Business News

Author Topic: Business News  (Read 15639 times)

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #15 on: July 15, 2011, 09:39:36 AM »
অনলাইনে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিদেশে ফি দেওয়া যাবে

ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০১১

বিদ্যমান বৈদেশিক লেনদেন ব্যবস্থায় বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য আবেদন ফি, নিবন্ধন ফি, ভর্তি ফি, TOEFL, SAT প্রভৃতি পরীক্ষার ফি এবং বিদেশি পেশাজীবী সংস্থার সদস্য ফি প্রেরণের জন্য অনুমতি রয়েছে ডিলার ব্যাংকের। ব্যাংক কর্তৃক প্রচলিত পদ্ধতিতে (TT/MT/Draft) এসব ফি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে প্রেরণ করা হয়। এসব ফি প্রেরণের ক্ষেত্রে পরিশোধ পদ্ধতি অধিকতর সহজীকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল একটি এফই সার্কুলার জারি করেছে ।
জারীকৃত সার্কুলারের নির্দেশনা অনুযায়ী এখন থেকে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে এসব ফি ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রেরণ করা যাবে। এ ছাড়া কার্ডধারী নয়_এমন আবেদনকারীর পক্ষে ভার্চুয়াল কার্ড ব্যবহার করে মনোনীত ব্যাংক শাখা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ফি প্রেরণ করা যাবে।


http://www.kalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Mobile&pub_no=582&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=7
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #16 on: July 15, 2011, 09:47:43 AM »
বাণিজ্য ঘাটতি ৭শ' কোটি ডলার ছাড়িয়েছে

শুক্রবার | ১৫ জুলাই ২০১১


রফতানি খাত বেশ চাঙ্গা থাকলেও ব্যাপক আমদানি ব্যয় এবং রেমিট্যান্সে ধীরগতির কারণে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি খুব বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গেল অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) তার আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ৪৬ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০১০-১১ অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে আমদানি ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৭৭১ কোটি ডলার। এ সময়ে রফতানি আয় ২ হাজার ৬১ কোটি ডলার। আমদানি ও রফতানি পার্থক্য অর্থাৎ বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৭১০ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ঘাটতি ছিল ৪৮৭ কোটি ডলার। বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার ফলে লেনদেনের ভারসাম্যে চাপ বেড়েছে। আলোচ্য সময়ে চলতি হিসাবের ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত রয়েছে মাত্র ৬১ কোটি ডলার। ২০০৯-১০ অর্থবছরের একই সময়ে চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত ছিল ২৯৭ কোটি ডলার। অন্যদিকে সামগ্রিক ভারসাম্যে ৭৫ কোটি ডলারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে সামগ্রিক ভারসাম্যে ২৬৬ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংক লেনদেনের ভারসাম্যের যে প্রতিবেদন তৈরি করে থাকে সেখানে রফতানি আয়কে এফওবি (জাহাজে পণ্য ওঠানোর আগে পরিবহন এবং জাহাজীকরণ ব্যয় বাদ) হিসেবে সমন্বয় করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিসংখ্যানের চেয়ে এখানে রফতানি আয়ের পরিসংখ্যান কিছুটা কম হয়। অন্যদিকে সিঅ্যান্ডএফ (জাহাজ ভাড়া ও অন্যান্য ব্যয়) ভিত্তিতে আমদানি ব্যয়ের যে পরিসংখ্যান পাওয়া যায়, তা থেকে বীমা ও জাহাজীকরণের ব্যয় বাবদ গড়ে ১০ শতাংশ কমিয়ে এফওবি ভিত্তিতে আমদানি ব্যয় লেনদেনের ভারসাম্য পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
লেনদেনের ভারসাম্যের এ পরিস্থিতি সম্পর্কে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান সমকালকে বলেন, রফতানিতে বেশ বড় অংকের প্রবৃদ্ধি থাকলেও বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রভাবে আমদানি ব্যয়ও অনেক বেড়েছে। আমাদের রফতানি আয়ের বড় অংশই চলে যায় রফতানি পণ্যের কাঁচামাল আমদানিতে। বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্সে তেমন গতি না থাকায় চলতি হিসাবের ভারসাম্য বেশ চাপের মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের পণ্যমূল্যের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বলা যায়, আগামীতে এ চাপ থাকবে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে একদিকে রফতানি পণ্য ও রফতানি বাজার বহুমুখী করতে হবে, অন্যদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবা খাতেও ঘাটতি বেড়ে গেছে। গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে সেবা খাতে বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে ২২৩ কোটি ডলার যা তার আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৫৮ কোটি ডলার। চলতি স্থানান্তর হিসাবে ১ হাজার ১১৪ কোটি ডলারের উদ্বৃত্ত রয়েছে। এর মধ্যে অন্তর্মুখী রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১ হাজার ৬১ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের ১১ মাসে রেমিট্যান্স আয়ে প্রবৃদ্ধি মাত্র ৫ শতাংশ। অন্যদিকে আলোচ্য সময়ে আর্থিক হিসাবে ঘাটতি হয়েছে ১১০ কোটি ডলার যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৯ কোটি ডলার।
কমেছে বিদেশি বিনিয়োগ : বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য মতে, গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে নিট বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এসেছে ৭২ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে নিট এফডিআই ছিল ৮২ কোটি ডলার। অন্যদিকে এ সময়ে পুঁজিবাজার থেকে পোর্টফোলিও বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহার হয়েছে ২ কোটি ২০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে পোর্টফোলিও বিনিয়োগ প্রত্যাহারের পরিমাণ ছিল ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
রিজার্ভের ওপর চাপ বেড়েছে : বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে যাওয়া এবং সর্বোপরি লেনদেনের ভারসাম্যে নেতিবাচক পরিস্থিতির কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ বেড়েছে। গত মে মাস শেষে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রিজার্ভের পরিমাণ কিছুটা বাড়লেও আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা বিবেচনায় পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এ বছরের মে মাস শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ১ হাজার ৪৩ কোটি ডলার যা ৩ দশমিক ৬ মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান। গত বছরের একই সময়ে ৪ দশমিক ৯ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ ছিল।


http://www.samakal.com.bd/details.php?news=48&action=main&menu_type=&option=single&news_id=173457&pub_no=753&type=
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #17 on: July 15, 2011, 09:49:43 AM »
স্বর্ণের দামে রেকর্ড
শুক্রবার | ১৫ জুলাই ২০১১

