Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - ehsan217

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 7
Football / Totti makes history as Roma thwart Man City
« on: October 01, 2014, 12:51:11 PM »
Francesco Totti became the oldest goal-scorer in Champions League history as Roma held Manchester City to a 1-1 draw in an entertaining Group E encounter on Tuesday.

The Roma talisman, who turned 38 on Saturday, struck mid-way through the first half to earn Rudi Garcia's Serie A high-fliers a point after Sergio Aguero had put City ahead with a fourth-minute penalty.

Totti's goal broke a record previously held by former Manchester United midfielder Ryan Giggs and saw him end a run of nine matches without scoring in club games on English soil.

It was the first time in seven games that Roma had not won this season, but they left the Etihad Stadium the more satisfied team following a result that left them two points below group leaders Bayern Munich.

City, beaten 1-0 by Bayern in their first game, could not make their dominance of possession count and may need maximum points from their forthcoming double-header with CSKA Moscow if they are to avoid a third group-stage exit in four years.

"It was a very important game, but not decisive," said City manager Manuel Pellegrini.

"Maybe playing at home it is never good just to draw, but also we played against a very strong team in a very good moment.

"We must continue fighting for the next 12 points and we'll see which team will qualify."

A hamstring injury to Morgan De Sanctis obliged Roma to hand a competition debut to 23-year-old Polish goalkeeper Lukasz Skorupski and his first duty was to pick the ball out of the net.

City old boy Maicon blatantly hauled Aguero back by the shoulder as he looked to latch onto David Silva's chipped pass and the Argentine got up to send Skorupski the wrong way from the spot.

- Silva spurns late chance -


It was an unfortunate return to the Etihad for Maicon, a City player from 2012 to 2013, but he almost atoned within a minute by slamming a shot against Joe Hart's crossbar from Totti's feathered pass.

Roma continued to press, unsettling City with their pace in wide areas, and after Hart was called into action by Gervinho and then Radja Nainggolan, the visitors equalised in the 23rd minute.

Totti's milestone finish from Nainggolan's pass was delightful -- a stabbed effort with the outside of his right foot that sailed inside the right-hand post -- but Vincent Kompany had lost track of him in the build-up and Hart slipped as he came out to meet him.

City had a penalty shout turned down after Jesus Navas's cross appeared to strike Kostas Manolas on the hand, but it took a near-post stop from Hart to prevent Gervinho from firing Roma ahead before the break.

Pellegrini stiffened his midfield by introducing James Milner for Navas at half-time, but Roma continued to threaten.

Totti and Miralem Pjanic both shot narrowly wide from outside the area, while Hart had to spread himself to smother an effort from Pjanic after City failed to clear Alessandro Florenzi's cross.

After Pellegrini sent on Frank Lampard, City rallied, with Milner dragging a shot wide after a driving run and Fernandinho charging into the box, only to be crowded out by Seydou Keita and Mapou Yanga-Mbiwa.

The chances continued to come at both ends, with Pjanic blazing over and Skorupski saving a dipping Lampard effort.

City penned Roma back in the closing stages, but they could not find a way through, with Silva touching fractionally wide from Pablo Zabaleta's cross in stoppage time.

Hockey / India-Pakistan face off for hockey gold
« on: October 01, 2014, 12:48:36 PM »

Two-time champions India will be facing arch-rivals and defending champions Pakistan in the mouthwatering title-clash of the Asian Games men's hockey final slated for Thursday.

While India edged past hosts South Korea 1-0 and stayed on course for their first Asian Games gold medal in 16 years, Pakistan had to fight hard for a 6-5 win in the penalty shoot-out against Malaysia after the match ended goalless in the regulation time here Monday.

In the title-clash, India and Pakistan will not only fight it out for the gold medal but also a direct qualification for the 2016 Rio Olympics. India have a poor 1-7 record against eight-time champions Pakistan in the final of the Asian Games. The only time India managed to beat Pakistan was in the 1966 Bangkok Games.

It was a solitary strike by Akashdeep Singh that helped India beat hosts South Korea 1-0 in the semi-finals at the Soenhak Hockey Stadium and qualify for their first final in 12 years.

India not only stayed on course for a possible third gold medal but are also eyeing a direct berth for the 2016 Rio Olympics if they emerge champions here. India last made the final in 2002 when they were beaten by South Korea.

In the title-clash India will be playing the winner of the other semifinal between holders and record eight-time champions Pakistan and Malaysia.

India, who had last won the gold medal in 1998, upped their game when it mattered the most and put on a fine show against the hosts, who had won the gold medal on four occasion.

Having been beaten by India in the bronze medal play-off match in 2010 Guangzhou, South Korea were determined to take revenge. And it was evident on the field that both India and South Korea would not leave any stones unturned to claim a berth in the final.

Both the teams played an exciting game that saw a powerful mix of attack and defence. None of the teams let each other to cash in on any opportunities and open the goal account as the first two quarters remained barren.

The deadlock lasted till the 43rd minute, when forward Akashdeep Singh sneaked his way into the opponent's D and pierced in a field goal to open the account for India in the 44th minute, which proved to be the winning goal for his team.

In the last 15 minutes, India tried their best to hold on to the lead and qualify for the final. South Korea were desperate to sneak in the equaliser and also came close when they earned a penalty corner in the 58th minute. But India goalkeeper P.R.Sreejesh stood like a rock and denied South Korea any hope of getting back into the match.

Chief coach Terry Walsh said he was pleased to see the way these boys have played.

