Business News

Author Topic: Business News  (Read 15689 times)

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #30 on: July 25, 2011, 07:17:53 AM »
সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফায় ফাঁকি!

ঢাকা, ২৫ জুলাই, সোমবার ২০১১

চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পুনর্বিন্যাস করায় বিনিয়োগকারীরা আর্থিকভাবে তেমন একটা লাভবান হবেন না। আর পুরোনো বিনিয়োগকারীরা প্রকৃত হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এভাবেই সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় এক ধরনের শুভংকরের ফাঁকি তৈরি করা হয়েছে।
২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেটে মুনাফার হার বাড়ানোর কথা বলা হলেও মূলত সামাজিক নিরাপত্তা প্রিমিয়াম নামে বিনিয়োগকারীদের কিছু বাড়তি অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে শর্ত দেওয়া হয়েছে, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করে ফেললে সামাজিক নিরাপত্তা প্রিমিয়াম সুবিধা পাওয়া যাবে না। অর্থা ৎ বাড়তি অর্থ পাওয়া যাবে না। এতে মূলত সঞ্চয়পত্রগুলোয় আগের মুনাফার হার কার্যকর থাকছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম দিন বা ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রের বিদ্যমান মুনাফার হারের সঙ্গে শুধু সামাজিক নিরাপত্তা প্রিমিয়াম হিসাবে দশমিক ৩৮ শতাংশ থেকে ১ দশমিক ৩ শতাংশ পর্যন্ত হারে বাড়তি অর্থ প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলকে খুশি রাখার চেষ্টা করলেন অর্থমন্ত্রী। অন্যদিকে সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের একটু স্বস্তি দেওয়ার ধারণা দিলেন।
সামাজিক নিরাপত্তা প্রিমিয়াম দেওয়ার ফলে গ্রাহক পর্যায়ে সার্বিক মুনাফার হার কিছুটা বেড়েছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি সঞ্চয়পত্র পরিবার সঞ্চয়পত্র ও পেনশনার সঞ্চয়পত্রে বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। পরিবার সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফার হার বার্ষিক ১২ দশমিক ০৭ শতাংশ। এত দিন এই সঞ্চয়পত্রে এই হার ছিল ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ। পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার ১১ শতাংশের পরিবর্তে ১১ দশমিক ৮১ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার ১১ দশমিক ৫৫ শতাংশ, আগে যা ছিল ১১ শতাংশ। আর তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ দশমিক ৭৮ শতাংশ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ডাকঘর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হারও একই রকম বাড়ানো হয়েছে।
এই সামাজিক নিরাপত্তা প্রিমিয়াম আয় হিসাবে গণ্য করার সুযোগ না থাকায় এর ওপর উ ৎ সে কর বসবে না। কিন্তু প্রিমিয়াম বাদে মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ হারে উ ৎ সে আয়কর কর্তন প্রযোজ্য হবে।
যেমন, পরিবার সঞ্চয়পত্রের ওপর প্রিমিয়ামসহ মোট মুনাফার হার ১২ দশমিক ০৭ শতাংশ। এর মধ্যে মুনাফার হার ১১ শতাংশ আর প্রিমিয়াম ১ দশমিক ০৭ শতাংশ। ফলে কোনো গ্রাহক এক লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতিমাসে মুনাফা প্রাপ্য হবেন ৯১৬ টাকা ৬৭ পয়সা। আর ৫ শতাংশ হারে উ ৎ সে কর হিসাবে ৪৫ টাকা ৮৩ পয়সা কেটে রাখার পর প্রকৃত প্রাপ্তি দাঁড়াবে ৮৭০ টাকা ১৪ পয়সা। তবে সামাজিক নিরাপত্তা প্রিমিয়াম হিসাবে যুক্ত হবে ৮৯ টাকা ১৬ পয়সা। ফলে মাস শেষে ওই বিনিয়োগকারী হাতে পাবেন মোট ৯৬০ টাকা। অন্যদিকে এই সঞ্চয়পত্রে ১ জুলাইয়ের আগে যাঁরা বিনিয়োগ করেছেন, তাঁরা প্রতিমাসে পাবেন ৯২০ টাকা।
তবে কোনো বিনিয়োগকারী যদি পাঁচ বছরের মেয়াদের এই সঞ্চয়পত্রে এক লাখ টাকা বিনিয়োগ করে মেয়াদপূর্তির আগে নগদায়ন করেন, তাহলে প্রিমিয়ামের অর্থ কেটে রাখা হবে। যেমন, তিন বছর পর নগদায়ন করলে তিন বছরের (৩৬ মাসের) প্রিমিয়াম বাবদ তিন হাজার ২০৯ টাকা ৭৬ পয়সা কেটে রাখা হবে।
একইভাবে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে এক লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতিমাসে দশমিক ৮১ শতাংশ হারে সামাজিক নিরাপত্তা প্রিমিয়াম পাওয়া যাবে। প্রতিমাসে প্রিমিয়ামসহ মুনাফা পাওয়া যাবে দুই হাজার ৮১৫ টাকা। ১ জুলাইয়ের আগে যাঁরা এই সঞ্চয়পত্রটি কিনেছেন, তাঁরা মাসে মুনাফা পাবেন দুই হাজার ৭৫০ টাকা।
আবার ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের বিপরীতে মেয়াদ শেষে পাওয়া যাবে এক লাখ ৫৫ হাজার টাকা। ১ জুলাইয়ের আগে কেনা থাকলে তাতে মেয়াদ শেষে এক লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা পাওয়া যাবে।
তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে মুনাফা পাওয়া যাবে দুই হাজার ৫৬৫ টাকা। ১ জুলাইয়ের আগে কেনা থাকলে মুনাফা পাওয়া যাবে আড়াই হাজার টাকা।


http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-07-25/news/172776
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #31 on: July 25, 2011, 07:21:50 AM »

সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি
রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি বন্ধের আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের
ঢাকা, ২৫ জুলাই, সোমবার ২০১১


রিকন্ডিশন্ড গাড়ি (একবার ব্যবহূত) আমদানির বয়সসীমা দুই বছর কমিয়ে দিয়ে তিন বছর নির্ধারণ করা সরকারের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারকেরা।
একই সঙ্গে তাঁরা দ্বৈত প্রতিষ্ঠান দিয়ে গাড়ির মূল্য, বয়স ও মান পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন।
আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, দাবি মানা না হলে দেশে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর আমদানি বন্ধ হলে মধ্য ও উচ্চমধ্যবিত্ত ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাবে।
গতকাল রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) নেতারা এ আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেন। রাজধানীর বিজয়নগরে সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বারভিডার সভাপতি আবদুল মান্নান চৌধুরী।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বাজেটের পরই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এক পত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির বয়সসীমা পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর নির্ধারণ করে দিয়েছে। একই সঙ্গে জাপানের ‘জাই’-এর সঙ্গে ‘জেভিক’ নামক প্রতিষ্ঠান দিয়ে গাড়ির মূল্য, বয়স ও মান পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে।
আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, দেশের ৮০ শতাংশ গাড়ির চাহিদা মেটায় জাপান থেকে আমদানি করা রিকন্ডিশন্ড গাড়ি। কেননা, নতুন গাড়ির ১০ শতাংশ মূল্যে এসব গাড়ি কেনা যায়। এ ছাড়া রিকন্ডিশন্ড এসব গাড়ির স্থায়িত্বও অনেক বেশি।
ব্যবসায়ীরা জানান, বয়সসীমা কমানোর কারণে এখন অপেক্ষাকৃত নতুন গাড়ি আমদানি করতে হবে। কিন্তু চলতি বছরের মার্চে সুনামির পর জাপান থেকে রিকন্ডিশন্ড গাড়ির সরবরাহ কমে গেছে। এ জন্য বর্তমানে কয়েক গুণ বেশি দামে গাড়ি কিনতে হবে।
সহসভাপতি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের দেশে কোনো গাড়ি তৈরি হয় না, বরং নিজেদের ক্ষতি করে কেন তৃতীয় একটি দেশকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।’ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০০৯-১০ অর্থবছরে সরকার এই খাত থেকে তিন হাজার ৭৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে। এ ছাড়া ২০০৮-০৯ অর্থবছরে শুধু চট্টগ্রাম কাস্টমস থেকে সরকারের রাজস্ব আয় দুই হাজার ৬৬১ কোটি টাকা।
ব্যবসায়ীরা জানান, ২০০৯-১০ অর্থবছরে জাপান থেকে ৩২ হাজার ২২৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি হয়েছিল। সেখানে গত অর্থবছরে আমদানি করা হয় মাত্র ১৯ হাজার ৮২৩টি গাড়ি।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়িক নেতারা জাপান থেকে রিকন্ডিশন্ড প্রাইভেটকারের বসয়সীমা ছয় বছর, পণ্যবাহী পিকআপ ও মাইক্রোবাস আট বছর ও যাত্রীবাহী এসি বাসের ক্ষেত্রে ১০ বছর নির্ধারণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল হামিদ বলেন, কোষাধ্যক্ষ মো. ফারুক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আতিয়াল হাসান চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. ইকবাল প্রমুখ।
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #32 on: July 25, 2011, 07:29:16 AM »
ইআরএফের সেমিনারে
অর্থমন্ত্রীরাজনৈতিক বিবেচনাতেই আসছে নতুন ব্যাংক

