Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Anuz

Pages: 1 ... 116 117 [118] 119 120 ... 124
1756
জোড়া গোলের কৃতিত্ব কাল মেসির। ছবি: এএফপিবার্সেলোনার জার্সি গায়ে লিওনেল মেসির আরও একটি জাদুকরী পারফরম্যান্সের সাক্ষী হলো ফুটবল দুনিয়া। আর এই পারফরম্যান্সের ঝলক বার্সেলোনাকে এনে দিয়েছে আরও একটি শিরোপা। উয়েফা সুপার কাপের তীব্র উত্তেজনায় সাজানো এই ফাইনালে সেভিয়াকে ৫-৪ গোলে হারিয়েছে তারা।
চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপাজয়ীরা সঙ্গে ইউরোপের দ্বিতীয় সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতা ইউরোপা লিগ বিজয়ীদের এই লড়াই কাল হয়ে উঠেছিল দারুণ আকর্ষণীয়। খেলাটির প্রতিটি স্তরে লুকিয়ে ছিল একরাশ উত্তেজনা আর শ্বাসরুদ্ধকর আবহ। নিরপেক্ষ দর্শকেরা তো বটেই, মাঠের দুই দলের সমর্থকেরাও রীতিমতো তাড়িয়ে উপভোগ করেছেন এই ম্যাচ। মাঠের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, উত্তেজনার ভেলায় চেপে এই ম্যাচে সত্যিকারের বিজয়ী ফুটবল খেলাটিই।
সেভিয়া নিজেদের দুর্ভাগা কিন্তু ভাবতেই পারে। ৪-১ গোলে পিছিয়ে থাকা ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-৪ বানিয়ে একে অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যাওয়াটা অসম্ভব কৃতিত্বেরই। কিন্তু মেসির মতো তারকারাই সাধারণ এসব ম্যাচে ব্যবধানটা গড়ে দেন—কাল তিবলিসিতে ঘটেছে ঠিক সেই ঘটনাই।
ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল সেভিয়াই। এভার বানেগা এগিয়ে দিয়েছিলেন তাদের। কিন্তু মেসি এই পর্যায়ে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে পরপর দুটি গোল করে বার্সেলোনার আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। এরপর লুইস সুয়ারেজ ও রাফিনিয়া আরও দুটি গোল করলে বার্সেলোনার সহজ জয় একপ্রকার নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছিল। তবে হোসে আন্তোনিও রেইস, কেভিন গামেইরো ও ইয়েভেন কোনোপ্লিয়াঙ্কার তিনটি গোল সবাইকে অবাক করে দিয়েই ম্যাচে ফিরিয়ে আনে সেভিয়াকে। ৪-১ গোলে এগিয়ে থেকেও খেলাটিকে সমতায় দেখে বার্সা সমর্থকেরা আশঙ্কা করছিলেন বিপর্যয়ের। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে মেসির ফ্রিকিক পরবর্তী সময়ে বল পেয়ে পেদ্রো রদ্রিগেজ গোল করে বার্সেলোনাকে এনে দেন স্মরণীয় এক জয়।

1757
Now a days its a common disease. So, this posts may helpful to know more about the disease.

1758
আমাদের দেহের প্রধান অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে লিভার অন্যতম। দেহের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় লিভারের সুস্থতা অনেক জরুরী। সে হিসেবে আমাদের দেহের সুস্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে লিভারের উপরেই। কিন্তু আমাদেরই কিছু বাজে অভ্যাসের কারণে প্রতিনিয়ত মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে লিভার। এরই ফলাফল হিসেবে লিভার ড্যামেজের মতো মারাত্মক সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককেই। অনেকে জেনে বুঝে, আবার অনেকেই না জেনে কিছু বাজে কাজের মাধ্যমে দেহের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই অঙ্গটি নষ্ট করে ফেলছেন ধীরে ধীরে।

১) অনেক দেরি করে ঘুমুতে যাওয়া এবং অনেক দেরি করে ঘুম থেকে উঠা দুটোই লিভার নষ্টের মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়। কারণ এতে শারীরিক সাইকেলের সম্পূর্ণ উল্টোটা ঘটতে থাকে। যার মারাত্মক বাজে প্রভাব পরে লিভারের উপরে।

২) অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠার আলসেমিতে প্রস্রাবের বেগ হলেও বাথরুমে যান না। চেপে শুয়েই থাকেন। এতে করে লিভারের উপরে চাপ পড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে লিভার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়।

৩) অতিরিক্ত বেশি খাওয়াদাওয়া করা লিভারের জন্য ক্ষতিকর একটি অভ্যাস। অনেকেই রয়েছে অনেকটা সময় না খেয়ে একবারে অনেক বেশি খেয়ে ফেলেন। এতে করে হুট করে লিভারের উপরে চাপ বেশি পরে যায়, যার ফলে লিভার ড্যামেজ হওয়ার আশংকা থাকে।

৪) সকালের খাবার না খাওয়া লিভার নষ্টের আরেকটি মূল কারণ। অনেকটা সময় পেট খালি থাকার কারণে অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পাশাপাশি খাদ্যের অভাবে কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে লিভারও।

