Help & Support > Common Forum/Request/Suggestions
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি
Jannatul Ferdous:
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৬: কলা পেঁপে দই শরবত
কলা, পেঁপে এবং দই এই তিনটি খাবারই অত্যন্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। কলাতে আছে প্রচুর পরিমাণপটাশিয়াম যা আমাদের শরীরের মাংসপেশির কাজে বিশেষ করে হৃদযন্ত্র এবং শ্বাসযন্ত্রের পেশির কাজেসাহায্য করে। আর পুষ্টিগুণ বিবেচনায় পেঁপের তুলনা হয় না। প্রচুর পরিমাণ আঁশ, ভিটামিন সি, ভিটামিনএ, প্যাপিন এনজাইম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে পেঁপেতে। আর টক দইয়ে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম,ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া। তাই, জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ডডেসার্টস এর আজকের পর্বে আমরা বানাবো কলা, পেঁপে, দই শরবত।
কলা পেঁপে দই শরবত বানানোর উপকরণ: দই- ৩ টেবিল চামচপেঁপে- ১ কাপকলা- ১ টিজিরোক্যাল- ২ স্যাশে
কলা-পেঁপে-দই শরবত বানানোর পদ্ধতি:জুসার মিক্সারে সব উপকরণ যেমন দই, কলা, পেঁপে ও জিরোক্যাল দিয়ে দিন। ভালোভাবে ব্লেন্ড করেমিশিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর কলা-পেঁপে-দই শরবত।
এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন এবং ইফতারে পরিবারের সবার সঙ্গে উপভোগ করুন এই শরবত।
Jannatul Ferdous:
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৭: পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল
ইংরেজিতে পিয়ার বা বাংলায় নাশপাতি ফলটি আমাদের খুব পরিচিত। নাশপাতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, বি ২, ই, ফলিক অ্যাসিড ও নিয়াসিন নামের পুষ্টিকর উপাদান। ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, কপার, আয়রনসহ অন্যান্য মিনারেলেরও উৎকৃষ্ট উৎস নাশপাতি। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস এর আজকের পর্বে আমরা নাশপাতি দিয়েই একটি মজার ডেসার্ট বানাবো যার নাম পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল। চলুন জেনে নিই কীভাবে বানাতে হয় পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল।
পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল তৈরির উপকরণ:
নাশপাতি- ১ টি
ক্র্যাম্বেল- ২০ গ্রাম
সাগু জুস- ৫০ গ্রাম
লো-ফ্যাট চকোলেট- ১৫ গ্রাম
জিরোক্যাল- ২ স্যাশে
পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল তৈরির পদ্ধতি:
চুলায় একটি পাত্রে অল্প পানি গরম করুন। এবার খোসা ছাড়ানো নাশপাতিটি পানিতে দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। পানিতে জিরোক্যাল মিশিয়ে দিন তাহলে সেদ্ধ করার সময় নাশপাতিটি মিষ্টি হবে। চুলায় কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে নাশপাতির পানি শুকিয়ে ফেলুন এবং নাশপাতিটি ঠান্ডা হতে দিন।
এবার পরিবেশন করার প্লেটে প্রথমে সাগু জুস দিন। তার উপরে সেদ্ধ করা নাশপাতিটি রাখুন। চারপাশে ক্র্যাম্বেল ছড়িয়ে দিন। এবার নাশপাতির উপরে লো-ফ্যাট চকোলেট ঢেলে দিন। তৈরি হয়ে গেলো সুস্বাদু ডেসার্ট পিয়ার বয়েল ক্র্যাম্বেল। অতিথি আপ্যায়নে কিংবা পরিবারের সবার সাথে উপভোগ করতে পারেন মিষ্টি এই খাবারটি।
Jannatul Ferdous:
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৮: ম্যাংগো স্মুথি
