Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Shamim Ansary

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 96
31
ইম্পিরিয়াল কলেজের হ্যামারস্মিথ হসপিটাল। চারতলা ভবন। ব্রিটিশ সরকারের অর্থায়নে চলা মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের অন্যতম একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের ৩৩ জন বিজ্ঞানী নোবেল পেয়েছেন চিকিৎসা ও রসায়নে।

২০০৬ সালের এপ্রিলে প্রথম দিনে কাজে যোগ দিলাম। অধ্যাপক রিচার্ড ওয়াইস, অধ্যাপক পল গ্রাসবি আর তাঁদের সেক্রেটারি সাজি সিং আমাকে নিয়ে গিয়ে কাজের জায়গা দেখিয়ে দিলেন। রিচার্ড ওয়াইস, পল গ্রাসবি, দুনিয়াজোড়া নাম তাঁদের। ‘নেচার’, ‘নিউরোলজি’, ‘ল্যানসেট’-এর মতো নামী গবেষণা পত্রিকায় প্রতিবছর তাঁদের একাধিক গবেষণা প্রতিবেদন বের হয়। অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ, কিংস কলেজ থেকে চিকিৎসকেরা আসছেন তাঁদের কাছে গবেষণার জন্য।

প্রথম কয়েক সপ্তাহ শুধু তাকিয়ে থাকতাম ওদের দিকে। এরা প্রত্যেকে চিকিত্সক—নিউরোলজি, ক্যানসার বা অন্য কিছুর। প্রত্যেকের সঙ্গে ২০-২৫ জনের এক-একটি গ্রুপ। কেউ বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক, কেউ রেডিওলজিস্ট, কেউ গণিতবিদ, সঙ্গে আছেন রসায়নবিদ, পদার্থবিদ, শরীরতত্ত্ববিদ। আর আমার মতো দু-তিনজন যারা কম্পিউটারে প্রোগ্রাম করতে পারি। শরীরতত্ত্ব, ওষুধ কেমন করে কাজ করে, সেটা সামান্য হলেও জানি। সকাল থেকে মাঝরাত, চারতলা ভবন গমগম করছে মেধাবী মানুষে। ব্রিটিশ, জার্মান, ইতালিয়ান ও হাতে গোনা কয়েকজন এশিয়ান।

কফির ঘ্রাণের পাশ থেকে ভেসে আসছে নিত্য নতুন সব আশার কথা। মানসিক রোগ কেন হয়? মস্তিষ্কের কোন রাসায়নিক যৌগ অবসাদ, সিজোফ্রেনিয়া, পারকিনসনস বা আলঝেইমারসের মতো রোগ তৈরি করে। ক্যানসারের নতুন কোন ওষুধ দেওয়া হলো কার শরীরে? ওষুধগুলো কি ঠিকমতো কাজ করছে? টিউমারের আয়তন কি কমেছে? কীভাবে সঠিক মাপা যায়। একের পর এক ক্লিনিক্যাল স্টাডি। এমআরআই, পেইট ইমেজিং বিজ্ঞানের আধুনিক সব প্রযুক্তি ব্যবহার। হাতে সময় কম।

৮টা-৫টার অফিস কখনো মাঝরাত অবধি গড়াত। জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী আর আমার মতো অতিসাধারণ, সবে পিএইচডি শেষ করা মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে থাকতাম ফলাফল দেখার আশায়। ধারণাটা ভুল বা সঠিক সেটি জানার আশায়। শিশুর মতো আগ্রহ নিয়ে। অধিকাংশ ট্রায়ালের ফল আমাদের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করত। উদ্দেশ্য একটাই, রোগের কারণ কী? প্রতিটি রোগের কারণ থাকে। শরীরে কোনো জীবাণু ঢুকলে বা শরীরের ভেতরে রোগপ্রতিরোধী ক্ষমতা স্বাভাবিকভাবে কাজ না করলে রোগ হয়। রোগের প্রতিষেধক তৈরি করতে হলে রোগের কারণ জানতে হয়। রোগটি কেন হচ্ছে, এটি জানা রোগের প্রতিষেধক বা ওষুধ আবিষ্কারের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

রোগের কারণ জানতে চলা গবেষণার সবচেয়ে বড় অংশ হয়ে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারি, দাতব্য বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে। এসব গবেষণায় দরকার হয় একাধিক বিষয়ের বিশেষজ্ঞ। দরকার হয় দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের। রাষ্ট্রযন্ত্রের সদিচ্ছা আর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার। বন্ধু ড. গোলাম রব্বানী গবেষণাকে তালগাছের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ‘এক পুরুষ লাগালে বংশ পরম্পরায় তার ফল পাওয়া যায়। কিন্তু গাছকে পরিচর্যা করতে হয়। রাতারাতি তালগাছ বড় হয় না। ফলও দেয় না।’

এই মাত্র যে গবেষণার কথা বলছিলাম, সেখানে কোটি কোটি টাকার অর্থায়ন ছিল। অধিকাংশই ব্রিটিশ সরকারের। ২০০৮ সালে শুরু হয় আর্থিক মন্দা। কমতে থাকে সরকারি, দাতব্য বা বেসরকারি অর্থায়ন। ইউরোপ, আমেরিকা, জাপানসহ সব দেশে। ছোট একটা উদাহরণ দিই—২০১৪ সালে ব্রিটেনে স্বাস্থ্য খাতে গবেষণার জন্য বরাদ্দ করা হয় ৮৫০ কোটি পাউন্ড—যা কিনা ২০০৯-এর চেয়ে ৭৮ কোটি পাউন্ড কম। ২০০৮ থেকে ২০১০। ব্রিটেনের সরকারি সংস্থায় কর্মরত সব বিজ্ঞানীকে বলা হলো বছরে বেতন এক টাকাও বাড়বে না।

অধিকাংশ বিজ্ঞানী ও গবেষক খ্যাতনামা সব বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আয়ের একটা বড় অংশ আসে বিজ্ঞানীদের গবেষণা বরাদ্দ থেকে। বরাদ্দ অর্থ থেকে নিয়োগ দেওয়া হয় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ফেলো, পিএইচডি স্টুডেন্ট, কেনা হয় গবেষণার জন্য ব্যবহার করার সব সরঞ্জাম। আর একটা বড় অংশ যায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোর খরচে। বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং নির্ধারিত হয় গবেষকদের সাফল্যের নিরিখে। বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে বলা হয়—গবেষণার টাকা আনো, নামী জার্নালে লেখা প্রকাশ করো, পেটেন্ট আনো। বরাদ্দ কমতে থাকলে ছোট প্রকল্পের জন্যও অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হয়। ক্রমে টাকা জোগাড় করা প্রায় অসাধ্য হয়ে ওঠে। আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যায় গবেষণাগারগুলো।

করোনার মতো মরণব্যাধি নিয়ন্ত্রণ করতে দরকার বছরের পর বছর নিরবচ্ছিন্ন গবেষণা। দরকার সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গবেষণা বরাদ্দে যুক্তরাষ্ট্র ছিল বিশ্বে সবার আগে। ১৯৯০ সাল থেকে প্রতিবছর বরাদ্দের পরিমাণ কমছে। ২০১৮ সালে যা বরাদ্দ ছিল, তা দেশটির জিডিপির মাত্র ০.৬১ শতাংশ। আজ থেকে ৬০ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণার বরাদ্দ তাদের সামগ্রিক অর্থনীতির নিরিখে ২০১৮ থেকে বেশি ছিল। ২০০৮ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের গবেষণা ব্যয় কমাতে শুরু করে।