ঢাকা, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০১১

রাজনৈতিক বিবেচনাতেই নতুন ব্যাংকের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাফ জানিয়েছেন, নতুন ব্যাংক দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। তবে রাজনীতিবিদদের সুবিধা দেওয়ার জন্য নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'মে বি, আই ডোন্ট নো'। অর্থাৎ হতে পারে, আমি জানি না।
অর্থনীতি ও বাণিজ্যবিষয়ক রিপোর্টারদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত বাজেট বাস্তবায়ন ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ক এক সেমিনারে অর্থমন্ত্রী গতকাল রবিবার এ তথ্য জানান। ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বোর্ড মিটিংয়ে মতামত দিয়েছে যে দেশের অর্থনীতির আকার অনুযায়ী নতুন ব্যাংকের প্রয়োজন নেই। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক স্টাডি করে বলেছে, অর্থনীতির আকার বিবেচনায় দেশে ব্যাংক বেশি হয়েছে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি নীতি গ্রহণ করে যে দেশে আর কোনো বেসরকারি ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এ অবস্থার মধ্যেই গত ২৯ জুন সংসদে অর্থমন্ত্রী নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
ব্যাংক কম্পানি আইন অনুযায়ী নতুন লাইসেন্স দেওয়া, না দেওয়ার এখতিয়ার বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে_এ তথ্য উল্লেখ করে সাংবাদিকরা জানতে চান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০০৬ সাল থেকেই নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার বিপক্ষে। তা সত্ত্বেও সরকার এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিল কেন?
জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, 'বাংলাদেশ ব্যাংক কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা জানি না। আমি বাংলাদেশ ব্যাংককে পরামর্শ দিয়েছি যে সরকার নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দিতে আগ্রহী। কিভাবে তা দেওয়া যায় তা জানাতে বলেছি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। তবে ব্যাংকগুলোর মুনাফার দিকে তাকালে মনে হয় না যে বিদ্যমান ব্যাংকগুলোর অবস্থা দুর্বল। দেশের অর্থনীতির আকারও বেশ বেড়েছে।'
'সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পর্ক আলাদা করা কঠিন। সরকারই বাংলাদেশ ব্যাংককে নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে। তবে এবারই সম্ভবত শেষবারের মতো নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে উৎসাহিত করছি আমরা'_বলেন অর্থমন্ত্রী।
বাজেট বাস্তবায়ন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে সে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাড়তি আমদানির কারণে লেনদেনের ভারসাম্য বেশ চাপের মধ্যে পড়েছিল। আমদানি একইহারে বাড়তে থাকলে অনেক বিপদ হতো। বাজেটে আমদানি নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এর সুফল পাওয়া শুরু করব। এ ছাড়া রপ্তানিখাতগুলোর জন্য আগের বছরের মতোই নগদ সহায়তা বহাল রাখা হয়েছে। ফলে চলতি অর্থবছর ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, তা অর্জিত হওয়াই স্বাভাবিক।
মুদ্রার বিনিময় হার সম্পর্কে বলতে গিয়ে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, মার্কেটে বেশি হস্তক্ষেপের কারণেই আগে ডলারের মূল্য ৬৯-৭০ টাকায় ছিল। এত বেশি হস্তক্ষেপ করা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। এখন যে ডলারের মূল্য ৭৩-৭৪ টাকায় পেঁৗছেছে এটি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করেন তিনি।
শেয়ারবাজারের সম্প্রতি ধস সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'পুঁজিবাজারের তথাকথিত ধস বাজেটের আগেই হয়েছে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বিধিমালা সংস্কারে মনোযোগ দিয়েছে। বুক বিল্ডিংয়ের খসড়া তৈরি করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। তবে বুক বিল্ডিংয়ের জন্য অপেক্ষা না করেও আইপিও আসতে পারে। এরই মধ্যে দু-একটি কম্পানি আইপিও ছাড়ার চুক্তি করেছে। আরো কয়েকটা আলোচনা হচ্ছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও বাজারে আনার চেষ্টা চলছে। বরাবরের মতোই প্রতিষ্ঠানগুলো অবশ্য আপত্তি জানাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'
দেশের বীমা কম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন অনেক কম উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিশোধিত মূলধনের আকার ৫০ কোটি থেকে ১০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আর্থিক খাতে আরো বেশি নজরদারি প্রয়োজন।
আদমশুমারি পরিচালনার সময় তথ্য সংগ্রাহকরা কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর বাড়িতে যাননি উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'আমার বাড়িতে যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁরাও বেশি পরিপক্ব ছিলেন না। তবে এমনটা সব সময়ই হয়ে থাকে।' বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা পরিষদ (বিআইডিএস) নমুনা জরিপ চালাচ্ছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সেপ্টেম্বর মাসে তাঁদের প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। তবে আমার ধারণা, প্রবাসে বসবাসকারী বাংলাদেশিসহ দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৩০ লাখ থেকে ১৬ কোটি ৫০ লাখের মতো হতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সাড়ে তিন কোটি টন খাদ্যশস্য উৎপাদন হচ্ছে। পুরনো হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু ১৬ আউন্স চাল হিসাব করলে খাদ্য উদ্বৃত্ত থাকার কথা। কিন্তু দেশে মোটা ধান উৎপাদন কমে গেছে। তাই পুরনো ওই হিসাব এখন আর খাটছে না।

http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Recipe&pub_no=592&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=0

Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #33 on: July 25, 2011, 07:36:37 AM »
নতুন অনলাইন পরিশোধ ব্যবস্থা আসছে