সর্বকালের সর্বোচ্চ দরের রেকর্ড স্পর্শ করেছে স্বর্ণের আন্তর্জাতিক বাজার। বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ছিল আউন্সপ্রতি এক হাজার ৫৮৯ দশমিক ৫৬ ডলার। হঠাৎ স্বর্ণের এ দর বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ডলারের দর পতনকে দায়ী করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্র 'ঋণখেলাপি' হচ্ছে চারদিকে_ এ আশঙ্কার মুখে আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণী সংস্থা মুডিস দেশটিকে রেটিং থেকে বাদ দিতে পারে বলে জানিয়ে দেওয়ার পরই বিশ্ববাজারে ডলারের দর পড়ে যায়। চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন দরে ডলার কেনাবেচা হয়েছে গতকাল। খেলাপির দুর্নাম এড়াতে যুক্তরাষ্ট্রকে আগামী ২ আগস্টের মধ্যে ঋণসীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট এবং বিরোধী রিপাবলিক নেতাদের মধ্যে এ নিয়ে দ্বন্দ্ব-বিসম্বাদ এখন চরমে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান বেন বারনানকি জানান, ঋণখেলাপি হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করবে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে গোটা অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় ঝাঁকুনি দেবে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ঋণসীমা বাড়ানো প্রসঙ্গে রিপাবলিকান শীর্ষ নেতাদের বলেছেন 'যথেষ্ট'। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে পরবর্তী দফা প্রণোদনা প্যাকেজও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ঋণ প্রসঙ্গে চীন বিনিয়োগকারীদের অর্থের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে আয়ারল্যান্ড, গ্রিসের পর এবার ইতালিও অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ইউরো ব্যবহারকারী ১৭ জাতির একক মুদ্রাও এখন সংকটে। ইউরোর দরও গত চার মাসে সর্বনিম্ন হারে লেনদেন হয়েছে। এসব কারণে বিনিয়োগকারীরা ডলার কিংবা ইউরো কোনো মুদ্রার প্রতিই আর আস্থা রাখতে পারছেন না। বরং মুদ্রার দরপতনের কারণে অন্যান্য মুদ্রার মানে স্ব্বর্ণ সহজ লভ্য হয়ে উঠেছে। গতকাল জাপানি ইয়েনের বিপরীতে ডলারের দর কমতে কমতে এক পর্যায়ে ডলারপ্রতি ৭৮ দশমিক ৪৫-এ নেমে যায়। এর আগে গত মার্চে সর্বনিম্ন দর ছিল ৭৯ দশমিক ৬১ ইয়েন। একই সঙ্গে ইউরোর পাউন্ডসহ বিশ্বের প্রধান প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের দাম কমেছে গতকাল। তারা আবারও স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছে। এসব কারণেই স্বর্ণের দাম আরেক দফা বেড়েছে। গত প্রায় তিন বছর ধরে বিশ্ব মন্দার প্রভাবে প্রায়ই ডলার ও ইউরোর দর পতনের শিকার হলে দফায় দফায় স্বর্ণের দাম বেড়েছে।

http://www.samakal.com.bd/details.php?news=48&action=main&menu_type=&option=single&news_id=173459&pub_no=753&type=
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #18 on: July 15, 2011, 09:56:21 AM »
Golden fibre holds hopes for revival
Demand for raw jute, jute goods goes up in last two years

Friday, July 15, 2011


The once flourishing jute industry is showing signs of a turnaround with production and export of jute and jute goods going up over the last two years.

Official sources and industry insiders attribute this to increased price of raw jute and demand for jute goods both at home and abroad.

Jute growers and producers of jute goods are now making renewed efforts to take advantage of the rising demand for their produce, and prices of those.

Against this backdrop, the land brought under jute cultivation rose 20 percent to 13.80 lakh acres in the current season from 11.50 lakh acres in the previous season, according to provisional estimates of the Department of Jute (DoJ).

The DoJ expects jute output this season will rise to 66 lakh bales from 59 lakh (1 bale equivalent to 180 kg), said a senior DoJ official, who sought anonymity.

The jute industry is now comprised of 20 public sector mills owned by Bangladesh Jute Mills Corporation (BJMC) and 149 private mills.

The BJMC has reopened four of its closed mills after the present government took the burden of its loans and provided funds to buy raw jute. This raised the number of mills under it to 20.

Production of these mills increased over the last two fiscal years. And some private mills also increased their production capacity with fresh investment to tap the buoyant market of the green products.

The industry, which employs 150,000 workers, posted a 50 percent growth in export earning in fiscal 2009-10, compared to the previous year, as prices rose sharply with China emerging as a key importer.

In the first 11 months of fiscal 2010-11, export earning from the industry surged 42 percent to $1,030 million from $725 million a year ago, shows the data from Export Promotion Bureau.

The buoyancy in export and prospect of increased use of jute products for packaging commodities--food grains, cement, fertiliser and sugar--have attracted over a dozen large and small new investors in the last two years. They include Partex Holdings, battery maker Panna Group and Aftab Group.

The demand in the domestic market will grow more if the government strictly enforces the new packaging act, which makes it mandatory to use jute goods in packaging, industry people say.

On the international front, industry stakeholders expect the demand for jute goods will rise further. Many advanced economies have started discouraging the use of polythene-based shopping bags fearing environmental degradation, they say.

''It appears that a vibrant mood and enthusiasm now prevail in the industry,'' said a top BJMC official.

Industry insiders say the prospect of increased use of jute locally following the packaging act might give Bangladesh--the biggest exporter of jute--an edge in bargaining with foreign buyers for higher prices.

But they point out that charging higher prices continuously might lead to a dip in the demand for jute and a rise in the use of its substitute polythene.

''We have to remember that jute has to sustain by competing with its substitutes like polythene,'' said Dr Khondaker Golam Moazzem, senior research fellow of the Centre for Policy Dialogue (CPD).

''For long-term sustainability of the sector, the core issue lies in the reduction of production cost and improvement in productivity so that jute can compete with its substitutes.

''Expansion of the domestic market is also important for long-term sustainability of the sector,'' said Moazzem, citing the biggest jute producer--India--which consumes bulk of its production domestically.

He also suggested diversification of the export market.

Signs of a revival of jute industry are there; but there are a lot of challenges as well, said Moazzem.

Entrepreneurs will have to monitor the market constantly and sustain in the competition with the substitutes for jute, he said.