৫) অনেক বেশি ঔষধ সেবন করা। বিশেষ করে ব্যথানাশক ঔষধ অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ার প্রভাব পড়তে থাকে লিভারের কর্মক্ষমতার উপরে। এছাড়াও ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও ক্ষতি হয় লিভারের। এতে করে লিভার ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয়।
৬) কেমিক্যাল সমৃদ্ধ যেকোনো কিছুই লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কিন্তু আলসেমি ও মুখের স্বাদের জন্য আমরা অনেকেই প্রিজারভেটিভ খাবার, আর্টিফিশিয়াল ফুড কালার, আর্টিফিশিয়াল চিনি ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলি যা লিভার নষ্টের অন্যতম কারণ।

৭) খারাপ তেল ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একই তেলে বারবার ভাজা খাবার বা পোড়া তেলের খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া হলে লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে।

৮) অতিরিক্ত কাঁচা খাবার খাওয়াও লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যেমন আপনি যদি খুব বেশি কাঁচা ফলমূল বা সবজি খেতে থাকেন তাহলে তা হজমের জন্য অতিরিক্ত কাজ করতে হয় পরিপাকতন্ত্রের। এর প্রভাব পড়ে লিভারের উপরেও। সুতরাং অতিরিক্ত খাবেন না।

৯) অতিরিক্ত পরিমাণে মদ পান করা লিভার নষ্টের আরেকটি মূল কারণ। অ্যালকোহলের ক্ষতিকর উপাদান সমূহ লিভারের মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

1759
Thanks for making us alert.......... :)

1760
ঘুমানোর অভ্যাস ঠিকঠাক না হলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এর কারণে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনেও বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই সমস্যা ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনের স্বতঃস্ফূর্ততা, কাজের ক্ষেত্রে মনোযোগ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।


যুক্তরাষ্ট্রের ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে দৈনন্দিন জীবনে ব্যক্তির আচরণ এবং নিজেকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতার সঙ্গে ঘুমের যোগসূত্রের বিষয়টি উঠে এসেছে।

মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক জুন পিলশার বলেন,‘আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রাত্যহিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ। আকাঙ্ক্ষা এবং সুযোগের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়েই মানুষ পরিস্থিতি সামলায়। গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ঘুমের অভ্যাস ও আত্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়টি একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত এবং এই দুটোকে কাজে লাগিয়ে প্রতিদিনের কাজকর্ম ঠিকঠাক রাখা যায়।’

ঘুমের সমস্যা নানা স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করে। ঘুমাতে না পারা, একেক দিন একেক সময়ে ঘুমানো, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার মতো সমস্যাগুলো ওজন বেড়ে যাওয়া এবং উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে উঠে এসেছে নানা গবেষণায়। এ ছাড়া ঠিকঠাক ঘুম না হলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় এবং আশপাশের মানুষের প্রতি আচরণেও তার প্রভাব পড়ে।

মনোবিজ্ঞানী পিলশার বলেন, ঘুমের অভ্যাস ঠিক করতে পারলে সারা দিনের কর্মশক্তি বাড়ে, আচরণ সাবলীল হয়, কাজে মনোযোগ বেশি থাকে এবং ঠিকঠাক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়। ফলে প্রতিদিনের জীবনে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ঘুমের অভ্যাস ঠিকঠাক করার বিষয়ে আমাদের মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।

1761
তথ্যগুলো জেনে ভালো লাগলো............... :)

1762
Life Science / জামের যত গুণ
« on: June 10, 2015, 08:30:14 AM »
জাম নানা দেশে নানা নামে পরিচিত। বড় বিচিত্র সেসব নাম—জাম্বুল, জাম্বু, জাম্বুলা, জামুন, জাম্বোলান, ড্যামসন প্লাম, ডুহাট প্লাম, জাম্বোলান প্লাম, পর্তুগিজ প্লাম ইত্যাদি। ছোট মরিচে যেমন ঝাল বেশি, তেমনি ছোট এই ফলে পুষ্টি ষোলো আনা। জামে শর্করার পরিমাণ থাকে প্রায় ১৫ দশমিক ৫৬ গ্রাম, পটাশিয়াম ৭৯ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেশিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৯ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১৪ গ্রাম। জাম আরও কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানে পূর্ণ। এপ্রিলে জামগাছে ফুল ধরে। আর মে-জুনে এসে জাম পরিপক্ব হতে শুরু করে।

বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ বলেন, জাম কিনে বেশ খানিকটা সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ফরমালিন পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় পানি ব্যবহারে কিছুটা হলেও জামগুলো বিষমুক্ত হবে। জাম খেতে কারও বিধিনিষেধ নেই। তবে খালি পেটে জাম খেলে কারও কারও অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে।

পুষ্টি পূরণের পাশাপাশি জাম কেমন করে রোগ প্রতিরোধ করে, তা জেনে নেওয়া যাক:

