History of Muslim'S

Author Topic: History of Muslim'S  (Read 3116 times)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 316
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #15 on: July 04, 2019, 05:43:44 PM »
শায়খ আব্দুল আযিয আত-তারিফি (হাফি)- এর একটা উক্তি । উনি বলেছেন,
"আল্লাহ কোন জালিমকেও উঁচুতে তুলে ধরতে পারেন। কিন্তু এর কারণ জালিমের প্রতি আল্লাহর ভালোবাসা নয়। বরং তাকে উঁচু জায়গা থেকে আছড়ে ফেলাটাই উদ্দেশ্য। সুতরাং কোন জালিমকে বেশি বাড়তে দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। তার পতন আসন্ন।"

আল্লাহ তা'আলা তাই কুরআনে বলেছেন,
"আমি তাদেরকে এ জন্যে সুযোগ দিয়েছি যেন তাদের পাপ বৃদ্ধি পায়। আর তাদের জন্যে রয়েছে লাঞ্ছনাকর শাস্তি।" (সূরা আলে ইমরান ৩:১৭৮)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 316
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #16 on: July 09, 2019, 08:31:28 PM »
আযানের সময় জরুরিভাবে যে ৫টি আমল করবেন

আযান অত্যন্ত বড় একটি ইবাদত। এটা শুধু মুয়াযযিনের সাথেই সম্পৃক্ত নয়। আযানে পাঁচটি আমল এমন রয়েছে, যা সকল মুসলমান আদায় করতে পারে। অত্যন্ত সহজ ও সুন্দর সেই পাঁচটি আমল এই-

এক. আযানের শব্দগুলো মুয়াযযিন বলার পর হুবহু উচ্চারণ করা। হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, ‘তোমরা যখন আযান শুনবে, তখন মুয়াযযিন যা বলবে, তোমরাও তাই বলো।’ (বুখারী শরীফ, হাদীস-৫৭৬)

তবে ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ এবং ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ বলার পর ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলতে হবে।বুখারী শরীফে অন্যত্র বর্ণিত আছে, হযরত মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা.-এর থেকে এমনটিই শুনেছি। (বুখারী শরীফ, হাদীস-৫৭৮)

দুই. আযান শেষ হবার পর রাসূলুল্লাহ সা.-এর ওপর দরূদ শরীফ পাঠ করা। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন,

‘মুয়াযযিনের আযান শুনে তোমরা হুবহু শব্দগুলো বলো। এরপর আমার ওপর দরূদ পাঠ করো। যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তার ওপর দশটি রহমন বর্ষণ করবেন।’ (মুসলিম শরীফ, হাদীস-৫৭৭)

তিন. রাসূলুল্লাহ সা.-এর জন্য ‘উসিলার মর্যাদা’ প্রত্যাশা করা। পূর্বে উল্লেখিত হাদীসের শেষাংশে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন, সবশেষে তোমরা আল্লাহ তাআলার কাছে আমার জন্য ‘উসিলা’ চাও। ‘উসিলা’ জান্নাতের মধ্যে একটি মর্যাদাবার স্থান।

কেউ তা পাবে না আল্লাহর একজন বান্দা ছাড়া। আমি আশা করি, সেই বান্দা আমিই। সুতরাং যে ব্যক্তি আমার জন্য ‘উসিলা’ চাইবে, তার জন্য আমার শাফায়াত জরুরী হয়ে যাবে।’ (মুসলিম শরীফ, হাদীস-৫৭৭)

চার. তাওহীদের সাক্ষি দেয়া, আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও দ্বীনে ইসলামের প্রতি সন্তুষ্টির ঘোষণা দেয়া। হযরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, মুয়াযযিনের আযান শুনে যে ব্যক্তি বলবে,

أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا
(উচ্চারণ) আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ দাহু, লা শারীকা লাহু, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু, রযীতু বিল্লাহি রব্বাও ওয়া বিমুহাম্মাদিন রাসূলাও ওয়া বিল ইসলামি দ্বীনা, তার সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।’ (মুসলিম শরীফ, হাদীস-৫৭৯)

পাঁচ. আল্লাহ তাআলার নিকট যে কোন দুআ করা। আযানের পর দুআ কবুল হয়। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাযি. থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সা.কে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ!

মুয়াযযিনগণ আযান দিয়ে আমাদের চেয়ে বেশি ফযীলতপ্রাপ্ত হচ্ছে, আমরা কী করব? রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, হুবহু মুয়াযযিনের মত তুমিও বলো। আযান শেষ হলে আল্লাহ তাআলা কাছে চাও, তোমার দুআ কবুল করা হবে। (আবু দাউদ শরীফ, হাদীস-৪৪০)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 316
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #17 on: July 27, 2019, 05:22:04 PM »
আল্লাহ বলেন,
“আমি তাকে (রাসূলকে) কবিতা শিখাইনি, তার জন্য তা সমীচীনও নয়। এই কিতাব তো এক স্মারকপত্র আর স্পষ্ট কুরআন। যাতে সে জীবিত (অন্তরবিশিষ্ট ঈমানদার) ব্যক্তিকে সতর্ক করতে পারে এবং (মৃত অন্তরবিশিষ্ট) কাফিরদের বিরুদ্ধে শাস্তির কথা সঠিক প্রমাণ করতে পারে।” [সূরা ইয়াসীন, ৩৬:৬৯,৭০]

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 316
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #18 on: March 15, 2020, 02:07:14 PM »
মহামারী রোগ

(১) কাফিরদের সাথে যুদ্ধ করা অবস্থায় যুদ্ধের ময়দান হতে যেরূপ পলায়ন করা হারাম অনুরূপ মহামারী স্থান হতে পলায়ন করাও হারামঃ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "প্লেগ রোগ ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়া যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়ার মতোই (গুরুতর অপরাধ)। (কোন স্থানে) প্লেগ ছড়িয়ে পড়লে সেখানেই ধৈর্য ধরে অবস্থানকারী ব্যক্তি শহীদের সাওয়াব পাবে।"

[আহমাদঃ ১৪৮৭৫, হাসান লিগায়রিহী, সিলসিলাহ্ আস্ সহীহাহ্ ১২৯৩, সহীহ আল জামি‘ আস্ সগীর ৪২৭৭।]

(২) মহামারী রোগে মুমিন কিংবা কাফির; যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। তবে ঈমানের উপর নির্ভর করে প্রতিদান ভিন্ন হবেঃ
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্লেগ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে তিনি বললেন, "এটা হচ্ছে একটি আযাব। আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের প্রতি ইচ্ছা করেন তাদের উপর তা প্রেরণ করেন। আর আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর মুমিন বান্দাদের উপর তা রহমত করে দিয়েছেন। কোন ব্যক্তি যখন প্লেগ রোগে আক্রান্ত জায়গায় সাওয়াবের আশায় ধৈর্য ধরে অবস্থান করে এবং তার অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস থাকে যে, আল্লাহ্ তাকদীরে যা লিখে রেখেছেন তাই হবে তাহলে সে একজন শহীদের সমান সওয়াব পাবে।"

[সহীহ বুখারীঃ তাওহীদ প্রকাশনী নম্বর-৩৪৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন নম্বর-৩২২৫।]

Offline 710001113

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 488
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #19 on: November 21, 2020, 12:29:40 PM »
NICE