Moazzem suggested jute mills should go for an upgrade of technology and skills to enhance productivity and reduce production cost for sustainability of the industry in the long run.

http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=194326
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #19 on: July 18, 2011, 07:57:12 AM »
এক পয়সা হারে নেওয়া এসএমই ঋণ ১০ শতাংশ সুদে খাটাতে চায় সরকার

ঢাকা, রবিবার, ১৭ জুলাই ২০১১
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এসএমই) বিকাশে সরকার সহজ শর্তে অর্থায়নের কথা বললেও বাস্তবে হচ্ছে তার উল্টো। জাপান সরকারের কাছ থেকে নামমাত্র সুদে ৪০৬ কোটি টাকা ঋণ এনে হাজার গুণ বেশি সুদে তা এসএমই খাতে খাটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে সরকারের ভেতরেই রয়েছে নানা সমালোচনা। সরকারেরই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
বিষয়টি পর্যালোচনা করতে গত ৩০ জুন পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগে প্রকল্প মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমিশনের সদস্য সাহাব উল্লাহ এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন, যেটি গত ৭ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জাপানের সরকারি সংস্থা জাইকা (জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি) বাংলাদেশের এসএমই খাতের বিকাশের জন্য মাত্র ০.০১ শতাংশ অর্থাৎ ১০০ টাকায় বছরে এক পয়সা সুদে ৪০৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার ঋণ দেবে। ৪০ বছর এ ঋণ পরিশোধের মেয়াদ হলেও আরো ১০ বছর বাড়তি সময় পাওয়া যাবে। এ ঋণের সঙ্গে আরো ১০ কোটি ৮১ হাজার টাকা যোগ করে বাস্তবায়ন করা হবে ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট অব স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস বা এফএসপিডিএমএমই প্রকল্প।
এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে সহজ শর্তে এসএমই খাতে ঋণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অথচ যে ঋণ মাত্র এক পয়সায় জাপান সরকার বাংলাদেশকে দিতে সম্মত হয়েছে, সেই ঋণই এসএমইয়ের বিকাশের কথা বলে হাজার গুণ বেশি চড়া সুদে এ খাতে খাটানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। অর্থাৎ এ ঋণ দেওয়া হবে ১০ শতাংশ সুদে! প্রতিবেদনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এক প্রতিনিধির উদ্ধৃতি দিয়ে ঋণের সুদের হার ১০ শতাংশ নয়; বরং ১৩ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়। পরে পরিকল্পনা কমিশনের আপত্তির মুখে ১০ শতাংশ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। বলা হয়, প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণটি বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকে ৫ শতাংশ সুদে দেবে। পরে ব্যাংকগুলো তা ১০ শতাংশ সুদে খাটাবে এসএমই খাতে। প্রথমে ১৩ শতাংশে খাটানোর পক্ষে সুপারিশ করা হলে পরিকল্পনা কমিশন তাতে আপত্তি করে বলে, এত বেশি হারে সুদ নেওয়া হলে এ প্রকল্পের কোনো যৌক্তিকতা থাকবে না।১০ শতাংশ সুদ আরোপ করলেও তা বিদ্যমান সুদ হারের সঙ্গে খুব বেশি ফারাক থাকে না। তাই বিষয়টি নিয়ে সরকারের ভেতরেই সমালোচনা তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, 'ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ১৩ শতাংশ সুদ আরোপের সুপারিশ করেছিল। পরে তা আমরা কমিয়ে ১০ শতাংশ করার কথা বলেছি। তার পরও তা বেশি। এভাবে বেশি সুদে এসএমই খাতে ঋণ দেওয়া হলে এসএমই খাতের বিকাশ সম্ভব নয়।'
প্রকল্পটি চলতি বছরে শুরু হয়ে ২০১৬ সালে সম্পন্ন হওয়ার কথা। তা বাস্তবায়ন করতে ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থানীয় পরামর্শক ও ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে বিদেশি পরামর্শক নিয়োগের কথা রয়েছে।

http://www.kalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Income&pub_no=584&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=0
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #20 on: July 20, 2011, 07:37:46 AM »
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি এখন অনলাইনে
পাঁচ সেকেন্ডেই পাওয়া যাবে ব্যাংক গ্রাহকের ঋণের তথ্য