"It was an important match and they played according to the strategies planned as well as keeping themselves calm and composed and did not leave any space for error. The whole team is excited to be the first contenders in the final and to have achieved our goals in the tournament as planned till now and our next goal is to win the final and book the berth for the 2016 Rio Olympics," he said.

India were champions in 1966 and 1998 and finished runners-up on nine occasions. They have also won two bronze medals -- the last coming in the 2010 edition.

Football / রাউলকে ছোঁয়ার অপেক্ষা
« on: October 01, 2014, 12:25:48 PM »
অভিনন্দনবার্তায় কী বলবেন, তা হয়তো ভেবেই রেখেছেন রাউল গঞ্জালেস। অভিনন্দন কাকে জানাবেন, প্রশ্ন শুধু এটাই। লিওনেল মেসি না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো? চ্যাম্পিয়নস লিগে রাউলের সবচেয়ে বেশি গোলের (৭১টি) রেকর্ডটি ভেঙে দেওয়ার সম্ভাবনার দুয়ারে দাঁড়িয়ে তাঁরা দুজনই।
প্রথম সুযোগটা মেসিই পেয়েছেন। রাউলকে ছুঁতে গতকাল চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনা-পিএসজি ম্যাচের আগ পর্যন্ত মেসির দরকার ছিল ৪ গোল, পেরিয়ে যেতে ৫টি। এক ম্যাচে চার-পাঁচ গোল করা মেসির জন্য অসম্ভব নয়, তবে খুবই কঠিন। সেই কঠিন কাজটা মেসি করতে পেরেছেন কি না, সেটাও পাঠকদের জানা হয়ে গেছে এরই মধ্যে। যে সুযোগটা মেসি কাল পেয়েছেন, সেটাই আজ পাচ্ছেন রোনালদোও। চ্যাম্পিয়নস লিগের মূল পর্বে পর্তুগিজ উইঙ্গারের গোল ৬৮টি। ‘বি’ গ্রুপে আজ রিয়াল মাদ্রিদও খেলবে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ বুলগেরিয়ান ক্লাব লুদোগোরেৎসের বিপক্ষে। মৌসুমের শুরু থেকে যেভাবে গোল-বুভুক্ষু হয়ে উঠেছেন রোনালদো, আজ তাঁর পক্ষে রাউলকে ছুঁয়ে ফেলা কিংবা পেরিয়ে যাওয়া তাই কঠিন মনে হচ্ছে না মোটেও।
গত সপ্তাহেই লা লিগায় দেপোর্তিভো লা করুনিয়ার বিপক্ষে ৮-২ গোলের জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন রিয়ালের পর্তুগিজ উইঙ্গার। এলচের বিপক্ষে পরের ম্যাচে একাই করেছেন চার গোল। একটা গোল পেয়েছেন গত শনিবার ভিয়ারিয়ালকে হারানো ম্যাচেও। সব মিলিয়ে এ মৌসুমে লা লিগায় রিয়ালের ছয় ম্যাচের পাঁচটিতে খেলেছেন রোনালদো, গোল করেছেন ১০টি! লা লিগার ইতিহাসে প্রথম ছয় ম্যাচ শেষে এর চেয়ে বেশি গোল করতে পারেননি আর কোনো ফুটবলার। সমান ১০টি করে গোল করেছিলেন বার্সেলোনার হাঙ্গেরিয়ান ফরোয়ার্ড লাজলো কুবালা (১৯৫৩-৫৪ মৌসুমে) ও রিয়ালের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার পাহিনো (১৯৫৪-৫৫)। পাহিনো অবশ্য কীর্তিটা রিয়ালের জার্সি গায়ে গড়েননি, রিয়াল ছেড়ে এর আগের মৌসুমেই তিনি যোগ দিয়েছিলেন দেপোর্তিভো লা করুনিয়ায়। রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে তাই এমন বিধ্বংসী হয়ে মৌসুম শুরু করা প্রথম খেলোয়াড় রোনালদো। চ্যাম্পিয়নস লিগেও গত মৌসুমে একাই ১৭ গোল করে গড়েছিলেন এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড। এ মৌসুমে প্রথম ম্যাচেই বাসেলকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল, একটা গোল পেয়েছেন রোনালদোও। সব মিলিয়ে ইউরোপ-সেরার টুর্নামেন্টে সর্বশেষ ১২ ম্যাচে ১৮ গোল তাঁর।
আজ এই ছন্দটা ধরে রাখতে পারলে শুধু লুদোগোরেৎসের কপালই পুড়বে না, রাউলও পেছনে পড়ে যেতে পারেন রোনালদোর! গোল ডটকম।
চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রতিপক্ষের মাঠে সর্বশেষ ৬ ম্যাচে ২০ গোল করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। জয় চার, ড্র এক। একমাত্র হার গত মৌসুমে ডর্টমুন্ডের কাছে কোয়ার্টার ফাইনালে।
স্পেনের মাঠে এ পর্যন্ত ২১ ম্যাচ খেলেছে জুভেন্টাস। জিতেছে তিনটি, ড্র চার, হার ১৪। জুভেন্টাসের বর্তমান দলে স্পেনের মাঠে সর্বশেষ জয়ের (২০০৮-০৯ চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়ালের বিপক্ষে) সাক্ষী শুধু একজন, জর্জো কিয়েলিনি।
ইতালিয়ান ক্লাবের বিপক্ষে নিজের মাঠে এ পর্যন্ত ৯ ম্যাচ খেলেছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, জয় ছয়টি, হার তিন।
ইংল্যান্ডের মাঠে ইংলিশ কোনো ক্লাবের বিপক্ষে কখনো জয় পায়নি গ্যালাতাসারাই। নয় ম্যাচ খেলে হার ছয়, ড্র তিন।