সোমবার | ২৫ জুলাই ২০১১

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও নিরাপদ ও সহজ অনলাইন পরিশোধ পদ্ধতি চালুর চিন্তাভাবনা করছে। এ ক্ষেত্রে 'পে পাল' নামক অত্যাধুনিক অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম চালুর বিষয়টিও বিবেচনায় স্থান পাচ্ছে। বহুল ব্যবহৃত এ পদ্ধতি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চালু আছে। 'পে পাল' ব্যবস্থায় ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের নম্বর গোপন রেখে পাওনা পরিশোধ করা যায়। শনিবার রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে ব্যাংকার্স চিফ টেকনোলজি অফিসার্স ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান 'পে পাল' চালুর চিন্তাভাবনার কথা জানিয়েছেন। গভর্নর বলেন, 'আউটসোর্সিংয়ের কাজকে শহর ও গ্রামের তরুণ আইটি উদ্যোক্তা ও কর্মীদের জন্য রেখে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণে রেখে পে পালের মতো পেমেন্ট সিস্টেম চালু করার কথাও ভাবছি। ভারত যেমনটি করেছে আমরাও তা করতে পারি।' তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বজনীন ভূমিকা বা অবদান অনস্বীকার্য। তথ্যের সহজলভ্যতা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থার নিশ্চয়তা প্রদান করে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী বা স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে সাহায্য করে। ডিজিটাল প্রযুক্তির ফলে কোনো জিনিস সহজে হাতের নাগালে পাওয়া যায় বা যে কোনো স্থান থেকে সেবা পাওয়া যায়, সেবাকে ভোক্তার দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়া যায় ফলে ব্যবসায়িক লেনদেনের মূল্য কমে যায়। উদ্ভাবনশীলতা, লেনদেনের মূল্য হ্রাস এবং সর্বোপরি প্রতিযোগিতার সুষ্ঠু পরিবেশ প্রকারান্তরে বিনিয়োগ পরিবেশকে উন্নত করে যার ফলে সরকারি বেসরকারি উভয় খাতের কর্মদক্ষতা বেড়ে যায় ।
গভর্নর আরও বলেন, দেশে ডিজিটাল ব্যাংক ব্যবস্থা গড়ে তোলার স্বার্থে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনলাইন ব্যাংকিং, ই-কমার্স, ই-টেন্ডারিং, ই-রিত্রুক্রটমেন্ট, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাংকিং সেবার ব্যবস্থা ইত্যাদি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। গত দু'বছর বাংলাদেশ ব্যাংক একটি আধুনিক ও নিরাপদ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম চালু করার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস গড়ে তোলা হয়েছে, যা দেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। গত ১৯ জুলাই তারিখে একটি স্বচ্ছ, ভোগান্তিবিহীন, নির্ভরযোগ্য এবং গতিশীল তথ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের ব্যবসায় বাণিজ্য তথা সামগ্রিকভাবে অর্থনীতির বিকাশে ক্রমবর্ধমান ঋণ চাহিদা পূরণ করে সামষ্টিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধনে ব্যাপক ভূমিকা পালন করার প্রয়াসে সিআইবি অনলাইন করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশের ব্যবসায় বাণিজ্যের খরচ কমবে এবং সহজে ব্যবসা করার সংস্কৃতির সম্প্রসারণেও এই উদ্যোগ একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে ।


http://www.samakal.com.bd/details.php?news=48&action=main&menu_type=&option=single&news_id=176193&pub_no=762&type=
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #34 on: July 25, 2011, 07:40:14 AM »
BB suggests issue of bonds
The move aims to ease stress on balance of payments

Monday, July 25, 2011

The central bank has recommended the government issue bonds on the international market against major public-sector infrastructure projects, including the new Padma Bridge, to reduce pressure on balance of payments (BoP).

Bangladesh Bank last week put forward a set of recommendations to ease pressure on BoP, and its board held an exclusive meeting with Finance Minister AMA Muhith on the matter.

The finance minister while replying to a query from reporters at a meeting with Economic Reporters' Forum at the National Press Club yesterday said they have got such recommendations from the BB and “this has already been acted on”.

He also said the government is trying to ease the conditions for taking loans from abroad which was approved by a government hard term loan committee headed by the central bank governor.

Finance ministry officials said the BB in a report has analysed the external balance situation and observed that heavy import payment financed by domestic credit coupled with declining foreign financing has created pressure on the exchange rate of the taka.

The central bank also said, if foreign resource inflow does not improve to the expected level, the reserve will fall further and depreciation pressure on the taka may continue to worsen, with attendant increase in inflationary pressure.

Though the overall balance of the external sector remained surplus in recent times, there was a deficit of $747 million in the July-May period of the last fiscal year. It was a $2.66 billion surplus in the same period of the previous fiscal year.

The taka is continuously losing ground to the dollar. On July 19, it depreciated around 7 percent and the rate stood at Tk 74.58.

The BB said there may not be much scope of the government's targeting major further increase in foreign financing, the fiscal 2012 budget having already targeted doubling of the fiscal 2011 borrowing from traditional external sources.

The central bank said issuing bond in the external market is a realistic option for easing borrowing pressure on the domestic banking system.

The BB also said, instead of continually adding on numerous new ADP project undertakings reliant solely on domestic financing, completion of the large number of donor supported projects in pipeline should be accorded priority.

This will help ease pressure on the limited foreign exchange liquidity in the domestic market, it said.

The BB and the domestic banking sector can facilitate term borrowing by entrepreneurs of private sector industrial projects for investment needs.

The large difference between borrowing interest rates in the taka and in foreign exchange is now large enough to cover exchange risks, making such borrowing viable for projects with taka income as well as export oriented ones, the BB said.

http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=195641
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #35 on: July 25, 2011, 07:47:53 AM »
Govt borrowing and money market developments: The real situation


In the recently ended fiscal year government has borrowed TK 204 billion from the banking sector which was negative TK 38 billion, implying a repayment by the government to the banking system in the preceding fiscal year (FY). Based on these numbers there have been arguments from different quarters that government's fiscal policy is crowding out private sector credit and investment and contributing to the ongoing money market tensions. The analysis presented bellow attempts to identify the real situation, based on data published by Bangladesh Bank (BB) and recent press reports.
To finance fiscal deficits, Government of Bangladesh domestically borrows from two sources-the banking system and non-bank sources. The latter takes place primarily in the form of sales of Shonchoy Patra or national savings scheme (NSS) instruments of different maturities/types. We need to understand that the money borrowed through NSS or from commercial banks essentially comes from the same source--deposits of the households with the bank and non-bank institutions. Depending on their respective rates of return, measured by interest rates offered under different instruments, households decide where to invest their financial savings in banking or non-bank instruments.
In years when returns on NSS instruments were higher relative to deposit rates of bank, as it was in FY10, households deposited more money in NSS instruments. Consequently, government's non-bank borrowing exceeded it planned borrowing target by a big a margin. The Government ended up borrowing TK 124.2 billion in FY10 compared to only TK 38 billion in its budgetary plan for the fiscal year. In contrast, in FY 11 when the deposit rates of commercial banks had increased relative to that of NSS instruments, people switched their deposits from NSS to banks. As a result, compared to the non-bank borrowing target of TK 80 billion in FY 11, net borrowing was only TK 24.4 billion during the first 11 month of the fiscal. In essence the money which could have been deposited with NSS ended up in banks due to higher interest rates offered by them (banks).
 What we see from the above analysis is that the borrowing from bank and non-bank sources is dependent on relative interest rate policy and the amount not received from non-bank has essentially fueled deposit growth of commercial banks. As a result growth of deposit of DMBs has increased at a higher rate than previous fiscal.
The developments described above indicate that since NSS and banking system are part of same financial system, what is important is to looking at domestic borrowing of the government, which includes banks and non-banks and not to focus exclusively on only the component of government borrowing from the banking system. On this basis, we now look at whether the government sector really borrowed what it had planned from the domestic sectors.

