Fair and Events > Telecom Fair
Telecommunication News
a.k.azad_cse:
Here ill try to give you all the latest update of Telecommunication news that publish on our Daily Newspaper
Need to installed bangla fonts in your PC for viewing the news
a.k.azad_cse:
চমক নিয়ে আসছে এয়ারটেল
এখন পর্যন্ত বিশ্বের কোথাও প্রচলিত হয়নি এমন নতুন সেবার চমক নিয়ে গ্রাহকদের মাঝে আসবে এয়ারটেল। তবে সেই সেবাটি কী, সে সম্পর্কে এয়ারটেলের ঢাকা অফিসের কোনো ধারণাই নেই। অপারেটরটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, টেলিযোগাযোগে বিশ্বের সর্বাধুনিক সেবার সমাহার নিয়ে ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে নিজেদের রিব্র্যান্ডিং করবে তারা।
বর্তমানে ওয়ারিদ নাম নিয়ে চলছে ৩৫ লাখ গ্রাহকের অপারেটরটি। এ বছরের শুরুতে ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ কিনে নেয় ভারতীয় কোম্পানি ভারতী এয়ারটেল।
এদিকে বাংলাদেশের এয়ারটেলের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসবেন এয়ারটেল মোবিলিটির প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল। এক দিনের সফরে তিনি বিনিয়োগ বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্যও চেষ্টা চলছে। ওই দিনই রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওই মতবিনিময় সভায় হয়তো এয়ারটেলের প্রস্তুতির বিষয়ে ধারণা দেওয়া হবে। তবে 'ওয়ারিদ' নাম বদলে কবে 'এয়ারটেল' হবে সে বিষয়ে কোনো ঘোষণা তখন দেওয়া হচ্ছে না। মতবিনিময় সভায় এয়ারটেলের দিলি্লর শীর্ষ কর্মকর্তাও থাকবেন। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী বিভিন্ন কোম্পানির কর্মকর্তাদেরও দাওয়াত দেওয়া হয়েছে।
অপারেটরটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, রিব্র্যান্ডিংয়ের জন্য নতুন কিছু চিন্তা করছেন তারা। এ লক্ষ্যে ঢাকা থেকে এয়ারটেলের মূল কর্তৃপক্ষকে বেশকিছু সুপারিশও দেওয়া হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কোন প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হবে বা আদৌ এখান থেকে কোনো প্রস্তাব নেওয়া হবে কি-না সে সম্পর্কে ঢাকার কেউ কিছুই জানেন না। তাছাড়া আগে থেকে সিদ্ধান্ত নিলে সে খবর প্রতিদ্বন্দ্বী অপারেটরদের কাছে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেও ঢাকা থেকে সিদ্ধান্ত না নিয়ে বরং দিলি্ল থেকেই সিদ্ধান্ত আসছে। এমনকি ঢাকার কোনো কর্মকর্তার মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার অনুমোদন নেই। মিডিয়াতে কী বলা হবে সেটিও নির্ধারিত হচ্ছে দিলি্ল থেকেই।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপারেটরটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, অন্য বড় কয়েকটি অপারেটর এয়ারটেলের রিব্র্যান্ডিং কীভাবে হবে সে বিষয়ে নজর রাখছে। খোঁজখবর করতে অন্য একটি অপারেটরের কর্মকর্তারা দিলি্ল সফর করে এসেছেন বলেও জানান তিনি। ওই কর্মকর্তা বলেন, এয়ারটেলের অভিষেককে যুদ্ধ হিসেবেও ঘোষণা করেছেন কেউ কেউ। সে লক্ষ্যে প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তারা। অন্যদিকে শীর্ষ একটি অপারেটরের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রস্তুতি সবসময় রাখতেই হয়। বাজারে বড় কোনো প্লেয়ার এলে তার জন্য নতুন চিন্তাভাবনা করতেই হয়। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাছাড়া যখন কোনো অপারেটর সরকারের নানা আনুকূল্য নিয়ে বাজারে আসে তখন আরও বেশি প্রস্তুতি রাখতে হয়। প্রথম মোবাইল অপারেটর হিসেবে ওয়ারিদ সরকারের টেলিযোগাযোগ কোম্পানি বিটিসিএল এবং টেলিটকের সঙ্গে অবকাঠামো ভাগাভাগির চুক্তি করে। এর পরে আরও কয়েকটি অপারেটরের সঙ্গে অবকাঠামো ভাগাভাগির চুক্তি করেছেন তারা।