ইংলিশ ক্লাবের বিপক্ষে নিজের মাঠে বাসেলের পরিসংখ্যান—চার জয়, তিন ড্র, চার হার। সুইজারল্যান্ডের মাঠে পাঁচ ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই গোল পেয়েছে লিভারপুল।

শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসছে।’ পাকিস্তানের ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়ার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বুধবার এ কথাটিই বলেছিলেন ইউনিস খান। কাল সেই ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ঘোষণাটি দিতে গিয়ে পাকিস্তানের নির্বাচকদের তিনি ধুয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের জন্য নতুন দল দাঁড় করাতে না পারলে নির্বাচকেরাই দায়ী থাকবেন। আগামী পাঁচ মাস সব ধরনের ক্রিকেটেই জাতীয় দলে না খেলার ঘোষণা দিয়েছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।
কাল করাচিতে বেশ ক্ষুব্ধ কণ্ঠেই ইউনিস বলেছেন, ‘তাঁরা বলেছেন আমার কোনো ভবিষ্যৎ নেই, তাই আমি সব ধরনের ক্রিকেট থেকেই সরে দাঁড়াতে চাই, এমনকি আমাকে টেস্টেও নেওয়ার দরকার নেই। বিশ্বকাপের আগে পাঁচ মাসের জন্য দূরে থাকতে চাচ্ছি। তাঁরা নতুন দল গড়ুন, তবে সফল না হলে নির্বাচকদের জবাবদিহি করতে হবে।’
৯১টি টেস্ট ও ২৫৪টি ওয়ানডে খেলা ইউনিস খেপেছেন নির্বাচক ও বোর্ডের আচরণে, ‘সিনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে তাতে আমি ক্ষুব্ধ। মঈন খান (প্রধান নির্বাচক) কীভাবে বলেন আমি ওয়ানডের জন্য ফিট নই? ওয়ানডে থেকে ১৫ মাস দূরে রাখার পর কিসের ভিত্তিতে তাঁরা আমাকে বিচার করলেন। আমার বয়স ৩৬, এর মানে কি আমি নিজেকে গুলি করব? ৩০ বছরের বেশি বয়সের খেলোয়াড়েরা কি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে না?’ এএফপি, দ্য ডন, দ্য হিন্দু।
টেস্ট দলে নিয়মিত হলেও অনেক দিন পর গত শ্রীলঙ্কা সফরে ওয়ানডে দলে ফিরেছিলেন ইউনিস। প্রথম ওয়ানডে খেলেই দেশে ফিরে যান ভাইপোর মৃত্যুর খবরে। এরপর পরশু ঘোষিত অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়েন।
ইউনিসের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার জবাবটা কাল কারণ দর্শাও নোটিশ জারি করেই দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

কলকাতার বিখ্যাত ক্রিকেট ভেন্যু ইডেন গার্ডেনসের সার্ধশতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিযোগিতাটি আগামী ২৩-৩০ অক্টোবর কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে।
ইডেন গার্ডেনসের অধিরক্ষক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) যুগ্ম সচিব সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির অনুরোধেই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় দল।
কিছুদিন আগেই ইডেনের ১৫০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় একটি দল পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে বিসিবিকে চিঠি দিয়েছিলেন সৌরভ। এই প্রতিযোগিতার সঙ্গে সিএবি বিভিন্ন অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করছে। ওই সময় জিম্বাবুয়ে দল বাংলাদেশ সফরে থাকার কারণে জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়েই গঠিত হবে ‘এ’ দল। এই প্রতিযোগিতার জন্য প্রিমিয়ার লিগও কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

Cricket / এবার সুনীল নারাইনও
« on: October 01, 2014, 12:15:10 PM »
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং অ্যাকশন নিয়ে অভিযোগের যে ঝড় উঠেছে, তার ঝাপটা এসে লেগেছে চলতি চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টি লিগেও। এবার তাতে যুক্ত হলো সুনীল নারাইনের নাম। এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে চতুর্থ বোলার হিসেবে প্রশ্ন উঠেছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে। পরশু ডলফিনসের বিপক্ষে কলকাতার ম্যাচে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে তাঁর অ্যাকশন।
এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে এর আগে লাহোরের মোহাম্মদ হাফিজ ও আদনান রসুল এবং ডলফিনসের প্রেনেলান সাবরায়েনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নারাইনের মতো ওই তিনজনও অফ স্পিনার। মূলত নারাইনের জোরের ওপর করা বলগুলোই সন্দেহের তালিকায়। চ্যাম্পিয়নস লিগের নিয়ম অনুযায়ী, নারাইন টুর্নামেন্টে খেলে যেতে পারবেন। তবে আবারও অভিযোগ উঠলে টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে আর খেলতে পারবেন না। এটি তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে কোনো প্রভাব ফেলবে না। ক্রিকইনফো।