ঢাকা, বুধবার, ২০ জুলাই ২০১১

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্যাগারটি (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা সিআইবি) এখন স্বয়ংক্রিয় তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় ঢুকে পড়েছে। এর ফলে অনলাইনে মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই ব্যাংকগুলো কোনো গ্রাহকের ঋণতথ্য পেয়ে যেতে পারবে। গ্রাহককেও এখন আর আগের মতো সিআইবি প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করে থাকতে হবে না।
অনলাইনে সিআইবি তথ্য-উপাত্ত পেতে ব্যাংকগুলো এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে ও করছে। এ ব্যবস্থায় প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে দু-তিনটি করে পাসওয়ার্ড দেওয়া হচ্ছে। কোনো গ্রাহকের ঋণতথ্য পেতে ব্যাংকগুলো এই পাসওয়ার্ড দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বয়ংক্রিয় ঋণ তথ্যাগারে প্রবেশ করতে পারবে এবং নিজেদের কম্পিউটার থেকেই প্রতিবেদন সংগ্রহ করে ফেলতে পারবে।
রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে গতকাল মঙ্গলবার অনলাইনে সিআইবি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা, ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) ইয়ান ক্রসবি ও ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ডিএফআইডি) ক্যাথরিন মার্টিন বক্তব্য দেন। এ সময় বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গভর্নর বলেন, সিআইবি অনলাইন সেবা কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনের পরক্ষণ থেকেই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজ নিজ সাইট থেকে ঋণের তথ্য সিআইবি তথ্যভান্ডারে সরাসরি পাঠাতে পারবে। একই সঙ্গে সিআইবি প্রতিবেদনপ্রাপ্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করা এবং কাগজভিত্তিক প্রতিবেদনপ্রাপ্তির সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়ার পরিবর্তে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরাই সিআইবি অনলাইনে প্রবেশ করে ঋণের প্রতিবেদন সংগ্রহ করতে পারবে।
গভর্নর বলেন, ‘আমি অনলাইনে সিআইবি প্রতিবেদন প্রদানের এ সেবাকে দেখছি আমাদের আর্থিক খাতের জন্য একটি সন্ধিক্ষণ হিসেবে। এর ফলে ব্যবসা ও গৃহস্থালি খাতের প্রকৃত গ্রাহকদের ঋণ আবেদন প্রক্রিয়াকরণ ও নিষ্পত্তির কাজ দ্রুততর হবে। আর এর শুভসূচনা থেকে পাওয়া কার্যকর অর্জন বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ভিশনকে একধাপ এগিয়ে নেওয়ার অন্যতম সোপান হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি।’
ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা পরে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘এর ফলে ঋণতথ্য প্রতিবেদন পাওয়া নিয়ে যে ভোগান্তি এত দিন ছিল, তা আর থাকছে না।’
ঋণতথ্য প্রতিবেদন অনলাইনে পাওয়া গেলেও গ্রাহকের তথ্যের নিরাপত্তায় বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা এ প্রক্রিয়ায় থাকছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্রগুলো জানাচ্ছে। বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সাইটটিতে যে ব্যাংক ঢুকবে, তার সব তথ্যই থাকবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সময় সময়, এমনকি সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিদর্শন করে দেখবে, ব্যাংকটি যে গ্রাহকের ঋণতথ্য নিয়েছে, তাঁর (গ্রাহকের) আবেদন বা ঋণতথ্য নেওয়ায় সম্মতিসূচক স্বাক্ষর আছে কিনা। অনলাইনে ঋণতথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে এমন কতগুলো শর্তও দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
প্রায় ১৯ বছর, অর্থাৎ ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকের সিআইবি প্রতিবেদন ব্যাংকগুলোকে সরবরাহ করে আসছে। সিআইবি অনলাইন সেবা চালু হওয়ায় এখন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সফটওয়্যারে কোনো ঋণগ্রহীতার নাম লিখে সন্ধান বা সার্চ দেওয়ামাত্র পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই গ্রাহকের গত দুই বছরের ঋণতথ্য পেয়ে যাবে।
অন্যদিকে, এখন আর আগের মতো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের কাছে থাকা ঋণের তথ্য সিডির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে সরবরাহ করতে হবে না। অনলাইনেই এ তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করতে পারবে।
অনলাইনে যাওয়ার ফলে সিআইবি প্রতিবেদনপ্রাপ্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করা এবং কাগজভিত্তিক প্রতিবেদনপ্রাপ্তির সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়ার পরিবর্তে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরাই সিআইবি অনলাইনে প্রবেশ করে ঋণের প্রতিবেদন সংগ্রহ করতে পারবে।
জানা যায়, ১৯৯২ সালের আগে ব্যাংকগুলো গ্রাহকের ঋণসংক্রান্ত তথ্যাদি পারস্পরিক লেনদেনের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করত। তারপর বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ঋণতথ্য সংগ্রহ করে তা সিআইবি প্রতিবেদন আকারে ব্যাংকগুলোকে সরবরাহ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন ৩০০ ঋণগ্রহীতার সিআইবি প্রতিবেদন সরবরাহের উপযোগী ছিল। ২০০৮ সালে এসে এই ক্ষমতা দাঁড়ায় প্রায় তিন হাজারে। কিন্তু প্রতিদিন বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গড়ে প্রায় ছয় হাজার আবেদন আসতে থাকে।
সিআইবিকে অনলাইনে দেওয়ার এ ব্যবস্থা প্রবর্তনের কাজ শুরু হয় ২০০৯ সালের মে মাসে। ইতালিয়ান প্রতিষ্ঠান ক্রিফ কাজটি করেছে। এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৫৬ লাখ মার্কিন ডলার। ডিএফআইডি এই প্রকল্পে অর্থায়ন করে। প্রকল্পটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল আইএফআইসি।
নতুন গ্রাহকের ঋণতথ্য পেতে ব্যাংকগুলোকে প্রথমে ১০০ টাকা এবং পরে গ্রাহকের অন্যান্য লিংকে সার্চ দিলে ১০ টাকা করে বাংলাদেশ ব্যাংককে সেবামাশুল দিতে হবে। তবে গ্রাহকের কাছ থেকে মাশুল চার্জ নেওয়ার বিষয়টি ব্যাংক নিজেই নির্ধারণ করবে।


http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-07-20/news/171404
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #21 on: July 20, 2011, 07:51:38 AM »
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

বুধবার | ২০ জুলাই ২০১১

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নূ্যনতম পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে ওই মূলধন বাড়ানোর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক শিগগিরই এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে সরকারের ওই নির্দেশ কার্যকর করতে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী বরাবর চিঠি পাঠাবে। মূলত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ব্যয় কমাতে মূলধন বাড়ানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেছেন, সময়ের প্রয়োজনে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার স্বার্থে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভিত্তি শক্তিশালী করতে মূলধন বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মূলধন ৫০ কোটি টাকা। ব্যাসেল-২-এর আওতায় এখন মূলধন আরও বাড়ানো হলো। ব্যাসেল-২ হচ্ছে মূলধন সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক রীতি। ব্যাংকের মতো অব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও এ নীতি বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মূলধন বা পুঁজি কম থাকলে তার বিপরীতে দায় বেশি হলে ঝুঁকির আশঙ্কা থাকে। ওই ঝুঁকি এড়াতেই বাড়ানো হয়েছে মূলধন।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞর বলেছেন, এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে এবং শিল্প খাতে বেশি করে পুঁজির জোগান দিতে পারবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বর্তমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩০। একে অব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সংক্ষেপে এনবিএফআই বলা হয়। ১৯৮১ সালে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (আইপিডিসি) নামে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত বিনিয়োগ ও অর্থায়ন কোম্পানি এবং লিজিং কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩-এর আওতায় এগুলো পরিচালিত।
জানা গেছে, মূলধন বাড়ানোর ফলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণযোগ্য তহবিলের পরিমাণ বাড়বে, পাশাপাশি কমবে তহবিল ব্যয়। এতে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে এবং বেশি করে ঋণ দিতে পারবে। বর্তমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠনগুলো ২০ হাজার কোটি টাকা অর্থায়ন করেছে। টেক্সটাইল, পরিবহনসহ বিভিন্ন শিল্প খাতে ওই ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গড়ে খেলাপি ঋণের হার ৫ থেকে ৭ শতাংশ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফিনিক্স লিজিং কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ লিজিং অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান এ কাদের চৌধুরী সমকালকে বলেন, কোম্পানির মূলধন বাড়লে ব্যবস্থাপনা ঝুঁকি কমে আসবে। এতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে টেকসই হবে। তিনি মনে করেন, মূলধন হচ্ছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের 'মৌল ভিত্তি'। একে ভবনের ফাউন্ডেশনের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, কোনো ভবনের ফাউন্ডেশন যত গভীর হবে, ততই বিল্ডিং মজবুত হবে। ঠিক তেমনি কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মূলধন বা পুঁজি যত বেশি হবে, তার আর্থিক ভিত্তি ততই দৃঢ় হবে। বর্তমানে ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ করে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের লাইসেন্স দিয়ে থাকলেও তদারকির জন্য রয়েছে আলাদা নীতিমালা। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাকিং খাত থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যেমন শিল্প খাতে অর্থায়নের পাশাপাশি ঋণপত্র বা এলসি ব্যবসা করে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু শিল্প খাতে অর্থায়ন করে থাকে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদের হার বাজারের চেয়ে তুলনামূলক বেশি। এ প্রসঙ্গে এ কাদের চৌধুরী বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সর্তকর্তা অবলম্বন করে, তদারকি ব্যবস্থাও নিবিড়, যে কারণে এ খাতে খেলাপি ঋণের হার ব্যাকিং খাতের চেয়ে অনেক কম। এ কারণে বেশি সুদ দিয়েও তারা ঠিকে আছে। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর নানাবিধ কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের মুনাফা বেশি হয়। আর্থিক খাতের আয়ের খাত সীমিত থাকায় মুনাফা কম হয়। অথচ দুটি প্রতিষ্ঠানকে একই হারে (৪৫%) কর দিতে হয়। বিদ্যমান নীতিকে বৈষম্যমূলক বলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর হার কমানোর পরামর্শ দেন তিনি।