Domestic Borrowing of Government   Billion taka
                                      Budget FY 11   Actual FY 11   Budget FY 10   Actual FY 10
Bank Borrowing                            156.8    203.9                   167.6    -37.9
Bangladesh Bank                                96.4                             -66.3
DMBs                                              107.5                              28.4
Non-Bank Borrowing                       80.0      32.0*                    38.0          124.2
Total Domestic Borrowing              236.8    235.9                      205.6    86.3
* Non-bank borrowing is an estimate based on developments up to April 2011

 According to the government plan in FY 10, domestic borrowing was supposed to be TK 205.6 billion but actual borrowing was only TK 86 billion. In FY 11 budget, government announced to borrow TK 236.6 billion from domestic sources and in the event actual borrowing was about  TK 236 billion. Thus despite the surge in domestic borrowing over the preceding year, actual borrowing was very much in line with what was planned for at the time the budget was announced.
In FY 11 what really changed is the distribution of borrowing between bank and non-bank sources of financing. The amount that the government could not borrow from the non-bank source as per its original plan was largely compensated by borrowing from the banking system. At the same time, due to lesser government borrowing in the form of NSS instruments, bank deposits also increased markedly. Bank deposits increased by TK 645 billion in last twelve month up to April in FY11, compared with an increase of TK 582 billion in FY10. Thus one can argue that the increase in banking sector deposits essentially covered the additional borrowing requirement of the government without exerting any additional pressure on the banking system.
The point I wanted to make above is that, fiscal management in FY11 despite its deficiencies in some areas, cannot be blamed for current money market situation and for crowding out private sector investment. The prevailing tightness in liquidity in the money market is primarily attributable to excess lending to the private sector and to a limited extent due to increased borrowing by the public sector enterprises.
While I do not see any major problem emerging from the overall level of government borrowing in FY11 from the banking sector, I find a major problem in the reported composition of government borrowing. Based on press reports, out of TK 204 billion borrowed from the banking sector TK 96.4 billion came from Bangladesh Bank (BB), which in my view is a major concern. As we all know, borrowing from BB is not same as borrowing from deposit money banks (DMBs). BB's lending to the government sector essentially means printing of money which is called high powered money and with money multiplier being around 4, one unit increase in high powered money will result in a four-fold increase in broad money or liquidity expansion over the course of the year.
It would have been highly desirable on the part of BB to refrain from injection of such a large quantity of high powered money into the economy in the final months of the fiscal year. BB should have forced the government to borrow from the DMBs. It would have forced commercial banks to contain their level lending to the private sector and would have also entailed higher interest rates on treasury bills.
Instead of allowing money market operate properly, BB injected the liquidity which essentially monetized large part of the government borrowing instantaneously. The effect of such a large scale monetization of the fiscal deficit, if not sterilized, will be seen in the form of higher inflation and a further depreciation of the exchange rate in coming months. The second bubble currently forming in the capital market may also be partly attributable to the liquidity injection by BB. This injection of high powered money has largely happened in May and June, the last two months of the fiscal year. BB should mop up the recent injection of liquidity without any delay and we look forward to seeing definite steps to this end in its forthcoming Monetary Policy Statement. (The writer is executive director, Policy Research Institute of Bangladesh.

http://www.thefinancialexpress-bd.com/more.php?news_id=143956&date=2011-07-25
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #36 on: July 27, 2011, 07:23:33 AM »
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই মুদ্রানীতির লক্ষ্য হওয়া উচিত নয় :
বিশ্লেষকদের অভিমতপ্রাক্কলনের সঙ্গে মিল নেই বাস্তবতার


