অপুষ্টি রোধে পুষ্টি চালের ব্র্যান্ডিং: ঘানার অভিজ্ঞতা

Author Topic: অপুষ্টি রোধে পুষ্টি চালের ব্র্যান্ডিং: ঘানার অভিজ্ঞতা  (Read 557 times)

Offline roman

  • Administrator
  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 670
    • View Profile
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নিরলসভাবে ধানের ওপর গবেষণা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে ব্রি ১০৫টি (৯৭টি ইনব্রিড ও ৮টি হাইব্রিড) ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। উদ্ভাবিত জাতগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই উচ্চফলনশীল। এছাড়া রয়েছে সুস্বাদু, সুগন্ধিযুক্ত, রফতানিযোগ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ ইত্যাদি বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ধান। বর্তমানে ব্রি উৎপাদনের পাশাপাশি গুরুত্ব দিচ্ছে পুষ্টিসমৃদ্ধ ও রফতানিযোগ্য ধানের জাত উদ্ভাবনের দিকে। বেশকিছু পুষ্টিসমৃদ্ধ ও রফতানিযোগ্য ধানের জাত এরই মধ্যে উদ্ভাবিত হয়েছে। যেমন জিংকসমৃদ্ধ, লৌহসমৃদ্ধ, লো জিআইসম্পন্ন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ, গাবা ইত্যাদি ধান।

জিংক মানবদেহের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান, যা দেহের বৃদ্ধি, গঠন ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। দেহের শর্করা ও চর্বির বিপাক ক্রিয়ায় জিংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত পরিমাণে জিংক গ্রহণ না করলে শিশুদের খর্বাকৃতি ও দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া হলে মারাত্মক আকার ধারণ করে, অনেক সময় মৃত্যুও হতে পারে। বড়দের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের ধরন-২ অথবা হার্টের সমস্যা হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, স্বল্পমাত্রার দীর্ঘ সময় ধরে জিংক গ্রহণ অধিক হারে স্বল্প সময়ে জিংক গ্রহণের চেয়ে বেশি কার্যকরী। ফলে জিংকসমৃদ্ধ চালের ভাত খাওয়ার উপকারিতা বেশি পাওয়া যাবে। ব্রি উদ্ভাবিত ব্রি-ধান ৬২, ব্রি-ধান ৬৪, ব্রি-ধান ৭২, ব্রি-ধান ৭৪ ও ব্রি-ধান ৮৪ জিংকসমৃদ্ধ। এসব জিংকসমৃদ্ধ ধান গ্রহণে খাদ্যনিরাপত্তা তথা পুষ্টিনিরাপত্তা অনেকটাই নিশ্চিত হবে। আরেকটি খাদ্য উপাদান হলো লৌহ, যা মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয়। ব্রি-ধান ৮৪ জিংক ও লৌহসমৃদ্ধ। বিটা-ক্যারোটিনসমৃদ্ধ ধান হিসেবে গোল্ডেন ধানের গবেষণা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। বহুমূত্র রোগী বা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য লো জি আইসম্পন্ন ধান হলো ব্রি-ধান ১৬, ব্রি-ধান ৪৬ ও ব্রি-ধান ৬৯। এছাড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ধান বি-আর ৫, গাবা ও ব্রি-ধান ৩১ আলঝেইমার রোগীদের জন্য উপযোগী। 

বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন এসব ধানের জাত সম্পর্কে কৃষকদের ধারণা দেয়া এবং ধানের বীজ সহজলভ্য করা সময়ের দাবি। মাঠ প্রদর্শনীর মাধ্যমে এর চাষ পদ্ধতি ও উৎপাদন কলাকৌশল শিক্ষা দিলে কৃষকরা উপকৃত হবেন। মাঠ প্রদর্শনীর জন্য প্রান্তিক চাষীদের নিয়োজিত করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। কারণ তারা অন্যত্র কাজ করার চেয়ে নিজ জমিতে কাজ করতে বেশি আগ্রহী। সরকারিভাবে বিভিন্ন সময়ে সার, বীজ, সেচ ইত্যাদির জন্য প্রণোদনা দেয়া হয়। পাশাপাশি পুষ্টিসমৃদ্ধ ধানের বীজেরও প্রণোদনা দিলে কৃষকরা অধিক উপকৃত হবেন আশা রাখি।   