করোনার প্রকোপ মোকাবিলায় ইউরোপ, আমেরিকা সপ্তাহের ব্যবধানে হাজার হাজার কোটি পাউন্ড বরাদ্দ করছে। সপ্তাহের মধ্যেই গড়ে উঠছে হাসপাতাল। বিশ্ববাসী অপেক্ষার প্রহর গুনছে প্রতিষেধকের। ২০০৭ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে গেছেন—করোনাজনিত মহামারির। ভ্যাকসিনের জন্য বেসরকারি সংস্থাগুলোর বরাদ্দ ছিল প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। ধনী দেশগুলো কেউই বড় অঙ্কের গবেষণা বরাদ্দ দেয়নি। সবাই ভেবেছে, আমি গবেষণা না করলেও অন্য কেউ করছে। তার পরও আশার কথা, ভ্যাকসিন আসছে। কিন্তু ইতিমধ্যে হাজার হাজার প্রাণ চলে গেল।

রোগের প্রতিষেধক না থাকলে কী হয়—বুঝতে বাকি নেই কারও। গোটা বিশ্ব থমকে আছে। থমকে আছে হাজার বছরের সভ্যতার চাকা। করোনা-পরবর্তী বিশ্বে ধনী দেশগুলো স্বাস্থ্য খাতের গবেষণায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেবে নিশ্চয়। অদম্য মেধাবীরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন বিজ্ঞান সাধনায়। অধ্যাপক রিচার্ড ওয়াইসের মতো বিজ্ঞানীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিজ্ঞান সাধনায় মগ্ন হবেন। ছোট ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে ফুটবলার নয়, চিকিত্সক বা বিজ্ঞানী হতে চাইবে। পাঠকের প্রতি ছোট একটা প্রশ্ন রেখে লেখাটি শেষ করি। আপনার বা আপনার অত্যন্ত কাছের মানুষের ইনফেকশন হলে যে অ্যান্টিবায়োটিক খান সেটি কে আবিষ্কার করেছিল, জানেন?

স্যার আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং। সেই আবিষ্কারের গল্প না হয় আরেক দিন বলব। সেই পর্যন্ত নিরাপদে থাকুন। বিজ্ঞানকে ভালোবাসতে শুরু করুন। ছোটদের বিজ্ঞানমনস্ক করুন।


ড. সুব্রত বোস: লন্ডনপ্রবাসী বাংলাদেশি ও বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি ক্লিনিক্যাল ট্র্যায়ালস অ্যানালিটিকসের গ্লোবাল প্রধান।

Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1648057/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B2

32
নতুন করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে জিততে তিন দফা পরিকল্পনা দিয়েছেন টেকজায়ান্ট মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে গত মঙ্গলবার লেখা এক নিবন্ধে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন তিনি। গেটস ওই লেখায় জানিয়েছেন, তিন দফা পরিকল্পনায় এগোলেই যুক্তরাষ্ট্র নভেল করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হতে পারবে।

ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত ওই নিবন্ধটির চুম্বক অংশ প্রকাশ করেছে বিজনেস ইনসাইডার। বিল গেটস বলেছেন, বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতেই এই তিন দফা পরিকল্পনা তৈরি করেছেন তিনি। মূলত বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে কাজ করতে গিয়েই বিশেষজ্ঞদের মতামত জানার সুযোগ হয় তাঁর। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই তিন দফা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন তিনি।

বিল গেটস বলেছেন, প্রথম দফায় পুরো আমেরিকাজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় নতুন করোনাভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

দ্বিতীয় দফায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের শনাক্ত করার পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন বিল গেটস। তাঁর মতে, শনাক্তকরণ পরীক্ষা কর্মসূচি আরও বেগবান করা প্রয়োজন। এ জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে। বিল গেটস বলেছেন, এ ক্ষেত্রে কোন কোন ব্যক্তির পরীক্ষা আগে করাতে হবে, কাদের ক্ষেত্রে গুরুত্ব বেশি দিতে হবে—সেটি আগে ঠিক করতে হবে। একই সঙ্গে সব স্বাস্থ্যকর্মীর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে জোর দিয়েছেন বিল গেটস। তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকর্মীরাই সর্বাধিক ঝুঁকিতে রয়েছেন।

তৃতীয় দফায় নতুন করোনাভাইরাসের চিকিৎসাপদ্ধতি নিরূপণের ক্ষেত্রে তথ্যভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বিল গেটস। তিনি বলেছেন, সঠিক চিকিৎসাপদ্ধতি নিরূপণ ও ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যভিত্তিক উপাত্ত কাজে লাগাতে হবে। বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিল গেটস বলেছেন, এ ক্ষেত্রে গুজব ও আতঙ্ক ছড়ানো প্রতিহত করতে হবে।

বিল গেটস ২০১৫ সালেই এক সম্মেলনে মহামারি আসার আশঙ্কার কথা বলেছিলেন। ওই সময় তিনি সঠিক প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলেছিলেন।

ওয়াশিংটন পোস্টে গতকাল প্রকাশিত হওয়া নিবন্ধে বিল গেটস আরও লিখেছেন, ‘নভেল করোনাভাইরাসের চেয়ে এগিয়ে থাকার সুযোগ এরই মধ্যে হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনো পার হয়ে যায়নি।

গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২ লাখ মানুষ কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে চার হাজারের বেশি মারা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য বলছে, বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত করোনা কেড়ে নিয়েছে ৪১ হাজার ২৬১ জনের প্রাণ। ১৮০টি দেশে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৬১ জন। গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাস তিন থেকে চার মাসেই গোটা বিশ্বে ভয়াবহ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।


Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1648234/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%AB%E0%A6%BE

33
লাখ টাকার প্রশ্ন। বিশ্বের বড় বড় বিজ্ঞানী গবেষণা করে এখনো এর কূলকিনারা খুঁজে পাননি। তবে অনেক গবেষক দাবি করছেন, তাঁরা ওষুধ বের করে ফেলেছেন। প্রাথমিক পরীক্ষায়ও পাস। এখন কোনো কোনো রোগীর ওপর পরীক্ষা চলছে। ওষুধ বা টিকা এসে গেল বলে। আর টিকা আবিষ্কার হলেই তো করোনার দিন শেষ। অবশ্য কিছু সময় লাগবে। এই ধরুন এক-দেড় বছর! এটাই নিয়ম। কারণ মানুষের ওপর কোনো ওষুধ বা টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যাচাই না করে তো বাজারে ছাড়া যায় না।

ওদিকে চীনে শেষ হয়ে আবার নতুন করে সংক্রমণ শুরু হয়েছে। সে জন্য এখন বাইরের দেশ থেকে কারও চীনে প্রবেশ এক মাসের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। কারণ ওরা বলছে, নতুন করে বাইরের কারও থেকে না এলে নতুন করে চীনে করোনা ছড়ানোর কথা না। অবশ্য কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ বলছেন, করোনা এমন ভয়াবহ রোগ, যার একবার হয়েছে, তার যে আবার হবে না, সে ব্যাপারে কোনো গ্যারান্টি নেই। তাহলে কি সারা বছরই চলতে থাকবে করোনাভাইরাসের এই সংক্রমণ?

তবে সুসংবাদও আসছে। চীনেরই একজন বিশেষজ্ঞ দাবি করেছেন, এপ্রিলের শেষ দিকে করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে আসবে। আমরা আশাবাদী হতে চাই। কারণ ব্রিটেন-আমেরিকাসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশ করোনা সংক্রমণ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। করোনা কোণঠাসা হয়ে পড়বে। এটাই স্বাভাবিক।

রোগের বিস্তার

এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০ দেশ কমবেশি করোনায় আক্রান্ত। প্রতিদিন রোগের বিস্তার ঘটছে। মানুষ মারা যাচ্ছে। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি ও যুক্তরাজ্যে এই ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। আবার হঠাৎ করে হংকং, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, জাপানের রাজধানী টোকিওতে রোগের সংক্রমণ বাড়ছে বলেও খবর এসেছে।

গতকাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১ লাখেরও বেশি। মৃত্যুর সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

সব দেশই কি আক্রান্ত?