Cricket / ঢাকা আসছেন টেন্ডুলকার
« on: October 01, 2014, 12:12:46 PM »
ঢাকায় এর আগেও অনেকবার এসেছেন। তবে সেটি খেলতে। শচীন টেন্ডুলকার আবারও ঢাকা আসছেন। এবার মূলত বন্ধুকৃত্য করতে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব গাজী ট্যাংকের স্বত্বাধিকারী লুৎফর রহমানের (বাদল) সঙ্গে টেন্ডুলকারের অনেক দিনের ঘনিষ্ঠতা। লুৎফর গত বছর গাজী ট্যাংক দলটি কিনে সেটির নাম বদলে ‘লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ’ রাখার আবেদন করেছিলেন ক্রিকেট বোর্ডের কাছে। তার এক বছর পর কালকের বোর্ডসভায় অনুমোদিত হয়েছে এই নামবদল। শচীন টেন্ডুলকারের ঢাকায় আসাটা চূড়ান্ত হয়েছে এতেই।
সবকিছু ঠিক থাকলে ১৪ অক্টোবর এক দিনের ঝটিকা সফরে এসে ‘লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ’ ক্লাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন টেন্ডুলকার। কাল টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে লুৎফর রহমান এটি নিশ্চিত করেন, ‘শচীন আমার খুব ভালো বন্ধু। আমি যখন টিম কিনি, তখনই ও কথা দিয়েছিল উদ্বোধনে আসবে। সেই কথা রাখতেই ও ঢাকায় আসছে। আমি মনে করি, এটা শুধু আমার ক্লাবের জন্যই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও হবে মাইলফলক।’

কুয়েত ক্রিকেট খেলে কবে থেকে এই প্রশ্ন আছে সকলেরই। ফুটবলে এশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৮২ সালে বিশ্বকাপ খেলা মধ্যপ্রচ্যের তেলভাণ্ডার এই কুয়েত এবার এসেছে এশিয়ান গেমসে খেলতে। গ্রুপপর্ব পেরিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠাটা তাদের জন্য বড় সাফল্যই। আজ ইনচনের ইয়োনহি ক্রিকেট মাঠে এশিয়ান গেমসে সোনার পদক ধরে রাখার মিশনে সেই কুয়েতেরই মুখোমুখি হয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার বাংলাদেশ।
টসে জিতে কুয়েত বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময় কুয়েতের বোলারদের ওপর যথেষ্টই চড়াও ছিল বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ৯ ওভারের মধ্যে দলীয় ১০০তে গিয়ে দাঁড়ালেও এরই মধ্যে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান এনামুল হক ও তামিম ইকবালকে হারি​য়ে বসেছে বাংলাদেশ। এনামুল মাত্র ১৮ বলে ৫টি চার ও একটি ছয়ের সাহায়্যে ৩৮ রান করে এলবি’র শিকার হয়েছেন বাসতাকি মাহমুদের বলে। তামিম ২৮ করে (৩টি চার) ফিরেছেন ওই বাসতাকি মাহমুদের হাতে ধরা পড়ে। তাঁর ক্ষেত্রে বোলার ছিলেন আরেক বাসতাকি, বাসতাকি ফাহাদ।
তামিম-এনামুলের উদ্বোধনী জুটিতে রান আসে ৬১। এই দু’জনের বিদায়ের পর দলের রান সামনের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন মোহাম্মদ মিথুন ও নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফেরা সাকিব আল হাসান। মিথুন অপরাজিত আছেন ২৪ রানে।

Tennis / লি নার অবসর!
« on: October 01, 2014, 12:07:22 PM »
আর টেনিস খেলবেন না। চোটের কাছে হার মেনে টেনিসকে বিদায় জানাচ্ছেন দুটি গ্র্যান্ড স্লামের মালিক লি না। চীনের রাষ্ট্রীয় স্পোর্টস চ্যানেল সিসিটিভি-ফাইভ-এর খবর অনুযায়ী আজই আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নেবেন টেনিস থেকে। বিস্তারিত কিছু জানায়নি সিসিটিভি ফাইভ। লি নার ঘনিষ্ঠ এক সূত্রের বরাত দিয়ে শুধু এটুকুই জানিয়েছে, চোটের কারণেই তিনি অবসর নিতে যাচ্ছেন। এএফপি।