http://www.samakal.com.bd/details.php?news=48&action=main&menu_type=&option=single&news_id=174671&pub_no=757&type=
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #22 on: July 20, 2011, 07:52:45 AM »
নতুন সফটওয়্যারে পরীক্ষামূলক লেনদেন শুরু আজ

বুধবার | ২০ জুলাই ২০১১

ইন্টারনেট ভিত্তিক শেয়ার লেনদেন ব্যবস্থার সুবিধাসহ আজ বুধবার থেকে শেয়ার কেনাবেচার সফটওয়্যার এমএসএ প্লাসের মোক ট্রেডিং বা পরীক্ষামূলক শেয়ার লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে ডিএসই। প্রাথমিকভাবে ১২০টি ব্রোকারেজ হাউস থেকে এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে লেনদেন ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হবে। আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত বিকেল সাড়ে চারটায় শুরু হয়ে সাতটা পর্যন্ত পরীক্ষামূলক লেনদেন চালু থাকবে।
ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম সমকালকে জানান, নতুন এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে দেশের শেয়ার লেনদেন ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে।
বিনিয়োগকারীরা চাইলে ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন। তবে নতুন এ সফটওয়্যারে শেয়ার কেনাবেচার জন্য প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর আলাদা বিও হিসাব থাকতে হবে। বর্তমানে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো একটি মাত্র অমনিবাস হিসাবের মাধ্যমে হাজার হাজার বিনিয়োগকারীর শেয়ার লেনদেন করে থাকেন। নতুন সফটওয়্যার চালু হলে অমনিবাস হিসাব ব্যবস্থা থাকবে না।


http://www.samakal.com.bd/details.php?news=48&action=main&menu_type=&option=single&news_id=174680&pub_no=757&type=
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #23 on: July 20, 2011, 07:56:33 AM »
NBR hikes tax rates by five times

Dhaka, Wednesday July 20 2011

The National Board of Revenue (NBR) has raised the tax rates from 200 per cent to 1000 per cent on investment of black money for the purchase of commercially-run vehicles in the current fiscal year.

People can invest their undisclosed money on commercially-run vehicles by paying a tax amount equivalent to 10 times of the existing payable presumptive tax on similar vehicles, officials said.

Taxmen will not raise any question on the invested amount in commercially-run vehicles if anybody pays such an amount of tax.

Currently, owners of commercial vehicles, including air-conditioned bus, minibus, coaster and taxicab, pay presumptive taxes ranging from Tk 20,000 to Tk 7,000.

Presumptive taxes for commercially-run vehicles above 10 years starts from Tk 3000 to Tk 10,000.

The revenue board issued a Statutory Regulatory Order (SRO) early this month by increasing the tax rates for investment of commercial vehicles without being questioned.

Officials said the opportunity for investment of black or undisclosed money on commercial vehicle businesses was enforced in 1999.

Talking to the FE, a senior tax official said the government kept the provision during the last one decade in a bid to bring the undisclosed income into formal channel.

"Taxmen found the sector is still lagging behind due to lack of adequate investment. The opportunity for investment of undisclosed money has been offered to address the grey area of our economy," the official said.

The revenue board earned an insignificant amount of tax in the last few years despite the existing opportunity, he said without disclosing the amount of received tax.

"We don't have the complete data on how much tax was collected despite the opportunity offered in the last one decade," he added.

A large number of luxury buses are now plying the roads, especially in Dhaka-Chittagong routes, like Saudia-S.Alam, Green Line, Silk Line, Shohag Poribohan etc.

In 2009, the government hiked taxes up to 100 per cent on all types of commercial vehicles as they found evasion is rampant, amid loud outcry from the transport owners.

Taxes on luxury buses doubled to Tk 10,000 a year, minibus and coaster to Tk 4,000 from Tk 2700 and five-tonne truck to Tk 5000 from Tk 4000.

All modes of commercial vehicles saw the hike, since 2000, including 52-seater buses, cargo and container carriers, taxicabs, human haulers, pick-ups, tank lorries, maxies and small lorries.

Tax officials said although the transport sector witnessed a boom in the last few years, its contribution to national exchequer was only Tk 2.0 billion until 2009.

According to the Bangladesh Road and Transport Authority (BRTA) statistics 1.1 million motor vehicles are plying the country's roads. But the owners said only a few bothers to pay taxes regularly.

Khandaker Rafiqul Hossain Kajol, president of Bangladesh Association of Bus Companies, said: "We pay the presumptive tax. But tax officials often decline to accept the amount."

He said the tax officials can explain the matter better than the owners of bus companies.


http://www.thefinancialexpress-bd.com/more.php?news_id=143408&date=2011-07-20
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #24 on: July 21, 2011, 07:34:16 AM »
কমেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে অন্যান্য অঞ্চলে বেড়েছে