না, সব দেশে কিন্তু করোনা বিস্তার লাভ করতে পারেনি। এখন পর্যন্ত দেখা গেছে করোনামুক্ত দেশের সংখ্যা ১৮। কারণটা কী? সেখানে কেন নেই? প্রধান কারণ হলো, দেশগুলোর বেশির ভাগই বিচ্ছিন্ন ছোট ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র। আবার কয়েকটি দেশে করোনা না থাকলেও ওরা জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।

তাহলে এটা পরিষ্কার যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। এই ১৮টা দেশ আমাদের এ শিক্ষাই দেয়। এবং আজ যে সারা বিশ্বের করোনা-আক্রান্ত সব দেশ লকডাউনে যাচ্ছে, তার সুফল নিশ্চয়ই পাওয়া যাবে। চীনের বিশেষজ্ঞ যে বলেছেন, এপ্রিলের শেষ দিকে প্রকোপ কমে আসতে পারে, তার সূত্র এখানেই।

জুতা ফ্ল্যাটের বাইরে রাখুন

দূরত্ব বাজায় রাখা, বারবার হাত ধোয়া, হাঁচি-কাশির সময় হাতের কনুই ভাঁজ করে ঢেকে রাখা ইত্যাদি তো আমরা জানিই। এর সঙ্গে বিশেষভাবে যোগ করতে চাই, যদি বাধ্য হয়ে বাইরে যেতেই হয়, তাহলে বাইরে থেকে এসে জুতা ফ্ল্যাটের বাইরে রাখুন এবং ঘরের ভেতরে স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। এটা আমাদের অনেকে খেয়াল করি না। কিন্তু যখন স্বপ্ন, মীনা বাজার, বিগ বাজার বা এ ধরনের শপিং সেন্টার যাই, ওরা প্রথমে জুতার নিচের অংশ স্প্রে করে এবং হাতে স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে দেয়। এর আগে দোকানে ঢোকা যায় না। আমরা ভাবতে পারি কেন শুধু জুতার তলায় স্প্রে করে, পুরো জুতা কেন নয়? কারণ পাকা রাস্তার অ্যাসফেল্ট বা আলকাতরায় করোনা ভাইরাস পাঁচ-সাত দিন পর্যন্ত টিকে থাকে। এই জন্যই আমরা দেখতাম, চীনে বড় রাস্তাগুলো গাড়ি থেকে স্প্রে করে জীবাণুমুক্ত করছে। রাস্তার পাশের দেয়ালগুলোতে স্প্রে করছে। আমাদের দেশেও এটা ভালোভাবে চালানো দরকার। না হলে করোনার জীবাণু সহজে ধ্বংস হবে না।

তা ছাড়া লকডাউন তো সবাইকে কঠোরভাবে মানতে হবেই। আর যে বলা হয় গরম পানিতে দু বেলা গড়গড়া করা, ভাপ নেওয়া, দিনে তিন-চার বার রং চা পান করা, বেশি বেশি পানি পান, ভিটামিন সি, ডি-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া—এগুলো তো করতেই হবে। গরম পানির চিকিৎসা তো আমরা সাধারণ সর্দি-কাশিতেও চালাই। এর ওপর যদি করোনাতেও কাজে লাগে, সমস্যা কী?

কিন্তু যদি শুকনা কাশি বা জ্বর ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৯.৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তারও বেশি থাকে, তাহলে অবশ্যই বাসার ভেতর আইসোলেশনে থাকবেন। সমস্যা বাড়লে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

শেষ কোথায়?

যদি আবারও বলি, যদি সব দেশ লকডাউন কঠোরভাবে মানে, আর আমরা যদি বহুল প্রচারিত সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, তাহলে হয়তো এ মাসের মধ্যেই করোনার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে। আর ইতিমধ্যে যদি ওষুধ বের হয়ে যায়, সবার জন্য সহজলভ্য করা হয়, তাহলে তো কথাই নেই।


আব্দুল কাইয়ুম, মাসিক ম্যাগাজিন বিজ্ঞানচিন্তার সম্পাদক

Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1648825/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87

34
রোবাস্ট ল্যাব নামের একটি সফটওয়্যার কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা আবু হায়দার সিদ্দিক। তাঁদের গ্রাহক যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ধাক্কা লেগেছে তাঁদের প্রতিষ্ঠানটিতে। গত জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে নতুন কাজ পাচ্ছেন না। যেসব অর্ডার (সফটওয়্যার তৈরির কাজ) পেয়েছিলেন, তা-ও স্থগিত হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে রোবাস্ট ল্যাবের ১২ কর্মীর বেতন-ভাতা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

আগামী মে মাস পর্যন্ত বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন এ খাতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার এ শিল্পকে বাঁচাতে বিশেষ উদ্যোগ না নিলে আগামী দুই মাসের মধ্যে অন্তত ৫০ শতাংশ কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাবে। এখনই দেশের বাইরের অনেক গ্রাহক সফটওয়্যারের কাজ বাতিল করছেন, বিল দেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন। বিভিন্ন কোম্পানির প্রকৌশলী ও কর্মীরা বসে আছেন। এ অবস্থায় বেসিসের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি সহায়তা দিতে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদের কাছে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা।

শুধু সফটওয়্যার কোম্পানি নয়, তথ্যপ্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট (আইটি) খাতের সব সংগঠনও এখন আর্থিক সংকটে পড়েছে। কারওয়ান বাজারের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই বন্ধ। ফিফোটেক নামে একটি আইটি প্রতিষ্ঠানের (কল সেন্টার) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ হোসেন বলেন, ১৫০ জন কর্মী কাজ করেন তাঁর প্রতিষ্ঠানে। আতঙ্কে অনেকে ছুটি নিয়েছেন। এখন কাজ করছেন ৫০ জনের মতো। আবার যাঁরা কাজ করছেন, প্রতিষ্ঠানের খরচে তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। অনেককে বাসায় রেখে কাজ করানো হচ্ছে। সংকটের এই সময়ে একদিকে ব্যয় বেড়ে গেছে, অন্যদিকে নতুন কাজের অর্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত মানুষের সংখ্যা এখন প্রায় ১০ লাখ

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ প্রথম আলোকে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বেসিসের তথ্য অনুযায়ী, দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত মানুষের সংখ্যা এখন প্রায় ১০ লাখ। এই খাতের বাজার হিস্যা ২১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে স্থানীয় বাজার ১১ হাজার ৫০ কোটি টাকা। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বছরে রপ্তানির পরিমাণ ১০ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিপদে পড়েছে মোবাইল, কম্পিউটারসহ হার্ডওয়্যার খাতও। এই খাতে দেশে মাসে বিক্রির পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকা বলে জানান বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি শাহিদ–উল–মুনীর। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে হার্ডওয়্যার খাতের ছোট–বড় সব ব্যবসায়ী সংকটে পড়েছেন।

আগামী দুই মাস এমন পরিস্থিতি থাকলে দেশের ৮০ শতাংশ কল সেন্টার বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্কো) সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে জানান, দেশে ১৫০টি কল সেন্টার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ খাতে প্রায় ৫০ হাজার জনবল কাজ করে। সরকারের বিশেষ প্রণোদনা ছাড়া এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।

অনলাইনে বিভিন্ন পণ্যের ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা ই-কমার্স খাতও সংকটে পড়েছে। গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর মানুষ এ খাতের ওপর নির্ভরশীল হয়েছে বেশি। কিন্তু পণ্য সরবরাহের জন্য লোকবলের (ডেলিভারিম্যান) সংকটে পড়েছে খাতটি। যে কারণে অর্ডার পেলেও পণ্য সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার।

তবে আইটি খাতের উদ্যোক্তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ফ্রিল্যান্সাররা (যাঁরা কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত না থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করেন)। এর কারণ, সরকার কোনো প্রণোদনা দিলেও সেটি বেসিস, বাক্কো, ই-ক্যাবসহ সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে দেবে বলে শোনা যাচ্ছে। বিলাস সিদ্দিকী নামের একজন ফ্রিল্যান্সার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ইউরোপ-আমেরিকা যেহেতু লকড ডাউন, তাই আগামী ছয় মাস কোনো প্রজেক্ট (কাজ) পাব কি না, জানি না। বিগত বছরগুলোতে সরকারকে ন্যায্য ট্যাক্স দিয়েছি। এখন কি সরকারের উচিত না আমার মতো ক্ষুদ্র লোকেদের প্রণোদনা দেওয়া?...’


Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1648900/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE

35
করোনাভাইরাস মহামারিতে বিশ্ব যখন লড়াই করছে, তখন অন্যতম প্রধান উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে সম্মুখ লড়াইয়ে থাকা পেশাদার চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের (পিপিই কিট) অভাব। বিশ্বের কিছু অংশ থেকে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে মাস্কের ঘাটতির বিষয়গুলো সামনে আসছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অন্যান্য সরঞ্জামের সঙ্গে মাস্ক অনুদান দিচ্ছেন। এবারে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিশেষ মুখের শিল্ডের (ফেস শিল্ড) নকশা ও সরবরাহের কথা জানিয়েছে।

টুইটারে এক ভিডিও পোস্ট করে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বলেছেন, ‘আমরা কোম্পানি থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ফেস শিল্ড নকশা, উত্পাদন ও সরবরাহের জন্য আমাদের পণ্য নকশাবিদ, ইঞ্জিনিয়ারিং অপারেশন, প্যাকেজিং দল এবং আমাদের সরবরাহকারীদের একত্র করার জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা শুরু করেছি।’

টিম কুক বলেছেন, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মোকাবিলার প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানিয়ে যাবে অ্যাপল। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে এসব ফেস শিল্ডের সরবরাহ বিস্তৃত করা হবে। প্রথম শিপমেন্ট পাবে যুক্তরাষ্ট্রের সান্তা ক্লারা ভ্যালির হাসপাতাল।



এসব শিল্ডের উৎপাদন হবে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে। ভিডিওতে একটি ফেস শিল্ড দেখিয়ে তিনি বলেন, এটি ইতিমধ্যে চিকিৎসকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। এটি সহজে প্যাক ও সংযোজন করা যাবে। প্রতিটি শিল্ড দুই মিনিটেরও কম সময়ে একত্র করা যায় এবং পুরোপুরি সামঞ্জস্যযোগ্য।

এ সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে ১০ লাখ ফেস শিল্ড উন্মুক্ত করবে অ্যাপল। এরপর থেকে প্রতি সপ্তাহে ১০ লাখ ফেস শিল্ড বাজারে আনতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার চিকিৎসক ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে যেসব অঞ্চলে জরুরি প্রয়োজন সেখানে এ শিল্ড দেওয়ার কথা ভাবছে প্রতিষ্ঠানটি।


Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1649292/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%B2

36
করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে মানুষ সামাজিক দূরত্বের নিয়ম ঠিকঠাক মানছে কি না, তা দেখাতে নতুন টুল বা প্রোগ্রাম উন্মুক্ত করছে ফেসবুক। ব্যবহারকারীর অবস্থানগত তথ্য বিশ্লেষণ করবে ফেসবুকের এ টুল। সোমবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের তৈরি ‘ডিজিজ প্রিভেনশন ম্যাপস’ তৈরি হচ্ছে ‘ডেটা ফর গুড’ কর্মসূচির আওতায়। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ কীভাবে চলাফেরা করছে, তা এ ম্যাপ থেকে দেখা যাবে। সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের তৈরি ম্যাপ ও অন্যান্য তথ্য জনস্বার্থ নিয়ে কাজ করা কর্মকর্তাসহ নীতিনির্ধারকেরা কাজে লাগাতে পারবেন। এতে কোন এলাকায় করোনাভাইরাস বেশি ছড়াচ্ছে, তা জানা যাবে।

ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী তাদের জিজ প্রিভেনশন ম্যাপসে থাকবে কো-লোকেশন ডেটা নামের ফিচার, যাতে এক এলাকার মানুষ অন্য কোথাও সংস্পর্শে আসছে কি না, তার পূর্বাভাস দেখা যাবে। এ ছাড়া মানুষের ঘোরাফেরার সীমানার ট্রেন্ড, বিভিন্ন এলাকায় মানুষের সামাজিক সংযুক্ত থাকার সূচক প্রভৃতি ফিচার থাকবে। তবে এতে নির্দিষ্ট ব্যক্তির চলাচলের ধরন দেখানো হবে না।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা মনে করি ফেসবুকসহ অন্যান্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো মহামারির সময় আরও উদ্ভাবনী পদ্ধতি খুঁজে বের করতে পারে। তবে এ সময় যাতে প্রাইভেসি লঙ্ঘন না হয়, তারও খেয়াল রাখতে হবে।

ফেসবুকে ব্যক্তির অবস্থানগত তথ্য জানতে না দেওয়ার সুযোগও রয়েছে। এ তথ্য শেয়ার করা হবে কি না, তা ব্যবহারকারী নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তবে, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা অন্যান্য ফিচার ব্যবহার করে ব্যক্তির চলাফেরার বিষয়টি ধরতে পারে।

ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, তাদের এ উদ্যোগ ভালোভাবে এগোলে এটি আরও বিস্তৃত আকারে আসতে পারে। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে এটি শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি চালু হবে।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলছেন, ব্যক্তিগত পর্যায়ে মানুষ কেন নিয়মকানুন মানছে না, সে তথ্য দেওয়ার পরিবর্তে ওই এলাকায় প্রবণতাগুলো তুলে ধরবে তাদের টুল।

বোস্টন চিলড্রেনস হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ জন ব্রাউনস্টেইন বলেছেন, ‘এ ধরনের কোম্পানিগুলোর কাছে মানুষের বিস্তারিত তথ্য আছে। তারা তথ্য ব্যবহার করে সামাজিক সংযোগ বা তাদের নেটওয়ার্কের মধ্যে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে জানাতে পারে। আশা করছি, তারা বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য–সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহীতাদের জন্য এ তথ্য তারা জানাবে।’

অবশ্য শুধু ফেসবুক নয়, একই ধরনের ম্যাপ তৈরিতে কাজ করছে গুগল। মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকেও চ্যাটবটসহ অন্যান্য টুল তৈরি করা হচ্ছে।


Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1649265/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E2%80%99-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87

37
তথ্য প্রযুক্তির উন্নতি ঘিরে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সিঁড়িতে উঠতেই এমন এক দুর্যোগ ও দুর্বিপাক, কোভিড-১৯ মুহুর্তেই আমাদের অনেক ক্ষতি করেছে, কিন্তু সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে অনেক, আমাদেকে তা জানতে হবে ও শিখতেও হবে।

আমার দৃষ্টিতে আমাদের উন্নয়নে দরকার নিম্নের ৭টি গুনঃ
১।  আত্ম সচেতনতা থেকে ব্যক্তি এবং ব্যক্তি থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রের সচেতনতা,
২।  চিন্তা চেতনায় আরো উদারতা ও সচ্ছতা,       
৩।  স্রষ্টার প্রতি নিবিড় বিশ্বাস ও কৃতজ্ঞতাবোধ, 
৪।  যুগপৎ সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আবিষ্কার ও সঠিক ব্যবহার,
৫।  মানব সেবার ব্রত মেনে কারোর ক্ষতি সাধন না করা,
৬।  ষড় রিপূর কুপ্রবৃত্তি থেকে দুরে থাকা ও
৭।  অর্পিত দায়িত্বে সৎ, নিষ্ঠাবান,  ন্যায়পরায়ণ ও কর্তৃপক্ষের প্রতি সদা  আনুগত্যশীল থাকা।