Football / রেকর্ডের বরপুত্র
« on: October 01, 2014, 12:03:57 PM »
অবিশ্বাস্য, কিন্তু বাস্তব৷ এক পঞ্জিকা বর্ষে ৯১ গোল! গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড৷ যেন গোলের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন ফুটবল জাদুকর৷
এমন গোলমেশিনকে কে না ভয় পায়! কোনো কারণে মেসি খেলতে না পারলে প্রতিপক্ষ শিবিরে বয়ে যায় আনন্দের ফোয়ারা৷ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন ডিফেন্ডাররা, ‘গোলমেশিনকে তো আর সামলাতে হবে না!’ বায়ার্ন মিউনিখের মিডফিল্ডার জাভি মার্টিনেজ তো একবার বলেই ফেলেছিলেন, ‘ও খেলবে না, এটাই বিরাট স্বস্তির৷’
২০০৪ সালে বার্সেলোনার মূল দলে অন্তর্ভুক্তি৷ সেই থেকে প্রতিপক্ষ শিবিরে আতঙ্ক ছড়িয়েই চলেছেন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি৷ ভেঙে চলেছেন একের পর এক রেকর্ড৷ সৃষ্টি করছেন নতুন নতুন ইতিহাস৷
এই ধরণিতে এমন খেলোয়াড়ও আছেন, যিনি একবার ফিফা ব্যালন ডি’অরের জন্য মনোনীত হতে পারলেও নিজেকে ধন্য মনে করেন৷ কিন্তু এই দুর্লভ পুরস্কারটিই মেসির হাতে উঠেছে টানা চারবার৷ ২০০৯ সালে শুরু হয়ে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদার পুরস্কারটি নিজের করে নিয়েছিলেন মেসি৷ সেখানেই শেষ নয়; প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনবার ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু পুরস্কারও পেয়েছেন৷
মাত্র ২৪ বছর বয়সে বার্সেলোনার পক্ষে সর্বোচ্চসংখ্যক গোল, লা লিগার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে (২৫ বছর) ২০০ গোলেরও মালিক এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড৷
ক্লাবের হয়ে রেকর্ডের পর রেকর্ড৷ একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি টানা চার মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা৷ ইউরোপের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চসংখ্যক চারটি হ্যাটট্রিকেরও মালিক৷ এর মধ্যে একটি ম্যাচে তো ইতিহাসই গড়েছেন৷ ২০১২ সালে বেয়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে ম্যাচে পাঁচটি গোলই করেন এই বিস্ময়৷ একটানা কতটি ম্যাচে গোল করা যায়? কল্পনা করুন তো! পাঁচটি, দশটি, পনেরিট, বিশটি! মেসি আপনার কল্পনাশক্তিকেও ছাড়িয়ে গেছেন৷ লা লিগার মতো শীর্ষপর্যায়ের একটি লিগে টানা ২১ ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব তাঁর৷ এর মধ্য দিয়ে পেশাদার লিগে সব কটি দলের বিপক্ষে টানা গোল করার রেকর্ডও এখন তাঁর৷ চোটের কারণে পরের ম্যাচে নামতে পারেননি৷ নইলে কে জানে, এই গোলমেশিন কোথায় থামত!
বয়স এখনো মধ্য গগনে৷ সামনে অফুরান সময়৷ কিন্তু এরই মধ্যে ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সব অর্জন হয়ে গেছে৷ ছয়টি লা লিগা, দুটি কোপা দেল রে, ছয়টি স্প্যানিশ সুপার কাপ, তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ, দুটি উয়েফা সুপার কাপ ও দুবার জিতেছেন ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ৷
ক্লাবের হয়ে রাশি রাশি সাফল্য৷ কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে মেসি কী করেছেন, দেখা যাক সেই খতিয়ান৷ খুব বেশি সমৃদ্ধ না হলেও আর্জেন্টিনার মানুষের মনে সাম্প্রতিক সময়ে খুশির খোরাক জুগিয়েছেন তিনিই৷ ২০০৫ সালে তাঁর হাত ধরেই অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ ঘরে তোলে নীল-সাদারা৷ টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গোলদাতাও হন তিনি (৬)৷ বিশ্বকাপ অভিষেক ২০০৬ সালে৷ আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে তিনিই সবচেয়ে ছোট খেলোয়াড়৷
২০০৭ সালে কোপা আমেরিকায় দাপটের সঙ্গে ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা৷ কিন্তু শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের দুরন্ত ফুটবলের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ৷ মাচেরানোদের ব্যর্থতার পাল্লা হলো আরও ভারী৷ কিন্তু টুর্নামেন্টের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার ঠিকই উঠেছে মেসির হাতে৷ জাতীয় দলের হয়ে তাঁর প্রথম সাফল্য আসে ২০০৮ সালে, বেইজিং অলিম্পিকে৷ আর্জেন্টিনা অলিম্পিক ফুটবল দল সোনা জিতে তবেই দেশে ফেরে৷
ছোট্ট জীবনে এ পর্যন্ত অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার৷ ওয়ার্ল্ড সকার প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার তিনবার, উয়েফা সেরা খেলোয়াড় একবার, উয়েফা ক্লাব ফুটবলার অব দ্য ইয়ার একবার, ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ গোল্ডন বল দুবার, এলএফপি সেরা খেলোয়াড় পাঁচবার, লা লিগা সেরা খেলোয়াড় তিনবার, লা লিগা সেরা বিদেশি খেলোয়াড় তিনবার ও পিচিচি ট্রফি তিনবার জিতেছেন এই স্ট্রাইকার৷
কাতালুনিয়ায় মেসি সোনার ডিম পাড়া হাঁস৷ সেখানে তাঁকে ছাড়া চিন্তাই করা যায় না৷ সম্প্রতি তিনি ছন্দে নেই৷ বার্সার ট্রফি কেসেও যেন বদল আসে না৷ বায়ার্ন মিউনিখের সাবেক কোচ হেইঙ্কেস একবার সত্যিই বলেছিলেন, ‘মেসি ছাড়া গল্পটা ভিন্ন৷ ও-ই বার্সার ভিত্তি৷’
সূত্র: বিভিন্ন সময়ে প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদন, একাধিক ওয়েবসাইট ও লুকা কাইয়োলির বই মেসি৷

Astronomy / নাসার নতুন যান
« on: September 26, 2014, 11:27:12 AM »
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) গত শনিবার নতুন প্রযুক্তির বিশেষ একটি যান পরীক্ষামূলকভাবে চালিয়েছে। বিজ্ঞানীরা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে চাকতি আকৃতির এ রকম যান পাঠানোর চিন্তাভাবনা করছেন। তবে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের একটি সামরিক ঘাঁটি থেকে নির্দিষ্ট উচ্চতায় পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের পর আকাশযানটি নেমে আসার সময় প্যারাসুটে জট পাকিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে আছড়ে পড়ে। টেলিভিশনে ওই পরীক্ষা সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। নতুন যানটিতে যুক্ত হয়েছে অবতরণকালীন গতি হ্রাসের বিশেষ প্রযুক্তি। হিলিয়াম গ্যাসভর্তি বেলুন ওই যানকে উড়িয়ে নিয়ে চলে এক লাখ ২০ হাজার ফুট উচ্চতায়। তারপর বেলুন থেকে বিচ্ছিন্ন যানটি রকেট ইঞ্জিনের সহায়তায় শব্দের চেয়ে ৩ দশমিক ৮ গুণ বেশি গতিবেগে এক লাখ ৮০ হাজার ফুট ওপরে উঠে যায়। এএফপি।

মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি গড়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে নাসা। মঙ্গলের কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে অক্সিজেন তৈরির পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান দ্য ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা)।
মার্স অক্সিজেন আইএসআরইউ এক্সপেরিমেন্ট (মক্সি) যন্ত্রের সাহায্যে মঙ্গলগ্রহে অক্সিজেন তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নাসার কর্মকর্তা উইলিয়াম এইচ গার্স্টেনমেয়ারের বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, মঙ্গলে উত্পাদিত অক্সিজেন দিয়ে রকেটের জ্বালানি তৈরি করা যাবে। এর মধ্য দিয়ে মঙ্গল থেকে পৃথিবীতে যাতায়াতও সহজ হয়ে যাবে। কারণ, মঙ্গল থেকে পৃথিবীতে ফিরে আসার নভোযানের জন্য পৃথিবী থেকে জ্বালানি নিয়ে যাওয়াটা অনেক বেশি ব্যয়বহুল। এ ছাড়া একদিন হয়তো মঙ্গলে উত্পাদিত অক্সিজেনের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাসও নিতে পারবেন ভবিষ্যতের নভোচারীরা।
মঙ্গলে অক্সিজেন তৈরির প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত আছেন এমআইটির গবেষক মাইকেল হেচেট। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলে অক্সিজেন উত্পাদনের জন্য যে যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে তা শুরুতে ঘণ্টায় এক আউন্সের তিন ভাগের একভাগ অক্সিজেন তৈরি করবে। পরীক্ষামূলকভাবে এই অক্সিজেন উত্পাদন প্রক্রিয়া সফল হলে পরবর্তী সময়ে অনেক বড় পরিসরে অক্সিজেন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।       

এয়ারশিপ বা বাতাসের চেয়ে হালকা আকাশযান বেশ পুরোনো বিষয়। আধুনিক উড়োজাহাজগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই আকারে বিশাল ও সে অনুযায়ী ভারী। তবে এয়ারশিপের ব্যবহারের ক্ষেত্রটি আলাদা।
যুক্তরাষ্ট্রের একদল প্রকৌশলী আবার তৈরি করছেন নতুন ধরনের এয়ারশিপের নকশা। তাঁদের দাবি, এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬৫ হাজার ফুট উঁচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের হালকা ও অতি ঠান্ডা বাতাসের স্তরে চলাচল করবে।
প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, সাধারণ জেট বিমানের দ্বিগুণ উঁচুতে উড়বে এই এয়ারশিপ। নিচে থেকে বিজ্ঞানীরা এটির চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবেন। উড়ন্ত বেলুনের মতো এই হালকা আকাশযানে বহন করা যাবে শক্তিশালী দূরবীক্ষণযন্ত্র। এতে করে দূর ছায়াপথ যেমন, তেমনি ভূপৃষ্ঠের কোনো মহাসাগরের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করাও সম্ভব হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের আরভিনে অবস্থিত ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী সারাহ মিলার বলেন, স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে চলাচলের উপযোগী এ এয়ারশিপ বিপুল ব্যয়ে মহাশূন্যে না গিয়েও মহাশূন্যের কাছাকাছি পরিবেশ তৈরি করে প্রায় সে রকম অবস্থার বিবরণ দিতে পারবে!
অতি উঁচুতে চলার উপযোগী এয়ারশিপ তৈরির প্রযুক্তি বলতে গেলে এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হালকা আকাশযান ৬৫ হাজার ফুট উঁচুতে আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলাচল করতে পারেনি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কেক ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজের গবেষকেরা বলছেন, আরও বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন এয়ারশিপ শিগগিরই তৈরি করা সম্ভব হবে।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) এ রকম এয়ারশিপ নির্মাণের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে প্রত্যাশিত ওই উচ্চতায় এসব এয়ারশিপই যে প্রথম গেছে, তা নয়। রকেট ও কৃত্রিম উপগ্রহগুলো প্রায় নিয়মিত ৬৫ হাজার ফুট পেরিয়ে পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করছে। আর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহৃত বেলুনগুলোও ইতিমধ্যে ওই উচ্চতায় পৌঁছার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।
বেলুনে ব্যবহৃত হিলিয়াম গ্যাস দিনের বেলা উত্তপ্ত হয়ে প্রসারিত হয়। আর রাতে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে গ্যাসটি সংকুচিত হয়ে পড়ে। বাতাসের চেয়ে হালকা আকাশযান তৈরির জন্য এটি এক বড় বাধা।
মার্কিন প্রকৌশলী স্টিভ স্মিথ বলেন, এয়ারশিপ তৈরির একটি বড় কারিগরি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এতে ব্যবহৃত গ্যাসীয় উপাদানের ভারসাম্য রক্ষা করা। রাতে বিধ্বস্ত হওয়া এড়াতে এয়ারশিপের ভেতরে যথেষ্ট পরিমাণ গ্যাস থাকা চাই। আবার একই সঙ্গে এতে শক্তিশালী কিছু উপাদান থাকতে হবে, যাতে দিনের বেলা বিস্ফোরিত না হয়। আর যানটির আকৃতিও হতে হবে হালকা বায়ুতে চলাচলের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
তবে সমস্যা হচ্ছে, স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে চলাচলের উপযোগী এয়ারশিপ তৈরির ব্যাপারটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল আর পরীক্ষামূলক চালনাও বেশ জটিল। তহবিলের অভাবে এ ধরনের যান তৈরির প্রচেষ্টা বাদ দিয়েছেন অনেক দক্ষ প্রকৌশলীও। তবে নাসার উদ্যোগে এখন হয়তো এ ব্যাপারে নতুন করে অগ্রগতি হতে পারে। আবার গ্যাসের পরিবর্তে এয়ারশিপ চালাতে বিদ্যুৎশক্তি ব্যবহারের চিন্তাভাবনাও করছেন প্রকৌশলীরা। এটি দিয়ে বিজ্ঞানীরা গ্যাসচালিত এয়ারশিপের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্যতার সঙ্গে গবেষণাকাজ চালাতে পারবেন। কারণ, গ্যাসভিত্তিক এয়ারশিপের ক্ষেত্রে তাঁরা অনেকটা অনিশ্চয়তায় ভোগেন। তাই এ রকম যানের ওপর নির্ভর করে তাঁরা ব্যয়বহুল গবেষণাকাজ পরিচালনার উদ্যোগ থেকে পিছিয়ে যান।
অনেক মহাকাশ স্যাটেলাইটের মতো বেলুনগুলোও চলন্ত অবস্থায় বিধ্বস্ত হওয়ার নজির রয়েছে। তখন তাতে পরিবহন করা সব যন্ত্রপাতিই নষ্ট হয়ে যায়। কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী বার্থ নেটারফিল্ড বলেন, বিদ্যুৎ-চালিত এয়ারশিপ যখন ইচ্ছা নামিয়ে আনার সুযোগ থাকবে। তবে কার্যকর এয়ারশিপ চালু করার পথে এখনো অনেক গবেষণা বাকি রয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমস।