1.  জামে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’। প্রকৃতির এই পরিবর্তনের সময় জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রবণতা বাড়ে, জামে এটি দূর হয়।
2.  জামের ভিটামিন ‘এ’ চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। সঙ্গে স্নায়ুগুলোকে কর্মক্ষম রেখে দৃষ্টিশক্তির প্রখরতা বাড়ায়।
3.  জামে থাকা গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং শরীরেও শক্তি সঞ্চিত করে।
4.  দাঁত, চুল ও ত্বক সুন্দর করতে খেতে পারেন জাম। এর উপাদানগুলো ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
5.  ক্যানসারের জীবাণু বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার ক্ষমতা আছে জামের। বিশেষ করে মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
6.  এতে থাকা ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম ও ভিটামিনগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে।
7.  জামে থাকা উপাদানগুলো মেমোরি সেলগুলোকে উজ্জীবিত করে স্মৃতিশক্তি বাড়তে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
8.  নিয়মিত জাম খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
9.  জাম ডায়াটরি ফাইবারে পূর্ণ। তাই দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যে যাঁরা ভুগছেন, তাঁরাও জাম খেলে উপকার পাবেন।
10. যাঁদের কোনো কিছুই মুখে রোচে না, তাঁরা রুচি ফিরিয়ে আনতে জাম খেতে পারেন। ভ্রমণজনিত বমিভাবও দূর করে এই ফল।
11. যাঁরা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তাঁরা নিয়মিত জাম খেতে পারেন। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে জামের জুড়ি নেই।
12. নিয়মিত জাম খেলে হৃদ্রোগ এড়ানো যায়।
13. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও আছে সুখবর। রক্তে চিনির মাত্রা সহনীয় করে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে জামের জুড়ি নেই।

1763
শেয়ার করার জন্য ধন্নবাদ..................

1764
 প্রচণ্ড গরমে অস্থির হয়ে পড়েছেন প্রায় সবাই। রাস্তায় গরম, কর্মক্ষেত্রে গরম। সারাদিন না হয় কোনরকম সহ্য করা গেলো, কিন্তু এই প্রচণ্ড গরমে রাতের বেলাও যে ঘুম হচ্ছে না! সকলের বাড়িতে তো আর এসি নেই, সকলের এসি কেনার সামর্থ্যও নেই। অনেকের ঘরেই বাতাস খুব বেশী চলাচল করে না, ফলে বাতাস চলাচলে ঘর ঠাণ্ডা হয় না। অনেকের বাড়ি আবার ছাদের ঠিক নিচে বলে গরমটা অনেক বেশী লাগ, দিন শেষে ঘরটা হয়ে থাকে উনুনের মত গরম। তাহলে কী করবেন? জেনে রাখুন এসি ছাড়াই সাধারণ টেবিল ফ্যান দিয়েই ঘরকে শীতল করে ফেলার একটি দারুণ উপায়!

ঘরে টেবিল ফ্যান আছে নিশ্চয়ই? না থাকলে একটি টেবিল ফ্যান কিনেই ফেলুন। কেননা এই টেবিল ফ্যানই আপনাকে এসির আরাম দেবে! আর নিশ্চয়ই ঘরে ফ্রিজও আছে। সেটাও হবে বিপদের বন্ধু!

যা যা লাগবে

একটি টেবিল ফ্যান
বড় এক বাটি বরফ


যা করবেন

    -ঘরের জানালা খুলে দিন।
    -এই জানালার দিকে পেছন অংশটা দিয়ে টেবিল ফ্যান ছেড়ে দিন। এমনভাবে দিন যেন জানালার খোলা অংশের ঠিক সামনেই ফ্যানটা ঘরে। এই টেবিল ফ্যান বাইরের ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে টেনে আনবে।
    -তারপর টেবিল ফ্যানের ঠিক সামনে একটি বড় বাটি ভর্তি বরফ রাখুন। এমনভাবে রাখুন যেন বাতাস এই বরফের গায়েও লাগে।
    - আর তারপর দেখুন ম্যাজিক। কিছুক্ষণের মাঝেই আপনার ঘর থেকে গরম হয়ে যাবে একেবারে গায়েব! শুধু গায়েব না, ঘরটা হয়ে উঠবে শীতল। যতক্ষণ বরফ থাকবে, শীতল ভাব বজায় থাকবে। বরফ গলে গেলেও ঘরটা গরম হবে না।

1765
Too much inspiring..........

1766
বাজারে এসেছে ভ্যালুটপের নতুন একাধিক মডেলের তারহীন ব্লুটুথ স্পিকার। সর্বোচ্চ ১০ মিটার দূরত্বে স্পিকারগুলো কাজ করে। স্পিকারগুলোতে মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করেও গান শোনা যাবে। রয়েছে অক্সিলারি ইনপুট, কার্ড রিডার ফাংশন, ইউএসবি সাউন্ড কার্ড ফাংশন ইত্যাদি। কম্পিউটার সিটি টেকনোলজিস লিমিটেডের বাজারে আনা এ স্পিকারের দাম ২ হাজার ২৫০ টাকা।

1768
Personally I appreciate this idea. Hopefully, this will be a big gather.

1769
কথাটা জেনে খুব ভালো লাগলো, আমি অনেক আগে থেকেই যে কাজটা করি তা বিজ্ঞান্সম্মত............ :D

Pages: 1 ... 116 117 [118] 119 120 ... 124