• Welcome to Daffodil International University.
 

News:

Daffodil International University Forum contains information about Open Text material, which is only intended for the significant learning purposes of the university students, faculty, other members, and the knowledge seekers of the entire world and is hoped that the offerings will aide in the distribution of reliable information and data relating to the many areas of knowledge.

Main Menu

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ

Started by asif.gce, July 12, 2021, 04:18:34 PM

Previous topic - Next topic

asif.gce

ব্যবসাভিত্তিক ম্যাগাজিন ফোর্বসের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যমতে, বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্র্যান্ডের শীর্ষ পাঁচটির মধ্যে চারটিই হলো তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। সর্বোচ্চ ১৫৪ বিলিয়ন ডলার থেকে সর্বনিম্ন ৫৩ বিলিয়ন ডলার ব্র্যান্ড ভ্যালুর এই কোম্পানিগুলো যথাক্রমে অ্যাপল, গুগল, মাইক্রোসফট ও ফেসবুক।

স্ট্যানফোর্ড ডক্টোরিয়াল কম্পিউটার সায়েন্স ডিগ্রি প্রোগ্রামের দুই শিক্ষার্থী ল্যারি পেইজ ও সার্গেই ব্রিনের হাত ধরে যাত্রা শুরু হয় ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগলের। ১৯৯৮ সালে প্রাইভেট কোম্পানি যাত্রা শুরুর এক বছর পরেই বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সিক্যুয়া ক্যাপিটাল ও কেপিসিবি গুগলে বিনিয়োগ করে। এই দুই প্রতিষ্ঠান ২০০১ সালে এরিক স্মিথকে গুগলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন ও তাকে প্রধান নির্বাহী হিসেবে গুগলে যোগদান করান। এর মাত্র তিন বছরের মধ্যেই সিক্যুয়া ক্যাপিটাল, কেপিসিবি ও এরিক স্মিথ মিলে গুগলকে আইপিওতে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।

অ্যাপল ও গুগলের উদাহরণ দিলাম মাত্র। ফেসবুক, ইন্টেল, স্টারবাকস, অ্যামাজনসহ বিশ্বের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর সাফল্যের শিখরে উঠার অবলম্বন হিসেবে কাজ করেছে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বা বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। বিনিয়োগের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই কয়েক'শ গুণ রিটার্ন এসেছে এসব কোম্পানি থেকে। যুক্ত হয়েছে শেয়ার বাজারে।

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

নতুন উদ্যোক্তা তৈরি বা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মানোন্নয়নে পুঁজি সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল। যেমন উদ্যোক্তা বা প্রতিষ্ঠানের ভালো আইডিয়া আছে, সামর্থ্য ও ইচ্ছা আছে, কিন্তু বিনিয়োগের অভাবে প্রতিষ্ঠান বা আইডিয়াকে সাফল্যের মুখ দেখাতে পারছেন না তাদের পাশে দাড়ায় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উদ্যোক্তারা তাদের আইডিয়া, সামর্থ্য, ইচ্ছা, সততা, মেধাকে বিনিয়োগ করে, আর ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান অর্থ বিনিয়োগ করে। মূলত আইডিয়া স্টেজ, গ্রোথ স্টেজ ও এক্সপানসন স্টেজে এসব বিনিয়োগ হয়ে থাকে। ব্যাংক এবং লিজিং কোম্পানির থেকে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ভিন্ন, কারণ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ঋণ দেয় না। বরং কোম্পানির অগ্রযাত্রার ঝুঁকি নেয়। প্রয়োজনীয় পুঁজির জোগান দিয়ে কোম্পানির একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মালিকানা নেয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোম্পানির পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে কোম্পানিকে লোকসানের বদলে লাভের পথে নিয়ে যাওয়ার সবরকম চেষ্টাই করে। কারণ কোম্পানির ক্ষতি বা লাভ হলে উভয়ক্ষেত্রেই অংশীদার হবে উক্ত ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি। ফলে স্টার্টআপ কোম্পানির জন্য বিনিয়োগের সর্বোত্তম উৎস হলো ভেঞ্চার ক্যাপিটাল।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। একক ধনী ব্যক্তি, সরকারি-বেসরকারি পেনশন, পারিবারিক বা দাপ্তরিক, দাতব্য তহবিল, বিদেশি বিনিয়োগকারী বা কর্পোরেশনের একক বা সম্মিলিত তহবিল গঠনের মাধ্যমে একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি গড়ে উঠে।