ঢাকা, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০১১,

ছয় মাস আগে ঘোষিত সর্বশেষ মুদ্রানীতিতে অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধি ২০ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছিল। কিন্তু মে মাসের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে, তা ২৮.২৯ শতাংশ। বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ১৫.২ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রাক্কলন করা হলেও মে শেষে তা এসে দাঁড়িয়েছে ২৭.৫ শতাংশ। মুদ্রা সরবরাহের প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশ প্রাক্কলন করা হলেও মে শেষে তা দাঁড়িয়েছে ২১.৮৮ শতাংশ। টাকার অবচয় ৪ শতাংশ প্রাক্কলন করা হলেও তা হয়েছে ৭ শতাংশ। প্রাক্কলনের চেয়ে বাস্তবের এ ব্যবধান শুধু গত মুদ্রানীতিতেই নয়, এ পর্যন্ত প্রণীত সব মুদ্রানীতিতেই দেখা গেছে। তবু বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি ছয় মাসে একবার করে মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বলছে কৃষি, শিল্পসহ সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি কেমন হবে, কতখানি মূল্যস্ফীতি দেশের অর্থনীতির জন্য সহনীয় হবে, মুদ্রা সরবরাহ ও ব্যক্তি খাতে ঋণ কেমন হওয়া উচিত, সরকার সর্বোচ্চ কতটুকু ঋণ নিলে ব্যাংক খাতে চাপ পড়বে না। বছর শেষে দেখা যায়, মূল্যস্ফীতি, মুদ্রা সরবরাহ ও ঋণের প্রবাহ প্রাক্কলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না।
খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অর্থনীতির বিশ্লেষকদের মতে, শুধু মুদ্রানীতি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি হয় প্রধানত সরবরাহ ঘাটতি থেকে, যা মুদ্রানীতি দিয়ে সারানো যাবে না। সরবরাহের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতির সঙ্গে সরকারের রাজস্ব নীতির সমন্বয়ের তাগিদও দেন তাঁরা। ডলারের বিপরীতে টাকা ক্রমাগত মূল্য হারাচ্ছে। এতে আমদানি খরচ বেড়ে গিয়ে ভোক্তাপর্যায়ে চাপ পড়ছে। বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ব্যাংককে তাঁরা আরো সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন।
কোনো কোনো বিশ্লেষকরা মনে করেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই মুদ্রানীতির একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের দরকার উচ্চতর প্রবৃদ্ধি। সেটি অর্জন করতে হলে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যায়েই বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তাই মুদ্রা সংকোচন নয়; বরং সতর্কতার সঙ্গে কিছুটা সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতিই অনুসরণ করতে হবে। তাঁদের যুক্তি, ঋণ বেশি হলে ক্ষতি নেই, যদি তা উৎপাদনমুখী ও জরুরি অবকাঠামো খাতে ব্যয় হয়।
সামষ্টিক অর্থনীতিকে সঠিক কাঠামোর মধ্যে রাখার জন্য ২০০৬ সাল থেকে অর্ধবার্ষিক মুদ্রানীতি ঘোষণা শুরু করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তখনকার গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। সেই থেকে বছরে দুবার নিয়মমাফিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করে আসছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান গভর্নর ড. আতিউর রহমান আজ ঘোষণা করবেন দ্বাদশ মুদ্রানীতি। এবারও সংকুলানমূলকের মোড়কে বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমুখী মুদ্রানীতিই নিচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ বিষয়ে কালের কণ্ঠকে জানান, বিশ্ববাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি বেড়ে যাওয়ায় ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে বাজেটে প্রত্যাশিত (ফিসক্যাল পলিসি) মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য বাজেটে প্রত্যাশিত মূল্যস্ফীতি (সাড়ে ৭ শতাংশ) থেকে বাড়িয়ে ৮ শতাংশের কাছাকাছি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে আজ সংকুলানমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মুদ্রানীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি যথাসাধ্য সহনীয় রাখা এবং বাজেটে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক খাতগুলোয় বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়কে বিবেচনায় নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মুদ্রানীতিতে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে যাওয়া ও কিছু খাতে অপ্রয়োজনীয় আমদানি কমায় সরকারকে করসীমা বাড়ানোর পরামর্শ, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃব্ধি কমানোর ঘোষণা থাকছে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস)-এর মহাপরিচালক ড. মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশে মুদ্রানীতির মৌলিক লক্ষ্য হওয়া উচিত দারিদ্র বিমোচন। উচ্চ প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যাতে মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেভাবেই মুদ্রানীতি প্রণয়ন করতে হবে। শুধু মূল্যস্ফীতি কমানোই লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুজেরী বলেন, প্রতিবছরই দেখা যায় প্রাক্কলনের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই। ঋণ বা মুদ্রা প্রবাহ বৃদ্ধি সব সময়ই প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি হয়। এতে বোঝা যায়, প্রাক্কলনগুলো সব সময় বাস্তবভিত্তিক হয় না। প্রাক্কলনের সঙ্গে বাস্তবতার ফারাক দূর করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়াতে হবে।
অর্থনীতি বিশ্লেষক মামুন রশীদ বলেন, এবারের মুদ্রানীতির প্রধান পরীক্ষা হবে মূল্যস্ফীতিকে সহনীয় পর্যায়ে রেখে প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করা। ইতিমধ্যে মুদ্রা সরবরাহ ও বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়ে গেছে। গত মুদ্রানীতিতে ঋণ সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৮ শতাংশ, শেষ পর্যন্ত তা ২৯ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। ঋণপ্রবাহ বাড়ার কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত খাতে অর্থ চলে গেছে। ঋণের টাকা যাতে উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংককে কঠোর তদারকি করতে হবে। আমরা চাই, অর্জন করা সম্ভব_এমন লক্ষ্যমাত্রাই নির্ধারণ করা হবে মুদ্রানীতিতে।
বিআইডিএসের সাবেক মহাপরিচালক কাজী শাহাবউদ্দিনের মতে, সংকুলানমূলক মুদ্রানীতিই বাংলাদেশের জন্য কাম্য। সরবরাহের সমস্যার কারণে এমনিতেই মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, মুদ্রা বা ঋণপ্রবাহ বেশি সম্প্রসারণ করলে মূল্যস্ফীতি আরো বাড়বে।
গবেষণা সংস্থা উন্নয়ন অন্বেষণের চেয়ারম্যান ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও রাজস্ব নীতির সঙ্গে সমন্বয়ের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ব্যবস্থাপনার বিষয়টি এবারে বাংলাদেশ ব্যাংককে মাথায় রাখতে হবে।
বাংলাদেশে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, মূল্যস্ফীতি ৮.৮৮ শতাংশ, জাতীয় প্রবৃদ্ধি ৬.৬৬ শতাংশ এবং মানি ভেলিসিটি ৩ শতাংশ ধরলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ১৮.৫৪ শতাংশের ওপরে হওয়ার কথা নয়। কেন্দ ীয় ব্যাংকের গত ছয় মাসের আগাম মুদ্রানীতিতেও বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ ১৫.২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু গত মে মাসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি বেড়ে হয়েছে প্রায় ২৭.৫ শতাংশ। এটা অস্বাভাবিক বলে মনে করা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য এ মুহূর্তে ঋণ সংকোচনের কোনো বিকল্প নেই। তাই এবারের মুদ্রানীতিতে অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধি ২০ শতাংশ এবং বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ১৮ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে।
ঋণ সংকোচনের বিষয়ে তিনি জানান, এতে সুদের হার বেড়ে গিয়ে পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। এমনিতেই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলসহ ভোগ্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম বেড়েছে। এর ওপর পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বাড়লে মূল্যস্ফীতিকে আরো উসকে দেবে। মুদ্রা সরবরাহের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে মুদ্রা সরবরাহ আরো বেড়ে যাবে। আর মুদ্রা সরবরাহ বাড়লে মূল্যস্ফীতি বাড়তে সহায়ক হবে। এ ছাড়া আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এমনিতেই বর্তমানে কিছু কিছু ব্যাংকের তারল্য সংকট চলছে। এ তারল্য সংকট মেটাতে ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল ও বন্ড বন্ধক রেখে রেপোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ধার নিচ্ছে। অপরদিকে বর্তমানে পুঁজিবাজারেও তারল্যপ্রবাহ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। তাই ফিসক্যাল পলিসিতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। ইতিমধ্যেই এ বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এক পত্রের মাধ্যমে তা অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রাক্কলনের সঙ্গে বাস্তবের ফারাক প্রসঙ্গে ওই কর্মকর্তা বলেন, মূল্যস্ফীতির ওপর মুদ্রানীতির প্রভাব আসলে কতটুকু, তা নির্ণয়ের মানদণ্ড কোথাও আবিষ্কার হয়নি। তবে বলা চলে মনিটরি পলিসি দ্বারা খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তবে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা অতি নগণ্য। আমাদের দেশে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিতে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভূমিকা রাখে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি; কিন্তু বাকি দুই-তৃতীয়াংশই খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি। মূল্যস্ফীতি ছাড়া বাকি যে ক্ষেত্রগুলোয় প্রাক্কলনের সঙ্গে বাস্তবের যে ব্যবধান, সেখানে ভূমিকা রাখতে বার্ষিক পলিসি। বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন সময়ে সরকারগুলোকে যে পরামর্শ দেয়, তারা তা বাস্তবায়ন করে না। যেমন এবারও বাজেটের আগে বাংলাদেশ ব্যাংক আট দফা সুপারিশ সরকারকে করেছিল; কিন্তু ঘোষিত বাজেটে এসবের প্রতিফলন ঘটেনি।
http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=International&pub_no=594&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=0
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #37 on: July 27, 2011, 07:27:01 AM »
SEC forms committee to examine proposed prices for IPO

Wednesday, July 27, 2011
The Securities and Exchange Commission has formed a committee to review price proposals of companies seeking to list on the stockmarket using the fixed price method.

Members of the committee will be presidents of the Institute of Chartered Accountants of Bangladesh and the Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh, chief executive officers of Dhaka and Chittagong stock exchanges, and chairman of finance or accounting department of Dhaka University or a representative nominated by the department.

The committee was formed at a meeting of the stockmarket regulator in Dhaka yesterday with SEC Chairman Professor M Khairul Hossain in the chair.

In another move, the SEC decided to form a committee to examine the errors made by authorised representatives of brokerage houses, said Saifur Rahman, an SEC executive director.

After scrutinising the errors, the committee will submit a recommendation to the commission on formulation of a guideline on authorised representatives.

The SEC also decided to send the proposed draft guidelines on book building rules amendment to the stakeholders for their observation.

At the meeting, the regulator also approved rights offer of United Airways, and allowed Beximco to increase its paid-up capital.

The United Airways will offer one rights share for each existing share at an issue price of Tk 15, including Tk 5 as premium, Rahman told reporters.

The airline, with existing paid-up capital of Tk 210 crore, will raise Tk 315 crore through floating 21 crore rights shares.

The United Airways sought Tk 10 as premium, but the SEC approved Tk 5 as premium.

The SEC official also said Beximco sought approval from the commission to increase its paid-up capital, as the company is going to acquire one of its subsidiary company, Bextex.

Beximco will issue 10.72 crore new shares of Tk 10 each totaling Tk 107.28 crore.

Earlier, Beximco and Bextex won approval from the High Court for their previously announced amalgamation.

Beximco Textiles (commonly known as Bextex) will merge with Beximco, the flagship company of Beximco Group, at an exchange ratio of one Beximco share for five Bextex shares.

http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=195925
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #38 on: July 27, 2011, 07:28:17 AM »
Meghna Petroleum, Jamuna Oil to offload shares



In an ice-breaking move two state-owned companies announced offloading their shares in the stockmarket, which declined yesterday as a reaction to the mid-day news.

Shares of Meghna Petroleum and Jamuna Oil Company, both already listed, will be offloaded in the secondary market within the next 30 working days through Investment Corporation of Bangladesh (ICB), according to web postings of the Dhaka Stock Exchange yesterday.

The state-run Bangladesh Petroleum Corporation (BPC), the major corporate sponsor of both Meghna and Jamuna, will sell 17 percent shares of the two companies at market prices from its stakes in Meghna Petroleum and Jamuna Oil.

The BPC, which enjoys monopoly in the domestic petroleum market, has announced selling 54.97 lakh shares out of its total holdings of 3.23 crore shares of Meghna Petroleum, and 53.55 lakh shares of Jamuna Oil out of its total holdings of 3.15 crore shares.

Analysts said, although the government shares were supposed to be offloaded in the market a long time ago, the delayed entry is welcomed and it will help the market to remain stable.