আমরা কেউ জানিনা বিনাশী করোনার আয়ুষ্কাল কত বা আর কীইবা করে যেতে চায় সে? আমিতো মনে করি এটি আমাদের ঈমানের এক অগ্নি পরীক্ষা। আমাদের হেরে যাওয়াতো  পরকালের অঙ্গার হওয়ার জন্য প্রস্তুত হওয়া। আমরা এ পরীক্ষায় জয়ী হবোই, কিছুতেই হারবো না ইন শা আল্লাহ।
যদি এটি আরো প্রলম্বিত হয়, আমি মনে করি আমাদের নিম্নের কয়েকটি বিষয়ে যত্নবান হওয়া উচিৎ হবেঃ
১।  অনলাইন শিক্ষা ও কর্ম সেবা জোরদার করা
২।  দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরি করা,
৩।  আমাদের সেবার গতি আরো বাড়ানো,
৪।  তথ্য ও প্রযুক্তিতে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গকে কর্মের তৎপরতা বৃদ্ধি করা,
৫।  কম লোকবল কাঠামোয় নিজেদের সন্তুষ্ট থাকা,
৬।  উর্ধতন কর্তৃপক্ষের মনিটরিং, মটিভেষন ও সকলের সমন্বয় সাধনে গুরুত্ব প্রদান করা,
৭।  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক শিক্ষিকাকে শিক্ষণ ও শিখণ ফল তৈরি করে তা বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত শিক্ষা সহায়ক উপাদান মজুত রাখা,
৮।  শ্রেণি কার্যসূচী অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষককে নিয়মিত দূর শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া,
৯।  হিসাব বিভাককে নিয়মিত অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে অনলাইনে লেন দেন সুন্দর করা, এক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তির সফটওয়ার প্রয়োজন, 
১০।  সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অবশ্যই সহকর্মীদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করা।
এছাড়াও আর যা কিছু আছে তার জন্য ড্যাফোডিল বেশ সম্মৃদ্ধ। 
১১। ফাইনালী, আমাদের যাবতীয় কর্মকাণ্ড সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করা।

আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের সামনে আগত ও অনাগত সমস্যাগুলি মোকাবিলা করতে পারবো বলে আমার আন্তরিক বিশ্বাস।  আল্লাহ তায়ালা আমাদের ড্যাফোডিলকে রক্ষা করুক ও উত্তরোত্তর স্মসম্মৃদ্ধি দান  করুক!

মাহমুদ,
পক্ষে, ডি আই এস, ঢাকা।

38
IPE during the times of COVID-19: The story of transformational change in learning and teaching

The threat of COVID-19 across the world has impacted every one of us. Many institutions are experiencing disruption of scheduled work and academic activities due to extended and indeterminate campus closures. Institute of Public Enterprise (IPE), Hyderabad has taken a two-pronged approach to ensure that the learning for the students continues without any disruption. The institute has implemented a) Asynchronous method of teaching and learning and b) Synchronous method for face-to-face instruction.

IPE’s asynchronous approach is based on creating and distributing content like PowerPoint presentations, course materials, assignments, e-learning resources and e-library links etc. developed by the faculty members to the students through e-mails, chat applications etc. to ensure student interaction. The synchronous approach is using a video-conferencing tool to achieve faculty–student interaction in a live mode. IPE has utilised the services of Zoom platform and moved its entire offline time-table to online where faculty and students can hear, see, and interact with each other at the same time and can have a “in person” class experience.

IPE has armed itself with these initiatives primarily because of the foresightedness of its Board of Governors, faculty, staff and its investment well ahead of the present times in information technology by way of putting in place the requisite hardware, software and trained manpower well versed in the latest techniques of learning. The faculty, staff and students have been provided with laptops, desktops, printers, wifi and other related facilities. This is how the most recent meetings of its Board of Governors, Executive Committee, Finance Committee and Annual General Body were conducted through Zoom endorsing fully the Prime Minister’s frequently made appeal to defeat and banish COVID-19 through social distancing, IPE has permeated in itself the stakeholder theory. 

IPE prides itself on providing high quality learning experience and with seasoned faculty members in its fold the business is as usual in the institute and the learning for the students never stops.

Below we describe how teaching and learning is undergoing a transformational change in India in various universities:

    1.   DIGITAL TEACHING-LEARNING INITIATIVES AT ASSAM ROYAL GLOBAL UNIVERSITY, GUWAHATIThe Assam Royal Global University (RGU), a State Private University in Guwahati Assam, has taken prompt steps to resort to the digital platforms on March 21st 2020 -the day HRD ministry issued notification about work from home. before the Lock Down.

    As all heads and faculty members were part of different Whatsapp group so necessary guidelines were given and we started preparing for online classes and sharing study material with students. It is worth mentioning that many faculty members started online interaction with students from 16th march itself.

    The University management issued operating guidelines on 23rd march as Assam state was not under lockdown, IT team of university worked whole day and checked that all faculty members are provided with class wise/ subject wise group id’s of students they also provided training of google classroom and other platforms to faculty members. ROYALNet the digital platform of the University where we manage attendance, upload lesson plans and study material became very helpful as students are receiving relevant material, assignments, videos, video links on this platform while studying from home. All faculty members are in constant touch with their students through the respective WhatsApp Groups as well as through the mass student e- mail network, ROYALNet and google classroom.

    The faculty members are very actually and enthusiastically using digital platforms and frequently using Google Classroom and began uploading learning materials, useful links, youtube video lectures, assignments and also some of their own video lectures as per the scheduled classes and reporting on daily bases.

    Examinations were also conducted online in some e-classes, Some other examinations are being planned for the coming days. The students have started submitting their completed assignments through e-mail.

    The students are regularly motivated and directed to be responsive to the digital transactions by each teacher. The senior officers, right from the VC, Chairperson (Academic), the Deans of Schools and the HoDs and Coordinators are regularly monitoring the progress of the pedagogic exercises of the University in the digital ecosystem.

    The University has already developed few video lectures and demonstrations by the faculty members. The process shall now be accelerated so that we achieve best results during lockdown period. As of now, as an emergent exigency the response from the digital mode is very encouraging and effective to a great extent too. Stay home, stay safe- work from home and take this opportunity to learn more is current focus of Royal global university.

    2.   NMIMS faculty is now delivering lectures, and assessing students online. Even the attendance records are maintained as students login. Multiple technologies like Zoom are being used.

    3.   In the wake of the nation-wide lockdowns, TCS is offering schools and colleges, access to the TCS iON Digital Glass Room, a virtual learning platform, free of cost, so students can continue learning at home through this unprecedented period.

    4.   The TCS iON Digital Glass Room is a mobile and web education platform for schools and colleges, that empowers educators to engage with students in real time by sharing lessons, videos, worksheets, assignments and assessments, using interactive methods like polls, debates, quizzes, surveys and many more tools. As an add-on, the platform also provides an embedded live classroom, which simulates live classroom teaching.

    TCS iON Digital Glass Room is available to educational institutes of all types, irrespective of the medium of instruction, Board/University affiliation, or size. Interested schools and higher education organizations can register for the platform by going to https://learning.tcsionhub.in/hub/glass-room/

    Pls forward to anyone who might find this useful.

    5.   https://www.livelaw.in/news-updates/covid-19-nlud-introduces-free-online-e-pg-pathshala-courses-for-law-students-to-avail-study-at-home-facility-153938

    We had put up this for students of law on 19th now working to organise online classes through Zoom.

    6.   Presently Zoom happens to be one of the best for online course instructions, conferencing and sharing. Requesting all to take care in these difficult times,

    7.   BITS Pilani has gone Live online for all its UG and PG classes following its entire Time Table for all the subjects since March 19. This is happening across all its campuses, namely Pilani, Goa, Hyderabad and Dubai. Dubai started it on March 8. The campus shutdown happened on March 9 in Dubai. Connectivity issues at the student end is a challenge. Attendance in online classes is high, the experience so far. We appreciate this opportunity to share our narrative.

    8.   For Jain University Kochi Campus we are starting online classes through zoom from Friday onwards Already students have been shared with learning material and ppts So we hope that this situation will not lead us into more crisis.