পুষ্টিসমৃদ্ধ ধান চাষ করে যেমন কৃষকরা নিজেরা উপকৃত হতে পারেন, তেমনি অর্থনৈতিকভাবেও লাভবান হতে পারেন। এজন্য প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য এসব ধানের বাজারজাত প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে এবং বিজ্ঞানসম্মতভাবে করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, চীন দেশে ধানের ব্র্যান্ডিং কৌশল অনুসরণ করে চীনা চালকে উচ্চমূল্যের পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই উচ্চমূল্যের চাল মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত উভয় শ্রেণীর লোকদের আকৃষ্ট করে।

সচরাচর ব্যবহূত চালের পরিবর্তে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল গ্রহণে উৎসাহিত করা এবং এ চালের খাদ্যগুণ, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো উদ্যোক্তা কৌশলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এই চাল দিয়ে কী কী ধরনের খাবার প্রস্তুত করা যেতে পারে, এটি সম্পর্কে ভোক্তাদের সচেতন করাটাও জরুরি। রেডিও, টিভিতে অনুষ্ঠানমালা, আকর্ষণীয় গান, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি তৈরির মাধ্যমে ভোক্তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করা যেতে পারে। খাদ্য সরবরাহকারী স্কুলগুলোয় প্রচলিত রন্ধনশিল্পীর সঙ্গে শেফের রান্নার প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পুরস্কার হিসেবে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল সুন্দর প্যাকেটে, ব্র্যান্ডের মাধ্যমে দেয়া যেতে পারে। ছাপানো টি শার্ট, ক্যাপ, কলম ও সিডি (যেখানে পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের রেসিপি ও সুবিধাগুলো সংরক্ষিত থাকবে) সরবরাহ করা যেতে পারে।

তার পরেও কিছু কৌশল অবলম্বন করা কঠিন হয়ে পড়ে। যেমন দেশজুড়ে চাল উৎপাদনকারীর সঙ্গে বাজারের সম্পর্ক গড়ে তোলা, স্থানীয়ভাবে চাল সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করা, খাদ্য প্রদর্শনের জন্য উপযুক্ত পরিবার বাছাই করা, স্কুল, হাসপাতাল, জেলখানা ইত্যাদি জায়গায় খাবারের মেনুতে পছন্দের চাল সরবরাহ নিশ্চিত করা, প্রয়োজন অনুযায়ী চাল সারা বছর সরবরাহ নিশ্চিত করা ইত্যাদি। পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের বাজার এবং প্রমোশনাল প্ল্যান তৈরি করতে বাজার এবং ভোক্তাবিষয়ক জ্ঞান মূল উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের বাজার এবং প্রমোশনাল প্ল্যান তৈরির উদ্দেশ্য হলো পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল উৎপাদন বাড়ানো, মার্কেটে সহজলভ্যতা বাড়ানো, দেশের সব অঞ্চলে চাহিদা বাড়ানো, ক্যাটারিং এবং পাবলিক ইনস্টিটিউশন যেমন স্কুল, হাসপাতাল, জেলখানা প্রভৃতি জায়গার মেনুতে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল রাখা ইত্যাদি। লুকানো ক্ষুধা অর্থাৎ অপুষ্টি থেকে জনগণকে রক্ষা করার জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের বাজার তৈরি করতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ ঘানায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অর্গানিক ধানের পরিমাণ অপ্রতুল ছিল। ফলে সরকারিভাবে প্রচুর চাল আমদানি করতে হতো। উৎপাদনের মাত্র ২০ শতাংশ চাল শহর এলাকার লোকজন খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করত। কারণ শহর এলাকার লোকজনের আমদানীকৃত চালের প্রতি আকর্ষণ ছিল। ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অর্গানিক ধানের কৃষকরা চাল বিক্রি করতে সমস্যায় পড়তেন। এ সমস্যা দূরীকরণের জন্য সরকার একটি আপস্কেলিং প্রোগ্রাম হাতে নেয়, যার উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অর্গানিক ধানের উৎপাদন এবং ভক্ষণ বাড়ানো। ফলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা। এজন্য তারা চাল বাণিজ্যের মূল চাবিকাঠি এবং ভোক্তার পছন্দের বিষয়টি বিশদভাবে বিশ্লেষণ করেছে, যাতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অর্গানিক ধানের চাল বাণিজ্যকে জোরপূর্বক নির্দেশনা দিতে পারে এবং পাশাপাশি এ চালের উৎপাদন, ব্যবহার ও গ্রহণকে নিশ্চিত করতে পারে। ফলে কৃষকদের আয় বাড়ানো এবং খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের বাজার তৈরি করতে আমরা এ ধরনের কার্যক্রম হাতে নিতে পারি।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অন্যান্য পণ্যের ন্যায় চালের ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর খুব একটা গবেষণা হয়নি। বেশির ভাগ গবেষণা হয়েছে ভোক্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার ওপর। অতীত গবেষণা থেকে দেখা যায়, ভোক্তার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, ভোক্তারা পণ্য ক্রয়ের ব্যাপারে বিবেচনা করে প্রথমত কতটা নিরাপদ, স্বাদ কী রকম, চালের আকৃতি কেমন, ধানের আকার কী রকম, দাম কত এবং কী ব্র্যান্ডের। চাহিদা অনুযায়ী গুণগত মানসম্পন্ন হলে উচ্চমূল্য দিতে তারা কার্পণ্য করে না।