Though the move has left a temporary impact on particular share prices, there is nothing to be worried about, they said.

“It's the beginning and it will increase the supply side in the market,” said Salahuddin Ahmed Khan, a former chief executive officer of the DSE.

After the recent price debacle in the stockmarket, the demand was picking up again and it is the perfect time to release more shares in the market to meet the demand, he said.

“However, similar initiatives need to be taken to bring new private sector companies in the market,” added Khan.

Earlier on July 13, the banking division of the finance ministry issued a fresh directive to 23 state-owned enterprises (SoEs) to immediately offload shares on the bourses to increase the supply of shares.

As per the directive, companies which are already listed on the bourses were asked to release more shares.

Of the 23 SoEs, six are listed on the stockmarket that includes Titas Gas Transmission and Distribution Company, Meghna Petroleum, Jamuna Oil Company, Dhaka Electric Supply Company (Desco), Bangladesh Services and Bangladesh Shipping Corporation.

After the present government assumed power, the finance minister undertook several initiatives to make the public sector companies offload more shares. But the companies failed repeatedly.

Many observed that the failure of the public sector companies to offload shares was a reason behind the recent debacle in the stockmarket.

After the offloading news was posted on the trading server and DSE website, prices of other state-owned fuel and power companies, along with Meghna and Jamuna, declined on the floor.

On the premier bourse, each Meghna share dropped 3.87 percent to Tk 197.70, while each Jamuna share slid by 3.91 percent to Tk 273.70, Powergrid 1.23 percent to Tk 811.75, Titas 1.8 percent to Tk 843.75 and Desco 2.3 percent to Tk 1,730.50.

The impact is temporary caused by the share offload news and there will not be any serious problem, said Ahmad Rashid Lali, a stockbroker and a director of the prime bourse.

“We welcome the government move of offloading more shares in the market,” he said, adding that it will impact the market positively and will help the market to remain stable in future.

The fall in state-owned companies' shares also led other firms to close negative.

The benchmark index of the Dhaka bourse, DGEN, fell 54 points, or 0.8 percent, to 6,642, while the Selective Categories Index of Chittagong Stock Exchange declined 63 points, or 0.5 percent, to 12,226.

Losers beat gainers 171 to 86 with seven remaining unchanged on the DSE, which traded over 17.55 crore shares and mutual fund units on a value of Tk 1,680 crore.

Of the traded issues on the CSE, 61 advanced, 137 declined and six remained unchanged. More than 2.01 crore shares and mutual fund units worth Tk 167 crore changed hands on the port city bourse.

http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=195924
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #39 on: July 28, 2011, 07:37:44 AM »
বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি কমবে

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই ২০১১


অনুৎপাদনশীল ও অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসায় ঋণ কমানো এবং উৎপাদন খাত, কৃষি, ব্যবসা ও অন্যান্য সেবা খাতে অর্থের জোগান নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
নতুন মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতির হ্রাস টানতে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের জোগানকে খানিকটা কমিয়ে আনা হয়েছে। তবে জাতীয় বাজেটে সরকারের ব্যাংক ঋণের বড় লক্ষ্যমাত্রা থাকায় সেখানে খুব বেশি সংযত হতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
অবশ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে গিয়ে বলেছেন, ‘মোদ্দা কথা, প্রস্তাবিত মুদ্রানীতিটি হবে বাস্তবানুগ, সংযত ও সংহত।’
এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল বুধবার গভর্নর চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতি ঘোষণা দেন। এ সময় ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা, জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী, মুরশিদ কুলী খান, জ্যেষ্ঠ পরামর্শক আল্লাহ মালিক কাজেমীসহ শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন মুদ্রানীতিতে আগামী ছয় মাসে মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ। সরকারসহ রাষ্ট্রীয় খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ২৮ দশমিক ১০ শতাংশ। আর বেসরকারি খাতের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ১৮ শতাংশ।
সাধারণভাবে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে মূল্যস্ফীতির হার যোগ করে সমপরিমাণ মুদ্রা সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলে তাকে সংকুলানমূলক, এর চেয়ে কম হলে সংকোচনমূলক এবং তার চেয়ে বেশি হলে সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি বলা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে মুদ্রানীতির আদলটি অতটা গভীর ও কার্যকর নয়।
এক প্রশ্নের জবাবে আল্লাহ মালিক কাজেমী বলেন, ‘আমাদের এখানে আর্থিক গভীরতা বিবেচনা করে আমরা প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির হারের সঙ্গে ঋণাত্মক চেনজিং ইনকাম ভ্যালোসিটি অব মানি (মুদ্রার আয়ের গতিবেগ) বিবেচনায় নিয়ে থাকি।’ তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসাব করে দেখেছে, এখানে এই হার চার শতাংশের মতো। ফলে সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও সাড়ে সাত শতাংশ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে যোগ করে মুদ্রা সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, গত অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ ঋণ ২৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তুলনায় বেশি। বড় অঙ্কের ঋণ প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি বিদেশি তহবিল কমে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি ও লেনদেনের ভারসাম্যে চাপ বেড়েছে। এ অবস্থায় ঋণপ্রবাহে কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
তবে উৎপাদনশীল খাতে ঋণ অব্যাহত রেখে অপচয়ী, অনুৎপাদনশীল ও অনুমাননির্ভর বিনিয়োগের জন্য ঋণের লাগাম টেনে ধরতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধারণা, গত অর্থবছরে ঋণ প্রবৃদ্ধির কিছু ইতিবাচক ফল চলতি অর্থবছরে পাওয়া যাবে। এতে করে এবার সংযত ঋণ প্রবৃদ্ধি দিয়েই প্রত্যাশিত জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন করা যাবে।
অনুমাননির্ভর বিনিয়োগ বলতে শেয়ারবাজারকে বোঝানো হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আল্লাহ মালিক কাজেমী বলেন, শুধু শেয়ারবাজার নয়, আরও অন্য ধরনের অনুমাননির্ভর বিনিয়োগকেও বোঝানো হচ্ছে।
গভর্নর বলেন, চলতি অর্থবছরে জাতীয় বাজেটে প্রাক্কলিত সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিসহ অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অনুকূল ও স্থিতিশীল থাকতে হবে। একই সঙ্গে মূলধন হিসাবে বৈদেশিক অর্থপ্রাপ্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি না পেলে সাত শতাংশ জিডিপি অর্জন করতে গিয়ে আর্থিক প্রয়োজনীয়তা গত অর্থবছরের মতো মুদ্রাবাজারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে। এ ক্ষেত্রে অন্য নীতিগুলো পরিপূরক ও কার্যকর করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে, অভ্যন্তরীণ ঋণপ্রাপ্তির চাহিদা কমে যাবে যদি টাকার অতিরিক্ত অবমূল্যায়ন, লেনদেন ভারসাম্যের প্রতিকূলতা এবং সম্পদ-দায়ের মধ্যে সামঞ্জস্যহীনতা দূর করা যায়।
গভর্নর বলেন, ব্যাংকের সুদের হার, চার্জ ও কমিশনকে প্রতিযোগিতামূলক করা এবং গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক তার নজরদারি ব্যবস্থা আরও জোরদার করবে।
আতিউর রহমান বলেন, প্রধানত, বিশ্ববাজারে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্য মূলের অস্থিরতার কারণে গত অর্থবছর দেশের মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮০ শতাংশ হয়েছে, যা সংশোধিত জাতীয় বাজেটে প্রক্ষেপিত আট শতাংশের তুলনায় অনেকটা বেশি।
নতুন মুদ্রানীতিতে চলতি অর্থবছর শেষে অর্থাৎ ২০১২ সালের জুনে অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ২০ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে গত মে মাস শেষে অভ্যন্তরীণ ঋণের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৯ শতাংশ। আর অর্থবছর শেষে তা ২৭ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অপরদিকে মে মাস শেষে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ, যা জুন মাসের হিসাব নিয়ে ২৫ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে হিসাব করা হচ্ছে।
এর আগের কয়েকটি মুদ্রানীতিতে মুদ্রা সরবরাহ ও ঋণপ্রবাহ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি কেন জানতে চাইলে আল্লাহ মালিক কাজেমী বলেন, বিশ্বমন্দার কারণে দুই বছর ধীরগতির পর গত অর্থবছরে অর্থনীতিতে চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। পরিস্থিতির কারণে মুদ্রানীতির আদল ও বাস্তবতার মধ্যে বড় পার্থক্য তৈরি হয়।


http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-07-28/news/173520
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #40 on: July 28, 2011, 07:51:45 AM »
Spectrum fees by mid-August

hursday, July 28, 2011


The financial basics of the licence renewal guidelines for the telecom operators are expected to come in by mid-August.