    9.   At Symbiosis, we are conducting online classes using Zoom and similar tech. Faculty members are delighted with the results!  Access to online databases is also helping faculty to devote time to research.

    10.   Good Day to everybody! I greet the Aiu' idea of forming the group and congratulate. In pursuance of the UGC guide lines, I have assigned academic tasks (research articles/ editing/ commentary/ translation...) for the lockout period to the teachers of our University.

39
বিশেষজ্ঞরা যা-ই বলুন, করোনাভাইরাস শুধু যে প্রবীণদের নয়, সুযোগ বুঝে শিশুদের শরীরেও মরণ কামড় বসাচ্ছে, হাতের সামনে তার জলজ্যান্ত প্রমাণ ইন্দোনেশিয়ার বছর এগারোর এক বালিকা। পরিসংখ্যানের নিরিখে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯-এ নবীন বা শিশুমৃত্যুর হার নগণ্য হলেও, একেবারে উপেক্ষা করা যায় না।

ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, মৃত বালিকার বয়স ১১ বছর। গত ১৯ মার্চ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু, পরের প্রায় দু-সপ্তাহ ধরে পরিস্থিতি ক্রমে খারাপ হতে থাকে। ডাক্তারদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে, বুধবার করোনাআক্রান্ত শিশুটি মারা যায়।

ডাক্তাররা জানান, কোভিড-১৯ সংক্রমণের আগে থেকেই ডেঙ্গির জ্বরে ভুগছিল বাচ্চাটি। যে কারণে পরিস্থিতি ক্রমে জটিলতর হতে থাকে। ইন্দোনেশিয়ায় এখনও পর্যন্ত ১৬৬৭ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। বুধবার পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ১৫৭ জন। এর মধ্যে ১১ ডাক্তারও রয়েছেন, যাঁরা করোনা আক্রান্তদের চিকিত্সা করছিলেন।

গোরক্ষপুরে করোনায় মৃতই ভারতে সর্বকনিষ্ঠ, বয়স ২৫

এদিকে, বুধবার রাত পর্যন্ত গোটা বিশ্বে কোভিড-১৯ আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ৯ লক্ষ ১০ হাজার ৩৫২ জন। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৫ হাজার ৪৯৮ জনের। এর মধ্যে শুধু ইতালিতেই মারা গিয়েছেন ১৩ হাজার। স্পেনে মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ৫৩ জনের। আমেরিকায় মৃতের সংখ্যাটা প্রায় সাড়ে ৪ হাজার। ইরানে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে। ব্রিটেনেও মৃতের সংখ্যা দ্রুত আড়াই হাজারের দিকে এগোচ্ছে।

গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া নোভেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে বলে মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ গোটা বিশ্বকে এমন এক মন্দার মুখে ঠেলে দিতে পারে, যা সাম্প্রতিক অতীতে কেউই দেখননি। বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করে, গোটা দুনিয়াকে ভেদাভেদ ভুলে, এক হয়ে কাজ করার অনুরোধ জানান রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব।

করোনায় আক্রান্তের নিরিখে আমেরিকাই এখনও পর্যন্ত শীর্ষে। বুধবার রাত পর্যন্ত আমেরিকায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৩ হাজার ৮৪৮। মৃত্যু হয়েছে ৪৪৮২ জনের। যেখানে চিনে করোনায় মারা গিয়েছেন ৩ হাজার ৩০৫ জন।


Source: https://eisamay.indiatimes.com/world/11-year-old-girl-youngest-to-die-from-covid-19-infection-in-indonesia/articleshow/74938873.cms?utm_source=mostreadwidget&utm_medium=referral&utm_campaign=article5

40
ইঁদুরের শরীরে এর কার্যকারিতা দেখে দাবি করা হয়েছে, করোনা আক্রান্ত মানুষের শরীরেও একইভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি করবে এই ভ্যাকসিন। পিটসবার্গ করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক এমআরএনএ ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের থেকেও বেশি কার্যকরী হবে বলে দাবি করেছেন, সেখানকারই ভাইরোলজিস্ট লুই ফালো।

Raima Chakraborty | EiSamay.Com | Updated:Apr 3, 2020, 05:58PM IST

সুখবর: পিটসবার্গের বৈজ্ঞানিকদের হাতের মুঠোয় করোনা ঠেকানোর ভ্যাকসিন!

হাইলাইটস

    পিটসবার্গের স্কুল অফ মেডিসিনের বৈজ্ঞানিকদের দাবি, তাঁরা প্রায় করোনাভাইরাস ঠেকানোর ভ্যাকসিন তৈরি করে ফেলেছেন।
    একাধিক ডাক্তার এবং পিএইচডি স্কলারও যুক্ত রয়েছেন এই কর্মযজ্ঞে। পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং UPMC-র সহযোগিতায় কাজ চালানো হচ্ছে।
    গবেষকরা বলেছেন, খুব দ্রুত এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট থেকে দীর্ঘমেয়াদী ভ্যাকসিন তৈরি হয়ে যাবে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এই মুহূর্তে এর চাইতে বড় এবং আনন্দ-আশার খবর আর কিছুই হতে পারে না। পিটসবার্গের স্কুল অফ মেডিসিনের বৈজ্ঞানিকদের দাবি, তাঁরা প্রায় করোনাভাইরাস ঠেকানোর ভ্যাকসিন তৈরি করে ফেলেছেন।

বিশ্বজুড়ে মহামারীর আকার নিয়ে করোনাভাইরাস। প্রতিদিনই আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিশ্বের একাধিক দেশে সংক্রমণ আটকাতে জারি করা হয়েছে লকডাউন। যাতে মানুষ বাড়ির বাইরে না বেরিয়ে সংক্রমণ ঠেকাতে পারে, ভাইরাসের চেন ভেঙে ফেলা যায় সেদিকেই নজর রাখা হচ্ছে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের কাজ।

একাধিক ডাক্তার এবং পিএইচডি স্কলারও যুক্ত রয়েছেন এই কর্মযজ্ঞে। পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং UPMC-র সহযোগিতায় কাজ চালানো হচ্ছে। টাকার যোগানের দায়িত্বে রয়েছে NIH ইনস্টিটিউট। ল্যানসেট ইবায়োমিডিসিন-এর একটি জার্নালে এ নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। চিকিৎসকেরা মনে করছেন, এই অ্যান্টিবডি বিশ্বজুড়ে মানুষের শরীরে যেভাবে ভ্যাকসিন দেওয়া হয় তার ধারা বদলে দেবে।

গবেষকরা বলেছেন, খুব দ্রুত এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট থেকে দীর্ঘমেয়াদী ভ্যাকসিন তৈরি হয়ে যাবে। ইঁদুরের শরীরে এর কার্যকারিতা দেখে দাবি করা হয়েছে, করোনা আক্রান্ত মানুষের শরীরেও একইভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি করবে এই ভ্যাকসিন।

পিটসবার্গ স্কুল অব মেডিসিনের সার্জারি বিভাগের গবেষক-অধ্যাপক অ্যান্দ্রেয়া গ্যামবোট্টোর দাবি, ২০০৩ সালে সার্স (SARS-CoV) ও ২০১৪ সালে মার্স (MERS-CoV) ভাইরাসের প্রতিরোধী ভ্যাকসিনও তৈরি হয়েছিল পিটসবার্গ স্কুল অব মেডিসিনে। তাঁর কথায়, 'আগের দুটো মহামারীর ভয়াবহতা আমরা দেখেছি। তখনও ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা হয়েছিল। সার্স-কভ-২ ভাইরাসের সঙ্গে সার্স ও মার্স ভাইরাসের মিল রয়েছে। তাই এই নতুন ভাইরাসের ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট কেমন হবে সেটা অনুমান করা গিয়েছে।'

আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যেই মানুষের উপর এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগ হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। পিটসবার্গ করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক এমআরএনএ ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের থেকেও বেশি কার্যকরী হবে বলে দাবি করেছেন, সেখানকারই ভাইরোলজিস্ট লুই ফালো। তিনি বলেছেন, সার্স-কভ-২ ভাইরাল প্রোটিনগুলোকে শনাক্ত করে ল্যাবেই এমন ভাইরাল প্রোটিন বানানো হয়েছে যা দেহকোষে শক্তিশালী অ্যান্টিবডি তৈরি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। শুধু কোভিড-১৯ নয়, আগামী দিনে এমনই কোনও সংক্রামক ভাইরাসঘটিত রোগকে রুখতেও এই ভ্যাকসিন কাজে আসতে পারে।

Source: https://eisamay.indiatimes.com/world/the-university-of-pittsburgh-school-of-medicine-is-unveiling-a-possible-candidate-vaccine-for-the-coronavirus-pandemic-that-has-spread-across-the-world/articleshow/74968550.cms?utm_source=mostreadwidget&utm_medium=referral&utm_campaign=article2

41
বিশ্বে মোট দেশের সংখ্যা ১৯৩। আর এরমধ্যে কমপক্ষে ১৫০টি দেশে গণপরিসরে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (Coronavirus)। বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশের মধ্যে মারণ-ভাইরাসের গোষ্ঠী সংক্রমণ বা কমিউনিটি স্প্রেড (Stage Three) রোখার জন্য কোমর বেঁধে নেমেছে দেশগুলি। জোর দেওয়া হচ্ছে লকডাউনের (Lockdown) মাধ্যমে ঘরের বাইরে মানুষের উপস্থিতির হার কমানোর উপর। পরীক্ষা চলছে আরও কার্যকরী কৌশলের উপরও। মারণ-ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যখন হিমশিম খাচ্ছে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশগুলি, তখন করোনা-মুক্ত জীবন কাটাচ্ছেন মাত্র ১৮টি দেশের মানুষ। BBC-র রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের এই ১৮টি দেশে (The 18 countries without Covid-19) করোনাভাইরাস পৌঁছনোর আশঙ্কা প্রায় নেই।

একনজরে এই ১৮টি দেশ

গত বছরের শেষে চিনের (China) উহানে জন্ম হয় COVID-19 ভাইরাসের। ১৩ জানুয়ারির মধ্যে গোটা বিশ্বের একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাসটি। ধীরে ধীরে থাইল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশে এবং পরবর্তীতে ইরান, ইতালি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও থাবা বসায় মারণ-ভাইরাস। পরবর্তীতে নেপাল থেকে নিকারাগুয়াতেও করোনা-আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়।

কিন্তু, এমন সময়ও মারণ-ভাইরাসের ত্রাস থেকে মুক্ত থেকেছে চিনেরই পড়শি উত্তর কোরিয়া। যদিও এই দেশ থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। তবু সরকারিভাবে করোনা-মুক্তই রয়েছে কিম জং উনের দেশ। একইভাবে মারণ-ভাইরাস পৌঁছতে পারেনি যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনেও।

আরও পড়ুন: জুতো থেকেও ছড়ায় করোনাভাইরাস! নিজেকে বাঁচাতে যে নিয়ম মানতেই হবে...

রাষ্ট্রপুঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, একাধিক ক্ষুদ্র দ্বীপ বা দেশে ভাইরাসের কুনজর পড়েনি। এই তালিকায় রয়েছে পর্যটনে পিছিয়ে বিশ্বের প্রথম দশ দেশের মধ্যে সাতটি দেশই। যেমন- নাউরু, কিরিবাতি, টুভালুর মতো দেশ। এরমধ্যে একাধিক দেশের জনসংখ্যা ১০ হাজারেরও কম। প্রশান্ত মহাসাগরের উপর অবস্থিত কিরিবাতি দ্বীপে বছরে মাত্র ১৬০ জন পর্যটক যান। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের সামাজিক দূরত্ব (Social Distancing) মেনে চলার অভ্যাসই এই দেশগুলিকে করোনা-মোকাবিলায় সাহায্য করেছে।



উল্লেখযোগ্য, করোনা প্রভাব না পড়লেও সাবধানতা অবলম্বন করে বিমান পরিষেবা বন্ধ রেখেছ নাউরুর মতো দেশ। জরুরি অবস্থা জারি করেছে টোঙ্গা, ভানাউতুর মতো ছোট দেশগুলিও।

প্রসঙ্গত, বিশ্বে করোনাভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই লাফিয়ে বাড়ছে। এই মুহূর্তে ১০ লাখের বেশি মানুষ মারণ-ভাইরাসে আক্রান্ত। মৃতের সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার ছুঁইছুঁই।

Source: https://eisamay.indiatimes.com/world/coronavirus-these-are-the-18-countries-without-covid-19/articleshow/74978178.cms

42
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে রুখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৩৮০ বারেরও বেশি জিনের বদল ঘটিয়ে ভাইরাসটি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। করোনা রোধের উপায় বের করতে মরিয়া সব দেশ।

সংক্রামক এই রোগের উৎস সম্পর্কে জানতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্যের হদিশ পেয়েছেন আইসল্যান্ডের গবেষকরা। আইসল্যান্ডের জনসংখ্যা মাত্র ৩ লাখ ৬৪ হাজার। সে জন্য সরকার সেখানে কোনও লকডাউন বা কারফিউ জারি না করে দেশের সব জনগণের করোনা টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই পরীক্ষা থেকেই উঠে এসেছে অবাক করা তথ্য।

রবিবার রাত থেকে এখন পর্যন্ত দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ এবং বায়োটেকনোলজি ফার্ম ডিকোড জেনেটিক্স ১০ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষকে পরীক্ষা করেছে। এখনও পর্যন্ত ৩৫ হাজার মানুষের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে জনসংখ্যার অনুপাতে মাথাপিছু পরীক্ষার তুলনায় আইসল্যান্ডের এই সংখ্যা অনেক বেশি। এটাই মাথাপিছু হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় করোনা পরীক্ষা বলে দাবি করেছে আইসল্যান্ড প্রশাসন।

অন্যান্য দেশের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আইসল্যান্ড একমাত্র দেশ যেখানে করোনার কোন লক্ষণ না থাকলেও বৃহত্ সংখ্যক মানুষকে পরীক্ষা করা হয়েছে। এমনকি সেই সব মানুষেরও নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে যাঁরা কখনও কোনও করোনায় আক্রান্তের সংস্পর্শেরও আসেননি।

গবেষণায় আইসল্যান্ডে ২১৮ জনের শরীরে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। পরীক্ষায় যে ২১৮ জন করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে তাঁদের অর্ধেকের মধ্যেই করোনা কোনও লক্ষণ ছিল না। অর্থাত্‍ তাঁরা সিংহভাগই ছিলেন অ্যাসিম্পটোম্যাটিক ছিলেন। এই তথ্য এটাই প্রমাণ করেছে যে, ভাইরাসজনিত লক্ষণ নেই এমন মানুষের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য হারে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-২৯ সংক্রমণ।

আইসল্যান্ডের চিফ এপিডেমিওলজিস্ট থোরলফার গনসন বাজফিড-এর বক্তব্য, 'ডিকোড জেনেটিক্সের প্রাথমিক ফলাফলগুলি ইঙ্গিত দেয় যে, যাঁরা পজেটিভ হয়েছেন তাদের প্রায় অর্ধেকই লক্ষণহীন। বাকি অর্ধেক মানুষের মধ্যে মাঝারি ফ্লু-জাতীয় লক্ষণ দেখা যায়।'

আইসল্যান্ড কর্তৃপক্ষ বলেছেন যে, তাঁরা বিশ্বের অন্য কোথাও যেখানে উচ্চ জনসংখ্যার হার রয়েছে সেখানে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে একই ধরণের গবেষণা করবেন। কোনও নিশ্চিত সিদ্ধান্তে আসার জন্য এমন পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।


Source: https://eisamay.indiatimes.com/world/iceland-researchers-claim-that-more-than-half-corona-affected-were-asymptomatic/articleshow/74843105.cms

43
We’re currently navigating unknown territory as a result of the coronavirus (COVID-19) pandemic and for some — myself included — this can lead to a lot of anxiety, which can in turn affect your personal and professional life.