চালের ব্র্যান্ডিং একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ভোক্তারা বাজারে প্রচলিত পণ্যগুলোর সঙ্গে তুলনা করে। ফলে তারা পণ্যগুলোর মধ্যে পার্থক্য স্বীকৃত ও নির্দিষ্ট করে। বর্তমানে চাল উৎপাদনকারী ও ভোক্তা উভয়ের জন্যই চালের ব্র্যান্ডিং করাটা অতিজরুরি। চাল উৎপাদনকারীর ক্ষেত্রে চালের উদার নীতি ও এর বণ্টন চালের মূল্য কমিয়ে দেয়। পক্ষান্তরে চালের ব্র্যান্ডিংয়ের মূল্য বাড়িয়ে দেয়। যাহোক, ভোক্তার জন্যও চালের ব্র্যান্ডিংয়ের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। প্রথমত, ক্ষুধা নিবারণের জন্য ভোক্তার চালের প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে ভোক্তার আরো কিছু প্রয়োজন, যেমন চালের কার্যকারিতা, নিরাপত্তা, গুণাগুণের ভিন্নতা ইত্যাদি। একদিকে চাল উৎপাদনকারী ও অন্যদিকে ভোক্তা উভয়ের জন্য চালের গুণাগুণ বিশ্লেষণের জন্য ব্র্যান্ডিংয়ের প্রয়োজন। কৃষকের আয় এবং খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের নীতিমালা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও ভোক্তার পছন্দের বিষয় তথা চাল উৎপাদন, ব্যবহার ও গ্রহণ ইত্যাদি বিশদভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। ব্র্যান্ডিং করে কৃষকদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত একইভাবে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে ধানকে রফতানিযোগ্য পণ্যে পরিণত করেছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ২০১৯-২০ অর্থবছরে চাল উৎপাদন প্রায় ৩৮ দশমিক ৭০ মিলিয়ন টন। এর মধ্যে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল কতটুকু, তা নির্ধারণ করতে হবে। ব্রি পুষ্টিসমৃদ্ধ ধান উৎপাদন করে কিন্তু পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল উৎপাদনের জন্য ব্র্যান্ডিং প্রয়োজন। পুষ্টিসমৃদ্ধ ধান থেকে পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের রূপান্তর প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট করতে হবে। মিলিংয়ের মাধ্যমে চালের পুষ্টিগুণ সর্বোচ্চ সংরক্ষণের জন্য কোন প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে তা স্থির করতে হবে। রান্নার রেসিপি নির্দিষ্ট করতে হবে। সব তথ্য দৃষ্টিনন্দন প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে ব্র্যান্ডিং প্রক্রিয়ায় জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হলে একদিকে ভোক্তার অধিকার সংরক্ষিত হবে, অন্যদিকে কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত মূল্যের বিনিময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। 