The financial issues that will affect the licence renewal process of four Bangladeshi operators is hanging mid air as Finance Minister AMA Muhith is currently out of the country.

The procedure is currently awaiting approval, said ministry officials.

Furthermore, Telecommunications Minister Rajiuddin Ahmed Raju and Secretary Sunil Kanti Bose are also out of the country.

The finance ministry is responsible for fixing the financial matters, such as spectrum price, revenue sharing and social obligation fund. The ministry has previously declared that it would finalise the charges by mid-June, but that did not happen.

The telecom ministry submitted the licence renewal guidelines to the finance ministry by revising the Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission's (BTRC) draft proposal in May.

The telecom ministry proposed for a total of Tk 7824 crore for the four operators -- Grameenphone, Banglalink, Robi and Citycell as spectrum charge, while BTRC had proposed a total of Tk 12,118.

Revenue sharing and the social obligation fund charges were reduced by the telecom ministry.

In this situation, the three GSM and one CDMA operators are in a pressing situation, as they will have to complete the whole renewal process by November 10 this year. The renewal will be valid for the next 15 years.

Industry experts said after the finance minister approves the financial aspects, the telecom ministry will take sometime to complete the guidelines. There will be a time limit for the application procedure and money submission.

But before money collection, the operators will have to obtain internal approval from their own parent companies, as those are all foreign entities.

It would take another 6 to 8 weeks to get internal approval for the renewal, said Mahmud Hossain chief corporate officer of Grameenphone.

It will be cumbersome for the operators to organise the formalities of the renewal process and arrange the funds by November 10.

http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=196047
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #41 on: July 29, 2011, 07:46:12 AM »
পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনে দুর্বলতা
এসইসির নির্দেশিকা পরিপালন করছে না অনেক প্রতিষ্ঠান
ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ জুলাই ২০১১,



দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন দিয়েই চলছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানি।
কোম্পানিগুলোতে সুশাসন নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) একটি নীতিনির্দেশিকা প্রণয়ন করলেও তা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না।
ফলে সাধারণ শেয়ারধারীরা তাঁদের প্রকৃত অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এসইসি গত ফেব্রুয়ারি মাসে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন পরিস্থিতি নিয়ে একটি পর্যালোচনা প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
এতে দেখা গেছে, দুই স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ২৯৯টি কোম্পানির মধ্যে ১৯২টি কোম্পানি এসইসির নির্দেশিকা অনুসরণ করলেও গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন আছে।
এ ছাড়া ৯৩টি কোম্পানি আংশিকভাবে পরিপালন করলেও ১৪টি কোম্পানি তা একেবারেই মানছে না।
বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এসইসি-প্রণীত প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নির্দেশিকা পালনে কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।
‘পালন কর অথবা ব্যাখ্যা কর’ ভিত্তিতে নির্দেশিকাটি অনুসরণ করতে বলায় কোম্পানিগুলো এ ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শন করছে।
আবার যেসব কোম্পানি নির্দেশিকা শতভাগ অনুসরণ করছে বলে তথ্য দিয়েছে, তা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য, সেটা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। কারণ, এ ব্যাপারে এত দিন এসইসির তেমন কোনো নজরদারিই ছিল না। কোম্পানিগুলো এসইসির নির্দিষ্ট ফরমে উল্লিখিত বিভিন্ন ছকে ‘টিক’ চিহ্ন দিয়েই পার পেয়ে যাচ্ছে।
যোগাযোগ করা হলে এসইসির সদস্য আরিফ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এটি এসইসির অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। সাধারণ শেয়ারধারীদের সর্বোচ্চ স্বার্থসংরক্ষণ করার বিষয়টি মাথায় রেখেই এসইসির সংশ্লিষ্ট বিভাগ এ ব্যাপারে কাজ করছে।’
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘পালন কর অথবা ব্যাখ্যা কর’ নীতি থেকে বেরিয়ে এসে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নির্দেশিকা পরিপালন বাধ্যতামূলক করা যায় কি না, সে বিষয়টিও এসইসি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম এসইসির চেয়ারম্যান থাকার সময় প্রথমবারের মতো প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন-নীতি নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়। যোগাযোগ করা হলে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘সাধারণ শেয়ারধারীদের আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি কোম্পানিগুলো যাতে দক্ষতার সঙ্গে অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে, সে জন্যই প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নির্দেশনা প্রণয়ন করা হয়েছিল। প্রথমবারের মতো হওয়ায় সে সময় এটি পরিপালন বাধ্যতামূলক করা হয়নি। পৃথিবীর অনেক দেশেই এ নিয়ম রয়েছে। তাছাড়া বাধ্যবাধকতা আরোপ করলে নতুন কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসতে নিরুৎসাহিত হতে পারে এ বিষয়টিও চিন্তায় ছিল।’
মির্জ্জা আজিজ আরও বলেন, নির্দেশিকা পরিপালনের বিষয়টি বাধ্যতামূলক হলে ভালো। কিন্তু নজরদারি না থাকলে কেবল বাধ্যতামূলক আইন করলে ফল ভালো না-ও হতে পারে। তাই প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন পরিপালনে নজরদারি জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
জানা গেছে, বর্তমান এসইসির নতুন নেতৃত্ব বিষয়টিকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। এরই মধ্যে সংস্থাটির সংশ্লিষ্ট বিভাগে দক্ষ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও আর্থিক বিবরণীর স্বচ্ছতা বাড়াতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে পৃথক প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়ন বা করপোরেট ফাইন্যান্স (সিএফ) বিভাগ চালু করার নির্দেশ দিয়েছে এসইসি। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ জুলাই এ বিভাগের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ডিএসই।
পরিপালন: এসইসির প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নীতি নির্দেশিকায় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের আকার নির্ধারণ করে দেওয়া, স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ, চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী পৃথক ব্যক্তি হওয়াসহ ১৪টি বিষয় পরিপালনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
এসইসির ২সিসি ক্ষমতাবলে প্রণীত এ দিকনির্দেশিকায় বলা হয়, নির্দেশিকা পরিপালন করতে না পারলে তার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। তবে পরিপালনে ব্যর্থতার জন্য কোনো শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়নি।
পর্যালোচনা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন খাতের কোম্পানির মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নির্দেশিকা শতভাগ পরিপালনে এগিয়ে রয়েছে টেলিযোগাযোগ খাত। অবশ্য এ খাতে গ্রামীণফোন একমাত্র কোম্পানি।
এর পরই রয়েছে সিমেন্ট খাত। এ খাতের আটটি কোম্পানির মধ্যে সাতটি নীতিনির্দেশনা পরিপালন করেছে। সিমেন্ট খাতের পরই সিরামিক খাতের অবস্থান। এ খাতের পাঁচটি কোম্পানির মধ্যে নির্দেশনা অনুসরণ করেছে চারটি।
ব্যাংক ও অব্যাংকিং আর্থিক খাতের ৫১টি কোম্পানির মধ্যে সম্পূর্ণ অনুসরণ করেছে ৩৬টি, আংশিকভাবে করেছে ১৪টি এবং একেবারেই করেনি একটি কোম্পানি।
প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নির্দেশিকা পরিপালনে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলো। এ খাতের ৪৪টি কোম্পানির মধ্যে ২৬টি পরিপালন করলেও ১৩টি আংশিক পালন করেছে। আর পাঁচটি একেবারেই করেনি।
ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২৮টি কোম্পানির মধ্যে ১৮টি সম্পূর্ণ পরিপালন করেছে। আংশিক করেছে আটটি ও একেবারেই করেনি দুটি কোম্পানি।
বিমা খাতের ৪৪টি কোম্পানির ২৭টি সম্পূর্ণ ও ১৭টি আংশিকভাবে নির্দেশিকা অনুসরণ করছে। খাদ্য ও খাদ্যজাতীয় পণ্য খাতে ৩৪টি কোম্পানির মধ্যে ১৮টি সম্পূর্ণ এবং ১৫টি আংশিকভাবে করলেও একটি একেবারেই পরিপালন করেনি।
সম্প্রতিকালে পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক উত্থান ও তারপর বিরাট ধসের ফলে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সুশাসনের বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। নিয়ম পরিপালন না করাসহ নানা ধরণের অনিয়মের কারণে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন ওঠে এসইসির যথাযথ নজরদারির অভাব নিয়েও।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-07-29/news/173803
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #42 on: August 01, 2011, 07:23:26 AM »
ব্যাংকের মুনাফা বেশি দেখানোর কৌশল রোধে নতুন নির্দেশনা