একটি উদ্যোগের পরিণত ও সফল হওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান। যেহেতু উদ্যোগটির সফলতার উপরেই ভেঞ্চার ক্যাপিটালের লাভ নির্ভর করে তাই উদ্যোগটিকে লক্ষ্যস্থানে নিতে প্রানান্ত চেষ্টা করা হয়। এক্ষেত্রে কোম্পানির আগামীর কয়েক বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা, জনবল নিয়োগ বা দায়িত্ব নেওয়া, অংশীদারিত্ব তৈরি, সমন্বয় ও সর্বোপরি পুঁজির মাধ্যমে সর্বোচ্চ সহায়তা করে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি। শূণ্য থেকে একটি কোম্পানিকে আইপিওতে কিংবা একটি শীর্ষ অবস্থানে নিতে ভেঞ্চার ক্যাপিটালের বিকল্প নেই।

সিলিকন ভ্যালির ভিত্তি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল

তথ্যপ্রযুক্তির পীঠস্থান সিলিকন ভ্যালি। প্রযুক্তি দুনিয়ার সবারই নামটি জানা। সিলিকন ভ্যালি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ৩০০ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত একটি জায়গা, যা বিশ্বের ইন্টারনেট অর্থনীতি এবং উচ্চ প্রযুক্তির বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি। বর্তমানে শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানি গুগল, ইয়াহুর মতো ইন্টারনেটভিত্তিক কোম্পানির জন্ম হয়েছে। একটি আইডিয়াকে বিশ্বের এক নাম্বার পণ্য বা সেবায় পরিণত করেছে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান। আর এই সিলিকন ভ্যালি তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিগুলো। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিলিকন ভ্যালিকে অনুসরণ করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানির সবচেয়ে বেশি প্রভাব দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ভেঞ্চার ক্যাপিটালের গুরুত্ব অনুধাবন করেছিলেন। আর তাইতো ২০১১ সালে স্টার্টআপ আমেরিকা নামে একটি উদ্যোগ নেন। যেখানে প্রাইভেট খাত ও ফেডারেল সরকার যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরি করে। এখন তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ অবস্থানের কথা কারোরই অজানা নয়!

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভেঞ্চার ক্যাপিটালের গুরুত্ব

সরকার ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি। তাই সরকারকে এখনই ভেঞ্চার ক্যাপিটালের জন্য একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখে। প্রথমত বিনিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি ও লাভজনক অবস্থানে নিতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির মাধ্যমে পণ্য ও সেবার মানোন্নয়ন করে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির কারণে একটি উদ্যোগ বা কোম্পানির উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, যা অর্থনৈতিকভাবে আরো লাভবান করে। একইসঙ্গে দেশের অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখে। বস্টন কনসাল্টিং ফার্মের জরিপমতে দুই তৃতীয়াংশের অধিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্টান তাদের বিনিয়োগের মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর বার্ষিক আয় কমপক্ষে ২০ শতাংশ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া প্রায় অর্ধেক প্রতিষ্ঠান তাদের বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিবছর কোম্পানির লাভের পরিমান প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। শুধু উদ্যোগের মানোন্নয়ন নয়, ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মাধ্যমে অধিক সংখ্যাক উদ্ভাবনী প্রকল্প তৈরি হয়। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নতুন পণ্য বা সেবার গবেষনায় ও উন্নয়নে অধিক বিনিয়োগ করে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান।

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বা প্রাইভেট ইক্যুইটি দেশের নতুন ব্যবসায় ও কর্মসংস্থান তৈরি এবং সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি করে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যান্ড প্রাইভেট ইক্যুইটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ভিসিপিইএবি)'সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে গেলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে তেমনভাবে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি হয়নি। দেশে এখনও ব্যাংকিং বিনিয়োগ আধিপত্য বিস্তার করছে। কিন্তু ব্যাংকিং বিনিয়োগের পরিমান কম ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক নয়। তাই নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সবচেয়ে সহায়ক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি করা প্রয়োজন।