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৮: ম্যাংগো স্মুথিইফতারের পানীয়তে আজকে রাখতে পারেন সুস্বাদু ম্যাংগো স্মুথি। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টসের আজকের পর্বে চলুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি করা যায় ম্যাংগো স্মুথি।
ম্যাংগো স্মুথি তৈরির উপকরণ:গুঁড়া দুধ- ১০ গ্রামপাকা আমের জুস-১ কাপস্ট্রবেরি জ্যাম- ২ চামচজিরোক্যাল- ২ স্যাশেম্যাংগো স্মুথি তৈরির পদ্ধতি:জুসার মিক্সারে সব উপকরণ যেমন আমের জুস, গুঁড়া দুধ, স্ট্রবেরি জ্যাম ও জিরোক্যাল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। ব্যস, মুহূর্তেই তৈরি হয়ে গেলো ম্যাংগো স্মুথি। এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন।
Jannatul Ferdous:
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস অ্যান্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ০৯: খেজুরের বার
খেজুর আমাদের অতিপরিচিত এবং অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি ফল। খেজুরকে বলা হয় প্রাকৃতিক শক্তির উৎস। সুস্বাদু এই ফলটিতে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার ১১ ভাগই পূরণ করে খেজুর। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস অ্যান্ড ডেসার্টসের আজকের পর্বে আমরা বানাব মিষ্টি খাবার খেজুরের বার।
খেজুরের বার তৈরির উপকরণ
কাঁচা নারকেলের শাঁস ২৫ গ্রাম
আঁটি ছাড়া খেজুরকুচি ২০০ গ্রাম
ক্যাশিউ নাট/কাজুবাদাম ৫০ গ্রাম
কাঠবাদামের কুচি ৫০ গ্রাম
পেস্তা বাদাম ২৫ গ্রাম
জিরোক্যাল ২ স্যাশে
লো-ফ্যাট ঘি ১ টেবিল চামচ
খেজুরের বার তৈরির পদ্ধতি
চুলায় কড়াই দিয়ে গরম করুন। এবার লো-ফ্যাট ঘি দিয়ে গরম করে নিন। ঘি গলে গেলে তাতে কাঠবাদামের কুচি দিয়ে ভাজুন। এরপর পেস্তা বাদামকুচি দিন। একটু ভেজে নিয়ে তাতে খেজুরকুচি দিন। কাঁচা নারকেলের শাঁস দিয়ে আর একটু ভেজে নিন। এর ভেতরে জিরোক্যাল দিয়ে দিন। এবার অল্প আঁচে ভালোভাবে ভেজে আঠালো মিশ্রণের মতো করুন। এবার মিশ্রণটি একটি বাটিতে ঢেলে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হয়ে জমে গেলে বারের মতো কেটে পরিবেশন করুন।
তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খেজুরের বার। মজার এই খাবারটি তৈরি করে পরিবারের আপনজনদের চমকে দিন ও উপভোগ করুন।
Jannatul Ferdous:
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস অ্যান্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ১০: মিক্স ফ্রুট ককটেল
যেকোনো ধরনের কাঁচা বা পাকা ফল শরীরের জন্য উপকারী। একেক ফলের রয়েছে একেক রকম স্বাদ ও পুষ্টিগুণ। বিভিন্ন রকমের ফল একসঙ্গে মিলিয়েও স্বাদে আনা যেতে পারে বৈচিত্র্য। ইফতারের পানীয়তে আজ রাখতে পারেন মিক্স ফ্রুট ককটেল। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস অ্যান্ড ডেসার্টসের আজকের পর্বে জেনে নিই কীভাবে তৈরি করা যায় সুস্বাদু ও পুষ্টিকর মিক্স ফ্রুট ককটেল।
মিক্স ফ্রুট ককটেল তৈরির উপকরণ
টক দই ১ কাপ
মিক্স ফ্রুট পরিমাণমতো
পুদিনাপাতা পরিমাণমতো
জিরোক্যাল ২ স্যাশে
মিক্স ফ্রুট ককটেল তৈরির পদ্ধতি
জুসার মিক্সারে আপনার পছন্দমতো কয়েক রকমের ফল যেমন তরমুজ, আনারস, আপেল, পেয়ারা ইত্যাদি পরিমাণমতো দিন। এর ভেতরে টক দই, পুদিনাপাতা ও জিরোক্যাল দিয়ে দিন। এবার ভালোভাবে ব্লেন্ড করে মিশিয়ে নিন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মিক্স ফ্রুট ককটেল।
এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন। চাইলে ওপরে একটু পুদিনাপাতার কুচি ছড়িতে দিতে পারেন। ইফতারে উপভোগ করুন মিক্স ফ্রুট ককটেল।
Navigation
[0] Message Index
[#] Next page
[*] Previous page
Go to full version