I spoke to Dr Tania Abdulezer, a UKCP accredited NLP psychotherapist and certified reverse therapist at Mind Your Language, to find out how to manage anxiety as we get to grips with our new reality.

“Anxiety occurs when we are in ‘survival mode,’ activating our emotional and reptilian brain centres,” Abdulezer explains.

[Read: Feeling lonely working from home? This nifty noise generator will re-create an office ambience]

When this happens, Abdulezer says, it becomes impossible for us to access our rational brain, which is typically tasked with responsible problem-solving, memory, and other complex tasks.

Right now, anxiety is fueled by uncertainty about the future, a lack of control, and significant changes in how we live and work.

The fact that many of us are working from home means we’re not benefiting from the same experiences and interactions we might have had during a typical day.

“We’re having to adapt to getting our needs met in new ways. This is challenging, especially for those with family members at home, who will now require our time and attention and will often be feeling unsettled themselves.”
The symptoms

Abdulezer says the most common anxiety symptoms are those relating to the release of stress hormones such as adrenaline and cortisol. These can include:

    Feeling nervous, restless, or tense
    Increased heart rate or breathing
    Feeling clammy or sweaty
    Difficulty concentrating on anything other than present worries or concerns
    A feeling of panic

Concerns and worries can be categorized as follows:

    Historical: Triggered by things that have happened in the past. It can help to discuss these with a trusted person or trained professional.
    Hysterical: Based on irrational fears. It can help to challenge the thinking behind these worries.
    Helpful: Based on events or circumstances outside our control. This is where it can help to focus on what we do know, what we can do, and what we can control. Think about how much control you have and then take action to influence the outcome where possible.

Tips for thriving

There are many different ways of coping with anxiety, but Abdulezer has shared her top tips for thriving — not just surviving — during lockdown:
1. Stick to a routine

Having a routine — and sticking to it — can help manage the symptoms.

For example, going to bed every night know what to expect the next day can help  you feel at ease.

At least your routine is something you can have control over and if you’re struggling to focus while you’re working from home, get organized in the morning.
2. Exercise and listen to your body

Exercise is excellent for clearing your head.

If your government allows it, exercise outside — being in nature can really

If you’ve been asked to stay indoors, exercise at home.

Try and rotate your exercise routine to keep things interesting.

Listen to your body. Be kind to yourself and others.
3. Stay connected

Make sure you stay in touch with loved ones. Schedule regular video calls and phone calls.

Reach out to people via WhatsApp or SMS. Share your concerns with people you trust.

It’s important to take time for yourself but don’t become too isolated.
4. Ignore the news (as much as you can)

This is going to sound strange coming from a journalist but try and avoid the news as much as you can.

Constantly reading, watching, or listening to news stories can be pretty upsetting so protect yourself.

[Read: 4 things all managers should avoid doing during the coronavirus pandemic]

I’m not saying you should forego all news coverage but try and limit it to once or twice a day.

If you find your friends are constantly sharing coronavirus-related news or memes on Whatsapp, mute the groups, and limit how much time you spend on social media.
5. Stay healthy

Eat as healthily as possible.

Ensure your meals are balanced and you stay hydrated.
6. Make time for yourself

Make time to unwind.

Do things you enjoy: Baking, meditating, reading, journaling, or listening to music.

Be creative and find a ‘happy’ place in either your home or garden and spend some time alone there every day.

Practice gratitude and mindfulness: Give the Grateful App or Calm app a go.

Make a feel good list featuring activities and people that are sure to put a smile on your face — and keep it handy!
7. Ask for help

There’s absolutely nothing wrong with asking for help when you need it.

If you’re feeling overwhelmed, and if your symptoms become unmanageable, let someone you trust know, and seek help as appropriate.

If necessary speak to a doctor about being referred to a trained therapist or counselor for help.

Remember you are not alone.


Source: https://thenextweb.com/growth-quarters/2020/04/01/how-to-manage-anxiety-if-youre-working-from-home-due-to-coronavirus/

44
It’s 3:41 am and you’re lying in bed, wide awake, worrying about how you’ll manage to survive the next working day without any sleep. Sound familiar?

With many of us working remotely, the lines between personal and professional are becoming increasingly blurry.

[Read: How to manage anxiety if you’re working from home due to coronavirus]

The uncertainty about what will happen and the constant news cycle of mounting deaths and confirmed COVID-19 cases can easily lead to anxiety, which in turn, can wreak havoc with our sleep cycle.

Nobody wants a cranky boss, or a tired employee, right? I’ve put together a few tips and tricks that’ve helped me snooze off over the past few weeks.
Seek daylight

Staying home is undoubtedly the best thing we can do to stop the spread of the virus, but it’s important to recognize that the lack of natural daylight can break havoc with our sleeping schedule and throw our body clock out of sync.

If you are able to go outside and exercise (check your government’s guidelines), then try and do so during daylight hours.

When you’re home, keep the curtains open to let some daylight in — and if you’re not allowed outside every day, then open your window and poke your head out for several minutes at a time. It sounds silly, but it will really help break up the day and give your body clock time to adjust.
Divide your time — and your spaces

I know it’s tempting but don’t work from bed, or the sofa. Get showered, and dressed. Don’t stay in your pajamas all day!

It’s important to have an adequate work set-up, and stick to a routine that makes sense for you.

If you don’t, your body will become incredibly confused about work and downtime, making it even harder to know when to sleep.

A good routine will also help you become more productive during the day. I know it sounds preachy, but you’ll thank me later.
Caffeine isn’t your friend

I’m a massive coffee fiend so what I’m about to say is going to hurt: Avoid having too much caffeine.

There’s no way I’m going to tell you to forego your morning coffee — or the heavenly cup of coffee you have after you’re done eating your lunch — but there needs to be a cut-off point.

Avoid caffeine after lunch, or else, risk counting sheep until the early hours.
Exercise — tire yourself

If you can, go for a walk, get some fresh air, and feel the daylight on your face.

If going outside isn’t possible, try and find ways of exercising at home.

And if you can’t bear the thought of working out, then clean. Just be physically active because not only is it good for your physical health, but tiring yourself out a little will help you catch some shut eye.
Tech curfew — put your phone down

Over the years I’ve learned just how important it is to limit screen time before you go to sleep.

Get into bed with your phone and you’ll likely enter into a pattern of mindless scrolling for hours on end — or end up spending way too much time on Twitter, getting wired, instead of sleepy.

If you can, leave your phone charging in another room and if you want to watch TV whilst in bed do so but for a limited time only. Otherwise, you’ll end up starting and finishing Netflix’s Unorthodox in one sitting and find yourself wide awake at 2am. Believe me, I would know.
Reduce stress and anxiety

I’m no sleep expert, but it goes without saying that stress and anxiety are your biggest enemies when it comes to sleeping.

If you’re anxious or stressed, know that there are ways of coping.

Whenever I find myself twisting and turning, I usually resort to the Calm app, play Stephen Fry’s “Blue Gold” or Matthew McConaughey’s “Wonder” and find myself drifting off. Listening to Ludovico Einaudi and Hans Zimmer always helps too.

A hot bath or shower before bed can also help you to relax and unwind — and don’t underestimate the importance of a night-time pamper routine.

I tend to reach for a body moisturizer that triggers a sense of familiarity: So, for example, one that smells like SPF as it reminds me of being on the beach and instantly calms me down.

I’ve also been known to use a pillow spray (lavender is my favorite) and indulge in a face mask or two.

Sleep is important, so do whatever works to help you snooze. You’ll be happier and everyone around you will be grateful.

Source: https://thenextweb.com/growth-quarters/2020/03/24/chinas-startups-hit-by-50-drop-in-series-a-deals-due-to-coronavirus-covid-19/

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 96