত্তি হলেও বিচার বিভাগের ওপর আস্থার কারণে মানুষ আদালতে আসছে। ফলে নতুন মামলার সংখ্যাও বাড়ছে। তবে জট কমাতে পুরোনো দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির জন্য সাল উল্লেখ করে ইতিমধ্যে হাইকোর্টে কয়েকটি একক ও দ্বৈত বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্ট ও ঢাকা জজকোর্টে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রবর্তন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন জনবলের কিছু অভাব আছে। এগুলো নিরসনের চেষ্টা চলছে।
এ প্রসঙ্গে এর আগে আইনমন্ত্রী প্রথম আলোকে বলেছিলেন, জট নিরসনে এডিআর বাধ্যতামূলক করে দেওয়ানি কার্যবিধি সংশোধন করা হয়েছে। ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করলে দণ্ড হ্রাস (প্লি বার্গেইন)সহ ছোটখাটো মীমাংসাযোগ্য বিরোধ এডিআরের মাধ্যমে নিষ্পত্তির বিধান রেখে ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, অহেতুক মামলা করার প্রবণতা মামলাজটের অন্যতম কারণ। তাই অহেতুক মামলাকারীর জরিমানা হিসেবে খরচার পরিমাণ বাড়ানো প্রয়োজন। এ ছাড়া জট নিরসনে অধস্তন আদালত তথা বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।
মহিউদ্দিন ফারুক | তারিখ: ১১-০৬-২০১৩

link: http://prothom-alo.com/detail/date/2013-06-11/news/359583


Offline riaduzzaman

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 216
  • Test
    • View Profile
Re: Cases pending for disposals in Bangladesh
« Reply #1 on: June 17, 2013, 10:07:39 PM »
Dear Ma'am
It's really a horrible figure. Dhaka City Corporation has been divided into north and south. But Dhaka Judge Court still remain in old format. Why we cannot make more branches of our lower court depending on the boundary and population of particular city/district? Majority of pending cases are in criminal nature. And we are very reluctant to introduce alternative methods in criminal justice. Need to change our attitude.
Md.Riaduzzaman
Sr. Lecturer, Department of Law
Daffodil International University
Dhaka, Bangladesh.

Offline Afroza Rahman

  • Newbie
  • *
  • Posts: 8
  • Test
    • View Profile
Re: Cases pending for disposals in Bangladesh
« Reply #2 on: June 22, 2013, 10:21:29 AM »
Dear mam, Thank u so much 4 give us the information. Diner por din jodi e somossa barte thake tahole amader deshes j ki obostha hobe ta amra bujtei parchi, amader desher manus gulo ney bichar theke bonchito hocche tachara onokeri mamla chalanor jonno bikri korte hocche sompotti emonki nijheder thakar 1 matro bisot bariti, emoto obosthay amader ki kora uchit? Amader k proyojonio podokkhep nite hobe jate desher manush somoyer moddhe ney bichar pay. Thank u mam

Offline Farhana Helal Mehtab

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 248
  • Test
    • View Profile
Re: Cases pending for disposals in Bangladesh
« Reply #3 on: March 14, 2015, 10:10:52 AM »
"Dhaka City Corporation has been divided into north and south. But Dhaka Judge Court still remain in old format. Why we cannot make more branches of our lower court depending on the boundary and population of particular city/district?"
thanks for the thoughtful comment Riad.  Policy makers should think about it.

Thanks Afroza.

Offline abduarif

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 251
  • Test
    • View Profile
Re: Cases pending for disposals in Bangladesh
« Reply #4 on: March 17, 2015, 10:24:36 AM »
A UNDP's project called Judicial Strengthening Project is working for lessening the case backlog in the Supreme court and Subordinate Courts. The pilot project in four districts has been proved to be very successful and delivered good results. We hope the whole project would be a successful one.
Abdullah Al Arif
Lecturer
Department of Law
Daffodil International University
Dhaka, Bangladesh