বাংলাদেশে এখনো ব্রি উদ্ভাবিত পুষ্টিসমৃদ্ধ কোনো ধান তথা চালের ব্র্যান্ডিং হয়নি। এক্ষেত্রে আমরা প্রটোটাইপ ব্র্যান্ডিং উন্নয়নের ওপর গবেষণালব্ধ ফলাফল লক্ষ করতে পারি। থাইল্যান্ডে প্রান্তিক চাষীদের উৎপাদিত চালের টেকসইকরণের জন্য প্রটোটাইপ ব্র্যান্ডিং উন্নয়নের ওপর গবেষণা কাজ হয়েছে। গবেষণা থেকে কিছু নির্দেশনা চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথমত, স্ব-উৎপাদিত পণ্যের গুণাগুণ বিশ্লেষণ করতে হবে, মার্কেটের অন্যান্য পণ্য থেকে নিজ পণ্যের কোন গুণটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ, তা চিহ্নিত করতে হবে, ভোক্তার চাহিদা—হোক সেটা কার্যকরী অথবা আবেগীয়—বুঝতে হবে, সরকারি কোনো স্লোগান, ধারণা অথবা পলিসির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা, তা খতিয়ে দেখা যেতে পারে ইত্যাদি। দ্বিতীয়ত, পণ্যের গুণাগুণের সঙ্গে ভোক্তার আবেগীয় চাহিদার সমন্বয় করে ব্র্যান্ডের উপাদান সৃষ্টি করতে হবে, যাতে ভোক্তার মাঝে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়। ব্র্যান্ডের উপাদানের ভিত্তিতে স্লোগান, লোগো ইত্যাদি ঠিক করতে হবে। বাজার পরিকল্পনা অনুসারে কার্যকলাপ শুরু করতে হবে এবং বাজারের প্রতিক্রিয়া কী হয় তা দেখতে হবে। ব্র্যান্ডের গুণাগুণ একই মানের রাখতে হবে। প্রান্তিক চাষীদের জন্য সফল চালের ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রে স্মার্ট কৃষক একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। বিজ্ঞানসম্মতভাবে উল্লিখিত ধারণাগুলোর সমন্বয় করে একটি সফল চালের ব্র্যান্ডিং করা যেতে পারে। সফলতার সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে একটি ব্যবসা টিকে থাকার জন্য ব্র্যান্ডিং অন্য অনেক মাধ্যমের মধ্যে অন্যতম। গবেষকরা মনে করেন, কৃষকদের যদি শক্তিশালী ও সমাজবান্ধব চালের ব্র্যান্ড থাকে, তবে অবশ্যই তা বাজারে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে পারবে।

পরিশেষে, ব্রি উদ্ভাবিত পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের ব্র্যান্ডিং করা এখন সময়ের দাবি। প্রান্তিক চাষীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা, তাদের পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তথা বাংলাদেশের জনগণের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে একটি বিজ্ঞানসম্মত যুগোপযোগী চালের ব্র্যান্ডিং করাটা জরুরি। সর্বোপরি ভিশন ২০২১, এসডিজি ২০৩০, ভিশন ২০৪১, আমার গ্রাম আমার শহর স্লোগান ইত্যাদির সমন্বিত প্রয়াসই পারবে একটি সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।



ড. শাহানা পারভীন: সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট

Source- Bonikbarta https://bonikbarta.net/home/news_description/248169/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%82:-%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%A4%E0%A6%BE-?fbclid=IwAR37aOZU4n9c3ocqa_53jNsOFPlRUhK2SDliC-Rt6TAEhFqC9uKCcboYX_8
Md. Rokanuzzaman Roman
Assistant Registrar &
SA to Honorable Chairman, BoT
Daffodil International University
Cell-01713493087
Ext-133
E-mail-ps.chairman@daffodilvarsity.edu.bd