বৃহস্পতিবার | ২১ জুলাই ২০১১


সদ্যসমাপ্ত ২০১০-১১ অর্থবছরে সামগ্রিকভাবে প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স কিছুটা বাড়লেও বৈদেশিক আয়ের প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে প্রথমবারের মতো কমেছে। মূলত সৌদি আরব থেকেই কমে যাওয়ার কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে রেমিট্যান্স সার্বিকভাবে কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০০৯-১০ অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৭২২ কোটি ২৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। ২০১০-১১ অর্থবছরে ওই উৎস থেকে এসেছে ৭২১ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। তবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইতালিসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে কিছুটা বাড়ায় সামগ্রিকভাবে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ রেমিট্যান্স বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, আগের বেশ কয়েকটি অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি করে রেমিট্যান্স বেড়েছে। তবে সদ্য বিদায়ী অর্থবছরেই প্রথমবারের মতো এসব দেশ থেকে ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স কম এসেছে। যদিও এ সময়ে অন্য দেশগুলো থেকে ৬৭ কোটি ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। বিগত পাঁচ বছরের রেমিট্যান্স পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সব চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে। পাঁচ বছরে সৌদি আরব থেকে ১ হাজার ৩৬৩ কোটি ৫১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর পরের অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে ৭৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। দেশটি থেকে বিগত পাঁচ বছরে রেমিট্যান্স এসেছে ৭১৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯-১০ অর্থবছরে সৌদি আরব থেকে ৩৪২ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। গত অর্থবছরে সেখানে এসেছে ৩২৯ কোটি ৩ লাখ ডলার। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ছিল ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ২৩২ কোটি ৪২ লাখ ডলার এবং ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ১৭৩ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২০১০-১১ অর্থবছরে এসেছে ২০০ কোটি ২৬ লাখ ডলার, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ছিল ১৮৯ কোটি ৩ লাখ ডলার, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১৭৫ কোটি ৪৯ লাখ ডলার, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ১১৩ কোটি ৫১ লাখ ডলার এবং ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ছিল ৮০ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৮৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ১৪৫ কোটি ১৮ লাখ ডলার, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১৫৭ কোটি ৫২ লাখ ডলার, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ১৩৮ কোটি ৮ লাখ ডলার এবং ২০০৬-০৭ অর্থবছরে এসেছিল ৯৩ কোটি ৩ লাখ ডলার।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত থেকে সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৭ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। ২০০৯-১০ অর্থবছরে এখান থেকে ১০১ কোটি ৯১ লাখ ডলার এসেছিল। কাতার থেকে সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১ কোটি ৯৩ লাখ ডলার, আগের অর্থবছরে এসেছিল ৩৬ কোটি ৯ লাখ ডলার। ২০১০-১১ অর্থবছরে ওমান থেকে এসেছে ৩৩ কোটি ৪৩ লাখ ডলার, আগের অর্থবছরে এসেছিল ৩৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার। বাহরাইন থেকে সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮ কোটি ৫৯ লাখ ডলার, ২০০৯-১০ অর্থবছরে দেশটি থেকে ১৭ কোটি ১৪ লাখ ডলার এসেছিল। লিবিয়া থেকে সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ৫২ লাখ ডলার, আগের অর্থবছরে এসেছিল ১৪ লাখ ডলার। ২০১০-১১ অর্থবছরে ইরান থেকে এসেছে ২৩ লাখ ডলার, আগের অর্থবছরে এখান থেকে এসেছিল ৪৪ লাখ ডলার। মধ্যপ্রাচ্য থেকে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, মূলত জনশক্তি রফতানি কমে যাওয়ার প্রভাবেই এটি ঘটেছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কিছু দেশ থেকে বড় অঙ্কের শ্রমিক ফেরত এসেছে। মধ্যপ্রাচ্য ছাড়া অন্যান্য দেশ থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা বেড়েছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে যুক্তরাজ্য থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৮৮ কোটি ৯৬ লাখ ডলার, ২০০৯-১০ অর্থবছরে এসেছিল ৮২ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। জার্মানি থেকে ২০১০-১১ অর্থবছরে এসেছে ২ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। আগের বছর এসেছিল ১ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। ২০১০-১১ অর্থবছরে জাপান থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ১ কোটি ৫২ লাখ ডলার। ২০০৯-১০ অর্থবছরে এসেছিল ১ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। মালয়েশিয়া থেকে ২০১০-১১ অর্থবছরে এসেছে ৭০ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। আগের বছর এসেছিল ৫৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার। সিঙ্গাপুর থেকে ২০১০-১১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ২০ কোটি ২৩ লাখ ডলার, ২০০৯-১০ অর্থবছরে এসেছিল ১৯ কোটি ৩৪ লাখ ডলার।
অস্ট্রেলিয়া থেকে সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে ১ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, আগের বছর এসেছিল ৮৪ লাখ ডলার। ২০১০-১১ অর্থবছরে ইতালি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ২১ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, ২০০৯-১০ অর্থবছরে এসেছিল ১৮ কোটি ২১ লাখ ডলার। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২০১০-১১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ২ কোটি ৩৯ লাখ ডলার, আগের বছর এসেছিল ২ কোটি ৭ লাখ ডলার। হংকং থেকে ২০১০-১১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ১ কোটি ১১ লাখ ডলার, ২০০৯-১০ অর্থবছরে এসেছিল ৮৩ লাখ ডলার। আর সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে অন্যান্য দেশ থেকে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৪৮ কোটি ৬১ লাখ ডলার, তার আগের বছর এসেছিল ৪৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার।

http://www.samakal.com.bd/details.php?news=48&action=main&menu_type=&option=single&news_id=174991&pub_no=758&type=
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline bidita

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1093
  • Life does not get easier, you just get stronger.
    • View Profile
    • biditarahman
Re: Business News
« Reply #25 on: July 21, 2011, 05:12:17 PM »
The Economy

5 Reasons Borders Went Out of Business (and What Will Take Its Place)


Forty years ago, when Borders opened its first store in Ann Arbor, Michigan, the book industry was a different place. But for years, Borders acted like it wasn’t, culminating in the announcement this week that it would liquidate its remaining 399 stores.

Borders has been on the verge of insolvency throughout the recession, briefly flirted with a bid to buy Barnes & Noble (a move most analysts saw as desparate, wrong-headed and financially impossible) and filed to restructure under bankruptcy protection in February, when it began closing a third of its then 659 stores.

What was it that forced Borders to write its final chapter? Here are five explanations:

1. It was too late to the Web

For years, Borders outsourced its online book-selling to Amazon.com. So anytime you visited borders.com, you were redirected. While at the time it may have seemed like a smart decision to jump on the coattails of the Amazon juggernaut, relinquishing control to another company hurt Borders’ branding strategies and cut into its customer base.


2. It was too late to e-books

In a similar vein, Borders didn’t foresee the rise of e-books like Amazon and later Barnes & Noble did. It didn’t develop its own e-reader to compete with the Kindle or the Nook, and Borders only opened an online e-book store a year ago. And when you walked into a Borders, you barely knew that they sold e-books for devices like the Kobo and Cruz. (Have you even heard of those?) By contrast, Barnes & Noble went all out with the Nook when it was released in 2009 — when you walk into a B&N now, the Nook kiosk stares you right in the face.

3. It opened too many stores

Borders just got too big – so big in fact that many of its stores (an estimated 70 percent) were competing with a local Barnes & Noble’s, offering a glut of book stores even as people were shifting to online shopping.

4. It had too much debt

When the recession hit in 2008-09, Borders was already carrying a huge debt load. It had restructured twice since 2008 in an attempt to pay down some $350 million owed. But Borders could never get out of the hole that its inefficient business practices had put itself in.