ওয়ারিদের অপর এক কর্মকর্তা বলেন, রিব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে নিজেদের নেটওয়ার্কের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা। সে কারণে নিজেদের বিটিএস (বেস ট্রানসিভার স্টেশন) বৃদ্ধির কার্যক্রম চলছে। এয়ারটেল দায়িত্ব নেওয়ার সময় অপারেটরটির বিটিএস সংখ্যা ছিল ১৮শ'। বর্তমানে তা আরও কিছু বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ডিসেম্বরের মধ্যে এ সংখ্যা অন্তত ৭ হাজার পর্যন্ত নিতে চান তারা। উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে এর কোনো বিকল্পই নেই। বর্তমানে গ্রামীণফোনের বিটিএস সংখ্যা ১২ হাজার। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বৃহত্তম অপারেটরটির বিটিএস সংখ্যা ৭ হাজারের কম নয়।
2010-10-06
a.k.azad_cse:
শাহিদ বাপ্পি:ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল বাংলাদেশ কৌশলগত অগ্রাধিকারবিষয়ক ই-সেবায় নাগরিক সংযোগ-অভিগম্যতা শীর্ষক সংলাপে একথা বলেন। শীর্ষ নিউজ
তিনি আরো বলেন, এর ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। ইন্টারনেট সেবার উন্নয়নের জন্য পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় বিনিয়োগের উদ্যোগ নিতে হবে একইসঙ্গে সেবার মানও বাড়াতে হবে। ১০ বছরে টেলিফোন শিল্প সংস্থা প্রথমবারের মতো লাভ করেছে। সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. ফাহিম হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম।
[ অন্যান্য খবর ] 2010-10-09
a.k.azad_cse:
ব্যান্ডউইথ রফতানির ক্ষেত্রে বাজার খুঁজছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। এরই মধ্যে তারা এ বিষয়ে পাশের দেশ নেপাল, ভুটান ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের আগ্রহের কথা জেনেছে। একই সঙ্গে বিশ্বখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানি মাইক্রোসফটও এ বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। যোগাযোগ করা হচ্ছে জনপ্রিয় দুটি যোগাযোগ মাধ্যম গুগল এবং ইয়াহুর সঙ্গে। তবে এর আগে দু'দফা দরপত্র আহ্বান করলেও উল্লেখযোগ্য সাড়া পায়নি বিএসসিসিএল।
বর্তমানে বিএসসিসিএলে ব্যান্ডউইথের পরিমাণ ৪৪ দশমিক ৬০ গিগাবাইটস। এর মধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে ১৫ গিগাবাইট পার সেকেন্ড। বাকিটা অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে। এর ওপর আবার অল্পদিনের মধ্যে ব্যান্ডউইথের ক্ষমতা ১০৪ দশমিক ৬০ গিগাবাইটে উন্নীত হচ্ছে। ফলে বিপুল পরিমাণ ব্যান্ডউইথ অব্যবহৃত থাকবে। আবার ব্যান্ডউইথ হচ্ছে বিদ্যুতের মতো একটি শক্তি, যেটি কেবল ব্যবহার করা যায়; কোনো অবস্থাতেই এটি সঞ্চয় করা যায় না। ফলে ব্যবহার করতে না পারলে এ শক্তি আর কোনো কাজেই আসে না।
বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ আমদানির ক্ষেত্রে নেপাল এবং ভুটান আগ্রহ দেখালেও তাদের সাবমেরিন কেবলের কোনো সংযোগ নেই। সে কারণে তাদের কাছে ব্যান্ডউইথ রফতানি করতে হলে দেশ দুটির বাংলাদেশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত হতে হবে। বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়া উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা (সাসেক্স) ফোরাম গঠনের মাধ্যমে
এ সংযোগ
স্থাপনের কাজ চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশ দুটি বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ নেবে বলে বিএসসিসিএলকে জানিয়েছে।
অন্যদিকে থাইল্যান্ডের সাবমেরিন কেবলের সংযোগ থাকলেও তাদের আরও ব্যান্ডউইথ প্রয়োজন। ঢাকার রয়াল থাই দূতাবাসের সঙ্গে বিএসসিসিএলের আলোচনায় তারা এ বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। এছাড়া মাইক্রোসফট এরই মধ্যে ঢাকায় অফিস নিয়ে কাজ শুরু করেছে। বর্তমানে তারা ঢাকার একটি আইএসসি প্রতিষ্ঠান এবং সিঙ্গাপুর থেকে ব্যান্ডউইথ এনে কাজ করছে।
[ ] 2010-10-07
a.k.azad_cse:
তারেক মোরতাজা
ভাবনাগুলো সত্য করতে প্রযুক্তি লাগে। আর মোবাইল ফোন এখন সবচেয়ে সহজলভ্য প্রযুক্তি। দেশের ৩৮ শতাংশের বেশি মানুষ এখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এখন দেশে মোবাইল নম্বর পোর্টিবিলিটি (এমএনপি) চালু করার ভাবনা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)। এ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।
এটি হলো এমন একটি সেবা যার মধ্য দিয়ে গ্রাহক তার নিজের নম্বর ঠিক রেখে যেকোনো অপারেটরে বিনামূল্যে যাওয়া-আসা করতে পারবেন। যেমন ধরুন আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি গ্রামীণফোন অপারেটরের। এটি আপনি বদলে বাংলালিংকে যেতে চাচ্ছেন। এ জন্য আপনাকে শুধু বদলাতে হবে ০১৭ নম্বরটি। এর বদলে আপনি বাংলালিংকে গেলে যুক্ত হবে ০১৯। এর পরের ডিজিটগুলো ঠিক থাকবে। এ সেবাকে বলা হয়ে থাকে নম্বর পোর্টিবিলিটি।
এভাবে অপারেটর থেকে অপারেটরে যেতে গ্রাহককে কোনো সংযোগ কিনতে হবে না। এ জন্য কোনো ফি দিতে হবে না। তবে তাকে নিবìধন করতে হবে। এ পদ্ধতিতে সরকারের নিরাপত্তাকর্মীরা সহজেই নম্বরটি মনিটর করার সুযোগ পাবেন। তাই বিটিআরসি এ বিষয়ে আগ্রহী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিটিআরসি’র একজন কর্মকর্তা জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সাথে বিশেষজ্ঞ শহীদ কলিমের বৈঠক হয়েছে। তিনি বিদেশী নাগরিক। বিটিআরসি কার্যালয়ে তিনি এ বিষয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন উপস্খাপন করেছেন।
বিশেষজ্ঞের বরাত দিয়ে বিটিআরসি’র ওই কর্মকর্তা জানান, ১৯৯৭ সালে প্রথমে সিঙ্গাপুরে এ পদ্ধতির প্রচলন হয়। বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান, জর্ডান, কাতারসহ বিশ্বের মোট ৪৫টি দেশে এমএনপি পদ্ধতি চালু রয়েছে।
শহীদ কলিম এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন বিটিআরসি’র কর্মকর্তাদের সাথে। তিনি পাকিস্তানের মোবাইল অপারেটর মোবিলিংকের কৌশলগত প্রকল্প বিভাগের পরিচালক।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ দেলওয়ার বলেছেন, ‘ওই বৈঠকে আমি ছিলাম না। তাই এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।’
[ ] 2010-10-06
Navigation
[0] Message Index
[#] Next page
Go to full version