লবণের ভালো মন্দ দিক

Author Topic: লবণের ভালো মন্দ দিক  (Read 245 times)

Offline Mrs.Anjuara Khanom

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 241
  • Test
    • View Profile
লবণের ভালো মন্দ দিক
« on: August 20, 2018, 10:08:56 AM »
খাবারে লবণ অতি জরুরি একটি অংশ। বেশি দিলেও যেমন খাওয়া যায় না, কম বা না দিলও খাবারযোগ্য থাকে না। তেমনি লবণ বেশি খেলে, কম বা না খেলেও শরীরের ক্ষতি হতে পারে। লবণের ভালো-মন্দ দুইটি দিক রয়েছে।
 
লবণ নার্ভ সেলের কার্যকলাপের জন্য খুবই জরুরি। লো ব্লাড প্রেসারের জন্য উপকারী, মাংসপেশি ব্যথা প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ ছাড়াও সর্দি কমানো, সাইনাসের কনজেশন ভাব দূর করতে লবণ সাহায্য করে। শুকনো কাশির সময় মুখে সামান্য লবণ রাখলে ঘন ঘন কাশির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
 
লবণ এক ধরনের স্ট্রেস ফুড। এটি সিমপ্যাথেটিক নার্ভ সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে যা স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ায়। ঘাম বেশি হয়ে লবণ শরীরে পানি ধরে রাখে। তাই লবণ বেশি খেলে হাই ব্লাড প্রেসারের আশঙ্কা থাকে। খাবারে বাড়তি লবণ খাওয়ার ফলে পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে ধীরে ধীরে পাকস্থলীতে ক্ষত সৃষ্টি হয়। লবণ হাড় থেকে ক্যালসিয়াম শুষে নেয়, শরীর থেকে বর্জ্য বের হবার কাজে ব্যাঘাত ঘটায়। এর জন্য ইউরিক এসিড বৃদ্ধি, বাতের সমস্যা দেখা যায়।
 
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দৈনিক ৪-৫ গ্রামের বেশি লবণ খায় তাদের এ সমস্যা বেশি হয়। তাই প্রতি ১.৫-২ গ্রামের বেশি লবণ খাওয়া যাবে না। রান্নার সময় যতটা প্রয়োজন ততটা লবণ ব্যবহার করতে হবে। খাবার টেবিলে বারবার লবণদানী থেকে কাঁচা লবণ নিয়ে খাওয়ার অভ্যাস কমাতে হবে। যেসব খাবারে লবণ বেশি থাকে যেমন- আচার, প্যাকেটজাত স্যুপ, পনীরের বার্গার বা স্যান্ডউইচ, আলুচিপ, পপকর্ন এসব খাওয়া কমাতে হবে। ডিজেনারেটিভ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে লবণ খাওয়া একেবারেই বাদ দিতে হবে।
 
লেখক : ত্বক, লেজার অ্যান্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ
Mrs, Anjuara Khanom
Assistant Officer, Information Desk
Daffodil International University
Main Campus
9138234-5

Offline Anuz

  • Faculty
  • Hero Member
  • *
  • Posts: 1987
  • জীবনে আনন্দের সময় বড় কম, তাই সুযোগ পেলেই আনন্দ কর
    • View Profile
Re: লবণের ভালো মন্দ দিক
« Reply #1 on: August 20, 2018, 02:23:38 PM »
Very Informative post. We have to aware of this real fact.
Anuz Kumar Chakrabarty
Assistant Professor
Department of General Educational Development
Faculty of Science and Information Technology
Daffodil International University