দুটি পদক্ষেপ বদলে দেবে বাংলাদেশে ভেঞ্চার ক্যাপিটালের চিত্র

ভেঞ্চার ক্যাপিটালে উন্নত দেশগুলোতে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিকে ট্যাক্স রহিতকরণসহ বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়ার উদাহরণ রয়েছে। অথচ দেশে বর্তমানে কোনো আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানির স্থানীয় শাখা হিসেবে কোনো ফান্ড ম্যানেজার কোম্পানির ডিভিডেন্টের ওপর ৩৫% কর দিতে হয়। যা একটি নতুন কোম্পানির জন্য অত্যধিক। মিউচুয়াল ফান্ডের মতো ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানির জন্য প্রাথমিকভাবে ৫ বছরের জন্য ট্যাক্স হলিডে প্রদান করার প্রয়োজন। অথচ উদ্যোক্তা, ফান্ড ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগকারী তিনজনই ট্যাক্স প্রদান করে থাকেন। ফলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটা বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে এই তিন দফা ট্যাক্স প্রদান। একইসাথে বিনিয়োগ না আসায় স্থানীয় পর্যায়ে আমাদের সফটওয়্যার ও আইটি সেবা খাত থেকে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না। তাই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিগুলোকে ফান্ড ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে অন্তত ২০২১ সাল পর্যন্ত আয়কর অব্যাহতি দেওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদ্যোক্তা তৈরি ও উন্নয়নে ম্যাচিং ফান্ডের ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশেও এই খাতের প্রসারে স্থানীয় এবং সিলিকন ভ্যালির সমন্বয়ে ম্যাচিং ফান্ড ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। দেশের বড় বড় শিল্পপতি, কর্পোরেট হাউজগুলো যাতে এই খাতে বিনিয়োগ করে সেজন্য তাদেরকে প্রনোদনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের ছোট কোম্পানিগুলো যাতে আরো বিনিয়োগ পেতে পারে তার জন্য 'স্মল ক্যাপ বোর্ড' গঠন করে কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সম্প্রতি অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড পলিসি পাশ করেছে। যেখানে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড, প্রাইভেট ইক্যুইটি ফান্ড বা ইমপ্যাক্ট ফান্ডকে অল্টারনেট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এটি একটি সুখবর। তবে বাংলাদেশে যাতে বিদেশি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি সহজেই বিনিয়োগ করতে পারে সেজন্য এই পলিসিতে বেশকিছু পরিবর্তন আনাও জরুরি। সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও পদক্ষেপ নিতে হবে।

বাংলাদেশেই তৈরি হবে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান

তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশ্বের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর দিকে তাকিয়ে এক বাক্যে বলা চলে, বাংলাদেশে বিশ্বজয়ী উদ্যোগ তৈরিতে ভেঞ্চার ক্যাপিটালের বিকল্প নেই! ইতিমধ্যে প্রিয় ডটকম, বাগডুম ডটকম, সহজ ডটকম, চালডাল ডটকম, আজকের ডিল ডটকম ও হ্যান্ডিমামা ডটকোসহ বেশ কয়েকটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ভেঞ্চার ক্যাপিটালের বিনিয়োগ পেয়েছে। সিলিকন ভ্যালিভিত্তিক ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এই বিনিয়োগ করেছে এবং আগামীতেও তাদের এই বিনিয়োগের ধারাবাহিকতা থাকবে। আরও কিছু ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ভালো উদ্যোগ পেলে ও বিনিয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হলে একদিন বাংলাদেশ থেকেই অ্যাংরি বার্ডস, স্ন্যাপচ্যাটসহ বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানির মতো প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশেই তৈরি হবে। আর সেখানে 'দ্য গেইম চেঞ্জার' হিসেবে কাজ করবে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান।

লেখক : ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যান্ড প্রাইভেট ইক্যুইটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ভিসিপিইএবি) এর সভাপতি ও ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটালের জেনারেল পার্টনার। পাশাপাশি তিনি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) এর পরিচালক হিসেবে আছেন। এছাড়া তিনি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ই-জেনারেশন ও দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট বাগডুম ডটকমের চেয়ারম্যান।

Source: https://alochitokhabor.com/2016/10/24/%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82/