মঙ্গলের কক্ষপথে ভারতের পাঠানো মঙ্গলযান কাজ শুরু করেছে এবং সেখানকার ছবি তুলেছে। প্রথমবারের মতো সেই ছবি পৃথিবীতেও পাঠিয়েছে এ নভোযানটি। আজ বৃহস্পতিবার এক খবরে জানিয়েছে বিবিসি।
ভারতের মহাকাশযান গতকাল বুধবার সকালে সফলভাবে মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করে ‘ইতিহাস সৃষ্টি করেছে’ বলে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোতে জানানো হয়েছে। এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (আইএসআরও) অভিযান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র থেকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে এ ঘোষণা দেন।
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, কয়েকটি ছবি পাঠিয়েছে মঙ্গলযান। এটি পুরোপুরি স্থানীয়ভাবে তৈরি। মহাকাশযানটি তৈরিতে সময় লেগেছে ১৫ মাস। খরচও পড়েছে অত্যন্ত কম। এই অভিযানের মোট খরচ হয়েছে ৪৫০ কোটি রুপি।
ছয় মাস ধরে মঙ্গলকে প্রদক্ষিণ করে সংগ্রহ করা তথ্য ভূমিতে স্থাপিত কেন্দ্রে পাঠাবে মঙ্গলযান নামের এ রোবোটিক স্যাটেলাইটটি। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল নিয়েও পরীক্ষা চালাবে এটি।
দ্য হিন্দুর এক খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলগ্রহের ভূপৃষ্ঠের ১০টি ছবি পাঠিয়েছে মঙ্গলযান, যাতে মঙ্গলের বিভিন্ন গর্ত দেখা যাচ্ছে। এ ছবিগুলোর মানও ভালো।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশের পর মঙ্গলযান যেসব যন্ত্রপাতি নিয়ে গেছে তার মধ্যে প্রথম কাজ শুরু করেছে ক্যামেরা। এক হাজার ৩৫০ কেজি ওজনের এই রোবটিক স্যাটেলাইটটিতে পাঁচটি যন্ত্র রয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে থার্মাল ইমেজিং স্পেকট্রোমিটার যা ভূপৃষ্ঠের ম্যাপ তৈরি ও খনিজের সন্ধান করবে। আরেকটি হচ্ছে জীবনের চিহ্ন খুঁজতে মিথেন গ্যাস বিশ্লেষক সেন্সর। এ ছাড়া বায়ুমণ্ডল পরীক্ষার সেন্সরও এতে রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলযান কক্ষপথে প্রবেশের সাফল্য প্রসঙ্গে মোদি বলেছিলেন, ‘ভারত সফলভাবে মঙ্গলে পৌঁছেছে। সবাইকে অভিনন্দন। অভিনন্দন পুরো দেশকে। আজ ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে।’
মোদি উল্লেখ করেন, প্রায় অসম্ভবকে অর্জন করেছে ভারত। বিশ্বে ৫১টি অভিযানের মধ্যে মাত্র ২১টি সফল হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ভারত প্রথমবারেই সফলতা পেয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউরোপ সফলভাবে মঙ্গলে মহাকাশযান পাঠিয়েছে।