5. It over-invested in music sales

Borders was a bookstore, but over the years it morphed into a multipurpose entertainment retailer. In the 1990s, it invested heavily in CD sales. Bad move: Around then, people stopped buying CDs as they began buying iPods instead. And when it finally reduced music inventories, Borders found itself with more expensive retail space than it needed, putting additional pressure on its business model.

What will take Borders place? Although its profits were down late last year, Barnes & Noble remains profitable, and Credit Suisse estimates that it could grab half of Borders’ retail store business. And there still seems to be a place for traditional bookstores — just not in the size and scope as they were. Last year, the number of independent bookstores in the U.S. actually increased.

But the reality is that people are increasingly turning to digital books. In February, e-books outsold paperbacks for the first time ever, growing 202 percent compared with the same month last year. And one reason B&N has avoided Borders’ fate is thanks to the Nook, which has successfully grabbed a quarter of the e-book market away from Amazon.

The death of Borders doesn’t necessarily mean the beginning of the end for books. But the days of the massive shopping mall-like stores appear to be numbered.


References:::http://moneyland.time.com/2011/07/19/5-reasons-borders-went-out-of-business-and-what-will-take-its-place/
Bidita Rahman :)
Id: 092-11-956
23rd batch
Department of Business Administration
School of Business
Daffodil International University
latifa@diu.edu.bd

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #26 on: July 22, 2011, 08:29:47 AM »
ব্যাসেল-২ বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

মূলধন সংরক্ষণে ১১ ব্যাংকের পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা

ঢাকা,শুক্রবার, ২২ জুলাই ২০১১

ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ মূলধন সংরক্ষণে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে গত জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলেও ১১টি ব্যাংকের তা পূরণে ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর ফলে ২০১১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা (ব্যাসেল-২) বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। অপরদিকে গত বছরই ব্যাসেল কমিটি বিশ্বব্যাপী ব্যাসেল-৩ চালু করে দিয়েছে। ফলে ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়নের নির্দেশনা জারির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকও কোনো পরিকল্পনা নিতে পারছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মার্চভিত্তিক পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার ব্যাংকের মধ্যে জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ৯ শতাংশ মূলধন সংরক্ষণ করতে পারেনি। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক লিমিমিটেড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড মূলধন ৯ শতাংশ হারে সংরক্ষণ করতে পারেনি। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণে পিছিয়ে। জুনভিত্তিক প্রতিবেদন চলতি জুলাই শেষে প্রণীত হবে। ফলে মার্চভিত্তিক প্রতিবেদনই সর্বশেষ প্রতিবেদন।
মার্চ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৯ শতাংশ হারে মূলধন সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের ২৫৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা, জনতা ব্যাংকের ১৯১ কোটি ২৩ লাখ টাকা এবং রূপালী ব্যাংকের ৭৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ঘাটতি রয়েছে। অপরদিকে ৯ শতাংশ মূলধন সংরক্ষণে বেসরকারি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) ৩৭৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ১৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের এক হাজার ১১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ১০ কোটি ৯০ হাজার টাকা, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ২৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা ঘাটতি রয়েছে। এ ছাড়া বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চার হাজার ৬২১ কোটি ১৪ লাখ এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ১৩৭ কোটি ৮০ হাজার টাকা ঘাটতি রয়েছে। তবে ইউসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শাহজাহান ভূইয়া জানান, মার্চে রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ইউসিবিএল তাদের মূলধন বাড়িয়েছে। বর্তমানে তাদের সংরক্ষিত মূলধন ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশের বেশি রয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস কে সুর চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, যে ব্যাংকগুলো ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ হারে মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের ইতিমধ্যেই মূলধন বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বর কোয়ার্টার শেষে যে ব্যাংকগুলো ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে ১০ শতাংশ হারে মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হবে, তাদের অবস্থা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদার নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল স্টিয়ারিং কমিটি ও কো-অর্ডিনেশন কমিটির সদস্যরা ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দেশের সব ব্যাংককে ব্যাসেল-২ বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক করে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে ২০১১ সালের জুনের মধ্যে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ এবং জুলাই থেকে ১০ শতাংশ হারে মূলধন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। কিন্তু কিছু ব্যাংক এ ক্ষেত্রে বরাবরই পিছিয়ে অনীহার পরিচয় দিচ্ছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও বর্তমানে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এ ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা আরোপ করে থাকে এবং কোনো ব্যাংক এ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দেয়, তাহলে তার শাস্তি হওয়ার কথা। আর যদি বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো বাধ্যবাধকতা আরোপ না করে থাকে, তাহলে আমি বলব সেটা বাংলাদেশ ব্যাংকের দুর্বলতা। বিশেষায়িত দুটি ব্যাংকের এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, 'এ ব্যাংকগুলোর মালিক সরকার। আমরা ইতিমধ্যেই সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছি। তারা আমাদের মূলধন বাড়াতে বন্ড দেওয়ার কথা জানিয়েছে। এ জন্য আমরা সরকারের বরাবর আবেদনও করেছি। তবে অদ্যাবধি আমরা সরকারের কাছ থেকে কোনো বন্ড পায়নি।'
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আবদুল ওয়াদুদ ভূইয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ব্যাসেল-২ গাইড লাইনে জুনের মধ্যে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম সংরক্ষিত মূলধন ৯ শতাংশ হতে হবে বলে বলা হয়েছে। যদি কোনো ব্যাংক নূ্যনতম মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার লাইসেন্স বাতিলের বিধিবিধান পর্যন্ত ব্যাংক কম্পানি আইনে রয়েছে। আমরা জুন পর্যন্ত কতটি ব্যাংক তাদের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ মূলধন সংরক্ষণ করতে পেরেছি, তা জুলাই শেষে প্রতিবেদন হাতে পেলে বলতে পারব। তবে জানতে পেরেছি, মার্চ প্রান্তিকে কিছু ব্যাংকের কম থাকলেও মার্চ পরবর্তী সময়ে এদের কেউ কেউ ৯ শতাংশের বেশি মূলধন বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।
উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ডের ব্যাসেল শহরে অবস্থিত ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্ট (বিআইএস)-এর একটি কমিটি হলো 'ব্যাসেল কমিটি অন ব্যাংকিং সুপারভিশন (বিসিবিএস)'। বিসিবিএস-এরই একটি প্রকাশনা হলো 'ইন্টারন্যাশনাল কনভারজেন্স অব ক্যাপিট্যাল মেজারমেন্ট অ্যান্ড ক্যাপিটাল স্ট্যান্ডার্ডস' যা ব্যাসেল-২ নামে পরিচিত। বিশ্বের প্রায় সব দেশের কেন্দ ীয় ব্যাংকই বিআইএসের সদস্য হওয়ায় এই ব্যাসেল-২ অনুসরণ করে।
মূলত ব্যাসেল-২ হচ্ছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য একটি দিকনির্দেশনা। তবে উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের কেন্দ ীয় ব্যাংকগুলো তাদের দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ব্যাসেল-২ বাস্তবায়নে নিজেদের মতো করে একটি গাইডলাইন তৈরি করে থাকে।


http://www.kalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Bank&pub_no=589&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=1
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #27 on: July 22, 2011, 08:40:00 AM »
দেশে তৈরি সবচেয়ে বড় জাহাজ যাচ্ছে জার্মানিতে