তারিখ: ০১-০৮-২০১১

কোনো কোনো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায় হয়ে যাবে বা ঋণটি অবলোপন হবে, এমন বিবেচনা থেকে কর প্রদান বিলম্বিত (ডেফার্ড ট্যাক্স অ্যাসেট) করছে। কিন্তু বিলম্বিত হিসাব রেখেই ব্যাংক আর্থিক বিবরণী তৈরি করছে। এর ফলে ব্যাংকের কর-পরবর্তী মুনাফা ও সম্পত্তির পরিমাণ বেশি দেখানো হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমন কিছু প্রমাণ পাওয়ার পর নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এতে এখনো পরিশোধ করা হয়নি, এমন আয়করের হিসাব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিবরণীতে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে গতকাল রোববার এ নির্দেশনা পাঠিয়েছে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, ঋণ, অগ্রিম বা বিনিয়োগের বিপরীতে রক্ষিত সংস্থানের ওপর ভিত্তি করে ‘ডেফার্ড কর সম্পদ’ হিসাবভুক্ত করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণের মান অনুযায়ী অন্য যেসব বিষয়ের ওপর আয়কর আইন অনুযায়ী ভবিষ্যতে আয়কর সুবিধা পাওয়া যাবে, সেসব বিষয়ের ওপর এ ধরনের কর সম্পদ হিসাবভুক্ত করা হলে বিস্তারিত বিবরণ (ভিত্তি, পরিমাণ ও সমন্বয়ের সময়) আর্থিক বিবরণীর ব্যাখ্যামূলক অংশে উল্লেখ করতে হবে।
কোনো অবস্থাতেই ‘ডেফার্ড কর সম্পদ’ ও ‘ডেফার্ড কর দায়’কে নিট করে স্থিতিপত্রে দেখানো যাবে না।


http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-08-01/news/174463
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #43 on: August 01, 2011, 07:30:18 AM »
সেন্ট্রালাইজ্‌ড কোর ব্যাংকিং সিস্টেম বাস্তবায়ন করল এসআইবিএল

সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) শরিয়াহ কমপ্লায়েন্ট সেন্ট্রালাইজ্‌ড কোর ব্যাংকিং সিস্টেম বাস্তবায়ন করেছে। এতে ব্যাংকটি পুরোপুরি অনলাইন ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গত ৩০ জুলাই ব্যাংকের বোর্ডরুমে এই সাফল্যের জন্য ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান কামালউদ্দীন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আইটি কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ করেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ব্যাংকের বোর্ড অডিট কমিটির চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ চৌধুরী, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন, পরিচালক আবদুল জব্বার মোল্লা ও পরিচালক মো. সাইদুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Islamic&pub_no=599&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=6
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806

Offline ashiqbest012

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1186
  • I love my University
    • View Profile
Re: Business News
« Reply #44 on: August 01, 2011, 07:38:37 AM »
ADP spending improves a bit

Monday, August 1, 2011


The implementation of annual development programme (ADP) was better last fiscal year, rising by 27 percent compared to the previous year.

The government took an ambitious ADP last fiscal year and after a downward revision, 92 percent of the revised programme could be implemented finally.

In fiscal 2009-10, the implementation rate was 91 percent of the revised ADP.

The implementation of foreign aided projects went up by only 1.6 percent but local funded project implementation rose by 41 percent though its expenditure quality gave rise to questions inside the finance ministry.

Like the previous years, hurried and huge spending marked the last month of the last fiscal year when Tk 6,981 crore was spent against only Tk 836 crore in the first month of the fiscal year.

Economists frequently raise questions about hurried spending at the end of every fiscal year, which makes the expenditure wasteful and also creates liquidity crunch in the banking sector.

Zaid Bakht, research director of Bangladesh Institute of Development Studies, at a discussion on Bangladesh Bank's Monetary Policy Statement (MPS) said, as the ADP implementation gets rapid momentum at the end of the year, the government borrowing suddenly increases much.

Bakht said it creates liquidity crisis in the banks and also pushes up inflation.

Implementation Monitoring & Evaluation Division (IMED) officials said, at the end of a fiscal year, implementing agencies get the ADP allocations released and deposited into their accounts though the amount remains unspent, which results in showing of higher expenditure at the year-end.

About the government borrowing at the year-end, the central bank MPS said, every June government departments and offices rush for full withdrawal of their annual budgetary allocations, often depositing the funds drawn in accounts with scheduled banks.

About a huge increase in local fund utilisation, the finance ministry's budget department officials who oversee implementation by different ministries said it was good but it should be intensely monitored whether quality expenditure was ensured.

The central bank MPS also said, ensuring efficiency and preventing wastefulness in utilisation of the rapidly rising ADP expenditure allocations should be an area of priority attention.

According to an IMED report, last fiscal year ADP worth Tk 32,830 crore was implemented, whereas the revised allocation was Tk 35,880 crore. The original allocation was Tk 38,500 crore.

In fiscal 2009-10, the implementation was Tk 25,917 crore, which was 91 percent of the revised ADP. The local fund expenditure was Tk 23,166 crore or 97 percent of the allocation. The utilisation of project aid was Tk 9,665 crore which was 81 percent of the allocation.

A finance ministry official said, in case of releasing fund the development partners go for more scrutiny.

As the ministries fail to utilise foreign aid money, the amount of unutilised foreign aid in the pipeline is now more than $12 billion.

The finance ministry official also said, as the foreign aid could not be utilised, it was putting pressure on the balance of payments.

According to the IMED report, 10 ministries and divisions got allocation of 83 percent of the total ADP last fiscal year. Among the worst performers, bridge division spent 34 percent, health and family welfare ministry 91 percent, roads and railway division 82 percent and water resources ministry 89 percent.

A large portion of allocations to these ministries/divisions was foreign funded projects. So, their rate of implementation was low.

However, local government division spent 96 percent of the allocation, power division 99 percent, primary and mass education ministry 97 percent, education ministry 95 percent, agriculture ministry 98 percent and energy and mineral resources division spent 92 percent.

http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=196651



 
Name: Ashiq Hossain
ID: 121-14-696 & 083-11-558
Faculty of Business & Economics
Daffodil International University
Cell:01674-566806