মঙ্গলযানের সঙ্গী ম্যাভেন
মঙ্গলযান বুধবার মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করার আগে সোমবার সেখানে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নাসার তৈরি ম্যাভেন নভোযানটি। অবশ্য ম্যাভেন তৈরিতে খরচ পড়েছে মঙ্গলযানের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল নিয়ে গবেষণার জন্য এই নভোযানটি বিশেষভাবে তৈরি করেছে নাসা। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠানটির গবেষকেরা বলেন, লাল রঙের গ্রহের বায়ুমণ্ডল নিয়ে অনেক অজানা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে মার্স অ্যাটমোসফিয়ার অ্যান্ড ভোলাটাইল ইভোলিউশন ক্রাফট বা ম্যাভেন। প্রাচীনকালে মঙ্গল উর্বর ছিল বলে ধারণা করা হয়। হঠাৎ করে মঙ্গলে কীভাবে পরিবর্তন এল এই অজানা তথ্য অনুসন্ধান করবেন বিজ্ঞানীরা। মঙ্গলের জলবায়ু, পানি বা ভবিষ্যতে এখানে বসবাস উপযোগী পরিবেশের সন্ধানে মঙ্গলের অতীত ইতিহাস খোঁজার জন্য প্রথমবারের মতো মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে গবেষণার জন্য ম্যাভেনকে পাঠানো হয়েছে। ম্যাভেনের পাশাপাশি কাজ করবে মঙ্গলযান। নাসার প্ল্যানেটারি সায়েন্স বিভাগের পরিচালক জিম গ্রিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত মঙ্গলগ্রহ থেকে তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে পরস্পরকে সহযোগিতার আগ্রহ দেখিয়েছে।

পৃথিবীর কোণায় কোণায় এখন ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। পরবর্তী পদক্ষেপ কী? মানুষের পরবর্তী পদক্ষেপ হচ্ছে পৃথিবীর কক্ষপথে বসতি গড়ে তোলা। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নাসার কর্মকর্তা মহাকাশ বসতি বিশেষজ্ঞ আল গ্লোবাস মনে করেন, মানুষের পরবর্তী যৌক্তিক পদক্ষেপ হচ্ছে কক্ষপথে নিজেদের বসবাসের উপযোগী আবাসস্থল তৈরি করা।

বিশেষজ্ঞ গ্লোবাস দাবি করেন, ‘বড় ধরনের দুর্যোগ এড়াতে ২১০০ সালের মধ্যেই পৃথিবীর বাইরে কক্ষপথে বড় ধরনের ভাসমান আবাসস্থল গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

তিনি বিশ্বাস করেন, শিগগিরই পৃথিবীর কক্ষপথে শহর গড়ে উঠবে। আর লন্ডন থেকে নিউইয়র্কে যেভাবে মানুষ বেড়াতে আসে, তেমনি পৃথিবী থেকে মহাকাশের এই শহরগুলোতে মানুষ বেড়াতে আসবে।

গ্লোবাসের মতে, ‘মানুষ যদি মহাকাশে বসতি তৈরি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, আমরা তা করতে পারি। আমাদের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা ও আর্থিক ক্ষমতা রয়েছে। তাই কক্ষপথে ভাসমান শহর তৈরি না করার কোনো কারণ নেই। আগামী কয়েক শতকে যদি পারমাণবিক যুদ্ধের মতো বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে, তবে মহাকাশে ভাসমান শহর গড়ে না তোলাটাই হবে বিস্ময়কর।’

কেমন হবে মহাকাশের সেই বাড়ি?
মহাকাশে যদি বসতি স্থাপন করা সম্ভব হয়, তবে সেখানকার ঘরবাড়ি দেখতে কেমন হবে? গবেষকেরা বলছেন, একটি কেন্দ্রীয় সিলিন্ডারের চারপাশে ঘূর্ণমান বসতি তৈরি করা যাবে। এই ঘূর্ণমান অংশটি থেকেই কৃত্রিম মাধ্যাকর্ষণ তৈরি হবে এবং এখানকার অধিবাসীরা পৃথিবীর মতোই স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়াতে পারবে।
গ্লোবাস মনে করেন, এ ধরনের পরিবেশে শিশু সুগঠিত মাংসপেশি নিয়ে বেড়ে উঠবে। মহাকাশে দীর্ঘকাল থাকলেও পরে তারা পৃথিবীতে ভ্রমণে এলে এখানকার মাধ্যাকর্ষণের সঙ্গেও মানিয়ে নিতে পারবে। তবে এই বসতির কেন্দ্রীয় কাঠামোর স্থানটিতে শূন্য মাধ্যাকর্ষণ থাকবে। এই বিশাল কাঠামোর বাইরের দিকে চাষাবাদ করা ও শক্তি উৎপাদনের ব্যবস্থা করা সম্ভব। গ্লোবাসের এই ‘মহাকাশ শহর’-এর ধারণা আকর্ষণীয় শোনালেও বর্তমানে তা নির্মাণ করা প্রায় অসম্ভব বলেই মেনে নিচ্ছেন তিনি। এই কাঠামো তৈরির খরচ বহন করা এখন সম্ভব নয়। কিন্তু আগামী শতকে এই ধারণা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। এ ধরনের অবকাঠামো তৈরি করা গেলে মহাকাশে একবারে এক লাখ থেকে কয়েক লাখের বসবাস করা সম্ভব হবে।’

বাধা কোথায়?
মহাকাশে বসতি স্থাপনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বাধা রয়ে গেছে। মহাকাশে বসতি স্থাপনের আগে এই বাধাগুলো দূর করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম বাধাটি হবে মহাকাশে পৌঁছাতে রকেটের খরচ কমাতে হবে। দ্বিতীয় বাধাটি হচ্ছে জীবন রক্ষাকারী প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো সহজলভ্য করা। মহাকাশে তৈরি বসতিকে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। অভ্যন্তরীণভাবে খাবার উৎপাদন ও সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে শক্তির চাহিদা মেটানোর মতো দরকারি বিষয়গুলো ওই শহরেই থাকতে হবে।
মহাকাশের তেজস্ক্রিয়তা থেকে রক্ষার জন্য ওই শহরে বিশেষ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকতে হবে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, মহাকাশের এই তেজস্ক্রিয়তা বড় সমস্যা তৈরি করবে না। (স্পেস ডটকম, ডেইলি মেইল)

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 7