শুক্রবার | ২২ জুলাই ২০১১

বাংলাদেশে তৈরি এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎ জাহাজ যাচ্ছে জার্মানিতে। প্রায় ৯৪ কোটি টাকা সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রায় জাহাজটি রফতানি করছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ড।
গতকাল বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জের সোনার-গাঁওয়ের মেঘনা-ঘাটের আনন্দ শিপইয়ার্ড চত্বরে জাহাজটি রফতানির উদ্দেশ্যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জাহাজটির ক্রেতা প্রতিষ্ঠান জার্মানির 'কমরোস্কি মারিটিম জিএমবিএইচ'র প্রতিনিধিরা, জাহাজ তৈরিতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবু নাসের মোঃ আবদুজ জাহের, ব্যস্থাপনা পরিচালক আবদুল মান্নান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আনন্দ শিপইয়ার্ডের চেয়ারম্যান ড. আবদুল্লাহেল বারী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা বারী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ নাহিদ নিগার, নির্বাহী পরিচালক তারিকুল ইসলাম ও চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার নন্দন চন্দ্র দেসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৬ হাজার ১০০ টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ওই জাহাজটি জিএল ই৩ আইস ক্লাস মোতাবেক জার্মান পতাকা বহনকারী জাহাজ হিসেবে তৈরি হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য ১১০ দশমিক ৯০ মিটার, প্রস্থ ১৬ দশমিক ৫০ মিটার, গভীরতা ৮ দশমিক ২০ মিটার, ইঞ্জিনের ক্ষমতা ৪ হাজার ১০০ হর্সপাওয়ার এবং গতি ১২ দশমিক ৫০ নটিক্যাল মাইল


http://www.samakal.com.bd/details.php?news=48&action=main&menu_type=&option=single&news_id=175213&pub_no=759&type=
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #28 on: July 22, 2011, 08:43:15 AM »
Imports grow 35pc, pressure on BoP

Friday, July 22, 2011

Bangladesh's imports stood at nearly $32 billion in fiscal 2010-11, up 35 percent year-on-year.

Latest data showed imports grew in all major sectors from consumer items to intermediate goods, industrial raw materials, capital machinery and petroleum products.

Trade gap has widened to nearly $9 billion (for goods only) because of the much larger import base, creating a pressure on the declining balance of payments (BoP) that is now more than $500 million negative.

Bangladesh Bank (BB) data shows industrial raw materials, capital machinery and machinery for miscellaneous industries accounted for more than 54 percent of the country's imports for fiscal 2010-11.

Import of intermediate goods was nearly $2 billion or 7 percent of the total imports.

Import of petroleum and petroleum products, which is growing rapidly on additional demand to run rental power plants, constituted more than 10 percent of the total import values. Import of consumer goods was not far behind -- about $3.5 billion or 12 percent of the total imports.

Bangladesh's imports were $23.73 billion in 2009-10, up by only 5.47 percent from $22.50 billion a year ago.

Though analysts termed the trend in imports 'good' for the country's industrialisation, they said time has come to manage this high import growth, which they said 'not sustainable'.

“BoP is not in crisis, but 40 percent growth in imports is not sustainable,” said Sadiq Ahmed, vice chairman of Policy Research Institute and a former official of World Bank.

Bangladesh had record surpluses in the current account of the BoP in the past few years. The surplus was $2.4 billion in fiscal 2008-09 and $3.7 billion in fiscal 2009-10. Foreign exchange reserves increased from a low of $6.1 billion in June 2008 to $10.4 billion in June 2011.

The BoP situation changed dramatically in fiscal 2010-11. While exports of goods and services measured in nominal dollars grew even more rapidly than in the past, registering an expansion of 37 percent over the level in fiscal 2010, imports of goods and services increased at an unprecedented pace of 41 percent.

“As a result, the trade balance widened by 56 percent to $10 billion in 2010-11 from $6.4 billion a year ago,” said Ahmed, including the import of services. As compared to this, remittances grew modestly by 5.5 percent, he pointed out.

Besides managing high growth of imports, Ahmed suggested another option -- flow of foreign capital into the country -- to manage the situation prudently. “All the adjustments should not be on the exchange rate,” he added.

“There is nothing to be worried,” said Monzur Hossain, senior research fellow of Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS).

Hossain suggested restriction on import of fancy items and facilitation of $1 billion credit to be provided by the International Monetary Fund as short term remedies to address the situation.

Dr Nazneen Ahmed, a senior research fellow of BIDS, said recovery of world economy and relatively cheaper credit provided in 2009 and 2010 have encouraged industrialists to go for expansion and accordingly, import of machinery and raw materials.

“Recovery of global financial crisis has increased the demand for our products,” said Nazneen Ahmed.

http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=195167
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ForhadFaysol

  • Newbie
  • *
  • Posts: 40
  • Nothing is impossible if i wish
    • View Profile
    • pathik69
ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) গ্রাহকদের জন্য ‘ইবিএল ৩৬৫’ নামে নতুন একটি সেবা চালু করেছে। প্রাথমিকভাবে রাজধানীর নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড ও উত্তরায় নতুন সেবাকেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সেবাকেন্দ্রগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ইবিএলের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কনজিউমার ব্যাংকিং প্রধান মুখলেসুর রহমান। এ সময় ব্যাংকের হেড অব ব্র্যান্ডস অ্যান্ড মার্কেটিং জিয়াউল করিম, হেড অব এডিসি জাহিদুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনকৃত ইবিএল ৩৬৫ সেবাকেন্দ্রগুলো ১৮৬ নিউমার্কেট; ২৩৪ এলিফ্যান্ট রোড ও উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের লেক ড্রাইভ রোডে অবস্থিত।
নতুন এ সেবাকেন্দ্রগুলোতে বছরের ৩৬৫ দিনই ২৪ ঘণ্টা প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হবে।